এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৩)

    সিকি
    নাটক | ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ | ১৪৭১৪৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PT | 213.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১২:২৯659852
  • ফ্রেট ইকুয়ালাইসেশন নিয়ে একেবারেই কেউ কিছু বলেনি-শুধু পিটি-ই বলছে তা ঠিক নয়ঃ
    Interestingly, even as large investments were made steel plants in state with large deposits of manganese and coal as in Bihar, Madhya Pradesh,
    Orissa, and West Bengal, the forward linkages from these large investments were nullified by having “freight equalisation policy” – policy of subsidising freight charges to equalise the prices of steel across the country.
    http://www.nipfp.org.in/media/medialibrary/2013/04/wp05_nipfp_036.pdf
  • PT | 213.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১৩:৩৮659853
  • "কিন্তু পলিসি ভুলের জন্যে তারপর কৃষি/শিক্ষা/চিকিৎসাক্ষেত্রে অবনমন শুরু হয়।"
    আমার জানতে ইচ্ছে যায় যে পব-র চারপাশের রাজ্যগুলো এবং মধ্য- ও উত্তরপ্রদেশ যেখানে বামেদের "পলিসি ভুলের" ব্যাপার ছিল না, সেগুলো কেন মহারাষ্ট্র, গুজরাত ব তামিলনাদুর মত উন্নত হতে পারেনি?
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১৪:১৯659854
  • উঃপ্র, মঃপ্র মার খেয়েছে ইনফ্রস্ট্রাকচারে ও আইন-শৃঙ্খলায়। এই সবকটা রাজ্যে রাস্তাঘাট ও আইন-শৃঙ্খলা খুব খারাপ ছিলো।
    পর'র শিল্প সমাধির একটা বড় কারন নিশ্চই মাসুল সমীকরণ নীতি। পব'র তথাকথিত রূপকার বিচরা এই বাঁশটা নিজে নিজে খাইয়েছিলেন। তার উপর দেব উল্লিখিত কেন্দ্রীয় নীতিসমূহ যখন ৬০এর দশকে পবতে শিল্পের চরম দূরাবস্থা তৈরী করলো, যখন বেকার সমস্যা, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি অসহনীয় অবস্থায় পৌঁছালো, লক আউট আর ছাঁটাই যখন রোজকার বিষয় হয়ে দাঁড়ালো, তখন ট্রেডইউনিয়ান কি পেন্টুল নামিয়ে বলবে - আয় বাবা মেরে যা!!!

    বামেরা ক্ষমতায় এসে কম্পিউটার অবরোধ, ট্রেডইউনিয়ানে দাদাগিরি, ইনফ্রাস্ট্রাকচারে নজর না দেওয়া, কৃষিতে অপারেশন বর্গার পরে ও ফলে যে সমস্যার উদ্ভব হয় (কৃষি ক্রমশঃ অলাভজনক হয়ে ওঠা) তার সমাধান নিয়ে আর কিছু না ভাবা - এই করে আরও বাঁশ দিয়েছে।
  • dc | 132.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১৪:৫৩659855
  • PT মাসুল সমীকরন নীতি নিয়ে বেশী পোস্ট করছেন কারন ওটা রাজ্য সরকারের হাতে নেই, তাই রাজ্য সরকারকে দোষ দেওয়া যাবেনা। বেশ। আর মিলিট্যান্ট ট্রেড ইউনিজমকে পাশ কাটিয়ে যাচ্ছেন কারন ওটা জ্যোতিবাবুর বানানো সমস্যা (বা জ্যোতিবাবু ওটা কন্ট্রোল করতে পারেননি), তাই ওটা নিয়ে বলতে গেলে জ্যোতি বসুর ভুলের কথা বলতে হয়। এটা আপনি ভালো পলিসি নিয়েছেন ঃ-)
  • PT | 213.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১৫:৪২659856
  • @dc
    " low profitability is the key problem in West Bengal, rather than labour militancy."
    এটা সম্পুর্ণ অন্য তথ্য আর আমার লেখা নয়।

    আপনি যদি বাম রাজনীতি ও ট্রেড-ইউনিয়ন আন্দোলন প্রসঙ্গে শুধু আবাপ-র তথ্যের ওপরে নির্ভর করেন তাহলে সমস্যা আছে। আবাপ বরাবর কট্টর বাম মতাদর্শের বিরোধী ও অ-বাম তত্বের প্রচারক। বামেরা যখন ক্ষমতায় ছিল না তখনো তারা পৃথিবীর সব সমস্যার জন্য বামেদের দায়ী করত।

    আপনি আমার দেওয়া লিং-এর লেখাটিতেই যথেষ্ট বিষয় পাবেন যেখানে বাম সরকারের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। কিন্তু সেটি বিষয়ভিত্তিক, রাজনৈতিক অবস্থান ভিত্তিক নয়।

    কিন্তু যদি ধরেও নিই যে আপনিই ঠিক কথা বলছেন তাহলে মধ্য- উত্তরপ্রদেশ সহ পব-র চার পাশের অবাম-শাসিত রাজ্যগুলোর পশ্চাদপদতার কারণ খোঁজা জরুরী। সাধারনতঃ যারা "জঙ্গী-ট্রেডিনিয়ন" তত্বের সঙ্গে পব-র "পিছিয়ে" থাকার সম্পর্কে বিশ্বাসী তাদের পক্ষে এই রাজ্যগুলোর পিছিয়ে থাকার কারণ খোঁজা অসুবিধেজনক হয়ে থাকে।
  • . | 133.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১৬:১৬659857
  • সেকি এই যে একটু আগে সিলিকন ভ্যালির দিকপাল নিদান দিয়ে গেলেন মাশুল সমীকরণ নীতি র আগে বাঙালি অনায্য সুবিধা পেত?
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১৬:২১659858
  • শিক্ষা, রাস্তাঘাট ইত্যাদি নিয়ে ওই অর্থনীতিবিদদের ২০০২ এ যে বক্তব্য ও নিদান ছিল তার কতটা কাজে এল?

    আর মাশুল সমীকরণ সত্ত্বেও মধ্যপ্রদেশ/ছত্তিশগড়ের পোজিশন কতটা এগিয়েছে বা পিছিয়েছে এবং বঙ্গ কতটা এগিয়েছে/ পিছিয়েছে দেখলেই হয়!
  • dc | 132.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১৭:০৭659859
  • PT, আপনার দেওয়া রিপোর্টে বলছে low profitability is the key problem in West Bengal, rather than labour militancy। অথচ ঐ সময়ের অনেকেই বলেছে যে লেবার মিলিট্যান্সির জন্য অনেক শিল্প পব ছেড়ে চলে গেছিল (মাশুল সমীকরন আরেকটা কারন)। ঐ সময়ের মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু পরে মনে করেছেন যে মিলিট্যান্ট ট্রেড ইউনিয়নিজম করা ঠিক হয়নি। এই দুটো ভিন্ন অ্যাঙ্গেল কিভাবে মেলাবেন? আমার মনে হয় এদুটো মেলানো যায় আপনার কোট করা অংশের পুরো জায়গাটা দেখলেঃ

    A recent joint study by the World Bank and CII based on data from over a thousand firms, provides some support for the view that low profitability is the key problem in West Bengal, rather than labour militancy. The study only reports data for the group of what they call the poor investment climate states. West Bengal, tellingly, is in this group, along with Kerala and UP. Value added per worker in these states is at least 30 per cent lower compared to what the study calls the best investment climate states (Maharashtra and Gujarat). In an effort to assess the contribution of various factors towards low profitability in these poor investment climate states, the study surveyed opinions of a large number of entrepreneurs. The entrepreneurs themselves believed that labour market rigidities, represented by over-manning of factories, is less important in these particular states than it is elsewhere in India (excluding the best
    climate states).
    While this is consistent with the evidence, cited above, on the relative weakness of workers in West
    Bengal, it should not be read as saying that the West Bengal government does not need to grapple with the issues of industrial relations. For even according to these numbers, firms in Maharashtra and Gujarat are much leaner than their counterparts in West Bengal.... And the fact that workers in West
    Bengal are less aggressive than they used to be after all these years of industrial decline, is no guarantee that industrial strife will not pick up as soon as growth revives

    তাহলে দেখুনঃ প্রথমত - অন্য poor investment climate স্টেটগুলোর সাথে পবর কম্পেয়ার করা হচ্ছে (যেমন কেরল আর ইউপি) আর বলা হচ্ছে এই সাবসেটের মধ্যে পবতে ট্রেড ইউনিয়নিজমজনিত সমস্যা তুলনামূলকভাবে কম। মানে যে স্টেটগুলো অলরেডি ইনভেস্টমেন্ট ফ্রেন্ডলি না সেগুলোর মধ্যে পবতে এই সমস্যা তুলনামূলকভাবে কম।

    দ্বিতীয়ত - তার মানে এই না যে পবতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশন জনিত সমস্যা নেই। রিপোর্ট লেখার সময়ে, মানে ২০০২তে, ট্রেড ইউনিজম একটু কমে এসেছে, কারন অল্রেঅডি পবতে ইন্ডাস্ট্রির হাল খারাপ। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রি ফিরলে ট্রেড ইউনিয়ন সমস্যাও আবার মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে।

    তার মানে এই রিপোর্টের অথররাও কিন্তু ট্রেড ইউনিয়ন সমস্যা নিয়ে ওয়াকিবহাল। আর ঠিক এই সমস্যার কথাই হয়তো জ্যোতি বসু নিজেও বুঝতে পেরেছিলেন।

    আর আপনি নানান রাজ্যের সঙ্গে কম্পেয়ার করছেন, সেটা একটা দিক। আমি যদি দুটো অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মধ্যে কম্পেয়ার করি, জ্যোতিবাবু আর বুদ্ধবাবু? বুদ্ধবাবু ট্রেড ইউনিজম কমানোর দিকে জোর দিয়েছিলেন আর ইনভেস্টরদের পবতে আমন্ত্রন করেছিলেন। এই প্র্যাগম্যাটিক পদক্ষেপগুলো জ্যোতিবাবুর সময়ে কেন নেওয়া হয়নি?
  • dc | 132.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১৭:১২659860
  • "আপনি আমার দেওয়া লিং-এর লেখাটিতেই যথেষ্ট বিষয় পাবেন যেখানে বাম সরকারের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। কিন্তু সেটি বিষয়ভিত্তিক, রাজনৈতিক অবস্থান ভিত্তিক নয়।"

    আমিও বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করতেই বেশী আগ্রহী, ডান বা বাং রাজনীতিতে আমার খুব একটা আগ্রহ নেই ঃ-) এখন যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চাইছি তা হলো মিলিট্যান্ট ট্রেড ইউনিয়নিজমের জন্য পবর ইনভেস্টমেন্ট ক্লাইমেটের ক্ষতি হয়েছিল কিনা আর এর ফলে পব থেকে ফ্লাইট অফ ক্যাপিটাল হয়েছিল কিনা।
  • cm | 127.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১৮:৩৩659862
  • রাজনীতির রং ছাড়া বিষয়্ভিত্তিক আলোচনার জন্য তো পরিষ্কার তথ্য লাগবে। যেমন এই এই কারখানা ট্রেড ইউনিয়নিজমের জন্য বন্ধ হয়েছিল। সেরকম কিছু তো আপনি বলছেননা।
  • cm | 127.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১৮:৩৪659863
  • dc বাবুকে বললাম।
  • dc | 132.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১৮:৫৭659864
  • cm এর জন্য গুগল থেকে এই রিপোর্ট আর তার থেকে তথ্য পেলামঃ

    Beneath the surface mood of fun, however, the Marxist leaders were taut with anxiety - West Bengal's economy is in the doldrums. They were also debating how to tackle the main factor contributing to this - an over-militant labour. The number of man-days, lost in West Bengal touched a staggering 19.04 million in '79, more than half the 37 million for the whole country. Even Maharashtra, with all its knife-and-fisticuff trade unionism, lost just 2.5 million man-days.

    In West Bengal last year, strikes alone accounted for 15.96 million man-days lost, leaving 3.08 million man-days to lockouts. The colossal waste was due mainly to a 50-day strike in the jute industry. In terms of man-days, this translated into a mammoth 10 million man-days lost. Strikes in India Foils (10 months), British Paints (11 months) and Lipton (seven months) contributed in no small measure.

    Read more at: http://indiatoday.intoday.in/story/citu-conference-beneath-the-surface-mood-of-fun-marxist-leaders-taut-with-anxiety/1/409794.html

    http://indiatoday.intoday.in/story/citu-conference-beneath-the-surface-mood-of-fun-marxist-leaders-taut-with-anxiety/1/409794.html

    রিপোর্টের ডেটটা বুঝতে পারছি না। ১৯৭৯ এর কথা বলা হয়েছে আর মুখমন্ত্রী জ্যতি বসুর কথাও বলা হয়েছে, তবে পেজের ওপর ডেট দেখাচ্ছে জানুয়ারি ২০১৪।
  • dc | 132.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১৯:০৬659865
  • গুগল থেকে আরো কয়েকটা রিপোর্ট আর লিংকঃ

    At the meeting in Rajarhat, Khaitan, who is also the vice-president of the Bharat Chamber of Commerce, jogged Banerjee's memory by referring to a 45-year-old incident.

    "I reminded the chief minister that in 1969, an expatriate CEO of a certain company had been beaten by workers. The chairman of that company had gone to Writers' Building (the state secretariat) to seek help, but returned disappointed. Soon after, the company pulled out of Bengal," says Khaitan. Unfortunately, for Bengal, the tale of the exit narrated by Khaitan was not an isolated one; it was one of many.

    ...

    Mittal senior had begun the Ispat story with the takeover of an ailing rolling mill in Kolkata. In 1994-95, the company's corporate headquarters moved to Mumbai. "In the last few years before our move to Mumbai, the situation in Bengal had stabilised, but there were new business opportunities in Maharashtra," says his son.

    Mittal was not the only one to move out. If the '60s and early '70s can be identified with the Naxal movement, then the '80s through to the '90s could well be referred to as the period of militant trade unionism. In July 1998, for instance, Keith Weston, managing director of Bata, was hospitalised with a deep gash following an assault at the hands of a trade union leader. Not much later, the company moved its headquarters from Bengal.

    Militant trade unionism, coupled with a slow moving economy, spurred the exit of many companies. From tea major Brooke Bond India to ICI India, Shaw Wallace, the Singhanias of J K Tyre and electronics giant Philips India, all deserted Bengal.

    In the latter half of 1990s, the Left Front government, realising its folly, decided to promote industry.

    http://www.business-standard.com/article/companies/labour-s-shadow-over-bengal-industry-114062800732_1.html
  • dc | 132.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১৯:০৮659866
  • cm, বেশ কিছু নাম জানা গেলো। আর dd দার এই লিস্টটাও খেয়াল করবেনঃ "রেকিট কোলম্যান, ব্রুক বন্ড,লিপটন, আই সি আই,, আইটিসি(হোটেল ডিভিশন) সব হেড আপিস সরিয়ে নিয়ে গেলো। একটার পর একটা বড়ো কোং মুখ থুবড়ে পরলো।"

    একটা একটা করে নাম ধরে সার্চ করলে বোধায় আরও তথ্য পাওয়া যাবে।
  • dc | 132.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১৯:২৮659867
  • গুগুল থেকে আরেকটা রিপোর্ট পেলাম, তবে এটা পব না, কেরল নিয়েঃ

    Kerala is one of the most industrially backward states with only 210 large and medium-scale industries. Not one private entrepreneur has come forward in the last 10 years to set up a major industrial unit. Existing ones prefer to move out rather than concede unreasonable demands.
    The annual remittances of Rs.600 crore from the Gulf should have fuelled an industrial boom. But thanks to the state's labour situation, most prefer to invest their money in non-productive assets like gold and real estate.
    Kerala's cashew industry once accounted for nearly half of the world's exports and employed over one lakh workers. But unreasonable demands forced a large chunk of the industry to move to Tamil Nadu where wages were less than half those in Kerala. The story is the same in the coir and beedi industry.

    http://indiatoday.intoday.in/story/militant-trade-unionism-drives-companies-out-of-kerala-turns-state-into-industrial-graveyard/1/314900.html

    PT বাবুর দেওয়া রিপোর্টে কেরল আর ইউপিরও উল্লেখ ছিল poor investment climate স্টেট হিসেবে।
  • PT | 213.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১৯:৪১659868
  • এটা খানিকটা অন্ধের হস্তি দর্শনের মত। ঐ জন্যেই রাজনৈতিক রং চলে আসে-মানে সেটাকে দৃষ্টিকোণ বলতে পারেন। তাই আরো একটা বিষয় দেখা দরকার। কত ম্যান-ডে ধর্মঘটের জন্যে নষ্ট হয়েছে আর কত লক-আউটের জন্য। এই তথ্যও আমার দেওয়া লিং-এ আছে।

    কিন্তু অন্য ভাবনাও আছে। যিনি বাম সরকারকে ruthless facist মনে করেন তিনিও কলকাতার সর্বনাশের শুরু দেখছেন ষাটের দশকেঃ

    But then the decline began – the ruthless suppression of the intelligentsia – the murders of some of the most brilliant young minds that India had at that time – all carried out by the Congress and so-called Left parties in cahoots with each other completely broke the spine of this middle class.

    While capital flight took place and one by one almost all big companies shifted to other cities and the Ruhr of India became an industrial graveyard with one closed factory after another, the more advanced intelligentsia too fled the state to other states to study and work.
    https://arjunsen.wordpress.com/2013/02/02/the-decline-and-fall-of-kolkata/
  • dc | 132.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১৯:৪৯659869
  • এতোগুলো লিংক আর রিপোর্ট পড়েও অন্ধের হস্তিদর্শন মনে হলো? এখানে কিন্তু ধর্মঘট আর লক আউটের হিসেব আলাদা করে দেওয়া আছেঃ

    In West Bengal last year, strikes alone accounted for 15.96 million man-days lost, leaving 3.08 million man-days to lockouts. The colossal waste was due mainly to a 50-day strike in the jute industry. In terms of man-days, this translated into a mammoth 10 million man-days lost. Strikes in India Foils (10 months), British Paints (11 months) and Lipton (seven months) contributed in no small measure.
  • cm | 127.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ২০:১১659871
  • স্ট্রাইক কেন হয়েছে কিছু বুঝতে পারছেন? নাকি আপনি মনে করেন কোন অবস্থাতেই স্ট্রাইক হতে পারবেনা। কল্লোলদার পোস্ট আবার পড়ুন। মনে হয়না ইস্যুটা অত সহজ।
  • PT | 213.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ২০:১১659870
  • পব-কে ভারত থেকে আলাদা করে দেখার সমস্যা বহুবিধ। আর সেই জন্যেই অন্ধের হস্তিদর্শন হচ্ছেঃ
    It is worth putting these numbers in the context of other Indian states. The one year for which we have data from the other states is 1996. The Indian Labour Handbook tells us that West Bengal had only 16 strikes in that year, which puts it lowest among all the major states. These 16 strikes affected 27,000 workers, compared to 143 strikes in Tamil Nadu that affected 37,000 workers, or 129 strikes in Gujarat affecting 1,20,000 workers........

    ....On average about two crore man-days were lost each year due to lockouts in the early 1990s. And while that number has come down since, it was still over a crore a year at the end of the 1990s. Indeed in 1996, the one year we can make an interstate comparison, West Bengal was the national runner-up in lockouts, with 80 lockouts according to the Indian Labour Handbook (and 144 according to the revised numbers issued by the state government). The government of West Bengal numbers also tell us that the number of lockouts in any year in the 1990s did not go below 120 when the median number of lockouts in the other states
    was less than 20. In 1996 West Bengal was also the state with the highest number of man-
    days lost DUE TO LOCKOUTS.
    (আগের লিং।)
  • dc | 132.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ২০:২৪659873
  • আপনি কিছু কোম্পানির নাম চেয়েছিলেন যারা অত্যধিক স্ট্রাইক বা মিলিট্যান্ট ট্রেড ইউনিয়নিজমের জন্য পব ছেড়ে চলে গেছিল। আমি গুগল করে কিছু নাম দিলাম, তার আগে ডিডিদাও কয়েকটা নাম বলেছিলেন লিংক না দিয়ে। তর্কটা শুরু হয়েছিল আমার মন্তব্য থেকে, যেখানে আমি বলেছিলাম জ্যোতি বসুর সময়ে মিলিট্যান্ট ট্রেড ইউনিজমের জন্য পব থেকে অনেক শিল্প চলে গেছিল। এরকম কিছু নাম পাওয়া গেল। আর আমার কিছু অ্যাড করার নেই ঃ-)
  • sm | 233.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ২২:২২659874
  • এত কিছু বলে কি হবে? আগে পিটি বাবু যুক্তি পূর্ণ জবাব দিন বাম আমলে NH ৩৪, দিল্লি রোড,যশোর রোড এগুলো চার লেন হয় নি কেন?মমতার আমলে চোখের সামনে দেখছি, দিল্লি রোডে অনেকটা কাজ এগিয়েছে,NH ৩৪ এ নর্থ বেঙ্গল সাইডে ৯০ শতাংশ চার লেন হয়ে গিয়েছে। যশোর রোডেও এয়ারপোর্ট এর দিকটায় কাজ হচ্ছে।
    এটাকে কি অন্ধের হস্তি দর্শন বলা যায়?
  • PT | 213.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ২৩:২৯659875
  • sm
    রাস্তার ব্যাপারে এক্ষপার্ট নই। আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে গেলে অনেক হোম-ওয়ার্ক করতে হবে। তাবে NH-6 ধরে বহু বছর মানুষ দিব্য যাতায়ত করছে। সেসব রাস্তা বাম আমলেই তৈরি হয়েছিল।
    আর এখন কোন রাস্তা হচ্ছে মানে সেসব জমি বহু আগে অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। যেমন যশোর রোডের জন্য নেওয়া জমি জবর-দখল হয়েছিল এতদিন। সেই জমি এই সরকার এখন reclaim করেছে।
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ২৩:৫৩659876
  • আগে বলা হল কোথায় এমন তথ্য আছে?
    --তথ্য দিলে বলা হল ডেটা দিয়ে রাজনীতিবিহীন আলোচনা করুন।
    -- ডেটা দিলে বলা হল--স্ট্রাইক আর লক আউট আলাদা করে দেওয়া হোক।
    --- সেও দেয়া হল। তখন বলা হল --এসব অন্ধের হস্তীদর্শন!
    বিরোধী মত হলে হয় ছাগল নয় অন্ধ!!

    আর পিটির হিসেবে এই ইন্টারনেটের যুগে এসব ডেটা তো নিজেরই দেখতে পাওয়ার কথা।ঃ))))
    কে যে কী দর্শন কচ্চে!!!
  • dc | 132.*.*.* | ০১ এপ্রিল ২০১৫ ০৬:৩২659877
  • রঞ্জনদা ভালো সামারাইজ করেছেন :d
  • PT | 213.*.*.* | ০১ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:৫৮659878
  • RR
    আপনার এই অবস্থানটা বুঝলাম না।
    যদি কেউ "বিশ্বাস" করতে চান যে ""জ্যোতি বসু মিলিট্যান্ট ট্রেড ইউনিয়নিজমের নামে পব থেকে অনেক শিল্প তাড়িয়েছিলেন"-এবং ইহাই একমাত্র সত্য, তো সেই বিশ্বাস ভাঙ্গাবার কোন চেষ্টা আমি করছি না।
    মূলতঃ আবাপ-সৃষ্ট এই গপ্পটি ছাড়াও অন্যান্য গবেষণামূলক মত ও তথ্য যে অন্তর্জাল ঘাঁটলেই পাওয়া যায় সেটাই আমি দেখিয়েছি।

    সেতো অনেকেই এখনো নন্দীগ্রামের মাটিতে বাচ্চার ঠ্যাং ছিঁড়ে পুঁতে দেওয়া হয়েছিল বলে বিশ্বাস রাখে। হাজার তথ্য-প্রমাণ দিলেও কিছুতেই নিজেদের ভুল স্বীকার করেনা।
    তো সে আর কি করা যাবে!!
  • dc | 132.*.*.* | ০১ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:২৬659879
  • ""জ্যোতি বসু মিলিট্যান্ট ট্রেড ইউনিয়নিজমের নামে পব থেকে অনেক শিল্প তাড়িয়েছিলেন"-এবং ইহাই একমাত্র সত্য" - এটা তো কেউ বলেছে বলে মনে হয়না। তবে আরো কিছু সত্যের মধ্যে ইহাও একটি সত্য। আর এর স্বপক্ষে বেশ কিছু রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে যার অনেকগুলি আবাপ গোষ্ঠির নয়।

    উল্টোদিকে একটি লাইনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে, low profitability is the key problem in West Bengal, rather than labour militancy, যেখানে ওই রিপোর্টের ওই প্যারাগ্রাফেই লেখা যে ওই বাক্য কেবলমাত্র poor investment climate স্টেটগুলোর জন্য প্রজোয্য, যেমন কেরল, ইউপি ও পব। এর মধ্যে ট্রেড ইউনিয়নিজমের জন্য শুধু যে পব থেকেই শিল্প গেছে তা নয়, কেরল থেকেও গেছে। যে রিপোর্টে কেরলের কথা বলা হয়েছেও সেটিও আবাপ-র না। না, কারুর কোন বিশ্বাস ভাঙ্গাবার কোন চেষ্টা আমিও করছি না।
  • PT | 213.*.*.* | ০১ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:৩৫659880
  • dc
    আপনি প্রথম যখন এই বাক্যটি ব্যবহার করেন (Date:29 Mar 2015 -- 02:11 PM) তখন এর সঙ্গে পব থেকে শিল্প চলে যাওয়ার আর অন্য কোন কারণ দেখান নি। তাই এত তক্কের অবতারণা। অবিশ্যি এখন "তবে আরো কিছু সত্যের মধ্যে ইহাও একটি সত্য" বাক্যটি ব্যবহৃত হওয়ায় কিছুটা স্বচ্ছন্দ বোধ করছি।
  • shatadal | 87.*.*.* | ০১ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:৪৯659881
  • জ্যোতি মিলিট্যান্ট ট্রেড ইউনিয়ন করে শিল্প তাড়িয়েছে ঠিকই করেছে। সমস্ত ভাল পলিটিশিয়ানের প্রথম কাজ হল তার কনস্টিটুয়েন্সিকে খুশি রাখা। জ্যোতি তাই করেছে। তাতে কিছু লোককে অন্য রাজ্যে গিয়ে চাকরি করতে হল কিনা সেটা কোন ব্যাপার নয়।

    মমতা যা করছে তাতেও লোক এই কমপ্লেন করছে যে রাজ্যে শিল্প আসছেনা বা চলে যাচ্ছে। কিন্তু মমতার প্রথম কাজ নিজের ভোটাররা যা চাইছে তাই করা। আবাপর ঘ্যানঘ্যানানি না শুনলে কোন ক্ষতি নেই।

    আবাপও যা করলে নিজেদের লাভ তাই করছে। কাগজ একটু অ্যান্টি-গভর্নমেন্ট গরম গরম দিলে লোকে ভাল খায়। আবাপ তাই দিচ্ছে।
  • dc | 132.*.*.* | ০১ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:৫২659882
  • PT, আমি লিখেছিলাম "জ্যোতি বসু মিলিট্যান্ট ট্রেড ইউনিয়নিজমের নামে পব থেকে অনেক শিল্প তাড়িয়েছিলেন, সেটার কনটেক্স্ট বোধায় আলাদা।" ওখানে আমার লেখা উচিত ছিল, শিল্প যাওয়ার পেছনে আরো কারন ছিল, যেমন ফ্রেট ইকুআলাইজেশন।

    তবে কিনা দেখুন তার পরেই একটা পোস্টে লিখেছি, "PT বাবু, ডিডিদা বলেছেন "শুরু হয়েছিলো তার আগের থেকেই। শয়ে শয়ে কল কারখানা পঃ বঃ থেকে পাত্তারী গোটাচ্ছিলো।" আর "সবটাই ট্রেড ইউনিয়ন বল্লে ভুল হবে। কিন্তু অনেকটাই এর জন্য দায়ী।" দুটোই মেনে নিচ্ছি। সত্তর আশির দশকের রাজনীতির ফার্স্টহ্যান্ড আইডিয়া আমার নেই, আপনি বা ডিডিদা যা বলবেন নিশ্চয়ই মানবো। তবে ডিডিদার কথাতেও দেখছি, আর গুগল করেও দেখছি, ট্রেড ইউনিয়নিজমের জন্য অনেক ইন্ডাস্ট্রি পব থেকে চলে গেছে। অন্তত যাওয়ার পেছনে একটা ফ্যাক্টর ছিল।"

    যে কোন ইভেন্টের পেছনেই একাধিক কারন থাকে, এটা মানতে আমার কোন অসুবিধে নেই। তেমনি পব থেকে শিল্প যাওয়ার পেছনে মিলিট্যান্ট ট্রেড ইউনিয়নিজমও একটা কারন।

    যাই হোক, এই নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়ে ভালই হলো। আমি ভেবেছিলাম সেসব পুরনো খবরের লিংক এখন বোধায় আর পাওয়া যায়্না, কিন্তু গুগল করতে গিয়ে দেখলাম কিছু কিছু রিপোর্ট এখনো থেকে গেছে। অনেক কিছু জানলাম।
  • dc | 132.*.*.* | ০১ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:৫৬659884
  • আরেকটু পরিষ্কার করে লিখে দি, PT যে পোস্টের কথা বললেন সেটা পড়ে যদি আপনার মনে হয়ে থাকে যে ট্রেড ইউনিয়নিজমই শিল্প যাওয়ার পেছনে একমাত্র কারন এরকম বলেছি, তাহলে আমার লেখায় ভুল হয়েছে। এই ভুলের জন্য দুঃখিত। আরেকবার বলে নি, কয়েকটা কারন ছিল, যেমন ফ্রেট ইকুয়ালাইজেশন আর ট্রেড ইউনিয়নিজম।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন