এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pinaki | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১৩:১৩258899
  • নাম লেখালেই ঢুকতে দেবে - এটাতো লসাগুদা তোমার উইশ লিস্ট। আগে যতবার এই নিয়ম চালু হয়েছে কোনো না কোনো মুভমেন্টের পরিপ্রেক্ষিতেই হয়েছে, এবং সেখানে মূল উদ্দেশ্যটা ছিল বাইরের কাউকে ঢুকতে না দেওয়া। কাজেই নাম লেখালেই সেখানে ঢোকা যেত না।
  • hu | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১৩:১৩258900
  • হ্যাঁ, বিল্ডিংগুলো রেস্ট্রিক্টেড এন্ট্রি করলেও হবে। আমি যাদবপুরে যাই নি কখনও। গেট, বাউন্ডারী ওয়াল এসব আছে না?
  • pinaki | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১৩:১১258898
  • বিল্ডিং গুলোয় রেস্ট্রিক্টেড এন্ট্রি করুক। সেখানে ছাত্রদের, শিক্ষকদের বা শিক্ষাকর্মীদের কার্ড সোয়াইপ করে ঢোকার ব্যাবস্থা করুক। সেও তাও মেনে নেওয়া যায়। ক্যাম্পাসকে এরকম রেস্ট্রিক্টেড জোন বানানোটা একেবারেই সমর্থনযোগ্য নয়।
  • lcm | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১৩:১০258896
  • বললাম যে, অলরেডি তো আছে বিভিন্ন কলেজে। তাইলে তারা মেনে চললে যাদবপুরে প্রবলেমটা কোথায়।
  • hu | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১৩:১০258897
  • ওয়ালেটে আই-কার্ড রাখুন ঃ-)
  • lcm | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১৩:০৯258894
  • কেনো এখানে তো দেয়। কার্ড ভুলে গেলে একটা খাতায় নাম লিখে সই করে দিলেই হল - সিম্পল।
  • pinaki | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১৩:০৯258895
  • গেটে ক্যামেরা থাকলে তো সিকিওরিটির ইস্যুটা একটাভাবে অ্যাড্রেসড হচ্ছেই। এরপরে আইডি দেখার নিয়ম করা মানে ইউনিভার্সিটিতে আসলে বাইরের লোকের ঢোকা রেস্ট্রিক্ট করতে চাওয়া হচ্ছে। সেটাকে একটা রেস্ট্রিক্টেড জোনের স্ট্যাটাস দেওয়া হচ্ছে। আমার প্রশ্ন সেটার দরকার কেন? ইউনিভার্সিটি কি অর্থে রেস্ট্রিক্টেড জোন?
  • pinaki | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১৩:০৬258893
  • আর এরকম আই কার্ড দেখিয়ে ঢোকার নিয়ম আগেও বেশ কয়েকবার চালু করার চেষ্টা হয়েছে। একবার আমার সাথেই ব্যাপক বাওয়াল লেগেছিল। আমি ক্লাসে ব্যাগ রেখে বাইরে মুড়ি কিনতে বেরিয়েছিলাম। ঢোকার সময় আই কার্ড দেখাতে পারছি না। গুচ্ছ বাওয়াল। এরকম ভাবে হয় নাকি? খোলামেলা ভাবটাই নষ্ট হয়ে যায়।
  • lcm | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১৩:০৫258892
  • না দেবে। আইডি দেখে, গেস্টবুকে এন্ট্রি করে - জেনারেল পার্পাস ভিজিট বা কলেজ ট্যুর - লিখে, এন্ট্রি টাইম লিখে ঢুকে পড়ো - আর যদি একটা টেম্প ব্যাজ টাইপের দিয়ে তো আরো ভালো ওটা লাগিয়ে নাও।
  • সে | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১৩:০৩258891
  • ইট্‌ ডিপেন্ড্‌স্‌
  • pinaki | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১৩:০২258889
  • না, এসব ক্ষেত্রে সাধারণতঃ কারুর সাথে দেখা না করার থাকলে ঢুকতে দেয় না।
  • lcm | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১৩:০২258890
  • হ্যাঁ, হ্যাঁ, কেনো দেবে না। একটা খাতায় নাম লিখে ঢুকে পড়ো না। ভালো তো।
  • সে | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১৩:০১258888
  • কারণটা বুঝিয়ে নিজের পরিচয়্পত্র দেখালে ঢুকতে দেবে।
  • pinaki | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১২:৫৯258887
  • আমি যদি জাস্ট এমনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরটা কেমন হয় সেটা দেখার জন্য বা প্রাক্তনী হিসেবে নস্ট্যালজিয়া চেরিশ করার জন্য ঢুকতে চাই - দেবে?
  • সে | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১২:৫৮258886
  • http://www.anandabazar.com/state/hc-directs-to-ju-for-back-on-study-environment-1.72505

    পড়াশোনার পরিবেশ ফেরাতে নির্দেশ হাইকোর্টের
    নিজস্ব সংবাদদাতা

    কলকাতা, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৪, ০৩:৩১:০১

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরানোর নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এ জন্য ছাত্রছাত্রীদের ক্লাসে ফেরা জরুরি বলেও জানিয়েছে আদালত। বুধবার প্রধান বিচারপতি মঞ্জুলা চেল্লুর এবং বিচারপতি অসীমকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে।
    ছাত্রছাত্রীরা অবশ্য জানিয়ে দিয়েছেন, উপাচার্য অভিজিৎ চক্রবর্তী পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তাঁরা ক্লাসে ফিরবেন না। তবে নতুন করে জটিলতা এড়াতে আজ, বৃহস্পতিবারের লালবাজার অভিযান বাতিল করা হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ করার আগে আইনজ্ঞদের পরামর্শ নিতে চান তাঁরা।
    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পঠনপাঠনের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে বিমলশঙ্কর নন্দ নামে এক শিক্ষক এবং আরও কয়েক জন জনস্বার্থে মামলা দায়ের করেছিলেন হাইকোর্টে। এ দিন প্রধান বিচারপতির এজলাসে আগাগোড়া উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অভিজিৎ চক্রবর্তী। এ দিন শুনানির শেষে ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, ছাত্রছাত্রীদের বিক্ষোভ দেখানোর অধিকার আছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কাজকর্ম কিংবা পঠনপাঠনের পরিবেশ নষ্ট করা চলবে না।
    চার দিন আগে, গত শনিবার রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীও প্রায় একই পরামর্শ দিয়েছিলেন যাদবপুরের পড়ুয়াদের। ওই দিন মিছিলের পর তাঁদের বক্তব্য জানাতে আচার্য-রাজ্যপালের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ছাত্রছাত্রীরা। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে পড়ুয়াদের কথা শোনেন রাজ্যপাল। আশ্বাস দেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে মতামত জানাবেন। কিন্তু সোমবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পঠনপাঠন শুরু করার পরামর্শ দিয়েছিলেন আচার্য। তার পরেও ক্লাস বয়কট চালিয়ে যাচ্ছেন পড়ুয়ারা। এ দিন আদালতের নির্দেশ জানার পরেও ছাত্রছাত্রীরা সেই অনড় অবস্থানই বজায় রেখেছেন।
    ডিভিশন বেঞ্চ বলেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তি বজায় রাখার জন্য কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে পুলিশ ডাকতে পারেন। কিন্তু ক্যাম্পাসে ঢোকার জন্য যে গেটগুলি তাঁরা খোলা রাখতে চাইবেন, পুলিশ মোতায়েন থাকবে তার বাইরে। দুই বিচারপতি বলেছেন, কোনও অবস্থাতেই বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে যেখানে-সেখানে ছাত্রছাত্রীরা বিক্ষোভ দেখাতে পারেন না। বিক্ষোভ দেখাতে গেলে চত্বরের বাইরে বা ক্যাম্পাসের মধ্যে কর্তৃপক্ষের নির্দিষ্ট করে দেওয়া জায়গায় তা করতে হবে।
    শুনানির সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনজীবী জয়দীপ কর বলেন, “আচার্য রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন। তা সত্ত্বেও ছাত্রদের বিক্ষোভ অব্যাহত।” সরকার পক্ষের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “২৮ অগস্ট যে ছাত্রীর শ্লীলতাহানি হয়েছে বলে অভিযোগ, তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে গোপন জবানবন্দি দিয়েছেন। কিন্তু অভিযুক্ত হিসেবে তিনি যে ছাত্রের নাম করেছেন, ওই নামে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনও ছাত্র নেই।” কল্যাণবাবু আরও জানান, পুলিশ এ পর্যন্ত ন’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তাতে কিছু নাম পাওয়া গিয়েছে। সেই নামগুলি খতিয়ে দেখে তদন্ত এগোচ্ছে। তদন্ত চলাকালীন কিছু ছাত্র যাদবপুর থানায় বিক্ষোভ দেখিয়েছেন, ভাঙচুর করেছেন। লেক থানার পুলিশ সেই ঘটনার তদন্ত করছে। গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে যা ঘটেছে, আদালতের কাছে তার বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান কল্যাণবাবু।
    বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনজীবী জানান, মঙ্গলবার ছুটি ছিল। তাই বুধবার হলফনামা পেশ করে বক্তব্য জানানো হচ্ছে। তাঁর কথায়, “বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হলে বহিরাগতদের প্রবেশ আটকাতে হবে। বিক্ষোভ চললে ক্লাস হবে না।” বিশ্ববিদ্যালয়ে সিসিটিভি বসানো হয়েছে বলেও তিনি জানান। জানতে চাওয়া হয়, সব ছাত্রছাত্রীর পরিচয়পত্র রয়েছে কি না। জয়দীপবাবু জানান, ১১ হাজার ৫০০ জন পড়ুয়ার সকলেরই পরিচয়পত্র আছে। প্রয়োজনে বিক্ষোভ প্রদর্শনের জন্য কোনও জায়গাও নির্দিষ্ট করা হতে পারে।
    বিচারপতি অসীম বন্দ্যোপাধ্যায় তখন প্রশ্ন করেন, এখন এ সব কথা আদালতকে বলছেন কেন? আগের দিনই তো বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষই ঠিক করবেন ক্যাম্পাসের মধ্যে কী হবে। জয়দীপবাবু বলেন, “আদালত নির্দেশ দিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজকর্ম স্বাভাবিক করতে সুবিধা হয়।” প্রধান বিচারপতি বলেন, “আপনারা অন্তর্বর্তিকালীন সুবিধা চাইছেন। আদালত সেটা বিবেচনা করে দেখবে।” তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয় খোলা থাকুক, পড়াশোনা হোক সেটাই সকলের কাম্য। প্রধান বিচারপতির কথায়, “কে দোষী, কে দোষী নয় সেটার বিচার এই আদালত করবে না। আদালত পরিস্থিতির উন্নতিতে সাহায্য করবে।” ছাত্রছাত্রীদের পক্ষে আইনজীবী অরুণাভ ঘোষ এবং বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে পঠনপাঠনের পরিস্থিতি নেই। কোনও ছাত্রছাত্রীই ক্লাস করতে চাইছেন না। প্রধান বিচারপতি তখন মন্তব্য করেন, যাঁরা ক্লাস করতে চাইছেন না, তাঁরা না-ই করতে পারেন। কিন্তু ক্লাস খোলা রাখতে দিতে হবে।
    বিকেলের মধ্যে হাইকোর্টের নির্দেশ বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছে যায়। তা নিয়ে সন্ধ্যায় ছাত্রছাত্রীদের সাধারণ সভায় আলোচনা হয়। সেখানেই ঠিক হয়, পরবর্তী পদক্ষেপ করতে আইনজ্ঞের পরামর্শ নেবেন তাঁরা। তবে ক্লাস বয়কট চলবে। আদালতের নির্দেশকে ‘ন্যায্য’ বলে মন্তব্য করেছেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।
    এর আগে এ দিন দুপুর ছাত্রছাত্রীদের আহ্বানে এক নাগরিক কনভেনশনে উপস্থিত ছিলেন অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়ারা। ছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক তরুণ মজুমদার, অশোক বিশ্বনাথন, নাট্যকর্মী কৌশিক সেন, চন্দন সেন, সঙ্গীতশিল্পী মৌসুমী ভৌমিক-সহ অনেকে। যাদবপুরের প্রাক্তনী এবং শিক্ষক-শিক্ষিকারাও অনেকে ছিলেন। ছাত্রছাত্রীরা জানান, তাঁদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন বিনায়ক সেনের স্ত্রী ইলিনা সেন ও তথ্যচিত্র পরিচালক আনন্দ পট্টবর্ধন। এই মঞ্চ থেকেই প্রশ্ন ওঠে, ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন এবং ছাত্র আন্দোলনে রাশ টানার উদ্দেশ্যেই কি কর্তৃপক্ষ পরিকল্পনামাফিক গোটা ঘটনা ঘটিয়েছেন? বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রদীপ ঘোষ অবশ্য এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি।
    যাদবপুরের ঘটনা নিয়ে এ দিন রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে নাগরিকদের সংগঠন ‘সিটিজেন্স ফর জাস্টিস’-এর এক প্রতিনিধিদল। ওই দলের তরফে রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অশোক গঙ্গোপাধ্যায় পরে বলেন, “যাদবপুরে একটা ঘটনা ঘটেছে, যা কাঙ্ক্ষিত নয়। রাজ্যপালকে অনুরোধ করেছি, তিনি যেন রাজ্যকে বিচারবিভাগীয় তদন্ত করার পরামর্শ দেন।” বৃহস্পতিবার বিশ্ব প্রতিবাদ দিবসের ডাক দিয়েছেন পড়ুয়ারা।
  • hu | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১২:৫৭258885
  • সোসেন, http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=14002&boxid=34949281

    অর্পণ, যে কাজ করে তার তো পরিচয়পত্র থাকছেই। আমি ভাবছিলাম বাইরের লোকের কথা।

    সোসেন, ভারতে কেনা যাবে এমন একটা ভালো ইবুক রিডারের খোঁজ দাও তো! খুব হাল্কা হওয়া চাই। ওয়াই-ফাই না হলেও হয়। শুধু বই পড়া গেলেই হবে। আসলে মায়ের জন্য চাই। তার হাতের এমন অবস্থা এখন আর বই তুলতেও পারছে না।
  • sosen | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১২:৪৫258884
  • নির্দিষ্ট জায়গায় বিক্ষোভের কথা কে বল্লে? কোর্ট?
  • সিকি | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১২:৩৫258883
  • আপাতত এনডিটিভি দেখুন। মোদী বলছেন এপডিআই মানে ফার্স্ট ডেভেলপ ইন্ডিয়া।
  • Arpan | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১২:৩৩258882
  • সাফাইকর্মীদের জন্য তো ইউনি থেকে ইস্যু করা পরিচয়পত্রই থাকবে।
  • lcm | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১২:১৮258881
  • এসব করে লাইন সোজা হবে না...
  • ন্যাড়া | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১২:১৪258880
  • প্রেস থাম্বের গল্প - ইউনিভার্সাল স্টুডিওতে এখন ঢুকতে গেলে থাম্ব ইমপ্রেশন দিতে হয়। আমি বেঁকে বসলাম, বললাম দেব না। তখন কিসব ফর্ম-টর্ম এনে অমুক লেখ, তমুক লেখ করাল। আমাদের লাইনের পেছন লম্বা হচ্ছে। কাজেই সবাই যদি বেঁকে বসে, দুদিন বাদে বাপ বাপ বলে ইউনিভার্সাল হয় থাম্ব ইম্প্রেশন নেওয়া তুলে দেবে আর নয়্তো লাইনের সংখ্যা বাড়াবে।
  • hu | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১২:০৯258878
  • আধার আমারও হয়ে গেছে প্রায় দু-বছর হল। ওদিকে কিছুদিন আগে আবার কাগজে পড়লাম আমাদের বৈদ্যবাটিতেই নাকি কয়েক্জনের আধার কার্ডে বাবার কুকুর, নিজের নাম **** এসেছে। যারা বুথে ছিল তাদেরই কান্ড নিশ্চয়ই। আশা করি লোকগুলো ধরা পড়বে, শাস্তিও হবে।
  • lcm | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১২:০৯258879
  • ইফ নো আইডি দেন প্রেস থাম্ব
  • hu | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১২:০৬258877
  • সেই জন্যই তো একটা ইউনিফর্ম গাইডলাইন থাকা ভালো। আই-ডি দেখিয়ে ঢুকলে পরে কোন গন্ডগোল হলে ট্রেস করা যাবে।

    :-X কে, তাহলে তো একটা আই-ডি আছেই যেটা আপনি ভোট দেওয়ার জন্য ব্যবহার করছেন। আমি সেটাই বলছি। যাদের কোন আই-ডি নেই বলে ভাবা হচ্ছে তাঁরা ভোট দিচ্ছেন কি করে? সেই থেকে মনে হচ্ছে আর কোন আই-ডি না থাকলেও ভোটার-কার্ড নিশ্চয়ই আছে। অর্থাৎ একটা না একটা আই-ডি আছেই। এবার এর বাইরেও কোন সিচুয়েশন থাকতে পারে, যেটা আমি ভাবছি না বা জানি না।
  • d | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১২:০৪258876
  • ইদিকে আমি আধার পেয়ে গেছি সেই কব্বে গতবছর। দে বলেছিল না, মহারাষ্ট্রে খুব সুন্দর এলাকা ধরে ধরে বেশ লম্বা সময় ধরে ফোটো ইঃ তুলিয়ে করে দিয়েছে।
  • lcm | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১২:০৩258875
  • ইউ নো, দিস ইজ ভেরি ব্যাড, নো গুড অ্যাট অল।
    অল কলেজ শুড হ্যাভ সেম কলজে। সেম রুল।
    যাদব্পুরে খাতা বসাও, নাম লিখে ঢুকতে হবে।
    হোয়াই ডিফারেন্ট রেজাল্ট ইন সিমিলার জার্নি-স?
  • quark | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১২:০২258874
  • তাপস পালের পিঠের ব্যথাটা উঠল ব'লে!
  • :-X | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১২:০০258873
  • ভোট দি তো, পাসপোর্ট আর স্লিপ নিয়ে যেতে হয়।
  • ন্যাড়া | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১১:৫৮258871
  • পরেরদিনই অন্য সিকিউরিটি ডিউটিতে থাকলে অন্য অভিজ্ঞতা হতে পারত। কোন ইউনিফর্ম গাইডলাইন নেই। তোমার ভদ্দরলোকের চেহারা, গায়ে এনারাই গন্ধ, তোমাকে কি আর হ্যারাস করবে?
  • hu | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১১:৫৮258872
  • আশুতোষ কলেজেও আমার শ্বশুরমশাই গিয়েছিলেন আমার একটা কাজে। ওখানেও সিকিওরিটির কাছে সব বৃত্তান্ত জানিয়ে ঢুকতে হয়েছে। আই-ডি চেক, এন্ট্রি বুকে নাম সই করা এসব থাকলে সিকিওরিটির কাজটা একটু হাল্কা হয়। সাবজেক্টিভ ডিসিশন নিতে হয় না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত