এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সে | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৫:৩১286680
  • দীর্ঘ সময় ধরে ক্যাথলিক চার্চের মাস অ্যাটেন্ড করেছি। নিয়মিত। সেখানে ক্যাথলিক মেয়েদের মধ্যে এই ট্যাবু কস্মিনকালে দেখিনি। তারা কিন্তু মাস এ এসেছে নিয়মিত, সবশেষে প্রসাদ ও গ্রহণ করেছে।
    ব্রাহ্মদের মধ্যেও এ জিনিস কোনোকালে দেখিনি। নেভার।
    এ শুধু হিন্দুদের মধ্যে একটা সাবসেট বলে মনে হচ্ছে। তবে সংখ্যায় এরা নেহাৎ কম নয় তা বুঝতেই পারছি।
  • কল্লোল | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৫:২৯286679
  • রজঃশ্রাবের সময় রান্না বারন - এটা বাঙ্গালী বাড়িতে খুব একটা নেই। গ্রামের দিকে আছে কি না জানি না। কিন্তু ভুবনেশ্বরে আমার ওড়িয়া ব্রাহ্মণ সহকর্মীকে মেনে চলতে দেখেছি। এখানে আমাদের ওড়িয়া বন্ধু ও তার বাঙ্গালী স্ত্রী এসব মানেন না। কিন্তু বরের দেশ থেকে মানুষ এলে মানতে হয়। এমনকি ফ্রিজে জল ও জুশ ছাড়া কিছু রাখা যাবে না, সেটাও মানতে হয়। এর সাথে অবশ্য মাসিকের সম্পোক্কো নাই।
  • san | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৫:২৭286678
  • আমার এতকাল ধারণা ছিল অন্তত আমাদের জেনারেশন যতদিনে পিউবার্টি রিচ করেছে, তদ্দিনে এমনি কাপড়ের টুকরো ইউজ করা ব্যাপারটা উঠেই গেছিল (শহরের মধ্যবিত্ত পরিবারের কথা বলছি )। রান্নাবান্না নিয়ে বিধিনিষেধ জন্মেও দেখিনি, শুনিনি। আমি তবে কোন কোলকাতায় বড়ো হলাম ? এ মানে কোনো তর্ক করার জন্য বলছি না, গুরু / ফেসবুক ইত্যাদি পড়ে আজকাল কেমন কনফিউজড হয়ে যাই এই আরকি।
  • সে | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৫:১৯286677
  • পরিবার পরিকল্পনার অ্যাড, কন্ডোমের অ্যাড (সেক্স ফর প্লেজার অর্থাৎ কামাসুত্রা), কেয়ারফ্রীর অ্যাড - এ সবই তো সরাসরি টিভির পানে তাকিয়ে দেখা যেত না।
    ক্রমশ ট্যাবু ভেঙেছে।
    কন্ডোমের ব্যবহার বেড়েছে (হয়ত এইচাইভি এইড্‌স এর কল্যানে কিছুটা), সেইসঙ্গে মালা-ডি, ইত্যাদিও। এসব ব্যবহারেও ট্যাবু ছিলো, আছে। কিন্তু কমে গেছে অনেক।
    এখন কুসংস্কারের ট্যাবুও আরেকটা জিনিস। এটা স্বাস্থ্য রিলেটেড নয়, কিন্তু এই ট্যাবু ভাঙার খুব দরকার।
  • সে | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৫:১৪286676
  • ন্যাপকিন ব্যবহারেও কিছু পরিবারে বাধা ছিলো আমাদের সময়ে। আমার ক্লাস নাইনের সেকেন্ড হাফ থেকে মেন্স্‌ট্রুয়াল সাইকল শুরু হয়। ক্লাসের অন্য মেয়েদের অনেক আগেই এসব হতো। কিছুটা জানতাম। আমি গোড়া থেকেই দোকান থেকে কেনা ন্যাপকিন ব্যবহার করতাম। ক্লাসে দু ধরণের গ্রুপ ছিলো। গরীব নয়, বেশ অবস্থাপন্ন পরিবারের মেয়েরাও ন্যাকড়া ব্যবহার করত। শিক্ষিত পরিবার, বাবা মা উভয়ে কলেজের লেকচারার এমন মেয়েও বলেছে, ওসব জিনিস ভালো নয় - অস্বাস্থ্যকর। বাড়ীর কাচা কাপড় থেকে বানানো ন্যাকড়া অনেক ভালো।
    তারা অবশ্য রিইউজ করত না। কিন্তু ঐ দোকানের জিনিস ভালো নয় সেই কন্সেপ্ট বাড়ীতে মা বাবাই মাথায় ঢুকিয়ে দিয়েছিলো।
    কেয়ারফ্রীর অ্যাড্‌ চললে অন্যদিকে তাকিয়ে থাকা (চ্যানেল তো একটাই, চ্যানেল ঘোরাবার কোনো সীন নেই, রিমোট কন্ট্রোলও তখন আসেনি মার্কেটে), এইসমস্ত দেখেছি অনেকের বাড়ীতে। হাঁ করে সেই অ্যাড দেখেছি বলে তাদের কাছে অসভ্য মেয়ে আখ্যাও পেয়েছি।
  • pi | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৫:০৬286675
  • মানে, আমার ধারণা ছিল, মেয়েদের ন্যাপকিন ব্যবহার না করাটাও একটা ট্যাবু, আর সেটা ভাঙা সত্যি জরুরিও মনে করতাম। এখানে পড়লাম, সেটা নাকি ট্যাবু নয় বা ওরকম কিছু।

    অরুণাচলমকে নিয়ে একটা লেখায় এটা পড়েছিলাম,
    It was hard even to broach the subject in such a conservative society. "To speak to rural women, we need permission from the husband or father," he says. "We can only talk to them through a blanket."
    There are also myths and fears surrounding the use of sanitary pads - that women who use them will go blind, for example, or will never get married. But slowly, village by village, there was cautious acceptance and over time the machines spread to 1,300 villages in 23 states.
  • pi | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৫:০৩286674
  • পিরিয়ডের সময় রান্না করেনা, এ আমিও প্রথম শুনলাম। পুজোর কাজ করা যাবেনা ছাড়া পিরিয়ড নিয়ে আর কোন ট্যাবু সেভাবে দেখিনি, তো, বললামই তো, পুজো করা ব্যাপারটা নিয়েই যেখানে আপত্তি আছে, পবিত্রতা, অপবিত্রতার কনসেপ্ট, ছোঁয়াছুঁয়ি, বাছবিচার নিয়ে, সেখানে অমুক করলে কেন পুজো করতে দেওয়া হবেনা, সেটা ভাঙাভাঙি নিয়ে এফর্ট দেওয়া কতটা প্রয়োজন জানিনা।

    এদিকে লোকজন স্ট্যাটাস আপডেট দিচ্ছে, পোস্ট করছে, আমার পিরিয়ড হয়েছে বলে। পাল্টা পোস্ট ও আসছে, আমার নাইটফল হয়েছে বলে।
    কীসের কী ট্যাবু ভাঙাভাঙি বিপ্লব চলছে কে জানে।
  • সে | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৪:৫৯286673
  • স্যানিটারি ন্যাপকিন নিয়ে আন্দোলন চলছে জানি।
    কিন্তু ট্যাম্পোন? সেটাও নিশ্চয় ট্যাবু? অবিবাহিত মেয়েরা কি ট্যাম্পোন ব্যবহার করে? (ভা র তে)।
  • সে | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৪:৫৬286672
  • মেন্স্‌ট্রুয়েশনের সময় যে রান্না করে না, কি পুজো করে না, সেসব আমি জেনেছি এইখানে। গুরুতে। পুজোর পাট বাড়িতে ছিলো না। রান্না তো রোজ মা করত, নয়ত ঠাকুর থাকলে ঠাকুরই রাঁধত। পুজো দিতেও গেছি কালীতলায় কালেভদ্রে। এর সঙ্গে যে মেন্স্‌ট্রুয়েশন রিলেটেড টপিক তা কোনোদিনো জানতাম ই না, এসব জিনিস বাড়িতে শিখিনি। এখানে এসে প্রথম জানলাম।
  • pi | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৪:৫৫286671
  • 'ফিমেল হেল্থ অ্যান্ড হাইজিন অত্যন্ত জরুরি কিন্তু সেটার সংগে এই কুসংস্কার বা অপ্রেশন সরানোটা একসাথে যাবে না।'

    -এটা কেন বলা হল, একেবারেই বুঝিনি।

    ডিসি যেটা বললেন, পিরিয়ড স্রেফ একটা জৈবিক ব্যাপার, এই প্রচারটা তো ফিমেল হেল্থ অ্যান্ড হাইজিন সংক্রান্ত ক্যাম্পেনের একটা বড় পার্ট !
  • pi | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৪:৫২286670
  • পিরিয়ড নিয়ে ট্যাবু মানে খালি এটাকে অপবিত্র মনে করা আর নিয়ে ফিসফিসানি ?

    তো, অপবিত্রতার পয়েন্টে, শুচি অশুচি ব্যাপারটা ইটসেল্ফই তো কুসংস্কার। পিরিয়ডের সাথে অপবিত্রতার সম্পর্ক নেই, এটা বুঝিয়ে কী লাভ, তার মানে কিছু একটা জিনিসকে পবিত্র ধরা হচ্ছে, পিরিয়ড সেটা নয়, এই অব্দি। পুজোর সময়ে পিরিয়ড হলে কিছু ছুঁতে না দেবার ট্যাবু কাটানো নিয়েও একই কথা, পুজো আচ্চা নিজেরাই হাজারটা কুসংস্কারের আখড়া ((চান না করে এলে অশুদ্ধ, ছোঁয়া যাবে না, এও তো পিরিয়ড হলে ছোঁয়া যাবেনা র থেকে কম শোনা যায়না। অমুক কিছু বা অমুক কাউকে ছুঁয়ে এলে ছোঁয়া যাবেনা, অমুকে ছুঁতে পারবে না এবং আরো হাজারো রকম)), বা পুজো আচ্চা পুরো ব্যাপারটাই।

    আর রইলো ফিসফিসানি। তো এই অ্যাক্সেস, পাবলিক হেল্থ ক্যাম্পেনে সেটা কেন কাটানো যাবেনা, যায়না, বুঝিনি।

    When a girl reaches puberty in their village, there is a ceremony - traditionally it meant that they were ready to marry. Shanthi always brings a sanitary pad as a gift and explains how to use it.
    "Initially I used to be very shy when talking to people about it," she says. "But after all this time, people have started to open up. Now they come and talk to me, they ask questions and they also get sanitary napkins to try them. They have all changed a lot in the village."
  • dc | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৪:৪১286669
  • সব বাড়িতেই যে প্রেজুডিস ভাঙ্গা যাবে তা তো নয়! কিন্তু আপনি যদি প্রচার করতে পারেন যে পিরিয়ড স্রেফ একটা জৈবিক ব্যাপার, এর সাথে শুচি - অশুচির কোন সম্পর্ক নেই তাহলে দেখবেন আস্তে আস্তে বেশ কিছু কুসংস্কারও কমে যাবে।
  • একক | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৪:০২286668
  • এই কুসংস্কারের ব্যাপারে একটা ডেফিনিট কোয়ারি আছে। ধর্মীয় কুসংস্কার হিসেবে ধরছিনা, ধর্ম ব্যাপারটাই ভাটের। কিন্তু এ বাদে পরে রইলো রান্না বান্না না করা। তা এই একান্নবর্তী ভেঙ্গে বাহান্নবর্তি হওয়া মাইক্রো পরিবার গুলো যাদের রেফ্রিজারেটর নাই তারা ওই কদিন গৃহকর্ত্রী রান্না না করলে খায় কী ?

    আমার ছোটোবেলার স্মৃতি বলছে রান্না নিয়ে কোনকালে এরকম কুসংস্কার ছিলনা। বাড়িতে ফ্রিজ ও ছিলনা। মা যখন আমাকে ডেকে বলতেন আজকের পূজো টা তুমি দিয়ে দাও, শাঁখ বাজালেই হবে আমি মোটামুটি আন্দাজে বুঝে নিতুম এটা ওনা রপিরিয়ড এর টাইম। উই কুড নট এফোর্ড কুকিং রিলেটেড প্রিযুদিসেস। বাবা দিনে চার ঘন্টা বাড়িতে আর অত ছোটবেলায় আমি রান্না জানতুম না।

    এর থেকেই আমার ধারণা, অন্য পরিবারে দেখেও .......যে ওসব এফোর্ড তাঁরাই করতে পারেন যাঁদের কাজের লোক আছে বা রেফ্রিজারেটর বা একান্নবর্তী। সেক্ষেত্রে কুসংস্কার ভাঙবেন কীকরে ? দে ক্যান এফোর্ড প্রিজুডিস।
  • sosen | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৩:৫১286667
  • *ওরম
  • sosen | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৩:৫০286666
  • ক্রয়ক্ষমতাওলা লোকমাত্রেই টেক স্যাভি নয়। বিশেষ করে স্যা ন্যা দিয়ে যদি ক্রয়ক্ষমতা মাপেন।নোরম অ্যাপ আছে আমিও প্রথম শুনলাম ঃ)।
    না, ফিমেল হেল্থ অ্যান্ড হাইজিন ই মূল লক্ষ্য নয়। লক্ষ্য পিরিয়ডকে ঘিরে যে হাশ হাশ এবম চোদ্দোটা আলফাল কুসংস্কার আছে সেগুলোকে ওড়ানো। ফিমেল হেল্থ অ্যান্ড হাইজিন অত্যন্ত জরুরি কিন্তু সেটার সংগে এই কুসংস্কার বা অপ্রেশন সরানোটা একসাথে যাবে না।
  • একক | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৩:৪৫286665
  • ফিসফিস বলায় মনে পরলো। আমার মা সবচে অকিঞ্চিত্কর কথাগুলো ফিসফিস করে বলেন আর আমি ভয়ঙ্কর ক্ষেপে যাই :(( যেমন .......ওই বেড়াল টার একটা বাচ্চা হয়েছে / এমা গামছাটায় লাল রং লেগে গেছে ....ইত্যাদি। কিছু একটা গোপনীয় কথা বলছে ভেবে কাছে গিয়ে এইসব শুনলে কার না রাগ হয় !
  • dc | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৩:৩৯286663
  • আর একক যেটা বল্লেন, স্যানিটারি ন্যাপকিন আর কন্ডোমের ভেন্ডিং মেশিন, সেগুলোও অবশ্যই করা উচিত। মলে বা বড়ো স্টোরে রাখাই উচিত। কিন্তু এটা করতে গেলেও দেখবেন প্রথম দিকে কিছু বাধা আসবে, কেউ বলবে এসব তো দোকানেই পাওয়া যায়, আবার ভেন্ডিং মেশিন কেন, কিছু মরাল কাকু বলবে এই করে যুবসমাজ উচ্ছন্নে গেল। এই রেসিসট্যান্সটা কাটানোর জন্যও আবার সেই পাব্লিক ক্যাম্পেন বা আন্দোলন দরকার।
  • একক | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৩:৩৯286664
  • @সোসেন
    হাই ইউস মানে শুধু কেনাকাটা নয়। এর সঙ্গে প্রচুর ইনস্ট্রুমেন্টস জুড়ে থাকে তো। এইমুহুর্তে ভারতে আর না হলেও কুড়িটা মেন্স্ত্রুয়াল সাইকল + ওভুলেশন মনিটরিং এপ আছে। আপনি যাদের কথা বললেন সেই ক্রয়ক্ষমতাওয়ালা সমাজের কথা ভেবেই তৈরী। দেখা যাচ্ছে এতে রেগুলার ইনপুট দেওয়ার মানসিকতা কম। অথচ রেগুলার ইনপুট পেলে আর্লি পিসিঅএস ডিটেকশন থেকে ড্রাগ এর প্রভাব অনেককিছু বোঝা ও এলার্ট করা সম্ভব। এটা কী ট্যাবুর জন্যে আটকে ? কে অপ্রেস করেছে ? জাস্ট কনশাসনেস কম। এবার আপনি বলতে পারেন সোশাল ট্যাবু আছে বলে কনশাসনেস গ্রো করেনি। তা এই কোম্পানিগুলো রেগুলার ওয়ার্কশপ করেত। নতুন নতুন ফিচার আনছে যাতে লোকে ইউস করে। এই সবই ইউসেজ এর অঙ্গ। উদ্দেশ্য তো মেন্স্ত্রুয়াল হেলথ এন্ড হাইজিনের উন্নতি নাকী এটা ছাড়াও আলাদা করে ট্যাবু কাটানোর কোনো উদ্দেশ্য আছে।
  • dc | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৩:৩৪286662
  • আমার মার্কেটে কোন অ্যালার্জি নেই, উল্টে মার্কেট ফোর্সের ওপরেই বেশী জোর দি। কিন্তু মার্কেটের সাথে তো ট্যাবু কাটানোর বা কুসংস্কার ভাঙ্গার সম্পর্ক নেই! কুসংস্কার কাটাতে গেলে মার্কেটের সহযোগিতাও দরকার হয়না, বিরোধিতাও দরকার হয়না। পাব্লিক অ্যাওয়ারনেস বাড়ানো, কিছু কিছু কুসংস্কারকে আইডেন্টিফাই করা, এগুলো নিয়ে আন্দোলন করা, এগুলো তো চলতেই পারে!
  • sosen | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৩:৩১286661
  • আরেকটা কথা আমার মা ও এতটা না হলেও এই দলেই পড়ে- পুজো টুজোর ব্যাপারে বা গলা নামিয়ে ফিসফিস করে বলার ব্যাপারে। মা আমাকে বল্লো দেখলি এই মেয়েগুলো কিসব করছে। কোনো মানে হয়? আমি মাকে একটু ব্যাকগ্রাউন্ড দিলাম। তার পর থেকে আর টিভি বন্ধ করে দিচ্ছে না। ঋতুপর্ণর ক্ষেত্রেও এটা হয়েছিল। হয়, এই থেরাপিতে কাজ হয়
  • একক | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৩:২৫286660
  • ওহ ওটাতে তো আবার এলার্জি আছে :) ভগবান শান্কালু দেন মার্কেট কে বাইপাস করে আমাদের মুখে আসে। হ্যা, আমার কাছে আন্দোলন মানেও চার্নিং মার্কেট ইনস্ট্রুমেন্টস। নইলে আমিও তো "আন্দোলন" শুনেই বলতে পারি "আবার টোকেনইসম, আগে বললেই হত " :D
  • sosen | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৩:২৩286659
  • দ্যাটস নট ট্রু কারণ এই ট্যাবু জেনারেশন থেকে জেনারেশনে স্প্রেড করে। এবং আপাতদৃষ্টিতে এই ট্যাবুর কোনো ক্ষতিকারক প্রভাবও নেই অপ্রেশন ছাড়া। ছেলেরা ও তো মেয়েলি ব্যাপার বলে কাটিয়ে দেবেন। মেয়েদের নিজস্ব শুচিতা অশুচিতা বোধের মধ্যে তারা ঢুকবেন কেন? অথচ রজঃস্রাব নারীর জীবনে অনেক অনেক কিছু কন্ট্রোল করে, সেটাকে নিয়ে অপ্রেশন জাস্ট হাই ইউজ দিয়ে কাটানো যাবেনা। পুজো টুজোর ব্যাপার কাটিয়ে দিলাম। তা ছাড়াও। নাঃ মেয়ে হিসেবে আমি মনে করি ভীষণ দরকার।
  • a x | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৩:২০286658
  • ও সেই ব্যাক টু মার্কেট? আগে বললেই হত!
  • একক | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৩:১১286657
  • আমি গোলাই নি :) ট্যাবু এন্ড লো ইউসেজ এর একটা সম্পর্ক আছে। হাই ইউসেজ একটা অটোমেটিক সোশাল প্রেসার তৈরী করে। আমি সেটাকেই কাউন্ট করি। ফোকাস মার্কেট এন্ড স্প্রেড ইউসেজ। বাকি যাদের ইউসেজ ও আছে ট্যাবুও আছে তাদের বড় অংশ ওই হাই ইউসেজ -চতুর্দিকে পারায় স্যানিটারি ন্যাপকিন এর ভেন্ডিং মেশিন এসব দেখতে দেখতেই চোখ সোয়া হয়ে যায়। ভিজ্যুয়াল ক্যাম্পেইন এটাকেই বলে। কলেজের দেয়ালে ঝোলানো কে নয়।

    একটা ছোটো পার্সেন্ট তার পরেও হয়না। তাদের নিয়ে জোর করে সমাজ সংস্কারের ইচ্ছে আমার নেই। মেক দেম মোর আন্ডার পিয়ার প্রেসার এন্ড মেক মার্জিনালায়স্দ।
  • dc | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৩:০৭286656
  • একক, কন্ডোম ব্যবহার করা নিয়ে কিন্তু সেই লেভেলে কুসংস্কার নেই যেটা পিরিয়ড নিয়ে আছে। "কনডম ইউস করা নাকী ঠিক পুরুষের লক্ষণ নয়", শুধু এই ধারনাটা আছে। পিরিয়্ড নিয়ে কিন্তু নানারকম কুসংস্কার আছে। আর ট্যাবু ব্রেকিং আর অ্যাক্সেস আলাদা তো নয়ই, বরং একে অন্যের পরিপূরক। দুটো একসাথে চালাতে হবে।
  • একক | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৩:০৫286654
  • অক্ষ

    উপভোক্তা নয় ? বৃহত্তর সমাজ ? মানে পুরুষেরা এবং মহিলারাও তাই তো ? শক দিয়ে শোধরানো যাবে সোসেন যেমন বললেন ওরকম মাসিমা দের ?
    নাকী মিডিয়াতে কিছু লোক ওপেনলি পক্ষে -বিপক্ষে লিখছে এটাই ক্যানভাসিং ? মাসিমার বাড়ির কেও মিডিয়া থেকে মাইন্ড চেঞ্জ হয়ে গিয়ে ওনাকে বোঝাবে ?

    শুভেচ্ছা রইলো :) এই তকেনিস্ম টায় বিশ্বাস করিনা। উপভোক্তা বাড়লেই মাসিমা-মেসোমশাই রা ক্রমশ প্রান্তিক হয়ে পরেন। জিরো কোনদিন ই হন না। এরকম "ক্যানভাসিং" এর পেনিট্রেশন লেভেল ওই "আমরা" তেই শুরু ও শেষ।
  • a x | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১৩:০৫286655
  • একক পুরো গুলিয়ে ফেলেছে। এককের কথা শুনে মনে হচ্ছে যেন মহিলাদের স্যা ন্যা ব্যবহারে ইনহিবিশন/ট্যাবু আছে। এবং আন্দোলন করে সেটাকে অ্যাড্রেস করার চেষ্টা হচ্ছে।
  • sosen | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১২:৫৯286653
  • একক এরা সম্ভবত অন্য অডিয়েন্সকে টার্গেট করছে যাদের অ্যাক্সেস আছে, কিন্তু ট্যাবু-ও আছে। এদের স্টার্টিং পয়েন্ট আরেকটু এগিয়ে।
  • sosen | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১২:৫৭286652
  • আমার জাস্ট একটাই প্রশ্ন, এই ন্যাপকিন আন্দোলনকারীরা কি বলেছিল ওরা হেলথ বা ডিস্ট্রিবিউশন এইসব সমস্যাকে অ্যাড্রেস করছে?
    যদি না বলে থাকে তাহলে ওদের সেসব করারও কথা নয়। চুপি চুপি শান্তভাবে ঘরে ঘরে গিয়ে কেন কাজ করছে না এইসব অভিযোগ-ও ওঠার কথা নয়।

    একই ভাবে যাদপ্পুরে শ্লীলতাহানির সঙ্গেও এটার কিস্যু সম্পর্ক নেই। যদি কলরবের একমাত্র উদ্দেশ্য ঐ ঘটনাটির প্রতিকার হয়, এবং এই প্ল্যাটফর্মটাকে আর কিছুতে ব্যবহার না করতে দেওয়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে তাহলে এদের নিজেদের মধ্যে সেটা ক্লিয়ার করে নিয়ে, সেপারেট এনটিটি হিসাবে ক্যাম্পেইন কন্টিন্যু করা উচিত।
  • একক | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১২:৫৫286651
  • আরেকটা ট্যাবু ব্রেকিং ক্যাম্পেইন ভুটান এ থাকতে দেখেছি। ওদের আবার কনডম নিয়ে ট্যাবু। কনডম ইউস করা নাকী ঠিক পুরুষের লক্ষণ নয়। অমুক তমুক।
    দিনের পর দিন এইডস কমিটি, কনডম প্রসার কমিটি তৈরী করে অফিসে-মাঠে ঘাট এ ক্যাম্পেইন করেছে। অফিসে পর্যন্ত মাসে মাসে ফ্রি কনডম প্যাক দেওয়া হত। প্রতিটা বার-রেস্তরান্ট -ক্লাব এ কনডম কাউন্টার বসিয়েছে। হুহু করে কনসাম্পশন বেড়েছে। ট্যাবু এন্ড এক্সেস কীকরে আলাদা হয় মাথায় ঢুকছেনা। লোকে ট্যাবু ব্রেকিং ক্যাম্পেইন এটেন্ড করে বিশাল বার খেয়ে কনডম কিনতে চলে যায় এমন তো নয়।

    যে কোনো সাইকলজিকাল প্রসেসে একটা ত্রানসিসন ফেজ থাকে। একটু একটু করে জড়তা কাটে। তখন হাতের কাছেই এক্সেস পেলে টুক করে এক্সেপ্ট করে নেয়। দু-চারবার করলে থ্রু প্রাকটিস পুরো জড়তা কেটে যায়। এ এর মত ট্যাবু কাটিয়ে চলে গ্যালো এদিকে এক্সেস নেই। আরেকজন পরে এসে এক্সেস বানাবে..............নাহ এভাবে কোনো মডেল কোথাও সফল হয়েছে দেখিনি বা পড়িনি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত