এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Atoz | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৫:২১258450
  • ওরে বাবা এ যে একেবারে সেই ওডিসিউসের গপ্পের কাছাকাছি!!!! ঃ-) সেইখানেও একটা কুকুর ছিল না? বহুকাল পরে স্বদেশপ্রত্যাগত প্রভুকে দেখে সে চিনতে পেরে মারা গেল, অবশ্য বাবু বাবু বলেছিল কিনা জানা যায় না। ঃ-)
  • aranya | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৫:১৭258449
  • টি-কে হিংসে করছি, সম্পাদক হওয়ার সুযোগে এমন ফাটাফাটি সব লেখা পড়ার সুযোগ পেয়েছে। ঈশেন-ও হয়ত এমন সব লেখা পায়, আমাদের সাথে শেয়ার করে না, হায়
    এককের গাড়ী ঠেলা আপাত-ভূতের কাহিনীটা শিব্রামের একটা গপ্পে পড়েছিলাম
  • T | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৩:৫৭258448
  • আরো যা সব ছিল, মানে অপ্রকাশিত, সেগুলো আর শোনাচ্ছি না। খালি একটা গল্প মনে পড়ছে। এই লেখকেরই। এক জমিদার, বুঝলেন, বিয়ে করার খুব শখ। কিন্তু গল্পের খাতিরে তার পাত্রী পাওয়া যাচ্ছিল না। তো, সে প্রায় ফুলস্কেপ কাগজে চারপাতা জুড়ে বিশাল আক্ষেপ। সাংঘাতিক ব্যাপার ছিল সেটা। অতটা পড়ার পর আমাদেরই কেমন গা পিত্তি জ্বলছিল তো জমিদারের হতাশা বেশ জাস্টিফায়েড। সেখানে একটা শিমুল্গাছের কথা ছিল। সেটা জমিদারের দুঃখে নুয়ে পড়ছিল। আর একটা কবরস্থানের কথা ছিল। সেটা পাঁচনম্বর পাতায়। প্রথম প্যারাগ্রাফে। দ্বিতীয় প্যারায় লেখা ছিল জমিদার মনের দুঃখে একদিন কবরস্থানে বেড়াতে গেলেন। পাশে নদী ছিল।সেখানে ঝাঁপ দিয়ে দিলেন। তিনি সাঁতার জানতেন না। ডুবে গেলেন।

    আমরা শকড। যাঃ শালা, ডুবে গেল। এটা কিরকম হ'ল। ডুবে গেল মানে? টপাত করে নদীতে লাফিয়ে পড়ে মরে গেল! ই কী। গল্প শেষ! সর্বনাশ। এবার কী হবে। সমস্ত উত্তেজনার বিসর্জন একেবারে!

    কিন্তু লেখকও এককাঠি সরেস। পাতার একদম নীচে এক লাইনে লেখা ছিল, 'হঠৎ করিয়া একটি কুকুর বাবু বাবু বলিয়া চীৎকার করিয়া নদীবক্ষে তলাইয়া গেল।'

    নাও, এবার ক্যাও সামলাও। কে এই কুকুরটি। স্বয়ং ধম্মো? তিনি কি করছিলেন এখানে। বিয়ে ফিয়ে নিয়ে তাঁর এত ইন্টারেস্ট কিসের। আশ্চর্য! খামোখা নদীতে ঝাঁপাবেন কেন!

    দিব্যি বিকেলটা কেটে গেল।
  • ঈশান | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৩:২৮258447
  • এইটা ভয়ঙ্কর। উফ।
  • Atoz | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৩:২৩258446
  • এসব রীতিমতন আকাটা হীরে। এগুলো একসঙ্গে করে বার করা উচিত।
    উফ্ফ্ফ, ছেলেমেয়েরা কিনা ঝোপেঝাড়ে ঘোরে তাদের প্রেমিকপ্রেমিকার তরে!!!!
    ঃ-))))
  • একক | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৩:০৯258445
  • এসব একসঙ্গে করে ছাপাও ! :))))))
  • T | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৩:০৬258444
  • হ্যাঁঃ আর কিছু না। পালাবদলের পর নতুন সম্পাদককে সে একটা কবিতা পাঠিয়েছিল। ঘুরে ফিরে সেটা আমাদের এরোস্পেসের চুতিয়া গ্রুপের হাতে পড়ে। আমরা তৎক্ষণাৎ ভাবীকালের কথা ভেবে সেটা টুকে রাখি। কবিতার নাম ‘ঘুর্নিপাক’। হ্যাঁ, ভাষা ও বানান অপরিবর্তিত রেখেই আপনাদের তা শোনাচ্ছি। প্রথম অনুচ্ছেদটি শ্রবণ করুন,

    গ্রহরা ঘোরে,
    সূর্যের চারিধারে।
    পৃথিবী ঘোরে,
    সর্যকে কেন্দ্র করে।
    চন্দ্র ঘোরে,
    পৃথিবীকে কেন্দ্র করে।

    নিশ্চয়ই ভাবছেন, এ নিছক সৌরজগতের কবিতা হতে পারে না। এই কবিতার মাধ্যমে উনি হয়তো জীবনের একঘেয়েমির চলনকে বোঝাতে চেয়েছেন। নিদারুণ একঘেয়েমির প্রতিবাদ স্বরূপ সেকেন্ডটাইম সূর্য বানানে দীর্ঘ ঊ কাটিয়ে দিয়েছেন। গতানুগতিকতার বিরুদ্ধে সুপষ্ট হ্রেষারব। আমরাও তাই ভেবেছিলুম। কিন্তু ফোর্থ লাইনে একটি পাঞ্চ রয়েছে।

    গরুরা ঘোরে,
    তাদের বোকামির তরে।

    ব্যস্, ঘেঁটে গেলুম। কাকে বলছে রে বাবা? বন্ধুরা উপদেশ দিল, প্রথম চারলাইনেই কবিতার মূল ভাব ফুটিয়ে তুলতে হবে এ কেমন মৌলবাদ। রথে চড়, আগে বাড়। তারপর শুনুন,

    বিজ্ঞানীরা ঘোরে,
    মহাকাশকে কেন্দ্র করে
    ভগবান গণেশ ঘোরে,
    তার দাদার তরে।
    সৈনিকেরা ঘোরে,
    যুদ্ধের তরে।
    ক্যাসেট ঘোরে,
    মানুষকে খুশি করার তরে।

    কেমন বুঝছেন? প্রথম তিনটি উপমা দেখুন। পুরাণ ও আধুনিকতা একসাথে মিশছে। এই ঘোরাঘুরি, কেমন জড়বস্তুর মধ্যেও ছড়িয়ে গিয়েছে। ক্যাসেটকে পর্যন্ত মানুষের অন্তহীন এন্টারটেনমেন্টের জন্য ঘুরতে হয়। চোখে জল চলে আসে —

    চোরেরা ঘোরে,
    চুরি করার তরে।
    পুলিশেরা ঘোরে
    চোরেদের ধরার তরে।

    এ একদমই সত্য কথা। খাদ নেই। কবিরা সত্যদ্রষ্টা। যা দেখছেন, তাই লিখতে হবে। ‘আমাদের ছোট নদী, চলে বাঁকেবাঁকে, বৈশাখ মাসে সেথা হাঁটুজল থাকে।’ হাঁটুজল থাকলে তাই লিখতে হবে। এই প্যাটার্নটা হল, কবিতার মাঝে সামান্য গ্যাপ দিয়ে জিরিয়ে নেওয়ার জন্য। কবির কল্পনায় ভর দিয়ে উড়তে গিয়ে যাতে হঠাৎ গোঁৎ না খেয়ে যান, সেজন্য। আমরা খুবই সশ্রদ্ধ ভাব করে পরেরটুকু পড়ে দেখলাম। যথা—

    শিক্ষকেরা ঘোরে,
    শিক্ষা দেওয়ার তরে।

    মনে প্রশ্ন জাগছে? ছাত্রেরা তাহলে কি করে? সহজ উত্তর—

    ছাত্রেরা ঘোরে,
    শিক্ষা নেওয়ার তরে।

    এমন আরো আছে। যথা—
    বাপেরা ঘোরে,
    ছেলেমেয়েদের তরে।

    আরো একটি সাংঘাতিক উপমা। স্রেফ লিটারেল মিনিং ধরলে চলবে না। বাপ মানে কি? স্রেফ অন্নদাতা? বিগার সেন্সে ধরুন। গোটা পৃথিবীই তো একাধারে আমাদের বাপ মা। আমরা তো তারই সন্তান। ধরিত্রীপুত্র। কারেন্ট কন্টেক্সটে টোটাল মা মাটি মানুষ। তো, সে না ঘুরলে আমরা সব শালা ছিটকে মহাকাশে গিয়ে তুশ্চু। তো, আমাদের তরে সে ঘুরছে আর আমরা দিব্যি ভাবছি যে ঘুরছে না, এ হলো মানুষের চিরকালীন লোকালি ডিফিওমর্ফিক শ্রেনীচেতনা ওরফে স্বার্থপরতার গল্প। ব্যাপারটা সহজে বোঝানো যাবে না। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে ছেলেমেয়েদের উপর আলোকপাতটি কোথায়? তাও আছে—

    ছেলেমেয়েরা ঘোরে,
    তাদের প্রেমিকপ্রেমিকার তরে।
    কোথায়?
    ঝোপে ঝাড়ে।

    মাক্কালী বলছি পড়া শেষ হওয়া মাত্র লোড শেডিং হয়েছিল।
  • একক | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০২:৫৫258443
  • আত্মহরণ টা একঘর :)))
  • একক | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০২:৫৩258441
  • এতো বাবা ইংলিশ লেখা থেকে বাংলা করেছে মনে হচ্ছে :) কিছু জার্গনের ছায়া পাচ্ছি। দাঁড়িয়েছে বিকট !
  • T | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০২:৫৩258442
  • হুঁ হুঁ আরো আছে। লক্ষ্য করুন,

    "যাহারা ইহাকে একান্ত ভাবেই আপন করিয়া লইয়াছে তাহারা জীবনে ইহার হস্ত যূপকাষ্ঠে বলি হইয়া নিঃশেষ হইয়া গিয়াছে। ইহাও একটি ইহার বৃহৎ বৈশিষ্ট্য। ইহা কাহাকেও পর বলিয়া ভাবিয়া থাকে না। অপরকে আত্মহরণ পূর্বক ইহা সবারে আপন করিয়া নিজ নিজ রুটে টানিয়া লয়। আর যাহাদের ইহার ত্বরে দূর্বলতা থাকিয়া থাকে তাহাদিগের তো কথাই নাই।"

    একটা বড় ব্রাউন প্যাকেটে করে এসেছিল এসব। আমরা সবই বুঝেছিলাম। কিন্তু অপরকে কি করে আত্মহরণ করা যায় সেটা আর বুঝতে পারিনি। এরপর আমরা প্রায়শঃই বিবিধ কারণে অন্যদের শাসানোর উদ্দেশ্যে আত্মহরণ করে নেব বলে হুমকি দিতাম। কিন্তু বলাই বাহুল্য প্রকৃত জ্ঞানীর ন্যায় ঐ নিগূঢ় রহস্যের সন্ধান কেবল একজনই জানতেন।
  • Atoz | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০২:৪৮258440
  • ওরে বাবা রে!!! ঃ-)
    আত্মার চারিত্রিক ত্রুটি বিচ্যুতি!!!!!
  • T | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০২:৪৫258439
  • আরো শুনবেন? একটা প্রবন্ধ পেয়েছিলাম। ওফ্‌, মনে পড়ে যাচ্ছে। দাঁড়ান ওটা আমি টুকে রেখেছিলাম। একটুখানি তুলে দিই,

    "কী কী করিলে আত্ম তুষ্ট হয় ইহা আমাদিগের আত্মাকে প্রশ্ন করিলে তাহার কি বা কেমন উত্তর হইবে, কী ভাবেই বা তাহার উত্তর দিয়ে থাকিবে সেই সকল সম্মন্ধে কেবল আমাদিগের আত্মাই জ্ঞাত। উপরন্তু ইহা এমনই একনিষ্ঠ প্রকারান্তরের মধ্যম বস্তু হইয়া একস্থানে নতুবা তুষ্টের ত্বরে অন্য কোন স্থানে গমনাগমনে উদবিঘ্ন হইয়া থাকে ইহার চারিত্রিক ত্রুটি বিচ্যুতি বৈচিত্রময়। আবার তাহা ইহাকেই গমনাগমনে উদ্ভিঘ্ন করিয়া চাঞ্চল্য কর এক বিচ্ছিন্ন প্রকৃতি প্রস্তুত করিবার তরে সদা প্রস্তুত। অভিমুখ ত্রুটি ইহার সর্বাপেক্ষা নান্দনিক বিষয় বলিয়া, ইহা অন্তর ধ্যান করিয়া সেই সুচারু অভিমুখে, যেখানে ইহাকেই সকল পাইবে ভাবিয়া থাকে।"

    (বানান অপরিবর্তিত)
  • Atoz | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০২:৪০258438
  • আর কোনো আ উ উফ্ফ হেইয়ো এরকম কোনো আওয়াজও করে নি? অবশ্য তাইলে ড্যানচি আরো ভয় পেত। ভুতে আওয়াজ করছে ভেবে। ঃ-)
  • একক | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০২:৩৮258437
  • হ্যা তার গাড়ি খারাপ হয়েছিল বলেই তো ঠেলে ঠেলে আসছিল :)
  • রেফারী | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০২:৩৭258436
  • ব্যাপারটা বোঝার পর মোটকা ড্যান্চিবাবুর অবশ্যই একবার সরি চাওয়া উচিত ছিল।
  • Atoz | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০২:৩৬258435
  • একক, সে কি এই এতটা রাস্তা ও ঠেলছিল? ঃ-)
  • Atoz | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০২:৩৪258434
  • একেই বলে কবিহৃদয়ের গভীর ইয়ে কী যেন! অসূর্যম্পশ্যা অরক্ষণীয়া পশ্চিম্বঙ্গ।
    ঃ-)
  • T | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০২:৩০258433
  • এরম আরো একজন ছিলেন। তিনি ছিলেন এই লেখককূলের মধ্যে নক্ষত্র বিশেষ। কোনো এক অসূর্যম্পশ্যা, অরক্ষণীয়ার প্রতি হৃদয়ের আবেগ পুরো উলটে দিয়ে এক পিস নামিয়েছিলেন। পড়ার পর আমি জিজ্ঞেস করে ছিলুম হ্যাঁরে এর বয়স কত। নেহাতই তিনের বার (পরশুরাম দ্রষ্টব্য) শুনে আহা থাক থাক ব্যাপারটা উথলে উঠেছিল। মেসের সামনে দেখা হতে মুচকি হেসে শুধোলাম, হ্যাঁরে উদো, প্রেম টেম করিস বুঝি!
    সে সলজ্জ হেসে বলল, কবিতাটা পড়ে বলছ বুঝি! আরে আমি তো ওটা পশ্চিমবঙ্গকে উদ্দেশ্য করে লিখেছি।

    সে রাতে মেসে মাটন ছিল।
  • একক | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০২:২৮258432
  • আমার এক স্যার অরুনাভদা লেভেল অফ পারসেপশন বোঝাতে গিয়ে এমন একটা ভুতের গপ্প বলতেন :) সেউ বেশ ক্লিশে কিন্তু মজার |

    এক মোটকু ড্যানচিবাবু জঙ্গলে ইভনিং ওয়াক করতে গিয়ে পথ হারান | ইদিক উদিক পাগলের মত হেঁটে শেষে একটা বড় রাস্তায় এসে উঠলেন তখন অনেকটা অন্ধকার একখাবলা চাঁদের আলো আর চাদ্দিক ভত্তি ঝিঁঝি পেঁচার ভূত ভুতুম। ঘন্টা খানেক দাঁড়িয়ে একটা লরি এলো ও হুস করে বেড়িয়ে গেল। আরও ঘন্টা খানেক দাঁড়িয়ে আরেকটা গাড়ি কিন্তু সেও দাঁড়ালো না। চাদ্দিক আরও নিঃশব্দ দুএকবার শেয়ালের নাইট ডিউটি ও আবার নিঃশব্দে ডুবে যাওয়া। দুবার দূর থেকে হালুম শোনা হয়ে গেল। দাঁতে দাঁত।

    এমন সময় একটু দূর থেকে একটা হুড খোলা জীপ্ জাতীয় গাড়ি বেশ মন্দ গতিতে আসতে দেখা যায়। ড্যানচি বাবুর মনে আশা জাগে এ যাত্রা প্রাণে বাঁচলেন। না বাঁচতেই হবে। আর থামাবার চেষ্টা শুধু নয়। স্পিড কম আছে দেখে সটান লাফ গাড়ির ড্রাইভারের পাশের সীটে।

    ইয়ে, মানে ড্রাইভার নেই। ড্রাইভারের সীটে নেই। পেছনে নেই। গাড়ি চলছে। বাবু দরদর করে ঘেমে চলেছেন। শেষে বাঘ থেকে রক্ষে পেয়ে কিনা ..........চাঁদ হাঁটছে তাল রেখে।

    গোটা রাত এইভাবে। শুধু মারা যাননি তাই মরেন নি। দাঁতে দাঁত চেপে যতরকম দৈবিক নাম মনে ছিলো জপে গেছেন। প্রথমদিকে। তারপর জাস্ট থম।
    ভোরের হালকা আলো, লেভেল ক্রসিং এ গাড়ি থামে। একটু দূরে চায়ের দোকান। দোকানদার উনুন ধরাচ্ছে | সমস্ত শক্তি বা জেদ এককাট্টা করে আবার লাফ। এবার গাড়ির বাইরে এবং কোনদিকে না তাকিয়ে সোজা দোকানে ঢুকে বেঞ্চি আঁকড়ে কাঁপতে থাকেন।

    আরেকজন খদ্দের আসে। একটি বেশ বেঁটে রোগা মানুষ। মোটামুটি ভদ্র পোশাক। ঘর্মাক্ত চেহারা। ভাই একটু জল হবে ? সারারাত যা গেল বাবারে। এখানে গাড়ি সারাবার দোকান কোথায় বলতে পারো ? লোকটি জামা টামা ভিজিয়ে জল পান করে আবার বেঁটে খাটো শরীরে গুট গুট করে এগিয়ে যায়। লেভেল ল্রসিং খুলে গেছে। জীপ্ ঠেলতে থাকে।
  • Atoz | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০২:২৪258431
  • আমাদের যেমন এক কুলীন লেখক ছিলেন, যিনি রেগে গেলেই কামড়ে দিতেন। আর তিনি যখন তখন রেগে যেতেন।
  • Atoz | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০২:১৮258430
  • খুব বেঁচে গ্যাছেন। আমি তো ভাবলাম সেই শ্যামা শিখরিদশনা পক্কাবিম্বাধরোষ্ঠী লেখিকা নিজেই বুঝি আপনাকে পাকড়াও করে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। ঃ-)
  • T | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০২:১২258429
  • বাপরে, সেসব সাংঘাতিক লেখকবৃন্দ। একজন লেখিকার কথা মনে পড়ছে। তাঁর কবিতা পড়ে সাংঘাতিক গুলিয়ে গেছিল। মানে, শুরুটা হচ্ছে চোদ্দতলা বাড়ির ছাতে, বুঝলেন। সেখানে একটি মেয়ে আত্মহত্যা কত্তে যাচ্ছে। বোঝাই যাচ্ছে যে তার সাথে যার প্রেম সে গরীব। কিন্তু প্রেমিকার বড়লোক বাপ খুব ইয়ে বিশেষ। ফলে বাপকে সবক শেখাতে চোদ্দতলায়। কিন্তু শেষের দিকে যখন প্রায় ঝাঁপ দেবো দেবো অবস্থা তখন আবার জানা যাচ্ছে যে প্রেমিকার বাবাই গরীব, ছেলেটিও তাকে পাত্তা দিচ্ছে না। প্রবল কনফিউশন। আমি নাকি খুব হাসছিলাম।

    এরপর বিবিধ গোলমাল শুরু হয় এবং মালিকপক্ষ আমাকে চাপ দিতে থাকে যে শেষটুকু বাদ দিয়েই কবিতাটা ছেপে দিতে। কিন্তু আমি রাজী হই নি এবং কবিতাটাকে চোদ্দতলা থেকে পড়তে দিয়েছিলাম। এর ফলে আমাকে ক্যান্টিনে প্রচুর কথা শুনতে হয়। লেখিকার গুণমুগ্ধরা আমাকে নির্বোধ ও শ্রমজীবী বলে দাবী করে। আমি অবশ্য এর জন্য কার কাছে যেন একটা সরি চেয়েছিলাম। সেটা আর মনে পড়ছে না।
  • Atoz | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০২:০২258428
  • কিন্তু সেখানে অ্যাতো কুলীন পেলেন কই?
  • Atoz | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০২:০০258427
  • ভবিষ্যৎ তো অন্ধকারই, কারণ ভবিষ্যৎ কখনো আসে না।
    ভাইটালস্ট্যাটিস্টিক্স বলতো "আগামীকাল কখনো আসে না", আম্মো তাই দেখি, যখনি আসে তখনি সেটা "আজ"।
    ঃ-)
  • T | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০১:৫৮258426
  • ও, ওটাও আমরা করেছিলাম। ফেসবুকে প্রথমে 'অন্ধকার' বলে সার্চ করা হয়েছিল। সে কত ধরণের 'অন্ধকার' আছে রে ভাই। তারপর সেইসব কী ওয়ার্ড নিয়ে একটা কোড লেখা হয়েছিল। খুব সিম্পল ব্যাপার। সেটা লাস্টে একটা কবিতা জন্ম দিল। তখন দুটো বাজে। তাও আমরা ভোরবেলার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। ফেটে পড়বে আবিষ্কার ইত্যাদি। শেষে পাঁচটা নাগাদ আউটপুট খুলে দেখা গেল দিব্যি কবিতা হয়েছে। কিন্তু লাস্টের লাইনে লেখা আছে 'ভবিষ্যত অন্ধকার'।

    এর পর আমরা রীতিমতোন ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। অমোঘ চেতাবনি মনে করে ঐ ধরণের মহৎ প্রচেষ্টা আর করা হয় নি।
  • Atoz | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০১:৫৪258425
  • ঘন্টা দুয়েকের মধ্যে শ খানেক গল্প জেনারেট করে ফেলবে সেই প্রোগ্রাম। ঃ-)
  • Atoz | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০১:৫১258424
  • বড় টি, আরে একটা বেশ গল্পের টেম্প্লেটমতন বানিয়ে নামটামগুলো বদলে দিলেই তো হয়! এমনকি একটা প্রোগ্রামও লেখা যায়, নিজে নিজেই গল্পেরা তৈরী হবে। কবিতাও হতে পারে। ঃ-)
  • ঈশান | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০১:৪৯258423
  • নজর দিচ্ছি তো। কিন্তু ওখানে কমেন্টেও সিরিয়াস আপডেট চলছে তো। তাই লিখছি না।
  • T | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০১:৪৮258422
  • এখানকার বেঙ্গলি কম্যুনিটির একটা ম্যাগাজিন বেরোয়। আমাকে একবার তার সম্পাদক করে দিয়েছিলো। তাতে কুলীন লেখকরা খচে গিয়ে কেউ লেখা পত্তর দিল না। তখন আমি আর আরেক জন মিলে বসে বসে প্রচুর গপ্পো বানিয়ে ছেপে দিয়েছিলাম। সেসব সাংঘাতিক ক্লিশে ছিল। পরে অবশ্য পাঠকদের কাছে আমরা সরি চেয়েছিলাম।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত