এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সিঙ্গুর: কী ভাবছেন সবাই?

    Samik
    অন্যান্য | ০২ অক্টোবর ২০০৬ | ৮৫২৫৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ঢুন্ডুদাস চণ্ড | ০৬ মে ২০১৬ ২০:৫৬669812
  • সেখানেই সন্দেহটা হচ্ছে যে আমরা বিভিন্ন কাগজের পার্শিয়াল ফ্যাক্ট নিয়ে বক্কা দিচ্ছি। যে কোম্পানি সামান্য অফিস ট্র্যাভেলে সাতাশ জনকে মেল চেইনে রাখে তারা ডকুমেন্টেশনে ভুল করবে এটা হজম করতে অসুবিধা হচ্ছে।
  • dc | ০৬ মে ২০১৬ ২১:০০669814
  • হ্যাঁ কাগজের রিপোর্ট নিয়ে আমারও সন্দেহ আছে, গতকালও বলেছি। বিশেষ করে এই সময় যে রিপোর্টগুলো করেছে সেগুলো এক্স্যাক্ট একইভাবে আর কোথাও পাইনি।
  • ঢুন্ডুদাস চণ্ড | ০৬ মে ২০১৬ ২১:০০669813
  • লজিক্যালি যেটা মনে হয়েছে সেটা হল টাটা বলেছে "মামলা সংক্রান্ত সব নথি তাদের দেওয়া হয়নি" - যত দূর জানি এ ভার্সাস বি মামলায় দুই পক্ষের সব কাগজ দুই পক্ষের কাছে থাকে, সেটা হয়নি। এবং অরিজিন্যালি মামলাটা ছিলো মমতা সরকারের করা আইনটা নিয়ে।
  • ঢুন্ডুদাস চণ্ড | ০৬ মে ২০১৬ ২১:০২669815
  • যাই হোক, সেই আগের চর্বিত চর্বন ফেরার আগে আমি রিটায়ার করি।
  • sm | ০৬ মে ২০১৬ ২১:৪০669816
  • ডকু টাটার পক্ষ থেকেই দেওয়া উচিত।আই মিন, টাটার আবেদন পত্রের কপি ও এপ্রুভাল লেটার।বর্তমান সরকার কি দেবে না দেবে; তার ওপর টাটা ভরসা করবে কেন? যেখানে টাটা ও বর্তমান সরকারের মধ্যে বাদী- বিবাদী সম্পর্ক।
    সবচেয়ে বড় কথা টাটা ঠিক কি কারণে বাড়তি ৪০০ একর চেয়েছিল? যদি অনুসারী শিল্পের জন্য চেয়ে থাকে; তাহলে প্রত্যেক অনুসারী শিল্পপতির আবেদন পত্র কম্পাইল করে; রাজ্য সরকারকে দেওয়ার কথা।ঠিক এই জিনিসটাতেই বোধ হয় ঘাটতি থেকে যাচ্ছে।কোর্ট সেটার ই ক্ল্যারিফিকেশন ডিমান্ড করছে।
  • cm | ০৬ মে ২০১৬ ২১:৫৬669817
  • সুপ্রীম কোর্ট তথ্য দেয়না। রাজ্যসরকারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়। সেগুলৈ স্ববিরোধী।
  • ranjan roy | ০৬ মে ২০১৬ ২২:১৪669818
  • ভুল বক্তব্য।

    সুপ্রীম কোর্ট বা যে কোন আদালত শুধু বাদী পক্ষের তথ্যের ভিত্তিতে কোন সিদ্ধান্ত নেয় না। দু'পক্ষের সমস্ত তথ্য ও সাক্ষ্য এবং আর্গুমেন্টের তুল্যমূল্য বিচার করে সিদ্ধান্ত নেয়।
    বাদী পক্ষের প্রাথমিক রিট বা এসএলপির জবাবে বিবাদী পক্ষকেও হলফনামা দিয়ে জবাব জমা করতে হয়। দু'পক্ষকেই নিজের নিজের বক্তব্যের সমর্থনে দলিল/দস্তাবেজ দিতে হয় ও তার list of annexures সংলগ্ন করতে হয়।
    দুপক্ষকেই পাঁচ কপিতে সাবমিট করতে হয়। কোর্র্ট একটি কপি অপরপক্ষকে আন্ডার সার্টিফিকেট পাঠিয়ে দিয়ে রিজয়েন্ডার দিতে ( নির্ধারিত সময়ের মধ্যে) বলে।
    এগুলো একেবারে প্রাথমিক স্তরে। সেখানেই দুপক্ষকেই আরও কোন ডকুমেন্ট চাইলে সেটা কোর্টের মাধ্যমে অপরপক্ষকে জানাতে হয়।
    এগুলো, এবং rejoinder and rebuttal স্টেজ গুলো পেরিয়ে
    আসে আর্গুমেন্টের স্টেজ। তারপর বিচারক রায় দেন। এই স্ট্যান্ডার্ড প্রক্রিয়া হাইকোর্ট ও সুপ্রীম কোর্ট দুজায়গাতেই প্রযোজ্য।
    ইদানীং দেখা যাচ্ছে টাটার উকিল সময় বাড়াচ্ছেন। আগের সপ্তাহেও, সুপ্রীম কোর্ট মানেনি।
    এখন বলছেন কোন বিশেষ ডকু রাজ্যসরকার দেয় নি। ঠিক আছে। পরের দিকেও চাওয়া যেতে পারে। কিন্তু এই প্রাথমিক ডকু টাটার কাছে (বন্ধু সরকারের সময় থেকেই) নেই? আশ্চর্য! আর তারা এই কথাটা এতদিন, এমনকি হাইকোর্টের স্তরেও বলেনি?
    বেশ। ডকু দিলেই কি মূল অবস্থান বদলে যাবে? দেখা যাক।

    [ আমি ঘটনাচক্রে হাইকোর্টে ১১টি কেস ও সুপ্রীম কোর্টে ৪টি কেসে যুক্ত থাকার অনুভব থেকে বলছি।]
  • cm | ০৬ মে ২০১৬ ২২:৩৯669819
  • তা কোন পক্ষ ইনকনসিস্টেন্ট হলে কেমন হবে? মানে ঐ সিদ্ধান্তের চরিত্র? এই মামলায় শেষ হাসি বামফ্রন্টের সমর্থকেরাই না হাসে।
  • রঞ্জনদাকে | ০৬ মে ২০১৬ ২২:৫৮669820
  • অনুভব এর বাংলা হল অভিজ্ঞতা।
  • PT | ০৬ মে ২০১৬ ২৩:১০669822
  • "চেপে গেছিল আমাদের পাবলিকের কাছে।"
    পাবলিক আবার কোন কালে অন্যান্য বিনিয়োগকারীর সঙ্গে সরকারের চুক্তি ইত্যাদি ব্যাপারে সব কথা জানত যে সিঙ্গুরেরটাও তাদের জানাতে হবে!!??
    পাবলিকের সব জানার কথা জাতীয় ঢপের পিতিগ্গে করে ভোটে জেতার ৫ বছর পরেও তো টাটা আর সরকারের চুক্তি প্রকাশ করতে পারেনি তিনোরা।

    এই মামলায় সরকার জিতলেও শেষ পর্যন্ত ন্যাজে-গোবরে হবে কেননা ৯১ কোটির কাছাকাছি টাকা নিয়ে ৮০% জমির মালিক সেই টাকা হজম করে ফেলেছে। তাদের কাছ থেকে টাকা ফেরত নিয়ে জমি ফেরত দেওয়া প্রায় শিবের অসাধ্যি কাজ। মামলায় জিতলে কিছু শহুরে বিপ্লবীর ইগো-ম্যাসাজিং হবে বড়জোর।

    কেউ বরং তিনো সরকারকে বুঝিয়ে মামলাটায় হারার/প্রত্যাহারের ব্যবস্থা করান।
  • ranjan roy | ০৬ মে ২০১৬ ২৩:১১669823
  • করেক্ট! অভিজ্ঞতা।
    ধন্যবাদ,ঃ))
  • sm | ০৬ মে ২০১৬ ২৩:১৬669824
  • সরকার ইচ্ছে করলে টাকা মুকুব করে দিতে পারে।কারণ ভুল করলে; খেসারত দিতে হয়। এতে শিবের দরকার নাই।
  • PM | ০৬ মে ২০১৬ ২৩:১৭669825
  • সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় নি---এখনো পর্য্যন্ত সাব্মিটেড ডকুম্নেন্টের ভিত্তিতে ( সেটা সম্পুর্ন না পারসিয়াল আমরা জানিনা) তাদের অবসারভেসন দিয়েছে মাত্র। সেই অবসার্ভেসনের ভিত্তিতে টাটা রা কি ডকুমেন্ট দেয় সেটা দেখার জন্য অপেক্ষা করবেন না গুরুতেই বিচার করে ফাঁসী দেবেন সেটা অবশ্যই আপনাদের সিদ্ধান্ত।

    তবে বাম সরকারের কাজ কর্ম করা নিয়ে আমি যতটা নিশ্চিৎ, প্রসিডিওর অনুসরন করার ব্যাপারে আমি তার থেকে অনেক বেশী নিশ্চিত-- বিশেষতঃ তিনো জামানার ৫ বছর কাটার পরে। বরং আমার অভিযোগ হলো বাম সরকার কাজ করার থেকে প্রসেডিওর ফলো করার ব্যাপারে অনেক মনোযোগী ছিলো। সুতরাং পরের শুনানীর জন্য অপেক্ষা করুন। অবসারভেসনের খরকুটো ধরে ভাসতে চাইলে বিপদেই পরবেন। দুটো পার্টি-ই ( বাম সারকার আর টাটা গ্রুপ) প্রসেডিওর ফলো করার ব্যাপারে মাস্টার ( কাজের ব্যাপারে নয়) ঃ)

    এই কনফিডেন্সের কারন (ভুল হতেই পরে) হচ্ছে আগের মন্ত্রীসভায় মন্ত্রীরা পলিসি ডিসিসন নিতো, কিন্তু এক্সিকিউসনের দায়িত্ব ছিলো IAS দের ওপোর যারা প্রসেস মাস্টার। মন্ত্রীরা প্রসেসের ব্যাপারে IAS দের সুপারসিড করতো না সচরাচর, যার ভালো মন্দ দুটো দিক-ই আছে।

    তিনো সরকার এক্সিকিউসনের দায়িত্বও নিজে নিয়েছিলো যার ফল-
    i. টেট বাতিল
    ii. SSC বাতিল
    iii. কম্যুনিটি পুলিশ নিয়োগ বাতিল
    iv. পদে পদে কোর্টের হস্তক্ষেপ--- যাতে কোনো কোনো সময় মনে হচ্ছিলো যে কোর্ট-ই প্রশাসন চালচ্ছে ঃ(
  • sm | ০৬ মে ২০১৬ ২৩:২০669826
  • যতো অসছ্বতা থাকবে; ততো স্পেকুলেশন বাড়বে।শাক দিয়ে কই মাছ আটকানো মুশকিল।
  • PT | ০৬ মে ২০১৬ ২৩:২১669827
  • ওয়াও!!
    তাহলে সব চাইতে লাভ হল তাদেরই যারা জমি দিয়েছিল। টাকা পেল জমি বেচে আবার জমিও ফেরত পেল কিন্তু টাকা দিতে হল না!!।
    আর যারা কাঁধে করে তেনাকে লাল বাড়িয়ে পৌঁছে দিয়েছিল তাদের কপালে সিঙ্গুরের সিঙ্গাপুরি কলা!!

    এর চাইতে কারখানাটা হতে দিলে কি সকলের পক্ষেই ভাল হত না?
  • sm | ০৬ মে ২০১৬ ২৩:২৫669828
  • টেট, ssc, কিছুই বাতিল হয়নি। কেস চলছে মাত্র। ঠিক যেমন টাটা, সিঙ্গুর রাজ্য সরকারের মধ্যে কেস চলছে।
    আর সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয়নি; খালি অব্সার্ভেশন জানিয়েছে; এটা ভাগ্যিস আপনে জানালেন।ভীষণই গুপ্ত কথা!
  • sm | ০৬ মে ২০১৬ ২৩:৩২669829
  • হ্যা, জমির মালিকদের লাভ হতেই পারে। কারণ ভুলটা তাদের তরফে হয়নি।
    কেউ কাউকে কাঁধে করে পৌঁছয় নি।বামেরা নিজেদের করা ভুলের মাশুল দিয়েছে। এটা তো তাবর বড় বড় নেতারা শিকার করে নিয়েছে।আফনে এত এডামেন্ট কেন?
    কারখানা হতে দিলে সিঙ্গুর বাসীর কি লাভ হতো জানিনা কিন্তু টাটাদের বিস্তর লাভ হতো; সেটা ঠিক।
  • PT | ০৬ মে ২০১৬ ২৩:৫৫669831
  • বড় নেতাদের ভোটের সন্ধানে থাকতে হয়। আমার তার প্রয়োজন নেই। অমি শুধু আমার ছাত্রদের স্বার্থ দেখি-যাদের মধ্যে অনেকেই প্রত্যন্ত গ্রামের চাষীর পরিবারের ছেলে। কিন্তু তারা লেখাপড়া শিখে চাকরী খুঁজছে, কোনদিন গ্রামে ফিরে চাষ করবে না। তাদের একটা বড় অংশই পব ছাড়ছে বাধ্য হয়ে।
  • sm | ০৭ মে ২০১৬ ০০:০৫669833
  • আবার ভুল ধারণা। মাইগ্রেট করলে উন্নতি হয়।আর শুনে রাখুন চাষের জমিতে চাষ আর বন্ধ্যা বা অনাবাদী জমিতে শিল্প। সিম্পুল।আমি বহু বছর দেশের বাইরে কাটিয়েছি। খারাপ লাগেনি।
  • PT | ০৭ মে ২০১৬ ০৬:৪৬669834
  • আপনার কি চাষের জমি ছিল?
    চাষীর ছেলের চাষ করতে না ফেরা আর শহুরে মানুষের অন্য শহরে পাড়ি জমানোর মধ্যে বিস্তর ফারাক আছে।
  • কল্লোল | ০৭ মে ২০১৬ ০৭:৩২669835
  • চাষির ছেলের দুঃখটা কি বুঝলাম না। পিটি উবাচ - " কিন্তু তারা লেখাপড়া শিখে চাকরী খুঁজছে, কোনদিন গ্রামে ফিরে চাষ করবে না। "
    আবার বলছো - "চাষীর ছেলের চাষ করতে না ফেরা আর শহুরে মানুষের অন্য শহরে পাড়ি জমানোর মধ্যে বিস্তর ফারাক আছে।"

    কোনটা ঠিক? ১) চাষির ছেলে গ্রামের বাড়িতে থেকে কলকাতা কি শিলিগুড়ি কি আসানসোলে কি খ্ড়্গপুরে চাকরী করবে, চাষ করবে না।
    নাকি ২) লেখাপড়া শিখে চাকরী পেয়ে যেখানে খুশী চলে যাবে, কোনদিন গ্রামে ফিরে চাষ করবে না।
  • PT | ০৭ মে ২০১৬ ০৮:১১669836
  • আমার কথার দুটো-ই ঠিক শুধু প্রেক্ষিত থেকে তুলে কোট করলে আপতঃ বিরোধীতা দেখা যায়।
    তাদের উচ্চ ডিগ্রীর কারণে গ্রামে ফিরে চাষ করা সম্ভব নয়। তার ওপরে বাঁধাকপি ফলিয়ে/বেচে জীবন ধারণের চাইতে মাসিক মাইনের চাকরীর হাতছানি প্রবলতর।
    কিন্তু পব-তে চাকরী থাকলে গ্রামের সঙ্গে সম্পর্ক রাখাটা সহজতর হয়।

    সমস্যা অন্যত্র। আমার এক ছাত্রের দাদা গ্রামেই শিক্ষকতা করে। ছাত্রটি ব্যঙ্গালোরে ফারমাসিউটিকাল কোঁ-এ চাকরী করে। তাদের লোক ভাড়া করে চাষ করানো ছাড়া গত্যন্তর নেই। কিন্তু সে সব লোক পাওয়াও নাকি এখন অসুবিধে এইসব শুনেছি।
    কিন্তু যে লোককে ভাড়া করে চাষ করাবে সেও তার ছেলেকে লেখাপড়া শেখানোর আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। অর্থাৎ কিনা এক প্রজন্ম বাদে এই ভাড়াটে চাষীর ছেলেও গ্রাম ছাড়বে।

    সিঙ্গুরের তিন-ফসলী জমির কাঁদুনি যারা গাইছে তারা এই ব্যাপারটা ভেবে দেখতে পারে।
  • sm | ০৭ মে ২০১৬ ০৮:২৩669837
  • এটাই তো চাই। ভাড়াটে চাষীর বাড়ন্ত হোক। ভাড়াটে চাষীর ছেলে পড়াশোনা করে বাইরে যাক। এর মানেই অর্থনৈতিক উন্নতি হয়েছে বা হবে।আমি বহুলোক কে জানি; যারা কলকাতায় চাকরি করে কিন্তু মেদিনীপুর বা বর্ধমানে নিজেদের চাষের জমি দেখভাল করতেও যায় না।
    আমাদের চাষের জমি আছে; আমি ব্যাপারটা বুঝি।
    আপনার কি আদৌ আছে?
  • PT | ০৭ মে ২০১৬ ০৯:০৭669838
  • না আমার চাষের জমি নেই। কিন্তু চাষের জমির মালিক ছাত্র আছে যারা কেউ চাষ করতে চায় না। ঐ ভাড়াটে চাষীর ছেলেও লেখাপড়া শেষ করে চাষ করবে না।

    নিজেরা শহরের বা দেশের বাইরের সব সুযোগ উপভোগ করে অন্যদের গ্রামে থাকতে বলাটাকে অনেকে দ্বিচারিতা আখ্যা দিয়ে থাকে। সিঙ্গুরের ক্ষেত্রে শহুরে বিপ্লবীরাও এই দ্বিচারিতাকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিল। তারা এখন সিঙ্গুরের ২ টাকা কিলো চালের ভিক্ষাপোজিবীদের দিকে ফিরেও তাকায় না।
  • s | ০৭ মে ২০১৬ ০৯:৫২669839
  • বামব্যথীদের কি আন্তরিক প্রচেষ্টা ৪০০ একরের ঘাপলা ধামাচাপা দেওয়ার ঃ-)
  • ranjan roy | ০৭ মে ২০১৬ ১০:১৫669840
  • সিএম বলছেনঃ
    "তা কোন পক্ষ ইনকনসিস্টেন্ট হলে কেমন হবে? মানে ঐ সিদ্ধান্তের চরিত্র? এই মামলায় শেষ হাসি বামফ্রন্টের সমর্থকেরাই না হাসে।"

    --- কোর্ট মাত্র বিতর্কসভা নয়। কোর্টের ঘোষিত লক্ষ্য হল To arrive at the truth।
    তার জন্যে কোর্ট কনসিস্টেন্ট/ইনকনসিস্টেন্ট/ পরস্পর বিরোধী দাবি/মিথ্যাচার সব খুঁটিয়ে দেখে আসলে ঘটনাটি ঘটেছিল তার একপ্রকার পূনর্নির্মাণ করে। যার জন্যে প্রত্যেক রায়ের প্রথমার্ধে এই ঘটনার বর্ণনা (আদালতের মতে) থাকে।
    তারপর কোর্ট দেখে এই ঘটনাটি ঘটায় কোথায় কোথায় আইন ভঙ্গ হয়েছে বা আদৌ হয়েছে কি?
    এটাই রায়ের দ্বিতীয় পার্ট এবং এরই করোলারি হিসেবে রায় (দোষী/নির্দোষ/ শাস্তি/ নির্দেশিকা ইত্যাদি) আসে।
    বর্তমানে কোর্ট মাত্র বিচারচলাকালীন কিছু মন্তব্য করেছে, রায় দেয় নি। প্রাথমিক ভাবে আদালতের মনে হয়েছে জমি অধিগ্রহণে আইনি প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে পালন করা হয় নি। তাই বিবদমান দুটো পক্ষের থেকেই কিছু নির্দিষ্ট বিন্দুতে হলফনামা চেয়েছে, এই পর্য্যন্ত।
    --শেষ হাসি? হ্যাঁ কেউ না কেউ তো হাসবেই। আশার কথা, সেদিন এগিয়ে এসেছে, বেশি বাকি নেই।
  • dc | ০৭ মে ২০১৬ ১০:১৬669841
  • "পাবলিক আবার কোন কালে অন্যান্য বিনিয়োগকারীর সঙ্গে সরকারের চুক্তি ইত্যাদি ব্যাপারে সব কথা জানত যে সিঙ্গুরেরটাও তাদের জানাতে হবে!!??"

    এটা কিন্তু ক্লাসিক অবসার্ভেশান :d সত্যি তো, পাব্লিকের জানার কোন অধিকার আছে নাকি? তাও আবার সিঙ্গুরের মতো পলিটিকালি গেমচেঞ্জিং প্রোজেক্টে?

    বামফ্রন্ট মন্ত্রীসভা দুমাসের মধ্যে টাটাদের তরফ থেকে কোন আবেদনপত্র না পেয়েও বাড়তি ৪০০ একর অনুমোদন করে দিল। সিঙ্গুর নিয়ে অতো কান্ড ঘটার পরেও সেটা পাবলিককে জানানোর প্রয়োজনও বোধ করলো না। পাব্লিকের অতো জেনে কাজ কি? মন্ত্রীসভা অনুমোদন করেছে তো করেছে, ব্যাস। সেসব আবার পাবলিককেও জানাতে হবে!!?? দুর্দ্ধর্ষ!

    তবে এই একই কাজ যদি তিনোদের মন্ত্রীসভা করতো, মানে ইনভেস্টার না চাইতেই নিজেরা বাড়তি জমির অনুমোদন দিয়ে দিত, আর সেটা যদি চেপে বসে থাকতো, আর পরে কোর্টে জেরার মুখে প্রকাশ পেতো, তাহলে অবশ্যই পৃথিবী তোলপাড় হয়ে যেতো (হওয়া উচিতও)।
  • ranjan roy | ০৭ মে ২০১৬ ১০:৩৪669842
  • কোর্টের অবসার্ভেশনঃ জমিটা তো পাবলিকের, কারও প্রাইভেট প্রপার্টি না। এটা নিয়ে সরকার যা খুশি করতে পারে না।
    এমনকি 'দুইবিঘা জমি' তেও উপেনকে জানাতে হয়েছিল কেন ওর দুবিঘা জমি জমিদার নিয়ে নেবে।
    "পেলে দুই বিঘে প্রস্থে ও দিঘে সমান হইবে টানা"।ঃ)))
    অবশ্যি টানা ৩৪ বছর ক্ষমতায় থাকলে মেজাজটা--!!!
  • PM | ০৭ মে ২০১৬ ১০:৫০669844
  • কতগুলো প্রশ্ন--

    ১। সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহন হয় ২০০৬ সালে। সেই সময় থেকে আজ পর্য্যন্ত জমি অধীগ্রহন পদ্ধতিতে অস্বচ্ছতা নিয়ে মামলা হয় নি কেনো? প্রাশান্ত ভুষন, কল্যান ব্যানার্জ্জীরা কি করছিলেন তখন? সেক্ষেত্রে কোর্টের রায়েই অধীগ্রহন বাতীল হতো, এতো আন্দোলন লাগতো না, মেধা-অরুন্ধতীর মতো ভারাটে আন্দোলনকারীও লাগতো না। আমরাও মেনে নিতাম বেআইনী কাজ হয়েছে।

    ২। যদি বেআইনী ভাবে জমী নেওয়া হয়ে থাকে টাটাদের সাথে আন্ডার টেবল লেনদেনের মাধ্যমে, তাহলে সেটা কগনিজিবল অফেন্স। ৫ বছরে পরিবর্ত্তনের সরকার কি ধান ভাঙছিলো? ফৌজদারী মামলায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে/ শীল্পমন্ত্রীকে জেলের ঘানী টানানো উচিত ছিলো। সুশান্ত সহ অনেক মন্ত্রী-কে জেলের ঘানী টানানো হয়েছে। এক্ষেত্রে হলো না কেনো?

    ৩। যদি আগের আইনেই অধীগ্রহনে ঘাপলা থাকে তাহলে সেই আইন অনুযায়ী অধীগ্রহন বাতীল করলেই হতো। যদি টাটা চুক্তিতে অসচ্ছতা থাকে তাহলে সেই চুক্তিও বাতীল করা যেতো। নতুন আইন করে, তার ভিত্তিতে, পুরোনো অধীগ্রহন বাতীল করার প্রয়োজোন কেনো হলো?

    ৪। মনে রাখবেন, এই মামলা হয়েছে, সরকার কর্ত্তৃক জমি ফিরিয়ে নেওয়া আইননুগ হয়েছে কিনা তার ভিত্তিতে। মামলা করা হয়েছে টাটাদের তরফে, সরাকারের তরফে নয়। মুল জমী অধীগ্রহন সংক্রান্ত মামলাও এটা নয়। ১৯ তারীখের পরে নতুন সরকার ( যেই হোক) জমী পুনরধিগ্রহন বাতীল করলে, এই মামলা শেষ। সেক্ষেত্রে কি হবে??

    তিনোমুল বা প্রাশান্ত ভুষন বে-আইনী জমী অধীগ্রহন নিয়ে আলাদা মামালা করছেন না কেনো?

    প্রশ্ন গুলো সহজ, কিন্তু উত্তর জানা নয়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন