এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Kaju | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৭:৪৫270690
  • কেন করবে না, দিব্যি সব রান্না হচ্চে। পটাটো পটিয়সী বলে আলুর ওপর মশলার বাড়াবাড়ি টাইপ রান্না হল। তার পরদিন হল মিস ডিমেটম। ভালোই।
  • pi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৭:৪৪270688
  • নাঃ, NIH এ করা যায়না। এর জন্য অনেককে বহুদিন অপেক্ষা করতে হয়েছে, সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে যাবার পরেও। আমাদের তো তাও তাড়াতাড়ি ই থিসিস রিপোর্ট চলে আসতো, আগে আরো দেরি হত। এর জন্য এক সিনিয়রকে প্রায় দেড় বছর অপেক্ষা করতে হয়েছিল, জয়েন করতে পারেনি। আমি যখন পিএইচডি শুরু করি, সে তখন ওখানেই পোস্ট ডক করছে, সার্টিফিকেট পায়নি বলে তখনও NIH এ জয়েন করতে পারেনি। আমাকেও কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হয়েছিল।
  • Kaju | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৭:৪৪270689
  • যেদিন যেটা নিয়ে লোকে পড়ে
    কে বলছে সেটাই ম্যাটার করে
  • de | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৭:৪৩270687
  • মিঠুন্দা আর রান্না কচ্চে না? অনেকদিন কোন আপডেট নেই!
  • a x | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৭:৩৮270686
  • তিনজন না পাঁচজনের সই।
  • a x | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৭:৩৭270685
  • হ্যাঁ আমিও তো তিনদিন পরে তাই করেছি, ঐ কমিটি মিটিংএর তিনজনের সই করা কাগজ শুধু ছিল। এখানে অনেকেই তো ডিসার্টেশন ডিফেন্সের কদিনের মধ্যেই পোস্ট ডক শুরু করে। সরকারি জায়গাতেও করে, তখন সার্টিফিকেট কোথায়, মাস খানেক বাদে, বা সেমিস্টারের ডেডলাইন চলে গেলে পরের সেমিস্টারে কনভোকেশনে বা বাড়ির ঠিকনায় আসে।
  • শ্রী সদা | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৭:৩০270684
  • এয়ারপোর্ট থেকে গুটিগুটি পায়ে বেরিয়ে দেখি প্রিপেড ট্যাক্সির লাইন ফাঁকা। দুজন গাড়িওয়ালা যেচে এসে জানতে চাইলো কোথায় যাব। কেষ্টপুর একজন চারশো আর একজন সাড়ে তিনশো বলার পর সোজা হাঁটা লাগালাম ভলভো যেখানে দাঁড়ায় সেদিকে।
    বাসের জন্যে দাঁড়িয়ে আছি, পাশে একটা পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের গাড়ি থেকে একজন পুলিশের পোষাক পরা ভদ্রলোক নেমে এসে বললেন কোথায় যাবেন ? কেষ্টপুর শুনে বললেন - উঠে পড়ুন, আজকে ফ্রী সার্ভিস দিচ্ছে। আমাকে আর একটা ফ্যামিলিকে ফ্রীতে কেষ্টপুরে নামিয়ে দিল, আরো কয়েকজন ছিল তারা হাওড়া যাবে।
    পুলিশের জয় হোক।
  • স্বর্ণেন্দু | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৭:২৮270683
  • আমরা অনেকেই জানি আগামী ২০ তারিখ (শনিবার) রাষ্ট্রীয় স্বয়ম সেবক সঙ্ঘের ‘সরসঙ্ঘচালক’ মোহন ভাগবত কলকাতায় আসছেন। কলকাতার বিভিন্ন অঞ্চলে পোস্টার পরেছে “আমরা সবাই হিন্দু”। গত কয়েক বছর ধরেই এ রাজ্যে দ্রুতগতিতে নিজের শাখা বিস্তার করছে হিন্দু ফ্যাসিবাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ম সেবক সঙ্ঘ। কেন্দ্রে মোদী সরকার আসার পর ও রাজ্য সরকারের নানা অপদার্থতায় ইদানিং কালে সে গতির পালে আরও বেশি হাওয়া দিতে উঠে পড়ে লেগেছে তারা। সারাদেশ জুড়েই রাষ্ট্রীয় স্বয়ম সেবক সঙ্ঘের প্রত্যক্ষ মদতে চলছে সাম্প্রদায়িক উস্কানি ও দাঙ্গা। চলছে ভিন্ন ধর্মের মানুষের জোর করে ধর্মান্তকরণ, চার্চ অথবা মসজিদে হামলা। নানান নিষেধাজ্ঞা জারি হচ্ছে পুরুষ-নারীর প্রেম অথবা ব্যক্তিগত জীবনযাপনে। ধর্মীয় অন্ধতা এবং পশ্চাৎপদ মানসিকতা জোর করে চাপানোর চেষ্টা চলছে ভারতবর্ষের প্রতিটি মানুষের উপর।

    এরই পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় স্বয়ম সেবক সঙ্ঘের আরেক সদস্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে চলছে, শ্রমিক, কৃষক সহ সাধারণ খেটে খাওয়া, মানুষের জীবন জীবিকার উপর একের পর এক হামলা। ১০০ দিনের কাজের যেটুকু সুবিধা ভারতবর্ষের দরিদ্র মানুষ পেতেন, তা সীমাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে ২০০ টি জেলায়। শ্রম আইনের নির্লজ্জ পরিবর্তন ঘটানো হয়েছে পুঁজিপতিদের স্বার্থে। সরকারি মদতে কৃষিক্ষেত্রেও বহুজাতিকের আগ্রাসন অব্যাহত। ক্যান্সার সহ বেশকিছু জীবনদায়ী ওষুধের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কিভাবে বাড়ছে সেটা আমরা প্রত্যেকেই টের পাচ্ছি। এককথায় ভারতবর্ষকে আরও আরও কর্পোরেট ও বহুজাতিকদের লুঠের ক্ষেত্র হিসাবে উন্মুক্ত করে দেওয়ার পাশাপাশি শুষে ছিবড়ে করে দেওয়া হচ্ছে সাধারণ মানুষের জীবন।

    এই হামলাগুলোর বিরুদ্ধে মেহনতি আমজনতার সংগঠিত হওয়াকে রুখতেই চলছে মানুষের মধ্যে চলছে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন। তাই সবাইকে ‘হিন্দু’ হবার আহ্বান। নিজেদের মধ্যে পক্ষ ভাগ করে লড়িয়ে দিয়ে রামরাজ্যের হাওয়া খাচ্ছে কেউ কেউ। একদিকে বিজেপি অন্যদিকে সঙ্ঘ পরিবার--ফ্যাসিবাদের ‘দুই পা’-এ খেলার কৌশলের অংশ হিসেবেই মোহন ভাগবতের কলকাতায় আগমন। সম্প্রতি বর্ধমানের খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কাণ্ডের পর থেকে আমাদের রাজ্যে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজনকে লক্ষ্য শুরু হয়েছে সুপরিকল্পিত ঘৃণা প্রচার। যাতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ম সেবক সঙ্ঘ সহ বিজেপির মদত স্পষ্ট।

    কংগ্রেস, তৃনমূল কংগ্রেস বা সিপিআই-সিপিএম ভোটের স্বার্থে কখনো এরা সাম্প্রদায়িকতাকে উস্কেছে কখনো প্রত্যক্ষ মদত দিয়েছে। ফলে বিজেপি-সঙ্ঘ পরিবারের বিরুদ্ধে এরা যতই গলা ফাটাক, তা মূলত প্রহসন ও আগামী নির্বাচনের দিকে তাকিয়েই। তাই শোষিত, নিপীড়িত মানুষের উপর নেমে আসা হামলা ও তাকে আড়াল করতে এই বিভাজনের রাজনীতিকে রুখতে হবে আমাদেরই। জাত ধর্মের মেকি পরিচয় নয়, এই ব্যবস্থায় মানুষের প্রকৃত পরিচয় সে একজন শোষিত মানুষ। ফলে শোষিত মানুষের শ্রেণী ঐক্যের অভিমুখে তৈরি হওয়া আন্দোলনই পারবে এই ফ্যাসিবাদীদের রুখতে। তাই ডান-‘বাম’ কোন জোটের বদলে আমাদের আস্থা থাক আন্দোলনের উপর দাঁড়িয়ে তৈরি হওয়া সংগ্রামী ঐক্যের উপর। তাই আসুন ওইদিন একটা বার্তা আমরাও পৌঁছে দি যে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ অত সহজে জায়গা ছাড়বে না বাবরি মসজিদ ধ্বংসকারীদের, গুজরাত গণহত্যার কাণ্ডারিদের। কিছুদিন আগেই আন্দলনে উত্তাল হয়েছিল কলকাতার রাজপথ। কলরবমুখর ছাত্র-ছাত্রীদের লড়াইয়ের স্পৃহা শাসকের বুকে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছিল। সেই রেশ এখনও চলছে। কলরব হোক এই ফ্যাসিবাদী নেতার কলকাতায় আগমনের বিরুদ্ধেও। আবার রাস্তার দখল নি আমরা। শেষ অবধি যুঝে যাওয়ার শপথ হোক ২০ শে ডিসেম্বর। যা ঘটনা চক্রে মহামিছিলেরও তিন মাস।

    ২০ ডিসেম্বর
    জমা হন - কলেজ স্কোয়ার
    সময় - দুপুর ১ টা

    https://www.facebook.com/events/862618777122576/?ref_newsfeed_story_type=regular
  • quark | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৭:২৪270682
  • থিসিস সাবমিট করার ১০ দিনের মাথায় পোস্তো বাটা শুরু করি। শুধু থিসিস সাবমিশন সার্টিফিকেট নিয়ে গিয়েছিলাম।
  • pi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৭:১৯270681
  • আম্রিগার জন্যও পিএইচডি সার্টিফিকেট লেগেছিল। যদ্দুর মনে পড়ে আগেরগুলোও। সেটাও হয়তো সরকারি বলে।
  • সিকি | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৭:১৬270679
  • অক্ষদা, সিকিনী সিইউ। এক বছরের মাথাতেই সাট্টিফিকেট পেয়ে গেছিল। ১৯৯৮ গ্র্যাড।
  • সিকি | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৭:১৬270680
  • আমি এতবার দোকান পাল্টালাম, এতবার বিদেশ গেলাম, প্রতিপদে গ্র্যাড আর পোস্ট গ্র্যাড সাট্টিফিকেট লেগেছে।
  • de | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৭:১১270678
  • আমার গ্রাজুয়েশনের সার্টিফিকেট এখনো কলেজেই আছে - তুলতে যাবা হয়নি!
  • a x | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৭:১০270677
  • সি ইউ তে কনভোকেশন বোধহয় গোটা দশেক বছর লেটে চলে। আজ পাশ করলে ২০২৪-এ হয়ত নাম ডাকবে।
  • d | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৭:০৮270676
  • আমাদের সময় বোধহয় কনভোকেশান উঠে গেছিল। আমার মায়ের কি সুন্দর ছপি আছে কালো ড্রেস টুপি পরে, আমাদের সময় সেসবের কথা তো শুনি নি।

    আমি কলেজ থেকে দশ বছর বাদে সংগ্রহ করেছিলাম। সেটা আবার পুজোর ছুটির জন্য কলেজ বন্ধ হবার দিন। করণিকমশাই ক্কি ভীষণ রেগে গেছিলেন ওটা দিতে।
  • Tim | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৭:০৭270675
  • আমার দেশজ পিজির সাট্টিপিটি এখনও তোলা হয়নি। পিহেইচডির টা এখানে চেয়েছিলো। ইউএস হলে মনে হয় তাও চাইতো না।
  • pi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৭:০৬270674
  • সরকারি অনেক জায়গাতেই শুধু অ্যাপ্লাই করতে গেলেও সব ডিগ্রি সার্টিফিকেট লাগে।
  • a x | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৭:০৪270673
  • পিএইচডি ছাড়া আমার কোনো সার্টিফিকেট নেই, কোথাও কোনোদিনও কোনো কনভোকেশনে যাইনি। পিএইচডির সার্টিফিকেটও কেউ দেখতে চায়নি এখনও অবধি।

    এসবের থেকেও বড় কথা হল রাজ্যপালের এগুলো বলার কোনো লিগাল প্রিমিস আছে কি আদৌ? হঠাৎ করে একটা স্ট্যাম্প লাগিয়ে দাও হুকুম জারি করে দিলেই হল নাকি?
  • d | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৬:৫৯270672
  • বেলজিয়ামের ওয়ার্ক পারমিট প্রসেস করানোর সময় আমার গ্র্যাজুয়েশানের সাট্টিফিট্টি নিয়ে মিনিস্ট্রি অব এক্স্টার্নাল অ্যাফেয়ার্স নেড়েচেড়ে দেখেছিল। ছাপ্পা ম্রেছিল বোধহয়, বাড়ী গিয়ে দেখতে হবে।
  • sch | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৬:৫১270670
  • এ দেশে মোটামুটী যত ইন্টেরনাশন্যাল ফান্ডেড ইঞ্জিনিয়ারিং প্রজেক্ট হয়, সেখানে যে কোনো সময় ক্লায়েন্ট /ফান্দিং এজেন্সি কন্ট্রাকটার বা কন্সয়ালটান্তদের সার্টিফিকেট দেখতে চাইতে পারে - এটা বলাই থাকে। যদি কারো সার্টিফিকেট না থাকে তাকে চাইলে বের করে দিতে পারে - আমার পরিচিত একজন সার্টিফিকেট হারিয়ে ফেলেছিলেন - মার্ক্সিট ছিল - এক্সেপ্ট করে নি। একদিনের মধ্যে রিপ্লেস করে দিয়েছে
  • Kaju | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৬:৫১270671
  • শিল্প আর শিল্পী এক একটা উদাহরণে মাইল মাইল দূরে সরে যাচ্ছে !
  • Kaju | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৬:৫০270669
  • আপনারা অনুপ ঘোষালের কেসটা পড়েছেন? কিছু বলছেন না তো ! তাজ্জব হয়ে গেলাম সবারই কি ভিমরতি ধরেছে সঙ্গদোষে? হীরক রাজাকে এত গান শুনিয়ে সেই লোক কিনা স্বজনপোষণে অভিযুক্ত?
  • de | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৬:৪৪270668
  • কলকাতা ইউনিভার্সিটির সমস্ত ডিগ্রী সার্টিফিকেট বেশ অনেক পরে আসে/আসতো। তার আগেই তো মার্কশীট দেখেই সমস্ত অ্যাপয়েন্টমেন্ট সারা হয়ে যেতো। আমার কোন চাগ্রী বা কোন কিছুতেই সার্টিফিকেট আলাদা করে দেখতে চায়নি। পোস্ট ডকের সময় অবশ্য পি এইচডির সার্টিফিকেট দেখাতে হয় - সেখানে তো আর মার্কশীট নেই।
  • pi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৬:৩৮270667
  • ডিগ্রি সার্টিফিকেট লাগেনা ? সরকারি জায়গায় তো ভরপুর লাগে। মাস্ট বলেই দেখেছি, অন্তত আমাদের ফিল্ডে।
  • Abhyu | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৬:৩২270666
  • ভালো খবর
  • de | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৬:৩১270665
  • আমি নিকোলাসের নাম শুনলাম কন্যার কাছ থেকে - এখানে অনেকেই হয়তো জানে - তাও কুচোকাচাদের জন্য শেয়ার করলাম ভিডিও দুটো -


  • de | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৬:২২270664
  • বাঃ! খুব ভালো খবর -
  • Kaju | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৬:২১270663
  • একটা আনন্দের খবর দিই।

    আমার একজন কোলিগের মেয়ে শ্রেয়সী চ্যাটার্জি, সামনের বছর মাধ্যমিক দেবে, Igenius Young Singing Star প্রতিযোগিতায় সেকেন্ড হয়েছে, বলিউডের মিউজিক ডিরেক্টর সালিম মার্চেন্টের ট্রেনিঙে ছিল ও। এই দেখেন সেই অ্যাওয়ার্ডের ছবি -



    টিভিতে দেখাবে কিনা জানি না, তবে Igenius-এর সাইটে পুরো গ্র্যান্ড ফিনালেটা আপলোডিত হবে কদিনের মধ্যে। এই হল লিং -

    http://www.igenius.org


    আবার সালিম-সুলেমানের কম্পোজিশনে একটা সিঙ্গল অ্যালবামের রেকর্ডিং-ও আছে মাস কয়েকের মধ্যেই। ক' বছরের মধ্যেই হয়ত ওর নাম বলিউডে প্লেব্যাক সিঙ্গার হিসেবে।
  • Abhyu | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৬:০৫270662
  • গাঁজা খাওয়ার থেকে গাঁজাউত্তর-আচরণের গল্প শোনা বেশি ইন্টারেস্টিং।
  • Tim | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৫:৫৬270661
  • খাদ্য-পানীয়জনিত ফিজিকাল ক্ষতির জন্য বাঙালীর গাঁজার ওপর নির্ভর করার দরকার নেই। এমনি ডায়েটেই এমন সব জিনিস আছে গাঁজার বাবা। ;-)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত