এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • উমা পোদ্দার ও উইচ হান্টিং

    চাণক্য
    অন্যান্য | ১০ জুলাই ২০১২ | ১৫৪৭১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ১৩ জুলাই ২০১২ ১১:৩৪552707
  • বিশ্বভারতী এইবারে ট্রেনিং ইত্যাদির কথা ভাবছে।

    http://www.indianexpress.com/news/visvabharati-apologises-asks-student-to-return/973918/1

    আরেকটা ইন্টারেস্টিং জিনিষ হল প্রথমবারের রিপোর্টে ছাত্রী বা তার বাবা মায়ের কথা নথিভুক্ত না করে সেরেফ উমা পোদ্দারের বক্তব্যের ভিত্তিতেই পাঠিয়ে দিয়েছিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।
    নিরপেক্ষতার হদ্দমুদ্দ এক্কেরে!!
  • h | ১৩ জুলাই ২০১২ ১২:১০552708
  • এই স্পেসিফিক কেস টা জানি না। আমাদের সময় ওয়ার্ডেন এর মাইনে স্কুল এর মাষ্টারমশাই এর থেকে খুব কিছু কম ছিল না।

    বিশ্বভারতী তে তিন ধরণের ইউনিয়ন আছে, ছাত্র ইউনিয়ন, নন আকাডেমিক স্টাফ দের কর্মীসভা, আর আকাডেমিক স্টাফ দের অধ্যাপক সভা।

    এছাড়া অ্যালুমনি অ্যাসোসিয়েশন বলে প্রাক্তন ছাত্র ছাত্রীদের একটি সংগঠন আছে।

    তিনটে ইউনিয়ন ই কংগ্রেস নিয়ন্ত্রন করতেন, এখন সম্ভবত তৃণমূল কংগ্রেস করেন। মুলতঃ দুটি গোষ্ঠী ছিল ছাত্র দের কংগ্রেসের মধ্যেই। যেহেতু বিশ্বভারতী দের প্রথা হল, ছাত্ররা অধ্যাপক/কর্মীদের ছেলে মেয়ে, এবং তাঁরাই ভবিষ্যতের কর্মী বা অধ্যাপক তাই এই তিনটে ইউনিয়ন এর মধ্যে যোগাযোগ খুব ই স্বাভাবিক। ওয়ার্ডেন রা কর্মী সভার সদস্য হওয়ার কথা, আগে তাই ছিলেন, এখন আছেন কিনা জানি না। কিন্তু ঘটনাপ্রবাহ দেখে মনে হচ্ছে আছেন।

    যেহেতু রিক্রুটমেন্ট অনেকটাই গোষ্ঠী গুলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, স্থানীয় রাজনীতিতে শক্তির উৎস হল এই নিয়োগ নিয়ন্ত্রন করার ক্ষমতা। এটাকে সবটাকে নেগেটিভলি দেখার কারণ নেই, এই চাকুরি সংক্রান্ত জটিলতা র মূল কারণ হল, বীরভূম জেলায়, একমাত্র নিশ্চিন্ত এবং লোভনীয় চাকুরি
    হল বিশ্বভারতীতে, এলাকার উন্নয়ন ও এই হেরিটেজ এলাকার সঙ্গে জড়িত, এছাড়া এর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট দিয়েই অনেকটা পাবলিক ওয়ার্ক্স এর ইকোনোমি টাও নিয়ন্ত্রিত। আর কোনো 'সফল' ও রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থা এই জেলায় নেই।

    এবং আরেকটা দিক হল, ঐতিহ্য। এর নামে প্রায় যা খুশি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কুলে করা যায় যেকোনো কিছুতেই বাধাও দেওয়া যায়। আকাউন্টেবিলিটির কেউ ধার ধারে না।

    অতএব অচলায়তন শব্দটা ক্লিশে ও করুন সত্য।
  • h | ১৩ জুলাই ২০১২ ১২:১৩552709
  • ব্ল্যাংকি, সরকারি চাকরি বলতে বিশ্বভারতীর চাকরি। বিশ্বভারতী সরকারের অনুদান ও অতি-অনুদান পাওয়া একটা বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৫১ র এবং ১৯৮১-৮২ তে পার্লামেন্টে র আইনে সিদ্ধ।

    হ্যাঁ ওয়ার্ডেন সেই অর্থে সরকারী কর্মচারীই হওয়ার কথা। জানি না এখন নতুন করে ক্যাজুয়ালাইজেশন যে হচ্ছে সব বিশ্ববিদ্যালয়েই, তাই দিয়ে এই পোস্ট গুলো আস্তে আস্তে অস্থায়ী হচ্ছে কিনা। আমার যতদূর স্মৃতি এই গুলি অস্থায়ী পদ ছিল না। এখন হতে পারে।
  • h | ১৩ জুলাই ২০১২ ১২:৩৫552712
  • *আশ্রমের
  • h | ১৩ জুলাই ২০১২ ১২:৩৫552711
  • দমু, জগদানন্দ রায় মশাই এর নামে একটা গপ্প প্রচলিত আছে। আশ্রমের মাটি তে ছাত্র পেটানো বারণ ছিল বলে, জগদানন্দ বাবু, ছাত্রদের কান ধরে মাটির উপরে তুলে বকুনি দিতেন বা চড় মারতেন। এই জগদানন্দ বাবু প্রবাদ প্রতীম অংক ও বিজ্ঞানশিক্ষক, এবং লোকশিক্ষা গ্রন্থমালায় প্রকৃতিপাঠ বিষয়টা নিয়ে বই লিখেছিলেন। ল্যাবোরেটোরি যে আমলে বিশেষ কিসু ছিল না, সেখানে প্রাইমারি অবসারভেশন কে গুরুত্ত্ব দিয়ে বিজ্ঞান শেখানো, বেসিক ট্যাক্সোনোমি শেখানো এঁর হাত দিয়েই শুরু। আড়মের রুপ আর বিকাশ বই টা শোনা যায় এই ভালো কিন্তু কনজার্ভেটিভ মাষ্টারমশাই দের একটা কোড অফ কন্ডাক্ট শেখানোর জন্য রবীন্দ্রনাথ কে লিখতে হয়েছিল। তবে কেস হল রবীন্দ্রনাথ যাঁদের উপরে নির্ভর করেছিলেন, ই ইদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার জন্য তাঁরা অনেকেই সাংঘাতিক প্রতিভাধর হলেও, শিক্ষাচিন্তায় রবীন্দ্রনাথের উদার মনষ্কতার এবং সত্যি বলতে কি কলোনিয়াল শিক্ষার বড় করে অল্টারনেটিভ গড়ে তোলার মত বড় দার্শনিক ছিলেন না। সম্ভব ও হয় নি। ১৯৫১ তে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি হওয়ার পর থেকে অল্টারনেটিভ হিসেবে বিশ্বভারতীর যে শিক্ষা সংক্রান্ত নিরীক্ষা, সেটা বলা যাঅয় মোটামুটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে শেষ। ব্যক্তিগত স্তরে কিছুটা ছিল, যে কোনো ভালো স্কুলের মতন।
    জয়দেব দার একটা উপন্যাস আর অহনার মেমোয়ার্স পড়লেই বুঝবে বেড়ে ওঠার সময়টায় হস্টেলের ছেলে মেয়েরা কি বিচিত্র শৈশব, কৈশোর ও যৌবন এই প্রতিষ্ঠান এর মধ্যে দিয়ে একটা সময় পেরিয়ে এসেছে। এই লাইনে জয়দেব দা পায়োনীয়র এক অর্থে, কারণ জয়দেব দার ঐ উপন্যাসের আগে, শান্তিনিকেতন এর মেমোয়ার যা লেখা হয়েছে, সবটাই, ঐ কোলাহল মুখর দ্বীপ এর মত। ইন্সিডেন্টালি এই টার্মিনোলোজি টা নিমাইসাধন বসু মহাশয়ের, জিনি নন-আকাডেমিক স্টাফ রির্কুটমেন্টে স্থানীয় কংগ্রেস দলের নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করেন, এই যুক্তিতে, যে বিশ্বাভারতী স্থানীয় সমস্যা থেকে দূরে থাকতে পারে না। এটা যুক্তি খারাপ না, কিন্তু স্থানীয় সমস্যা আর স্থানীয় কংগ্রেস সমার্থক এইটা একটু চাপের ;-)
  • Blank | ১৩ জুলাই ২০১২ ১২:৪৪552713
  • সরকরি চাকরি হলে কম মাইনের কাঁদুনি থাকা উচিৎ না। এখন রাজ্য সরকারের স্কেল এমন কিছু কম নয়।
    আর সরকারি চাকরি যদি হয়, তো ট্রেনিং, নুন্যতম যোগ্যতা এই সব ব্যপারে সরকারি গাইডলাইন থাকবে। সেই গাইডলাইন মেনে যদি উমা পোদ্দারকে রিক্রুট করা হয় তো বিশ্ব-ভারতীর দায় অনেক কমে যায়।
  • h | ১৩ জুলাই ২০১২ ১২:৫৭552714
  • ব্ল্যাংকি মাইরি এই লাইন টা দিস না ঃ-) ট্রেনিং দিয়ে দায় কমানো টা যে প্রায় একটা ইন্ডাস্ট্রি, সেটা কি বলতে নেই, আমরা কম দেকিচি?
  • Blank | ১৩ জুলাই ২০১২ ১৩:০০552717
  • :-D
  • de | ১৩ জুলাই ২০১২ ১৩:০০552715
  • বিশ্বভারতীর হাই-স্কুল ওয়ার্ডেনের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিশ্চয়ই এইট পাস ফোর্থ ক্লাস স্টাফেদের মতো নয় -- অন্ততঃ গ্রাজুয়েট তো হবেই -- এই তো এখানে স্কুল ওয়ার্ডেন জবের জন্য পোস্ট-গ্রাজুয়েটই চাইছে। http://www.careerjet.co.in/school-warden-jobs.html

    আগেকার দিনে হলে আরেকটু কমই হবে নাহয়!
  • | ১৩ জুলাই ২০১২ ১৩:২৭552718
  • হ্যাঁ এগুলো মোটামুতি কিছুটা জানা। অহনার মেমোয়ার্স পড়েছি তো বটেই, কবে যেন ভাটে মিঠুর সাথে কথাও হল। জয়দেব মানে জয়দেব বসু তো? এইটা পড়ি নি, যোগাড় করে নেব।

    কথা হল,এক্ষেত্রে পুরো ঘটনাক্রমটা লক্ষ করলে দেখবে বিশ্বভারতী প্রথমে ঘটনাটা চেপে দিতে চেয়েছিল। হইচই শুরু হওয়ায় এখন বলছে মা'ই সাজেস্ট করেছিলেন। করে থাকতেই পারেন, কিন্তু তাহলে প্রথমেই বিশ্বভারতী সেটা বলে নি কেন? কেনই বা প্রাথমিক রিপোর্ট পাঠাবার সময়ে ছাত্রী বা তার অভিভাবকের কথা শোনে নি? যারা এখন বিশ্বভারতীর বলা 'মা'ই অমন করতে বলেছিলেন' জাতীয় বক্তব্য নিয়ে এখন এত হইচই করছে তারা এই পয়েন্টটা কোনও এক অজ্ঞাত কারণে এড়িয়ে যাচ্ছে।

    তুমি যেমন বললে, আমারও ধারণা বিশ্বভারতী যথাসাধ্য প্রোটেক্ট করারই চেষ্টা করবে, করছেও ------ এবং শাস্তিপাস্তি খুব বড় কিসু হবে না।
  • গান্ধী | ১৩ জুলাই ২০১২ ১৩:৩৫552719
  • আমি শ্যিওর নয় তবে কেবি কাছে শুনলাম যে ঐ ওয়ার্ডেন একেবারেই শিক্ষিত নন, কোন ক্লাশ অব্দি পড়েছেন তা অবশ্য জানিনা।

    দে দি

    যে স্কুলগুলোর অ্যাড ওখানে দিয়েছে সেগুলো প্রায় প্রত্যেকটাই বড় বড় স্কুল (নামগুলো দেখে মনে হল), তারা যদি গ্রাজুয়েট চায়, তাহলে গ্রামের বা ছোট শহরের ছোট বোর্ডিং স্কুলগুলো কি যোগ্যতার লোক চাইবে?
  • h | ১৩ জুলাই ২০১২ ১৩:৪৩552720
  • ঠিক। এমনি তো বোঝই, কারণ অজ্ঞাত কিসু না, একদিকে কনজারভেটিজম, ছেলে মেয়েদের 'শাসন' না করলে তারা মাথায় চড়বে, না করে করেই এই অবস্থা ---এই ধরণের ধারণা, আরেক দিকে হল, এই সব মিডিয়াদের জন্য আমাদের ইমেজ খারাপ হচ্ছে এই ধরণের ধান্দাবাজী। ইত্যাদি। দুটি মহান ধারণার মিল ঘটেছে। এই কেস এ ইউনিয়ন গুলোর মূল ভূমিকা হবে যেন তেন প্রকারেণ এই ওয়ার্ডেন কে প্রোটেক্ট করা, বিশ্বভারতীয় তাই করবে। পি.এম.ও থেকে বকুনি খেয়েছে বলে সামান্য দুঃখ প্রকাশ করেছে, কারণ ফান্ডের টিকি ওখানে বাধা, সেই গ্রেভি ট্রেনে বাধা আসুক কেউ চায় না। কোথাও বাচ্চাটির প্রতি কোন সমবেদনা আছে? নেই, বেসিক মানবিকতা আছে? নেই। মেয়ের কষ্ট বাবা মায়ের কষ্ট, মেয়েটার ভয়ানক অপমান কিছু বোঝার কোনো চেষ্টা আছে? জাস্ট আনবিলিভেবলি ইনহিউমান। কিস্যু নেই। দেয়ার ইজ নো রিমোর্স। অল উই হ্যাভ ইজ ডিনাইয়াল ফ্রম দিজ বাস্টার্ডস।

    আমাদের দেশে দুর্বল এর পাশে কেউ নাই। আইন হয়তো আছে, কিন্তু এই জগদ্দল কনজারভেটিজম এর যে কি গতি জাস্ট জানি না।
  • h | ১৩ জুলাই ২০১২ ১৩:৪৯552721
  • জানি না তবে আশ্চর্য্য না, বহু অযোগ্য লোক কে বিশ্বভারতী ঠাঁই দিয়েছে। হরিচরণ বন্দ্যো কে রবীন্দ্রনাথ রিক্রুট করেছিলেন, দীপঙ্কর চট্টোপাধ্যায় কে সুধীরঞ্জন রিক্রুট করেছিলেন, অতএব শিক্ষাগত যোগ্যতার কি দরকার বা চেনাজানা প্রতিভা কে নিয়েও তো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে, এই সব বাজে যুক্তি বহুদিন আমরা শুনেছি। আর ঐ ঐতিহ্য ইত্যাদি করে, কে কাকে কেন কখন রিক্রুট করেছে তার লজিক বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে বিচিত্র। এমনিতে সারা পৃথিবীতে আকাডেমিক সংস্থা গুলোতে কি ভাবে রিক্রুটমেন্ট হয় তার মধ্যে কত বাজে ধরণের ঘাপলা থাকে সকলে জানে। তবে ন্যুনতম যোগ্যতার একটা মাপকাঠিও থাকে ভালো জায়্গা গুলোয়। আমি নিশ্চিত নই, বিশ্বভারতীতে সেটা আছে কিনা। ভালো রিক্রুটমেন্ট যতটুকু যা হয়েছে, প্রায় ইন্সিডেন্টাল ঃ-)
  • h | ১৩ জুলাই ২০১২ ১৩:৫৮552722
  • পঃবঙ্গে এস এস সি করে আর সি এস সি করে স্কুল কলেজে আকাডেমিক রিক্রুটমেন্ট কিছুটা ইম্পারশিয়াল হয়েছিলো, তো এখন তো বাজেট নেই যুক্তিতে গোটাটাই প্রায় বন্ধ। এটা অন্যত্র ততটা নেই। তবে ইউনিভার্সিটি গুলোতে আর গবেষণা সংস্থা গুলো তে মোট চাকরি যেহেতু কম, ডন রা বা পোলিটিকাল পার্টি রা যে যখন যাকে ফেবার করেছে তার চাকরি হয়েচে। তবে প্রাইভেট সেক্টর, যেটা কিনা উৎকর্ষ তথা গ্ল্যামার এর পরাকাষ্ঠা সেটা তো পুরোটাই চেনাশোনার ভিত্তি, যোগ্যো লোকের সংহ্যাও হয়তো বেশি, অন্যান্য চাকরি কম, তাই হয়তো কামড়া কামড়ি বেশি সেটাও হতে পারে। জানিনা, ওভার অল, ইট ইজ জাস্ট ক্র্যাপ।
    ওভার অল আমার ধারণ নন-আকাডেমিক স্টাফ দের ও ঐ সার্ভিস এগ্জ্যামিনেশন কিছু হওয়া উচিত। তবে হবে কিনা জানি না। পাবলিক সার্ভিস কমিশন তো প্রায় উঠতে বসেছে। প্লাস ক্যাজুয়ালাইজেশন এর যে হিড়িক, তাতে লোকাল কন্ট্রাক্ট্স এর দিকেই লোকে বেশি ঝুঁকবে।
  • | ১৩ জুলাই ২০১২ ১৪:০২552723
  • ইয়েস, দ্যাটস ইট। জাস্ট আনবিলিভেবলি ইনহিউম্যান।

    প্রথমেই ছাত্রীর বাবা মা'কে গ্রেপ্তার করিয়েছিল, তখন কেউ কেঁদে ভাসিয়েছে বলে দেখিনি। এরপরেও মেয়েটাকে বারবার সাংবাদিকেরা জেরা করে যাচ্ছে। মেয়েটার লজা, কষ্ট, অপমান ......
  • গান্ধী | ১৩ জুলাই ২০১২ ১৪:০৩552724
  • এসএসসি-পিএসসি প্রায় উঠতে বসেছে। কিন্তু এইসব নন-অ্যাকাডমিক (এইটা বল্লাম বলে বাওয়াল দেবেননা) স্টাফদের জন্যও একটা চালু করেছিল, কিন্তু সেটার কি হাল জানিনা।
  • h | ১৩ জুলাই ২০১২ ১৪:৩৯552725
  • কলেজ স্কুল গুলোর স্ট্রাকচার হল, কোনোটা সরকারী সাহায্য প্রাপ্ত, কোনোটা নয়। আইন কানুন এর ইম্প্লিমেন্টেশন, সেই অনুযায়ী। সি এস সি ছাড়াই সেন্ট জেভিয়ার্সে ঢোকা যায়, তবে কেন্দ্রীয় নেট ছাড়া ঢোকা যায় কিনা জানি না। প্লাস ওল্ড বয়েজ এর গল্প প্রায় সর্বত্র, দ্যাট ইজ দ্য প্রব্লেম মোস্টলি। প্লান নেট বা স্লেট এ সব সাবজেক্টের কভারেজ নেই। বিশেষ করে নতুন সাবজেক্ট গুলো। অথচ জব ধর নতুন সাবজেক্ট এ বেশি, হায়ার এডুকেশন এ অবশ্য।
    আমার আত্মীয় বন্ধুবান্ধব দের মধ্যে জেনেরাল অভিজ্ঞতা এইরকমঃ
    ১. বিশ্বভারতী তে চাকরি হতে লোকাল কংগ্রেসের ক্যান্ডিডেট হওয়া জরুরী।
    ২. আশির দশকের মাঝামাঝি - প্রায় শেষ অব্দি...সিপিএম এর নেতা কে পয়সা না দিলে বা পার্টির লোক না হলে স্কুলে চাকরি হয় না। বিশ্বভারতেতে তাই এইরকম লোক পাওয়া আশ্চর্য্য না, জারা সারাজীবন ছাত্রপরিষদ করে শেষে জীবনে বামপন্থী হয়ে উঠছিলেন, সেটা তাঁদের ব্যক্তিগত দোষ না, জাস্ট অ্যাডজাস্টমেন্ট ;-)
    ৩. কোথাও কোথাও কংগ্রেস বা ফ ব্লক না হলে চাকরি অসম্ভব। পয়সার গল্প থাকতেই পারে,
    ৪. এস এস সি আর সি এস সি চালু হওয়ার পরে, কিছুটা ইম্পারশিয়ালিটি তবে কোথায় পোস্টিং হবে সেটা পুরো পুরি হয় নামী দামী লোক বা সিপিএম এর কোন একটা স্তরের লোকের চেনা জানা সেটার উপরে। গভঃ কলেজে পুরোটাই ধরাধরি বা ঐ ঐতিহ্যের গল্প, যে টা ইনসিডেন্টালি উৎকর্ষের সবচেয়ে বড় মুখোশ
    ৫. অবশ্য হায়ার স্টডিজ হল ডন দের জায়্গা। মানে সিপিএম এর ডন যেরকম ছিল বা আছে, তেমনি কংগ্রেস বা নকু-সিবিল সোসাইটি র বা কংগ্রেস বা অন্যান্য রাজ্যের বিভিন্ন পোলিটিকাল ফর্মেশন এর ডন থাকাটাই দস্তুর। ইন্ডিভিজিয়াল রিক্রুটমেন্ট হল এদের মধ্যেকার অ্যাডজাস্টমেন্ট।
    এর মধ্যে দেখা যাবে যে সব কিছুরি একটা টেম্পোরাল ডাইমেনসন আছে। বিশ্বভারাতীর নাই, গোটাটাই ঐতিহ্য ও কংগ্রেস ;-)
  • h | ১৩ জুলাই ২০১২ ১৪:৫০552726
  • সইত্যের পথে থাকার জন্য একটা কথা বলতেই হবে, কোনো একটা পার্টির অ্যাবসোলিউট মেজরিটি যখন থাকে, তখন যে টা হয় আর কি, কমেডি সম্ভাবনা প্রচন্ড বেড়ে যায়। আগে যেমন শোনা যেতা সিপিএম এর চারজন ক্যান্ডিডেট এর মধ্যে অমুক ঐ লবি তমুক সেই লবি, এখন হয়েছে সেটা টি-এম-সি র আর আগে ছিল সেটা কংগ্রেস এর। বিশ্বভারতীর ক্ষেত্রে এটা কংগ্রেসের বিভিন্ন লবি। নকু দের পার্টি নেই বলে, ইন্ডিভিজুয়াল ডনগিরি র একেকটা এলাকা বা অন্যান্য স্ট্রাকচার গুলোর সঙ্গে একেকবার একেক রকম অ্যাডজাস্টমেন্ট।

    সব মিলিয়ে সম্পূর্ণ গণতন্ত্র ঃ-) এর সঙ্গে যদি বেশির ভাগ মানুষের ভালো লেখা পড়ার সুযোগ না থাকাটা জুড়ে দেওয়া যায় তাইলে ব্যাপারটা দাঁড়ায়, গ্রীক অ্যান্টিকোয়ারিয়ান সিটি ডেমোক্রাসি, অর্থাৎ আরো বিশুদ্ধ ঃ-)
  • kb | ১৩ জুলাই ২০১২ ১৪:৫৪552729
  • h
    একদম একমত। আমি বনের কাছে এরকম কথা শুনেছি।
  • h | ১৩ জুলাই ২০১২ ১৪:৫৪552728
  • আশির দশকে স্কুলে ঢোকার জন্য পয়সা দেওয়ার গল্পে অবশ্য একটা রিজয়েন্ডার জোড়া দরকার, সেটা হল, স্কুল চালানোর পয়সার জেনুইন অভাব। ডেভেলপমেন্ট ফান্ডে টাকা নেওয়া হচ্ছে, নতুন মাষ্টারের কাছ থেকে, সেটা সৎ স্কুল সেক্রেটারি ই করাচ্ছেন, এরকম দু চারটে গল্প থাকা আশ্চর্য্য না। স্কুলের টাকা পয়সার অভাব না মিটালেও হাহাকার টা মিটেছে ৯০ দশকের মাঝ মাঝি থেকে
  • h | ১৩ জুলাই ২০১২ ১৫:০২552730
  • মানে ইনফ্লুয়েন্স টা ২০০৮-২০০৯ থেকে অবশ্যই মেনলি টি এম সি র। এখন এই এক ই পার্টির নানা লবির নানা ক্যান্ডির হ্যাপাটা ও আশা করা যায় টি এম সি র হবে। কারণ সকলেই টি এম সি হয়ে গেছে, এবং অন্যান্য চাকরি বিশেষ বাড়ে নি।
  • ranjan roy | ১৪ জুলাই ২০১২ ০০:৪৮552731
  • অনেক সংকোচের সঙ্গে লিখছি।
    হনুকে বিরাট ক।
    আমার বক্তব্যঃ
    এক, এটা খোলা পাতা। সবাইকে চড় না খেয়ে এবং পাল্টা চড় না মেরে নিজের বক্তব্য রাখার অধিকার আছে -- সেটা মেজরিটির কাছে বা মাইনরিটির কাছে যতই অপ্রিয় হোক। কাজেই বিতর্ক চলুক, গালমন্দ-ধমকানো বাদ দিয়ে। অপ্রিয় ভুল বক্তব্যও নির্ভয়ে বিনাবাধায় রাখার অধিকারের পক্ষে ভোট দিলাম।
    দুই,
    আমি সংযুক্ত পরিবারে ঠাকুমার দেখা শোনায় মানুষ হয়েছি। অনেক কেয়ার করতেন, ভালো বাসতেন,বকতেন--- গায়ে হাত তোলেন নি। রাজনীতির কারণে বাড়ি ছাড়া হয়ে থাকলে অনেক রাত্তিরে চুপিচুপি বাড়ি ঢুকে দেখেছি ভাতের থালা ঢেকে জেগে আছেন, শুধু আমারই জন্যে।
    কিন্তু সেই ঠাকুমার ওনার নিজের বিশ্বাস মতন আমার ভালোর জন্যে বলা সব জিনিস মেনে নিতে পারিনি।
    ফুলশয্যার রাতে আমার স্ত্রীকে ডাবের জল দিয়ে আমার পা ধুইয়ে নিজের চুল দিয়ে মুছিয়ে দিতে বলেছিলেন। এটাই নাকি প্রথা!
    উনি খুব দুঃখ পাবেন জেনেও বলেছিলাম-- এসব কিছুই হবে না। এবার তোমরা নিজের নিজের কামরায় যাও, আমি ঘুমোব।
    আর ছোটবেলায় পার্কসার্কাসের দোতলায় মাটিতে জোড়াবিছানায় ওনার সঙ্গে কয় ভাই শুতাম। ভোর হত ওনার গলার গোবিন্দদাসের পদাবলী শুনে। আমি কিন্তু অন্ততঃ ক্লাস ফাইভ অব্দি বিছানা ভেজাতাম। অত্যন্ত লজ্জা হত, আমিই বড় ভাই। ভাবতাম এমন যেন না হয়।
    কিন্তু ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেখতাম আমি বাথরুমে বসে পেন্টুল খুলে এই বার--। আবার সতর্ক হতাম, বিছানায় কি? নাঃ, আমি তো বাথরুমে। এবার খাল্লাস!!
    কিন্তু একটু পরেই ভিজে উঠে চমকে জেগে দেখতাম---সর্বনাশ হয়ে গেছে। অল্প স্বল্প হলে অন্যরা টের না পেলে অন্ধকারে খবরের কাগজ টেনে চাদরের নীচে ওপরে দিয়ে শুকিয়ে তোলার প্রাণান্তকর চেষ্টা চলত, প্রায়ই ব্যর্থ হত।
    ঠাকুমা খুব বকতেন, বলতেন এবার নিংড়ে নুন দিয়ে খাওয়াবো।
    আমার রাগ এবং ভয় দুটৈ হত। তবে কোনদিন ওই সব না করিয়ে শাস্তি হিসেবে --যাও, নিজেই ধুয়ে চাদর মেলে দিয়ে এস, বলতেন। ফেয়ার এনাফ।
    আমি মনে করি ওই ভয় দেখানোটাও উচিৎ নয়। ঠাকুমা ঠিক করতেন না। এভাবে সারে না। এটা কোন ওষুধ না। যাঁরা বলছেন টোটকা তাঁরা একটু ভেবে দেখুন--- এটা একরকমের ভয় দেখানো। এই আশায় যে বাচ্চা ভয়ে অপরাধ করবে না। এটা জুজুর ভয় দেখিয়ে বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর সমগোত্রীয়।
    -- এতে কাজ হয়, হয়ে থাকে যুক্তিটাও বাজে।
    অনেক মা ছোটবাচ্চা দুধ না খেতে চাইলে ওর নাক টিপে ধরেন, বাচ্চা শ্বাস নিতে মুখ খুললে দুধ ঢেলে সাফল্যে খুশি হন। আমরা আজ জানি সেটা কত বড় ভুল।
    গাঁয়ে হিস্টিরিয়া হলে ওঝা ডেকে ভর নামাতে লোহার ছেঁকা, ঝাঁটার বাড়ি সব চলে। কিছু কাজও হয়।
    ( কেন হয় তা সুধীর কক্কড়ের সেমিনাল লেখাগুলোতে আছে।)।
    কিন্তু তাবলে সেই অজুহাতে?
    কিন্তু একটা প্রশ্ন আদৌ উমাদেবী ওটা করেছেন? নাকি সাজেস্ট করায় মেয়েটি অসুস্থ হয়?
    ছত্তিশগড়ে হিন্দি কাগজে দেখলাম পরেরটাই লিখেছে।
    পানিশমেন্ট দুটো ক্ষেত্রেই হওয়া উচিৎ, কারণ। মেয়েটির মানসিক আঘাত।পরেরটায় অনেক কম।
    কিন্তু বাচ্চাকে শোধরানোর নামে তার ব্যক্তিত্ব-সম্মানবোধ এগুলোতে আঘাত করা উচিৎ নয়--- এটাকে কবে আমরা গুরুত্ব দিয়ে ভাববো?
    বিশ্বভারতী? বাপ-মা? উমাদেবী? আমরা?মিডিয়া?
  • গান্ধী | ১৪ জুলাই ২০১২ ২০:২৮552732
  • http://epratidin.in/Details.aspx?id=8960&boxid=13459359

    এই বিষয়টা নিয়ে তর্ক বা আলোচনা দেখলাম না বেশীর ভাগ জায়্গায়। যদিও প্রতিদিনের খবর নিয়ে ডাউট আছে।
  • ranjan roy | ১৪ জুলাই ২০১২ ২৩:২১552733
  • গান্ধী,
    এই খবরগুলো তো বর্তমান / আবাপতেও বেরিয়েছে।
    এখন কোন কারণেই ছাত্রদের শারীরিক শাস্তি দেয়া আইনে নিষেধ, দণ্ডনীয় অপরাধ।
    এ নিয়ে বিতর্কের অবকাশ নেই।
    তবে ওই শিক্ষকদের মত এখনও অনেকেই মনে করেন যে ছাত্রদের ভালর জন্যেই একটু-আধটু মারধর চলতে পারে। তাই এসব টেন্ডেন্সি দেখা যাচ্ছে।
    আমি একেবারে কর্পোরাল পানিশমেন্টের বিরুদ্ধে।
  • ranjan roy | ১৫ জুলাই ২০১২ ২৩:১৩552734
  • আজকে খেয়াল করলাম যে উমা পোদ্দারের অ্যাসিস্ট্যান্ট মহিলাটি( অস্থায়ী নিযুক্তি) নিজের প্রভাব খাটিয়ে মেয়েটির মা-বাবাকে কমপ্লেন করার পর অ্যারেস্ট করিয়েছিলেন?
    শান্তিনিকেতনের অথরিটির দিকে আঙ্গুল তোলা উচিৎ।
  • সুশান্ত কর | ১৭ জুলাই ২০১২ ২০:২৮552735
  • h এর লেখাগুলো একটা পুরো প্রবন্ধে এলে ভালো। দারুণ সব কাজের তথ্য দিয়েছেন। বিশ্বভারতীর পতনের চিত্রটাও পাওয়া যায়, কারণগুলোরও অনেকটা। এতো দারুণ লিখেছেন, "এবং আরেকটা দিক হল, ঐতিহ্য। এর নামে প্রায় যা খুশি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কুলে করা যায় যেকোনো কিছুতেই বাধাও দেওয়া যায়। আকাউন্টেবিলিটির কেউ ধার ধারে না।

    অতএব অচলায়তন শব্দটা ক্লিশে ও করুন সত্য।"
  • gaarol | ১৭ জুলাই ২০১২ ২০:৩৯552736
  • *গুগুল লেআউট আই ই ৯ -এ কাজ করেনা দেখছি
  • gaarol | ১৭ জুলাই ২০১২ ২০:৫০552737
  • আমেরিকায় এখন বাচ্চা ঠ্যাঙ্গানো নিয়ে যা আইন হয়েছে তাতে বাচ্চারা বাবা-মা কে রীতিমত ব্ল্যাকমেল করে। পেরেন্টরা বেশ বিরক্ত সেটা পাব্লিক আউট্ক্রাইতেই বোঝা যায়। তাই ঊমা পোদ্দার একেবারে অপান্ক্তেও নয় বোধ হয়। যেটা এখানে খারাপ সেটা হল কুসন্স্কারের বশে বাচ্চাকে দিয়ে আনহাইজেনিক একটা কাজ করানো।
  • কী_আশ্চর্য | ১৮ জুলাই ২০১২ ০৯:২৩552739
  • আশ্চর্য ঘটনা এই যে এমন একটা কথা নিয়ে এত কথা বলতে হচ্ছে। উমা নামক এই পাব্লিককে নিয়ে এত কথা! এই বজ্জাত মহিলাও ভিক্টিম-ভিক্টিম খেলবে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন