এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • আমেরিকান প্রেশিডেনশিয়াল ইলেকশান ২০১৬

    Abhyu
    অন্যান্য | ১০ মার্চ ২০১৬ | ১০৩৮৬৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ১১:১৫700003
  • ১। ফ্লো অফ লেবার খুব কম, যতোটা হওয়া উচিত তার তুলনায় তো খুবই কম। কিন্তু এই কম মুভমেন্টের মধ্যেও লিগাল আর ইল্লিগাল দুই মিলে ইমিগ্রেশান অফ লেবার হচ্ছেই। সাধারনত ইল্লিগাল ইমিগ্রেশানকে লো স্কিলড লেবার আর লিগাল ইমিগ্রেশানকে হাই স্কিলড লেবার হিসেবে ধরা হয়। আগের পোস্টে অ্যাপারেল ইন্ডাস্ট্রির কথা বলছিলাম, এটা নিয়ে ফেড ব্যাংকেরও কেস স্টাডি আছে (এক্ষুনি লিংকটা খুঁজে পাচ্ছিনা, পেলে দিয়ে দেব)। মিয়ামি তে কিউবা থেকে প্রচুর ইল্লিগাল ইমিগ্রান্ট এসেছে (সাপ্লাই অফ লোস্কিলড লেবার), তা সত্ত্বেও কিন্তু অন্য শহরের তুলনায় মিয়ামির অ্যাপারেল ইন্ডাস্ট্রির ভ্যালু-অ্যাডেড বেড়েছে। আর গত কুড়ি-তিরিশ বছরে লিগাল ইমিগ্রেশনও কিন্তু বেড়েই চলেছে, যদিও ইমিগ্রেশন ব্যারিয়ার আছেই (ভিসা ইত্যাদি)। আর এর ফলে সারা পৃথিবীতে রেমিট্যান্স ভলিউম দ্রুত বাড়ছে, যদিও রেমিট্যান্সের্স ট্রান্সাকশন কস্ট এখনো বেশী, যেটা গ্লোবালইজড মুভমেন্টের আরেকটা ভালো দিক। আইসোলেশানিসমের বদলে চেষ্টা করা উচিত যাতে ব্যারিয়ারগুলো নামানো যায়।

    ২। ফ্রি মুভমেন্ট অফ গুডস তো কখনোই ছিলনা, তার থেকে সরে আসারও প্রশ্ন নেই। তবে গত ৩০-৪০ বছর ধরে নানারকম ট্যারিফ আস্তে আস্তে কমানো হচ্ছে, আর এর ফলে ইন্টারন্যশানাল ফ্লো অফ গুডসও বাড়ছে। মানে ট্যারিফগুলো বা ব্যারিয়ারগুলো থাকলে যতোটা বাড়তো তার থেকে বেশী হারে বাড়ছে। গুডস ফ্লো বাড়লে অ্যাক্রস দ্য ওয়ার্ল্ড নানান ইকনমিক সেক্টরের গ্রোথ হয়। ব্রিটেনের কথা বোধায় ব্রেক্সিট সিনারিওর কথা উল্লেখ করলেন, কিন্তু তার চান্স খুবই কম। আর ব্রেক্সিট হলে UKর জিডিপি অন্তত ২।২% থেকে ৯।৫% পর্য্যন্ত শ্রিংক করতে পারে। আইসোলেশানিসমের ফলে ক্ষতিই বাড়বে, লাভ হবেনা।
  • S | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ১১:২৭700004
  • মুভমেন্ট অব গুডস তো আমার মনে হয় ভালই হচ্ছে। আম্রিগায় তো সবই দেখি চীন থেকেই আসছে। তাছাড়া এতো এতো ট্রেড প্যাক্ট ফ্রি ট্রেড জোন ইত্যাদি হচ্ছে। বিভিন্ন ট্যারিফ ইম্পোর্ট ডিউটি ইত্যাদি আছে বটে। কিন্তু সেতো এখন অনেকটাই কম। ইন্ডিয়ার কথাই ভাবুন। ওগুলো সরালে আরো বাড়তেই পারে। কিন্তু একেবারেই সরবে কী? ওগুলো থেকে যে গভঃ পয়সাও পায়।
  • dc | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ১১:৩৪700005
  • মুভমেন্ট ওফ গুডস আর লেবার দুটোই আগের তুলনায় বাড়ছে। গত ৩০-৪০ বছর তুলনা করলে দেখা যাবে ইনক্রিসিং ট্রেন্ড।

    আর ট্যারিফ আর ডিউটি থেকে সরকারের কিছু আয় হয় তো বটেই। কিন্তু এই ব্যারিয়ারগুলো আস্তে আস্তে কমিয়ে আনলে ওভারল ইকনমির যে গ্রোথ হয় তাতে কমানোর ফলে সরকারের ইনকাম লস পুষিয়ে যায়। ব্যারিয়ার কমালে যে ফ্লো ভলিউম বাড়ে শুধু তাতেই লসটা পুষিয়ে যায়, এছাড়াও টেকনোলজি ট্রান্সফার তো আছেই।
  • S | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ১১:৩৭700006
  • ২০০৩-২০১৩ র মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল গুডস ট্রেড বেড়েছে ৮ থেকে ১৮.৫ ট্রিলিয়ন। অন্যদিকে সার্ভিস বেড়েছে ২ থেকে ৪.৭ ট্রিলিয়ন।

    অতেব ২০০৩ তে টোটাল ট্রেডঃ ১০ ট্রিলিয়ন
    আর ২০১৩ তে টোটাল ট্রেডঃ ২৩.২ ট্রিলিয়ন

    অবশ্যি এই সময়ে নমিনাল জিডিপিও বেড়েছে প্রচুর (৩৮.৬ থেকে ৭৬ ট্রিলিয়ন)।
  • lcm | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ১১:৩৮700007
  • ঠিক। এই যে, ট্রেড ডেফিসিট - এ সব নিয়ে হাহাকার হচ্ছে না, এসব কিসু না, সব মায়া।
    ধরো, (ট্রেড ডেফিসিট = এক্সপোর্ট - ইম্পোর্ট)। তো ইউএসএ-এ তে এক্সপোর্টের থেকে ইম্পোর্ট বেশি। কিন্তু কেন বেশি? কেননা, এখানকার কোম্পানি সব জিনিস অন্য দেশে বানাতে অর্ডার দেয়, সেই জিনিস যখন বানিয়ে আসে ওটা তখন ইম্পোর্টের হিসেবে ঢুকে যায়। তাইলেই বোঝো!
    যদি অন্য দেশ আর না বানায় - কি হবে? কি আর হবে, নিজেরা বানাবে - ফোন থেকে পেরেক। মর্তমান কলা যদি নিকারাগুয়া থেকে না আসে, তখন জেনেটিক্যালি মডিফায়েড কলা তৈরি হবে ওরেগন-এ।
    এ হল অনেক বিশেষজ্ঞর গপ্পো - যে ট্রেড ডেফিসিট নিয়ে এত উতলা হবার কিসু নাই।

    সে না হয় হোলো - কিন্তু এই যে গলা অবধি ঋণ। একটি দেশের আকন্ঠ ঋণ। আগে দেখো তো ঋণ ফেরত না দিলে কি হবে? গ্রিস ঋণ ফেরত না দিলে, তাদের খুব বিপদ। কিন্তু সবার কি তাই?
  • S | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ১১:৪১700008
  • হ্যাঁ বানিজ্য বাড়লে আখেরে লাভই হয় দুপক্ষেরই। এখন সরকারের কাজ হলো যারা এই ধরনের ট্রিটি বা ইম্পোর্ট ডিউটি কমার ফলে ইকনমিকালি ডিসপ্লেসড হয় তাদের পুনর্বাসন বা পুনর্জীবিকাকরণ।
  • dc | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ১১:৪৩700009
  • ডেফিসিট বাজেটিং নিয়ে তো আলাদা চ্যাপ্টারই আছে। এক কথায় ভালো বা খারাপ কোনটাই বলা যায়না, কারন এর মধ্যে বেশ কিছু ম্যাক্রোইকনমিক ফ্যাক্টর জড়িয়ে আছে। তবে এগুলো বোধায় এই টইতে আলোচনার জায়গা না। আপাতত ইলেকশান নিয়ে আলোচনা চলুক, পরে নাহয় বিস্তারিত আলোচনা করা যাবে।
  • S | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ১১:৪৪700010
  • গ্রীসের একটা প্রবলেম ছিলো। কারেন্সির উপরে কোনো কন্ট্রোল ছিলোনা। ফলে ছাপিয়ে যে দিয়ে দেবে তারও কোনো উপায় ছিলোনা। কারণ সেটি করতে পারলে ওদের ইকনমিটাও হয়তো একটু রিভাইভ করতো। সেই প্রবলেমটি আমেরিকা বা জাপানের (ডেট টু জিডিপি ২০০% এর আসে পাসে) নেই।
  • S | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ১১:৪৭700011
  • লসাগুর কথাটা ইম্পর্ট্যান্ট। কারণ এই নয় যে আমেরিকা কোনো কিছু বানাতে পারছেনা (মানে টেকনলজি বা নো হাউ বা রিসোর্স নেই) বলে ইম্পোর্ট করছে। যেটা ইন্ডিয়া করে - অস্ত্র, তেল, ইলেকট্রনিক্স, মেশিন, ইত্যাদি। আমেরিকা এই ম্যাসিভ ইম্পোর্ট করছে নিজেদের স্বার্থে - কস্ট কম রাখার জন্যে।
  • dc | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ১১:৫২700013
  • সবকিছু নিজে বানাতে গেলে তো ইনেফিসিয়েন্সির চূড়ান্ত হবে! শুধু অ্যামেরিকা না, পুরো পৃথিবীর জন্যই ইনএফিসিয়েন্ট হবে।
  • S | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ১২:০০700015
  • হ্যাঁ কম্প্যারেটিভ অ্যাডভান্টেজ।
  • lcm | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ১২:০০700014
  • এগজ্যাক্টলি।
    এই যে ট্রেড ডেফিসিট, বা, আকণ্ঠ ঋণ -- এসব কি আজকের জিনিস। কবে থেকে এই গপ্পো চলে আসছে -- ১৯৯৮ এর কাহিনি শোনো --
    ... America’s annual trade deficit, already large by historical standards, could reach a new record in 1998, fueling protectionist sentiment in Congress....

    আঠারো বছর আগে বলছিল হিস্টোরিক্যাল রেকর্ড - রেকর্ডের পর রেকর্ড ভেঙে চুরমার, এদিকে কিসু হয় না। এমন বেশি দিন নাকি চলবে না, সব ভেঙে পড়বে, কোথায় কি। দশকের পর দশ্ক পরেইয়ে যায়।

    America’s Maligned and Misunderstood Trade Deficit

    http://www.cato.org/publications/trade-policy-analysis/americas-maligned-misunderstood-trade-deficit
  • lcm | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ১২:০৩700016
  • কাটোর আর্টিক্‌ল টায় --
    ... There is no connection between trade deficits and industrial decline. From 1992 and 1997, the U.S. trade deficit almost tripled, while at the same time U.S. industrial production increased by 24 percent and manufacturing output by 27 percent. Trade deficits do not cost jobs...
    ...
    Far from being a drag on economic growth, the U.S. economy has actually grown faster in years in which the trade deficit has been rising than in years in which the deficit has shrunk. ...
  • S | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ১২:২৭700017
  • "Trade deficits do not cost jobs" এইটার ক্ষেত্রে অনেকগুলো অ্যাজাম্পসান আছে। বরন্চ বলা যায় Trade deficits do not necessarily cost jobs।

    আর ডেট টু জিডিপি রেশিও কিন্তু চিন্তার বিষয়। ঐ রেশিও না কমলে সত্যিই চাপ আছে। কারণ সেক্ষেত্রে ইন্টারেস্ট/রেভিনিউ বাড়তে পারে।
  • ঈশান | ০৬ এপ্রিল ২০১৬ ০০:৪৩700018
  • ডলার ছাপিয়ে ঋণশোধ? ওইরকম একটা পন্থা তিরিশের দশকে জার্মানি বলে একটা দেশ নিয়েছিল, তাতে কেলেঙ্কারির একশেষ। শেষমেশ হিটলার ক্ষমতায় এল। :-)

    ডেট টু জিডিপি রেশিও ১০০% ছাড়িয়ে গেলে কারেন্সি ছাপিয়ে তার সলিউশন করা সম্ভব না। রেশিও অনেক কম থাকলে করা যায়। আমেরিকা ডলার ছাপায়, ঠিকই, কিন্তু তার পক্ষেও রেশিওটা খুবই বেশি (এবং এটা বাড়ছে)। ছাপানোর লাইনে তাই কেউ ভাবছেই না। আগে অ্যাপ্রোচটা ছিল আমরা 'টু বিগ টু ফেল', এখন সেটা হয়ে দাঁড়িয়েছে, 'দেবনা কী করবি বল'। সেটা একেবারেই সুস্পষ্ট। ডেট মানে শুধু চিন-জাপানের কাছে ধার না, নিজের দেশের সোশাল সিকিউরিটির কাছেও ধার বিপুল। সেটা ফেরত দেওয়া (এমনকি ডলার ছাপিয়েও) অসম্ভব বলে সোশাল সিকিউরিটি বেনিফিটের বয়স ক্রমশ পিছোচ্ছে, এবং কেউ কেউ এখন তুলে দেবার কথাও বলছেন। টাকা লইয়া ফেরত না দেওয়া কে চৌর্যবৃত্তি বলে কিনা সে ব্যাপারে এঁরা অবশ্য নীরব, কারণ চোরের মায়ের গলা, ক্যাপিটালিজমে সবসময়েই বেশি। :-)

    সব মিলিয়ে আমেরিকার এখনকার অ্যাপ্রোচটা চমৎকার। আমরা ট্রিলিয়ন ডলার খরচা করে যুদ্ধ করব, গাদা পয়সা দিয়ে বেল আউট করব, টাকা দেবে কে? কেন, পাবলিক দেবে। শুধু দেশের পাবলিক না, দুনিয়ার পাবলিক দেবে। আমরা নেব, কিন্তু শোধ করবনা। এর নাম ফ্রি মার্কেট নয়, ফার্স বলা যেতে পারে, বা সোজা বাংলায় দাদাগিরি।

    মজা হল দাদাগিরি একদিক থেকে দীর্ঘদিন চলেনা। রোম সাম্রাজ্যেরও পতন হয়েছিল। কোনোকিছুই 'টু বিগ টু ফেল' না। এরই প্রক্রিয়ায় একদিকে দেশের মধ্যে ট্রাম্প আর বর্নির উত্থান ঘটছে, দেশের বাইরে চিন জাপানের। আমেরিকার মধ্যে কি হচ্ছে সে তো দেখাই যাচ্ছে। কিন্তু চিন-জাপান কী করবে বোঝা যাচ্ছেনা। এখনও পর্যন্ত চোখে ঠুলিটি আছে, যে, 'ওরা তো আমেরিকাতেই মাল বেচে, ধার না দিয়ে যাবে কোথায়'। অতি অবশ্যই চিনের স্বার্থ আছে আমেরিকার বাজারে, সে দুম করে ডলারের দাম কমিয়ে দেবার রিস্ক নেবেনা। রাশিয়ার সঙ্গে মিলে যুদ্ধও বাধাবেনা। সে যেটা করবে, তা হল অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করা, টার্ম ডিকটেট করা। টারিফ, বিশ্ববাণিজ্য এসব ব্যাপারে আর কদিন পরে আমেরিকার কোনো সিদ্ধান্তই আর 'স্বাধীন' থাকা চাপ। এসব তো প্রকাশ্যে আসা মুশকিল, তবে এই পদ্ধতি ইতিমধ্যেই শুরু না হয়ে যাবার কোনো লজিকাল কারণ নেই।

    পুঃ আমেরিকার এক্সপোর্ট স্ট্রাটেজি নিয়ে আর খাপ খুললাম না। তারও কতটা দক্ষতা আর কতটা রাজনৈতিক চাপ, সে নিয়ে প্রবল সন্দেহ আছে।
  • S | ০৬ এপ্রিল ২০১৬ ০১:১৪700019
  • "ডলার ছাপিয়ে ঋণশোধ?"
    অবশ্যই। এই একটা কারণেই তো সব দেশের গভমেন্টের নিজের কারেন্সির লোনে হায়েস্ট রেটিঙ্গ থাকে। মানে ধরে নেওয়া হয় যে যদি অন্য কোনো উপায় না পায় তাহলে লাস্ট রিসর্ট আছে ছাপাখানা। অবশ্যই এর একটা লিমিট আছে। যতক্ষন ইনভেস্টাররা সেই কারেন্সি কিনতে চাইছে।

    জার্মানী অবধি যেতে হবেনা। গত রিশেসনে তো সব দেশই প্রচুর পরিমানে ছাপিয়েছে - লিটারেলি ও এফেক্টিভলি। কোয়ান্টিটেটিভ ইজিঙ্গ মানে মানি সাপ্লাই বাড়ানো যেটা তো এফেক্টিভলি আসলে কারেন্সি ছাপানো।

    আর গ্রীসের প্রবলেমের ক্ষেত্রে বলিঃ ওদের নিজেদের যদি কারেন্সি থাকতো আর ছাপাতে পারতো তাহলে কিছুটা লোন শোধ হতো। তাছাড়া কারেন্সিকে ডিভ্যলু করে এক্সপোর্ট বাড়াতে পারতো। এটা নিয়ে তো অনেক লেখা পত্তরও হয়েছে।

    এটা ঠিক যে আমেরিকার ইনফ্লুয়েন্স কমছে গ্লোবাল ট্রেডেঃ অন্য কারেন্সিগুলোর (ইনক্লুডিঙ্গ গোল্ড, এমনকি বার্টার) ইউজ হচ্ছে। আর ব্রিকস ডেভালাপমেন্ট ব্যান্ক যদি সাকসেসফুল হয়, তাহলে বর্তমান গ্লোবাল হেজেমনি কিছুটা ধাক্কা খাবে।

    বাকি কথাগুলো মতবাদ ঃ)) অতেব ঐ নিয়ে তক্ক হয়না।
  • ঈশান | ০৬ এপ্রিল ২০১৬ ০২:০০700020
  • আমি পরিমানের কথা বলছিলাম আর কি। সে থাক, আপাতত উইসকনসিনে মনোনিবেশ করা যাক। তক্কো আবার পরে হবে। :-)
  • S | ০৬ এপ্রিল ২০১৬ ০২:০৯700021
  • এই দেখুন আমেরিকার মানি প্রিন্টিঙ্গের রিপোর্ট। প্রতি বছরই কিছু দরকার হয় কারণ ফিজিকাল মানির লাইফ স্প্যান থাকে।

    http://www.moneyfactory.gov/resources/productionannual.html
  • S | ০৬ এপ্রিল ২০১৬ ০২:১১700022
  • একটু খোঁজ নিয়ে শুনলাম যে বিগত কয়েক দশকের মধ্যে ভেনেজুয়েলা আর আমেরিকাও (ভিয়েতনামের পরে) ডলার ছাপিয়ে লোন শোধ করেছে।
  • ঈশান | ০৬ এপ্রিল ২০১৬ ০৩:১১700024
  • ফিজিকাল মানির প্রিন্টিং এর মধ্যে কোথা থেকে এল? তার সঙ্গে আমরা যা নিয়ে কথা বলছি, তার কোনো সম্পর্কই নাই। আমরা কথা বলছি সিস্টেমে অতিরিক্ত ডলার ঢোকানো নিয়ে। তাতে ইনফ্লেশন হয় আমরা সবাই জানি। একটু আধটু ইনফ্লেশন সব দেশই ঘটিয়ে থাকে, সে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু জিডিপির সমান বা তার চেয়ে বেশি টাকা সিস্টেমে ঢোকালে কী প্রলয় হবে বলুন তো? আন্দাজে বলছি, আজকে যে টয়োটা গাড়ির দাম ৩০ হাজার ডলার, সে কালকে বেড়ে ৩০০ হাজার ডলার হবে।

    আবার বলছি। টাকা ছাপানো টা সমস্যা নয়, সবাই একটু আধটু ছাপিয়ে থাকে। সামান্য ইনফ্লেশনকে এখন ইকনমির পক্ষে ভালো বলে ধরা হয়। কিন্তু সমস্যাটা পরিমানের। জিডিপির ১০০% টাকা ছাপানো? অ্যাবসার্ড। আর আমি তো জানি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বা ভিয়েতনাম যুদ্ধের টাকা ট্যাক্সো বসিয়ে (দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রথমে ধার পরে ট্যাক্সো) তোলা হয়েছিল। ইনফ্লেশন নিশ্চয়ই ঘটানো হয়েছিল, কিন্তু শোধ করার মেজর সোর্স সেটা না। ভিয়েতনাম ট্যাক্সোর বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিবাদ হয়, এবং নিক্সন 'আর যুদ্ধ করবনা' প্রতিশ্রুতিসহ ক্ষমতায় আসেন। জিডিপির ১০০% টাকা ছাপানো হয়েছে, এবং বিপর্যয় হয়নি, সেটা সম্ভব না। খুব কাছাকাছি উদাহরণ আছে জিম্বাবোয়ের।

    পুঃ ভেনিজুয়েলার টাকা ছাপিয়ে লোন শোধ করাটা বুঝি নাই। ভেনিজুয়েলা কি নিজের কারেন্সিতে লোন নিয়েছিল না বৈদেশিক মুদ্রায়? ইন্টারনাল লোন হলে দেখবেন প্রবল ইনফ্লেশন সঙ্গে ছিল। জিডিপিএ ১০০% কী ছাপা হয়েছিল?
    এ হল নিজের দেশের গপ্পো। আর বৈদেশিক ঋণ হলে ওভাবে শোধ দেবার প্রশ্নই নেই।
  • S | ০৬ এপ্রিল ২০১৬ ০৩:৩৩700025
  • আপনি একটু গুলিয়ে ফেলছেন। টাকা ছাপানোর কথা এসেছে গ্রীসের প্রসঙ্গে - আমেরিকার জন্য নয়। ঐ দেশের যা অবস্থা তাতে নিজেদের হাতে কারেন্সি থাকলে বেঁচে যেতো - এই যাঁতাকলে পড়তে হতো না (অবশ্য নিজেরাই অনেকটা দায়ী পড়ার জন্য)। মানি সাপ্লাই বাড়ালেই কিছু সমস্যার সমাধান করতে পারতো শর্ট টার্মে। সেইজন্যেই বলেছিলাম লাস্ট রিসর্ট।

    হ্যাঁ আমি সিস্টেমে অতিরিক্ত ডলার ঢোকানোর কথাই বলছি। আমেরিকাতে ২০০৫-২০১৫ র মধ্যে প্রায় 1.2 ট্রিলিয়ন ছাপা হয়েছে, সব নিস্চই ফিজিকাল মানি খারাপ হয়ে গেছে তার জন্যে নয়। তাহলে বেশ বড় পরিমাণ ডলারই ঢোকানো হয়েছে সিস্টেমে। এছাড়াও অন্য উপায়ও আছে। অতেব যেখানে আমেরিকা করতে পারছে সেখানে গ্রীসের যা অবস্থা ছিলো তাতে এমন কি খারাপ হতো। ডেট মনিতাইজিঙ্গ তো অনেক সময়ই করা হয়।

    জিডিপির ১০০% টাকা ছাপাবে কেন? সব লোন শোধ দেবেই বা কেন? ডেট টু জিডিপি রেসিও কমাতে শুরু করলেই হয়।

    এক্সপেক্টেশনের থেকে বেশি টাকা ছাপালে ইনফ্লেশন তো হবেই। কিন্তু এইবারে তো মানি সাপ্লাই বাড়িয়েও ইনফ্লেশন ধরে রাখা গেছে। তার অবশ্য অন্য কারণও আছে - সবাই মানি সাপ্লাই বাড়িয়েছিলো। গ্রীসের ইনফ্লেশন রেট কম ছিলো, মাঝে মাঝে ডিফ্লেশনেও গেছে। অতেব মানি সাপ্লাই বাড়ালেই একদম সব শেষ হয়ে যেতো তা নয়। ফলে নিজের কারেন্সি থাকলে অনেক মেটার মনিটারি পলিসি (র‌্যাদার ইন্জিনিয়ারিং - কারণ বেহিসাবি খরচের আসল প্রবলেম থেকেই যায়) নিতে পারতো। ডিভ্যালু করলে এক্সপোর্ট টুরিজম সেক্টরে ভালো করতো।
  • S | ০৬ এপ্রিল ২০১৬ ০৩:৩৯700026
  • ফরেন কারেন্সিতে লোন নিলে তো আর কেউ চাপতে পারবে না। তাই হায়েস্ট রেটিঙ্গও পায়্না। মানে ইন্ডিয়ান গভ যখন রুপিতে লোন নেয় তখন রেটিঙ্গ পায় AAA আর ফরেন কারেন্সিতে লোন নিলে BBB-। মাঝখানে ৯ টি ধাপ। কারণ ঐ ছাপাখানা।
  • S | ০৬ এপ্রিল ২০১৬ ০৩:৪২700027
  • Ishan | ০৬ এপ্রিল ২০১৬ ০৬:১৯700028
  • গুলোলাম কোথায়? প্রথম থেকেই তো ' স্রেফ ডলার ছাপিয়ে এই ক্রাইসিস সমলানো সম্ভব নয়' বলছি। ইনফ্লেশনের রেকমেন্ডেড রেট মনে হয় ২% মতো। সেটার ধারেকাছে থেকে যত যা ছাপানো যায় সে তো হয়েইছে। তাতে ডেট/জিডিপি রেশিও বেড়েছে, কমেনি। ওই অপশনটা তাই খতম।

    অন্যান্য অপশনের n সংখ্যক কম্বিনেশনের মধ্যে কটা স্পষ্ট ধারা দেখা যাচ্ছে।

    ১। সরকার ছোটো করুন, বাজে খরচ কমান। সোশাল সিকিউরিটি ইত্যাদি সরকারি হাবিজাবি কে এক ধাক্কায় অথবা ধীরে ধীরে কমিয়ে ফেলুন। (ডান দিকের লোকেরা, পড়ুন রিপাব্লিকানরা, নানা ফর্মে এটা বলে চলেছেন)।

    ২। সবার উপরে ট্যাক্সো বসান (কেউ বলছেন না, কিন্তু ইতিপূর্বে হয়েছে)।

    ৩। ওয়াল স্ট্রিটে ট্যাক্সো বসান, টপ ১% এর উপর ট্যাক্সো বসান। সঙ্গে ট্রেড ব্যারিয়ার (কোনো এক ফর্মে)। সোশাল স্পেন্ডিং কমাবেন না। (বার্নি বলছেন)।

    সবার বক্তব্যই পরিষ্কার। হিলারি ছাড়া। তিনি কী বলছেন আমি জানিনা। মানে একেবারেই ক্লিয়ার না।
  • S | ০৬ এপ্রিল ২০১৬ ০৭:২১700029
  • আমি কিন্তু ছাপাখানার কথা তুলেছিলাম গ্রীসের প্রসঙ্গে। ওরা বেচারা কিছুই ছাপতে পারলোনা। আর সেক্ষেত্রে ডেট/জিডিপি রেশিও নাও বাড়তে পারতো। আমেরিকার কেসটা আলাদা।

    হিলারি কেন, চেপে ধরলে অনেকেই কিছুই বলতে পারবেনা। বার্ণী নাকি ছড়িয়েছে রিসেন্ট একটা ইন্টারভিউতে। ট্রাম্প আর ক্রুজের কথা নাহয় নাই বললাম।
  • dc | ০৬ এপ্রিল ২০১৬ ০৮:৩২700030
  • টাকা ইনজেকশানের আরেকটা কারন আবার ডিফ্লেশান অ্যাভয়েড করা। জানেন নিশ্চয়ই, টি বিলের রেট ক্রমাগত পড়েই চলেছে। তাই সেন্ট্রাল ব্যাংক টাকা ছাপলে যে হাইপারইনফ্লেশান হবেই তা নয়, বিশেষ করে গত দশকের বেশীরভাগটায় যখন বেশ কিছু সেন্ট্রাল ব্যাংক টাকা ছাপিয়েছে। তবে এর মধ্যে বেশ কয়েকটা ম্যাক্রো ইন্ডিকেটার জড়িয়ে আছে, তার মধ্যে কয়েকটা আবার কনফ্লিকটিং। এই আলোচনাটা খুবই ইন্টারেস্টিং, আর ঈশান, S, lcm যে পয়েন্টগুলো বলেছেন সবকটাই কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভ্যালিড। যদিও ঈশান যতোটা উদ্বিগ্ন যে কারেন্ট ওয়ার্ল্ড অর্ডার ক্র্যাশ করতে পারে, অতোটা খারাপ পরিস্থিতি শর্ট টু মিডিয়াম রানে না বলেই মনে হয়। আর গ্লোবাল মুভমেন্ট অফ লেবার অ্যান্ড গুডসও অন্ততপক্ষে মিডিয়াম রানে থেমে যাবেনা বলেই মনে হয়, কারন ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ভলিউম কমলে সবার ক্ষতি। অ্যামেরিকার নেগোশিয়েশন পাওয়ার অবশ্য কমতেই পারে, কিন্তু তাতে তো উদ্বিগ্ন হওয়ার কোন কারন দেখিনা আর সেটা কোন খারাপ ডেভেলপমেন্ট বলেও মনে হয়না।
  • cb | ০৬ এপ্রিল ২০১৬ ১৬:৩১700031
  • কিন্তু যাই হোক না কেন, ডেমোক্র্যাটরা তো হই হই করেই জিতবে, সে যেই নমিনেশন পাক!!!

    এইরকমই তো প্রতীয়মান হচ্ছে
  • ঈশান | ০৬ এপ্রিল ২০১৬ ২০:২৪700032
  • কই ছড়ায়নি তো। নিউ ইয়র্ক টাইমসে বিশদে লিখেছে তো। http://www.nytimes.com/2016/04/07/upshot/yes-bernie-sanders-knows-something-about-breaking-up-banks.html?_r=0

    বার্নিকে এখনও পর্যন্ত ইজরায়েল ইসু ছাড়া কিছুতেই নড়বড়ে লাগেনি। বরং বার্নি ছড়িয়েছেন, এটা কোনো কোনো ক্যাম্প থেকে ছড়ানো হচ্ছে। :-)

    বিটিডাব্লু। উইসকনসিনে বার্নি জিতলেন। ১৩% এগিয়ে থেকে। পরপর ৮টার মধ্যে ৭ টা জয়। হোয়ামিং এ পরের ককাস। সেটাও বার্নিরই হবে প্রত্যাশিত। তবে এ ছোটো স্টেট। আসল খেলা নিউইয়র্ক ইত্যাদিতে।
  • Arpan | ০৬ এপ্রিল ২০১৬ ২১:০৯700033
  • নিউ ইয়র্ক, পেন্সিলভ্যানিয়া আর ক্যালিফোর্নিয়া এই তিনটে বোধহ বড় প্রাইমারি। ক্যালিফোর্নিয়ায় কি বার্নিবাবু জিতবেন? অন্যভাবে বলতে গেলে রেসিয়ালি ডাইভার্স পপুলেশন অধ্যুষিত এরিয়ায় কি বার্নিবাবুর ব্যথা আছে? (এদিক ওদিক তাই পড়ছি)
  • dc | ০৬ এপ্রিল ২০১৬ ২১:১৩700035
  • হ্যাঁ এই প্রশ্নটা আমারো মনে, যে শুধু সাদারা স্যান্ডার্সকে সাপোর্ট করছে কেন? স্যান্ডার্সের সাপোর্ট বেস সাদাদের মধ্যে সীমিত কেন? অবশ্য অ্যামেরিকার ইলেকশান নিয়ে আমার তেমন ইন্টারেস্ট নেই, তাই সেরকম কাউকে এটা জিগ্যেসও করিনি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত মতামত দিন