এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • হিন্দমোটর - পরশু কাল আজ

    pi
    অন্যান্য | ২৭ জুলাই ২০১৫ | ২৬৭৪৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PM | ০২ আগস্ট ২০১৫ ০১:৩৫682991
  • পাই, অতীত নিয়ে না ঘেটে আসুন বর্তমানে আসি। পঃবঃ এ একটা খুব প্রফিটেবল (!!!) সংস্থা আছে একটা খুব বড় গ্রুপের পার্ট। প্রয় ৫০০০ লোক কাজ করে। মর্কেত শেয়ার রাখতে দ্রুত সম্প্রসারন দরকার নতুবা প্রতিযোগী সংস্থা বাজার ধরে নেবে। ৫০০ কোটি টাকা বরদ্দ কিন্তু জমি নেই। পাশে একটা পুরানো বন্ধ সংস্থা আছে। ওর খালী জমি ( কারখানা ছাড়া) পেলে সমস্যা মিটে যাবে। প্রাথমিক ভাবে ১২০০ অতিরিক্ত প্রত্যক্ষ কর্মসঁস্থান হবে। ফেজ ২ তে আরো ২ হাজার লোকের কাজ হবার কথা। মনে পুরোনো নতুন মিলে মোট ৮ হাজার চাকরী হবে।

    এক্ষেত্রে কন্টিনুআস প্ল্যন্ট করতে পারলে পঃবঃ এ ইনভেস্টমেন্ট হবে। নতুন প্ল্যান্ট যদি করতে হয় (গ্রিনফিল্ড) তাহলে তা গুজরাটে হবে (অন্যায্য দাবী ???)।

    কোম্পানী সরকারের আর পুরোনো মালিকের দাবীমত টাকা মিটিয়ে দিতে রাজী। কিন্তু ১০ বছর আগে বন্ধ হওয়া পুরোনো কারখানার শ্রমিকদের রিএমপ্লয় করতে (স্কীল সেট অন্য) বা তাদের বকেয়া মেটাতে রাজী নয়। সে দায়িত্ব সরাকারকে/পুরোনো মালিকদের নিতে হবে।

    ফাইল সরকারের কাছে অনেকদিন আটকে আছে। পাই ফাইলটাকে ক্লিয়ার করিয়ে দিন উদ্যোগ নিয়ে। তাহলেই মেনে নেওয়া যাবে এটা একটা সম্ভব্য সমাধান ঃ)।
  • pi | ০২ আগস্ট ২০১৫ ০১:৫১682992
  • পাইকে এসব করতে বলার মানে পাই বুঝতে পারেনি।
  • PT | ০২ আগস্ট ২০১৫ ০৭:২২682993
  • আভাস মুন্সি গাড়ীর ব্যাপারে কত এক্ষপার্ট জানিনা। কিন্তু উনি যা বলেছেন সেসব ন্যানো-বিপ্লবী শাঁওলী মিত্রর কথার প্রতিধ্বনি মাত্র।

    আমি ভাবছিলাম যে রতন টাটা যদি শাঁওলীর পশুখামার নাটকের ফর্ম বা কন্টেন্ট বা নিদেন আলোকসম্পাতের তীব্র বিরোধীতা করতেন তাহলে সেটা হজম করা কতটা সকলের পক্ষে কতটা কঠিন হত!!??

    তবে HM-এর শ্রমিকদের পাওনা মেটানো নিয়ে বা/ধা বুজী-মেধা-অনুরাধা-APDR-অতিবাম সকলে মিলে ন্যানো তাড়াও স্টাইলে একটা আন্দোলন তো করতেই পারে। কেন এটা হচ্ছে না তার কোন সদুত্তর আছে? নাকি এইসব আন্দোলন করে বর্তমান শাসক দল বা সরকারকে তারা সমস্যায় ফেলতে চায় না?
  • S | ০২ আগস্ট ২০১৫ ০৮:০৩682994
  • পবে কারখানা? তাইলে আমরা চাষ করে বড়লোক হবো কি করে? আপনি আপনার কারখানা নিয়ে অন্য কোনো রাজ্যে চলে যান। যত্তসব আনকোয়ালিফায়েড লোকজন। টালিগন্জের এক্ষপার্টরা বলে দিয়েছেন যে কারখানা করতে গেলে হাওয়ায় করো, নো জমি। শুধু চাষ করো, তেলেভাজার দোকান দাও, আর কুল থাকো।
  • কল্লোল | ০২ আগস্ট ২০১৫ ০৮:০৯682995
  • একটু চরমপন্থী কথা বলে ফেলি? ঝুঁকি নিয়েই বলি, করন সবাই জানে আমি তো ব্যাঙ্গালোরে চাকরী করি।
    ঠাকুর বলেছেন, ওরে পেদো - ধান চালই খেতে হয়, ইস্কুরুপ বল্টু খাওয়া যায় না রে!!
  • - | ০২ আগস্ট ২০১৫ ০৯:২০682996
  • কি ভাগ্যি যে বাকি ভারত পব মডেলে চলে না! পব থাকুক না ঠাকুর আর ধান চাল নিয়ে, বেশ একটা মিউজিয়াম টাইপের রাজ্য হয়ে।

    ফোর্ড হিউন্ডাই বিএমডাব্লু মারুতি সুজুকি টয়োটার জন্য গুরগাও মহারাষ্ট্র গুজরাত তামিলনাড়ুর মতো ম্লেচ্ছ রাজ্যগুলো তো আছেই। যে যা নিয়ে খুশী।
  • | ০২ আগস্ট ২০১৫ ১০:২২682997
  • কল্লোল দা, ইয়ে মানে ধান খাওয়া কি ঠিক হবে? গলায় আটবে যাবে তো!!
  • a | ০২ আগস্ট ২০১৫ ১০:২৬682998
  • পাইকে,

    "অমিতবাবু, আমি যতদূর জানি, এবং অন্যদের সাথে যেটুকু যা কথা বলেছি, কোন লিগ্যাল বাধা নেই। সরকার বন্ধ কারখানার জমি অধিগ্রহণ করতেই পারে, কারখানা চালাচ্ছে না, এই গ্রাউণ্ডে। আর তারপর সেই জমি অন্য কারখানার জন্য দিতে পারে বা নিজে কিছু করতে পারে।"

    কোন আইনের কথা বলছেন বিশদে জানালে ভাল হয়। প্রিসিডেন্স, গুরুত্বপূর্ণ সাইটেশন ইত্যাদিও।জাস্ট কৌতুহল।
  • pi | ০২ আগস্ট ২০১৫ ১০:৪৩682999
  • 'The Bengal government will not allow the diversion of industrial land for real estate purposes.

    Partha Chatterjee, minister for industry and IT, said the government would also not permit hospitals and educational institutions on such land.

    The minister stated his government’s policy at a meeting of a working group of city-based industrialists and professionals this evening.

    “I have clearly told them that only industry can come up on land meant for industry. And we will not count hospitals or education institutions as industry,” he said.

    The policy decision would mean that rampant conversion of factory land for housing could soon be stopped. In the last two decades, several closed industrial properties, especially on either side of BT Road on the northern fringes of Calcutta and in Howrah, were used for real estate development.

    The policy decision comes at a time land has become a scarce commodity for industry, especially manufacturing. Moreover, the Mamata Banerjee government has decided not to acquire land for industry from farmers.

    “I am focusing on land locked in closed factories. I have asked my department to prepare a report. If I can unlock these plots, there will be no dearth for industry,” Chatterjee said.

    The previous Left Front government allowed two companies to use excess factory land for building townships, though after much deliberation.

    Hindustan Motors was allowed to build a township at Uttarpara on over 314 acres, while Bata India went on to develop 232 acres at Batanagar in South 24 Parganas.

    The working group, of which industry association Ficci is a part, made several suggestions on desired changes in existing land laws — Land Reforms Act, West Bengal Estate Acquisition Act, Thika Tenancy Act and Urban Land Ceiling Act.

    The meeting was also attended by land secretary R.D Meena, industry secretary Dipankar Mukhopadhyay and West Bengal Industrial Development Corporation (WBIDC) managing director Nandini Chakravorty.

    The government took note of the suggestions made by the working group members and promised to iron out the glitches.'

    এরপর কী হইল, শ্যামলাল জানেন।
  • কল্লোল | ০২ আগস্ট ২০১৫ ১১:১২683001
  • সরকার (পুরোনো জমি অধিগ্রহণ আইনে) যদি ব্যক্তিমালিকানায় থাকা চালু উর্বর ক্ষেতজমি নিতে পারে থাকে তবে চালু কারখানার জমিও নিতে পারতো। বন্ধ কারখানর জমি বা চলু কারখানর অব্যবহৃত জমি তো নিতেই পারতো।
  • pi | ০২ আগস্ট ২০১৫ ১১:৪৪683002
  • পুরানো জমি অধ্হিগ্রহণ আইনেই নেওয়া যায় বলে ওঁরা জানিয়েছেন।
  • pi | ০২ আগস্ট ২০১৫ ১১:৫৫683003
  • aar aagrah aachhe Jakhan, eTaa ekaTu parhe dekhaben.

    "....New jobs? Factories close all the time, and new ones crop up. This happens all the time, every year. From 2004-2006, 1106 factories closed down, rendering 4 lakh 24 thousand workers jobless. In that same time, 396 new factories grew, giving jobs to 84,000 people.
    When the call comes to build new industries in closed factory sites, the State makes excuses of legal difficulties. But the law is clear on this point. The West Bengal Land Reforms Act of 1891 states explicitly that if the land leased out by the State for industry is used by the owner for any other purpose, or if industries remain closed on that land for a long time, the State can take back or confiscate that land.
    In this case, the State does not have to obey orders from any court.
    And thus, in response to this crucial question of reconstructing industry on factory land, the Minister for Industry has fumbled his way through tomes of
    excuses and laws, without once giving a clear answer to why the State cannot use its force and the Act there.
    It isn’t as if the government has never used the Land Reforms Act in the last 30 years. In 1994-1995, finding out that at 317 factory sites illegal use of land for other purposes was going on, the government sent out notices for taking back the land. Signed by the Deputy District Magistrate, this notice said that “the government is resuming its land”. Amco on Jessore Road, Eastern Paper Mill in Dakshindari, Mohini Mill in Belgharia, and in many other cases the same thing happened. One can understand how eager the government is to construct real estate and shopping malls on factory land if one looks at Anwar Shah Road – Joy Engineering has been replaced by the magnificent South City complex, with every illegal deal, every illegal act getting sanctioned by the State.
    In 2002, the government made an effort to find out how much land was being used up by sick and dead industries. Sampling only 500 out of the thousands of such factories in West Bengal, the government agency Webcon found that the land used by the 500 was 41,078 acres. The Minister for Industry has told us that this land is stuck in myriad legal complications. We are told that the government “is trying”. And thus the Minister tells us that industrial development of the state cannot wait for legals hassles to disentangle themselves.

    It is nice to know that the government “is trying”. What is the result of this “trying” over the years? Workers in closed factories have remained without pay, without P.F., gratuity, pension – nothing! And yet there was a law – yes, a law – the 1950 West Bengal Factory Dismantling Act, which stated that when owners closed down factories and dismantled machines, they had to seek government permission first. Has the government ever, even once, “tried” to use this law to ensure workers got their due wages? Perhaps the Minister doesn’t know that high-rise millionaire flats, malls, and hotels are coming up on factory land, in flagrant violation of this law? The courts have clearly ordered that “if the transfer is made, all able workers have to be given employment”. Not in a single case has this ruling been used by the police to arrest or ward off promoters. A few factories which have suffered this fate are Bongodoy Cotton Mill, Oriental Metal Industries, Indian Rubber Manufacturers, etc.
    Let’s look at what happened to National Tannery. The state government bought off this factory for only 50 lakh rupees in a High Court auction, and gave a one-time 15 lakh compensation to workers. Twelve years have passed – the 350 workers have not received a penny of wages, gratuity. At last the State broke its own law, went in, smashed the machinery, and sold off the land for crores of rupees. The State didn’t obey the court ruling. Not a single worker from the Tannery got a job at the proposed “Garments Park”.
    Just the other day, at IndoJapan Steel, we saw hundreds of policemen armed with guns and teargas giving protection to illegal takeover by a promoter. Workers have managed to beat back these elements for the moment – but it is impossible to fight the state-police-musclemen protection.
    And thus we ask the State:
    On 31 January 2006, the central government agency NGMC was taken down. Almost 14,000 workers received V.R.S. This NGMC has 568 acres – can’t new industry be built there?
    ISCO’s Kulti factory land has been sanctioned to be sold by the government – that’s 850 acres. Why can’t new industry be built there?
    In North 24 Parganas there are 5000 acres of land lying in 32 closed factories – why not there?
    Hindustan Motors leased out 400 acres from the State – why were they given permission to build high-rise apartments there? The government wants an automobile hub – why not here?
    The Minister may try hard to justify himself and the government, he may go to a hundred “meetings of intellectuals”, but he has no real answer.....At the Hind Motors site, the government sanctioned the use of an extra 400 acres for constructing real estate. And yet they haven’t done a single thing to ensure that workers receive arrears of seven years. When workers democratically went on strike to get their needs met, immediately the State became alert and deployed its army of police and goons.
    After IndoJapan Steel closed down, workers of the factory tried all through the 1990s to get the Minister to agree to a workers cooperative. They walked down countless michhils, sent many appeals. They didn’t want money – they simply wanted legal assistance from the government. These workers, who aspired to build an examplary workers intiative were converted into vagabonds. Their attempt at surviving with dignity, having control over their lives died a death in the hands of government apathy, and today the machinery has been dismantled, sold off in auction, under the protection of police. Workers have not received their 16 crore rupees in dues.
    This is not a special case. Let the government come forward and give us an example, a single example, where they helped workers simply get their legal dues.
    The State wants industrialization – is that it? Who doesn’t! Everybody wants it! There’s land in closed factories – resume and use that. There are laws- use them. The central government doesn’t agree? Courts will step in? BIFR won’t agree? Land mortgaged to banks? Sure, that’s all there. And yet we have examples where the State has acquired closed factory land and done nothing – Mohini Mills for one. It has been lying useless after acquisition for five years now.
    -
    -"
  • pi | ০২ আগস্ট ২০১৫ ১১:৫৭683004
  • '"The government must first complete the inventory of all available land: with defence, railways, state-owned public sector undertakings, sick and closed industries," said Vinayak Chatterjee, chairman of the CII's National Task Force on Infrastructure.'

    ক্লোজড ফ্যাক্টরির জমিটাকেও অ্যাভেলেবল ল্যাণ্ড এর মধ্যে ধরার কথা বলা হয়েছে।
  • - | ০২ আগস্ট ২০১৫ ১১:৫৮683005
  • পশ্চিমবঙ্গ সরকার জমি অধিগ্রহন আইনে সবকটা বন্ধ কারখানার জমি নিয়ে চাষ শুরু করে দিক। বাম্পার ধান চালের ফলন হবে। ঠাকুর খুশী পোদো খুশী কল্লোল খুশী আর আমরা তো খুশীই। দুপুরবেলা খেয়ে দেয়ে ঢেকুর তুলে ভাতঘুম দেবো আর ওসব ইস্কুরুপ বল্টুর বিচ্ছিরি ঝামেলি অন্য রাজ্যের ঘাড়ে যাবে। আঃ কি আরাম!
  • pi | ০২ আগস্ট ২০১৫ ১২:০১683006
  • এসব বক্রোক্তি করে কী লাভ হচ্ছে বলুন তো ঃ)
    বহুফসলী জমিতে শিল্প করা নিয়ে প্রশ্ন না তোলা আর বন্ধ কারখানার জমিতে শিল্প করা নিয়ে প্রশ্ন তোলা নিয়ে এত অস্বস্তি ? ঃ)
  • PM | ০২ আগস্ট ২০১৫ ১৩:১৩683007
  • অস্বস্থির কি পাই শিল্প, রোজগার, চাকরী হলেই হলো। একটা উদাহরন দিলাম তো। এতো সহজ ব্যাপার হলে নিয়ে দেখান না একটা বন্ধ কারখানার জমি? ২০০০-৩০০০ চাকরী বাধা।

    দুনিয়াটা সৌখিন ব্যাগরাপন্থীরা যেভাবে দেখে তত সহজ হলে হয়েই যেতো।
  • cm | ০২ আগস্ট ২০১৫ ১৩:২৮683008
  • ব্যাগড়াপন্থী আর অপরিণামদর্শী কি সমার্থক?
  • PM | ০২ আগস্ট ২০১৫ ১৩:২৯683009
  • অন্যান্য আইনী জটিলতা ছাড়াও একটা সমস্যা হলো পুড়োনো বন্ধ কারখানার শ্রমিক, ভেন্ডারদের সব বকেয়া ফেরত দিতে হবে। প্রশ্ন হলো এই দায়িত্ব কে নেবে?

    ১। নতুন ইন্ভেস্টার এই দায়িত্ব কেনো নেবে? তার চেয়ে অন্যত্র ঝামেলা মুক্ত জমি নেওয়া অনেক সুবিধা

    ২। সরকার যদি ট্যাক্সপেয়ারদের টাকা দিয়ে ব্যর্থ শিল্পপতিদের দেনা শুধলে আগুনখোর বিপ্লবীদের আপত্তি হবে না তো? শিল্পপতিদের সাথে গা ঘসাঘসির অভিযোগ উঠবে না তো?

    ৩। ধরুন একজন শিল্পপতি পঃবঃ এর প্রতি অসামন্য ভালোবাসায় সব ঝক্কি নিয়ে লাভের পরোয়া না করে বন্ধ কারখানার জমি নিলো। ইন্ভেস্ট করে কারখানা বানালো। পুরোনো কারখানার একজন স্টেকহোল্ডার আগে কিছু বলে নি, ঠিক কারখানা চালুর আগে কোর্ট থেকে একটা স্টে ওর্ডার নিয়ে এলো। কারখানা বন্ধ। কে দায়িত্ব নেবে? ইন্ভেস্টার কেনো এই রিস্ক নেবে?

    ব্যাগরাপন্থী রা জলে নামুন। পরে দাঁড়িয়ে ব্যাগরা দিলে হবে?
  • amit | ০২ আগস্ট ২০১৫ ১৪:০৬683010
  • ধন্যবাদ পাই। আমার তরফ থেকে জাস্ট কযেকটা কথা।

    আমি নিজে তেল আর গ্যাস-এর লাইন এ আছি বহু বছর, তাই গাড়ির প্রজেক্ট এর ব্যাপার এ বিশদ বলতে পারব না, তবে যেকোনো বড় প্রজেক্ট এ একটা ফ্রেমওয়ার্ক ফলো করা হয় পুরো দুনিয়াতেই, একটু উনিশ-বিশ করে। প্রজেক্ট ভাবা হলে, সবার আগে একটা অপসন স্টাডি বা স্কৌটিং স্টাডি করা হয় যেখানে নানা ধরনের অপসন কম্পায়র করে দেখা হয় কোন পথে এগোলে প্রজেক্ট এর সাফল্যের চান্স বেশি। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলি, বেশ কটি এই ধরনের কাজ করতে হয়েছে নানা দেশে। এখানে একজন এক্সপার্ট -এর দ্বারা কিছু করা সম্ভব নয় (আমি এক্সপার্ট নয় যদিও)। আমি নিজে কেমিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর লোক, সুতরাং আমার পক্ষে মেকানিকাল বা সিভিল এর ইন্পুত্স দেওয়া কঠিন, তাই এই টীম গুলোতে সব সময় মুলতিদিস্সিপ্লিনারী লোকজন থাকে, including প্লান্ট এর লোকজন যারা তাদের প্লান্ট টাকে সবার থেকে ভালো চেনেন, ওনাদের ও ইন্পুত্স খুব ইম্পর্টান্ট, কিন্তু সেটাই সব নয়। এবার যদি স্কৌটিং স্টাডি তে ভালো ফিডব্যাক পাওয়া যায়, তখন পরের FEED বা EPC স্টেজ গুলো শুরু হয়, যেখানে আসল প্রজেক্ট এর কাজ হয়। তার আগে সব কাগজের ওপর। ইভেন আজকাল বহু কোম্পানি অপসন স্টাডি বা ফিড একাধিক কোম্পানিকে দিয়ে করে, যাতে রেসাল্ট তুলনা করা যায় এবং ভুলের সম্ভাবনা কমে।

    একটা ছোট উদাহরণ দিলে হয়ত একটু সুবিধা হবে। ভারতেই একটি অয়েল রেফিনেরী-তে স্টাডি করা করা হচ্ছিল একটি পুরনো ইউনিট এর revamp কি ভাবে করা হবে। এবার মেজর অপশনস গুলো ছিল, ১) একেবারে নতুন ভাবে বানানো, ২) কিছু জিনিস reuse করা এবং বাকি নতুন কেনা, ৩) কোনো পুরনো বিদেশের বন্ধ রেফিনেরী থেকে সব কিনে relocate করা (হাসবেন না, ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্ক্রাপ একটা বিশাল ব্যবসা দুনিয়া জুড়ে), ৪) ইউনিট একেবারে বন্ধ করে দেওয়া (হা ওটাও দেখা হয়, যদি লাভজনক না হয়)।

    এবার প্রথম দেখা তে সবার হয়ত অপসন-২ বা ৩ ভালো মনে হবে, আমার ও মনে হয়েছিল, কিন্তু টীম স্টাডি করে দেখা গেল অপসন-১ ভালো মনে হচ্ছে, কারণ পুরনো ইউনিট ভেঙ্গে নতুন ভাবে করতে গেলে যা খরচ পরছে বা যা সময় লাগছে, তার কমে নতুন ইউনিট বানানো সম্ভব। সব ধরনের ইঞ্জিনিয়ার বা অডিটর, ইকনমিস্ট এর ইনপুট না থাকলে এক জনের পক্ষে ভুল করাটা স্বাভাবিক। আপনি যে শ্রমিক, আভাস মুন্সির উদাহরণ দিলেন, তার প্রতি আমার পূর্ণ শ্রধ্হা আছে, ওনার কারখানা ওনার সব থেকে ভালো জানা, কিন্তু এটা এমন একটা বিষয় যেখানে একজনের ভুল করাটা স্বাভাবিক, কারণ আমরা সবাই অন্ধের মত হাতি দেখি। আমরা নিজের বিষয়টা হয়ত ভালো করে জানি, কিন্তু সেটা পুরোটা জানা নয়। (আমার কথা ছেড়ে দিন, নিজের বিষয়টাই জানিনা ভালো করে)

    এবার এটা একটা specifc প্রজেক্ট এর উদাহরণ। অন্য দেশে একই ধরনের কাজ করতে গিয়ে অন্য result পেয়েছি আমরা, বিশদে বলতে গেলে বড্ড বোরিং হয়ে যাবে, but its not same size fits all। যদি এক-ই জিনিস, এক সাইজও এরও এর প্রজেক্ট হয়, তাও নয়। প্রতিটি প্রজেক্ট এর আলাদা আলাদা ভাবে স্টাডি করা হয় এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে রিস্ক রিভিউ করা হয় পয়সা ঢালার আগে, কারণ যেকোনো কোম্পানি shareholder দের কাছে দায়বদ্ধ, আজকে লাভ না হলে বা share এর দাম পড়ে গেলে সোজা কোথায় কোম্পানি উঠে যাবে।

    এবার এই স্টাডি গুলো কি ১০০-% ঠিক ? না, কারণ বহু ফ্যাক্টর থাকে যেগুলো predict করা যায় না, তাই বড় প্রজেক্ট ও অনেক সময় ফেল করে। হলদিয়া পেত্রোচেম হয়ত একটা উদাহরণ, ভালো প্রজেক্ট সত্তেও just it didnt click at right time। কিন্তু relinace সেদিক থেকে ভাগ্যবান। যেহেতু আমি এই সব ক্ষেত্রে কাজ করি, তাই এসবের উদাহরণ দিচ্ছি। তবে আমার ধারণা, সব বড় প্রজেক্ট এ হয়ত কিছুটা এই ফ্রেমওয়ার্ক এই কাজ করা হয়, সেই উনিশ বিশ।

    আজকে তাই যদি বলা হয় আম্বাসদর ৩০০ একরে বানানো হয়েছিল, নানার জন্য কেন ১০০০ একর লাগবে, সেটা সেই প্রজেক্ট এর স্টাডি সম্পর্কে বিশদ না জেনে বলা কিছুতেই সম্ভব নয়। আজকে যদি হিন্দমতর এর জমি টাটার জন্য দেওয়াও হত, সোজা সেখানে কারখানা বানানো সম্ভব নয়, সেখানে প্রজেক্ট করতে গেলে কিকি positive আর নেগেটিভ আছে, সেগুলো সব আগে ভালো ভাবে জানা দরকার এবং অনেকের সম্মিলিত প্রচেষ্টা হলে তবেই সেটা জানা সম্ভব, একজনের পক্ষে নয়, বাইরের লোকজনের দ্বারা একেবারেই নয়, এগুলো সব কটাই স্পেশালিস্ট এরিয়া। আবার সেই same size doesnt fit all এর সমস্যা। রতন টাটা বা যেই হোক, নিজের পয়সা ঢেলে প্রজেক্ট করেন না, সবাই ব্যাঙ্ক এর টাকা বা share তুলে পয়সা যোগাড় করেন, টাটা বা বিড়লা যেই হন, তাদের সেই টাকা মেটানোর দায় থাকে।

    এবার টাটার প্রজেক্ট ছেড়ে আসি হিন্দমতর এর কোথায়। আমি আম্বি-এর মার্কেট share জানিনা, ডিমান্ড জানি না, বহু বছর দেশ ছাড়া। কিন্তু বাজার এ যদি আদৌ চাহিদা থাকে, তাহলে সেটার প্রোডাকশন কম হয়ে গেল কেন ? এবার অন্য গাড়ি বানানো তো সোজা কথা নয়, আজকে প্রতিটা টেকনোলজি patented, হিন্দ মোটর কে কারোর সাথে collaboration করতে হত। এবার নতুন কোনো গাড়ি বানাতে গেলে অনেক মডিফিকেশন দরকার, সেটাই একটা পুরো নতুন প্রজেক্ট এবং আবার সেই স্টাডি থেকে শুরু। এবার তারা আদৌ সেই স্টাডি করেছিলেন কিনা, সেটা আমার জানা নেই। কিন্তু একটা সোজা কথা, সবাই ব্যবসা থেকে লাভ করতে চান, কেও তো শুধু সমাজ সেবা করবেন বলে ব্যবসা করেন না, আমার যদি কোম্পানির share থাকে এবং কোম্পানি লস এ চলে, আমি কি সেখানে টাকা রাখব না তুলে অন্য কোম্পানিতে লাগাবো, যেটা লাভে চলছে ?

    তাই হিন্দমোটর যদি সত্যি লাভজনক হয়ে থাকে, তাহলে মালিকপক্ষ জাস্ট রিয়েল এস্টেট এর ব্যবসা করবে বলে সেটা তুলে দেবে, এটা বড্ড সোজা সোজা, দিশাহীন অভিযোগ মনে হচ্ছে আমার। নিশ্চয় সেটাও তারা স্টাডি করবেন, যেরকম আমরাও করে থাকি। ওটাও একটা অপসন সব সময়, কিন্তু রিয়েল এস্টেট এর ব্যবসা one টাইম প্রফিট, ২০-৩০ বছর ধরে রিটার্ন দিতে পারে কি ? হয়ত ধরে নিলাম, হিন্দ মোটর এর মালিক একেবারে ছোটলোক, শ্রমিক দের তিলে তিলে মারাই তার উদ্দেশ্য, কিন্তু বেনিয়া হলেও সে তো আগে তার প্রফিট দেখবে। কারখানা হটাত করে সকালে উঠে তো কেও বন্ধ করে না, নিশ্চয় সেটা নিয়ে বহুদিন চিন্তা করা হয়েছে। এটা জাস্ট আমার ধারণা, সত্যি মিথ্যে জানিনা। কিন্তু ধরুন যদি সেটাও হয়, বন্ধ করাটা ভালো অপসন হিসেবে দেখা যায়, তাহলে সেটা হলে দোষটা কোথায় ? লস এ কারখানা চালানোর থেকে যদি বন্ধ করলে লাভ হয় বা ক্ষতি কম হয়, সেটাই তো স্বাভাবিক ?

    এর সাথে শ্রমিকদের নায্য দাবির কিন্তু কোনো সম্পর্ক নেই, ইন ফ্যাক্ট যখন বন্ধ করে দেওয়ার অপসন গুলো দেখা হয়, শ্রমিকদের severence প্যাকেজ ও ক্যালকুলেট করা হয়, নাহলে স্টাডি result ভুল আসবে।

    আমি কিন্তু মালিকদের সমর্থন করছি না, কিন্তু বিশদ এ না জেনে সোজাসুজি কারখানা খোলার দাবিটা একসাথে মেলানোটা মনে হচ্ছে, শ্রমিক দের নায্য পাওনা পেতে আরো মুসকিলে ফেলবে, কারণ সব দাবি এক সাথে গেলে নায্য দাবি অনেক সময় পেছনে চলে যায়।

    দয়া করে ভাববেন না আমি কোনো গজদন্ত মিনার এ বসে জ্ঞান দিছি, আমি এখন যে দেশের নাগরিক, সেখানে খুব সম্প্রতি দুটি অয়েল রেফিনেরী বন্ধ করা হয়েছে, যেহেতুপ্রজেক্ট স্টাডি করে দেখা গেছে এখানে অয়েল শোধন করার থেকে কোরিয়া বা সিঙ্গাপুর থেকে ইম্পোর্ট করা সস্তা। সেই স্টাডি তে কিন্তু প্লান্ট অপারেশন্স এর লোকজন ও ছিলেন এবং তারা ও মতামত দিয়েছিলেন। এবং এই দুটি বন্ধ হবার পরে যাদের চাকরি গেছে, আমিও তাদের একজন, আমাকেও গরু খোজার মত অন্য চাকরি খুঁজে নিতে হয়েছে। আজকাল সব সরকার-ই সোশ্যাল সিকিউরিটি তে কাটছাট করেছে, সুতরাং চাকরি গেলে কোনো সরকারী সহায্য পাওয়া যায়না। কিন্তু যাদের চাকরি গেছে, তাদেরকে severence pay দেওয়া হয়েছে, সুতরাং এইটা নিয়ে অন্তত কোনো সমস্যা হয়নি।

    তাই বলি যদি হিন্দ মোটর এ শ্রমিক দের পাওনা না মেটানো হয়ে থাকে, সেটা অতি অন্যায় এবং সেটা নিয়ে লিগাল অভিযোগ এবং সামাজিক আন্দোলন করাটা অবশ্যই দরকার। সেই ক্ষেত্রে আমার পূর্ণ সমর্থন আছে, কিন্তু এবার তার সাথে কারখানা খোলার দাবি কি আদৌ দরকারী ? এটা তো আদৌ শ্রমিকদের অধিকার এর মধ্যে পড়ে না, এবং এটা নিয়ে বিশদ না জেনে দাবির সাথে জুড়ে দিলে সেই অন্ধের হাতি দেখা হবে আবার।

    অনেকটা লিখে ফেললাম ছুটির দিনে বসে বসে। বোরিং হলে কাটিয়ে দিন সবাই।
  • - | ০২ আগস্ট ২০১৫ ১৪:৪৫683012
  • "নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলি, বেশ কটি এই ধরনের কাজ করতে হয়েছে নানা দেশে"

    এই লাইনটা লেখার পর আপনার বাকি পোস্টটা রিডান্ডান্ট হয়ে গেল। অন্য সব রাজ্যের আর দেশের থেকে পশ্চিমবঙ্গ আলাদা এটা না বুঝলে তো গোড়ায় গলদ! এখানে যেকোন বড়ো শিল্প করতে গেলে এক হাজারজন ব্যাগড়াবাবু এসে দুহাজারটা ইস্যুতে আন্দোলন শুরু করে দেন। দেশ বিদেশ থেকে স্বনামধন্য এনজিও আর মানবাধিকারবাদীরা এসে চুলচেরা হিসেব করতে বসে যান। শিল্প-সাহিত্য-সিনেমা জগতের নামকরা এক্ষপার্টরা মতামতের গোলাবর্ষন শুরু করে দেন। আর ইস্কুরুপ বল্টু ছেড়ে ধান চাষ করানে ওয়ালা ঠাকুররা সোশ্যাল মিডিয়া আলো করে ফুট কাটতে থাকেন। এই দুর্ভোগ সয়ে শিল্পপতি পশ্চিমবঙ্গে কারখানা বানাবে না মহারাষ্ট্র গুজরাটে বানাবে?
  • pi | ০২ আগস্ট ২০১৫ ১৪:৪৮683013
  • পি এম, আপনি কিছু না পড়েই বলে যাচ্ছেন। এতক্ষণ লোকজন বলে গেলেন, বন্ধ কারখানার জমি নেওয়াই যায়না। উদাঃ দেখালাম, নেওয়া যায়, সরকারই আগে নিয়েছে। তো, তখন আবার নতুন দিক দিয়ে ঘিরে ধরা। শ্রমিকদের বকেয়া কে কোত্থেকে মেটাবে। পড়লে দেখতে পেতেন '৩০০ কোটি টাকা বিড়লাদের পকেটে ঢুকেছে, যার একটি আধলাও কারখানা বিকাশের কাজে ব্যয় হয়নি। যদিও এই কারখানা গড়ার সময় সরকারের কাছ থেকে বিনা পয়সায় জমি পেয়েছিল বিড়লারা।' এই টাকা দিয়েও শ্রমিকদের বকেয়া মেটানো যেত।

    আপনাদের পোস্টগুলোকেই এখন বরম ব্যাগড়া বলতে ইচ্ছে করছে ঃ) কেমন জানি মনে হয়, এখানের কিছু লোকজনের উদ্দেশ্য লোকজনকে যেন তেন প্রকারেণ ব্যাগড়াপন্থী হিসেবে চিহ্নিত করে তাদের বাক্যিবাণ ছোঁড়া। বিক্ল্প বিকল্প নিয়ে এত প্রশ্নবাণ, বিকল্প প্রস্তাব এলে তাই নিয়ে নয় একটি বাক্য ও বিনিময়/মিনিময় হবে না ( এই যেমন মৈত্রীশ ঘটক আরো অন্যদের জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত লেখাগুলো নিয়ে ছিল ), অন্য কোন প্রস্তাব এলেও, সেটা নিয়ে কীভাবে কী এগোনো যেতে পারে, তাই নিয়ে কোন কথা নেই। কথা এলে সেগুলো বক্রোক্তি দিয়ে এড়িয়ে যাওয়া। এগুলো হল প্রকৃত প্রস্তাবে ব্যাগড়া ঃ)
    এর মধ্যে অনেক জড়িয়ে সময় নষ্ট করেছি, এগুলো আপনাদের টাইম পাস হলেও আমার সময় নষ্টই মনে হয়।

    যাগ্গে, আপনারা এই সরকারের ভূমিকা নিয়েও এত সন্তুষ্ট, মানে কোন ক্ষোভ টোভ নাই, সেটা নোটেড রইলো। ঃ)
  • pi | ০২ আগস্ট ২০১৫ ১৪:৫২683014
  • অমিতবাবু, ধন্যবাদ। আপনার পোস্ট ভাল করে পড়ে লিখছি। খালি একবার চোখ বুলিয়ে একটা কথা বলার মনে হল। এই অ্যাম্বাসাডর কারখানি খুব লাভজনক হতে পারত, এরকম দাবি কেউ করেনি। তাই 'হিন্দমোটর যদি সত্যি লাভজনক হয়ে থাকে, তাহলে মালিকপক্ষ জাস্ট রিয়েল এস্টেট এর ব্যবসা করবে বলে সেটা তুলে দেবে, এটা বড্ড সোজা সোজা, দিশাহীন অভিযোগ মনে হচ্ছে আমার', এই কথাটা বোধহয় খুব একটা ভ্যালিড নয়, কিছুটা ছায়াযুদ্ধ।
    আর রিয়েল এস্টেটের ব্যবসা অবশ্যই খুবই লাভজনক তো বটেই। বিশেষ করে শিল্পের নাম করে ফোকটে পাওয়া জমি বা ১০ কোটির জমি ৩০০ কোটিতে বেচতে পারলে তো বটেই ঃ)। এরকম লাভ তো রিয়েল এস্টেট বানানোর জন্য বড় ইন্সেন্টিভ !
  • pi | ০২ আগস্ট ২০১৫ ১৪:৫৫683015
  • একটা লাইন লেখা ছিল। 'ইউনিয়নের থেকে গঠনমূলক প্রস্তাব পেয়েও কর্তৃপক্ষ কোন ইতিবাচক পদক্ষেপ নেয়নি - যাতে কারখানাটিকে বাড়ানো যায় বা কোনও সহায়ক শিল্প গড়ে তোলা যায়'
  • amit | ০২ আগস্ট ২০১৫ ১৫:১৬683017
  • পাই, রিয়েল এস্টেট এ তো লাভ আছেই, নাহলে কেও ব্যবসা করবে কেন ? কিন্তু আমার পয়েন্ট ছিল সেটা ২০-৩০ বছর ধরে রিটার্ন দিতে পারে কি ? যে স্টাডি গুলোর কথা লিখেছি আগে, সেখানে কিন্তু সর্বদা "ডু নাথিং " ও একটা অপসন হিসেবে দেখা হয় এবং দেখা হয়, যদি প্রজেক্ট এর টাকা খরচ না করে ব্যাঙ্ক এ রাখা হয়, সেটার সুদ কত আসে এবং সেটার এগেইনস্ট এ তুলনা করা হয় প্রজেক্ট হলে কত লাভ হতে পারে ? যদি দেখা যায় যে টাকা বান্কে রাখলে বেশি লাভ, তাহলে প্রজেক্ট শুরুতেই শেষ করে দেওয়া হয়। বহু প্রজেক্ট-ই এভাবে বন্ধ হয়েছে। অর্ধেক কাজ হবার পরে বন্ধ হবার থেকে শুরুতেই বন্ধ হলে ক্ষতি অনেক কম।

    আমার বক্তব্য যদি মালিকপক্ষ দেখেন লস এ কারখানা আরো ১০-২০ চালানোর থেকে জমি বেচলে বেশি লাভ, তাহলে দোষটা কোথায় ? জমি বিক্রি করার যদি অনুমতি তারা পান সরকারের থেকে এবং সরকার জমির চরিত্র বদলে রাজি হয়, সেটা তো সরকারের দোষ। সেই জমিতে শুধু শিল্প ছাড়া কিছু হবে না, এই স্ট্যান্ড তা সরকারের নেওয়া উচিত, সেই কাজ মালিকদের নয়। এবার মালিক যদি শ্রমিক দের পাওনা না মেটান, সেটা অবশ্যই জঘন্য অপরাধ এবন্ব্গ তাদের শাস্তি প্রাপ্য। সেটাই বলতে চাচ্ছি বারবার, শ্রমিকদের নায্য পাওনা নিয়ে আন্দোলন হোক, কারখানা খোলা নিয়ে নয়, কারণ দুটো আলাদা ইসু।

    আর যদি বন্ধ কারখানার জমি অধিগ্রহণ করা যায়, সেটা অবশ্য ভালো, কিন্তু সেখানেও প্রতিটি প্রজেক্ট এ আলাদা করে স্টাডি করা দরকার যে সেখানে প্রজেক্ট করা বেশি লাভজনক নাকি নতুন জায়গাতে করা বেশি লাভজনক। জমি তো শুধু একটা মাত্র কম্পোনেন্ট, আরো হাজার কম্পোনেন্ট জুড়ে স্টাডি করা হয়। as same size doesn't fit all, তাই যদি আজকে আমরা ক্লেম করি আম্বি-র ৩০০ একর এ হলে টাটা নানো ৩০০ একর এ হয়ে যেত, অথবা সেই জমির কিছুটা টাটাকে দিলে সেটাতে কেন টাটা বানাতে রাজি হলো না, সেটা ভুল।
  • S | ০২ আগস্ট ২০১৫ ১৫:১৬683016
  • রিয়েল এস্টেটের ব্যবসা এই মুহুর্তে অবশ্যই খুব লাভজনক। কারণ দুর্ধর্ষ ডিমান্ড। প্রপার্টি প্রাইস আকাশ ছুঁয়েছে। একই ব্যপার মুম্বাইতে হয়েছে - সব মিল বন্ধ করে সেখানে আকাশ ছোঁয়া বিল্ডিঙ্গ তইরী করা হয়েছে। এবং একই কারণে এই মুহুর্তে অন্তত রিস্ক খুব কম। অন্যদিকে, যদি নতুন গাড়ির মডেল তইরী করাও হয় - সেটা ইটসেল্ফ সময় সাপেক্ষ, এবং আজকের কম্পিটিশানের যুগে রিস্ক অনেক বেশি - নাও চলতে পারে।

    ২০-৩০ বছর ধরে এখনকার কোনো গাড়ি কি রিটার্ণ দেবে? টেকনলজি এতো হুহু করে এগোচ্ছে। আর এই মুহুর্তে প্রপার্টি বিজনেস যদি ধরুন ৫০০ কোটি দিতে পারে, সেক্ষেত্রে আগামি ২০ বছর ধরে যদি প্রতি বছর অন্তত ৮০-১০০ কোটি প্রফিট না হয় সেক্ষেত্রে রিয়েল এস্টেট তো অনেক লাভজনক বলেই মনে হচ্ছে।

    হিন্দ মোটর লাস্ট ফিসকাল ইয়ারে ৪২ কোটি লস করেছে। বিগত ছয় বছরের মধ্যে বেস্ট পারফরমেন্স হোলো ৭৫ লাখ প্রফিট। ফলে অপারেশান্সের ভ্যালু নেগেটিভ। কিন্তু ফিক্স্ড অ্যাসেটের ভ্যালু সুপার পজিটিভ। ন্যাচারালি, অপারেশন্স বন্ধ করে রিয়েল এস্টেট এনি ডে বেটার অপশান। পিওরলি ফ্রম বিজনেশ পয়েন্ট অব ভিউ।
  • - | ০২ আগস্ট ২০১৫ ১৫:২৩683018
  • হা হতোস্মি!
  • কল্লোল | ০২ আগস্ট ২০১৫ ১৬:৩৬683019
  • পিএম উবাচ -"ধরুন একজন শিল্পপতি পঃবঃ এর প্রতি অসামন্য ভালোবাসায় সব ঝক্কি নিয়ে লাভের পরোয়া না করে বন্ধ কারখানার জমি নিলো। ইন্ভেস্ট করে কারখানা বানালো। পুরোনো কারখানার একজন স্টেকহোল্ডার আগে কিছু বলে নি, ঠিক কারখানা চালুর আগে কোর্ট থেকে একটা স্টে ওর্ডার নিয়ে এলো। কারখানা বন্ধ। কে দায়িত্ব নেবে? ইন্ভেস্টার কেনো এই রিস্ক নেবে?"

    তা, সিঙ্গুরের জমির মালিক বা তাতে চাষ করে খাওয়া ভাগচাষী বা ক্ষেতমজুরেরা এরকম স্টে অর্ডার নিয়ে আসতে পারতো বুঝি!!!! তারাও তো স্টেক হোলডার নাকি? সেখানে তো সরকার সব জমি নিয়ে নিলো। তাতে সে আর "স্টেক হোল্ডার"থাকলো না - এরকমই জানা গেছিলো। শিল্পপতিদের কারখানা হলে বুঝি অন্যরকম ব্যক্তিমালিকানা হয়!!! সরকার জমি অধিগ্রহণ আইনে তা নিতে পারে না বুঝি!!!
  • S | ০২ আগস্ট ২০১৫ ১৭:৫৩683020
  • স্টে অর্ডার? পুরো সরকার বদলে গেলো।
  • PT | ০২ আগস্ট ২০১৫ ২০:০৫683021
  • "বহুফসলী জমিতে শিল্প করা নিয়ে প্রশ্ন না তোলা আর বন্ধ কারখানার জমিতে শিল্প করা নিয়ে প্রশ্ন তোলা নিয়ে এত অস্বস্তি ?"

    আমার মনে হয়না বন্ধ কারখানার জমিতে শিল্প হলে কারখানা-পন্থীরা কোনই আপত্তি করবে। কিন্তু সেই জমি নেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে কোন এক্ষপার্ট যদি বক্তব্য রাখেন তাহলে ভাল হয়। অন্ততঃ একটা পান-সুপুরীর দোকান লাভজনকভাবে চালিয়েছেন এমন কেউ এই সব বিষয়ে কিছু বললে আমরা সকলেই আলোকিত হই।

    আর সেই "৫৭০০০" বন্ধ কলকাখানার জমি নিয়ে একদা যারা বগল বাজাত তারা সবাই এখন শব্দহীনতায় মজে রয়েছে!! সেসব জমি পেলে তো ভালই হত। কিন্তু এই জমি উদ্ধারের পিতিগ্গেটাও তো সেই টাটার চুক্তি পোকাশ করার মতই বৃহৎ ঢপ ছিল সেটা এখন কি পোষ্কার? নাকি ওটা এমনকি ভাল ঢপও ছিল না-ব্যাপারটা আইনতঃ বিশাল ঝক্কির ব্যাপার যেটা কোন শিল্পপতি পোয়াতে চাইবে না।
  • PM | ০২ আগস্ট ২০১৫ ২২:৫৯683023
  • কলোলদা, বেকার হ্যাজাচ্ছেন ঃ) সরকার পুরোনো বন্ধ কারখানার জমি অধিগ্রহন করলে ঐ কারখানার সমস্ত লায়াবিলিটি-ও করবে। সরকারের টাকায় শিল্পপতির লায়াবিলিটি পুরন কর আপনি সমর্থন করেন ?

    "ঠাকুর বলেছেন, ওরে পেদো - ধান চালই খেতে হয়, ইস্কুরুপ বল্টু খাওয়া যায় না রে!!"

    আপানারা সব শিল্পোন্নত রাজ্যের লোক। আপনাদের খাবার দাবার জোগার দেবর জন্য আমাদের মতো চাষাভুষো রাজ্যের দরকার তো বটেই ঃ)

    পাই, প্রতিটা বন্ধ কারাখানার কেস আলাদা। তাদের লায়াবিলিটি আলাদা। আমরা ভীষণ্ভাবে চেয়েও বন্ধ কারখানার জমি নিতে পারছি না।

    "যাগ্গে, আপনারা এই সরকারের ভূমিকা নিয়েও এত সন্তুষ্ট, মানে কোন ক্ষোভ টোভ নাই, সেটা নোটেড রইলো। ঃ)"

    এই কন্ক্লুসনটা কোথা থেকে এলো বুঝলাম না। এই সরকার তো কোনো কারনেই জমি নিচ্ছে না। যদিও চাষের জমি যথরীতী উবে যাচ্ছে !!!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন