এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aranya | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ১১:১৫260221
  • ওরা ভয় পেয়েছে জীবনে, ওরা ভয় পেয়েছে মরণে ..
  • aranya | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ১১:১২260219
  • পাই-এর জন্য গর্ব হয়, চিন্তাও হয়
  • PM | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ১১:১০260218
  • পাইয়ের লেখাটা কোনো টইতে সংরক্ষিত হওয়া উচিত ভবিষ্যতের জন্য। স্টার আনন্দে বোধ হয় গতকালের গ্রেপ্তারী দেখালো একটু আগে।

    যে কোনো কাজে সফল হবার জন্য-ই ইমোসনাল অ্যাটাচমেন্ট দরকার। তা নিয়ে বিব্রত হবার কিছু নেই তো। বাঙালীর সম্পদ এই আবেগ, সব চেয়ে বড় ব্যগেজ-ও।

    পাই আর তার সাথীদের সাফল্য কমনা করি। ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন
  • anirban | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ১১:০৬260217
  • এই ছবিটা চেনা লাগছে? এখানেও বহিরাগত আছে।
    http://www.dailycal.org/2014/10/01/occupation-campus-building-follows-fsm-rally-sproul-50th-anniversary/
    গত পরশু। বার্কলে ক্যাম্পাসে। শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখার জন্যে যাদের চিন্তার শেষ নেই (অথচ শংকু পান্ডাদের উৎপাত চোখে পড়ে না) - তাঁরা দেখুন। ক্যাম্পাসে ছাত্র আন্দোলন সমাজের স্বাস্থ্যের লক্ষন।
  • anirban | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ১১:০০260216
  • হার্ভার্ড বা এম আই টি-তে গেট ও নেই, কেউ আইডি চেক করে না, আর বহিরাগত বহিরাগত বলে টুকলিবাজরা চেঁচায় না।
  • anirban | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ১০:৫৯260215
  • হার্ভার্ড বা এম আই টি-তে খানে গেট ও নেই, কেউ আইডি চেক করে না, আর বহিরাগত বহিরাগত বলে টুকলিবাজরা চেঁচায় না।
  • anirban | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ১০:৫৭260214
  • এগুলি শংকু পান্ডাকে পাঠিয়ে দিন। কাজে লাগবে। আর হার্ভার্ড আর এম আই টির ভিসি টুকলি করে না। আর তাদের স্তাবক পোষরাও দরকার হয় না।
  • #হোকসিকিউরিটি | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ১০:৪৮260213
  • এই লিংকটা দেখেও কি মাথা গরম হবে?

    http://www.hupd.harvard.edu/

    বা এইটা?

    http://police.mit.edu/
  • - | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ০৯:৫৫260212
  • কিন্তু কেন?
  • anirban | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ০৯:৩৫260211
  • ব্যাঙের দেওয়া লিংকটা দেখে মাথাটা গরম হয়ে গেল।
  • | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ০৯:৩১260210
  • এহ আমি কালকেই ভাবছিলাম যে কেউ একটু 'বিশ্রী সুরে' গান ন্শোনানো নিয়ে 'ঘেন্না' জানাবে না গো ..... আহা কারা বিশ্রী সুরে গায়? যারা সুশ্রী সুর শিখতে পারে না, তারাই তো। আহা সেইসব ভাইবোনেরা, সেইইইসব ডিক্লাসড ভাইবোনেরা, যারা একটু সুশ্রী সুরও রপ্ত করে ওঠার সুযোগ পান নি .... তাঁদের প্রতি এই অপমান, তাচ্ছিল্য
    (ঘেন্না)*২০০
    এইটুকু নিশ্চয় কেউ না কেউ জানিয়ে যাবে।

    তা ন্যাড়াদা দেখি আগেভাগেই বলে দিয়েছেন।
  • kumu | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ০৮:১০260208
  • পাই পাশে অছি সবসময়।সিকির কাছে খবর নেবো।
  • Atoz | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ০৭:৩৮260207
  • আরে এ যে সেই আট হাজার বছর আগের পারদের এরোপ্লেন এর কেস এর মতন দেখি!!! আগে ঐ টেরোড্যাক্টিলের কথা হচ্ছিল, সেই আমলে কে যেন দিয়েছিল না? ঃ-)
    আহা, এই লিংকটাতে দেখি ইমহোটেপে নৃসিংহে শিবে সুমেরুতে হিটলারে গডার্ডে একেবারে মাখামাখি করে দিয়েছে রে!!!!
    ঃ-)
  • অরিন্দম | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ০৭:২৫260206
  • কলরব থেমে গেলে নি:সীম স্তব্ধতা কিন্তু ম্যড্ক্স স্কোয়ার থেকে লাবণি প্রমান করে কলরব থামেনি।পুজোর ফুটুস মস্তিকে পাশে সরিয়ে রেখে যারা এই আন্দোলনকে গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়ে চলছে, তাদের অভিনন্দ্ন। গর্ব হয় ঈপ্সিতার জন্য।মুষ্টিমেয় কিছু লোক খিল্লি করলেই বোঝা যায় আন্দোলন ঠিক পথ ধরে এগোচ্ছে।
  • ঢপেশ্বর ঢোল | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ০৭:০১260205
  • বিশ্রী সুরে গান শোনানো গান্ধীগিরি কিনাসন্দেহ আছে।প্রতিপক্ষের অন্তরাত্মাকে জাগিয়ে তোলাই নিশ্চয় উদ্দেশ্য।তবে তিনুদের ধাক্কা দিতে যা হয় তাই ভাল।
  • T | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ০৫:৩৩260204
  • এটা আগেও কে একটা যেন টইতে দিয়েছিল। টোটাল গাঁজা।
  • T | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:৪২260202
  • পাশে আছি পাইদি। কিছু পাবলিক খিল্লি করল তো বয়ে গেল। খিল্লি ফিল্লি করা নিয়ে চাপ নেই। সে তো যারা খিল্লি করে তাদেরকে নিয়ে আমরা আরো বেশী খিল্লি করি। কি যায় আসে।
  • a x | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:১৮260201
  • যত যাই হোক না কেন, সবাই একসাথে স্টিক করে থেক। পুলিশ সবসময় কয়েকজনকে আইসোলেট করার চেষ্টা করে।
  • pi | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ০২:৫৭260200
  • ওরা ভয় পেয়েছে। তাই ভয় পাওয়ানোর চেষ্টা শুরু হয়েছে। ভয় পেলেও তো কামড় দেয়।
    মরশুম পুজোর। ওরা ভেবে নিয়েছিল, পুজোর স্রোতে হোককলরব ভেসে যাবে। পুজোর হুজুগ দিয়ে প্রতিস্থাপিত হয়ে যাবে, হোককলরবের, হ্যাঁ, হুজুগ। হুজুগমাত্রই ভেবে নিতে শুরু করেছিল বোধহয়। আর সেই ভাবনাতেই চিড় পড়ে গেল অষ্টমীর সন্ধের হোককলরবের গর্জনে। গর্জনের আগে থেকেই। হবার সম্ভাবনার খবর পেয়েই। কাল বাইরের গেটে জমায়েত হয়ে পোস্টার আঁকাআকি হতেহতেই জনতা চেগে গেল, ম্যাডক্স স্কোয়ারের ভিতরে বসে আঁকা লেখা করা হোক, গানবাজনা করা হোক। লিখে ফেলা পোস্টারগুলো হাতে করে মাঠে ঢুকতেই চার দিক থেকে হোক কলরবের আওয়াজ। হোক কলরব ধ্বনি উঠতেই তার প্রতিধ্বনি। আশেপাশেই ক্যামেরা নিয়ে হাজির ম্যাডক্স স্কোয়ারে বসে থাকা অনেক জনতা। হাজির হয়ে গেলেন উদ্যোক্তারাও। বললেন কাল মাঝরাতে নাকি লালবাজার থেকে চিঠি পেয়েছেন, হোককলরবকে ওঁরা স্পেস দিচ্ছেন, এন্টারটেইন করছেন, কেন করছেন, যেন না করেন ই ইঃ। বললেন, আমাদের অনুরোধ করছেন আমরা যেন ওঁদের পুজো নষ্ট না করি। তো আমরা বললাম, নষ্ট করার কোন পরিকল্পনাই নেই আমাদের। ম্যাডক্সে যেমন নানা গ্রুপ বসে থাকে, আড্ডা মারতেই, তেমনি হবে। আমরা গান বাজলা করবো,ছবি আঁকবো। উদ্যোক্তারা বললেন এটা যদি অনেকের মহ্যে ছড়িয়ে পড়ে তাহলে পুজো নষ্ট যাবে। সেই ভত পাচ্ছেন। আর লালবাজারে ভয় তো আছেই। অনুরোধ করলে মাঠে না করতে যদিও সেই দুরটা মাঝে মধ্যেই আদেশে রূপান্তরির হয়ে যাচ্ছিল। তো যাই হোক, ঠিক হল গেটের বাইরে কলরব হবে। এই সব কিচুই করা হবে। পোস্টার গুলো দেখাতে দেখাতে মাঠ থেকে বেরোনো হল। গেটের সামনের ফুটপথাএ জমায়েত শুরু হল, স্লোগানিং, গানবাজনা। লোক ছিলোই, আস্তে আস্তে আরো জড়ো হতে শুরু করলো। দাঁড়িয়ে পড়তে শুরু করলেন গেট দিয়ে ঢোকা বেরোনো মানুষজন। ছবি তুলতে লাগলেন। ভিসি তুমি দুশ্টু লোক/তোমার মাথায় উকুন হোক পড়তে গিয়ে দাঁড়িয়ে পড়লেন অনেকেই, পড়তে লাগলেন অন্য পোস্টারগুলোও। জানতে চাইলেন কী হয়েছিল। বললেন পাশে আছি। জানতে চাইলেন, হোক কলরব তাঁদের ছেলেমেয়েদের জন্যেও কিনা, যারা অন্য কলেজে পড়ে। অন্য কলেজে পড়া ছেলেমেয়্রাও দাঁড়িয়ে গেল ভিড়ে।
    বিকেল সন্ধে হতে থাকলো, কলরব বাড়তে লাগল। স্লোগানের কলরব, গানের কলরব। উদ্যোক্তারা বাইরে চলে এলেন। উল্টোদিকের ফুটপাথে দাঁড়িয়ে রইলেন, পাশে পুলিশ। না, আমরা ঠিক করেছিলাম, কোনোরকম ডিসরাপশন আমাদের দিক থেকে নয়। তার রাস্তা আটকানো হয়নি। কয়েকজন ছেলেপুলে সমানে সেটা এনশিওর করে গেছে, রাস্তা দিয়ে যাতে ঠিকভাবে গাড়ি চলতে পারে, মানুষজন চলতে পারেন। মানুষজন যাতায়াত করছিলো, গাড়িও চলছিল। আর সেই মানুষাজন আমাদের স্লোগানিং শুনছিলেন, গান শুনছিলেন। যেতে যেতে কেউ কেউ গলা মেলাচ্ছিলেন, স্লোগানে, গানে। বলে উঠছিলেন হোক কলরব। কেউ কেউ থেমে দাঁড়িয়ে পড়ছিলেন। গাড়ি থেকে নেমেও। মিশে যাচ্ছিলেন আমাদেরই একজন হয়ে। বক্তব্য রাখলেন তাঁরাও। কীভাবে 'বহিরাগত' হয়েও তাঁরা পাশে থাকতে চান। আন্দোলনে শামিল হতে চান। হয়ে গেলেনও। এমনিতেই সেই জমায়েতে কম 'বহিরাগত' তো নেই। তখন স্লোগান উঠছে, আমরা হলাম বহিরাগত/থাকবো পাশে মারবে যত।
    ব্যারিকেড গড়ে তোলার স্লোগান উঠলো শুধু যাদবপুরের কমরেডদের জন্যই নয়, বিশ্বভারতী থেকে বর্ধমান থেকে কৃষ্ণনগর, কল্যাণী, নিউ ইয়র্র্ক, মানেসর, হিমাচল .. সব কমরেডদের নিয়েই।
    পুলিশ যখন সামনে দিয়ে যাচ্ছে, স্লোগান উঠে গেছে, পুলিশ তুমি মারলে এত, মাইনে তোমার বাড়লো কত ?
    পুলিশের গাড়ি যখন যাচ্ছে, সমস্বরে, পুলিশ তোমায় জাপটে ধরে, গান শোনাবো বিশ্রি সুরে।
    হ্যাঁ, পুলিশ চেয়ে চেয়ে দেখেছিলই। এই এত জনতার মোকাবিলা করার সাহস তাদের হয়নি। আর ভয় পেয়েছিল। এবং বোধহয় সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। নবমীর সন্ধ্যায় লাবণির প্রোগ্রামের জন্য,
    প্রোগ্রাম বলতে সেই আঁকা আর গানের কথাই ছিল।
    পাঁচটা চল্লিশ নাগাদ যখন লাবণির সামনে গেলাম, কিছু ছেলেপুলে লাবণির গেটের সামনের রাস্তার ডিভাইডারের ঘাসে বসে পোস্টার লিখছে। সবাই ঐ ডিভাইডারেই। আমি যেতেই বললো তোমার খোঁজ হচ্ছে বেশ কিছুক্ষণ ধরে। স্পেশাল ব্রান্চের লোক। বলতে না বলতেই তিনি হাজির। বললেন আমি স্পেশাল ব্রান্চ থেকে আসছি। আপনার নাম অমুক। আপনার ইনফরমেশন আমাদের কাছে আছে। আপনাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাই। কালকের প্রোগ্রাম, আজকের প্রোগ্রাম নিয়ে জানতে চাই। লোকজনের নাম ধাম ইনফো চাই। পরে দেখা যাবে বলে অনদিকে গিয়ে আমি ফোন করতে শুরু করলাম, এ নিয়ে কীভাবে কী ডিল করা উচিত। কথা বলতে বলতেই দেখি দু গাড়ি পুলিশ, গাড়ি থেকে নামছে। এবং চলে এল ডিভাইডারে। যারা পোস্টারিং করছিলো তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করলো। জিজ্ঞাসার থেকেও বেশি হুমকি, আপনারা এসব করতে পারেন না। আগে থেকে অনুমতি না নিয়ে। জিগেশ করা হল কী করা হয়েছে। ডিভাইডারে বসে পোস্টার আঁকা যাবেনা। শুরু হল তর্ক, পুলিশ বললো আপনাদের যেতে হবে। এগুলো সব ই আমি ফোন করার ফাঁকে ফাঁকে শুনছি। তখন আমি পাগলের মত ফোন করতে শুরু করেছি একের পর এক মিডিয়ায়। লোকজনকে। আমার ফোন শেষ হতে হতে দেখি ওদের তুলে নিয়েছে। এমনি কপাল যে ক্যামেরার চার্জার নেই, কদিন চার্জ দিতে পারছিনা। ফোনে কথা বলবো না ছবি তুলবো। আর ফোনে আগে কখনো তুলিওনি। খুঁজে পেতে তুলতে শুরু করতে করতে গাড়ি চলে গেল, তার পরের কিছু ভিডিও আর সেই স্ময়ের কিছু ঝাপসা ছবি এল। এবার পুলিশ আমার কাছে। ডিভাইডারে তখন আমি আর আরেকজন। আশ্চর্যজনকভাবে আমাকে অপশন দিল, গাড়িতে উঠবো কিনা। কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানালাম, উঠবো না। ডিভাইডার থেকে নেমে রাস্তায় গিয়ে দাঁড়ালাম। এসে গেল আরো কয়েকজন। একজন থানায় গেল। মশামেসো এল। থানায় গেল, ব্যাংঅদি ফোন করলো। এল। আসতে থাকলো অনেক ফোন। নানা মিডিয়া থেকে। যা ঘটেছে, জানালাম। বললো নিউজ করবে। খবর পেতে থাকলাম, করছেও। খবর এল ওদের ১৫১ দিয়েছে। বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমরা। আবার পুলিশ এল। আমার সাথে কথা বলতে চাইলো। বললো, এখানে কোন জমায়েত করবেন না।কোন কিছু করবেন না। বল্লাম, কী আশ্চর্য, বাস স্ট্যাণ্ডে কয়েকজন মিলে দাঁড়িয়েও থাকতে পারি না ? তো, পুলিশ অফিসার বললেন, ম্যাডাম, আপনার সাথে কোন খারাপ ব্যবহার করছিনা, করছি কি ? এটাই বলে যেতে থাকলেন। তো বল্লাম, খারাপ ব্যবহার করার কথা তো বলিনি, কিন্তু আমরা এখানে থাকতে পারবো না, সেটা হয়না, সেটাই বলছি। সেটা ঠিক কিনা বলুন। চুপ করে গেলেন। আরেকজন প্রশ্ন করলেন, ওদের ধরা হল কোন অপরাধে ? উত্তর এল, সেটাও এখনো বোঝেন নি ? থানায় আসুন, বুঝিয়ে দিচ্ছি।

    ঘণ্টা দেড়েক বাদে ওদের ছাড়া পাবার খবর এল। কিছু লোকজন ছাড়া পেয়ে লাবণিতে চলে এল। অতঃপর কী, এসব নিয়ে কথার মাঝেই গান ধরা হল। পুলিশের সামনেই। বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে।
    উই শ্যাল ওভারকাম। ওরা আমাদের গান গাইতে দেয় না। আমার প্রতিবাদের ভাষা, আমার প্রতিরোধের আগুন।
    বাঁধ ভেঙ্গে দাও ..

    হ্যাঁ, ওরা ভয় পেয়েছে। আমরা পাইনি।
    খুব আবেগাপ্লুত শোনাচ্ছে বটে। এই নিয়ে এখন চাট্টি খিল্লিও হয়ে যাবে হয়তো।
    আর হ্যাঁ, ন্যাপরটা বেশ আবেগদগদ ইস্কুলের রচনা মার্কাই দাঁড়াবে বটে, এখন যদি গানের এই কলিগুলো লিখি। কিন্তু এই কলিগুলোই তখন ঘুরিয়ে ফিরিয়ে গাইতে ইচ্ছে করছিল, গাইছিলাম ও। এটাও যে সত্যিই।
    We are not afraid
    We are not afraid
    We are not afraid some day
    Oh, deep in my heart
    I do believe
    We shall overcome some day

    পঃ হ্যাঁ, আমরা বুঝিনি। পুলিশ এসে অন্ধকারে ছাত্র পিটিয়ে গেলে, মেয়েদের যৌন হেনস্থা করে গেলে সেটা কোন অপরাধ হয়না, কিন্তু ডিভাইডারে বসে পোস্টার আঁকলে কেন অপরাধ হয়।
    বুঝিনি রাস্তায় দাঁড়িয়ে কতটুকু বলার অধিকার আমাদের আছে আর দেওয়া হবে। প্রশাসনের বিরুদ্ধে, ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে, অত্যাচার, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের কতটুকু বলার অধিকার আছে আর দেওয়া হবে। তবে বুঝে নিতে চাই। বুঝিয়ে দিতেও।

    ফিরে এসে দেখি তাতিন লিখেছে, পুলিশ তোমার এত্ত ভয়; তোমার জন্য চিন্তা হয়। মামু পোস্টার বানিয়েছেঃ https://www.facebook.com/25globalprotest/photos/a.1474851049406489.1073741828.1474350629456531/1480464568845137/?type=1&theater

    এসেছে অজস্র লোকজনের ফোন। পোস্ট। মেসেজ। পাশে থাকার আশ্বাস। কলরবের আওয়াজ। আবেগ আর সমাজচেতনার হদ্দমুদ্দ করে লিখেই ফেলি, হোক হোক হোক্কলরব !
  • Atoz | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ০০:২৯260198
  • দেকেচ কান্ড! কেউ রো রা দিল না!!! বল্লো ও না কিছু !!!!!
  • Atoz | ০৩ অক্টোবর ২০১৪ ২৩:৫৬260197
  • কোন্‌ অনিমেষ? মজুমদারবাবুর?
  • Ishan | ০৩ অক্টোবর ২০১৪ ২৩:৪৮260196
  • rabaahuta | ০৩ অক্টোবর ২০১৪ ২৩:৪১260195
  • তাও ভালো অভিজিত সুরজিৎ এইসব নামে সেভ হচ্ছেনা। নিশ্চই স্মার্টফোন।

    তা সে যাই হোক, সাবধানে থাকবেন আরকি।
  • kc | ০৩ অক্টোবর ২০১৪ ২৩:৪০260194
  • ন্যাড়াদা, বিশ্রী সুর মানেতো যেটা আমার অপছন্দের। সেটা দিয়েই আবার গানের মতন এক্টা অহিংসক জিনিষ, মানেতো টোটাল গান্ধীগিরি। আমার তো খুবই ভালো লেগেছে। (সেশ বাইক্যটা স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দ্যাশের ছোট্ট ভাইএর থেকে নিলাম)
  • সিকি | ০৩ অক্টোবর ২০১৪ ২৩:৩৯260193
  • পাই, আপাতত ফোন বন্ধ রেখেই ঘুমিয়ে পড়ো। আমি কাল কথা বলব।
  • kc | ০৩ অক্টোবর ২০১৪ ২৩:৩৬260192
  • ফাইদিদি, সাবধানে থেকো।
  • pi | ০৩ অক্টোবর ২০১৪ ২৩:২৪260191
  • আমার সমানে ফোন এসে চলেছে, কিছু ধরতে পারছি, গুচ্ছ মিসড কল। আর সব নতুন নং ই অনিমেষ নামে সেভ হয়ে চলেছে। কিছুই বুঝছিনা কে। ঃ(
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত