এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aranya | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ২০:৩৬274320
  • একটাই দুঃখ, বেটিং বা ম্যাচ ফিক্সিং-এর মত অপরাধ গুলোর ক্ষেত্রে ভারতে বোধহয় কোন আইন নেই, যাতে অপরাধীদের জেলে পাঠান যায়
  • aranya | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ২০:৩২274319
  • শ্রী নি বোল্ড, বড়ই আনন্দ হইল। বিচারের বাণী শুধু নীরবে, নিভৃতে কাঁদে না, কখনও জিতেও যায়
  • k | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৮:২৬274318
  • ইয়ে, মিঠুদি,
    দিন পনেরোর মধ্যে কি কেউ আমেরিকা থেকে এদিকপানে আসছে? (ওবামা ছাড়া)
  • সিংগল k | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৮:২৫274317
  • একবার দল বেঁধে আমরা বাইকে করে গোপালপুর যাচ্ছি। বুড়োদের মধ্যে আমি আর আমার স্কুলের বন্ধু জয়ন্ত। বাকি সব চাঙ্গা জোয়ান। দলে আরো দুটো ছেলে আছে আমাদেরি স্কুলের, আমারা উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে বেরিয়ে যাবার পর তাদের জন্ম। :)
    শীতকাল, তাই বেলা ছোটো। পুরী ঢুকতে ঢুকতে আমাদের সাড়ে ছটা বেজে গেল। বেশ অন্ধকার হয়ে এসেছে চারিধার। পুরীতে ঢোকার মুখে একটা ওয়েলকাম টু পুরী লেখা সাদাগোছের তোরন বানিয়েছে দেখেছেন? ঠিক সেইটে পার করে আমাদের দল কোমর ছাড়ানোর জন্য বাইক দাঁড় করালো। চারিদিক অন্ধকার হয়ে এসেছে, যারা চা-সিগু খায় তারা তাই খাচ্ছে, আর আমরা চার অসমবয়সী স্কুলের বন্ধু দাঁড়িয়ে হ্যা হ্যা করছি। রাস্তার উল্টোদিকে একটা মারুতি ওমনি পিকাপ ভ্যান দাঁড়িয়েছিল। সাদা বলে অন্ধকারেও বেশ ভাল দেখা যাচ্ছিল। আমি বাইকে ঠেসান দিয়ে রাস্তার দিকে মুখ করে দাঁড়িয়েছি। আর বাকি তিনজন রাস্তার দিকে পেছন করে আমার দিকে মুখ করে কথা বলছে। বাকিরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এদিক সেদিক। এক রোগামত ওড়িয়া সাইকেল ঠেলতে ঠেলতে মারুতিটার গা ঘেঁষে যাচ্ছিল। মারুতিটা ছিল বলে তার পক্ষে আর এর চেয়ে বেশী বাঁ দিক চেপে যাওয়া সম্ভব ছিল না।
    হঠাত্ একটা বিকট শব্দ। আমি দেখলাম আমার চোখের সামনে দিয়ে একটা মোটোর সাইকেল (স্প্লেন্ডর) প্রায় এক মানুষ সমান উঁচু দিয়ে ঘুরপাক খেতে খেতে আমার বাঁ হাতের দিকে রাস্তার ধার ঘেঁষে আরও বিকট আওয়াজ করে পড়ল। ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে রাস্তার দিকে তাকাতেই পেছন থেকে আসা অন্য গাড়ীর হেডলাইটের আলোয় দেখলাম হোঁত্কা মতো একটা লোক ধুরূশ করে আকাশ থেকে রাস্তার ঠিক মাঝখানটায় পড়ল। আমার সামনের তিন বন্ধু চমকে সরে গিয়ে মাথা ঘোরাতেই সেই ফাঁক দিয়ে সাদা একটা হেলমেট আমার পায়ের কাছে পড়ে গড়াতে গড়াতে নয়ানজুলির দিকে চলে গেল। সঙ্গে সেই সাইকেলওলা উড়িয়ার পরিত্রাহি চিত্কার। বুঝলাম এক্সিডেন্ট হয়েছে।

    এক্সিডেন্ট হয়েছে- ভাল কথা, এরকম তো কতই হয়। কিন্তু লজ্জার কথা কি জানেন, আমার প্রথমেই হাত চলে গেল আমার পকেটের মোবাইলের দিকে। মনে হল ছবি রাখা ভীষন দরকার, পুলিশের লাগতে পারে, ইনশিওরেন্সের লাগতে পারে। কিন্তু পরমুহুর্তেই মনে হল এ আমি কী করছি!! ছি ছি ছুটে না গিয়ে পকেটে ফোন চেপে ধরেছি ছবি তুলব বলে? ফোন ছেড়ে লোকটার দিকে ছুটে গেলাম, মনকে সান্ত্বনা দিলাম যে ছবি তুললে লোকটার উপকারের চেয়ে অপকার হত বেশী। কারন হেলমেটের স্ট্র্যাপ ঠিক করে বাঁধে নি ব্যাটা। আমার বাকি বন্ধুরা ততক্ষনে চারদিক থেকে ধরে লোকটাকে রাস্তা থেকে সরাবার চেষ্টা করছে। আমিও তাই করতাম, কিন্তু আটকে গেলাম, আমার পায়ের তলায় লোকটার মোবাইলটা পড়ল বলে। লোকটাকে সরানোর অনেক লোক, আমি মোবাইলটা কুড়োতে ব্যাস্ত হলাম। সস্তা নোকিয়ার মোবাইল, পেছনের ঢাকনিটা খুলে ছিটকে গেছে, ব্যাটারীটাও নেই, সেটাও ছিটকে গেছে। অন্ধকার রাস্তায় হাল্কা ভীড়ের মধ্যে সেটা খোঁজা অর্থহীন। ভোম্বলের মত ফোন আর কভার হাতে নিয়ে দেখলাম আমার বন্ধুরা লোকটাকে চ্যাংদোলা করে রাস্তার ধারে সরাচ্ছে, কিন্তু লোকটার শরীর রবারের মত হয়ে গেছে। ল্যাতপ্যাত করছে। মনে হল ইশ্ এভাবে সরালে তো লোকটার যে কটা হাড় জায়গায় ছিল সেগুলোও সরে যাবে। ঘুরে একবার বাইকের দিকে তাকালাম, শ্যাডল ব্যাগের ওপরদিকেই চাদরটা ছিল, লোকটাকে চাদরে তুলে সরালে হত না! একবার কি মায়া হল? ঠিক বুঝতে পারলাম না কি করা উচিত। আবার লোকটার দিকে তাকালাম ততক্ষনে টেনে হিঁচড়ে তাকে রাস্তার পাশে সরিয়ে ফেলেছে। নিজের মনেই সান্ত্বনা পেলাম, যাক্ আমার চাদরটা আর দরকার নেই।
    এবার ঘাড় ঘুরিয়ে পেছনে তাকিয়ে দেখি হোঁত্কা লোকটা একা ছিল না, পিলিয়নে যে বসেছিল তার মাথায় হেলমেট ছিল না। সেও রাস্তার মাঝে পড় আছে। কান দিয়ে রক্ত বেরিয়ে রাস্তার মাঝখানে জমা হচ্ছে, তাই দেখেই বোধহয় কেউ এগিয়ে আসে নি তাকে সরাতে। আমাদের টীমেরই বাকিরা তাকেও সরাল।
    এইবারে ঘটল আসল ব্যাপারটা মারুতিটার খানিকটা পেছনে দাঁড়িয়েছিল একটা টয়োটা ইনোভা। সেটা থেকে গোটা চারেক ভীষন ইয়ং মেয়ে ছুটে এল। এসেই পুরো ব্যাপারটার দখল নিয়ে নিল। এমনভাবে নিল যে কি বলব। আমাদের দলের সেই মাধ্যমিকের পর জন্মানো, ঝাঁ চকচকে স্টীলের নীগার্ড পরা হীম্যান ইমেজের ছোকরারা পর্যন্ত ভয়ে ভয়ে পেছিয়ে এল। আমাদের টীমের লীডার ছিলেন এক ডাক্তার, প্রথমে তিনি একটু খাপ খুললেও, ব্যাপার স্যাপার দেখে তিনিও পেছিয়ে এলেন। আমার দিকে করুন মুখ করে বললেন "দাদা, আমাদের এখানে আর সত্যিই করার কিছু নেই, ভীড় না বাড়িয়ে আমরা রওয়ানা দিয়ে দিই চলুন"
    হাতে হোঁত্কা লোকটার ফোনটা নিয়ে আরেকপ্রস্থ দ্বিধায় পড়ে গেলাম। ডাক্তার কি তাঁর সামাজিক দায়িত্ব এড়াচ্ছেন? নাকি সত্যি কথাই বলছেন - যে কোন ভাবেই আমাদের আর কিছুই করার নেই। দেখলাম যে রাসভারী এক স্যুটেড বুটেড ভ্দ্রলোক পুলিশকে ফোন করছেন। আমি তাঁর হাতেই লোকটার মোবাইলটা বুঝিয়ে দিয়ে টীম লিডারের আদেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করলাম। আমরা তিনশ মিটার এগোতেই দেখলাম হুটার বাজিয়ে বিরাট এম্বুলেন্স ছুটছে।
    ছোটবড় বেশ কিছু একসিডেন্টের তো আমরা সবাই সাক্ষী আছি তাই না? অনেকগুলোর তো নিজে ভুক্তভোগীও। কিন্তু এটার কথাই কেন যেন সবার আগে মনে পড়ল। কারন এত কম সময়ের মধ্যে নিজেকে এতবার এত স্বার্থপর অন্য কোন এক্সিডেন্টেই মনে হয় নি।
    পরে কি হয়েছিল সেটা খোঁজ নিয়েছিলাম কিনা জানতে চাইবেন নিশ্চয়ই। হোঁত্কা মত লোকটার তো মুখ দিয়ে দিশি মদের গন্ধ ভুরভুর করে বেরোচ্ছিল। তার বাহ্যজ্ঞান ছিল না। পেছনের লোকটার কান দিয়ে ক্রমাগত রক্ত বেরোচ্ছিল আর হাপরের মত শ্বাস টানছিল তার অবস্থা আমার আনাড়ী চোখে বিশেষ সুবিধার লাগে নি। আর বাকি রইল সাইকেলওয়ালা, যার সাইকেলের হ্যান্ডেলেই সম্ভবত বাইকটা ধাক্কা খেয়েছিল। সে মাটিতে বসে শুধু হাউ হাউ করে কাঁদছিল। তার কি হয়েছে অতটা বুঝতে পারি নি। পরের দিন আর আমরা কাগজে সেই খবর বেরিয়েছে কিনা দেখতে যাইনি। গোপালপুর চলে গেছিলাম।
    গোপালপুরের সমুদ্র সেদিন দারুন ছিল। ঝকঝকে রোদ, প্রায় সাত মিটার ভিজিবিলিটি।
  • b | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৮:২০274316
  • অতঃপর শ্রী নারায়নস্বামী শ্রীনিবাসন একটি বিশাল চপেটাঘাত খাইলেন।
  • তাপস | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৮:১৯274315
  • তখন বেরিয়েছ্লুম। আর কী করে ছোট করে বেশি না ভাটিয়ে কিন্তু চিত্তাকর্ষক করে এই ভাটের উপযোগী করে লেখা যায় তাই ভাবছি। ভাবতে ভাবতে মনে হচ্ছে, পজেক্ট মেল করে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়া সহজ কাজ - :-(
  • kumu | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৬:২২274314
  • নাঃআমার ঘুম খুব কম আর ঘুমোতে ভালোবাসি না।
  • sm | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৬:০৯274313
  • অসুস্থ ভদ্রলোকের চিকিত্সায় দুজন ডাক্তার ছাত্রীর এগিয়ে আসা ও তাদের মানবিকতা খুব ভালো লাগলো। ডাক্তার মানেই, অমানবিক ও সমাজ শত্রু নয়। মোবাইলে ফটো তোলা জনতার যদি একটু লজ্জা হয়, এই খবর টা পড়ে, সেটাই বড় পাওনা হবে।
  • I | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৫:৪৭274311
  • রোদে পিঠ দে বই পড়ার চে ও ভালো জিনিষ হল লম্বা লম্বা ঘুম।
  • dc | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৫:৪৭274312
  • ইনভেস্ট করার নিয়মকানুন নিয়ে একটা টই খুলুন না। আমার মতো অনেকেরই খুব লাভ হবে।
  • b | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৫:৪৫274309
  • প্লিজ, টই খুলে দিচ্চি। সেখানে লিখুন।
  • Tim | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৫:৪৫274310
  • না বি, কন্ধকাটার দেশের ;-)
  • dc | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৫:৪৪274308
  • এই যাঃ এখানে কি এফডি আর বাড়ী কেনার আলোচনা হচ্ছে? কয়েকদিন আসতে পারিনি বলে মিস করে গেলাম!
  • সিকি | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৫:৪০274307
  • :))
  • b | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৫:৩৮274306
  • সেই সুর্য্যোদয়ের দেশের তেল নাকি টিম?
  • :) | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৪:৫৬274305
  • এলসিএম দা মেল করে বা জি ড্রাইভে রেখে লিং দেয় না কেন? বা ফেবু তে শেয়ার ও তো করতে পারে।

    আর দেশ এর সফট কপি শেয়ার করার কি হল?
  • Tim | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৪:৫৫274304
  • আমি কি রিয়া যে তেল মাখবো
  • d | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৪:৫০274303
  • সিকি | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৪:৪২274302
  • স্যাচুরেশন এসে গেলেই কিন্তু দাম পড়ে না। সার্কেল রেট তার মত করেই বাড়তে কমতে থাকে, সেই মত কালো টাকার ওপর নিচ হতে থাকে। ল্যুটিয়েন্স দিল্লি তো সেই ব্রিটিশ আমল থেকেই স্যাচুরেটেড। ওখানে নতুন কনস্ট্রাকশন পারমিটেড নয়। তাই বলে কি সেখানে প্রপার্টির দাম কমেছে? আজও সেখানে কোটি কোটি টাকায় প্রপার্টি বিক্রি হয়। হ্যাঁ, রোজ হয় না অবশ্য, তবে হয়। প্রপার্টি লিস্টিংয়ে একটা দুটো নাম থাকে।
  • kumu | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৪:৪০274301
  • বিষয় আলোচনা অতি ভালো জিনিস।অবশ্যই করবেন।আপুনাদের সামনে দীর্ঘ জীবন পড়ে আছে,কত কী করার আছে।কুমু হেন আলাভোলা, সমসারে এক সন্নিসিনী হয়ে থাকবেন না।

    তবে কিনা আমার এই শেষ বয়েসে এসে মনে হয় রোদে পিঠ দিয়ে বই পড়ার তুল্য কিচু নাই।
  • সিকি | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৪:৩৮274299
  • এসেম, একমত। আসলে অনেক অনেক এক্সটার্নাল প্যারামিটার আছে। কোনও থাম্ব রুল নেই, এটা ভালো, ওটার থেকে। যাকে যেমন ফিট করে। ফ্যামিলি ব্যাকিং, পুস্তেলি জমিন, এসবের ওপরেও ডিপেন্ড করে একজন লোন নেবে না দেশের জমি বিক্রি করে প্রিন্সিপাল অ্যামাউন্ট পে করবে। অনেক প্যারামিটার।
  • kiki | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৪:৩৮274300
  • তাহলে আর কি, না বেচে মেখে ফেল।
  • Bhagidaar | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৪:৩৭274298
  • এদিকে আমি ভাবছি এই একটাকা একষট্টি পয়সার তেল যদি কয়েক ব্যারেল কিনে জমিয়ে রাখতে পারতাম !
  • Tim | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৪:৩২274297
  • তবে আমার বড়ই ক্ষতি হলো। ডিডিদার থেকে তেল কিনেছিলাম কয়েক মিলিয়ন ব্যারেল। এখন সেই ২০১৭ অবধি ভালো দাম পাবোনা মনে লিচ্ছে
  • Tim | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৪:২৮274296
  • হুঁ এইজন্য আমি কোট পারতপক্ষে পরিনা। সোয়েটার পরি। ঃ-)
  • Bhagidaar | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৪:২৪274294
  • তাপস কি স্টার্ট আপ কত ক্যাপিটাল (অন্তত কিছু হিন্ট) ইত্যাদি কিছুই লেখেননি। সেসব শুনে প্রমিসিং লাগলে ইনভেস্টর আসবে বৈকি। তবে এদের হয়ত ভেনচার ক্যাপিটালিস্ট বলা ঠিক হবে।
  • kumu | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৪:২৪274295
  • আমি কেমন ভিসুয়ালাইজ করলাম টিমি বোড্ডে এই ডেফিটা লিখচে আর ছাত্ররা হতাশভাবে কোটের পিঠটা দেখচে।
  • sm | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৪:২১274293
  • সিকি, আপনার কথা সেন্ট পার্সেন্ট সত্যি।কারণ ভারতবর্ষে, ফ্ল্যাট কিনতে গেলে প্রচুর কালো টাকার লেন দেন হয়। অর্থাত ফ্ল্যাট কেনা বেচা হচ্ছে কালো টাকা ইনভেস্ট করার ভালো উপায়। তাই আশু দাম কমার সম্ভবনা কম।
    কিন্তু আপনি ই বললেন, মুম্বাই তে স্যাচুরেশন এসে গেছে।দিল্লিতে আসতে সময় লাগবে।
    আবার রিয়েল এস্টেট এর দাম পড়া সব সময় স্যাচুরেশন এর ওপর নির্ভর করে না। দিম্যান্দ এন্ড সাপ্লাই,বেতন বৃদ্ধি,ব্যাঙ্কের স্বাস্থ্য, দেশের অর্থনীতি ও পলিসি অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে। ইউরোপ, আমেরিকার লোকেরা যে ই এম আই দিতে পারবেনা বা ডিফল্ট করবে, এটা কিন্তু সাধারণ মানুষ ভাবতে পারেনি। যদিও ব্রিটিশ অর্থনীতি বিরাট ক্ষতিগ্রস্ত হয় নি, তবুও চোখের সামনে দেখেছি ৩০০ হাজার পাউন্ডের বাড়ি, ২০০ হাজারে বিক্রি হয়ে যেতে। যদিও ৫ বছরের মধ্যে দাম আবার আগের মত হয়ে গেছে বা বেড়ে গেছে।প্রচুর লোক বিশেষত ধনী ইন্ডিয়ান রা সে সময় ইনভেস্ট করে মোটা টাকা লাভ করে নিয়েছে।
    এখন কথা হলো, ২০ বছর টার্ম যদি ধরেন, তাহলে রিয়েল এস্টেট বছরে গড়ে ২৫ শতাংশ লাভ করতে দেবে কি?
    এখানে রিস্ক জড়িত আছে; কিন্তু এফ ডি তে এই রিস্ক টা নিতে হবে না।

    আর লোনের কথা যদি বলেন তাহলেও এফ ডি থেকে লোন নেওয়া ভালো। অর্থাত ডিপোসিটের ইন্টারেস্ট ৯ পার্সেন্ট থাকলে এস বি আই আপনাকে ৯।৫ হারে লোন দেবে।মাত্র দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।আপনি ধীরে ধীরে টাকা শোধ করুন। আর এফ ডি তে এনুয়াল ইল্ড বাড়তেই থাকবে,আর লোনের ইল্ড কমতে থাকবে।
    Piling up inventory and rising demand from home buyers may result in declines in property prices by nearly 20 per cent in the Mumbai metropolitan region (MMR) over the next few months, according to a study.
  • Tim | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৪:২০274291
  • আচ্ছা আমরা বরং ইনভেস্টরের ডেফিনিশনটা শিখে নি। মানে আমি কৌতূহলী হয়ে গেলাম আর কি, সবাই বলছে আমি না, তাইলে ইনভেস্টর কারা। তো, মোটের ওপর এইঃ
    An individual who commits money to investment products with the expectation of financial return. Generally, the primary concern of an investor is to minimize risk while maximizing return, as opposed to a speculator, who is willing to accept a higher level of risk in the hopes of collecting higher-than-average profits.
  • kumu | ২২ জানুয়ারি ২০১৫ ১৪:২০274292
  • ৭৫০ স্কোফি-৯০ লাখ!!!কারা কেনে?

    শবর দাশগুপ্ত-পড়েছি কিন্তু নাম মনে নাই।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত