এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sosen | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৪:৪৫263820
  • ওটা খুব ছোটোদের ৫-৬ বছরের জন্য, টড পার-এর---কিন্তু আমার তো এখনো খুব ভাল্লাগে-ধরো ইস্কুলে বা্চ্চারা যেসব নিয়ে বুলি করে অন্যদের, সেরকম জিনিসগুলো বলা আছে, it's ok to wear glasses, it's ok to lose one tooth or two, its ok to be adopted সুন্দর কার্টুন দিয়ে দিয়ে। আরো ভালো ভালো বই আছে ঐ সিরিজে।
  • Reshmi | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৪:৪০263819
  • সোসেন, আমার পোস্টটা তোমাকে নয়, আগে কেউ কেউ লিখলেন এগুলো সব নর্মাল ট্রান্জিশন ফেজ, সেই পরিপ্রেক্ষিতে লিখলাম।
    তুমি যে ইট্স ওকে টু বি ডিফারেন্ট বইএর সিরিজটার কথা বললে, ওটা কোন বয়সের জন্য? আমার ছেলে ১২ হতে চলেছে। যদিও সে বই প্রায় পড়েই না, তাও চেষ্টা করে দেখতাম একবার বা নিজেই পড়ে শোনাতাম।
  • sosen | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৪:৩৬263817
  • আর ওরা-আমরার বিভেদটাও চলে যাবে। সেটাও স্বভাবজ। মায়েরা ছেলেদের নিয়ে একটু বেশি ভাবেন, কারণ ঐ একই বয়সে নিজেরা অনেক বেশি পরিণত ছিলেন। ঐ বয়েসী ছেলেগুলো কিন্তু অমনি কাঁচা আর মুখচোরাই ছিল। এসব-ই পরে চলে যাবে।
  • সে | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৪:৩৬263818
  • একটা নয়, অ্যাক্‌চুয়ালি দুটো কাণ্ড।
    কাণ্ড একঃ
    তখন বিদেশে যাবার প্রচুর অফার আসছে কাজের জন্যে, ভালো টাকা। কিন্তু মেয়েকে রেখে তো যেতে পারব না। মেয়ের যে পাসপোর্ট নেই!
    তো একটা কোম্পানী এরকম বাইরে পাঠাবেই (অ্যামেরিকায়) বলে চেপে ধরেছে, তখন তাদের এইচারের কাছে বললাম, দেখুন এই হচ্ছে সমস্যা। তিনি এক উকিল বাৎলে দিলেন, আপনি শুক্লাদেবীর সঙ্গে দেখা করুন। এর আগেও উকিলের পরামর্শ নিয়েছি কিন্তু তাঁদের টেন্ডেন্সি ভালো ছিলো না। সকলেই হাইকোর্টের উকিল।
    শুক্লাদেবী একটা পয়সা নিলেন না। শুধু বললেন, আপনি ফর্ম তুলেছেন?
    তুলেছি।
    দেখি।
    দেখে টেখে বললেন, যে পার্টগুলো ফিলাপ করতে পারছেন না, সেগুলো ব্ল্যাঙ্ক রেখে সাবমিট করুন।
    কিন্তু ওরা তো মিলিয়ে দেখবে! কাউন্টারেই জমা নেবে না।
    আলবাৎ জমা নেবে। আপনি জমা দিয়ে আসুন। আর শুনুন পাসপোর্ট ফর্মের "অ্যানেক্স্‌ কে"টা খুঁটিয়ে পড়তে হবে। ওতেই সলিউশান পাওয়া যাবে।
    ফর্ম জমা দিয়ে এলাম।
    কি আশ্চর্য, কাউন্টার ক্লার্ক কিচ্ছু টের পেল না।
    এর পরে আমি বিদেশে গেছলাম অল্প সময়ের জন্যে (লেস্‌ দ্যান অ্যা উইক), ফিরে এসে দেখি পাসপোর্ট অফিস থেকে ডেকে পাঠিয়েছে। রীজনঃ মাদার্স নেম।
    চিঠি পড়ে আমি তাজ্জব।
    যাইহোক, মেয়েকে নিয়ে ব্রেবোর্ণ রোডে গেলা। মেয়েতো সমাজের এসব নোংরামি জানে না, তাকে শিখিয়েও কাজ নেই, তাই সে কেরাণীবাবুর সঙ্গে হ্যান্ডশেক করল, হাতজোড় করে নমস্কারও করল।
    তারপরে শুরু হলো ইন্ডিয়ান পদ্ধতিতে মজা লোটার এপিসোড।
    আপনার বাচ্চাটা কেমন করে হোলো? (ঘরে আরো জনা আট দশ লোক টেবিল ঘিরে এই আলকাপ নাটকটার রস নিতে মুখিয়ে রয়েছে)
    নর্ম্যাল ডেলিভারি, নো কম্প্লিকেশন।
    (প্রথমে একটু অবাক, তারপরে সামলে নিয়ে সেই কেরাণী বাবুটি আবারো) আরে তা নয়? মেয়ের বাপ কে?
    লিখে দিয়েছি তো ফর্মে।
    হ্যাঁ কিন্তু বাপের পাসপোর্ট কোথায়? তার সঙ্গে আপনার বিয়ে হয়েছিলো কে?
    এবার মেয়ে উত্তর দিলো - না, আমার বাবা মায়ের বিয়ে হয় নি।
    কেরাণী বাবুরা ও উত্সুক দর্শকেরা বিষম খেলেন।
    তুমি চুপ করো।
    আমি কী কল্লাম? (মেয়ে দুঃখিত মুখে বলে)
    না আমাদের বিয়ে হয় নি।
    তাহলে তো ঝামেলা আছে, দেখুন সবকিছুরইতো একটা ইয়ে আছে, আমাদের দেশে এসব জিনিস চলে না। এটা তো ফরেন নয়।

    মোটকথা আমাদের খেদিয়ে দিলো সেদিন।

    কাণ্ড দুইঃ
    ইন্টারনেট চ্যাটের মাধ্যমে এক আই এ এস অফিসারের সঙ্গে আলাপ হয়েছিলো। চিঠির গল্প তাঁকে বললাম। ভদ্রলোক খুব পরোপকারী, বললেন এক কাজ করুন আমার অফিসে আসুন কালকে।
    (এই অফিসের উল্লেখ ঠিকানা সহ, পরে নবারুণ ভট্টাচার্যের কাঙাল মালসাটে পেয়েছিলাম) ভদ্রলোক তখন ছিলেন না, ইডেনে ভারত অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ম্যাচ দেখতে গেছিলেন। কিছুটা ম্যাচ দেখে তারপরে দুপুরের দিকে এলেন। বললেন এক কাজ করুন, রিজিওনাল পাসপোর্ট অফিসারের সঙ্গে ডিরেক্ট কথা বলুন।
    সেখানে আমায় ঢুকতে দেবে কেন? আপনি আমার কার্ড নিয়ে যান, ওটা দেখালে দেবে।
    সত্যিই দিলো।
    আই এ এস দের একটা (বা একাধিক) নিজস্ব লবি থাকে।
    আরপিও খুব যত্ন করে বসালেন আমাকে। কেরাণীবাবুকে ডেকে পাঠালেন।
    কেরাণীটি তো আমায় দেখেই চিনে ফেলে, ও ম্যাডাম আপনি? হেঁ হেঁ।
    আইয়ে! (আরপিও বলনেন) প্লীজ কাম ইন্‌।
    কেরাণী তখন অধোবদনে দাঁড়িয়ে।
    শীট ডাউন! (এইরকম উচ্চারণ করলেন আরপিও কেরাণীর উদ্দেশ্যে)
    কেরাণীবাবু বসলেন আমার পাশের চেয়ারে।
    দেখুনদিকি, আপনি সেদিন এলেন তো, মনে আছে। ইয়ে..
    ফাইল লেকে আইয়ে।
    নিমেষের মধ্যে ফাইল এসে গ্যালো।
    অ্যানেক্স K নাকি J, ঠিক মনে পড়ছে না, সেটা ফীলাপ করলাম।
    থ্যাঙ্কিউ।
    কিন্তু এখানেই শেষ নয়, এপিঠ ওপিঠ লাগবে কোর্ট থেকে। সেই এপিঠ ওপিঠের কথা (ভেতরে কী কী লেখা থাকবে) সেটা বলে গেলেন কেরাণীবাবু (ভয়ঙ্কর ইংরিজি, অথচ উনিতো লার্নিং ইংলিশের বহু বহু আগের জমানার লোক)। আমি টুকে নিয়ে, ধন্যবাদ জানিয়ে বেরিয়ে এলাম।
    নেক্স্‌ট্‌ গন্তব্য কোর্ট।
  • sosen | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৪:৩৪263816
  • ঠিক তা বলিনি--কিন্তু স্কুল যাই করুক, দেশব্যাপী বিদেশব্যাপী কাল্চারাল বিভেদের বন্যায় ওদের বেশী কিছু করার থাকে না। আর এটা যে শুধু এদেশেই তা তো না।
    সতেরো আঠেরো বছর বয়েস অব্দি ছেলে আর মেয়েদের মানসিক বাড়বৃদ্ধির গ্রাফটা একেবারে আলাদা। তাই সমবয়সী ছেলে মেয়েদের গ্রুপ তৈরি হতে একটু দেরি-ই হয়। স্বভাবতই। ওটাকে খুব গুরুত্ব দেওয়ার দরকার আছে বলে মনে হয় না। বরম বাড়িতে স্টিরিওটাইপিং একেবারে না হয় সেটা দেখা দরকার-ছেলেকে একটা "ছেলেদের" খেলনা কিনে দিয়ে সেটা নিয়ে একটু স্টাডি করতে বলো- কারা এই খেলনাটা বানিয়েছে, কজন ডেভেলপার মেয়ে-এইরকম--যাতে ছেলে ধীরে ধীরে লজিকালি বোঝে যে ওর ধারণাটা একটু শুধরোতে হবে--
  • Reshmi | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৪:২৪263814
  • তাহলে অপেক্ষাই করি কবে স্বাভাবিক নিয়ম মেনে ছেলে আর মেয়েদের বন্ধুত্ব হবে, স্কুলের চৌকাঠ পেরোনর আগে আদৌ হবে কি না কে জানে। কিন্তু আমার বলার এটাই ছিল স্বাভাবিক নিয়ম মেনে সব্কিছু হতে হতে "ওরা-আমরা"র বিভেদটাও স্বাভাবিক নিয়মেই হয়ে যাবে। সেটা আর পাল্টানো যাবে না মনে হয়। এ ব্যাপারে স্কুলগুলো একটু প্রোঅ্যাকটিভ হলে ভালো হত। আজকাল সিবিএসই সিলেবাসে প্রচুর গ্রুপ ওয়র্ক থাকে, সেগুলো যদি মিক্সড টীম বানায়, বা স্কুলের কালচারাল প্রোগ্রামগুলোতে।
    আমার ছেলের স্কুলে দেখি বেশির ভাগ গ্রুপ ডান্স হয় আর ছোটবেলায় যদিও তাতে ছেলে মেয়ে সমান থাকত, এখন, বলাই বাহুল্য, অধিকাংশই মেয়ে। গ্রুপ ওয়র্কেও বেশির ভাগ স্টুডেন্টরা নিজেদের গ্রুপ নিজেরা ঠিক করে, যথারীতি ছেলে মেয়ে আলাদা আলাদা। কোএড স্কুলে পড়ে তাহলে লাভটা কি হল?
  • sosen | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৪:২৪263815
  • ইট্স ওকে টু বি ডিফারেন্ট বলে একটা খুব সুন্দর বই এর সিরিজ আছে। এক বন্ধু এক ছ বচ্ছরের বাচ্চার জন্য গিফ্ট কিনছিল-বল্লাম এইটা দাও। বল্ল না না ছেলে, বই পড়বে না- বলে একটা বন্দুক কিনল। সিরিজটা কি ভালো!।
  • byaang | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৪:১৬263813
  • কিছুদিন আগে ইন্তারনেটেই দেখলাম, কোন এক বিদেশি কোম্পানি মেয়েরাও যাতে ইঞ্জিনীয়ার হতে উৎসাহিত হয়, তাই তারা সেরকম খেলনা বানাচ্ছে মেয়েদের জন্য। খেলনাগুলোর বিজ্ঞাপণও সেরকম, উই আর গার্লস বলে সারকাস্টিকালি গান গাইছে ছোট্ট ছোট্ট মেয়েগুলো। তো বাজার তাদের বিক্রি বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এই বিভাজনটা করেই চলেছে। লেগো, মেকানো জাতীয় খেলনা ছাড়া আর কিছু বোর্ড গেম ছাড়া ইউনিসেক্স খেলনা দেশে অন্তত খুঁজে পাওয়া শক্ত। জুনিয়র স্পাইক্যাম, ওয়াকিটকি জাতীয় খেলনায় সবসময় দুটো ছেলের ছবি থাকে। তো বাচ্চাগুলো কেন পরস্পরকে একে অপরের থেকে আলাদা ভাবে, ছেলেরা মেয়েদের কেন ন্যাকা ভাবে, আর মেয়েরা ছেলেদের কেন গুন্ডা, বর্বর ভাবে, এ নিয়ে নালিশ করে লাভ কী?
  • sosen | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৪:১৪263812
  • এইটা একটু আম্রিগামুখিতার ফল, নীল -গোলাপি এইসব। বাপ-মায়েরাও উপুড়হস্ত-রাশি রাশি জামা, খেলনা, সব আবার জেন্ডার স্পেসিফিক-অনুকরণ করতে গেলে আর কোথাও ছাড় নাই। এত উপকরণ কিসে লাগে? দেশের তেরো পার্বণে ছাড় নাই, আবার হ্যালৌইন।
    তবে এইসব একটু বড় হলে ঠিক হয়ে যায়-মেয়েদের মেয়ে হিসাবেই না দেখে অর্জিত সম্পর্ক হিসেবে দেখতে শিখবে-যেমন বলছে মা আবার মেয়ে নাকি? তখন বলবে অমুক আবার মেয়ে কিসের?
  • byaang | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৪:০৬263810
  • মানে মেয়েলিপনা বলে যে ব্যাপারগুলোকে আলাদা করা হয়, আমার সেখানটাতেই আপত্তি।
  • hu | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৪:০৬263811
  • কয়েকদিন আগে আমরা রামধনু সিনেমাটা দেখলাম। বাচ্চাদের স্কুলে ভর্তি করার সমস্যা, বাবা-মায়ের ইন্টারভিউ এই সব নিয়ে সিনেমা। তো তাতে একটা স্কুল দেখাচ্ছে যেখানে বাবা-মাদের গ্রুম করা হয়। বাবাকে শেখানো হচ্ছে ইন্টারভিউ দিতে গেলে আগে আপনার স্ত্রীর চেয়ার এগিয়ে দেবেন, তারপর বাচ্চার, তারপর নিজের। বাড়িতে যখন খাবার সার্ভ করবেন আগে স্ত্রীকে দেবেন (লেডিজ ফার্স্ট), তারপর বাচ্চাকে (বাচ্চাটি এক্ষেত্রে ছেলে; মেয়ে হলে কি করতে হবে বলেনি), তারপর নিজের পাতে। এই সবই পজিটিভ সেন্সে হচ্ছে। কোন ফাজলামির ব্যাপার নেই। শিভ্যলরির বাড়াবাড়িতেও কাঁদিয়ে দিচ্ছে এরা।
  • byaang | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৪:০৩263808
  • ডিঃ ঐ কলেজের ছেলেদের খেপানো যেতটা মজা করে লেখা, ওখানে দয়া করে বিন্দুতে সিন্ধুদর্শন করবেন না।
  • সে | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৪:০৩263809
  • হ্যাঁ, যা বলছিলাম। নব্বই দশকের গোড়ার দিকে সোভিয়েত ইউনিয়নে আমার মেয়ের জন্ম হয়। মেয়ের মাতা ও পিতা দুজনেই ভারতীয় নাগরিক এবং দুজনেই স্বেচ্ছায় অবিবাহিত। কোনো রেপ নয়, বেশ্যাবৃত্তি নয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে যৌনসুখ নিয়ে তারপরে প্রবঞ্চনা, ইঃ কোনো কিছুই নয়। সবটাই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং প্ল্যান করেই একটা শিশুকে দুনিয়ায় আনা। শিশুটিকে ভালোবেসেই।
    জন্মের পরে ওদেশ থেকে সঙ্গে সঙ্গে জন্মপত্রিকা দিয়ে দিলো, রীতিমতো সবুজ মলাটের বাঁধাই করা পুস্তিকা। ইংরেজিতে নয়। ওদেশের দুটি ভাষায়। সেখানে বাপের ও মায়ের নাম,পদবী, নাগরিকত্ব রয়েছে, শিশুর জন্মস্থান (এইটে সবচেয়ে ইম্পর্ট্যান্ট জিনিস), জন্মতিথি ও শিশুটির নাম ও পদবী। অবিবাহিত মা হিসেবে কোনো ডিস্‌ক্রিমিনেশন পাইনি, বরং অন্যান্য বিবাহিত মায়েদের মতো ই সন্তানের জন্ম দিয়ে গর্বিত, আনন্দিত, অল্প কন্‌ফিউজ্‌ড্‌ ছিলাম।
    এরপরে ভারতীয় কনসুলেটে যেতে হয়েছিলো (এইটে বোধহয় ভারতীয় দূতাবাসের সেক্সি স্টোরিজ এ যাবে) সেখানে সেই হোয়াইট্‌নারখ্যাত সৈনীজি খুব তোয়াজ করে বসালেন (সেটাই প্রথম আলাপ ওঁর সঙ্গে) চা এলো, রেজিস্টার বই এলো, সব লেখা হলো সেখানে বার্থ সার্টিফিকেট থেকে, এবং পাসপোর্টে মেয়েকে ইন্‌ক্লুড করা হোলো। প্লাস ভারতীয় দূতাবাস জন্মের রেকর্ড নথিভূক্ত করল। একটা ইংরিজি কপিও দিলো। সেটা কিন্তু বার্থ সার্টিফিকেট নয়, কারণ বার্থ সার্টিফিকেট দেবার অধিকার তাদের নেই, সেই অধিকার রাষ্ট্রের এবং রাষ্ট্র তা দিয়ে দিয়েছে। রাষ্ট্র কোনো শিশুকেই ভেদাভেদ করে না। সেই ইংরিজি বার্থ রেজিস্ট্রেশন নামক কাগজটিতে মাতা পিতার নাম পেশা (দুজনেই ছাত্র) স্থানীয় ঠিকানা সমস্তই লেখা ছিলো। ভারতীয় দূতাবাস কোনো ঝামেলা করে নি। খুব ভদ্র ব্যবহার করেছে।
    প্রবলেম হোলো দেশে ফিরে। পাসপোর্ট থেকে প্রথমে বাচ্চার নাম ডিলিট করা ও বাচ্চার নতুন পাসপোর্ট বানানোর সময়ে। এটা ১৯৯৮ সাল। নাম ডিলিট করতে সময় লাগল কারণ বিদেশ থেকে ইশ্যুড পাসপোর্ট বলে। এবার বাচ্চার নতুন পাসপোর্ট বানাতে গিয়ে কেলো।
    বাপ মা দুজনের পাসপোর্ট চাই এবং সেখানেই গণ্ডগোল।
    বাপ ও মা যে পরষ্পরের সঙ্গে বিবাহসূত্রে আবদ্ধ নয় সেটা পাসপোর্টেই পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, ম্যারেজ সার্টিফিকেট ও নাই, এরকম সময়ে "বুদ্ধিদাতা"র অভাব হয় না। কেউ বলল, লিখে দিন বাপ মরে গেছে, ফেক ডেথ সার্টিফিকেট দেখিয়ে দিন, কেউ বলল অন্য কাউকে বাপ খাড়া করে পাসপোর্ট অফিসে মুখ দেখিয়ে আনুন (যদিও তার পাসপোর্ট সম্পর্কে কবি নীরব), কেউ বলল ফেক এফিডেভিট বানিয়ে ফেলুন (এইটে খুউউউব সোজা কাজ যদিও), এইরকম নানা মুনি নানান জ্ঞান ফলালেন।
    ওঃহো, শিশুটির পিতার সঙ্গে তখন সমস্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে তাই সবচেয়ে সহজ পন্থা, অর্থাৎ তাকে পাসপোর্ট সহ উপস্থিত করাটা মুশকিল হয়ে গেল। কিন্তু সেখানেও ঘাপলা হোতো পরে জেনেছি। সে বেচারি বিপদে পড়ে যেত। বিয়ে করা যেহেতু পুরুষের কর্তব্য, এবং সে কেন বিয়ে করেনি এই "দোষে" তার জীবন নাজেহাল হয়ে যেত। ভাগ্যিস তাকে সেদিন খুঁজতে যাই নি!
    যাগ্গে, আমি কোনো অবৈধ পথ নিলাম না, যদিও শিশুটির স্ট্যাটাস "অবৈধ" হয়ে রয়েছে মহান ভারত ও তার সমাজ ও তার জনগনের কাছে।
    পাসপোর্ট অফিস ব্রেবোর্ণ রোডে। দালালে ভর্তি। ফর্ম নিলাম। ফিলাপ করতে গিয়ে দেখি শাঁখের করাত। ঐ ডেটা ছাড়া একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক মানুষের পাসপোর্ট বানানো নামুমকিন।
    ট্র্যাভেল এজেন্ট ধরলাম। আনওয়েড মাদার দেখলেই ভারতীয় পুরুষদের (আরে সবার নয়, সবার নয়!) খুব সেক্স চাপে সেটা প্রত্যক্ষ করতে করতে ঘেন্না ধরে গেল। প্রায় হাল ছেড়েই দিয়েছি এমন সময় একটা কাণ্ড হলো।
  • byaang | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৪:০০263806
  • হুচি, একটা কথা বলি। আমার একদম ছোটোবেলায় কিন্তু আমি খেলনা, পোশাক, রঙ সবকিছু নিয়ে এতটা ভাগাভাগি দেখি নি ছেলে এবং মেয়েদের মধ্যে। পুতুল খেলা কি আর ছিল না, নাকি ছেলেগুলো মেয়েদের সঙ্গে পুতুল, রান্নাবাটি এসব খেলত না? নাকি আমিই জন্মদিনে বা কালিপুজোয় কখনো খেলনা বন্দুক বা ক্যাপ বন্দুক পাই নি? মধ্যবিত্ত উত্তর কোলকাতাতে বড় হয়েছি, বহুবার দেখেছি এ আর এমন কি টাইপের অ্যাটিচুড নিয়ে বড় মেয়েরা ফাটিয়ে ছেলেদের সঙ্গে ফুটবল বা ক্রিকেট খেলছে। আমার থেকে তো আমি তো এসব দেখতে দেখতে নব্বইয়ের দশক শুরু হওয়ার আগেই বড় হয়ে গেলাম। এবার আমার থেকে দশ বছরের ছোটো ভাই যখন বড় হচ্ছে, তখন জানলাম ছেলেদের পুতুল আর মেয়েদের পুতুল আলাদা। ভাই-ও পুতুল নিয়ে খেলল, তবে তাদের নাম আলাদা। তারা হল গিয়ে হীম্যান, স্কেলেটন, জি আই জো ইত্যাদি। ভাই কখনও আমার ডালিয়া, ক্যামেলিয়া, সুনীল-সোনালী, টুকটুকি, বুলবুলি-বুলবুলদের ছুঁয়েও দেখল না।
    পুজোর প্যান্ডেলে ছেলেগুলোর সঙ্গে আমরা মেয়েরাও তো ক্যাপ বন্দুক নিয়ে ফটাস ফটাস করেছি। এবারে পুজোর সময়ে আমি খুব ভালো করে লক্ষ্য করলাম, বাপেরবাড়ির বা শ্বশুরবাড়ির কোনো পাড়াতেই, পাড়ার একটিও ছোটোমেয়ের হাতে ক্যাপ বন্দুক দেখলাম না।
    কলেজ পাশ-টাশ করে যাওয়ার পরে জানলুম গোলাপি বা মভ রঙের জামা যদি ছেলেরা পরে, তা হল মেয়েলিপনা, ঐ রঙগুলো মেয়েদের জন্য নির্দিষ্ট। আগে জানলে কলেজের কত ছেলেকে একটু খেপানো যেত। আর এখন কলেজ পাশ করারো প্রায় কুড়ি বছর হতে চলল, এখন তো দেখি সর্বত্র সব কিছুতে ছেলে-মেয়ে আলাদা। কার্টুন চ্যানেলেও মেয়েদের জন্য আলাদা কার্টুন, ছেলেদের জন্য আলাদা। মেয়েদের জন্য ডোরা দা এক্সপ্লোরার, ছেলেদের জন্য ভীষন ভীষন কীসব যেন, নাম মনে রাখতেও ইচ্ছে করে না। এখনকার একদম কুচো কুচো মানে দুই-তিন-চার বছরের বাচ্চা মেয়েগুলোরও টিশার্টের কাট-ছাঁট আলাদা, ছেলেদের টিশার্টের থেকে। অথচ আমাদের ক্লাসের কত মেয়েকে দেখেছি অবলীলায় দাদা-ভাই-বাবার শার্ট-প্যান্ট, টিশার্ট পরছে, পরে কলেজ আসছে, বেড়াতে যাচ্ছে।
    আমরা বড়রাই তো এইভাবে ওদের পৃথিবী আলাদা করে দিচ্ছি, ওরা সেইভাবেই বড় হচ্ছে।
  • একক | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৪:০০263807
  • ইন্ডিয়াতে একটা ভালো ফ্যাশন দিসায়নার অবধি নেই ছেলেদের জন্যে | ধুর্ধুর | বিয়ার পাব -স্পোর্টস বার -স্নুকার পুল -ইনোভেটিভ কস্টিউম পার্টি কিসুই নেই সেভাবে :/
  • Du | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৩:৪৭263805
  • ব্যাং, পৃথিবীটা যে ঘোরে ঃ(। হিরন্যর ছেলে প্রহ্লাদ আর প্রহ্লাদের নাতি বালি। এগোনোর কোন গল্প নাই ফ্রেম ধরে না দেখলে।

    হ্যাঁ আমারও মনে হয় তোমার মতই, তারপর গুলিয়ে যাই।
    চাকরি না করা বৌদের দায়িত্ব নেওয়া নিয়ে কোন ক্ষোভ দেখিনি ছোটবেলায়, মাইনেপত্র মোটামুটি লোকে তাদের হাতেই তুলে দিত। কিন্তু এখন অনেকেই মনে করে যে বৌ চাকরি করে না তাকে বাকি সব একা হাতে সামলাতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে খরচ নিয়ে ঝামেলাও হয়। এটা একদিকে তো খারাপ কারন স্ত্রীটির এতে মানসিক কষ্ট হয় কিন্তু অন্যদিকে আবার এটার কারন হয়ত এই যে বৌদের কাজ করার ধারনাটা পুরুষদের চাকরি করার ধারনার মতই ডিফল্ট হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
  • sosen | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৩:৪১263803
  • আমারো। দম আটকে আসছে।
  • d | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৩:৪১263804
  • কারণ ঐ ইলেকট্রিশিয়ান ইত্যাদি লুতুর পুতুর টাইপের মেয়েদেরই বেশী দেখে তাই। সাধারণভাবে মানুষ কাউকে আলাদা বলে চিনলে প্রথমে অবজ্ঞা, তারপর বিরক্তি, কখ্জনও কখনও প্রতিরোধ এবং শেষে ঠিকঠাক অ্যাকসেপ্ট করে।
  • hu | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৩:৩৮263802
  • পুরুষতন্ত্র না থাকলে বাচ্চা "ছেলেরা" বাচ্চা "মেয়েদের" প্রোটেক্ট করত না। একজন বাচ্চা আরেকজনকে প্রোটেক্ট করত। একটা বাচ্চা ছেলের গায়ের জোর কি ঐ বয়সী একটা মেয়ের চেয়ে বেশী? ঘরের বৌকে প্রোটেক্ট করার মানসিকতা থেকেই একসময় বাংলার হিন্দু মেয়েদের মাথায় ঘোমটা উঠেছিল শুনেছি। সবে সেই ঘোমটার যুগ পেরিয়ে এলাম আমরা। দুটো জেনারেশনও হয়নি।
  • একক | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৩:৩৬263801
  • বাচ্চা ছেলেদের দোষ দিচ্ছিনা | জঙ্গলের পরিবেশ তৈরী করে রাখলে জঙ্গলের নিয়ম প্রশ্রয় পাবে এটা ঘটনা | আর লুরু র হাই এডুকেটেড -আম্রুফেরত জনতার ইন জেনেরাল চাদ্দিগিরি সম্বন্ধে বেশ বিকট অভিজ্ঞতা আছে | বাচ্চা ছেলেরা কেন মেয়েদের "শুধু বন্ধু " মনে করেনা এ নিয়ে চাপ নেই বিশেষ | "শুধু বন্ধু" একটা ইউতপিয়ান মডেল |
  • byaang | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৩:৩২263800
  • আগের পোস্টের শেষে প্রশ্নচিহ্ন হবে।
  • জটাশঙ্কর ওঝা | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৩:৩১263799
  • সব রকম সম্ভাবনার কথা ভাবতে পারা বুদ্ধির লক্ষণ বলেই মনে হয়। নন্দনকানন স্বপ্নে। সেও থাক আবার বাস্তব বুঝে কাজ করার বুদ্ধিটুকুও থাক। আজকালের বাচ্চারা কতরকম তথ্যের সামনে উন্মুক্ত!
  • byaang | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৩:৩০263798
  • আর এই মানসিকতা তো সর্বত্রই। সমাজের সব স্তরের মানুষের মধ্যেই। শুধু যে বড়লোকের ছেলেপুলের মধ্যেই তা তো নয়। আমাদের পাড়ার কর্নাটকী ইলেক্ট্রিশিয়ানের কাছে ফিউজ পাল্টানো শিখতে চেয়েছিলাম। সে তো হেসেই খুন হয়ে গেল। ছোটবেলায় মা-মাসীদের নিজেদেরই পাল্টাতে দেখেছি। লুরুর বাড়িতে যারা কাঠের কাজ করল, তারা সব হুগলি, বর্ধমান, মেদিনীপুরের বাঙালী ছেলে, তাদের কাছে কাজ শিখতে চেয়েও একই রিঅ্যাক্শন পেলাম, "এসব কি মেয়েছেলের করার কাজ!"।
    এদিকে শুনি আমার মা, হেতমপুর গ্রামের যে বেসিক ইস্কুলে পড়েছে, সেইখানে মা-দের কখনও সেলাই শেখানো হয় নি, হাতের কাজ বলতে কাঠের কাজ আর স্কাল্পটিং শেখানো হত। তো এরপরেও বলব না, তখনকার মানুষগুলো আজাকের মানুষগুলোর থেকে অনেক বছর এগিয়ে ছিল।
  • d | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৩:২৯263797
  • ঐটা গেটেড কমিউনিটিতে বড় হয়ে ওঠাদের বৈশিষ্ট্য। হবারই কথা। 'সুরক্ষাচক্র - এবং/অথবা মুঠোয় পেষার গল্প'।
    :-(

    আর, আমারও ক'দিন ধরে খুব পালাই পালাই লাগছে। ফিনল্যান্ড, নরওয়ে জাতীয় কোথাও চলে যেতে ইচ্ছে করছে।
  • জটাশঙ্কর ওঝা | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৩:২৭263796
  • বাচ্চারা চারিদিক দেখে শিখছে। শুধু বাড়ি নয়। সেই শেখা সামারাইজ করে নিজের মত করে এগুচ্ছে তাই গোটাগুটি ব্যবস্থা না পাল্টালে এ জিনিস থাকছে।
  • Du | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৩:২৪263795
  • এভাবেও ভাবা যায় যে ওরা চারদিকের নানান ঘটনায় ভীত এবং কোন বিপদ হলে রক্ষা করতে চায়। আর এদিকে ওরা ছেলে। তো সেইজন্য ওরা যেতে পারবে না? বসে থাকবে?
  • জটাশঙ্কর ওঝা | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৩:২৩263794
  • হ্যাঁ নিছক বন্ধুত্বও হবে। সেটা তার পরের ফেজ ট্রানজিশন। গোটাটাই একটা আননোন সিস্টেম প্রোব করার বিভিন্ন ফেজ।
  • byaang | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৩:১৯263793
  • একক আরেকটা জিনিস লক্ষ্য করার মত। এই দশ-এগারো-বারো বছরের বাচ্চা ছেলেগুলো তখনি সঙ্গে যাচ্ছে, যখন দারোয়ান, বাস-ড্রাইভার, ইলেক্ট্রিশিয়ান এদের সঙ্গে মেয়েগুলোর একা ইন্টার-অ্যাকশনের সম্ভাবনা আছে তখনই। পুরুষ শিক্ষক বা পুরুষ প্রিন্সিপালের ক্ষেত্রে এটা দরকার বলে কিন্তু এর মনে করছে না। আমার এখানটাতেই আপত্তি। এত ছোট থেকে এই রকম মন নিয়ে কেন বড় হবে?
  • byaang | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৩:১১263792
  • সেই সর্বত্রই চাড্ডি। এখানে একেকজন বিদেশ থেকে পড়াশুনো করে আসা, অতি উঁচু পদে কাজ করা লোকজনেরও যেমন মানসিকতা ও কথাবার্তা শুনি, হাত-পা কিশকিশ করা ছাড়া আর কোনোরকম আপত্তি জানিয়েই উঠতে পারি না। দমু একটা টই খুলেছিল না, গেটেড কমিউনিটি নিয়ে? সেটায় আমার এত এত লেখার আছে, মহাকাব্য হয়ে যাবে।
  • সে | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ১৩:০৯263791
  • না। একটা মিটিং আছে। একটু পরে ডিটেলে লিখছি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত