এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সিঙ্গুর: কি ভাবছেন সবাই(২)

    Ishan
    অন্যান্য | ১৮ অক্টোবর ২০০৬ | ৭৯২৮৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Arijit | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ১৪:৫৫697175
  • এখানে একটা ছোট পয়েন্ট আছে - নন্দীগ্রামে জমি নেওয়া হবে না এই কথাটা সানশাইনের অনেক আগেই বলা হয়ে গেছিলো, অন্তত: কাগজ পড়ে তাই মনে হয়েছে। অনভিপ্রেত ঘটনাগুলোর পিছনে আরো রাজনীতি আছে।

    বাকিটা নিয়ে কিছু বলার নেই। এগ্রীড।
  • h | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ১৫:০০697176
  • নন্দীগ্রামের কেসে শিল্প কৃষি সংক্রান্ত আলোচনা হওয়ার সময় পেলো কই। মেন আলোচনা হল তো খুন টুন নিয়ে। সরকারের পুলিশ খুন করল। কৃষক দরদী রা খুন করলেন। মাঝে সূর্যোদয়ের প্রয়োজনে খুন হল। এখন আবার সম্ভবত খুনের আরেকটা স্পেট যাবে। তো এটা আঞ্চলিক ল অ্যান্ড অর্ডার কোলাপ্স। ২০০৭ এর ১৪ মার্চের পর আইনশৃঙ্খলা প্রশ্নে বিন্দুমাত্র ক্রেডিবিলিটি রাজ্য সরকারের নেই। ভূমিরক্ষা সমিতির ও নেই। এটা প্রশ্নের ঊর্ধে চলে গেছে। ছাগলের রাজনীতি।

    কেস হল 'দূরঙ্কÄ'। দূরঙ্কেÄর লজিকের প্রাইমেসিটা এস্ট্যাবলিশড কিসু হয় নি।

    আর মধ্যবিত্তের উচ্চাশার পলিটিক্স, যেটা শিল্পায়নের তাড়ার মূল রেশনেল, সেটাও খুব পবিত্র ভদ্দরনোকীয় কিসু নয়।
  • h | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ১৫:২৩697177
  • টাইমিং টা আর সিকোয়েন্সটা অর্পণ ডেলিবেরেটলি ভুল করলি? যাক। মানুষের জীবন বা পেশার থেকে গুরুঙ্কÄপূর্ণ বিশেষ কিসু নাই।
  • bb | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ১৭:০৫697178
  • আমি বিশ্বাস করি, জমি বাছার অধিকার শিল্পপতিদের থাকা উচিত, কারণ আমি যখন পয়সা দিয়ে ফ্ল্যাট কিনি তখন যেটা আমার পছন্দের সেটা বেছেনি। সেই জমিটা অধিগ্রহন করা হবে কিনা সেটা সরকার এর দ্বায়িত্ব:। বাঁকুড়া বা পুরুলিয়ার পরিকাঠামো এতই খারাপ যে ওখানে এই ধরণের শিল্প স্থাপন করা মুশকিল। পরিকাঠামো তৈরির দ্বায়িত্ব সরকারের কিন্তু সীমিত ক্ষমতার মধ্যে কতটা করা সম্ভব তাও আলোচনার বিষয়।
  • h | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ১৭:৪৮697179
  • কর্ম সংস্থানের উদ্দেশ্যে শিল্প স্থাপন হলে পাবলিকের ট্যাক্সের টাকায় ইনফ্রাস্ট্রাকচার তৈরী করতে হবে এই যুক্তিটার সারল্যের সমস্যা একটাই, এর সংগে নানা ক্যাচ থাকে। পয়েন করে বলি একটু?

    ক। রেভেনিউ সীমিত, তাইলে কি শিল্পপতি রা যেখানে চাইবেন, সেখানেই কি ইনফ্রাস্ট্রাকচার বাড়বে শুধু? বা অয়টলিস্ট সরকারী প্রায়োরিটি হবে শিল্পের প্রয়োজনে? মানে বাকি রিজিয়ন/নাগরিক গণ কি করবেন?
    খ। রিটার্ন অফ ইনভেস্টমেন্টের গল্পটা কী? ধরেন এস ই জেডের মূল আকর্ষণ তো দুইটা, শিল্পের ট্যাক্স হলিডে আর তৈরী পরিকাঠামো। কারণ ঐ কর্মসংস্থানের রেশনেল। তো তাইলে তাইলে পব্লিক ফান্ডের রিটারন ছাড়াই নিরবচ্ছিন্ন প্রফিট হবে শিল্পের, কর্মচারী রাইট আর পাবলিক ফান্ডিংএর এর রিটার্ন বল্লে সবাই মূলত: জিভ কাটবেন 'বলতে নেই' বলে?আর বলে যেতে হবে, the state has to downsize? বেশ মজা, লোককে ইনসেন্টিভ, আকাশছোঁওয়া ইন্সেনটিভ দেওয়া হবে, সে ব্যবসা করবে, ট্যাক্স না দিয়ে বা নাম মাত্র দিয়ে, পরিকাঠামো তৈরী তে আদৌ অংশগ্রহণ না করে, আর এই স্কিমে ডিস অ্যাফেকটেড লোকজন মেনলি মুগ্‌ধ হয়ে আহা আহা করবে?

    সাবসিডি কমানোর বেলায় শুধু কৃষি আর শিক্ষা?

    গ। প্রফিটের লজিক কে ঢাকার জন্য কর্মসংস্থানের লজিক ব্যবহার হয় মূলত:, নতুন কিছু নয়। ঠিকাছে। তবে একই সংগে পর্ফিটের লজিক কর্মসংকোচন আর কর্মসংস্থান দুটোরি ইচ্ছে মত আইনি বা বে আইনি হেজেমনিক ব্যবহার করবে এটা ভাল, তবে স্বীকার করে নিলে আরো ভাল।
  • r | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ১৯:১৩697180
  • সিঙ্গুর বেঙ্গুর লাঙ্গুরেলাপ্পা
    খুট্‌খাট্‌ ফিস্‌ফাস্‌ চুপ্‌চাপ্‌ ধাপ্পা।
    এলোচুল বেয়াকুল পাঁচগ্রাম সংগ্রাম
    টোপাকুল খানাকুল পুরুলিয়া কমদাম।
    ফুলে ছাপ বেঁটে বাপ হৈ হৈ কা কা
    বিট্‌কেল ধুত্তোর এঞ্চোড় পাকা।
    ন্যানো নানচাকু নেংটি নেঙ্গুর
    নুঙ্গি নৈহাটি তারপর সিঙ্গুর।
  • umesh | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ২১:১৫697181
  • NDTV তে একটা headline পেলাম, "Mamata softens on Singur, may talk to Tata"
  • bozo | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ২২:৫৩697182
  • 'সরকারের সীমিত ক্ষমতা' - অক্সিমোরন।
    সরকারের ক্ষমতা কম পড়লে পার্টি করবে। যেমন নন্দীগ্রামে সুর্য্যোদয়ের সময় করেছিল।
  • arjo | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ২৩:১৪697183
  • রতন টাটা বা সিপিএম যেই এই চালটা চালুক, দারুণ দিয়েছে। মোক্ষম চাল একেবারে। প্রবল সিঙ্গুর বিরোধী লোকজনও কেমন নরম হয়ে পরেছে। সিপিএম ও রাজনৈতিক ভাবে অ্যাডভ্যান্টিজিয়াস পজিশনে। সব মিলিয়ে মোক্ষম রাজনৈতিক চাল। মমতার এই ব্রেণ পাওয়ারই নেই। টাটা কি সত্যি তুলে নেবে? মনে হয় না।
  • Du | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ২৩:১৭697185
  • খবরে পড়লাম, নর্থ ডাকোটার একটা ছোট চাষভিত্তিক শহরে প্রচুর তেল পাওয়া গিয়েছে মাটির মাইলখানেক নিচে।
  • Ishan | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ২৩:৩২697186
  • অন্য যেকোনো লোক মমতার জায়গায় থাকলে নরম হয়ে যেত। কিন্তু মমতা মমতাই। :)
  • Ishan | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ২৩:৩৬697187
  • হ্যাঁ আমি এটা মোটেই মমতার নিন্দে করার জন্য বলিনি। প্রশংসাও কিনা ঠিক বুঝতে পারছিনা। :)
    কথাটা হল, যে, একটা ইস্যু নিয়ে প্রয়োজনে আত্মহত্যাও করব, কিন্তু শেষ অবধি লড়ে যাব, এরকম দম পৃথিবীতে খুব কম লোকেরই আছে। দম বা পাগলামো যাই বলেন। কিন্তু এটা আর কারো নেই। সেটা নিন্দে না প্রশংসা কে জানে। :)
  • Du | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ২৩:৩৮697188
  • মমতার কাছে ইস্যুটা কি অত মারাত্মক? তার শুধু জানা দরকার, রাজনৈতিকভাবে অ্যাডভান্টেজিয়াস পজিশন কোনটা?
  • Ishan | ০৭ আগস্ট ২০০৮ ২৩:৪৫697189
  • সে তো বটেই।

    কিন্তু আমি যেটা বলছি, যে পুরোটাতেই প্রচুর রিস্ক ইনভলভড। এই ইস্যুটাতে জিতলে মমতার প্রবল পলিটিকাল অ্যাডভান্টেজ পাওনা হবে। হারলে ভিটেমাটি চাঁটি। মমতা মমতা বলেই এই রিস্কটা নিয়েছেন। অন্য কোনো বিরোধী নেতার এই দম (বা পাগলামো) নেই।
  • Arpan | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ০০:৩১697190
  • হানুর পোস্টের জবাব দেওয়া হয়নি। কিন্তু কিছু কথা যে থেকেই যায়। :)

    ১। ঠিক কথা। আগের পোস্টে কিছু ভুল থেকে গেছে। অপারেশন সানশাইন নয়, যেটা উল্লেখ করতে চেয়েছিলাম সেটা ১৪ই মার্চের কথা। আর নয়াচরের কথা প্রথম শোনা যায় সেপ্টেম্বরের গোড়ায়। অবশ্যই ডেলিবারেটলি এই ভুল করা হয়নি। :)

    সে যাই হোক, ১৪ই মার্চের পরে যা ঘটেছে বা ঘটছে তার সাথে জমি অধিগ্রহণের সম্পর্ক আর নাই বলেই মনে হয়। জমি দখলের সম্পর্ক অবশ্যই আছে।

    ২। হানুর 3:00 PM-এ করা পোস্টটির প্রথম লাইনটি বেশ অবাক করে দেবার মত। এই যে প্রতিটা কেস ধরে ধরে আলাদা আলোচনার প্রস্তাব, সেইটি। নন্দীগ্রামের কেস বলতে হানু কী বলতে চেয়েছে ঠিক বুঝিনি। বস্তুত খুন-পাল্টা খুনের রাজনীতি শুরু হবার আগেও একটি অধ্যায় ছিল। যে সময় সরকারের জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। কেস বলতে যদি সেইটি বোঝায় তাহলে আমার প্রশ্ন সেই কেস নিয়ে আলাদা করে শিল্প-কৃষি সংক্রান্ত আলোচনা হবার সুযোগ তৈরি করতে হবেই বা কেন? শিল্পায়নে লাস্ট বয় থেকে ফার্স্ট বয় হবার যে তাড়া এবং তার গোড়ায় পদ্ধতিগত যেসব বিসমিল্লা, সেই নিয়ে তো যাবতীয় বিতর্ক এবং কুতর্ক শুরু হয়েছিল সেই ২০০৬ থেকেই। নন্দীগ্রামের অধিগ্রহণের জন্য যখন বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল তখন রাজ্য জুড়ে সেই বিতর্ক চলছে পুরোদমে এবং সিঙ্গুর নিয়ে লুকোছাপা, পরস্পরবিরোধী তথ্য ইত্যাদি কারণে সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা একদম তলানিতে। কাজেই আলোচনার জন্য সময় পাওয়া যায়নি বা তৎকালীন অন্যান্য পরিস্থিতি থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নেবার সুযোগ ছিল না এইটি মানা গেল না কোনভাবেই।

    ৩। দূরত্বের লজিকের প্রাইমেসি এস্টাব্লিশ করার আলাদা কোন ইচ্ছা ছিল না। এখনো নেই। মানে ঐ ফ্যাক্টরটিকে আলাদা করে হাইলাইট করার চেষ্টা করাই বা হচ্ছে কেন সেইটাও মাথায় ঢোকেনি। শিল্পায়নের নামে অ্যাড-হক ভিত্তিতে লাউজি কিছু কাজ করার চেষ্টা না হলে এই প্রশ্নটাও সামনে আসত না।

    ৪। আবাপ এবং টিএমসির গুল। বাংলার রাজনীতিতে চিরকাল মধ্যবিত্ত শ্রেণীই চালিকা শক্তি থেকেছে। কাজেই তাদের অ্যাস্পিরেশন = আবাপ'র সম্পাদকীয় = বুদ্ধবাবুর শিল্পনীতি এই সমীকরণ তো জটিল কিছু নয়। বাকি রইল টিএমসি। যাদের নেতারা সিঙ্গুরে টাটার কারখানায় ইঁট-বালি-সিমেন্ট সাপ্লাই দিয়ে প্রফিট করছেন তারাই যখন জমি ফেরতের দাবিতে ধর্নায় বসেন তখন আর কিছু বলার দরকার থাকে কী? অথবা এই যে এত কৃষিজমি রাতারাতি নগরায়ণের জন্য বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে যেসব মধ্যভোগী শ্রেণীর হাত ধরে তাতে কি টিএমসি সমর্থক কর্মী কে কম পড়িয়াছে? কিন্তু প্রশাসনের (সিপিএমের নয়) জনগণকে দেওয়া গুলতাপ্পি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে এই কথাগুলি পাল্টা প্রশ্নাকারে উঠবেই বা কেন?
  • bozo | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ০০:৫৫697191
  • সি পি এম এর প্রোপাগান্ডা মেশিন এই বার চারিদিকে রব তুলবে 'শিল্প গেলে খাব টা কি?'
    আমরাও বুঝব। ঐ ন্যানো গাড়ী একটা আমাদের গ্যারেজ আলো-ও তো করবে।
  • arjo | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ০৭:৩৩697192
  • কিন্তু ব্যপারটা এখন এমন দাঁড়িয়েছে যে মমতা জিতলেও মমতা হারবে। অলরেডি হাওয়া ঘুরে গিয়েছে, টাটার হুমকিতে জনতা মোটামুটি সিঙ্গুরের পক্ষে। মমতার দিক থেকে টাটারা গেলেও ক্ষতি না গেলে বরং কিছু একটা করার থাকে। মমতা টোন ডাউন করতে বাধ্য। সিঙ্গুর থেকে ন্যানো প্রডিউস না হলেই আশ্চর্য্য হব। এবার বাড়ি গিয়ে ন্যানো চড়ব বলে কত আশা করে আছি।
  • Ishan | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ০৮:০৪697193
  • ধুর। ন্যানো যারা চড়বে তাদের ভরসায় কি ভোট হয় নাকি? :)
  • d | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ০৮:৫০697194
  • বা: আমি যা বলতে চেয়েছিলাম অর্পণ সবই বলে দিয়েছে, বেশ গুছিয়ে তর্কও করেছে, অতিরিক্তও কিছু বলেছে, যাতে আমি একমত। (লক্ষ্মী ছেলে। আবার দেখা হলেই বেধড়ক খাইয়ে দেব)। বিশেষ করে লাস্ট পোস্টের ৩ নম্বরটা।

    তবে কোন্নগরে আমাদের পাড়ায় রাস্তার মোড়ে মিটিন করে, চোঙা ফুঁকে জানানো হয়েছিল যে টাটারা বিশেষভাবে সিঙ্গুরের জমিই চেয়েছেন। "কেন'? এই প্রশ্নের খুব কিছু সদুত্তর পাওয়া যাওয়া নি। এবং যাঁরা "বোঝাতে' এসেছিলেন, তাঁরা বুঝনেওয়ালাদের কম বুদ্ধিতে বিরক্ত হয়ে চলে যান। এখন কি বলছেন জানি না।

    বন্দর, রেলপথ ইত্যাদির কাছে জায়গা যে কোন ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাউসই চাইবে, সেটাই স্বাভাবিক। তেমনি এটাও স্বাভাবিক যে ঐ কাছাকাছি জমিপত্তর অফুরন্ত নয়। কাজেই যদি রাস্তাঘাট, পরিবহন, বিদ্যুৎ একটা মিনিমাম লেভেলে তৈরী করা থাকে, তাহলে শিল্পপতিরা সেখানে সেকেন্ড চয়েস হলেও যাবে, যদি অন্যান্য সুবিধা পায়। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে ৩০ বছরেও (স্বাধীনোত্তর কালের ঠিক অর্ধেক) সেটুকু করে ওঠা যায় নি। টাটা তো দেশের এক এবং একমাত্র শিল্পপতি নয়, এই বেসিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার রেডি থাকলে বাজাজ, মহেন্দ্র ইত্যাদিরাও হয়ত এগোতেন। (ইন ফ্যাক্ট টাটা পিছিয়ে গেলে এঁরা এখনও এগোতে পারেন, কারণ সেক্ষেত্রে আরও বেশী দাঁও মারতে পারবেন)
  • d | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ০৮:৫১697196
  • ও হ্যাঁ মারুতিও।
  • Arijit | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ০৯:৩৬697197
  • ঠিক ২০০৬ নয়। মোটামুটি নব্বইয়ের মাঝামাঝি থেকেই প:ব: এই নতুন ধরণের শিল্পনীতিটা নিয়েছে। আর অন্দরমহলের তর্কটা প্রায় সেই সময় থেকেই এখনও চালু। আমি এমন লোকজনকে চিনি - বোধিও চিনবে - যারা একভাবে সেই সময় থেকেই এই SEZ জাতীয় কনসেপ্ট, ডিসপ্লেসমেন্ট ইত্যাদি নিয়ে লড়ে যাচ্ছে।

    এবার এই শিল্পনীতিটা কেন? তার উত্তর অপ্পনের পোস্টে রয়েছে...
  • kallol | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ০৯:৫০697198
  • নন্দীগ্রামে পরপর দুদিন যা ঘটলো তা নিন্দনীয়। আমি নিশ্চিত নই খুনগুলো কারা করেছে/করিয়েছে। কিন্তু যারাই করে/করিয়ে থাকুক - এটা নিন্দনীয়। সাধারনত: আমরা এই ঘটনা গুলো skip করে যাই। তাই মনে হলো - এটা করা দরকার।
  • kallol | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ১০:০৪697199
  • bb-র 07 Aug 2008 05:05 PMএর পোস্ট পড়ে বেশ অবাক লাগলো। গত দুদিন একটু ফেঁসে ছিলাম বলে দেখে উঠতে পারিনি।

    অবশ্যই শিল্পপতিদের পছন্দমতো জমি বাছার অধিকার আছে। জমির মালিকেরও অধিকার আছে তার শর্তে জমি হস্তান্তর করার। এর মধ্যে সরকার কেন তবে? কারন টাটাকে চড়ে খাও বললে টাটার গোঁসা হবে। জমির মালিক তো চুনোপুঁটি - তাও আমি যারা ঐ জমিতে কাজ করে তাদের কথা আনলাম না। সত্যি কথা বলতে কি জমির বিনিময় মূল্যের বিষয়ে ন্যায়ত: (বোধ হয় আইনতও) তারাও কথা বলার অধিকারী।
  • Arijit | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ১০:১৩697200
  • আইনত: মনে হয় নয়। কারণ যদ্দুর মনে পড়ছে ওই মান্ধাতার আমলের জমি আইন অনুযায়ী সব জমিই সরকারের। যা কিছু অধিগ্রহণ হয় সব ওর বেসিসে। ওটাকে না পাল্টালে এই লুপ চলতেই থাকবে।
  • kallol | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ১০:৪৪697201
  • আইনটা আমি ভালো জানি না। তবে, সব জমিই সরকারের নয়। সরকার যেকোন সময় যেকোন জমি অধিগ্রহন করতে পারে। তখন right to propertyটা খাটে না।
    কিন্তু bb অধিকারের প্রশ্ন তুলেছে - তাই আমার বলার ছিলো অধিকার তো একা শিল্পপতিদেরই থাকবে না। জমির মালিকেরও তো কিছু অধিকার থাকে, না কি?
    যদি জমিটি বর্গায় নথিভুক্ত হয়ে থাকে তবে বর্গাদার কে বাদ দিয়ে কিছু করা যাবে না - এটা আইনত:। আর যদি তা না হয় তবে ন্যায়ত:।
  • Arijit | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ১০:৫১697202
  • ন্যায়ত: - তা চলবে। গোলমালের অনেকটাই এই আনরেজিস্টারড বর্গাদারদের নিয়ে। সেক্ষেত্রে অপারেশন বর্গার সাফল্য নিয়েও প্রশ্ন উঠে আসে। আমার ঠিক মনে নেই - ওটা কি মাঝপথে বন্ধ হয়ে গেছিলো?
  • bb | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ১০:৫৭697203
  • আমাদের পশ্চিমবঙ্গের মূল সমস্যার মধ্যে বোধহয় এটা একটা যে আমাদের অধিকার বোধটা বেশি, কিন্তু দ্বায়িত্বটা কম। টাটাদের জমি নেবার মধ্যে সরকার আসার মূল কারণ একটা স্বচ্ছ: আর ব্যবহারিক ভাবে উপযোগী ব্যবস্থা করা।
    রাস্ট্রের হাতে ক্ষমতার দরকার আছে যেটা দরকারে ব্যবহার করা যায়। এই জন্য সংবিধানে ৩৬০ ধারার কথা লেখা আছে, তার অপপ্রয়োগ অন্য আলোচনার বিষয়।
  • kallol | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ১১:০৪697204
  • অধিকার বোধ বেশী - দায়িত্ব কম - এট একটা generic statement। এ আমি ভারতের সব জায়গাতেই তার তার প্রদেশের লোক সম্পর্কে বা সাধারন ভাবে ভারতীয়দের সম্পর্কে বলতে শুনেছি। একটু specific হলে ভালো হয়।
  • bb | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ১১:২২697205
  • kallol আমরা বিশেষ করে মধ্যবিত্ত শ্রেনী আশা করি সরকার সব করে দেবে জনগণের জন্য, আর আমরা শুধু তার সুফল ভোগ করব।
    আমি অবশ্য আপনার জমির মালিকদের অধিকার এর সঙ্গে একমত।
  • h | ০৮ আগস্ট ২০০৮ ১২:১০697207
  • অর্পণ, তোর শেষ পোস্টে এমনি কোন অসুবিধে নেই, ওমনি গুলো একটু বলে নি।

    পুঁজিবাদের মুনাফার যুক্তি, ক্ষমতার প্রাধান্যর যুক্তি, রাষ্ট্রীয় মতাদর্শের ক্ষেত্রে একছত্র অধিকারের প্রাধান্যের যুক্তি, পুঁজির স্বার্থে রাষ্ট্রক্ষমতার ব্যবহারের যুক্তি, উচ্চবিত্ত এবং উচ্চাকাঙ্খী মধ্যবিত্তের অর্থনৈতিক প্রয়োজনে রাজনৈতিক নীতি নিরূপনের যুক্তি, ওয়েলফেয়ার শব্দটির মৃত্যু এবং বিশ্বায়ন চলাকালীন উন্নয়ন শব্দটির নতুন অর্থ আমদানি, উন্নয়ন বস্তুটাকে রাজনীতিবিহীন হিসেবে চালানোর যুক্তি, শ্রেণী সম্পর্কের বা রাষ্ট্রের চরিত্রের স্থিতাবস্থা, রাজনৈতিক পোলারাইজেশনের মেনস্ট্রীম ধারাবিবরণী - এইগুলোর অনিবার্যতা বা অবিনশ্বরতা এবং পুঁজির অশ্বমেধের বিজয় স্বীকার করে নিয়ে আলোচনা করাটা যাকে বলে আমার চিন্তা ভাবনার ঘরানা নয়। খুব স্বাভাবিক ভাবেই এটা অনন্যতার দাবী নয়, এমনকি লেখাপড়ার জগতে খোঁজখবর রাখার দাবীও নয়, এটা খুব স্থূল ভাবে বললে বিশ্বের বৌদ্ধিক ইতিহাসে কয়েকজন বড় মাপের সমালোচকের একটু ন্যাকামত পদানুসরণ মাত্র। নিজের সামান্য বিচারবুদ্ধি অনুযায়ী।

    এছাড়া মধ্যবিত্তের রাজনীতির চেহারা পশ্চিমবঙ্গে অবিনশ্বর এবং তার কোন বিবর্তনের কাহিনী নেই, এই দাবী টা অনৈতিহাসিক এবং অযৌক্তিক।

    এবার এমনি অংশটা।

    ১। ফাইন।
    ২। শিল্পায়নের প্রক্রিয়ায় তাড়া প্রচন্ড সমালোচনা জরুরী। অতএব এই প্রশ্নে একমত।
    এইবার নন্দীগ্রামে র বিতর্ক আর সিঙ্গুরের বিতর্ক এবং রাজনৈতিক ঘটনাবলীর মধ্যে কোন পার্থক্য নেই এটা বললে আমাকে বলতেই হবে যে মতানৈক্য থাকুক।
    শিল্পায়ন সম্পর্কে আমার সমালোচনাটা শুধু প্রক্রিয়া বা পদ্ধতিগত দিকগুলি নিয়ে নয়।
    ৩। মাথায় আমারো আসছিল না সেই নিয়ে কথা শুরু হয়েছিল। শিল্পায়নের প্রক্রিয়া লাউজি আর পুঁজির মুনাফার যুক্তি স্লিক, কিম্বা মধ্যবিত্তের কর্মসংস্থানের বা ভোগ্যপণ্যের পেছনে ছোটাটা ভালোদের জীবনে ভালো করার পরিশ্রমী সৎ মরালিটিমাত্র, এই সুইট আলোচনাটাতে আর নতুন করে ঢুকলাম না।
    ৪।প্রশ্ন ওঠে কেন তার একটা উত্তর খুব সহজ। সৈকতের কল আমাকে লিখতে দেয় বলে। অন্য কোনো মিডিয়ায়, কথা শোনার ছেড়ে দিন ডকুমেন্টেশনের রীতি ও ঠিক নেই, তবে পছন্দ অনুযায়ী বলানোর একটা রীতি এখন বেশ মধুর ভাবে পোক্ত হয়েছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন