এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ishan | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৯:০৯25861
  • এতে "জাত", "শ্রেণী" সবই একটু একটু করে মিশে আছে মনে হয়। এমনকি বাঙালিরা একসময় চাকরি ছাড়া খেটে খাওয়া এমনকি দোকান দেওয়াকেও যে খুব নিচু চোখে দেখত -- সেই মানসিকতাও মিশে আছে। "শিক্ষা" আর "কালচার"এর তফাত, শিক্ষিত-অশিক্ষিত ভাগাভাগিটাও আছে।

    এই "শিক্ষিত-অশিক্ষিত" ভাগাভাগিটা আবার একটা ডেঞ্জারাস বিষয়। মনে হতে পারে, অমুক গোষ্ঠীকে "শিক্ষিত" করে তুললেই এই বিভাজন ঘুচবে। তা কিন্তু নয়। "শিক্ষা" নিজেই এই বিভাজনকে কেন্ন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে।

    কেন, একটু ব্যাখ্যা করে বলি। এখন সংরক্ষণ টন হয়েছে। আমাদের দুলেপাড়ার হাজার হাজার ছেলেপুলের মধ্যে এক আধজন শাইন করছে। তা, তারা শাইন করে কেউই নিজভূমে বাস করেনি। সবাই অন্যত্র "ভদ্রলোক" হয়ে বসবাস করেছে। এবং এই "ভদ্রলোক" হয়ে বসবাস করার একটা অবশ্যিক শর্ত হল তার "এসসি" পরিচয়টিকে লুকিয়ে ফেলা। সার্টিফিকেটটি যেন লজ্জার বিষয়, এমন করে তাকে তারা গুঁজে রাখে আলমারিতে, যেন ভুএ গেলেই বাঁচা যায়। শুধু পরীক্ষা বা কাজকর্মের সময় তারা সেই আস্তানা থেকে বেরিয়ে আসে, গোপনে। গুপ্তরোগের চিকিৎসার মতো।

    এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। কমন ট্রেন্ড। আমাদের "শিক্ষা" যে ছেলেটি বা মেয়েটিকে তুলে আনে তার পরিচয় গোপন করে "আমাদের" একজন করে তোলাটা সেই "শিক্ষার"ই অঙ্গ। এ এক বিপুল অসুখ।
  • pi | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৯:০৪25859
  • আর মামুকে যেটা বলছিলাম। আমাদের তো সে অর্থে পাড়ার স্কুল ছিল না। কে কী বড়লোক গরীব সেসব জানার সেভাবে উপায় ছিল না।
    স্কুলে ঘড়ি পরলেই শাস্তি পেতে হত তো অন্য কিছু কেউ আনবে কী ! কেউ খুব বড়লোক হলেও তার সেটা বোঝানোর বিশেষ কোন উপায় ছিলনা। হাতে টাকা বলতে বাসভাড়া কি খুব ই অল্প কিছু। তা থেকে বাঁচিয়ে টাঁচিয়ে লোকজন ঐ ঝালমুড়ি ফুড়ি খেত।
    জানিনা এখন কী হয়।

    আমার ভাইঝি ক্লাস ওয়ানে, যখন টাকার মানেই কিছু বোঝে না, বৌদি বলে, টাকা চাইছে। কি না, বন্ধুরাও আনে। তারা নাকি টিফিনে ক্যন্টিন থেকে কোক আর চিপস কিনে খায়। ক্লাস ওয়ান। বৌদি বল্লো, এদের সবার ব্যাগে গুচ্ছ টাকা !
  • aka | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৯:০৩25858
  • ঈশান প্রায় সবাই। দু একজন ছাড়া। আমাদের পাড়াটাই খুব অদ্ভূত। আমাদের পাশের বাড়ি একটা বিহারী বাড়ি। সেখানে তারা ছোট ছোট ঘর করে ভাড়া দিত বাংলায় যাকে বস্তি বলে সেই। আমাদের বাড়ির সমস্ত কাজেই কিন্তু সেই বাড়ি থেকে একজন করে বলা হত। আমরা দিব্যি তাদের সাথে ড্রেনে বল কুড়িয়েই বড় হয়েছি। আমাদের বাড়িতে টিভি হলে তারা আমাদের বাড়িতে টিভিও দেখতে এসেছে।
  • Ishan | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:৫৯25856
  • কালকে অনেকেই জাত-পাত, অর্থনীতি এসব নিয়ে কথা বলছিলেন। কেসটা কি আমিও ঠিক বুঝিনা। এসবের সঙ্গে আমাদের বিভাজনের সম্পর্ক নিশ্চয়ই আছে। কিন্তু বিভাজনটা ঠিক এগুলোই নয়। আমরা কি জাত-পাত মানি? মোটেও না। যেমন ধরুন, আমার পাশের ফ্ল্যাটে বা বাড়িতে যদি "নিচু জাত"এর কোনো চাকুরিজীবি এসে বাসা বাঁধে বা আমার আপিসে আমার পাশের সিটেই কেউ বসে, তার প্রতি আমি বা আমরা কি বিদ্বেষ পোষণ করব? মনে হয় না।
    একই ভাবে অবস্থা পড়ে গেছে এমন কোনো পাশের বাড়ির ছেলে বা মেয়েকে আমি বা আমার কোনো প্রিয়জন বিয়ে করলে কি কোনো অসুবিধে হবে? মোটেও না।

    আমি তথাকথিত আমরা মানে লিবারালদের কথা কইছি। কিন্তু যেই ছেলেটি বা মেয়েটি জেলে পাড়ার লোক হয়ে গেল, বা কাজের মেয়ে হয়ে গেল, ব্যস, বিভাজন শুরু। খুবই কমপ্লিকেটেড।
  • মিলা | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:৫৯25857
  • secondary একটা আলাদা জগত ছিল, ইশকুল তখন আমাদের সবচেয়ে প্রিয় জায়গা গুলোর মধ্যে একটা, শনিবার ইশকুল যেতে পার্তুমনা বলে মন খারাপ করত, পারার সব বন্ধু ইশকুল যেত আর আমি দুধ ভাত :(
  • pi | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:৫৭25855
  • মিলা, সাঙ্ঘাতিক তো ! বাঁচোয়া যে, ক্লাস ফোরের পর লোকজনকে আর এই বিভীষিকা ফেস করতে হত না। সেকেন্ডারিতে এমনি কেউ ছিলেন না। অন্তত আমাদের সময়। আর কাউকে গায়ে হাত তুলতেও কখনো দেখিনি।
  • মিলা | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:৫৫25854
  • ইশকুল-এ বামুন কায়েত?????
    নাকি আমি context তা ধরতে পারিনি ? :(
  • aka | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:৫৪25853
  • জিরো বিভেদ। কেউই খুব বড়লোক ছিল না। যাদের বাড়িতে ফ্রিজ বা টিভি বা ফোন ছিল তারাই বড়লোক। উতুর বাড়িতে গিয়ে আমি ভাত খেয়েছি। ওদের বাড়ি স্কুলের খুব কাছেই ছিল, টিফিনে ও ভাত খেতে বাড়ি যেত। একদিন গেলাম ওর সাথে তা ওর মা কিছুতেই না খাইয়ে ছাড়ল না। এসব নিয়ে মাথা ঘামানোর সময়ই ছিল না। অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজকম্মো থাকত আমাদের। তবে খেলা টেলা কারুরই ছিল না বোধহয়। মানে লিও টয়েজ ইত্যাদির কথা বলছি। আমার নিজের একখানা গাড়ি ছিল দম দিলে চলত। বাকিদেরও মনে হয় তাই। একটু যা ডিফারেন্স ছিল সুতির জামা ভার্সেস টেরিকটের জামা। তখনও সুতির এত রমরমা ছিল না, যাদের পয়সা কম তারা সুতি পড়ত। ক্লাস টুতে ষষ্ঠী স্যার সবাইকে ঠোঙা বানানো শিখিয়েছিলেন যাতে বাড়িতে দরকার পড়লে কেউ বানাতে পারে। কেঁচো কেন চাষের মাটির জন্য খুব দরকারী সেই নিয়ে দুটো ক্লাস নিয়েছিলেন। এখন বুঝি কতটা এগিয়ে থাকা চিন্তা ছিল। ষষ্ঠী স্যার পোলিওর জন্য হাঁটতে পারতেন না। বসে বসে চলতেন এমনকি রাস্তা দিয়েও।
  • Ishan | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:৫৩25852
  • গঙ্গার ওপারে শ্রেণীবিভাজন কম ছিলনা এই তত্ত্বে আমার ঠিক প্রতীতি জন্মাচ্ছেনা। তবে হতেও পারে। আকাকে একটাই জিনিস জিজ্ঞাসা করি। তোমার ইশকুলের "নিচের তলা"র ছেলেপুলেদের মধ্যে কজন তোমার বাড়িতে তুমি গেলে চা খেতে আসে? মানে, অন্য কোনো কাজে এসে চা খাওয়া নয়, স্রেফ চা খেতে আসে?

    এর উত্তরের উপরে দাঁড়িয়ে মেনে নেব কি নেবনা নির্ভর করছে।
  • মিলা | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:৫২25851
  • আমরা যখন থ্রি তে ভর্তি হই, তখন ইংরিজি বাধ্যতামূলক ছিলনা প্রবেশিকা পরীক্ষায়, আমি শুধু অঙ্ক আর বাংলা পরীক্ষা দিয়েই সিলেক্টেড হই, কিন্তু তখন থ্রি তে রীতিমত wordbook পরানো হত, কিন্তু আমার দৌড় ছিল ওই ABCD পর্যন্ত, তাই রোজ খাতায় ভেরি ব্যাড পরত, মাঝে মাঝে গাল খিমচি আর কান মলা, আমার বাবা ঠাকুরদা বাগবাজার অঞ্চলে একটি ইশকুল এর সাথে যুক্ত ছিলেন, সেখানে মূলত নিম্ন মধ্যবিত্ব পরিবারের শিশুরা পরত, আমি প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণী ওখানেই পড়েছি, আমাকে সবসময় ইশকুল এ এইটাই বলতেন উনি যে তুমি ওখানেই পড় গিয়ে, এখানে পারবেনা, এইসব শুনে খুব ভয় পেতাম, রোজ সকালে বাবা ইশকুল এ দিয়ে office যেত যখন, বাবা-কে বলতাম আমাকে বাড়ি নিয়ে চল, বাবা বলতেন আমার তো অফিস এ দেরী হয়ে যাবে :) আমি বলতাম তাহলে আমাকে ঠাম্মা দিদির কাছে রেখে দিয়ে এস (তিনি কাছেই থাকতেন)
    শেষে বাবা একদিন বড়দির সাথে দেখা করে বলেন যে তার মেয়েকে আর তাকে যেন এক মাস সময় দেওয়া হয়, তার মধ্যে যদি সে না পারে তাহলে তিনি তাকে নিয়ে যাবেন ওই ইশকুল থেকে, অবশ্য এই ঘটনা আমি বহুদিন পরে জানতে পেরেছিলাম
    তারপর একমাস ইশকুল এ বকুনি খেতুমনা (গরম এর ছুটি চলছিল ) আর বাড়িতে বাবা গল্প করে ABCD থেকে wordbook এর রাস্তা পার করে দিল কখন, বুঝতেই পারিনি
    গরম এর ছুটির পরে ইশকুল খোলার দিন আমি ভেরি গুড পেয়েছিলাম, শিখা দি অবাক, কিন্তু সেদিন আমাকে বড়দির কাছে নিয়ে গেছিলেন, বর্দী আমাকে একটা eclairs দিয়েছিলেন, এখনো মনে আছে
    মাধ্যমিক এ ইংরিজি তে লেটার পেয়ে ওনার সাথে দেখা করতে গেছিলাম, দেখলাম মনে রেখেছেন আমাকে :)
  • pi | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:৪৭25850
  • আকাদা, আর গরীব বড়লোক বি্ভেদ ?
    তোমাদের স্কুলের মিক্সিং নিয়ে লিখলে না ?
  • pi | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:৪৬25849
  • স্কুল যেতে আমারো খুব ভাল্লাগতো। সেই শনিবার যখন কম্পুক্লাসের জন্য যেতে হত, সে কী মজা। তার উপর রঙীন শাড়ি পরে যাওয়া যাবে। সবে সবে বৌদির বিয়ে হয়েছে। আমি ধরে বেঁধে বৌদিকে এই পর, ঐ পর, এই সাজো, ঐ সাজো করে যা অত্যাচার করতুম, বৌদি ঐ একদিনে তার শোধ তুলতো। আমিও নতুন বৌ এর গন্ধমাখা মেরুন, রানীকালারের সব কড়কড়ে তাঁত পরে ইস্কুলে কম্পু ক্লাস করতে চলতুম ঃ)
    আরো কী একটা জানি হত শনিবার, স্পেশাল ক্লাস মনে হয়।

    তবে শনিবার আমি বাড়ি থাকতেও ভালবাসতুম। কারণ ঐ দিনটা পুরো একা থাকতে পেতুম। মা র আপিস থাকতো। ঐ একা থাকার দুপুরগুলোর উপর আমার মস্ত লোভ ছিল।
  • aka | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:৪৪25848
  • আর আমি একটা জিনিষ আবিষ্কার করলাম। গঙ্গার ওপারে আর এপারে একটু ডিফারেন্স আছে। পূঃবঃ এর লোকেদের আসার ফলেই হোক, বা ইন্ডাস্ট্রীয়ালাইজেশনের ফলেই হোক এই পাড়ায় পাড়ায় শ্রেণী বিভেদ অনেক কম। দাদুর আমলে বামুন কায়েত ব্যপার স্যপার ছিল। কিন্তু তাতেও দাদু নিজে মানত, আমাদের ব্যপারে সব ছাড় ছিল। আমরা রাখালদার - আমাদের যিনি চুল কাটতেন - বাড়িতে দিব্য নিমন্ত্রন খেয়েছি। এবং এটা কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।
  • মিলা | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:৪০25846
  • ইশকুল ছেড়ে দা-র যে কথাটা লিখেছি সেটা একটা বিশেষ ঘটনা-র জন্যে, ইশকুল ভর্তি হওয়ার প্রথম ৩ মাস মনে হত, তারপরে আর নয় :)
  • pi | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:৪০25847
  • সে কি ? শিখাদির ভয়ে ? এখানে লেখ না।
  • মিলা | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:৩৯25844
  • আমি-ও শনি রবি ইশকুল নেই বলে কান্নাকাটি করতাম, শনিবার সব্বার ইশকুল ছিল, সুধু আমার-ই ছিলনা :(
  • aka | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:৩৯25845
  • আমারও স্কুলে যেতে ভালো লাগত। ছুটি পেলেও ভালো লাগত। শনিবারে স্কুল ছুটি থাকত? আমাদের তো হাফ ছুটি হত।
  • a x | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:৩৭25843
  • এদিকে আমি শনি রবি কেন ইস্কুল নেই বলে কান্নাকাটি করতাম।
  • Ishan | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:৩১25842
  • আজ রিদ্ধি নেই? :)
  • মিলা | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:৩০25841
  • আমি তো ইশকুল ছেড়ে দেওয়ার জন্যে রোজ কান্নাকাটি করতাম, বাবা মায়ের অদ্ভূত সাপোর্ট না পেলে ছেড়ে দিতেই হত :) ইশকুল গ্রুপ এ এই নিয়ে বিস্তারিত লিখেছি, পারলে পর
  • pi | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:২৭25840
  • হ্যাঁ, উনি দুমদাম মেরে দিতেন না ?
  • pi | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:২৬25839
  • নিনাদি, জেগে ?
  • মিলা | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:২৩25837
  • পাই-দি,
    তোমার এই বিভিন্ন ইশকুল এর টিচার দের তই-ত়া পড়ে আমার শিখা-দির কথা মনে পড়ে গ্যালো, ওনার জন্যে আজ অনেক কিছু পেয়েছি, পেরেছি হয়ত, সম্মান করি ওনাকে, কিন্তু ভালবাসতে পারিনি, পারবনা :(
  • গান্ধী | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:২৩25838
  • নাহ। তবে প্রচুর বন্ধুরা পড়্ত, আমার হাউসিং-এর বহু মেয়ে ওখানে পড়ত।
  • মিলা | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:২১25836
  • আমাদের চার মহিলা (চার পুরুষ হলে চার মহিলা হবে নাই-বা ক্যানো ? ) নিবেদিতা-র ছাত্রী, কিন্তু মায়ের মত চুল-এর মাথা আমি পাইনি, তাই মায়ের মত লম্বা দুই বেণী আমার অধরা-ই রয়ে গ্যালো এই জীবনে :)
  • pi | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:১৯25835
  • ক্যামনে ? তোরও দিদি কিম্বা বোন পড়তো বুঝি ?
  • গান্ধী | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:১৮25834
  • হুম্ম।।। তাই ব্যাপারগুলো চেনা চেনা লাগছিলঃ)
  • pi | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:১৬25833
  • হ্যাঁ, একাধিক কেনা যেত না। ঐজন্যই আমাদের ঐ ছেঁড়া ফাটা একটি দুটি কমন রেখে দেওয়া হত।

    গান্ধী, নিবেদিতা।
  • গান্ধী | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:১৪25832
  • এগুলো কোন ইস্কুলের গল্প ?
  • মিলা | ২৩ জুলাই ২০১২ ০৮:১২25831
  • আমাদের সময়ে স্তব্গুচ্ছ আনতে ভুলে গিয়ে আরেকটা কিনে নেওয়া যেতনা, দিদি-রা পুরনোটা দেখতে চাইতেন, অগত্যা বন্ধুর স্তব্গুচ্ছের মলাট, সন্কলিতা এইসব দিয়ে কাজ চালানো হত, স্তব্গুচ্ছ আবার ছোট বাড়িতে diary র কাজ-ও করত, অনুপস্থিতির চিঠি লিখে দিত বাবা ঐখানেই
    চুল ছোট করা যাবেনা এইটা আমাদের সময় বরাবর ছিল, ক্লাস নাইন এ হঠাত সমর্পিতা লাল পার সাদা সারির সাথে wage কেটে এলো গরমের ছুটির পর, পরপর সাতদিন first period এ দাঁড়িয়ে থাকার শাস্তি হলো, তিনদিন পর ছোট অর্চনা দির মনে হলো অর কষ্ট হচ্ছে, তখন বসিয়ে দিলেন :)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত