এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Tim | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৯:২১286410
  • "এইবার প্রশ্ন, সেটা আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে শুধু নয়। প্রশ্ন হলো এই পাওয়ার পজিশন চেঞ্জের সময় মেয়েদের ক্ষেত্রে কি চেঞ্জটা বাবা মায়ের মানতে বেশি অসুবিধে হয়, এবং সংঘাতটা বেশি বাড়ে, ছেলেদের তুলনায়? বাবা মা ছেলেদের কর্তৃত্ব এবং সিদ্ধান্ত মানতে কি বেশী আগ্রহী থাকেন, মেয়েদের তুলনায়?"
    ---------------------
    হ্যাঁ
  • dc | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৯:১৯286409
  • প্রশ্ন হলো এই পাওয়ার পজিশন চেঞ্জের সময় মেয়েদের ক্ষেত্রে কি চেঞ্জটা বাবা মায়ের মানতে বেশি অসুবিধে হয়, এবং সংঘাতটা বেশি বাড়ে, ছেলেদের তুলনায়? বাবা মা ছেলেদের কর্তৃত্ব এবং সিদ্ধান্ত মানতে কি বেশী আগ্রহী থাকেন, মেয়েদের তুলনায়?

    হ্যঁ এবং হ্যাঁ। আমি দুএকটা কেস কাছ থেকে দেখেছি, তাতে মনে হয়েছে ছেলেদের ক্ষেত্রে অথরিটি হ্যান্ড ওভার বেশী স্মুথ।
  • sosen | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৯:১৫286407
  • ইয়ে, মানে আমি চাপ খেয়ে যাচ্ছি।
    আমার বক্তব্য বা প্রশ্নটা রিফ্রেজ করি।
    ব্যাকগ্রাউন্ডঃ বাবা মা ও সন্তানের মধ্যে মতান্তর হয়। হবেই।
    পাওয়ার পজিশন বদলের সময়( আর্থিক/ অন্যান্য দায়িত্ব) এই ডিফারেন্স অব ওপিনিয়ন বাড়ে। এটাও সর্বজনগ্রাহ্য।
    বাবা মায়ের প্রতি জৈবিক টান ও ভালোবাসা এবং উল্টোটা সর্বজনগ্রাহ্য। এখানে ওটা রেলিভ্যান্ট নয়।

    এইবার প্রশ্ন, সেটা আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে শুধু নয়। প্রশ্ন হলো এই পাওয়ার পজিশন চেঞ্জের সময় মেয়েদের ক্ষেত্রে কি চেঞ্জটা বাবা মায়ের মানতে বেশি অসুবিধে হয়, এবং সংঘাতটা বেশি বাড়ে, ছেলেদের তুলনায়? বাবা মা ছেলেদের কর্তৃত্ব এবং সিদ্ধান্ত মানতে কি বেশী আগ্রহী থাকেন, মেয়েদের তুলনায়?

    বা বড় ছোট দিয়েও কি এই রকম জেনারালাইজেশন হয়?

    এই প্রশ্নটা এক সন্তানের ক্ষেত্রে কতটা রেলিভ্যান্ট আমি জানিনা। মনে হয় নয়। প্রশ্নটা বেশ কিছু মধ্যবিত্ত স্বাবলম্বী মেয়ের ফিডব্যাক থেকে আসা। আমার মনে হয়েছিলো এর মধ্যে গ্রে এরিয়া আছে। তা বলে মা বাবার ভালোবাসাকে ছোটো করছিনা বা সলিউশন খুঁজছিনা। অ্যাজ সিম্পল অ্যাজ দ্যাট।

    টিমকে ক।
  • pi | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৯:১৫286408
  • 'স্নেহ সর্বদা প্রথমে পুত্রমুখী। ' সত্যি সত্যি কোন মুখী আমি জানিনা, মাপার উপায়ও জানিনা, কিন্তু এটা আমি কখনোই ফিল করিনি। এটা মাইনরিটি ভয়েস কিনা জানিনা, কিন্তু ভয়েস যখন, আসা দরকার, এই আর কি।
    আর খটাখটি লাগলে সেটা ঠিক স্নেহের তারতম্যের কারণে হয় বলেও মনে হয়নি, বরং সে তাদের অন্যান্য নানা এক্সপেক্টেশনের / ভাবনাচিন্তার পার্থক্যজনিত চাপ বা স্নেহের আতিশয্য থেকে অন্যান্য নানা কিছু চাপিয়ে দেওয়া, স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ ইঃইঃ।
  • Tim | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৯:১০286406
  • স্যান, একদম। কিন্তু সেগুলো বাবা-মা বলে নয়, দুজন সেন্সিবল মানুষের মধ্যেকার বন্ড। সেটা দুজন অনাত্মীয় মানুষের মধ্যেও হতে পারে, ঐ ঐ কোয়ালিটিগুলো থাকলে, প্রয়োজন/পরিবেশ থাকলে।
  • Tim | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৯:০৮286405
  • এবার সোসেনের প্রশ্নের উত্তর দি। সবই যেহেতু অ্যানেকডোট নির্ভর, এই মতামতের মূল্য কী জানিনা। আমি দেখেছি, একই বাড়িতে থেকে ছেলে মেয়ে নির্বিশেষে বাবা মায়ের সাথে অসম্ভব দূরত্ব তৈরী হতে। তিক্ততা। ঝগড়া যে রোজ হচ্ছে এমন না, বা কোন ফিলিংস ই আর নেই এমনও নয়, কিন্তু সেসব বেরোবার অবকাশ পেতনা। বরং সা নি, পরিস্থিতি ইত্যাদি মিলে আরো আরো দূরে সরিয়ে দিত, সম্পর্কগুলো এক এক সময় অপরিচিতির থেকেও খারাপ হয়ে যেত। দূরে সরে থাকলে হয়ত ভালো থাকতো। ওভারল্যাপ কম থাকলে ঘা শুকোবার সময় পায়।
    আমারও দমদির মত মনে হয় এই দূরত্বটুকু দরকার। নইলে সম্পর্কে নানা তিক্ততা আসে। রোজ গা ঘেঁষে ঝোলভাত খেলাম আর কয়েক হাজার মাইল মানসিক দূরত্ব এর চেয়ে ফিজিক্যালি একটু দূরে থাকা বেটার।
  • hu | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৯:০৪286403
  • আরেকটা জিনিস জানতে চেয়েছ - এই ব্যাপারে ছেলে সন্তান আর মেয়ে সন্তানের মধ্যে তফাত আছে কিনা। আমার মনে হয় কিছুটা তো আছেই। আমাকে কিন্তু ছোট থেকে মেয়ে বলে কোন আলাদা ট্রিটমেন্ট দেওয়া হয়নি। ঐ যে "পাপাস প্রিন্সেস" বলে - সেই রকম আমি কোনদিনই ছিলাম না। খুব স্বাভাবিক ভাবে বড় হয়েছি। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা যাতে অর্জন করতে পারি সে ব্যাপারে বাড়ি থেকেই জোর দেওয়া হয়েছে। আমার থেকে টাকা নিতেও আমার বাড়ি থেকে কখনও আপত্তি করেনি। কিন্তু বিয়ের পরে কিছু একটা চেঞ্জ হয়ে যায়। আমার ভাই-এর বাড়িতে ওরা যেমন নির্দ্বিধায় থাকতে পারে, আমার বাড়িতে থাকতে হলে সেই অকুন্ঠিত ভাবটা দেখিনা। আমার বাড়ি মানে কিন্তু শ্বশুরবাড়ির কথা বলছি না। ছেলের বউ-এর ওপর যে অধিকারটা আছে সেটা জামাইয়ের বেলা খাটে না। এমন নয় যে জামাই অরাজি। এটা একটা সানি। এই বয়েসে কাটবে বলেও মনে হয় না।
  • dc | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৯:০৪286404
  • মানি ইস আ বিগ ফ্যাক্টর তো বটেই, টাকাই জীবনে আসল ফ্যাক্টর। এক্স ফ্যাক্টরও বলতে পারেন। টাকা থাকলে সব সম্পর্ক সহজ, কোন ঝগড়াই বেশীদিনের না। আর টাকা না থাকলে সব সম্পর্কই তিক্ত, সব ঝগড়াই দীর্ঘস্থায়ী।
  • san | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৯:০৩286402
  • কিন্তু যাদের বাপ-মা সত্যিই তাদের সবচেয়ে বোঝেন ? এবং যারাও বাপ মা কে বোঝে ? তারা সেই সম্পর্ককে অত্যন্ত দামী মনে করবে, এতেও বোধ হয় আশ্চর্যের কিছু নেই।
  • Abhyu | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৯:০২286401
  • ব-দা, এমনো ভাটেতে তুমি কোথা?
  • Tim | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:৫৮286400
  • গত পনেরো বছরে এমন অসংখ্য কেস দেখলাম যেগুলো এক্সিস্ট করে বলে আগে ভাবিইনি কোনদিন। বাবা-মা ই একজনকে সবথেকে বেশি বোঝেন বললে সেই অগণিত মানুষ ও সম্পর্কগুলোকে যা তা অপমান করা হয়।

    দ্বিতীয়তঃ কোন সময়ের কথা হচ্ছে? এই সেদিন পর্যন্ত একটা বড়ো সংখ্যক বাবা-মায়েরা নিজের বাচ্চাদের সব থেকে কম চিনতেন। এ সেই ঠাকুমার আমল থেকেই দেখে আসছি, আবার ২০০০ সালে মাধ্যমিক দিচ্ছে সেরকম লোকজনকেও দেখলাম। এরম ভাবে লাইন টেনে বলে দেওয়া যায়?
  • hu | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:৫৬286399
  • অ্যাট দ্য সেম টাইম, আমি কিন্তু নানা বিষয়ে আমার বাবা-মায়ের খুবই গুণমুগ্ধ। এরা যদি আমায় জন্ম নাও দিত তাহলেও সেই গুণগুলোর জন্য পছন্দ করতাম।
  • hu | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:৫৪286397
  • একটু ভাও নেব ভেবেছিলাম। কিন্তু সরি চাইলে কি আর দিয়ে থাকা যায় ;-))

    আমি যদি তোমার মত একবাড়িতে থাকতাম তাহলে তোমার মতই অভিজ্ঞতা হত মনে হয়। কিন্তু সেটা যেহেতু বহুদিন থাকি না তাই হয়ত ব্যাপারটা দমদির মত হয়ে গেছে। অনেক বিষয়েই মতান্তর হয়। সেটা তিক্ততাতেও পৌঁছয়। তবে যেহেতু দূরে চলে আসতে পারি তাই সেটা আস্তে আস্তে ফিকেও হয়ে যায়। ওরা যে শুভানুধ্যায়ী এটা নিয়ে তো কোন সন্দেহই নেই। তবে চিন্তাভাবনার দিক থেকে অনেকটা দূরত্ব চলে আসায় ওদের শুভ আর আমার শুভ সব সময় মেলে না।
  • san | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:৫৪286398
  • হ্যা হ্যা, টিম এসে সক্কলের থোঁতা মুখ ভোঁতা করে দিয়েছে :-)
  • Tim | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:৫২286396
  • আফনেরা এই অ্যাতো অ্যাতো বিজ্ঞান, জেইউ, ডাগদারি, এমেন্সি, মুখ ও মুখোশ সব করে তারপরে, তারো পরে কিকরে এরকম জেনেরেলাইজেশন করেন? বিশেষতঃ যারা বাবা-মা মানেই কোভ্যালেন্ট বন্ড আর বাকিসব জেমস বলে কেত্তন করছেন, তাদের বললাম।
  • sosen | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:৪৭286395
  • না না হুচি বলো। সরি চাইছি ঃ)
  • hu | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:৪৩286394
  • বাহ বাহ! সোসেন আমার মতামতের তোয়াক্কা করে না। দেখে নিলাম।
  • জলপাই | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:২৬286393
  • 6:04 এর শেষ বাক্যটি বেশ লাগল। ইগো কম থাকলে বেশ সুবিধে।
  • san | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:২২286391
  • আহা সেন্টি কিসের ? ক্ল্যাশ হয় তো। যেকোনো সুস্থ সম্পর্কেই ক্ল্যাশ হয়। কিন্তু ঝেড়ে ফেলা যায়। জমিয়ে রেখে কিই বা চতুর্বর্গ লাভ হবে ?
  • একক | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:২০286390
  • একেক পরিবার অবশ্যই একেকরকম। তবে কমন ফ্যাক্টর বেসিসেই তো যেকোনো আলোচনা হয়। মানি ইস আ বিগ ফ্যাক্টর। টাকা পয়সা জিনিসটা যদ্দিন ঠিকঠাক থাকে তদ্দিন পরিবার নামক স্ট্রাকচার টার কোনো খারাপ দিক ধরা পরেনা। আবার প্রচুর সারপ্লাস মানি থাকলেও অশান্তি বাড়ে।
    জেনেরাল এক্সপেকটেশন আরেকটা ফ্যাক্টর। বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে দেখেছি বাপ-মা ঠিক করে উঠতে পারেননা একচুয়ালি কী চান। খুব আধুনিক বাপ-মা, মেয়েকে উচ্চশিক্ষার পরামর্শ দিচ্ছেন। চুল ছোটো করে কাটিয়ে দিচ্ছেন। এইরকম একটা বয়েস অবধি বেশ চলে। হটাত একদিন ঘুম ভেঙ্গে বুঝতে পারলেন অমুকের মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে, কোলে একটি ফুটফুটে। পাশের তমুক পড়শীর মেয়ে দিব্বি "সবদিক সামলাচ্ছে" আর নিজের মেয়ে কোথা হইতে কী হইলো যেন উচ্চশিক্ষিত উড়নচন্ডি। সব কথার উত্তর বাঁকা বাঁকা। ব্যাস মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পরলো। এই থ্রুআউট ভেরিয়াস ফেযেস অফ লাইফ এক্সপেক্টেশন লেভেল এ ইন্টিগ্রিটি বজায় রাখা বিশাল চাপের জিনিস। ছেলেদের ক্ষেত্রে "কথা শুনবেনা" এটা সানি মেনে এক্সপেক্টেশন এর অঙ্গ। তাই শক কম। বাপ-মা হওয়া অবশ্যই কঠিন কাজ। এত হিসেব করে মেপে জুকে বাস্তব জীবন চলেনা। ছেলে-মেয়ে হিসেবে সম্পর্ক ঠিক রাখাও কঠিন।
  • Abhyu | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:১৫286389
  • স্যানঃ দুই ছেলে হলে বিশেষত। সব দায় মেটায় একজন, দ্বিতীয়টিকে বাপমা ডানার তলায় আগলে রাখেন।

    অভ্যুঃ দুটিই ছেলে হলে স্নেহ জলের উল্টোপথগামী :)
  • d | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:১৩286388
  • হ্যাঁ আমার স্টকে মেলা তিক্ততা থাকে। এমনিতেই আমি সহজে কিছু ভুলি না, আর ভোলা না গেলে থেকেই যাবে।
    তবে অনেকটা পথ হেঁটে আসার পুরানো তিক্ততাগুলো ফিকে হয়ে স্বাদ হারিয়ে বিবর্ণ কিছু স্মা মুখ না খুলে গিলে ফেলা। ঋতি হয়ে থাকে তো, তখন আবার নতুন তিক্ততারা জন্ম নেয়।

    আর হ্যাঁ আমার দেখা সেটে যাদের ব্যক্তিত্ব বা নিজস্ব সত্ত্বা, চিন্তাভাবনা নিয়ে তেমন ইসে নেই, তাদের এইটে খুব একটা অসুবিধে করে না। আরেকটা সেট হল 'বাবা মা-ই তো, বলেছে কি-ই আর হয়েছে' বলে ঝেড়ে ফেলা ব
  • Abhyu | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:১২286387
  • তব্বে? :) @Kaju
  • quark | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:০৯286385
  • IP Address : 131.242.160.210 (*) Date:10 Apr 2015 -- 04:52 PM

    ভারি সুন্দর লাগলো। সত্যিও বটে।
  • san | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:০৯286386
  • ভয়ে ভয়ে বলি - সোসেন্দি যেটা বল্ল সে কি ছেলে-মেয়ে বিভেদ ? না বড় ছোট ? সেরম হলে অনেক দেখেছি ! দুই ছেলে হলে বিশেষত। সব দায় মেটায় একজন, দ্বিতীয়টিকে বাপমা ডানার তলায় আগলে রাখেন। কত দেখলাম।

    ও সোসেনদি, তোমার স্যাম্পল সেটে বড় দাদা আর ছোট বোনের ক্ষেত্রেও কি অমনটিই দেখেছ ?
  • Kaju | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:০৮286383
  • না প্লিজ করতে হবে না। আমি জানি কী বলবে। ঃ)
  • Kaju | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:০৮286384
  • আরে সেন্টি না, মিলি মাইক্রো এইসব।
  • Abhyu | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:০৭286381
  • কাজু এট্টা কোশ্চেন করি? নির্ভয়ে?
  • sosen | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ১৮:০৭286382
  • এরা এত সেন্টি খায় ক্যানো? প্রশ্নটা সেন্টির ছিলনা। আইডেন্টিটি ক্ল্যাশ, পজিশন ক্ল্যাশের ছিল।
    যাগ্গে
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত