এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  গুরুচন্ডা৯

  • হরিদাসের বুলবুলভাজা

    Guruchandali
    গুরুচন্ডা৯ | ২৮ এপ্রিল ২০০৬ | ১২৫৫০০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • b | ১৭ মার্চ ২০০৭ ১৬:৩৭561845
  • র এর কথা মেনে নিয়েছি। কিন্তু বিকল্প ইতিহাস কে মিডিয়ার মোমেন্টারিজম এর থেকে ঊর্ধে উঠতে গেলে সমস্ত ডিটেল লাগবে। কোর্টে বিচারের জন্য ও লাগবে। এখানে যা পোলিটিসাইজড মিডিয়া তাতে তথ্য সংগ্রহ টা একটা ছোট কাজ হতে পারে না। আশা করা যায় অনেকেই সেটা বোঝেন।
  • dd | ১৭ মার্চ ২০০৭ ২০:৫৭561846
  • KD এবং র

    কটা খুন (বা কটা রেপ) হলে লজ্জা পাওয়া উচিৎ সেটা আলোচ্য নয়। এই থ্রেডে নয়।

    একজন সাংবাদিক যখন লিখছেন তখন একটা সততা দরকার।

    এর ৩০% সত্যি হলেও লজ্জার - বা ১০% সত্যি হলেও লজ্জার। এ আর নতুন করে বলার কি ?

    এই থ্রেডটাতো নন্দীগ্রাম নিয়ে নয় - ঐ প্রতিবেদন নিয়ে। সেখানে ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত অতিরঞ্জন বা অনৃতভাষন হয়েছে কিনা সেটাই বলার।
  • kd | ১৭ মার্চ ২০০৭ ২১:০৬561847
  • dd, ঠিক বলেছ। আমি ঐ অ্যাঙ্গেলে ভেবে দেখিনি, যদিও উচিৎ ছিলো।
  • a x | ১৭ মার্চ ২০০৭ ২১:২৮561848
  • না dd মানলাম না। আমরা সেখানে পৌঁছেছি যেখানে লাশ না পড়লে, মহিলারা ধর্ষিত না হলে রাষ্ট্র সন্ত্রাস বুঝতে পারিনা, কিন্তু সেরকম জায়গায়ে দাঁড়িয়েও, এবং একটি জার্নালিস্টিক প্রতিবেদনেও এই statistical number game 'এর কোনো মানে নেই, কেননা ১০ বছর বাদেও আমরা কোনোদিন জানতে পারবনা ১০০ টা খুন না ১২০ টা খুন, না ৭৬ টা খুন। আমারা খালি extent টা বুঝতে পারি, যেটা এই প্রতিবেদনের আগে কোথাও বেরোয়নি। সত্যতা টা এই extentএর ওপর বিচার করা উচিত বলে আমি মনে করি, কোনো সংখ্যাতঙ্কÄ দিয়ে না। সাংবাদিকরা যে কি অবস্থার মধ্যে আছেন সেটাও বুঝিনি, সেটাও জানা দরকার এই প্রতিবেদনের সত্যতা যাচাই করতেই।
  • a x | ১৭ মার্চ ২০০৭ ২১:৩৭561849
  • তারা টিভি বলল ২৭ টা আরো বডি পাওয়া গেছে। সেটা দেখিয়েছে কিনা আমি জানিনা, কিন্তু মিথ্যে হলে এতক্ষণে পুলিশ এসে কোথায় বডি দেখাও, নয়ত statement withdraw কর বলত বলে মনে করি। মাটিতে বুলেটের দাগ থেকে বোঝা যাচ্ছে পুলিশ সর্বৈব মিথ্যে কথা বলেছে, অনেক অনেক বেশি রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছে, এখনো শ'খানেক মানুষ নিখোঁজ। CBI রিপোর্ট (কলকাতার সন্ধ্যে ৮টা নাগাদ কলকাতা টিভি) অনুযায়ী প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে, পিস্তল, বন্দুক প্রায় ৬০, কার্তুজ প্রায় ৭০০ রাউন্ড। ১০ জন ধরা পরেছে, যারা প্রত্যেকে সিপিএমের লোক। এগুলো সবই সৌমিত্র'র প্রতিবেদনের সত্যতাকেই আরো দৃঢ় করে।
  • I | ১৭ মার্চ ২০০৭ ২১:৪৭561850
  • অক্ষর সঙ্গে প্রবল, প্রবল ভাবে একমত। যাঁরা বলেন একটা মৃত্যুও মৃত্যু, হাজারটা মৃত্যুও তাই- তাঁরা ঠিক বলেন না, জেনেশুনে অথবা না জেনেশুনে।
    ঐ প্রতিবেদনে অনৃতভাষণ হয়ে থাকতে পারে-ব্যক্তিগতভাবে আমারো মনে হয়ে কিছুটা অতিরঞ্জিত।
    কিন্তু তাই বলে এই কথা বলার অবকাশ কোথাও নেই যে অমানবিকতার কোয়ান্টিটেটিভ বিচার হয় না। তা যদি না হত, আমরা ভিয়েতনাম নিয়ে, হিরোশিমা নিয়ে, কম্বোডিয়া নিয়ে এত উত্তাল হতাম না। দাঙ্গার গুজরাট আর দাঙ্গার কোলকাতা এক হয়ে যেত।
    সন্ত্রাস, সে যে পক্ষেই হোক না কেন, আমরা মাত্রা দিয়েও চিনি। ঠিক কতটা কড়া ডোজ হলে পরে আমাদের বিবেক জেগে ওঠে, সেটা আমাদের বামপন্থী প্রভুরাও কিছু কম জানেন না।

    যদি গুলিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়, সেটা কিন্তু একতরফা হচ্ছে না।
  • I | ১৭ মার্চ ২০০৭ ২১:৫৫561851
  • ২৭টি মৃতদেহের কথা সম্ভবত: গুজব। আনন্দবাজার অনুযায়ী, ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির লোকেরাও সেটা স্বীকার করেছেন।
    গুজব আরো মনে হচ্ছে একারণে যে সিপি এম যদি প্রমাণ লোপ করতেই চায়, তবে তা এত কাঁচাভাবে করবে না।
  • B | ১৭ মার্চ ২০০৭ ২২:৩৬561852
  • প্রাথমিক প্রতিরোধের ভয় থেকে যে বেপরোয়া ভাব থাকে তা অনেকক্ষণ কোন নির্দেশে খুব সতর্কতা পালন করলেও পরে হত্যালীলার আনন্দে অসতর্ক হয়ে পড়তে পারে, পৈশাচিক দম্ভে স্থানীয় লোকেদের সাথে সাথে পৃথিবীর কাছেও কিছু বার্তা দাম্ভিকভাবে রেখে দিয়ে যেতেই পারে। মহাকরণের যেসকল ঠাণ্ডা মাথার দক্ষ বাজিকরেরা এ কাজ ঘটালেন, তাদের পুতুলেরা ততটা ঠাণ্ডা মাথায় দাগহীন পোষাকে থাকার কথা কি ভাবে সব সময়? আর ওরকম Genocide ঘটানোর সময়?

    গুজরাটেই কি আমরা ত্রিশুলের ডগায় ভ্রূণের ঝাণ্ডা দেখি নি?

    প্রশ্ন, এসব থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করা রাইটার্সের ঠাণ্ডা খুনীরা এখানে কি কোন ফোটোগ্রাফারকে এরকম একটাও ছবি তুলতে দিয়েছেন?
  • a x | ১৭ মার্চ ২০০৭ ২২:৫৬561853
  • আমিও এখন একজনকে জানতে চেয়েছিলাম এই ২৭ টি বডির কথা। ইনি নিজে কৃষি জমি রক্ষা কমিটির সাথে যুক্ত, এনার বন্ধু বান্ধব এখন নন্দীগ্রামে রয়েছে। তাঁদের বক্তব্য এটা ঠিক যে এই সময় প্রচুর গুজব রটছে, এবং ঐ ২৭ টি বডি তারা দেখেনি। তবে এটা ঘটনা যে প্রচুর মৃতদেহ জলে ফেলে দেওয়া হয়েছে। তারা টিভি news flash দিয়েছিল, ছবি দেখায়নি বা সূত্র বলেনি।
  • appan | ১৭ মার্চ ২০০৭ ২৩:০৯561855
  • সংবাদ প্রতিদিনের খবর: "নন্দীগ্রামে পুলিশি হামলার পর বহু মৃতদেহ এবং জখম ব্যক্তিকে পুলিশ এবং সিপিএম সমর্থকরা দূরে নিয়ে ফেলে দিয়েছে। উলুবেড়িয়ার জাতীয় সড়কের পাশ থেকে শুক্রবার উদ্ধার হওয়া নন্দীগ্রামের তুহিন দাসঅধিকারীর রক্তাক্ত মৃতদেহ এবং জ্ঞান হারানো এক গুরুতর জখমকে উদ্ধারের পর বিরোধীদের অভিযোগ সত্যি বলে প্রমাণিত হচ্ছে।'
  • appan | ১৭ মার্চ ২০০৭ ২৩:১২561856
  • আমাদের বাড়িতে বেশ কিছুকাল ধরে কাঠের কাজ করেছিলেন মৌরিগ্রামের এক্রামুল হক। আজ বাড়িতে ফোন করে জানলাম এক্রামুলবাবু জানিয়েছেন মৌরিগ্রামে লাশ পাওয়া গেছে।
  • Ishan | ১৮ মার্চ ২০০৭ ০১:৫৫561857
  • এই লেখার কতটা সত্য তা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। এখানে এবং ব্যক্তিগত আলাপচারিতাতেও করেছেন। মূলত: দুটো প্রশ্ন আসছে। এক,মেনস্ট্রিম সর্বভারতীয় মিডিয়ায় এসব কথা আসছেনা কেন, সবাইকে নিশ্চয়ই পশ্চিমবঙ্গ সরকার কিনে ফেলেনি। দুই, বিরোধীরা, যথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এটা নিয়ে হৈচৈ করছেননা কেন।

    এখানে সর্বভারতীয় মিডিয়ার একটা লিংক দেওয়া যাক। http://www.ibnlive.com/videos/36097/fresh-clashes-erupt-in-nandigram.html। এর শুরুটা শুনলেই দেখবেন, যে, ঘটনার পরদিন সকালেও ন্যাশানাল মিডিয়া এবং বঙ্গীয় মিডিয়া নন্দীগ্রামের বাইরেই দাঁড়িয়ে আছে। তাদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। কে বা কারা ঢুকতে দেননি সবাই জানেন। প্রিন্ট মিডিয়ার বিবরণেও সেই একই কথা শোনা যায়। আমি ব্যক্তিগতভাবে কয়েকজন সাংবাদিক, ইন্ডিপেন্ডেন্ট কিছু লোকজন, এদের সঙ্গে কথা বলেছি, প্রত্যেকেই বলেছেন সেই সকাল পর্যন্ত তাঁরা ঢুকতে পারেননি। এবং অনন্ত অপেক্ষার পর অবশেষে যখন তাঁরা ক্যামেরা ট্যামেরা বাগিয়ে ঢুকেছেন, তখন গ্রামে গিয়ে আর কিছু দেখা যায়নি। তাঁরা দেখেছেন পর পর ফাঁকা বাড়ির সারি, জনমানবশুন্য পাড়া। কোনো বাড়িতে শুধু একজন বৃদ্ধ, কোনো বাড়ি বন্ধ, কোনো বাড়ি ধ্বংসস্তূপ। যে কজন লোকজনকে পাওয়া গেছে কথা বলার মতো, তারা অন দা রেকর্ড "কিছু জানেনা'। তাহলে কোথায় গেল লোকজন? কে পুলিশের গুলিতে মারা গেছে, কেই বা পরের দিন, আর কে পালিয়েছে? কি ঘটেছিল সেই রাতে? বাড়ি ঘর দোরের এই প্রত্নতাঙ্কিÄক অবশেষ থেকে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায়না। তাঁরা অফ দা রেকর্ড কিছু গল্প শুনেছেন, এবং বলেছেন, সেইসব গল্পের ভয়াবহতা এখানে যা ছাপা হয়েছে, তার চেয়েও বেশি। কিন্তু সত্যতা যাচাই করার কোনো উপায় নেই। লোকজন এলাকায় ফিরে এলে, অনেক অনেক দিন পরে সেসব নিশ্চয়ই জানা যাবে, পাওয়া যাবে সাক্ষ্য, কিন্তু ততদিনে মিডিয়ার হেডলাইন থেকে নন্দীগ্রাম আউট।

    তাহলে কিভাবে জানা যাবে, কি ঘটেছিল সেই রাতে? পলিটিকাল লোকজের সঙ্গে কথা বলা যেতে পারে, কিন্তু তাঁরা তো পলিটিকাল ভিউ দেবেন। অগত্যা নির্ভর করতে হবে সেই মুষ্টিমেয় কয়েকজনের উপর যাঁরা এলাকায় ছিলেন। ঘটনাচক্রে, তাঁদের সংখ্যা খুব খুব কম। কিছু এনজিওর লোকজন ছিলেন, কয়েকজন মুষ্টিমেয় সাংবাদিক ছিলেন, যাঁদের একজনের খুব ছোট্টো একটা বিবরণ এখানে প্রকাশিত হয়েছে। এলাকা থেকে সরাসরি ফোনে খবর দিলে, বিশেষ করে ভয়াবহতম একটা ঘটনার সাক্ষী হবার পর বিবরণ দিলে, তার মধ্যে একটা নাটকীয়তা থাকেই, যেটাকে ঠান্ডা ঘরে বসে পরে পড়লে মেলোড্রামা মনে হয়। সে টুকু নাটকীয়তা এখানে নিশ্চয়ই আছে, কিন্তু সেটুকু বাদ দিলে আরও একাধিক জায়গা থেকে যা শুনেছি, তার সঙ্গে এই প্রতিবেদন একদম মিলে যায়।

    বস্তুত: ভয়াবহতার আরও গল্প শুনেছি আমি। মহিলা আর শিহুরা ছিল সেদিন মানবপ্রাচীরের প্রথম সারিতে। গুলিতে মহিলারা মারা গেছেন, কিন্তু একজন শিশুরও লাশ পাওয়া যায়নি। কোথায় গেল শিশুরা। শোনা কথা, যে, সেই সব লাশকে, কাটা রাস্তার গর্তে ফেলে তার উপর সিমেন্ট ঢালাই করে "রাস্তা সারাই' করা হয়েচ্চে। এসব শোনা কথা। কেউ "দেখেনি'। কে করবে এর সত্যতা বিচার? কোন মিডিয়া?

    এর পরে বিরোধী নেত্রীর প্রশ্ন। উপরের ঐ লিংকটা শেষ পর্যন্ত দেখুন। তারা টিভির এই প্রতিবেদককে কোট করেই, দেখুন মমতা সর্বভারতীয় টিভিতে অভিযোগ করছেন, ৫০০ মহিলাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। কিন্তু কে শুনছে সেসব? মমতা ধর্ষণের অভিযোগ আনলে তাতে আর কেউ কর্ণপাত করে বলে তো মনে হয়না। সঙ্গত কারণেই করেনা। কিন্তু মমতা অভিযোগ করেননি, সেটা সত্যি নয়। করেছেন। এর পর মেধা আসছেন, রিপোর্ট দেবেন উপস্থিত বাইরের মহিলারা, সবই হবে, কিন্তু ততদিনে নন্দীগ্রাম হেডলাইন থেকে হাওয়া।

    সমস্ত মিডিয়ার থেকে আড়াল রেখে, বহির্জগত থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে খুব সুকৌশলে নন্দীগ্রামে একটি ঘটনা ঘটানো হয়েছে। মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে সমস্ত প্রমাণ। সেসব খুঁড়ে বার করতে সময় লাগবে। কিন্তু হবেই।
  • appan | ১৮ মার্চ ২০০৭ ০৬:০৪561858
  • ডিডি,

    নিন, অবশেষে ওই প্রতিবেদনের প্রায় প্রতিধ্বনি শোনা গেল সর্বভারতীয় একটি সংবাদপত্রে। এই মিডিয়ার সর্বগ্রাসী দাপটের যুগেও ৭২ ঘন্টা লাগল ন্যাশনাল লেভেলে একটি স্বীকৃত সংবাদমাধ্যমে জায়গা পেতে।

    কারণটা কি আর বলে দিতে হবে?

    http://timesofindia.indiatimes.com/They_took_aim_fired_at_us_Nandigram_villagers/articleshow/1774599.cms
  • b | ১৮ মার্চ ২০০৭ ০৯:২০561861
  • এই কথাটা কাল লেখা হয় নি।জার্নালিস্টিক অব্জেক্টিভিটির প্রশ্ন আপনেরা মানেন না মানেন থাকবে এবং থাকছে। ভুল সংবাদ পরিবেশিত হলে তার দায়িঙ্কÄ সাধারণত সাংবাদিক বা সম্পাদক কে নিতে হয়। এটা বিকল্প বা মেন্সট্রীম সমস্ত জার্নালিজম এই থাকা দরকার। কারণ না থাকলে জার্নালিজম বিশেষত: বিকল্প জার্নলিজম প্রোপাগান্ডার থেকে আলাদা হয় না। তবে বিকল্প প্রোপাগান্ডার দরকার আছে হয়তো। সেটার ব্যবহার আমার কাছে কোনদিনই প্রশ্নাতীত নয়। পার্সিভড উইসডম জেতার প্রতিযোগিতায় অব্জেক্টিভিটি অন্তত আমার কাছে একটা বড় খুঁটি। অতএব আপনাদের অনেকের সঙ্গে অনেক বারের মতই একমত হতে পারছি না।

    ভেরিফাই না করে যদি কোন কিছু প্রবন্ধাকারে ছাপা হয় তাহলে যারা এই নরখাদক দের ব্রুটালিটি তে মারা গেলেন স্বজন হারালেন তাদের, আমার মতে, অসম্মান করা হয়।
  • Ishan | ১৮ মার্চ ২০০৭ ১১:১৫561862
  • ঘুমিয়ে পড়ার আগে দেখলাম। ছোট্টো করে প্রতিক্রিয়া দিয়ে যাই।
    এক। মোটামুটিভাবে আমি b র সঙ্গে একমত। অবজেক্টিভিটি বা ভেরিফাই করার ধরণের রকমফের হয় প্রিস্থিতি বিশেষে, সেটা মাথায় রেখে কথাটা বলা হয়েছে ধরে নিচ্ছি অবশ্য। আর অবজেক্টিভিটি বলতে যদি স্বচক্ষে দেখা বা শোনা শুধু এরকমই বলা হয়ে থাকে থাকে তাহলে একমত নই।

    দুই। এই স্পেসিফিক ক্ষেত্রে দায় অবশ্যই কিছুটা লেখকের কিছুটা সম্পাদকের। লেখাটি লেখার দায় লেখকের। এবং ভেরিফাই/প্রকাশ করার দায় সম্পাদকের। একাধিক মানুষ/টিম ওখানে তথ্য সংগ্রহের কাজ করছেন, তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে/হচ্ছে। বিশদে যাচ্ছিনা, তবে সেসব তাঁরা লিপিবদ্ধ করছেন এবং করবেন। অবজেক্টিভিটির কথাটা উঠে ভালই হল, লুকো ছাপার কিছু নেই, যখন যেটা হাতে আসবে তুলে দেব।

    তবে দূরত্বের কারণে অনেক ভেরিফিকেশনই মুখে বা সারতে হয়, কংক্রিট জিনিসগুলো হাতে আসতে সময় লাগে, এটা এখানে মাথায় রাখতে হবে।

    আপাতত: এইটুকুই। পরে এই নিয়ে বড়ো করে লিখব (দরকার থাকলে)।
  • I | ১৮ মার্চ ২০০৭ ১১:৫৩561866
  • সিবিআই তদন্তকারী দলকে তমলুক হাসপাতালে মৃতদেহের অটোপসি দেখতে বা রেকর্ড করতে দেওয়া হল না-আজকের আনন্দবাজার ও টাইম্‌স অফ ইন্ডিয়া
  • LCM | ১৮ মার্চ ২০০৭ ১২:০২561867
  • "Anarchy (as was stated to be prevailing at Nandigram) would not be tolerated and would be crushed with a heavy hand."
    ?West Bengal chief minister Buddhadeb Bhattacharya at a March 11 rally in Calcutta organised by the peasant's wing of the CPI(M).

    http://www.outlookindia.com/full.asp?fodname=20070326&fname=Nandigram+%28F%29&sid=1

    ১১ তারিখে এই কথা বলেছেন, আর ১৪ তারিখে নন্দীগ্রাম দেখল "crushed with a heavy hand" কাকে বলে।
  • I | ১৮ মার্চ ২০০৭ ১২:২৪561868
  • টাইমসের নেট এডিশনে এই লিঙ্কটা পাচ্ছি না, তাই গোটাটাই টাইপ করে দিলাম

    RED FLAGS, REVOLVERS.... CBI DISCOVERS THE BITTER TRUTH
    -----------------------------------------------The CBI Officers were hunting for clues at Gokulnagar, when they stumbled upon a trail of blood. Gokulnagar was the second spot from where the police had fired on the protesters in Nandigram on Wednesday. The trail led the sleuths through dry fields, across the winding village roads & ended close to a canal bordering khejuri.Across the canal were 3 brick kilns. One among them was the Ma Janani brick kiln.
    What the sleuths found here took their breath away. There was a CPM flag, CPM & DYFI bulletins & leaflets, 6 police helmets, a Chinese revolver, over 500 rounds of ammunition, 14 crude firearms,9 sophisticated rifles & 2 binoculars, 1 of foreign make.
    There were 10 men huddling in a building near the kiln.At first they didn't suspect anything as the CBI officers were in plain clothes. By the time they realised this & tried to flee, it was too late. They were overpowered & arrested.
    All of them admitted being active CPM cadres. they had with them a hand-drawn map of Nandigram & Sonachura. They hail from different areas of East & West Midnapore.
    The shocking discovery by CBI has given a new twist to the ongoing probe into Wednesday's indiscriminate police firing at Nandigram. It has lent credence to the allegation that "Operation Flushout' was carried out jointly by the police & armed CPM cadres.
    The seizure of police helmets have intrigued the investigators.
    "Does it mean that such helmets were for the use of those othr than the police?' a senior investigating officer asked. What is more intriguing is that the bullets taken out from the bodies of the villagers were of different callibres, including those normally not used by the police.
    Villagers at Gokulnagar had repeatedly told the CBI team that they were sure there was a body of a victim hidden in the brick kiln.
    "It appears someone dragged an injured victim or a body, still bleeding, in haste.The blood trail originates from a place where the agitators had gathered to prevent the police from entering Nandigram.Had the police done it, they would not have dragged someone,still oozing blood, across an open field, a CBI source said.
    ..Significantly, the CBI team wasn,t allowed by the Tamluk hospital authorities to be present during the autopsy on 9 bodies.These 9 bodies are still unidentified & are lying in the morgue. Since their PM was delayed, the CBI officers wanted to record the autopsy findings.However the hospital authorities told them thst the PM reports would only be sent to the SP in sealed covers...


    সত্যিই, বহিরাগত মাওবাদী আর তৃণমূলীতে নন্দীগ্রাম একেবারে ছেয়ে গেছে, বুদ্ধবাবু !!
  • B | ১৮ মার্চ ২০০৭ ১৫:০৬561870
  • আপনারা যাঁরা নন্দীগ্রামের ব্যাপারে কোনরকম অর্থগত বা চিকিৎসাগত বা অন্য যে কোন রকম সাহায্য করতে চান, তাঁরা নীচের যে কোন ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করতে পারেন:

    ১) ডা: পূণ্যব্রত গুন - ৯৮৩০৯ ২২১৯৪
    ২) ডা: অমিতাভ চক্রবতী - ৯৮৩০০ ২২৭৫৮ অথবা
    ৩) ডা: সিদ্ধার্থ গুপ্ত - ৯৮৩১১ ০০৪৬৪(এটা অক্ষ আগেই দিয়েছে)
    (বিনা দ্বিধায় উপরের নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করতে পারেন)

    উপরের অতিরিক্ত নম্বরগুলো এই কারণেই দেওয়া হলো, কারণ ডা: সিদ্ধার্থ গুপ্ত আরও কিছু ডাক্তারকে নিয়ে বর্তমানে নন্দীগ্রামে চলে গেছেন আর মাঝেমধ্যেই তাদের পাওয়া মশকিল হতে পারে। যাঁদের নিয়ে টিমটি ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রামে চলে গেছে তাঁরা হলেন:

    ১) ডা: সিদ্ধার্থ গুপ্ত
    ২) ডা: শর্মিষ্ঠা রায়
    ৩) ডা: সুমিতা দাস
    ৪) ডা: দেবাশিস মুখোপাধ্যায়
    ৫) ডা: দেবপ্রিয় মল্লিক এবং
    ৬) স্বাস্থ্যকর্মী অনুপ মণ্ডল
    (এঁদের প্রত্যেকের নম্বরও চাইলে পরে দিয়ে দেওয়া হবে, যদিও ডা: সিদ্ধার্থ গুপ্তই এই ব্যাপারে এঁদের তরফে কোঅর্ডিনেট করছেন)।

    উপরোক্ত দলকে যোগাযোগ করতে হলে সল্ট লেকস্থিত " শ্রমজীবী স্বাস্থ্য উদ্যোগ" যোগাযোগ করুন। এঁরা রেজিস্টার্ড সংস্থা, সুতরাং এঁদের নামে ক্রস্‌ড্‌ চেক পাঠাতে পারেন। এঁদের ঠিকানা আর বাকি বিবরণ অন্য কেউ জানলে দিয়ে দেবেন, নয়তো রাতে দেওয়া হবে।
    (উপরের সব নম্বরই কলকাতার)
  • B | ১৮ মার্চ ২০০৭ ১৫:৪৪561871
  • কিছু সংযোজন -

    টাকা পাঠানোর ঠিকানা -

    SHRAMAJIBI SWASTHYA UDYOG
    HA 44, SALT LAKE CITY
    SECTOR III
    CALCUTTA - 700 097


    টেলিফোন নম্বরটি ক্লিনিকের তাই দেওয়া হোলো না। আপনারা ডা: গুনের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

    বিশেষ দ্রষ্টব্য -

    ১) ডলার, পাউণ্ড বা কোনরকম বিদেশী মুদ্রায় কোন অনুদান নেওয়া যাবে না।

    ২) ভারতীয় মুদ্রায় তিনহাজার টাকার বেশী অনুদানের ক্ষেত্রে দাতার PAN নম্বরের উল্লেখ আবশ্যিক।
  • appan | ১৮ মার্চ ২০০৭ ১৮:২১561872
  • নন্দীগ্রাম আন্তর্জাতিক মিডিয়ায়:

    http://www.guardian.co.uk/india/story/0,,2033984,00.html

    এতে কিছু পরিসংখ্যান, উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে। তার মধ্যে দুটি উল্লেখযোগ্য:

    - চীনে গত তিরিশ বছর ধরে প্রায় চারকোটি কৃষক জমিহারা বা বাস্তুহারা হয়েছেন। এদের সঠিক কোন পুনর্বাসন দেওয়া যায়নি বলে মাঝে মাঝেই আন্দোলন হতে থাকে। (পশ্চিমী মিডিয়ার অপপ্রচার? হবে হয়তো)

    - সিঙ্গুরের টাটা মোটরসের কারখানার জন্য যে জমি নেওয়া হয়েছে তাকে এসইজেড বলা হয়েছে ভুল করে, কিন্তু তাতেও মূল বক্তব্য পাল্টায় না।
  • B | ১৮ মার্চ ২০০৭ ২১:৩৭561873
  • কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিলিট উপাধিপ্রাপ্তির জন্য জ্যোতিবাবুর উদ্দেশ্যে বকেয়া হাততালিতে আরও কিছু সুদ লাগিয়ে সবাই একযোগে হাততালি দিন।

    এনকোর...., এনকোর.....
  • SM | ১৮ মার্চ ২০০৭ ২২:০৮561874
  • B

    কোনো বিশেষ account no এ কি টাকা পাঠানো যেতে পারে? কেননা draft পাঠালে টাকা ব্যাংকে আসতে বেশ কয়েক সপ্তাহ সময় লেগে যায়।
  • B | ১৮ মার্চ ২০০৭ ২২:৩৫561875
  • SM
    ওদের যে অ্যাকাউণ্ট নম্বর আছে, তাতে ওরা ইচ্ছাকৃতভাবেই বিদেশী অনুদান সরাসরি নেওয়ার রাস্তা খুলে রাখে নি। ওটার জন্য স্বরাষ্ট্র দপ্তর থেকে একটা অনুমতি লাগে যেটা ওরা নেয় নি। মূলত: এই ব্যাপারটায় বেশীর ভাগ NGO আবেদন করে ছাড়পত্র নিয়ে রেখেছে। ওরা নির্দিষ্ট কিছু কারণে সেটা নিতে ইচ্ছুক নয়।

    আপনি যদি ভারতস্থিত কোন নিকটজনের মারফত এই অনুদান পাঠাতে পারেন তাহলে ভালো হয়। যেরকম এদের পরিচিত কোন কোন প্রবাসীরা মাঝেসাঝে করে থাকেন।

    আপনার পরিচিত কেউ যদি কলকাতায় থাকেন, তাহলে তাঁকে একটা কথা বলতে পারেন। আগামী পরশু, মঙ্গলবার, ২০শে মার্চ, ২০০৭ দুপুর দুটোয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ থেকে নন্দীগ্রামের ব্যাপারে মেডিক্যাল প্রফেশনে জড়িত বহু মানুষের(ছাত্রছাত্রী, ডাক্তার, প্রমুখদের) একটা মিছিল বেরোচ্ছে। সেখানে পূণ্যব্রত গুন আর অন্য অনেকেই থাকবেন, হয়তো সিদ্ধার্থ গুপ্তও।

    একবার সেখানে সরাসরি যোগাযোগ করানোর চেষ্টা করতে পারেন। ফোন নম্বর তো আছেই।

    (এ চিঠি SMএর মতই আগ্রহী অন্য সকল ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যেও পেশ করা হোলো)
  • SM | ১৯ মার্চ ২০০৭ ০১:০৪561877
  • B

    ঠিক আছে, থ্যাংকস।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক প্রতিক্রিয়া দিন