এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Tim | ৩০ জানুয়ারি ২০১৫ ০০:১১275610
  • আমাদের পাড়াও একই নেই, কিন্তু তুলনায় অনেক কম বদল। সিপিএম তিনো বিজেপি মারামারি করেনা। গরমকালে গিয়ে এবার খেলতে নেমে গেলাম, দশ কুড়ি বছর আগেকার লোকজনের সাথে দেখা হলো কথা হলো, একটা কুচো বললো আমাকে মনে আছে? তোমরা আমাকে উচ্চিংড়ে ডাকতে। সবই কিন্তু ফ্ল্যাটবাড়ি এখন, তবু এইটুকুই আছে। দোকানে বাজারে গেলে লোকে চিনে ফ্যালে এটার সুবিধে অসুবিধে দুইই আছে। আমার মনে হয় ঐটুকু অসুবিধে আমি হ্যান্ডল করতে পারবো।
  • 4z | ৩০ জানুয়ারি ২০১৫ ০০:১০275609
  • অক্ষদাকে ক। হাইজিং কমপ্লেক্সে বরং আমি অনেক বেশি মেলামেশা দেখেছি।
  • Tim | ৩০ জানুয়ারি ২০১৫ ০০:০৬275608
  • ভীষনভাবে ক অক্ষদাকে
  • Arpan | ৩০ জানুয়ারি ২০১৫ ০০:০৫275607
  • র‌্যাপিড আর্বানাইজেশনে এমনটা হতই। এরপরে তো গ্রামে ভার্টিকাল স্পেস ইউজ শুরু হবে। চায়নার মত। সে জয়া মিত্র যতই কলম ধরুন না কেন।
  • a x | ৩০ জানুয়ারি ২০১৫ ০০:০৩275606
  • কিন্তু আমার মা এই গত দেড় বছর যেখানে ছিল - সেটা একটা ঐ হাউসিং কমপ্লেক্স - সেখানে কিন্তু দেখলাম প্রতিবেশীদের সাথে খুবই ভালো সম্পর্ক। আমি ১০ দিনের জন্য গেছিলাম, শেষ ৪ দিন আমার কোনো ল্যান্ডলাইন, মোবাইল, ইন্টার্নেট এইসব ছিলনা। আমি একটা ফোন করব বলে পাশের বাড়ি গেলাম - আমার সাথে আগে সেরকম কোনো কথাই হয়নি। মা ঐ বাড়ি থেকে চলে গেছে তখন, আমি ৪ দিন বাদে বেরিয়ে যাব। অচেনা আমাকে নিজের মোবাইলটা দিয়ে দিলেন, কিছুতেই শুনলেন না। আসার সময় ফেরৎ না দিয়ে চলে যাই যদি এসবও ভাবলেন না। ওপরে যিনি থাকেন, তিনি আমি একা আছি বলে প্রতিদিন অফিস ফেরতা একবার নক করে দেখে যেতেন কিছু দরকার আছে কিনা। এভরিথিং কামস উইথ আ প্রাইস।
  • Tim | ৩০ জানুয়ারি ২০১৫ ০০:০২275605
  • ইন্ডিপেন্ডেন্টলি ভালোভাবেই থাকার প্রবণতা ও সামর্থ্য বেড়ে গেলে কমিউনিটি ফিলিং কমে যাবেই।

    এই নাইট পেট্রোলিং ইত্যাদি তখনই শুরু হয় যখন ক্রাইসিস আসে। দঃ কলকাতায় তোলাবাজি সংক্রান্ত একটা ক্রাইসিস এসেছিলো নব্বইয়ে। কিন্তু সে তো সাময়িক। সারা বছর সাসটেইন করবেনা। গোলমাল মিতে গেলেই থিতিয়ে যাবে।
  • 4z | ৩০ জানুয়ারি ২০১৫ ০০:০০275603
  • বাবাহঃ smএর ফ্ল্যাটবাড়ির বাসিন্দাদের উপর এত রাগ কেন? আর এই ধারণার বেসটাই বা কি যে 'ফ্ল্যাট গুলোর মালিক, যত দোকানদার ব্যবসাদার আর ঘুষ খোর জনতা'?
  • a x | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:৫৭275602
  • কম্যুনিটি ফিলিং না থাকলে পুলিশের বাপের ক্ষমতা নেই এসব বন্ধ করার। আর পুলিশ প্রশাসন, দারোগা দারোয়ান, গেটেড কম্যুনিটি এগুলো কোনো কাজের সমাধান না। আর পুলিশের অভিভাবকত্ব কিছু কম পড়েছে নাকি?
  • Tim | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:৫৫275601
  • এসেম না এত সরল না। কোন কোন ক্ষেত্রে এটা প্যাটার্ন হলেও অনেক ক্ষেত্রে সত্পথেই ভালো চাকরি করা লোকজন কিনছে। পোস্ট ২০০০ আইটি বুম ও আরো পরে চাকরি বাকরি অনেক বেটার হয়েছে লোকের। অ্যাফোর্ড করতে পারছে তারা। আমাদের পাড়ায় একটা নতুন ফ্ল্যাটবাড়ি হলো, ১৬ টা ফ্ল্যাট। অর্ধেক বুক হয়েছে, প্রোমোটারের কাছেই শুনলাম। সবাই ঐ পাড়ারই লোক। প্রোমোটার নিজেও পুরোনো বাসিন্দা, মিষ্টির দোকান আছে ওদের পৈতৃক। বাড়ি যারা কিনেছে তারা প্রায় সবাই আইটি বা কর্পোরেটে অন্যত্র চাকরি করে। লোনে কিনেছে। আগে এই ধরণের মাইনে ছিলোনা, আমার বাবা কাকারা ভাবতেই পরবেনা। কিন্তু সে অন্য গল্প, ঘুষ না।
  • sm | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:৫০275600
  • পাড়া কালচার ভালো না মন্দ সে বিতর্ক পরে করা যাবে। একটা টোই খুললে ভালো হয়। তবে কলকাতা ও শহরতলির বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে প্রমোটার রাজ।প্রধানত পাড়ার ছেলে গুলো কে পয়সা খাইয়ে বুঁদ করে দিয়েছে।ফ্ল্যাট তৈরী হাওয়ায়, মা মাসীমাদের একে অন্যের বাড়িতে আসা যাওয়া কমে গিয়েছে।
    লোকে বাজার পর্য্যন্ত করতে যায় না। বাড়ির নিচে থেকেই ঠ্যালার কাছ থেকে কাজ সেরে নেয়। বাজার যাওয়ার পথে আলাপ পরিচয় টুকু পর্য্যন্ত হয় না।
    শিক্ষিত লোকজন চুপ চাপ থাকে। ফ্ল্যাট গুলোর মালিক, যত দোকানদার ব্যবসাদার আর ঘুষ খোর জনতা।
    কালচার বলতে বর্নাঢ্য দূর্গা পুজো আর নকল কন্ঠি দের ফান্শন।
    এত হাজার হাজার ফ্ল্যাট হচ্ছে, কর্পোরেশন বা মিউনিস্দিপালিটি কোটি কোটি টাকা স্ট্যাম্প ডিউটি কামাচ্ছে; কিন্তু কোনো পাড়াতে একটা লাইব্রেরি খোলা হচ্ছে না বা কেউখোলার কথা ভাবেই না।
  • Tim | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:৪৮275599
  • আইনের শাসনই তো চলছে। আইনটা কার বানানো সেটা আলাদা কথা।

    সব প্রবলেমেই এক উত্তর পয়সা নেই আর এত্ত লোকের দেশ কিকরে করবে। অথচ লোকের পয়সাও হচ্ছে পপুলেশনও বাড়ছে। ভুলভাল।
  • rabaahuta | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:৪৭275598
  • এটুজি থ্যাঙ্কিউঃ)

    যারা ছবি দেখেননি তাঁদের জানাই এখানে কিন্তু আমার কানের দুলের কথা হচ্ছেনা, আমার মাথায় মোটেই কানের দুল ঢেকে দেওয়ার মত এত বড় চুল নেই।
  • Atoz | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:৪৪275597
  • হুতো, ছবি দেখ্লাম ঃ-) কানের দুটো দুল দেখা গেলে আরো ভালো লাগতো, একটা চুলের আড়ালে পড়ে গ্যাছে একদম।
  • rabaahuta | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:৩৯275596
  • আমি কখনো টানা অনেক বছর এক বাড়ি/এক পাড়ায় থাকিনি - যার জন্যে কখনো পাড়ার বন্ধু ছিল না, পাড়া কালচার ব্যাপারটাকে অবিশ্বাসের চোখে দেখতাম, আবার অ্যালেজেডলি অসংযত ও উশৃঙ্খল জীবনযাপনের কারনে পাড়ার লোকেরাও আমাকে সন্দেহের চোখে দেখতো। তো আমি হচ্ছি সেইসব পালটে যাওয়া পাড়ার অচেনা লোকেদের মধ্যে একজন, পাল্টে যাওয়ার অনুঘটকদের মধ্যেও একজন। দরকার ছিল আইনের শাসন, সেটা নেই বলে পাড়া ভেঙে যাওয়া নিয়ে সন্ত্রস্ত হতে হচ্ছে। পাড়া কালচার নিয়ে নানা কারনে স্কেপটিক, হয়তো কখনো তার অংশ হতে পারিনি বলেই। অন্যায় দেখলে রুখে দাঁড়ানো ভালো, কিন্তু পুলিশের বাটামও এফেকটিভ। আবার সেট প্রসেস না থাকলে কে কোনটাকে অন্যায় ভাবছে সেটা নিয়ে সমস্যা হয়। আগেকার দিনের মত অভিভাবকসঙ্কুল পাড়ায় থাকতে হলে নিজেকেই নানারকম কেস খেতে হতো আরকি।
  • byaang | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:৩২275595
  • নাঃ ঘুমিয়ে পড়াই বেস্ট অপশন।
  • Tim | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:৩১275593
  • এটা ঠিক খারাপ ভালোর ব্যাপার না। অ্যাফোর্ড করতে না পেরে যে সবাই চলে গেলেন তাও না সব সময়। আসলে প্রায়োরিটি গুলোই বদলে গেছে গত কুড়ি বছরে কখন যেন। কিছু বিশেষ জায়গা ও মানুষের টানে একটি পরিবার একটি পাড়ায় অন্যান্য অসুবিধে সহ্য করেও থেকে যাওয়া আগে প্রায়োরিটি ছিলো। এখন নেই। এর ভালোমন্দ দুইই আছে।
  • byaang | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:৩১275594
  • সে আমাদের পাড়াতেও পুরানো মুখগুলো আর নেই, মারোয়ারিদের ফ্ল্যাট বিক্রি করে অন্য জায়গায় চলে গেছে। কিন্তু তবু বিল্ডিংয়ের মেন গেট ভেঙে উপরে এসে হুজ্জুতি করবে আর আশপাশের বাড়ির লোকরা দল বেঁধে বেরিয়ে আসবে না এ আমি ভাবতে পারছি না।
  • Tim | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:২৪275592
  • ভাটে দক্ষিণ কলকাতা মনে হয় বেশ কম। যাই হোক, অক্ষদার সাথে আমার অভিজ্ঞতা মিললো। পাড়া ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে অসংখ্য পরিবার। সেই ডায়নামিক্স নেই কিন্তু তুলনায় এখনও নিরাপদ বলে বাবা ঐ এলাকা ছেড়ে কোথাও যেতে চায়না। কি হারে ফ্ল্যাটের দাম বেড়েছে ভাবা যায়না।
    আমি বরং অবাক ব্যাঙদির কাছে এই পরিবর্তন ধরা না পড়ায়। তুমি তো লুরু থেকে কলকাতা আসা যাওয়া করো। টের পাওনি?
  • Atoz | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:২৩275591
  • আমাদের পাড়াটাও একদম বদলে গেছে। গোটা আশির দশক আর নব্বুইয়ের দশকেও প্রায় সবাই সবার বাড়ী যেত, চিনত, কথাবার্তা, আদানপ্রদান, একসঙ্গে পিকনিক, ফাংশান সব হতো।
    তার পরে একটা সময় প্রচুর নতুন বাড়ী হতে শুরু করলো, নতুন লোক একসঙ্গে বিরাট সংখ্যক এসে গেল। পাড়া ব্যাপারটা কেমন ঘেঁটে গেল।
    এখন পুরানোরা দুঃখ করেন, কেউ কারুকে চেনে না, কারুর বাড়ী যায় না, একসঙ্গে কিছু আয়োজন করে না।
    পুরনো অনেকেই বাড়ী টাড়ী বিক্রি করে ফ্ল্যাটে চলে গিয়েছেন।
    কেমন জানি অস্বস্তি লাগে। ঘিঞ্জিমতন একটা এলাকা হয়ে গেছে যেখানে অধিকাংশ লোক অধিকাংশ লোককে চেনেন না।
  • lcm | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:২১275589
  • অক্ষ যেটা বলল, এটা বোধহয় শুধু কলকাতা নয়। এই নতুন আর্বানাইজেশনের ধারা সারা দেশ জুড়েই, ইন ফ্যাক্ট পৃথিবীর অনেক জায়গা জুড়েই।
  • a x | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:২১275590
  • a x | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:১৮275588
  • ব্যাপারটা মনে হয় অনেক কিছু মিলিয়েই। গত ১-২ দশকে প্রচুর জিনিস বদলে গেছে। অন্তত দক্ষিণ কোলকাতায় যা দেখেছি। আগে মধ্যবিত্ত বাঙ্গালী ভাড়া থাকতেন - একই বাড়িতে ৩০-৪০ বছর কাটাতেন, পাড়ার বেশির ভাগ লোকেরাই তাই। বহুদিনের সম্পর্ক, ছেলে মেয়েরা একসাথে খেলেছে, ওখানেই বড় হয়েছে। এখন সেই জায়গায় বহুতল, নতুন নতুন লোকজন পাড়ায়, পুরোন লোকজন সন্তোষপুর, গড়িয়া, বা আরো দক্ষিণে "উঠে" যেতে বাধ্য হয়েছে। পাড়া জিনিসটা ডায়নামিক্স একেবারে অন্যরকম হয়ে গেছে। এই লুম্পেনরাজের শুরুও আজ না, বছর পঁচিশ আগে থেকে। তার আগে এসব ভাবা যেতনা।
  • byaang | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:১৫275587
  • থাক না এতোজ। অত খোঁজে দরকার কী?
  • Atoz | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:১৪275586
  • লাল কাকীমা আর লাল কাকু কি নিকনেম? নাকি ওঁদের পদবী?
  • byaang | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:১২275585
  • আমারও বাড়ির লোকগুলোর জন্যই ভয়। যা সব একেকজন স্যাম্পল পীস। মেন রোডে পিচ ফেলে রাস্তা বাঁধাই করতে দেখলে কেউ বাড়ি থেকে বালতিভর্তি জল বয়ে নিয়ে যায় রাস্তার ঢাল ঠিক হল কিনা দেখতে, তো অন্যজন রাস্তায় ছেলেছোকরাদের গুলতানি করতে দেখলে তাদের বাড়ি গিয়ে চাকরির পরীক্ষার জন্য পড়াশুনা করতে বলে। একজন বাষট্টি তো অন্যজন আশি।
  • 4z | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:০৫275584
  • কুড়ি জনকে একজোট করবে কে ব্যাংদি? এক এক করে তো কুড়ি হয়। শুরুর সেই একটাই এখন আর কেউ হতে চায় না।

    বড় অসহায় লাগে, ভয় লাগে বাড়ির জন্য।
  • byaang | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:০৪275583
  • নাঃ চোখকান বন্ধ করে ঘুমিয়েই পড়ি। আজকাল নার্ভের জোর কমে যাচ্ছে। ঘুম আর না ভাঙলেই ভালো হয়। মানে বাঁচা যায়।
  • byaang | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:০১275582
  • একা একা প্রতিবাদ করতে গেলে হয়তো এরকম পরিণাম ঘটবে ফোজ্জি। কিন্তু একসঙ্গে কুড়িজন জোট বেঁধে প্রতিবাদ করলে কিন্তু এরকম পরিণতি হবে না।
  • byaang | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ২২:৫৯275580
  • কাকিমার কাছে
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত