এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দ্রি | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২৩:০৯284039
  • মে বি সেটাই কারন।

    সবসময়ই দেখেছি ওটা বেশ কিছুটা পরে আসতে।

    এই কেসে যেহেতু যে মেরেছে সে মারা গেছে তাই এত চটপট পাবলিশ করে দিল?
  • pi | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২৩:০৯284040
  • অন্যদিকে বাংলাদেশকে ন্যাংটাদেশ, কাংলাদেশ, বালেরদেশ, ভিখিরিদেশ এসব বলে এবং আরো নানাভাবে যথেচ্ছ হ্যাটা করা এপারের লোকজনের নানা পোস্ট আর তুললাম না। অনেক ডিলিট হয়েছে, সব তোলাও যাবেনা।
  • pi | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২৩:০৪284038
  • কিছু নমুনা রইলো। সবকটাই বাংলাদেশের লোকজনের পোস্ট। হিন্দু মুসলিম নির্বিশেষে। এত পোস্ট পড়ে খুঁজে পাওয়া চাপ, নইলে এরকম পোস্ট আরো অনেকই ছিল। বা এদিকের লোকজন এধরণের কথা বললে অনেক বাংলাদেশীই তা সমর্থন করেছেন।

    'দয়া করে সামান্য একটা খেলাকে কেন্দ্র করে নিজেদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করবেন না, দুদেশের বন্ধুদের কাছে আমার বিনীত আবেদন.....'

    --

    বাংলাদেশীরা যে ভুলটা করছেন- ক্রিকেট খেলার সাথে দেশ, জাতি, রাজনীতি, ধর্ম- সবকিছু মিলিয়ে গুবলেট পাকিয়ে ফেলছেন, ঠিক একই ভুল করছেন ওপারের বাঙালীরাও। ক্রিকেট খেলায় ভারত সমর্থন না করা বা ভারতের হারে উল্লাস প্রকাশ করার সাথে ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের কোনোই সম্পর্ক থাকতে পারে না। খেলা খেলাই, এর বেশি কিছু নয়। এডমিনদের এবং অন্যান্য সদস্যদের বারংবার অনুরোধ সত্ত্বেও বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া লেবু কচলানো বন্ধ হচ্ছে না।
    আপনি যদি বাংলাদেশী হন, এবং ভারতকে গালিগালাজ করেন- আপনার নিশ্চয়ই সেটা করার কারণ আছে; কোন ভারতীয় হয়তো এর আগে বাংলাদেশকে গালি দিয়েছিলো। আপনি যদি ভারতীয় হন, এবং বাংলাদেশকে কটুকথা বলেন, আপনারও নিশ্চয়ই কারণ আছে; হয়তো কোনো বাংলাদেশী ভারতীয়কে গালি দিয়েছে। কিন্তু এভাবে পাল্টাপাল্টি গালিগালাজ করতে করতে বহুদিন পার হয়ে যাবে এবং এক সময় সবাই ভুলে যাবে শুরুটা কে করেছিলো। রয়ে যাবে শুধু দু'দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের একটা স্মৃতি যেটা ফিরে পাবার নয়।
    তাই শেষটা কাউকে না কাউকে করতেই হবে। কাউকে না কাউকে বলতেই হবে, "ব্যাস, আমি আর ওদেশ নিয়ে কটুকথা বলবো না।" ওরা যদি সেটা না করে, আপনিই শুরু করুন না।

    --

    ভেবেছিলাম খেলা বিষয়ে আর কিছু বলব না। অথচ চুপ করেও থাকতে পারছি না। আজ ইন্ডিয়া ক্রিকেট টিমের এই হার কি আসলেও সুখী করেছে আমাকে? আমিই কি আজীবন ইন্ডিয়া ক্রিকেট টিমের ভক্ত ছিলাম না? সেই ছোট্ট বেলা থেকে কপিল দেব, রবী শাস্ত্রী থেকে রাহুল দ্রাবিড়, সৌরভ গাঙ্গুলী, শচীন টেন্ডুলকার কার জন্যে মনে মনে দোয়া না করেছি! হেই আল্লাহ জিতে যাক, জিতে যাক। ইন্ডিয়া আজ জিতে যাক এইই তো ছিল সে সময়কার আমার প্রার্থনা। আজ এ কি হল? কেন হল? আমার অনেক প্রিয় বন্ধুরা-ভাইবোনেরা আছেন কোলকাতায়, আজ তাদের মনের অবস্থা চিন্তা করে মন ভিজে উঠল কেমন।
    শুরুটা হয়েছিল সিধু থেকে। ক’দিন আগেই দেখলাম আমার এক বন্ধু একটি ছবি পোস্ট করেছে তার ওয়ালে। ছবিটা দেখে আমি চমকে উঠলাম। ছবিতে একটা শিশু প্রস্রাব করছে ইন্ডিয়ার পতাকায়। আমি সঙ্গে সঙ্গে সেই বন্ধুকে ইনবক্সে লিখলাম, ‘এটা কে করেছে আর কেনই বা করেছে? একটা দেশকে এভাবে অপমান করবার সাহস তুমি কোত্থেকে পেলে? তোমাকে আমি ব্লক করে দিচ্ছি’ ইত্যাদি, ইত্যাদি। সঙ্গে সঙ্গে সে একটা ইউটিউব লিংক দিয়ে বলল, ‘দেখো এবং জাজ করো।‘ আমি অবাক হয়ে দেখলাম ইউটিউবের ঐ ভিডিওটা যেখানে সিধু খুব হাসিমুখে উচ্চারন করেছে, ‘শালা কাঙাল, বেহাল বাংলাদেশ’। এর চেয়ে বেশী অবাক বোধহয় আর কিছুতে আমার হবার কথা ছিল না।
    এরপরে দেখলাম ফেসবুকের নানা গ্রুপে এবং ওয়ালে ওয়ালে ইন্ডিয়াকে গালিগালাজ করে বাংলাদেশীদের কথাবার্তা। আবার অপরপক্ষে কোলকাতার বাঙালী ফেসবুকাররাও গালি গালাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশীদেরকে সমানে। অবাক হলাম যত, ক্লান্ত হলাম তারো বেশী। কারন সিধু বা ইন্ডিয়ার একটি মানুষও ক্ষমা চাইছে না। যেমনটা চেয়েছিলেন প্রসেনজিৎ তার ওয়ালে করা একটি মন্তব্যের বিপরীতে। ভুল তো ভুলই, ভুল করলে ক্ষমা চাইলে জাত যায় না কোনো। হঠাৎ মনে হল, আসলে হয়তো শুরুটা হয়েছিল এভাবে, সিধুর করা মন্তব্য নিয়ে বাংলাদেশীরা আলোড়িত হয়ে যখন পালটা বিষ ছুঁড়ছিল ইন্ডিয়ার দিকে তখন কোলকাতার বাঙ্গালীরা হয়তো জানতেনই না সিধুর ঐ মন্তব্যের কথা। তাই তারাও অবাক এবং ক্ষিপ্ত হয়ে বাংলাদেশীদেরকে গালি গালাজ করে যাচ্ছিল। (এটা আমার ধারনামাত্র, ভুলও হতে পারে)
    ক্রিকেট খেলা হয়েছে দুই দেশের দুই টিমের। কিনতু দুই দেশের মানুষই আমরা বাংলায় কথা বলি। আমরা প্রতিবেশী। ফেসবুকের কল্যানে এই দুই দেশ প্রতিবেশী হিসেবে এখন আমরা আরো অনেক কাছের মানুষ হয়ে গেছি। আমার জ্বর হলে কোলকাতার বন্ধুরাও খবর নেয়, তাদের কিছু হলে আমিও উৎকন্ঠিত হই। কাজে কাজেই আমরা তো আত্মার আত্মীয় আগে। এখন কথা হচ্ছে ক্রিকেটে দুই টিমের অবস্থান নিয়ে। কোলকাতার মানুষ বাংলা ভাষাভাষী হলেও দেশ তো তাদের ইন্ডিয়াই। তারা অবশ্যই ইন্ডিয়াকে সাপোর্ট করবে। আমরা করব বাংলাদেশকে। আর দুই দেশের এই দুই দলে বিভক্ত সাপোর্টাররা আমরা মজা করে ঢাকার জন কোলকাতার বন্ধুকে বলব, ‘যা যা তোরা তো হারু পার্টি, দেখব খেলার মাঠে কি করিস।‘ আবার ওরাও আমাদেরকে তেমনিভাবে বলবে, ‘আরে ছোঃ দেখেছি তো কত বছর ধরে কি খেলিস তোরা!’ তারপর খেলা শেষে যার যে বন্ধুর দেশ হারবে তার চোখের জল মুছে নেবে অন্য বন্ধু, তখন আর কেউ কাউকে টিজ করবে না। কিংবা যে দেশ জিতবে সে দেশের বন্ধুকে অন্য বন্ধু অভিনন্দন জানাবে খুশী মনে। এমনটা হওয়াই তো স্বাভাবিক ছিল। তা না হয়ে এমন হল কেন?
    ১৯৭১ এ আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভারত আমাদেরকে সাহায্য করেছে, এ কথা অকপটে স্বীকার করতে আমার লজ্জা নেই। যদিও অনেকেই বলে থাকেন যে বাংলাদেশকে ভারতের এই সাপোর্ট দেয়াটায় তাদের নিজস্ব স্বার্থ ছিল এবং ইন্ডিয়ান সৈন্যরা এ দেশ থেকে যাবার সময়ে অনেক লুটপাট করে গেছে, যে কারনে ভারতের প্রতি আজো বাংলাদেশীরা অসন্তুষ্ট। আমি দুর্মুখের এত সব কথায় যাচ্ছি না। কি হয়েছিল, কি হতে পারত এসব না ভেবে বরং বলি, স্বাধীন এবং সার্বভৌম রাস্ট্র হিসাবে বাংলাদেশকে ইন্ডিয়াই প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছিল, রিফিউজি হিসেবে তাদের দেশে আমাদেরকে তারা পরম মমতায় ঠাঁই দিয়েছিল এবং এক সময় যুদ্ধ করতে আমাদের গায়ে গা ঘেঁষে দাঁড়িয়েছিল। সে জন্যে আমি অবশ্যই তাদের কাছে অসম্ভব কৃতজ্ঞ এবং এখনো তাদেরকে অশেষ, অশেষ ধন্যবাদ জানাই। তবে সেই সাথে এও বলতে চাই, ইতিহাস এ দেশে যেমন অনেক বদলেছে, সে দেশেও বদলেছে। আর তাই এই প্রজন্মের আমাদের ছেলেমেয়েরা ওদেরকে গাল দিতে পারছে ওরাও আমাদেরকে কাঙ্গাল, বাঙ্গাল বলতে পারছে। হায় আজ যদি ইন্দিরা গান্ধী অথবা শেখ মুজিবুর রহমান বেঁচে থাকতেন তো আমাদের এই ঝগড়া দেখে মনের দুঃখেই উনারা বনবাস নিতেন। ভাগ্যিস তারা বেঁচে নেই!
    এখন আমি অনুরোধ করব দুই দেশের বাংলা ভাষাভাষী মানুষদেরকে, এবার থামুন আপনারা; খেলা তো শেষ! খেলাকে খেলার মতই থাকতে দিন, বানিজ্যকে বানিজ্যের মতন। আর মারামারি-কাটাকাটি নয়। আপনার এবং আমার পূর্বপুরুষের যোগসূত্রের কথা ভুলে যাবেন না। জানবেন, আমার দুঃখে আপনিও যেমন সুখী হবেন না তেমনি আপনার দুঃখেও আমি খুশী হব না। খেলায় ইন্ডিয়ার এই পরাজয় তাই আমাকেও ব্যথিত করেছে, দিনশেষে এটাই বুঝলাম।
    বাংলা ভাষার জন্যে অনেক, অনেক ভালবাসা থাকল।

    ----

    আপনার বাড়ির সহ যদি গোটা দেশ গরুটা, পেঁয়াজটা, রসুনটা, মশলাটা, ডালটা সহ সব বর্জন করে তাহ্লে ভারতের চুলও হবে না...আরে ভাই ও বোন আপ্নারা হুদাই এই সবের পিছে লাগছেন কোন লাভ নাই...রুপোম গালি দিসে তাই গোটা ভারত বাসিরে গাল দিতে হবে ...আপনি জানেনতো তিনি কাজটা ঠিক করেন নাই্‌, তারে বুঝান ...গালি দিয়ে ১৪ গুষ্টি উদধারে লাইগা পড়লেন ??...একবার না বুঝলে, আবার বুঝান!!!...মনে রাখবেন গালি এক্সপোর্ট করলে ইমপোর্ট এ গালিই পাবেন...ভারতের যেমন আমাদের দরকার তেমনি আমাদেরও ভারতের দরকার...ভারত আমদের উপর মোরলগিরি করতেই পারে, নরমাল। আমরা হলে আমরাও করতাম। কারন দেশটা দিনদিন সুপার পাওয়ার এর দিকে যাচ্ছে... তারা যদি আমাদের উপর মোড়লগিরি ফলায়্‌, তাহলে তাদের বলতে হবে মাননীয় ভারত আপনি বা আপনারা ভুল করছেন। দেশরে বা দেশবাসীদের গাল দেওয়া বেকার। তবে সেটা গালি দিয়ে নই অবশ্যয় ...বুঝিয়ে বলতে হবে... রক্ত গরম করে কোন লাভ নাই...ভাই আমার।রাগ অবশ্যয় উদ্গিরন করব তবে ভাল কথায় ...বুঝিয়ে। এই কালচার থেকে দুই দেশের এই সমস্ত ভাইবেরাদর ও বোনসিস্টার দের বের হতে হবে ...চলেন্‌, দিন ভাল আছে আজ থেকেই নিজেকে শুধরাই ...আত্ম-সমালোচনাই সবচেয়ে বেশি ব্যাস্ত থাকি...তাহলে কাউকে আর গালি দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না...আমরা বন্ধু, বন্ধু খেলতে চাই। সামান্য ক্রিকেট খেলা নিয়ে অন্য কোন ক্ষতিকর খেলায় যেন না মেতে উঠি ...সবাই ভাল থাকবেন...

    ---

    আমি এই দেশের মাটিকে ভালবাসি
    ভালবাসি গান, সুর, খেলা, সবপ্ন আর মানুষগুলোকে
    খেলায় হার জিৎ থাকতেই পারে
    নিজের দেশভক্তি জাহির করতে এতটা immaturity না দেখতে পেলেই ভাল লাগত।
    ভারত বা বাংলাদেশের এর চাইতেও অনেক কিছু নিয়ে চিন্তা করার আছে হয়ত ...।
    ।ভেবে দেখ.......................আর হ্যাঁ at the end of the day আমি বাংলায় কথা বলি, গান গাই, দুঃখ গুলকে বলতে পারি, সবপ্ন দেখি। একটা গোটা দেশ আমার ভাষায় কথা বলে ভেবে আমার সত্যি গর্ব হয়---

    ---

    দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে আইসিসির অন্যায় সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করেই যাব, এমনকি আপাতত আইসিসির আর খেলাই দেখব না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কিন্তু তাই বলে আমাদের অভিশাপেই ভারত হেরেছে, এমনটা ভাবা, এবং ভারতের সেই হারে খুশীতে লাফিয়ে উঠা আমার কাছে নিতান্তই হাস্যকর ও ছেলেমানুষি মনে হচ্ছে! ভারত যেমন খেলেছে, তেমন ফল পেয়েছে, এর সাথে আগের ম্যাচের সম্পর্ক কি? অন্যদের কাছে নিজেদের প্রতিহিংসাপরায়ণ প্রমান করা কি খুব কাজের কথা?????

    ----

    সবার প্রতি একটা অনুরোধঃ
    দয়া করে একটা খেলাকে কেন্দ্র করে বিভেদমূলক সমালোচনা করা বন্ধ করুন। নিজেদের মধ্যে গোলমাল টা না বাধিয়ে তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করুন। যা ঘটেছে, তা একটা দুর্যোগ ভেবে ভুলে যান। আর দুর্যোগে কে কি করেছে তা নিয়ে এরকম বিভেদমূলক আলাপ না চালিয়ে তা প্রশমনের ব্যবস্থা নিন।
    আর জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নিয়েও অনেকে অনেক বিভেদমূলক পোস্ট দিচ্ছেন। দয়া করে সেগুলোও বন্ধ ও প্রশমন করুন। আধুনিক যুগে থেকে প্রাচীনকালের লোকদের মতো এরকম বিনোধিতা করাটা শোভা পায় না।
  • fus | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২৩:০০284037
  • সেটা আর কত পার্সেন্ট ? বাংলাদেশী ব্লগ গুলোয় গেলেই বোঝা যাচ্ছে ওরা ২৪ লস আউট অফ ২৮ ম্যাচ হারা, এত বছরে একটাও টুর্নামেন্ট বা টেস্ট ম্যাচ না জেতার ইতিহাস টাই ভুলে মেরে দিয়েছে - যত মুখেন মারিতং জগত। ভারতীয় রা কালকের হারায় তো চক্রান্ত খুজতে যায় নি। কই জিম্বাবোয়ের, আয়ারল্যান্ডের তো এই attitude প্রবলেম নেই। খেলায় বেটার টিম কে বেটার বলে যে নিজে ছোট হয় না সেই বোধ sportsman স্পিরিট টুকু তো দরকার। নইলে আবাজ খাবেই।
  • T | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২২:৫৯284036
  • মাক্কালী ড্রাগ ফাগ কিচ্ছু নিইনি, তবুও সারাদিন কেমন ঝিমিয়ে আছি। কেন?

    যাক গে, সে যাই হোক, কিন্তু সোসেনদি কোথায় যাচ্ছে, আম্রিগা? বেশ বেশ।
  • S | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২২:৫৮284035
  • আর মিডিয়া ইচ্ছে করলেই কারোর মেডিক্যাল ডেটা পাবলিশ করতে পারে না। অনেক বাধা নিষেধ আছে। আমেরিকায় HIPAA আইনে আটকে যাবে। ইউরোপেও পেশেন্ট প্রাইভেসি সংক্রান্ত আইন রয়েছে। যতক্ষণ না প্রসিকিউটর অনুমতি দিচ্ছে সেটা পাবলিক করা যায় না সাধারনত।
  • potke | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২২:৫৫284034
  • ধন্যবাদ।
  • S | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২২:৪৭284033
  • যেকোনো ড্রাগ আর তার সাইড এফেক্ট সম্পর্কিত ডেটার জন্যে drugs@fda সাইটে গিয়ে ড্রাগের নাম টাইপ করুন। FDA অ্যাপ্রুভড সব ড্রাগের হদিশ পাওয়া যাবে। ড্রাগের নাম টাইপ করলে যে পেজটা আসবে সেখানে গিয়ে লেবেল ইনফরমেশন দেখুন। একাধিক লেবেল থাকতে পারে। তার মধ্যে লেটেস্ট লেবেল ইনফো দেখলেই হবে। ডোসেজ, ওয়ার্নিং, ফার্মাকোকাইনেটিকস ডেটা এমনকি ক্লিনিকাল ট্রায়াল ডেটাও পাওয়া যাবে। ডিটেল ক্লিনিকাল ট্রায়াল দেখতে গেলে রিভিউ ডকুমেন্ট দেখতে হবে।
  • pi | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২২:৪৬284032
  • গুরুর গ্রুপেই বিরোধিতা করে বাংলাদেশের বহু লোকের পোস্ট পড়েছে।
  • | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২২:৪৪284031
  • দ্রি'কে অনেকদিন ধরেই একটা অপ্রাসঙ্গিক কথা জিগ্যেস করব ভাবি ..... তান্না কত বড় হল?
  • দ্রি | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২২:৪২284030
  • পটকে, ডেটা বলতে ঐ সাইকিয়্যাট্রিক মেডিকেশানের কথা বলছেন তো? ডেটাটা ঠিক স্ট্রাকচার্ড ভাবে এক জায়গায় কোথাও আছে কিনা জানা নেই। প্রত্যেকটা কেস আলাদা করে দেখতে হবে, দেখতে হবে যারা ভায়োলেন্ট খুন করছে তাদের সাইক্য়্যাট্রিক মেডিকেশানের কোন হিস্ট্রি আছে কিনা। মিডিয়া এই কোরিলেশানটা হাইড করার চেষ্টা করে। তাই খুনীর মেডিক্যাল সাইডটা খুনের সাথে সাথে পেপারে আসে না। আসে বেশ কিছুদিন পরে। কিন্তু আসে। এটা আর্কাইভ করার মত তথ্য। একটু খাটতে হবে। আমার কখনো করার ইচ্ছে আছে।
  • | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২২:৪০284029
  • আমি মনজুরুল হক আর আলতো করে একবার সায়কা ছাড়া আর একজনকেও দেখি নি বিরোধীতা করতে পাই। এমনকি সুমন চৌধুরীর মত লেভেল হেডেড লোকজনও দেখছি সমানেই করে চলেছেন।
  • dc | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২২:৩৪284028
  • উফ এই ওয়ার্ল্ড কাপ আর এই ক্রিকেট দেখি শেষ হয়েও হয় না! ভারত তো হেরে গেল, আর কি? আর হেরেছে বেশ করেছে, সব খেলা জেতা যায় নাকি? আবার পরে কোন ম্যাচ জিতে দেখিয়ে দেবে, আপাতত ওয়ার্ল্ড কাপ শেষ।
  • dc | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২২:৩২284027
  • potke আমি তখনই বুঝেছি আপনি আমাকে বলেন নি। আমিও মজা করছিলাম ঃ-)

    (অবশ্য আমি ভেবেছিলাম "পাইলটের বাপ" আপনি এমনি মজা করে বলেছিলেন, কাউকে মিন করেছিলেন সেটা জানতাম না। যাই হোক, আমার দিক দিয়ে কোনরকম অসুবিধে হয়নি)।
  • RS200 | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২২:২৪284025
  • আরও বারো ঘন্টা...... :-|

  • pi | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২২:২৪284026
  • ' একটা দেশ, পুরো জনগণ একত্র হয়ে, ' .. এটাও কিন্তু নয় বাইনারিদা, অনেক বাংলাদেশী এগুলোর বিরোধিতাও করেছেন। নিজের চোখেই দেখা। এটাকে সম্পূর্ণ বাংলাদেশের অ্যাটিচুউড বলে চালানোর একটা চেষ্টাও দেখছি এবং সেটা দিয়ে জাস্টিফায় করে বাংলাদেশ বিদ্বেষ প্রচার। এই ট্রেন্ডটাও ( এবং শুধু এটার প্রতিক্রিয়া বয়, কিছু লোকের মধেয় এমনিও বিদ্বেষ রয়েছে) দেখছি। আবার সেটার প্রতিক্রিয়া হিসেবে বাংলাদেশের কিছু লোকজন ঝাঁপিয়ে পড়ছেন, যাঁরা হয়তো এমনিতে ভারত বিদ্বেষী ছিলেন না। পুরো ভিশাস সাইকেল। আর সেটা ক্রমশঃ বড় হচ্ছে।
  • Avik Ghosh | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২২:১৬284024
  • Cricket বিশ্বকাপে ভারতের অভিযান শেষ হোলো। এবারের বিশ্বকাপ social media আর newspaper/website এ অভূতপুর্ব প্রচার পেয়েছে। বিশেষত, ভারত quarter final এ ভীষণ অপ্রত্যাশিতভাবে এবং অত্যন্ত অন্যায়ভাবে মহাশক্তিশালী বাংলাদেশ কে হারানোর পর থেকে অসংখ্য ক্রিকেটবোদ্ধাদের (আমাদের প্রতিবেশী দেশের এবং আমাদের দেশের ও) মহামূল্যবান comments থেকে আমি প্রচুর জ্ঞানলাভ করেছি এবং বুঝতে পেরেছি যে পুরো বিশ্বকাপটাই “সাজানো ঘটনা”, BCCI আর ICC র “চক্রান্ত”। একসময় একটু আধটু ব্যাটবল নাড়াচাড়া করেছি আর খেলাটাকে গত ২৫ বছর ধরে closely follow করে এসেছি, কিন্তু এটা প্রথমে একদমই বুঝতে পারি নি। ব্যাপারটা জটিল হলেও এখন এক্কেরে জলের মত clear।

    ২০১১ সালের বিশ্বকাপ ছিল শচীন তেন্ডুলকরের শেষ বিশ্বকাপ। BCCI তাই বিশ্বের সবচেয়ে “hyped” ক্রিকেটারকে, যার 2nd innings এ ব্যাট করতে নামলে হাঁটু কাপত, বিশ্বকাপ পাইয়ে দেবার জন্য লাখ লাখ ডলার ICC কে দিয়ে বিশ্বকাপটা একরকম কিনেই নেয়। ভেবে দেখুন, group stage এ South Africa র কাছে হারার পরও, একেবারে শচীন তেন্ডুলকরের ঘরের মাঠ মুম্বাইতে ভারতের বিশ্বকাপ জয়; coincident টা বড্ড বাড়াবাড়ি রকমের হয়ে যাচ্ছে কিনা। বাংলাদেশের ক্রিকেট গুলে খাওয়া মন্ত্রীরা অবশ্য খুব সহজেই এটা ধরে ফেলেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এখনই ICC কে জানিয়ে রেখেছে যে, আজ থেকে ৪০ বছর পরে, ১০০০ ওয়ান ডে আর ৫০০ টেস্ট খেলার পর, মহান ক্রিকেটার শাকিব-আল-হাসান যখন রিটায়ার করবেন, তখন বিশ্বকাপ ফাইনাল যেন ঢাকায় হয় আর বাংলাদেশ যেন বিশ্বকাপ জেতে।

    এবার ও একইরকম plan ছিল। কেন? Just এমনিই। হরলিক্স এর মত বিশ্বকাপ ও “এমনি এমনি” খেতে ভাল লাগে, তাই। আর, কুঅভ্যাস বলেও তো একটা ব্যাপার আছে, নাকি। তবে অন্য দেশের ক্রিকেটবোদ্ধাদের ভয়ে সরাসরি ডলার না দিয়ে এবার process টা খুব tactically সাজানো হয়। প্রথমেই বিশ্বকাপ শুরুর ২ মাস আগেই ভারতকে অস্ট্রেলিয়া পাঠিয়ে দেওয়া হয় এবং প্রতিটা ম্যাচ হারার জন্য কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে বিশ্বকাপ এর সময় সবাই ভারত কে ইথিওপিয়ার চেয়েও দুর্বল ভাববে আর ভারতের সাথে খেলার আগে ভাল করে প্রস্তুতি নেবে না (সবাই দেখেছেন এই plan টা কী তুমুল ভাবে সফল হয়েছে)। ধোনি একটু কাঁইমাই করায় তাকে টেস্ট খেলা থেকে রিটায়ার করিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশী বেগড়বাই করলে তার নাম change করে শুধু “ই” করে দেওয়া হবে বলে হুমকিও দেওয়া হয় (যারা এই নাম পরিবর্তনের মাহাত্মটা অনুধাবন করতে পেরেছেন তাদের জন্য- সরি, এটা একটু নন-ভেজ হয়ে গেলেও লেখার লোভ সামলাতে পারলাম না)। বিরাট ও ঝামেলা করেছিল এবং গোটা চারেক সেঞ্ছুরিও করে ফেলেছিল। তবে ছেলে বড় আবেগপ্রবন, সহজেই মাথাটা গরম করে ফেলে আর খেলার বারোটা বেজে যায়। বিরাটের বারোটা বাজানোর জন্য তাই জনসন, ওয়ার্নার, অনুষকা, একটা সাংবাদিকের মত দেখতে আরেকটা সাংবাদিক ইত্যাদিদের লেলিয়ে দেওয়া হয়।

    এত কিছু করার পরও প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান কে হারানোর জন্য স্পিন সহায়ক আর ব্যাটিং সহায়ক পিচ বানানো হয়। পাকিস্তানের সেরা স্পিনারকে তো আগেই চক্রান্ত করে বল ছোঁড়ার অপবাদ দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর পাকিস্তানের ব্যাটস্‌ম্যানরা তো লাহোর, করাচির তীব্র সুইংভরা পিচে খেলে অভ্যস্ত, সোজা বলও ২০ সেন্টিমিটার deviation হবে ভেবে খেল্লেন এডিলেড এ আর পটাপট আউট হলেন। এইভাবে plan মাফিক সবাইকে হারিয়ে group এ প্রথম হয়ে quarter final এ ওঠার পরই ধাক্কা – সামনে যে মহাশক্তিশালী বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সামনে final এর আগে পরাটা একদম হিসেবে ছিল না। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে বাংলাদেশ অন্য group এ চতুর্থ হয়ে ভারতের সামনে। আর কোনো plan না থাকায় BCCI সেই ডলার খাওয়ানোর plan এ ফিরে যেতে বাধ্য হয়। ২৬/১১ র প্রধান অভিযুক্তকে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে ভারতের প্রিয় বন্ধু, সুখ-দুঃখের সাথী পাকিস্তানের আম্পায়ারকে পক্ষপাতিত্ব করতে বলা হয়। বাংলাদেশের অধিনায়ক মোশারফিকেও ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু তা ব্যর্থ হওয়ায় তাকে গুন্ডা দিয়ে পেটানো হয় (দেখেননি বেচারা খোড়াচ্ছিল মাঠে)। শুধু তাই নয়, খেলাটি প্রথমে নিউজিল্যান্ড এ হওয়ার কথা থাকলেও, বাংলাদেশের বাঘেদের ক্লান্ত করে দেওয়ার জন্য, সেটি অস্ট্রেলিয়ায় স্থানান্তরিত করা হয়। এবং একটি লঝঝড়ে বাসে করে অস্ট্রেলিয়ার খানা-খন্দে ভরা রাস্তা দিয়ে তাদের নিয়ে আসা হয়। মাঝে বাস খারাপ হয়ে যাওয়ায় মাইল দশেক ক্যাঙ্গারুসঙ্কুল পথ তাদের হাটতেও বাধ্য করা হয়। তারপর কি হয়েছে সে তো সবাই দেখেছেনই। ভারতের একমাত্র ব্যাটস্‌ম্যান রোহিত শর্মা কে আউট হলেও আউট দেওয়া হয় নি। বাংলাদেশের তথা বিশ্বের সেরা ব্যাটস্‌ম্যান মোহমুতুল্লাহ, যাকে বাউন্ডারির বাইরে ছাড়া ক্যাচ না ধরে আউটই করা যায় না, তাকেও অন্যায়ভাবে আউট দেওয়া হয়। এত কিছু করে বাংলাদেশকে মাত্র ১০৯ রানে হারানো যায়।

    কিন্তু উপরওয়ালা আছেন, তিনি সব দেখছেন। সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার সাথে খেলার আগে BCCI খেলোয়াড়দের বলতে ভুলে যায় যে এবার আর হারতে হবে না। অস্ট্রেলিয়ার সাথে খেলা শুনে অনুষকা ও শ্যুটিং ফেলে হাজির বিরাটের বারোটা বাজাতে। তারপর যা হওয়ার তা ই হল। বিরাট ও ১ রানেই আউট আর ভারতের ও বিদায়। যাক, আবার রাতে ভাল করে ঘুমোতে পারব।
  • potke | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২২:১৪284023
  • ডেটা দিতে পারেন,দ্রি? তাহলে একবার দেখব। সাইড-এফেক্ট্স এর ডেটা বোধহয় নেটে পাব।
  • | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২২:১৩284022
  • @ দ্রি
  • | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২২:১১284019
  • করুন। তবে লোকটা নাকি সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় ট্রায়ালে দাঁড়িয়েছিলো!
  • potke | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২২:১১284020
  • "পাইলটের বাপ" আপনাকে বলিনি ডিসি, যাকে বলেছি সে বুঝেছে ঃ)
  • Binary | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২২:১১284021
  • প্রতিবেশী রাষ্ট্রের অপ্রাসঙ্গিক ভারত বিদ্বেষ, ভারতীয়দের উদ্দেশ্যে, বিরক্তি আর ঘৃনা উদ্রেগকারী কুবচন, অনৈতিক দোষারোপ প্রায় মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ক্রিকেট কে কেন্দ্র করে, সমস্ত রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক, ধর্মীয় কুত্সা হিংসা, সবনর্দমার গেট খুলে বেরিয়ে আসছে। খুব-ই হতভাগ্য পরিস্থিতি। আমার মত, যাদের, পূর্ব পুরষের ভিটে ওপার বাংলায়, যাদের বাবা/মা-এর কথার টানে এখনো সামান্য হলেও পূর্ব-বঙ্গীয় ডায়ালেক্ট, খাওয়া দাওয়া-য় ওপার বাংলার সংস্কৃতি, যারা এখনো মনে করে রবি ঠাকুর দুই বাংলার -ই, তাদের পক্ষে, এই রকম কাদাছোড়া মেনে নেওয়া আরো কষ্ট কর। ঘাড়ের কাছে বসে থাকা পলিটিকাল চরমপন্থা, ধর্মান্ধতা আরো বিরক্তি কর। ওই রাষ্টের সাধারণ মানুষ ভুলে যাচ্ছে, যে আজ থেকে ৬৫ বছর আগেও দেশ টা একটাই ছিল। মাস্টারদা সূর্য্য সেন -এর বিরগাথা যাকে এপার বাংলা সেলাম করে, তিনি ওপারবাংলার। ৭১ -এর বাংলাদেশের মুক্তি যুদ্ধ তো ছেড়েই দিলাম, ব্রিটিশ বিরোধী সসস্ত্র আন্দোলনের বহু শহিদ দুই বাংলার-ই।

    কাল শুনলাম অস্ট্রেলিয়ার কাছে ভারত হেরে যাওয়ায়, সেখানে বিজয় মিছিল হয়েছে। আতস বাজি পোড়ানো হয়েছে। হয়েছে তো হয়েছে। কলকাতায়-ও ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফুটবল ম্যাচে, কেউ হারে কেউ জেতে, কেউ বাজি পোড়ায়, কেউ রং মেখে পতাকা টানায়। খেলা তো খেলা-ই. সমর্থন সমর্থন-ই। আমি-ও ইস্টবেঙ্গল জিতলে তবলা বাজাই। কিন্তু, সমর্থন আর বিদ্বেষ একনয়। একটা দেশ, পুরো জনগণ একত্র হয়ে, একটা ক্রিকেট খেলায়, মাতালের মত কোনো অন্য একটা দেশের উদ্দেশ্যে লাথি ছোড়ে, তাহলে জিঘাংসা আর জিঙ্গইজীম-ই প্রকাশ পায়... জেতার আনন্দ আর 'ম্যাইরা ফ্যলুম, কাইট্যা ফ্যালুম ' এক নয়।

    *****
    তবে একহাতে তালি বাজে না. এটাও ঠিক যে সোসাল মিডিয়ায়, অসংখ্য কার্টুন, পোস্ট-ও দ্যাখা যাচ্ছে, ভারতীয়েদের পক্ষ থেকে, অবমাননা কর। একইসঙ্গে সেগুলো-ও বন্ধ হওয়া উচিত। হয়ত এগুলো প্রোভোক্ট, কিন্তু তাও। ...

    ****
    কালকে আমার বউ আরো একটা ঘটনা মনে করিয়ে দিল। আশি বা নব্বই দশকের সেই ক্রিকেট বিশ্বকাপ, একই মঞ্চ। সেমিফাইনাল। অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি, আরো একটি প্রতিবেশী দেশ, পাকিস্তান। ঠিক একই জিঙ্গইজীম দেখেছিলাম, কলকাতায়। একটা দেশ, একটা জাতি, একটা শহর একসঙ্গে অস্ট্রেলিয়া কে সমর্থন করেছিল। অস্ট্রেলিয়া জিতলে মনে হয়েছিল, ভারত-ই জিতল ওয়ার্ল্ডকাপ -টা, আতসবাজি পুড়েছিল কানের পর্দা ফাটিয়ে। সেটাও কোনো সমর্থন ছিল না, ছিল আপাদমস্তক জিঘাংসা।

    জীবদ্দশায়, ফেরত আসে বন্ধু
  • দ্রি | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২১:৫৯284018
  • এই টেকওভার অফ টেকনলজি খুবই ভয়ের ব্যাপার টি।

    আগামীর অবয়বটা কোথায় গেল?
  • দ্রি | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২১:৫৪284017
  • লেটেস্ট বোয়িং এরোপ্লেন তো পুরোপুরি রিমোটলিও ওড়ানো যায়। কোথায় জানি পড়ছিলাম।
  • T | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২১:৫১284016
  • ঠিকই বলছে।
    Brenner said a better long-term solution is to use technology to take authority away from pilots -- a shift that would take years and face skepticism from pilot groups and the public. Jets from both Boeing and Airbus, the two biggest planemakers, already include some protections against actions by pilots, so broader protections may be feasible, he said.
    “Up to now, we’ve been watching the computers,” Brenner said, referring to pilots’ reliance on digital systems to monitor the performance of modern airliners. “But now the computer has become so reliable, I think it’s reasonable for the computer to start watching the human.”

    সূত্র
    http://www.bloomberg.com/news/articles/2015-03-26/germanwings-crash-spotlights-risk-as-pilot-caused-disasters-rise

    এটা শুরু করুক।
  • দ্রি | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২১:৪৪284015
  • পোর্ট আর্থার ম্যাসাকার তো বেশ আগেকার কথা। ঐ ঘটনা যখন ঘটেছিল, তখন ওটাকে ফেস ভ্যালুতেই নিয়েছিলাম। তখন মিডিয়ার ন্যারেশান এত অবিশ্বাস করতাম না।

    কিন্তু এখন তো নেট ঘেঁটে দেখছি ঐ শুটারেরও সাইকিয়্যাট্রিক ট্রিটমেন্ট হয়েছিল।

    একটা কমপাইলেশান করলে হয়। ভায়োলেন্ট মাস মার্ডার আর সাইকিয়্যাট্রিক ওষুধ।
  • T | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২১:৪২284014
  • হ্যাঁ, সে হতে পারে।
  • Arpan | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২১:৩৮284013
  • টি বায়োমেট্রিক অথেন্টিকেশনের কথা লিখেছে। কিন্তু তা হলেও উগ্রপন্থী হামলায় ঝাড় খেতে পারে তাই না? মানে কাগজে তাই লিখেছে।
  • T | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২১:৩৪284012
  • দেখুন টেকনোলজি যে জায়গায় গ্যাচে, সেখানে খুব নর্মাল ওয়েদার কন্ডিশনে টেক অফ থেকে শুরু করে ল্যান্ডিং পুরোটাই অটোনমাসলি করার কথা। মানে পাইলটদের বেসিক্যালি কিচ্ছু করতে হবে না। এয়ারলাইন্স কোম্পানী গুলো এইবার ভেবে দেখুক।
  • দ্রি | ২৭ মার্চ ২০১৫ ২১:৩৩284011
  • জানি না, কোন ড্রাগ খেলে হার্টবীট নর্মাল হয়, আর কোন ড্রাগ খেলে বুক ধড়ফড় করে।

    কিন্তু এইটুকু জানি, সিক্সটিজের পর সি আই এ মাইন্ড কন্ট্রোল নিয়ে এক্সটেন্সিভলি রিসার্চ করেছিল/করছে, যার একটা পার্ট হল ঠান্ডা মাথার খুনী তৈরী করা। এটার অ্যারাউন্ডে এক ধরনের ফার্মাসিউটিকাল রিসার্চ আছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত