এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ১৮ জুন ২০১৪ ২০:২২241290
  • আর কথা তো এটাই, ফুটবল যদি তাঁদের ভালো লাগে, তাঁরা দেখবেন !
    তুমি যদি প্রতিবাদ জানিয়ে নির্দ্বিধায় দেখতে পারো ( সেই দেখা নিয়ে আমার কোন বক্তব্যই নেই), তাহলে কোলকাতায় যদি কেউ প্রতিবাদ জানিয়ে দেখেন ( দেখছেন কিনা যদিও জানিনা), তাহলে তাঁকে গঙ্গাজল ছিটোনোর পরামর্শ দিয়ে খিল্লি কেন, সেটা বুঝলাম না।
  • Abhyu | ১৮ জুন ২০১৪ ২০:২১241289
  • বুনু নুন খাওয়া ছেড়ে দেবে টাটাকে বয়কট করে।
  • সে | ১৮ জুন ২০১৪ ২০:২০241288
  • সায়ন,

    আরে ধুর! সফ্ট কপি? হে হে। ইস্কুলের খাতায় লিখে জমা দিয়েছিলো, বাকি কাগজপত্র কবে ঝেঁটিয়ে বিদেয় হয়ে গেছে। প্লাস ঐ ঘটনাতো লেখেই নি ওরা।

    এমনি কতো অভিজ্ঞতা হয়, সেসব কোথায় জমাবো? স্মৃতিতে যা একটু আধটু জমে, বাকি সব ফ্লাশ!
  • pi | ১৮ জুন ২০১৪ ২০:১৯241287
  • সরকারকে 'বয়কট'টা কীভাবে করতে হবে ? ঃ)
    '
  • pi | ১৮ জুন ২০১৪ ২০:১৮241286
  • সরকার, টাটা কেন আসছে ? ঐ একই যুক্তিপরম্পরায় আসছে।

    তবে তিনি 'অধিক মহান বা দারুন হনু' এরকম কোন ক্লেইম কেউ করেছেন বা সেটা অন্যের উপর চাপিয়ে দিতে চেয়েছেন বলে তো একেবারেই কিছু জানা নেই !! এটাই তো বরং চাপিয়ে দেওয়া কথা হয়ে গেল মিঠুদি।
  • blank | ১৮ জুন ২০১৪ ২০:১৫241285
  • না থাকার কি আছে? লোক কে বুঝিয়ে ভিউয়ার শিপ কমালেই ইমপ্যাক্ট হবে। টাটার প্রোডাক্ট সপ্তাখানেক বয়কট করলেই ইমপ্যাক্ট। তবে ওসবে খাটুনি আছে।
    টোকেন প্রতিবাদের ইমপ্যাক্ট একটাই - বেশ বিপ্লবী কেতা লাগে।
  • | ১৮ জুন ২০১৪ ২০:১৪241284
  • ব্রাজিলের মেহনতী জনতার সঙ্গে একাত্ম হয়ে এবং সরকারের সব অন্যায়াবিচারের প্রতিবাদ জানিয়ে( এখন সরবে জানালাম, মানে লিপিবদ্ধ করে রাখলাম আর কি) রোজ বিশ্বকাপের সব ম্যাচই দেখার চেষ্টা করবো।
    নিজের সংগামী, অন্যরকম, ব্যতিক্রমী,সুবিধেবাদী কোনো মুখ বা মুখোশ নিয়েই এতটুকু অস্বস্তি নেই- ফুটবল ভালোলাগে,দেখছিঃ)
  • | ১৮ জুন ২০১৪ ২০:১২241283
  • সরকার, টাটা ইত্যাদি বারবার আসছে দেখছি। সে নিয়ে আমি কোনো বক্তব্য রাখিনি।কাজেই সেটার উত্তর দেবার কোনো দায় নেই।
    যিনি বা যারা প্রতিবাদ করেছেন এবং করেন নি- তারা দুজনেই ফুটবল ভালোবাসেন বলে খেলা দেখতে পারেন-যিনি প্রতিবাদ করে দেখছেন তিনি 'অধিক' মহান বা 'দারুন হনু'- এমন কোনো বিশ্বাসও আমার নেই।কেউ সেই বিশ্বাস চাপিয়ে দিতে চাইলে আমি অবশ্যই খিল্লি করবো।

    কোলকাতায় যারা ফিফার বিরুদ্ধে স্ট্রিট ক্যাম্পেনিং করে লোককে রাস্তায় নামতে আহ্বান জানাচ্ছেন- ফিফাকে বয়কট করতে বলছেন-তাদের দেখে আমার মতামত যা আছে তাই থাকবে। অর্থহীন মনে হলে একশোবার অর্থহীন বলবো।'অন্য কারুর'মনে হওয়া দিয়ে 'কারুরই' মতামত বদলাবে নাঃ)
  • pi | ১৮ জুন ২০১৪ ২০:০৯241282
  • ও হ্যাঁ, নিচের লেখাটা যিনি লিখেছেন তিনি আম্রিগার অলিম্পিক সকার টিমের সদস্য ছিলেন।
  • pi | ১৮ জুন ২০১৪ ২০:০৭241281
  • এই সিস্টেম নিয়ে আপত্তি থাকলে তাইলে মাওবাদীদের রাস্তা ছাড়া আর কিছুতেই 'ইম্প্যাক্ট' নেই ঃ)
  • pi | ১৮ জুন ২০১৪ ২০:০১241280
  • Why you should root for the World Cup protesters
    Fifa is more like a mob outfit than a soccer federation. Demand reform while you're hoping for your team to win

    এটা পড়ে অট্ট বা মুচকি হাস্য করতেই পারেন।
    তবে না, এটা কোলকাতার কোন পোস্টার নয়।

    এক হপ্তা আগে গার্ডিয়ানের লেখা।

    আরো লেখা, These telegenic interventions deserve our genuine attention, but long-distance solidarity only goes so far. For the millions of us watching the World Cup – and the attendant protests – from afar, it's time to focus our attention on the plutocratic puppet-master behind the entire process: Fifa.

    তবে এই লেখক এই লং ডিস্ট্যান্স সলিডারিটি দেখানোর সাথে সাথে খেলা দেখতে হলে গঙ্গাজলের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কিচ্ছু বলেননি দেখলাম, উল্টে সেটাই করতে বলছেন !

    ফিফা কী কী করে, আর এ নিয়ে কী কী দাবি তোলা যেতে পারে এখানে লেখা আছে।
    দমদি দেখতে পারো।

    http://www.theguardian.com/commentisfree/2014/jun/10/world-cup-protesters-fifa-demand-reform
  • blank | ১৮ জুন ২০১৪ ১৯:৫৮241279
  • বুঝলাম না যে এই ইমপ্যাক্ট হীন টোকেন প্রতিবাদের কি অর্থ? কলার চওড়া হওয়া ছারা?
    নিজেরা খেলস দেখা বয়কট করবো, অন্য লোককে বয়কট করাবো। এই ভাবে চেন বড় হলে তবে আসবে ইমপ্যাক্ট। নইলে এই শখের প্রতিবাদে লোকে হাসবেই।
  • d | ১৮ জুন ২০১৪ ১৯:৫২241278
  • মোট কথা ঝালে ঝোলে অম্বলে বেঁচে থাকলেই হলো। খেলাও দেখবো প্রতিবাদও করবো, সিঙ্গুর আন্দোলনও করবো টাটার সাথে যুক্তও থাকবো। ধর্মেও আছি জিরাফেও আছি সময়টাও দিব্যি কাটছে।
  • pi | ১৮ জুন ২০১৪ ১৯:৪৩241277
  • ব্রাজিলে যাঁরা প্রতিবাদ করছেন, তঁদেরও বেশিরভাগই ফুটবল ও ব্রাজিল দলের ভক্তই। আগেও লিখেছিলাম। তাঁরা প্রতিবাদ করে তার্পর আমাজনের জল ছিটিয়ে সেই ভক্তি বজায় রাখেন কিনা অবশ্য জানিনা। আমি তো দুটোর মধ্যে কোন বিরোধিতাও দেখতে পাইনি।
    আবার সেই পুরানো তক্কো গুলো মনে পড়ে গেল। সিঙ্গুর নিয়ে বলছো যখন টাটার নমক খেতে পারবে না, টাটার কোনোকিছুর সাথে যুক্ত হতে পারবে না ইঃ ইঃ।
    একই যুক্তিতে সরকারের বিরুদ্ধে বললে সরকারি সবকিছুকেও বোধহয় বয়কট করতে হয় ঃ)। কিম্বা কিছুমিছু ছিটিয়ে নিতে হয়।

    এনিওয়ে, কোলকাতায় যাঁরা ফিফা নিয়ে প্রতিবাদ করেছেন, তাঁরা বিশ্বকাপ দেখছেন কিনা সে কথা আমি জানি না, দেখলেও তাই নিয়ে খিল্লি করার বা নাক কোঁচকানোর মত কিছু খুঁজে পাইনা, কেন সেটা আগেই বলেছি।
  • Arpan | ১৮ জুন ২০১৪ ১৯:৪২241276
  • চিলে, হেইটি, মেহিকো - সব বড় হয়ে শিখেছি।
  • aka | ১৮ জুন ২০১৪ ১৯:৪০241275
  • ও চিলের চিলেয়ান নাম হল চিলে।
  • | ১৮ জুন ২০১৪ ১৯:৩৫241274
  • এদেশে তো চিলেই বলে। চিলিও লোকেরাও চিলে বলে তো।
    (আমার বন্ধু হোয়ান হোসে বলেছে)
  • b | ১৮ জুন ২০১৪ ১৯:৩৪241273
  • ম এর কথাটা বলতে জাচ্চিলাম।"- তাও ঐ যে, মাঠের মধ্যে দুটোদল একটা বল নিয়ে দৌড়োচ্ছে দেখলেই জাগ্রত বিবেক ঘুমিয়ে পড়ছে"।
    শুধু ঘুমিয়ে নয়, অনন্তশয়নে যাচ্ছে। ক্যা কঁরে?
  • aka | ১৮ জুন ২০১৪ ১৯:৩২241272
  • আচ্ছা আমাদের ছোটবেলার চিলি কবেথেকে চিলে হয়ে গেল? সবাই ইনক্লুডিং ছেলেও বলে চিলে।
  • | ১৮ জুন ২০১৪ ১৯:৩০241271
  • ব্রাজিলের মেহনতী জনতার সঙ্গে একাত্ম হয়ে এবং সরকারের সব অন্যায়াবিচারের প্রতিবাদ জানিয়ে( এখন সরবে জানালাম, মানে লিপিবদ্ধ করে রাখলাম আর কি) রোজ বিশ্বকাপের সব ম্যাচই দেখার চেষ্টা করবো।
    নিজের সংগামী, অন্যরকম, ব্যতিক্রমী,সুবিধেবাদী কোনো মুখ বা মুখোশ নিয়েই এতটুকু অস্বস্তি নেই- ফুটবল ভালোলাগে,দেখছিঃ)

    কোলকাতার রাস্তায় যারা ফিফার বিরুদ্ধে মানুষকে পথে নামার আবেদন জানাচ্ছেন,তাদের দেখে অট্টহাস্য করতে পারলে ভালো হত,নেহাত ছোটবেলার অভ্যাস তাই পারছি না, মুচকি হাসছি। ব্রাজিলের সাধারণ মানুষের কষ্ট যারা তুলে ধরেছে তারা সত্যবাদী আর কিউবার দৈন্যদশা যারা তুলে ধরে তারা প্রোগাবাদী-এই বিশ্বাস বুকের মধ্যে জ্বলজ্বল করছে টেরও পাচ্ছি- তাও ঐ যে, মাঠের মধ্যে দুটোদল একটা বল নিয়ে দৌড়োচ্ছে দেখলেই জাগ্রত বিবেক ঘুমিয়ে পড়ছে।খুব খারাপ যদিওঃ((

    'গঙ্গাজল' এক্কেবারেই এক্সক্লিউসিভলি তাদের জন্যে,যারা পোস্টার লিখে পথে বক্তৃতা দিয়ে বাড়ি গিয়ে টিভি চালিয়ে খেলা দেখবে। ভালোবেসে নিজের গায়ে ছিটিয়ে নেবেন না।
  • সায়ন | ১৮ জুন ২০১৪ ১৯:২৫241270
  • বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে ফিক্সিং'এর জন্য মহম্মদ আশরফুলকে আট বছরের জন্য ব্যান করা হল -
    http://www.espncricinfo.com/bangladesh/content/story/753529.html

    আইপিএল'এর ম্যাচগুলো আতসকাঁচের নীচে রেখে দেখলে এরকম কতো রথী বেরোতো কে জানে।
  • সায়ন | ১৮ জুন ২০১৪ ১৯:০০241269
  • সে, অ্যামেজিং এফর্ট! প্রজেক্ট রিপোর্টগুলোর সফ্‌ট কপি পাওয়া যাবে? অবশ্যই যদি কোনও কপিরাইট ভায়োলেশন বা অন্য অবলিগেশনস না থাকে।
  • সে | ১৮ জুন ২০১৪ ১৮:১৮241268
  • পাই,
    রেলওয়ের রাতের কাজের শ্রমিক? যাদের নাম আদমসুমারীর লিস্টিতে নেই, তারা?
    বলছি।
    আমার বড়োমেয়ে ইস্কুলের ফাইনাল ইয়ারে "এক্স্‌ট্রীম" বলে একটা প্রোজেক্ট করেছিলো। অনেকগুলো গ্রুপ। এরা এমন কিছু করবে যেটা "এক্স্‌ট্রীম"। একেকটা গ্রুপের একেকটা "এক্স্‌ট্রীম" থিম। তো মেয়ের গ্রুপে চার পাঁচটি মেয়ে। এরা থিম নিলো গোটা সপ্তাহ সারারাত জেগে এমনসব কাজের রিপোর্ট বানাবে যেগুলো রাতের কাজ। দিনে ঘুমোবে।
    যেমন - নাইটক্লাবের বাঈজিদের রিপোর্ট, খবরের কাগজের অফিসের কাজ, যে মেডিকেল স্টোরগুলো সারারাত খোলা থাকে, রেলগাড়ী যারা সাফাইয়ের কাজ করে, ইঃ। একেক রাতে একটা বা দুটো। সন্ধ্যে আটটায় বেরিয়ে যেত একা, তারপরে পার্মিশন নিয়ে নিয়ে ঐসব কর্মক্ষেত্রে গিয়ে সারারাত কাটানো ও সকাল নটা দশটায় বাড়ী ফেরা। ভোরের দিকে রাস্তায় বেঞ্চিতে ঘুমিয়ে নিতো ওরা, ট্রান্স্‌পোর্ট চালু হলে লাইব্রেরী গিয়ে রিপোর্ট লিখে তবে বাড়ী ফিরত।
    সেই রাতে গেছে রেল ইয়ার্ডে, যেখানে গাড়ীগুলো ঘুমোয় সারারাত। গাড়ীর আগাপাসতলা ধোয়া হয়, ভ্যাকুয়াম ক্লীনিং হয়, মোছা হয়, চাকা ফাকা সব পরিষ্কার করা হয়।
    তো ওরা ইন্টারভিউ নেবে কর্মীদের। দিব্যি আওয়াজ পাচ্ছে জলের পাইপের, ওরাও রেল লাইন ধরে এগোচ্ছে। ওমা! পৌঁছতেই সব চুপচাপ। কেও নাই। অন্ধকার। ওরা তো একটু থমকে গেছে। ঘোরাঘুরি করছে, বোগির লাইটগুলো কেমন সব নিভে গেছে। ওখানে নেশাখোরেরাও থাকতে পারে, তাই অল্প ভয় ও ধরেছে মনে। কিন্তু ফিরে যাবার আগে একটু অপেক্ষা করল। নাঃ কেও নাই। সবই হয়ত মনের ভুল। ওরা হিরে চলল। রাত তখন দেড়টা দুটো। যেই পঞ্চাশ মিটার এগিয়েছে ওমনি অল্প আলোর আভাস, পেছন ফিরে দ্যাখে বোগিগুলোয় আলো, জলের আওয়াজ। নাঃ ভূতের ভয় পায় নি। চুপচাপ পাটিপে টিপে ঐ নুড়ি বিছোনো ট্র্যাক ধরে প্রায় নিঃশব্দে ওরা ফের এগিয়ে যায় ওয়াগনগুলোর দিকে। গিয়ে দ্যাখে বেশ কিছু কালো ও বাদামী রিফিউজিগোছের মানুষ মানুষী গাড়ী ধুচ্ছে। ওদের হসসা ওখানে দেখে ওরা ভ্যাবাচাকা খেয়ে যায় ও যে জেদিকে পারে পালায়, আলো না ভিয়েই। চাকার পেছনেও লুকোয়।
    ওরা ইন্টারভিউ নিতে চায়, কিন্তু পারে না। তখন অভয় দেয়, ওরা এক দুজন এগিয়ে আসে। ভয়ে ভয়ে। কেউ জার্মান জানে না। ভাঙা ভাঙা ইংরিজিতে যা বাক্য বিনিময় হয় তাতে জানা যায় যে এরা সব অ্যাসাইলাম সীকার, ইল্লিগাল ইমিগ্র্যান্ট। এদের অ্যাসাইলাম গ্রান্টেড হয় নি। তাই লুকিয়ে রয়ে গেছে - আন্‌অ্যাকাউন্টেড হেডকাউন্ট। এরা কোনো এক এজেন্সীর হয়ে কন্ট্র্যাক্টে কাজ করে, রাতের অন্ধকারে।
    ঐ চার পাঁচটা মেয়েকে দেখে ভেবেছিলো ইমিগ্রেশন পুলিশের লোক, ওদের ধরে নিয়ে গিয়ে ডিপোর্ট করবার জন্যে এসেছে।
    মেয়েরা এসব দেখে অবাক হয়ে যায়।
    ওরা মেয়েগুলোকে অনুরোধ করে হাতে পায়ে ধরে, যেন ওদের কথা কোথাও পাবলিশ করা নায় হয়, মাইগ্রেশন অফিস জানতে পারলে ওদের রোজগার বন্ধ হয়ে যাবে, ওরা যে ট্যাক্স দেয় না, সোশ্যাল সিকিওরিটিও দেয় না, প্লাস ভাষা জানে না, সর্বোপরি ইল্লিগ্যাল মানুষ।
    মেয়েরা কথা দেয় এবং প্রোজেক্ট রিপোর্টে এদের কথা লেখেনি।
  • | ১৮ জুন ২০১৪ ১৮:১২241267
  • আরে আমি আমাদের ব্যাঙের কথা বলছি। :-))
  • Arpan | ১৮ জুন ২০১৪ ১৮:০৮241266
  • দমু জানতে না?

    এইটা কমলকুমার উবাচ। মানিকবাবুর সঙ্গে কথোকথনে।

    প্রসঙ্গটা ছিল বোধহয় সাব অল্টার্নদের জীবন নিয়ে সিনিমা বানানো নিয়ে।
  • pi | ১৮ জুন ২০১৪ ১৮:০৬241265
  • ওঃ গান্ধী, এতক্ষণে পেলাম। কাল যেটার কথা বলেছিলাম।

    A year later, though, reality set in. FIFA officials headed back to Europe with billions in untaxed earnings as South African officials scrambled to cover high maintenance costs for stadiums the country couldn’t use, and struggled to minimize the economic shock of government investment suddenly drying up. In the end, the promised post-World Cup tourism boom never materialized, and South Africa only earned back an estimated $1 billion of the $4 billion that it spent on the games. As the South African writer and soccer fan Fikile-Ntsikelelo Moya wrote in a Facebook post last week, “Honest South Africans will accept that spending the amounts of money on a month-long festival that only the wealthy can afford is unjustifiable in a country with huge and immediate social needs.”

    এই তিন বিলিয়ন খরচ হবার কথাটা সবাই বলেছে, ইন্ক্লুডিং সরকার।
  • haargentina | ১৮ জুন ২০১৪ ১৮:০৫241263
  • ভগবান হাত দিয়ে গোল ও করত
  • | ১৮ জুন ২০১৪ ১৮:০৫241264
  • 'ব্যাঙ তো জানেই না ওর একটা বৈজ্ঞানিক নাম আছে' - একক উবাচ।
    :-)))
  • pi | ১৮ জুন ২০১৪ ১৭:৫৭241262
  • রোমারিও উবাচ ঃ
    “Only Fifa is profiting, and this is one more good reason to go to the streets and protest.
  • pi | ১৮ জুন ২০১৪ ১৭:৫৫241261
  • gaandhee। দঃ আফ্রিকার আরো কিছু হিসেবনিকেশ ঃ

    The Swiss Labour Assistance (SLA) organisation published a report in 2010 which was a preliminary evaluation of the South African World Cup....

    Fifa was enriched by the tournament and the construction companies made money but they left behind debts and stadiium maintenance costs that are preventing the economy from improving.
    For example, the country still needs 23 billion rand (£1.3bn) to prevent the collapse of its wastewater treatment system.
    At the end of 2010 there were 12 million people in poor housing conditions. The 40bn rand (£2.3bn) cost of the 2010 World Cup could have built nearly 500,000 housing units which would have housed a quarter of those in poor conditions.
    According to the SLA the tangible benefits of the World Cup were greatly exaggerated to legitimise a major rip-off and profiteering by Fifa, its commercial partners and local monopoly capitalists.
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত