এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সিকি | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ১১:৩১252990
  • এমনিতেই ভয়ে ছিলাম, পিএফ অফিসের কেরানি, নিশ্চয়ই খেঁকুড়ে বুড়ো টাইপের কেউ হবে।

    পান্ডে লোকটা বয়স্ক বটে, কিন্তু এত ভালো ব্যবহার আমি জাস্ট কল্পনা করতে পারি নি। ফর্ম 13এর কপি নিয়ে গেছিলাম, উনি সিস্টেম থেকে আমার চেক বাউন্সের বিস্তারিত ইতিহাস প্রিন্ট আউট নিয়ে বসে বসে ট্যালি করলেন। দেখা গেল পিএফ অফিস থেকে অ্যাকাউন্ট নাম্বার লেখার সময়ে একটা 1 কম লিখে ফেলেছিল - তাই চেক বাউন্স।

    আমাকে কিছু করতে হল না, উনি বললেন, আমি রি-ইনিশিয়েট করিয়ে দিচ্ছি, তুমি নিচে গিয়ে এই ফর্ম 13এ একটা স্ট্যাম্প মারিয়ে নাও। কোনও ফলোআপের দরকার হলে এটা নিয়ে সরাসরি আমার কাছে চলে আসবে।

    নিচে নেমে দেখি লম্বা লাইন। অন্তত পঁয়ত্রিশজনের পেছনে আছি। আজ অর্ধেক দিনের অফিস ভোগে গেল - এই ভেবে লাইনে দাঁড়িয়ে ঘামছি, এমন সময়ে পাণ্ডেজি কী কারণে নিচে নেমে এলেন। লাইনে আমাকে দেখেই, "আরে তুমি এখনও লাইনে আছো? দাও আমাকে দাও, আমি দেখছি" বলে আমার হাত থেকে ফর্ম 13 নিয়ে দরজা খুলে সোজা কাউন্টারের ভেতরে। নিজেই ফোটোকপি করিয়ে কাউন্টারের লোকটাকে খুঁচিয়ে তাকে দিয়ে স্ট্যাম্প মারিয়ে আমার হাতে দিয়ে বললেন, নিশ্চিন্তে যাও, খুব তাড়াতাড়ি তোমার টাকা ট্রান্সফার হয়ে যাবে।

    সেদিন ছিল ২০শে জুন।

    জুলাই গেল, আগস্ট গেল, টাকা ক্রেডিট হয় না। তো, কাল আবার গেছিলাম। উনি আমাকে দেখেই চিনতে পারলেন। হাত থেকে পিএফ অ্যাকাউন্টের ডিটেল নিয়ে আবার সিস্টেম ঘেঁটে দেখলেন টাকা ট্রান্সফার হয়ে গেছে ৭ই জুলাই।

    পান্ডেজি খুব অ্যাপোলোজেটিক ভঙ্গিতে আমাকে পুরো স্টেটাস রিপোর্টের প্রিন্ট আউট দিয়ে দিলেন, পুরো ৭ পাতা। অ্যাপোলোজেটিক কারণ, ওঁর প্রিন্টারে কালি ফুরিয়ে এসেছে, প্রিন্ট আবছা আসছে। বললেন, এটা নিয়ে গিয়ে তোমার অফিসের ফিনান্সকে দেখাও, ওরা নিশ্চয়ই আপডেট করতে ভুলে গেছে। যদি এটা পড়তে কোনও সমস্যা হয়, পরের সপ্তাহে যে কোনওদিন চলে এসো, আমি বেটার প্রিন্ট আউট দিয়ে দেব। অসুবিধে হলেই চলে এসো।

    অফিসে এসে ফিনান্সকে মেল করলাম। বিকেল নাগাদ জানলাম, ঠিক তাই। টাকা এসে গেছে সাতই জুলাই, ওরা আপডেট করে নি।
  • সিকি | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ১১:২২252989
  • পবঙ্গ বনাম দক্ষিণ ভারতের কর্মসংস্কৃতি নিয়ে আলোচনা চলছে, ওখানে গল্পটা লিখলাম না। এখানেই লিখে দি।

    গেলবছর মনে পড়েছিল আমি ২০০৮ সালে একটা কোম্পানি ছেড়েছিলাম, তার পিএফ ট্রান্সফার করা হয় নি। অনলাইনে গেলে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে পুরো টাকাটা পুরনো পিএফ অ্যাকাউন্টেই পড়ে রয়েছে। অতএব, দিলাম পিএফ ট্রান্সফারের অ্যাপ্লিকেশন করে। সে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাস।

    হিসেবমত বর্তমান কোম্পানি সেটা সই করে (ফর্ম 13) পাঠায় আগের কোম্পানিকে। আগের কোম্পানি তাতে স্ট্যাম্প মেরে পাঠায় ইপিএফও আপিসে, ট্রান্সফারের জন্য।

    অনেকদিন হয়ে গেল, অক্টোবর, নভেম্বর। ডিসেম্বরে আগের কোংয়ে ফোং করে জানলাম ডিসেম্বরের ফার্স্ট উইকে আমার টাকা ট্রান্সফার হয়ে যাবেই।

    ডিসেম্বর গেল। জানুয়ারি গেল। ফেব্রুয়ারি গেল। মাঝে মঝে আমি ফলোআপ করতাম আর "এই পরের সপ্তাহেই হয়ে যাবে", "আর এক সোমবারের মধ্যেই এসে যাবে" এইসব শুনতাম। তারপরে সেই কোম্পানির ফিনান্স উত্তর দেওয়াও বন্ধ করে দিল।

    কোম্পানিটা নয়ডাতে। আর আমার আগের পিএফ অ্যাকাউন্টও নয়ডাতে। ফিনান্স অফিসারকে ফোন করলাম, বললেন, ইয়ার এন্ড খুব বিজি আছেন। এপ্রিল মাসে ট্রান্সফার হয়ে যাবেই।

    মে মাসের শেষে খুব খুব রেগে গিয়ে আগের কোম্পানির ফিনান্স ম্যানেজার, এইচার ম্যানেজার, ডিসি হেড সব্বাইকে মেল পাঠিয়ে দিলাম, আপনাদের ফিনান্স অফিসার আমার সঙ্গে কোঅপারেট করছেন না।

    তাতে ফিনান্স অফিসারের খুব গোঁসা হল। তিনি আমাকে মেল লিখে জানালেন, তোমার ফাইল জানুয়ারি মাসে ইপিএফও অফিসে পাঠানো হয়ে গেছে, আমাদের আএর কোনও দায় নেই। তুমি গিয়ে খোঁজ নাও গে যাও।

    ভাগ্যক্রমে ইপিএফও অফিসটা নয়ডাতেই। জুন মাসে একদিন গেলাম। গিয়ে দেখি চেক বাউন্স করেছে - পেয়ি নট ফাউন্ড। এনকোয়্যারিতে বিস্তারিত জানতে চাওয়ায় বলা হল সেকেন্ড ফ্লোরে মিস্টার পান্ডের সঙ্গে দেখা করো।

    (চলিতং)
  • সিকি | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ১০:১৩252988
  • আপিসে ইউটিউব দেখতে পারবো না। তুই গেয়ে শুনিয়ে দে।
  • Abhyu | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৯:৪০252987
  • আর সিকির জন্যে
  • Abhyu | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৯:৩৯252986
  • পেয়েছি
  • Abhyu | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৯:৩৬252985
  • আচ্ছা হৃদয় আমার নাচেরে আজিকে গানটার একটা ভালো রেন্ডারিং কেউ দিতে পারেন? লতার গাওয়া না। সুচিত্রা কি? কারো একটা গাওয়া শুনেছিলাম - উল্লাসে কারে যাচে রে - শুনলেই উল্লাসটা অনুভব করা যায় - ওগো নির্জনে বকুল শাখায় দোলায় কে আজি দুলিছে দোদুল দুলিছে দোদুল দুলিছে ...
  • Abhyu | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৮:৩৯252984
  • FDAর কড়াকড়িতে এখন লিপটনের দার্জিলিং চায়ের পাতা আমেরিকায় পাওয়া যায় না।
  • সিকি | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৮:২৪252983
  • ও সরি, স্বাধীনতা দিবস হল স্বতন্ত্রতা দিবস।
  • hzbz | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৭:৫৮252982
  • আমার মনে হয় খিস্তি দিতে হলে বলে।
  • Abhyu | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৭:৫৫252981
  • স্বাধীনতা দিবসকে গণতন্ত্র দিবস বলে?
  • hzbz | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৭:৪৮252980
  • গণতন্ত্র দিবসকে খিস্তি দিচ্ছেন?
  • siki | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৭:৩৫252979
  • এইমাত্র গুমগুম করে কোথায় যেন এক্কিশ তোপোঁ কি সালামি হল। গড়ঁতন্ত্র দিবস ইজ কামিং।
  • bong kim | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৭:০৯252978
  • সবই মনে হয় ব্যবসা, সাইমন ফাউন্ডেশনের।
  • bong kim | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৬:৩৪252976
  • ও হরি স্ট্যানফোর্ড থেকে তিন ঘন্টা আগেই অ্যানাউন্স করেছে দেখছি। আর পেলো
    আর্তার আভিলা, মার্টিন হায়রার, ভার্গভ।
  • a x | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৬:৩৩252975
  • কিসের গেস? অ্যানাউন্স করে দিয়েছে তো বেশ কিছুক্ষণ আগে।
  • bong kim | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৫:৫০252974
  • দুর এসব আন্দাজি কথা বলেন কেন? এগুলো সব গেস।
  • a x | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৫:১২252973
  • এবং প্রথম মহিলা ফিল্ড মেডালিস্ট, মারিয়াম মির্জাখানি।
  • Abhyu | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৫:০৭252971
  • আর ইন্দ্রাণীদি, বাঁশের সাজেশন যে দমুদির প্রতি আমার গভীর প্রীতির উদাহরণ সেটা বুইলে না?
  • i | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৫:০৭252972
  • এবারে সোসেন ও জামাই এর জন্য আমার প্রথম বি বার একখানি গল্প দিয়ে পালাব। সর্ষের টইতে দিয়েছিলাম অনেক কাল আগে। সেখান থেকেই টুকে দিলামঃ

    যখন পায়ের তলায় সর্ষে পড়েছিল অর্থাৎ পা হড়কে গতিজাড্যে চলতে শুরু করেছিলাম, তখন সদ্য বে করেছি।সত্যি কথা বলতে কি, আমার প্রথম বিবাহ বার্ষিকীতেই পায়ের তলায় প্রথম সর্ষে পড়ল।

    সে সময় কর্মসূত্রে আমরা ভিন্ন প্রদেশবাসী-ঠিক হোলো বিয়ের এক বছর পূর্তিতে আমি যাবো তাঁর শহরে-ছুটির মেয়াদ সাত দিন।
    ঠিক এক মাস আগে তাঁকে যেতে হ'ল ম্যানিলায়, ফেরার দিন অনিশ্চিত; কোম্পানীর লোকজন আর আত্মীয়স্বজনের সৌজন্যে আমার ভিসা যোগাড় হয়ে গেল-ঐ সাত দিন ম্যানিলায় কাটাবো।
    আগে যেমন ঠিক ছিল সেইমতো বিকেল বিকেল রাজধানীতে চড়ে বসলাম, পরদিন রাতে ফ্লাইট দিল্লি থেকে; জম্পেশ খেয়ে দেয়ে তো রাতে ঘুম দিয়েছি, যত বারই ঘুম ভাঙে, ট্রেনের নট নড়ন নট চড়ন নট কিচ্ছু।।।
    সকালে শুনি বিশাল লেট-কোথায় কোন মালগাড়ী উল্টে পড়েছিল সেজন্যই এই হাল-যত বেলা বাড়ে, গাড়ী তত লেট হয় আর আমার টেন্‌শন তত বাড়ে -খাবার দাবার, বাথরুমের জল একে একে ফুরিয়ে সন্ধ্যে ৭টায় দিল্লি স্টেশনে নামলাম-আমাকে তখন কোম্পানীর কর্তার সঙ্গে দেখা করতে হবে, তিনি যেন কি দেবেন সঙ্গে নিতে, টাকা বদলাতে হবে-রাত সাড়ে ১১টায় ফ্লাইট।নিজের স্নান, খাওয়া, পোষাক বদলানোর কথা সেই মুহূর্তে ভাবাটাই বিলাসিতা।
    গাড়ী খারাপ হওয়া ইত্যাদি আরো কিছু বিপর্যয় পেরিয়ে প্লেন ধরতে পেরেছিলাম, ভোররাতে হংকং নামতে হবে, সেখান থেকে ম্যানিলা-সেটাই আমার প্রথম বিদেশে পাড়ি।

    ভোররাতে হংকং পৌঁছলাম-খিদেয় চোখে অন্ধকার-আগের দিন প্রায় কিছু পেটে পড়ে নি, প্লেনে মধ্যরাতে যখন খেতে দিয়েছিল তখন আমি ঘুমিয়ে কাদা।লাউঞ্জে ঢুকেই সসেজ আর কোক কিনে দাম দিতে গিয়েই মাথা বোঁ করে ঘুরে গেল। প্রথম বিদেশ পাড়ি, ডলার খরচ করতে গেলেই তাকে পঁয়তাল্লিশ দিয়ে গুণ করে ফেলি-দুটি সসেজ আর কোকের ক্ষেত্রে সেই গুণফলে আমি হতবাক-আর কিছুটি দাঁতে কাটলাম না বাকি বারো ঘন্টা-বিকেল ৪টেয় ম্যানিলার প্লেন।
    সেই প্লেনে হাস্যময়ী বিমান সেবিকা খাবার দিয়ে গেলেন-নুডলস, সব্জী-খেতে গিয়ে দেখি নুডলসের মধ্যে চিংড়ি মাছ-কি সব্বনাশ-আমার যে চিংড়িতে অ্যালার্জি-এত ভয়ানক বোকা ছিলাম বা খিদের জ্বালায় এতটা বোকা হয়ে গিয়েছিলাম যে খাবার বদলে দিতে না বলে চিংড়ি ফেলে দিয়ে শুধু নুডলস খেয়ে নিলাম গবগবিয়ে। তারপর শুরু হল খেলা।

    মিনিট দশের মধ্যে প্রবল বমনেচ্ছা-পাশের চীনা /জাপানী সহযাত্রীর তখনও খাওয়া শেষ হয় নি, বেচারীকে ঠেলে মেলে আমি বাথরুমে দৌড়-পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে বেরোতেই বল্লো প্লেন ম্যানিলায় ল্যান্ড করছে।প্লেন ল্যান্ড করল, দরজা খুললো, যাত্রীরা লাইন দিয়ে নামছে-আমার আবার প্রবল বমনেচ্ছা-কি ভাবে যে ইমিগ্রেশন পেরিয়ে, লাগেজ কালেক্ট করে বাইরে বেরোলাম বিস্তারিত করব না-আমার গুজরাতি কাজকরা আনকোরা শখের চাদরটি ম্যানিলা এয়ারপোর্টের ট্র্যাশক্যানে বিসর্জন দিতে হয়েছিল এটুকু বলাই যথেষ্ট।
    বাইরে নবীন স্বামীটি কম্পিত বক্ষে দন্ডায়মান-এয়ারপোর্টের কাচ দরজা দিয়ে যিনি বেরোলেন তাঁকে দেখে তো স্বামী ভির্মি খান আর কি-বৌ না চিংড়ি? আমার ততক্ষণে চোখ মুখ ভয়াবহ ফুলে গেছে, যে নতুন শালোয়ার কামিজটি পরেছিলাম দুদিন আগে তার থেকে হলুদ রং বেরিয়ে সমস্ত মুখ গলা হলুদ।।।
    হোটেলে পৌঁছে, ডাক্তার বদ্যি, ইনজেকশন-

    ছুটির মেয়াদ তো সাত দিন, তার মধ্যে দু দিন চিংড়িতেই উৎসর্গীকৃত-হাতে রইল পাঁচ। শহর দেখা, নিমন্ত্রণ রক্ষা সেরে একটা সকাল পাওয়া গেল তাল ভল্ক্যানো দেখার।
    ম্যানিলা থেকে প্রায় ৭০/৮০ কিলোমিটার দূরে লেক, তার মধ্যে একটা ছোটো দ্বীপে তাল ভলক্যানো, মজার ব্যাপার হ'ল, এই আগ্নেয়গিরির ক্রেটারেও আরেকটি লেক, আমাদের অত্যুৎসাহী ফিলোপিনো ড্রাইভার বললেন ক্রেটারের লেকের মধ্যেও নাকি।।।
    ক্রেটারের লেকে সাঁতার কাটা যায় অল্প সময়ের জন্য।
    আমাদের সময় খুব কম -চোখের দেখা দেখেই ফিরবো।
    পাহাড়ী পথ, গাড়ী এঁকে বেঁকে উঠছে-হঠাৎ কোথা থেকে মেঘ না কুয়াশায় চারিদিক একদম ঢেকে গেল-হেড্‌লাইট জ্বালিয়ে একধারে দাঁড়িয়ে থাকা -সমস্ত পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন যেন-কিছু দেখা যায় না কোন দিকে-অনেকক্ষণ পরে আস্তে আস্তে একটু পরিষ্কার হ'ল -গাড়ী আবার চলতে শুরু করল।
    লেক-এর কাছে পৌঁছে ডাক ছেড়ে কাঁদার যোগাড়-লেকের সামনে টুকু সামান্য দেখা যাচ্ছে-বাকি সব কুয়াশায় ঢাকা-কোথায় আগ্নেয়গিরি কোথায়ই বা তার মাথায় লেক।।।
    অনেকে বোটে তারপর ট্রেক করে ক্রেটার লেকে যায়, আমাদের তেমন কোন প্ল্যান ছিল না, লোকজনের কথা শুনে ভেবেছিলাম এভাবেই দেখা যাবে বেশ।
    অনেকক্ষণ অপেক্ষা করে হতাশ হয়ে ফিরে চললাম।
    হাঠাৎ-ই আমাদের ড্রাইভার চেঁচিয়ে উঠলো-শিগ্গির পিছনে ঘুরে দেখে নিন, এক্ষুণি আবার ঢেকে যাবে-ঘাড় ঘুরিয়ে দেখি-দূরে লেকের মাঝখানটিতে পাহাড়-চূড়াটি তার কেউ যেন কামড়ে খেয়ে গেছে-কেমন গা ছম ছম করে-আর সেই রহস্যময় মেঘ কুয়াশা দৌড়ে দৌড়ে আসছে তাকে ঢেকে দিতে। সেখান থেকে গাড়ী ঘোরানোর কোনো উপায় নেই-যতক্ষণ না সম্পূর্ণ পাহাড়টি কুয়াশায় ঢেকে গেল আমরা তাকিয়েই রইলাম।
    শুনলাম তাল ভলক্যানোটি এখনও সক্রিয়-মাঝে মাঝে ছোটোখাটো উদ্‌গীরণ হয়-তখন এই পাহাড়ী পথসমূহ, আশে পাশের জনবস্তি অন্ধকারে ঢেকে যায়-হাতে লন্ঠন নিয়ে পথ চলতে হয়--

    দু বছর পরে, আবারও ফিরে গিয়েছিলাম রহস্যময় তাল-এ, একই অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরে এসেছি।

    এই আধো দেখা, না-দেখার জন্যই মনে থেকে যায় এই হ্রদ, হ্রদের মাঝে আগুনেপাহাড়, সেই পাহাড় চূড়োয় হ্রদ,সেই হ্রদের মাঝে।।।জানি না।।।
    হয়তো এ'জন্যই পায়ের তলার সর্ষেদানাটি এখনও ঝেড়ে ফেলতে পারি নি।
  • Abhyu | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৫:০৫252970
  • সহীন উটি পিপির প্রতি বিশুদ্ধ মস্করা ছিল।
  • i | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৫:০০252969
  • হাতে লেখা পাসপোর্ট নিয়ে গোল বাঁধল সিডনি যেতে- টরন্টো থেকে এল এ হয়ে সিডনি আসব-ইমিগ্রেশনে আমাকে আলাদা করে ডেকে নিল-বোল্লো পাসপোর্ট নাকি এক্সপায়ার করে গেছ্হে-তখন ২০০৪/৫ - পাসপোর্ট ২০০৭ অবধি ভ্যালিড কিন্তু হাতে লেখা ৭ কে ইনি পড়ছেন ১! আমি যতই ২০০১ এর পরে অন্যান্য ভিসার স্ট্যাম্প দেখাই -সে ততই ঘাড় নাড়ে। এদিকে মেয়ে চেঁচিয়ে কেঁদে চলেছে-প্লেনও ছাড়ে ছাড়ে। আমি বললাম-আপানর বড় কর্তাকে ডাকেন। আপনি বুঝতে পারছেন না।
    বড় কর্তা এলে, সমস্যার সমাধান হল। একেবারে শেষ মুহূর্তে প্লেনে উঠলাম।
  • i | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৪:৫৪252968
  • আমার একবার হাতে লেখা পাসপোর্ট নিয়ে খুব ঝামেলা হয়েছিল। কি জানি কেন, টরন্টোতে থাকার সময় যতবার যাতায়াত করেছি, পীয়ারসন ইন্টারন্যাশনাল আমাকে খুব ভুগিয়েছে।
    একবার তো - ক্রিসমাসে বাড়ি যাব। তার কদিন আগে জানা গেল, হীথরোতে অতি অল্প সময় ট্র্যানসিশন হলেও ভিসা করাতে হবে কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে ছাড় আছে। আমি তখন আমার পাসপোর্ট ওয়ার্ক পারমিট আর যা যা কাগজ দরকারি মনে হল-বৃটিশ এয়ারওয়েজে ফ্যাক্স করলাম-ওরা জানালো ভিসার দরকার নাই।
    আমি আনন্দিত চিত্তে ফ্রিজ ট্রিজ খালি করে, বাক্স বেঁধে চার বছরের মেয়েকে নিয়ে ট্যাক্সি ধরে নির্দিষ্ট দিনে এয়ারপোর্ট পৌঁছলাম। বরফ পড়ছে, সন্ধ্যেবেলা। কাউন্টার থেকে পত্রপাঠ বিদায় করল-ভিসা ছাড়া প্লেনে উঠতে দেওয়া হবে না। প্রচুর তর্কাতর্কি ইত্যাদির পরে আমাকে বলা হল-এই টিকেট ভ্যালিড থাকবে আগামী তিন দিন-এর মধ্যে ভিসা করাতে পারলে ভালো। এদিকে ভিসা করাতে অটোয়া যেতে হবে।মেয়ে কেঁদে ভাসাচ্ছে, ঘড়িতে রাত আট টা। বাইরে বরফ। ফ্রিজ খালি। রাতে খাওয়ার কিচ্চুটি নেই।এমতাবস্থায় অ্যাপার্টমেন্টে পৌঁছে ল্যাপটপ খুলে দেখলাম কী কী লাগবে ভিসা করতে-দেখলাম সব আছে, শুধু ছবি তুলতে হবে।
    এখানে জানিয়ে রাখি, আমার কোনো গাড়ি ছিল না আর মেয়ের বাবা সে সময় সিডনিতে। আবার মেয়ে ট্যাঁকে কাছের মলে গিয়ে পিৎজা ভক্ষণ করে ছবি তুলিয়ে রাত ১২টার বাস ধরলাম। ভোর ৪ টেয় অটোয়া। বরফ অব্যাহত। বাসস্ট্যান্ডে প্রাতঃকৃত্য ইত্যাদি করতঃ আবার ট্যাক্সি ধরে ব্রিটিশ হাই কমিশন গিয়ে ভিসা করিয়ে, বাস ধরে বিকেলে টরন্টো এবং সোজা এয়ারপোর্ট। তখন বলল-পরের দিন যেতে পারব।
    পরের দিন আবার বাক্স বেঁধে গেলাম-কাউন্টারে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের এক বড় কর্ত্রী স্বয়ং উপস্থিত, এবংআমাদের অশেষ দুর্ভোগের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। আমরা ঐ ইকোনমি ক্লাসের টিকেটেই বিজনেস ক্লাসে কলকাতা এলাম।
  • Saheen | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৪:৫৩252967
  • না অসি আই হলো ওভারসীস সিটিজেন অফ ইন্ডিআ, যেটা অন্য দেশের সিটিজেনশিপ নিলে করাতে হয় নাহলে তখন ইন্ডিয়া আসতে visa লাগবে, আর এটা পার্মানেন্ট।
  • bong kim | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৪:৩৬252966
  • ওটা এখনো মনে হয় পাবেন অব্দি বলা যেতে পারে। তবে কানাডার নাগরিক মনে হয়।
  • bong kim | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৪:৩৫252965
  • অ্যাঁ ফিল্ডস মেডাল ঘোষণা হয়ে গেছে নাকি? আরো কয় মিনিট বাকি না?
  • i | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৪:২৯252964
  • ম যে গাছগুলি কইলেন সে সবেরও বেশি যত্ন করতে হয় না আর বাড়ির সামনেটাও উজ্জ্বল হয়ে থাকে।
    অভ্যু বাঁশগাছ লাগাতে বলছেন কিন্তু বাঁশগাছে অনেক জল দিতে হয় তো।
  • i | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৪:২১252963
  • দ,
    নিয়মিত পরিচর্যা সম্ভব না হলে বাড়ির সামনে ঘাসজমিতে সাক্যুলেন্ট গাছপালা লাগালে ভালৈ হয়।
  • Abhyu | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৩:৩৯252962
  • বাহ
  • Ekak | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ০৩:৩৮252961
  • মঞ্জুল ভার্গাভ ফীল্ডস মেডেল পেলেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত