এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • jhiki | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১৩:২১266610
  • মোহর, গুরুর পাতার দৌলতে জানি আপনি কোথায় থাকেন, কী করেন ঃ)

    আইআইটির ছেলেরা সমবয়সী, কেরিয়ার শুরু করেনি বা সদ্য শুরু করেছে। বাবা-মার এনে দেওয়া পাত্র অপেক্ষাকৃত প্রতিষ্ঠিত!!

    বাজার তত্ত্ব আপনার ভালো বোঝা উচিত ;)
  • একক | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১৩:২০266609
  • কোথায়, আমি তো চারপাশে দেখছি গন্ডায় গন্ডায় হন্ত্কা ছেলে " দেখে শুনে" স্লিম মেয়ে বিয়ে করছে। বরং তাদের মধ্যেই স্লিম খোঁজার চাহিদা বেশি:)
  • মোহর | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১৩:১৭266608
  • সিকি, ক্যালসিয়াম স্যান্ডোজ এর ট্যাবলেট গিলে খেতে কেন? ও তো চিবিয়ে খেতে হয় বলে জানতাম :(

    ফোবিয়া কিসের? সেটা বুঝলাম না।

    ঝিকি, আমি যাদের কথা বলছি, মানে আইআইটিতে পাঠরত মেয়েরা; এখানে ছেলে-মেয়ের সেক্স রেসিও যে স্তরের, তাতে প্রতি-টি এলিজিবল মেয়ের জন্যে কম করে চারটি স্ববর্ণ স্বগোত্র প্রতিষ্ঠিত ছেলে ক্যাম্পাসেই রয়েছে। বৃহত্তর বাজারের ফর্মুলা টা এখানে টেঁকা উচিত না।
  • jhiki | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১৩:১৩266606
  • 'বাড়ীর ছেলেরা জলহস্তী হলেও গঞ্জনা শোনে না' র দিন অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে, নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারেও ঃ)
  • সিকি | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১৩:১৩266607
  • কালো বলে হ্যাটার ব্যাপারটা সত্যিই সোশাল কন্ডিশনিং। সানি। আর এতে ধুনো দেয় এই সব ফেয়ারনেস ক্রিমগুলো।

    কালো বলতে মনে পড়ল - বিবেকানন্দর জীবনীতে পড়েছিলাম, উনি তো বেশ গৌরবর্ণ ছিলেন, টকটকে ফর্সা গায়ের রং। সেই তিনিও শিকাগো গিয়ে বেশ একটু নিজের মনেই নিজে হ্যাটা হয়েছিলেন, আমেরিকার সাহেবদের পাশে তিনি নেহাতই একজন কালো ইন্ডিয়ান ভিভ কানন্ড। তখন তাঁর মনে হয়েছিল, তাঁর গায়ের রং ফর্সা বলে মনের মধ্যে কোথাও একটু অহমিকা ছিল।
  • de | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১৩:১১266605
  • অর্থনৈতিক বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে পালটালো কই - ওই তো মোহর লিখেছেন - অর্থনৈতিক ভাবে স্বাধীন কন্যারাও এই দায়িত্ব বাবা-মায়ের হাতেই ছেড়ে দিতে বেশী উৎসাহী!
  • jhiki | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১৩:১০266603
  • মোহর যেটা লিখেছেন সেটা ঠিক আত্মবিশ্বাসের অভাব বলে মনে হয়না। ওটা বাজার। নিজে দেখার ক্ষেত্রে বাজারটা একটু ছোট হয়, প্রতিষ্ঠিত বাবা-মা পাত্র এনে দিলে অনেক বড় বাজার থেকে এনে দিতে পারে। খেয়াল করে দেখবেন, যেখানে মেয়েটির তুলমায় বাবা-মা-আত্মীয়রা কম প্রতিষ্ঠিত, সেখানে মেয়েটি নিজের পছন্দেই বিয়ে করে।
  • সিকি | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১৩:১০266604
  • আত্মবিশ্বাসের অভাব নয়। এগুলো ঠিক কী, বলে বোঝানো যাবে না, এক ধরণের ফোবিয়া চেপে বসে। একটা উদাহরণ দিই - লোকে কীভাবে ট্যাবলেট খায়? সচরাচর আমি দেখেছি, জিভে রেখে, এক ঢোঁক জল দিয়ে গিলে নেয়। কেউ কেউ মুখে জল নিয়ে মুখ ওপরে করে টুপ করে ট্যাবলেটটা মুখে ফেলে দেয়।

    আমি ছোটবেলায় ক্যালসিয়াম স্যানডোজ ট্যাবলেট খেতাম। বেশ বড় বড় সাইজের পিঙ্ক কালারের। একবার সেই স্যানডোজ ট্যাবলেট খেতে গিয়ে আমার গলায় আটকে যায়, দম আটকে সে এক কেলো হয়েছিল। মেজর কিছু নয়, কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ঠিক হয়ে গেছিল, কিন্তু সেই যে এক প্রাণান্তকর অভিজ্ঞতা, আমি আজও ভুলি নি। জীবনে কত শত ট্যাবলেট ক্যাপসুল খেয়েছি, আজও ঐ ট্যাবলেট গেলার মুহূর্তটায় আমার একটা দমবন্ধ করা সেন্স আসে, গেলবার আগে পর্যন্ত ঐ ব্যাক ইন দা মাইন্ড কাজ করে - এটা আমার গলায় আটকে যাবে না তো?

    ফোবিয়া। এটা ঠিক আত্মবিশ্বাসের অভাব নয়।
  • de | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১৩:০৯266602
  • যে দেশের ৯০% লোক কালো - সে দেশে কালোটাই স্বাভাবিক সৌন্দর্য্য হওয়া উচিত - বেশী বেশী করে নায়ক-নায়িকা, মডেল ইঃ দের যদি কালো রঙের দেখানো যেত তাহলে রঙ নিয়ে হীনম্মন্যতা কাটতো - কই আদিবাসী মেয়েদের তো তাঁদের রং নিয়ে এতো মাথাব্যথা থাকতে দেখি না!
  • একক | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১৩:০৮266601
  • "দেওয়া হবে" টা সোশাল কনস্ট্রাকট। সেটা এমনিতেই অর্থনৈতিক বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে যাবে। আমার প্রশ্ন সেটা নয়। প্রশ্ন হলো "সুন্দর দেখতে"-র টিপিকাল কনস্ট্রাকট ছেড়ে কবে বেরোনো যাবে।

    অর্থনৈতিক স্বাধীনতা যে ফ্রি চয়েস এর শেষ কথা নয় এটা আমি বুঝেছি আমার নিজের বাড়ির লোককে দেখেই। আমাদের বাড়িতে মেয়ে জন্মানো বেশ সেলিব্রেশনের ব্যাপার কারণ মেয়ে মানেই ডাক্তার হবে বা প্রফেসর এবং বাপ-মা কে দেখবে।ছেলে তো কোন চুলোয় চলে যাবে তার ঠিক নেই। এটা দেখলে আপাত দৃষ্টি তে বেশ লিবারেল মনে হয়। কিন্তু তা নয়। এনারা "সুন্দর" নিয়ে টিপিকালি ফ্যাসিনেটেড। বাড়ির ছেলেরা জলহস্তি হলেও যায় আসেনা, মেয়েরা মোটা হলে গঞ্জনা শোনে। এগুলো কিন্তু ইকনমিক লিবারেশন বা ডিগ্রী দিয়ে ঢাকা পরেনা।
  • jhiki | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১৩:০৫266600
  • আর বিয়েতে ছেলেটি দেখতে কেমনও খুব বড় ইস্যু, কিন্তু হাতে ক্ষমতা না থাকায় আমাদের দেশের বেশীরভাগ মেয়ে এটা জাস্ট মেনে নেয়। এরকম অনেক মেয়ের হাহাকার শুনে বড় হয়েছি।
    যাদের ক্ষমতা আছে, তারা অবশ্যই পছন্দসই (লুক ওয়াইজ) পাত্রকেই বিয়ে করে।
  • de | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১৩:০৪266599
  • একমত ঝিকি, বিয়ের ইচ্ছে কাঁবা - সেরকম হলে নিজে থেকেই তো উদ্যোগ নেওয়া যায়! কারোকে বিয়ে দিতেই বা কেন হবে?

    স্কুল-কলেজে সিলেবাস করে মেয়েদের আত্মমর্য্যাদাবোধের শিক্ষা দেওয়া উচিত। শিক্ষিত হয়ে এই মেয়েটি যা করেছেন - অনেক তথাকথিত অশিক্ষিত মেয়ে তার থেকে অনেক বেশী সাহসী হয়।
  • মোহর | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১৩:০৩266598
  • চারপাশে অনেক বিবাহ-যোগ্যা তরুণীকে দেখে মনে হচ্ছে, পড়াশোনা চাকরি ইত্যাদি করেও অনেক মেয়ে বিয়ে ব্যাপারটা বাবা-মা / বৃহত্তর পরিবারের ওপরে ছেড়ে দিয়ে স্বস্তিতে থাকতে চায়। একটা বড় কারণ, বাবা রে, নিজে পছন্দ করে বিয়ে করলে যদি ফেল করে? রেস্পনিসিবিলিটি নেবে কে? বরং দেখাশোনার বিয়ের পর কিছু এদিক ওদিক হলে দিব্বি বাবা-মার ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া যায়, তোমরাই আমার এই সর্বনাশ করলে!

    আরেকটা কারণ, সব কিছুর পরেও, ফিনিশিং স্কুল শেষ করেও, আত্মবিশ্বাস এর চূড়ান্ত অভাব। বই চিনেছে, সফটওয়্যার ম্যানুয়াল ও, প্রায়োগিক বিদ্যা ও রপ্ত হয়েছে, কিন্তু ইঁদুর-দৌড় বাদ দিয়ে তো মানুষ চেনেনি, পরিবার ও খুব একটা না। বিয়ে করতে বা পার্টনার বাছতে, প্রচুর আত্মবিশ্বাস লাগে, এটা তো মানবেন, নাকি?

    এই মেয়েরা আবার যাকে বলে crème de la crème।
  • jhiki | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১২:৫২266597
  • বিয়ের ইচ্ছে কাঁবা, অস্বাভাবিক কেন হবে? বিয়েটা 'দেওয়া হবে' বোধটা থেকে বেরিয়ে আসা দরকার।
  • একক | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১২:৪৩266596
  • টাকা রোজগার করা টা বোধহয় ম্যাটার করেনা। "দেখতে কেমন" এটা নিয়ে যে কী অসম্ভব লেভেলের চাহিদা আছে মানুষজনের সেটা প্রত্যক্ষ করেছি বলেই বলছি। যতই পড়াশোনা করুক,টাকা রোজগার করুক পার্টনার পেয়ারিং এর ক্ষেত্রে এই "মেয়েটি দেখতে কেমন" এর একপেশে ব্যাপারটা থাকেই। যেখানে ছেলেটিও উচ্চশিক্ষিত ও রোজগেরে সেখানে আরো বেশি থাকে। "দেখা" ক্রায়তেরিয়া হওয়াতে কোনো সমস্যা হতনা কিন্তু সেটাও একটা টিপিকাল সেটাপ দিয়ে প্রোমোটেড। এই কগনিটিভ ব্যারিয়ার টা ভাঙ্গা দরকার নইলে বিয়ে উঠে গিয়ে লিভ টুগেদার সর্বর্ত্র চালু হলেও দেখা যাবে লিভ টুগেদার পার্টনার পাচ্ছেনা বলে লোকজন আত্মহত্যা করছে।
  • pi | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১২:৩৬266595
  • বিয়ের ইচ্ছা আমারো অস্বাভাবিক লাগেনি। কিন্তু এত অপমান সহ্য করে ঐ পরিবারে থাকতেই হল, জানিনা। হয়তো অন্য কোন বাধ্যবাধকতা থেকে থাকবে। বরং আমার প্রশ্ন নিজে বিয়ে করার কথা ভাবলেন না কেন। বাবা মা কেই ঠিক করে দিতে হবে এই রীতিটার বাইরে বেরোবার কথা ভাবতে পারলেন না কেন। কারুর সাথে প্রেমের সম্পর্ক হওয়া সবটা নিজের হাতে নেই, কিন্তু এখন তো কত ম্যাট্রিমোনিয়াল সাইট হয়েছে, সেখানেও তো নিজে উদ্যোগ নেওয়া যেত। হয়তো বা কালো কালো শুনে শুনে আত্মবিশ্বাসটাই পুরো চলে গেছিল। সবটা তো জানিনা।
  • একক | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১২:২৯266594
  • যে কোনো জন্তুর কাছেই এক্স্পেকটেড জেন্ডারে পার্টনার খুঁজে নেওয়া একটা জরুরি ব্যাপার। এবার যে যেমন সোসাইটিতে আছে তার ওপর ভিত্তি করে কন্ট্রাক্ট এর নাম বদলায়/ ধরণ বদলায়। আর, আরও আগ বাড়িয়ে বলতে গেলে হিউম্যান সেক্স ন্যাচেরাল নয়, সোশাল কনস্ট্রাকট। তাই এনি ফর্ম অফ রিফিউসল অনেক বেশি হিট করে। "বিয়ে হওয়া" গুরুত্বপূর্ণ বৈকি !
  • jhiki | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১২:২৮266593
  • অমি নিজেই যথেষ্ট কালো, কলেজ শেষ করার সময় ওজন ছিল ৪৭ কেজি।

    সেই সময় একদিন বর্ধমান স্টেশনে এক পাড়াতুতো কাকুর সাথে দেখা হল। বলেছিলেন ইঞ্জিনিয়ার তো হয়ে গেলি, এবার নিজের পয়সায় একটু ভালো খাওয়া দাওয়া কর, চেহারার যত্ন নে। এবার তো বিয়েতে বসতে হবে!!

    অমি হেসে জিজ্ঞেস করেছিলাম, "বিয়েতে বসতেই হবে"??
  • d | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১২:২৩266592
  • দে, ঝিকি, এগজ্যাক্টলি আমি সেদিন ২৪ ঘন্টার লিঙ্ক দিতে দিতে এইটাই ভাবছিলাম যে একজন শিক্ষিকাও কেন নিজের মত করে বাঁচতে শিখলেন না।
  • dd | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১২:২২266591
  • সিকির মতোন আমিও এক নিদারুন সংখ্যালঘু। সিকি যা যা কইলো সব গুলোতেই আছি প্লাস চরাচর ব্যাপী নানান শেডের বামেদের মধ্যে আমি এক আখাম্বা লরেন পার্টী, দুনিয়া কাঁপানো গ্যাজেট বীরের ভীড়ের মধ্যে আমি এক গ্যাজেট নিরক্ষর। এরম আরো কতো যে!

    তবে ছোটো টাউনের অভিজ্ঞতা আমারো সিকির মতন। তবে কারনটা ডায়ালেক্ট নয়। ছোটো টাউনের স্কুলপাঠীরা সবাই সবাইকে চেনে, অনেক সময়েই একাধিক প্রজন্ম ধরে। ক্বচিৎ তাদের মফঃস্বলী কুয়োতে "বহিরাগত"রা আসে। ততোদিনে ঐ সব ছেলেদের নানান ক্লিক হয়ে যায়। সেখানে প্রবেশ করা অসম্ভব।
  • jhiki | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১২:২১266590
  • দে, আমিও এটাই লিখব ভাবছিলাম। আর প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন হাজার পনেরোর আশেপাশে। সেই টাকাতে মফঃস্বলে একা থাকাও যায়। বাবা-মার ব্যবহার অপমানজনক লাগলে একসাথে থাকার প্রয়োজনটাও বা কী ছিল?
  • de | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১২:১৮266589
  • বিয়ে হওয়াটা এখনো এতো জরুরী কেন? একজন নিজের পায়ে দাঁড়ানো মেয়ের কাছেও এখনো এর এতো দাম কেন? এ মেয়ে তো বেঁচেও মরেই ছিলো !
  • - | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১২:১৫266588
  • সিকি ১২টা, যদ্দুর সম্ভব এইটা আত্মবিশ্বাসের অভাবের ক্যাটেগরিতে পড়ে। সংখ্যালঘু ফিলিংএর না। খুব ছোটোতেই আমায় বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল, "আমি যা, আমি তাই, এর জন্য আমার কোনও লজ্জা নেই।" আর সেই জন্যই বন্ধু হোক না হোক, নিজের মত আমি থেকেছি। দেশে বিদেশে -- কোথাও-ই নিজের অ্যাকসেন্ট চেহারা কোনও কিচি নিয়েই "সচেতন" হবার সমস্যা হয় নি।
    এবং আমি কোনও এক্সসেপশন না।
    এমন অনেকেই আছে।
    তাই এই "লোকে আমায় কি ভাবছে" সমস্যাটা "আত্ম"বিশ্বাস দিয়ে ডিল করলে সহজে সমাধান হবে বলে মনে তো হয়।
  • সিকি | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১২:০০266587
  • সংখ্যালঘুত্ব এক ইন্টারেস্টিং টপিক। সংখ্যালঘুত্ব সম্পর্কে ধারণা গড়ে ওঠার আগেই মানুষ এর শিকার হয়ে যায়। মানুষ চায় স্রোতে মিশে যেতে, যখনই সে বুঝতে পারে ঝাঁকের মধ্যে তাকে আলাদা করে আইডন্টিফই করা যাচ্ছে, তখনই সে সচেতন হয়ে ওঠে, এবং পোটেনশিয়াল থ্রেট না থাকা সত্ত্বেও সে চেষ্টা করে তার আলাদা আইডেনটিটি লুকিয়ে ফেলতে।

    মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে যখন বাবা বদলি হয়ে এল, তখন আমি ক্লাস ওয়ান। অনায়াসেই মুর্শিদাবাদের ডায়ালেক্ট মুখস্থ করে ফেলেছিলাম, বাড়িতে বলতাম আমাদের নিজস্ব ডায়ালেক্ট। এর পরে যখন ঘাটালে গেলাম, পুরো একটা বছর - ক্লাস ফোর, আমার কোনও বন্ধু হয় নি, যখন তখন বুলিইড হয়েছি, জাস্ট একটাই কারণ, আমি ঘাটালের ডায়ালেক্টে কথা বলতে পারতাম না, আর আমার গায়ের রং অ্যাভারেজ ঘাটালের ছেলেপুলেদের থেকে ফর্সা। বন্ধু হয়েছিল, যখন এক বছরের মাথায় মেদিনীপুরের ডায়ালেক্ট ঠোঁটস্থ করে ফেলেছিলাম। কোনও অসুবিধে হত না আর। যে ছেলেগুলো বুলি করত, তারাই আমাকে গল্পের বই টই উপহার দিয়েছিল ঘাটাল ছেড়ে আসার আগে।

    দিল্লিতে আজও, হরদম ব্যাক ইন দা মাইন্ড এই বোধটা মাথার ভেতর কাজ করে, আমার হিন্দিটা ঠিকঠাক উচ্চারণ হচ্ছে তো, কথার মধ্যে মধ্যে হিন্দি প্রতিশব্দগুলো ঠিকভাবে প্লেসড হচ্ছে তো? আমার হিন্দি শুনে কেউ আমায় "বাইরের লোক" বলে ভাবছে না তো?

    না, কোনও পোটেনশিয়াল থ্রেট নেই। ব্যাক ইন দা মাইন্ড, কারণ দিলিবাসের শুরুর দিকে আমি খুব সহজেই এক্সপোজড হয়ে গেছি কিছু অটোওলার কাছে, কিছু দোকানদারের কাছে, যারা অতি সহজেই আমাকে বাইরের লোক হিসেবে চিনতে পেরে ঠকিয়ে নিয়েছে। আজ আর সেইসব ক্ষতি আমাকে স্পর্শ করে না, কিন্তু সেদিন দাঁড়িয়ে সেই ক্ষতি, সেইসব বিশ্বাসভঙ্গ বড় লেগেছিল মনে।

    দিল্লিতে দাঁড়িয়ে দিল্লির ডায়ালেক্টে হিন্দি বলতে না পারা এক ধরণের সংখ্যালঘু বোধের জন্ম তো দেয়ই। যেমন ঐ আসামে দাঁড়িয়ে "আমি যথেষ্ট অসমীয়া লাগছি কিনা" বোধ তৈরি হওয়া - পোটেনশিয়াল থ্রেট থাকুক বা না থাকুক, আমি সংখ্যাগুরুর থেকে আলাদা, এই বোধটা একটা কশাসনেসের জন্ম দেয়।

    একই বোধ হয় যখন আমি বাংলার বাইরে বাংলাভাষী, যখন আমি আস্তিকদের ভিড়ে নাস্তিক, যখন আমি মুসলমান মহল্লায় অমুসলমান, যখন আমি হিন্দু মহল্লায় অহিন্দু। যখন আমি তামিলনাড়ুর রাস্তায় তামিল না-জানা লোক।
  • Abhyu | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ১১:২৪266586
  • b | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ০৯:১৯266585
  • আসামে-র এক বাঙালী বন্ধুর ফেসবুক আপডেটঃ
    "রাণা আলমের প্রবন্ধ মুসলমানের কিসসা-র সাথে সম্পূর্ণ রিলেট করতে পারিনি। তবে অনেক কিছু চেনা লাগল। সংখ্যালঘু সংখ্যাগুরুর থেকে আলাদা। তাই সংখ্যাগুরুর ক্ষমতা দেখানোর সময়ে সংখ্যালঘু নিজের সত্ত্বা নিয়ে সতত সচেতন থাকে। বারম্বার নিজেকে ডিফাইন করার চেষ্টা করে। এক চোরা উৎকণ্ঠায় ভোগে সে। আশির দশকের আসামের কথা মনে পড়ে যাচ্ছিল। সংখ্যালঘু, তারা যে দেশেই থাকুক, ভাষিক হোক বা ধার্মিক, সংখ্যাগুরুতার কালে তাদের অভিজ্ঞতা অনেক বিন্দুতে এক হয়ে যায়।
    এই কাল কতখানি দীর্ঘ হবে সেটা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। জন্মলগ্ন থেকে এই রাষ্ট্রের অস্তিত্বের সাথে হিন্দু মুসলমানের ভিন্নতার প্রশ্ন জড়িত। যতই ধর্মনিরপেক্ষতার ছাপ-তিলক কাটা হোক, রাষ্ট্র পরিচালনায় বর্ণহিন্দুদের অগ্রাধিকার নিয়ে বিতর্কের জায়গা নেই বিশেষ। কোনো মুসলমানকে দেশের প্রধানমন্ত্রী কল্পনা করা যায় কি? মুসলমানদের সংখ্যালঘুত্বের সময় তাই খুব তাড়াতাড়ি শেষ হবে না।
    তবে সব সংখ্যালঘুর হাল এক হয় না। ছোটবেলা পাবলিক প্লেসে কাঁটা হয়ে থাকতাম। আমাকে দেখতে যথেষ্ঠ অসমীয়া কি? অসমীয়া উচ্চারণ ঠিকঠাক হচ্ছে তো? এমন নয় যে কোনোদিন উগ্র জাতীয়তাবাদী বিদ্বেষের শিকার হতে হয়েছে। সংখ্যাগুরুকে সব সময় অত্যাচার করতে হয়ও না, বেশিরভাগ সময়ে ভয়ের আবহ সৃষ্টি করে কাজ চলে যায়। সেই তুলনায় আজকের পরিস্থিতি অনেক না হলেও কিছুটা নিশ্চয়ই বদলেছে। এক্সক্লুসিভ বাঙালী পাড়ায় একটা দুটো করে অসমীয়া ভাড়াটে ঢুকছে। উল্টোটাও ঘটছে। আন্তর্ভাষিক বিয়ে কমন হয়ে পড়েছে, আগের মত চারিদিকে ঢি ঢি পড়ে যায় না। (অসমীয়া বন্ধুদের কাছে জেনেছি ওদের কাছেও আশির দশক কম ভয়ের ছিল না। তবে সেটা রাষ্ট্র সন্ত্রাসের প্রসঙ্গ, অন্য কিস্যা।)
    তবে, ওই যে বলে না, কোনো স্থান শূণ্য পড়ে থাকে না। বিদ্বেষ-হিংস্রতার মানচিত্র আগে বিভিন্ন ভাষার রঙে ছোপানো থাকত। ধীরে ধীরে তার জায়গা নিয়ে নিচ্ছে ধর্ম। 'বাংলাদেশী' এখন এই রাজ্যে একটা গালি। ভাববেন না উদ্দিষ্ট ব্যক্তিকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বলা হচ্ছে। বাংলাদেশী মানে অনুপ্রবেশকারী মুসলমান। দ্বিতীয় শব্দটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ, প্রথমটা প্রমাণসাপেক্ষ।"
  • pi | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ০৯:০৯266584
  • আজ, অরবিন্দ ভবনের সামনে।

    'On Monday, the 17th of November, we complete two months of the brutality that was inflicted not only on the students of Jadavpur University, but the community as a whole. We demand that the authority address the chartered demands that we presented for which we shall host a protest demonstration from 10 a.m. We will then follow it up by the formation of a human chain on the streets outside the periphery of the campus at 1 p.m. We won't budge without an answer.
    #HOKKOLOROB'
  • ট্যুরিস্ট | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ০৯:০৪266583
  • ডুয়ার্স, গোরুমারা, ধূপঝোরা, মূর্তি, ঝালং, বিন্দু, পারেন, রকি আইল্যান্ড, সান্তালিখোলা, লাভা, রিশপ, নেওড়া ভ্যালি, কালিম্পং, লোলেগাঁও, লামাহাটা, লেপচাজগৎ - রুটটা নিয়ে কোনো টই / বুলবুলভাজা রয়েছে কি? খুব দরকার। কেউ সাহায্য করলে ভালো হয়।

    একটাই পেলামঃ কী দেখতে যাও দিল্লি-লাহোর।
  • সিকি | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ০৮:৪৮266582
  • সক্কাল সক্কাল স্যার তেকোনাকে হ্যাপ্পি বাড্ডে জানিয়ে দিন শুরু করলাম।
  • - | ১৭ নভেম্বর ২০১৪ ০৮:১৭266581
  • আচ্ছা "উত্তর ফাল্গুনী" নয় না-ই পাওয়া গেল, তাই বলে তপন সিনহা পরিচালিত আর পার্থ অভিনীত "অতিথি"টাও পাওয়া যাবে না অনলাইন দেখার জন্য?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত