এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৭:২৮289500
  • পরিস্কার করে বল্লুমতো ...মেত্রনিদাজোল ইঁদুরের ওপর কারসিনোজেনিক, মানুষের ক্ষেত্রে "নট সিওর" এই কথাটার মানে কী তুই আমাকে বুঝিয়ে বল না :) এটা তো ব্যবসার চাল। একজন রোগী কিভাবে ইন্টারপ্রেট করবে ? নন ফুড গ্রেড রং মিষ্টিতে দেবার ব্যাপার নয় এটা। হিউম্যান ট্রায়াল যদি এফিসিয়েন্ট সিস্টেম তাহলে একদম বাইনারি তে বলুক না হিউম্যান ফিসীয়লোজিতে কারসিনোজেনিক কী নয়। এরকম ইঁদুর দেখানোর কী মানে ? এনিম্যাল ফিসীয়লোজি আর হুম্যান ফিসীয়লোজি ডিরেক্টলি ম্যাপেবল হলে নিশ্চই ইঁদুর দেখেই মানুষের ক্ষেত্রেও কারসিনোজেনিক বলা যেত ? সেটা যখন নয় তখন ইঁদুর গুলোকে মারার ই বা কী মানে :(
  • kumu | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৭:২৭289499
  • ব্যাং আমায় ডাকলে না?বুড়ী তো হয়েই গেছি,একটু কাজ এগিয়ে রাখতাম।
    জের্বন সুন্দর কিন্তু স্বনির্ভর থাকলে।পরনির্ভর হয়ে ১ সেকও বাঁচতে চাই না।
  • একক | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৭:২২289498
  • আরে ধর্মপ্রতিষ্ঠান একমাত্র অপশন না তো। হিমাচলে একটা ছোটো লজ /মোটেল লীজ নিয়ে নিন। নিজেরা থাকুন। সীসন টাইমে লিমিটেড টুরিস্ট রাখুন। দিব্য লাইফ কেটে যাবে পাহাড়ের কোলে। হিমাচলে কত কটেজ গ্রুপ, লজ আছে এরকম। ফরেনারদের গ্রুপ আসে, ঘরোয়া ইন্ডিয়ান রান্না খায়। ঘরোয়া পরিবেশে দিব্য ব্যাপার।

    ব্যাপারটা বাড়ালে হবে না :) একদম মিনিমালিস্ট স্টাইল রাখতে হবে।
  • pi | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৭:১৯289497
  • কী বলছিস বুঝলাম না। ইন্ডিয়ার হিউম্যান ট্রায়াল ডেটা কোদ্দিয়ে এল ? আর যেগুলো টক্সিক, বিদেশে ব্যানড, সেগুলো ইন্ডিয়াতে কেন চলে সেটা অবশ্যই ইন্ডিয়ার সমস্যা, কিন্তু তার সাথে ট্রায়ালের কী ? সেতো প্রচুর ব্যানড কারিনোজেনিক ফুড কালারিং ও ইন্ডিয়াতে গমগমিয়ে রমরমিয়ে চলছে। সেটা আলাদা সমস্যা।
    আর ফেজ ওয়ান আর টু তে হিউম্যানের উপরেই সেফটি দেখা হয় বললাম তো। অ্যানিমাল টেস্টিং, শুইধু সেফটি নয়, এফিকেসি ও, প্রি-ক্লিনিক্যাল ফেজ।
  • d | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৭:১৪289496
  • না না ধম্ম ছাড়াও হিমালয়ের কোলে আরো অপশান আছে তো।
    কথা হল এতকিছু করে হিমালয়ে আবার না ভুমিকম্প এসে সব ভেঙে দেয়।

    সে মরুগ্গে তখন নাহয় চীনের দিকে চলে যাব নে।
  • সিকি | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৭:১৩289495
  • লাদাখ ইজ দা প্লেস। পাহাড়ও হবে। ধর্ম চাইলে একবার দুবার মনাস্ট্রি ঘুরে আসলেই হবে। বৌদ্ধদের চ্যান্টিং ওলা লাদাখি গান এনি ডে জয় জগদীশো হরে-র থেকে ভালো।
  • একক | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৭:১২289493
  • পাই
    হিউম্যান ট্রায়াল কতদিন শুরু হয়েছে আর ইন্ডিয়াতে যে হিউম্যান ট্রায়াল ডেটা পাওয়া যায় তার এফিসিয়েন্সি কী ? এইযে মেত্রনিদাজোল এটাত ইঁদুরদের ক্যান্সার হয় দেখা গেছে, ইউএসে তে টক্সিক লিস্টেড, ইন্ডিয়াতে মুড়িমুরকির মত প্রেসক্রাইব হয়। তাহলে একজন পেশেন্ট কিসের বেসিসে ডিসিশন নেবে এটা হিউম্যান ফিসিয়লজিতে কারসিনোজেনিক নাকী নয় ?
    প্রথম ব্যাপার পশুপাখির ওপর আদৌ টেস্ট করবে ক্যানো ? মানুষের ওষুধ মানুষের ওপর করুক না। পশুর ফিসীয়লোজি তে যা টক্সিক তা নয় প্রথমেই মার্কিং করলি। এবার ধর পশুর ক্ষেত্রে টক্সিক নয় পাশ হয়ে এলো। এবার মানুষের ওপর লংটার্ম এ টক্সিক কিনা এটা বোঝার কী এফিসিয়েন্সি আছে :/
  • pi | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৭:১২289494
  • মাজুলির সত্রগুলোতে সন্ধেবেলায় কী সুন্দর গান হয়! শুনলে পুরো ঘোর লেগে যায়।
    শুনেছি, সকালেও হয় আর সেও নাকি এক এক্সপেরিয়েন্স। কিন্তু আপিসের একটা দরকারি রুমের চাবি ভুল করে ব্যাগে নিয়ে চল যাওয়ায় চটপট ফেরার তাড়ায় আর দেখা হলনা ঃ(
  • hu | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৭:০৯289492
  • আমার হাল্কা ধর্মতেও আপত্তি নেই। এই ধর সন্ধ্যেয় একটু গান হল কি পাঠ হল - সে আর মন্দ কি! ধূপ-ধুনোর গন্ধও তো বেশ লাগে। কিন্তু ধর্মের ঝামেলা হল ওকে একটু প্রশ্রয় দিলেই গেঁড়ে বসবে। তখন তাড়ানো মুশকিল। নিজেই একসময় মডারেট ধার্মিক হতে গিয়ে এই ঝামেলায় পড়েছিলাম। কিন্তু ধর্ম ছাড়া পাহাড়ে থাকা যাবে না এই বা কেমন কথা? হিমালয়ের কোলে একটু নিরিবিলি পেলে সেখানে বুড়ো বয়সটা কিছু একটা করে কাটিয়ে দিই।
  • pi | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৭:০৮289491
  • মা আর শাশুড়িকেও খুব করে শ্রমজীবীর জন্য পটাচ্ছি। মাসি শাশুড়ি অলরেডি যাচ্ছে এবং খুব ভাল লাগছে। গত বছর ক্যান্সারের জন্য অপারেশন হল কিন্তু এত অ্যাকটিভ আর এত্ত উৎসাহ !
  • d | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৭:০৬289490
  • আর অভ্যু এসে যেন এই সমস্ত একটা টই খুলে তুলে দেয়। এককের ক্যান্সারের টইটাকে যেন না ঘাঁটে।

    সময়শকটে তুললেও হবে।

    একক, না জীবন তো সুন্দর অবশ্যই। কিন্তু লাইফ সাপোর্ট, ভেন্টিলেশান এত লাঠির ভর দিয়ে চাই না। যেটুকু এমনি এমনি পাব সেইটুকুই চাই।
  • pi | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৭:০৫289489
  • হুচি, ঃ))
  • d | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৭:০৪289487
  • নাহ বৃদ্ধাশ্রম আমার পোষাবে না। অন্য কিছু। ধর্মীয় আস্তাবলও চলবে না। অন্য কিছু অন্য কিছু।

    রিমি কিছু খুললে আমি সেখানে লাফাতে লাফাতে হাজির হয়ে যেতে পারি।
  • b | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৭:০৪289488
  • হ্যাঁ, আমার ছেরাদ্দের নেমন্তন্ন আমি খেয়ে যেতে চাই। শিব্রামের মত।
  • hu | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৭:০৩289485
  • আরে ধুর! আমরা যখন বুড়ো হব তখন আর বৃদ্ধাশ্রমগুলো এমন বোরিং থাকবে নাকি? দমদি, ব্যাংদি, দেদি, সোসেন, স্যান সবাই থাকবে তো। এমন কি তখন আমি পাইএরও অনেক কাজ করে দেব।
  • pi | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৭:০৩289486
  • কিন্তু একক, কাল তুই ওটা কী বললি ? ওষুধ তো ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পরেই মার্কেটে আসে আর ল্যাব অ্যানিমালের উপর পরীক্ষা তো প্রিক্লিনিকাল ট্রায়াল ! ফেজ এক থেকে তিন তো পুরোটাই মানুষের উপর, সুস্থ মানুষের উপর সেফটি ইস্যুতে আর অসুস্থ মানুষের উপর এফিকেসি দেখতে। এগুলো পাশ করলে তবেই তো ছাড় পায়! আর এগুলো ও ডাবল ব্লাইণ্ডেড পুরো র‌্যান্ডমাইজড কন্ট্রোলড ট্রায়াল হয়।
    কোন ড্রাগ আবার শুধু অ্যানিমালের উপর টেস্ট করে মার্কেটে চলে এল ?

    হ্যাঁ, নানা জায়গার মানুষের মধ্যে নানা ভেরিয়েশন, এগুলো সব হয়তো দেখা সম্ভব হয়না। ক্রুটি বিচ্যুতি থাকেনা, এমন না, কিন্তু তুই যে কারণ দেখালি তা তো নিয়মমতে হয় না !
  • শঙ্কু | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৭:০০289484
  • ও, এখন এখানে বৃদ্ধাশ্রম নিয়ে কতা হচ্ছে...
  • একক | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৬:৫৬289483
  • হ্যা ওরকম কাজে যুক্ত হওয়াই ভালো। আমি মঠ সেন্টারে অনেককে দেখেছি এরকম। এক বন্ধুর বাবা, কেজিপির অঙ্কের প্রফ ছিলেন। রিটায়ার এর পর মিশনে বাচ্চাদের দেখাশোনা, বাগান পরিচর্যা এই করে কাটিয়ে দিলেন। আর এটার একটা মানসিক দিক ও আছে। সারা জীবন ধরে আমাদের মাথায় একটা হনুভাব জন্মায়। টোটালি নতুন কাজের পরিবেশে এবং যেখানে প্রফাইল মেন্টেন বলে কিচ্ছু নেই,সবার সঙ্গে বসে দুবেলা পাত পেরে দুটি ভাত, সেখানে মানিয়ে নেওয়া, নতুন করে বাঁচা বেশ মজার ব্যাপার।
  • pi | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৬:৫৫289482
  • তার জন্য সবচে ভাল হসপিস।
  • de | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৬:৫৩289481
  • অবসরের পর বৃদ্ধাশ্রম যাবার কথা থোড়ি লিখলাম! যখন আর কিছুই হাতে করে করে উঠতে পারবো না, তখন যদি বেঁচে থাকি, তার জন্য লিখলাম! নাহলে অবসরের পর করবার ১০০১ টা প্ল্যান আছে আমার।
  • pi | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৬:৪৮289480
  • আশেপাশে অনেক লোকজনকে অবসর বেনার পরে শ্রমজীবী হাসপাতালের সাথে যুক্ত হতে দেখলাম, হাসপাতাল, ওদের স্কুল। সলিল বিশ্বাস যা নিয়ে কিছুটা লিখেছিলেন।
  • byaang | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৬:৪৭289479
  • একককে ক্ক। অ্যাত্তো অ্যাত্তো জায়গা থাকতে বৃদ্ধাশ্রমে যাওয়ার কী হল? আকার সময়শকটের মুখে ঝামা ঘষে দিতে আমি আর রিমি যে আস্তানাটা বানাতে চলেছি, দমু, দে, হুচি, এরা সব সেখানে আসতে পারে তো?
  • একক | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৬:৪৩289476
  • বৃদ্ধাশ্রম খাজা জায়গা। সারাজীবনের সব আবর্জনা মাথায় নিয়ে মানুষ বৃদ্ধাশ্রমে ঢোকে আর নিজেদের মধ্যে সেইগুলো বলাবলি করে। বরং ধর্মের পরিবেশ পছন্দ হলে কোনো পাহাড়ি এলাকার আশ্রমে খাতা দেখা,বাগান দেখাশোনার কাজ নেওয়া ভালো। নইলে কোনো বাচ্চাদের এনজিও। স্মৃতি গোবরমাত্র। বৃদ্ধাশ্রমে গিয়ে একটা বিশাল গোবরের তালের মধ্যে বসে থাকার কোনো মানে হয়না।
  • pi | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৬:৪২289475
  • আমাদের একটা কোর্স ছিল এন্ড অব লাইফ আর প্যালিয়েটিভ কেয়ারের উপর। সেখানে 'লিভিং উইল' এর কথা পড়েছিলা,। লোকজনকে নাকি ফর্ম দিয়ে দেওয়া হয়, যেখানে আগে থেকেই লিখে দেওয়া যাবে, একটা অ্যাডভান্সড ডায়রেক্টিভ, অমুক অমুক হলে কী চাও বা চাও না। হাসপাতালে থাকতে চাই, না হসপিস, না বাড়িতে। শেষ সময়ে কী ধরণের চিকিৎসা চাও বা চাও না।
    কারণ একবার সেভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে কি জ্ঞান চলে গেলে বা ডিমেনশিয়া জাতীয় রোগ হলে তো আ সিদ্ধান্ত নেবার বা জানাবার উপায় থাকবে না। এসবের জন্য চিকিৎসকেরা ভলান্টারি কাউন্সেলিং করতেন বা করবেন, এরকম কোন প্রোপোজাল ছিল বলে শুনেছিলাম।
    এই সিদ্ধান্ত নেবার আগে একটা ভিডিও ও নাকি দেখানো হত বা হবে, এরকম কোন কথাও হয়েছিল। বিভিন্ন রকম রোগের পরিণতি কী হতে পারে, এবং শেষ মুহূর্তে নানা ধরণের চিকিৎসা পদ্ধাতির কীরকম কী অপশন আছে। ভেন্টিলেটর নিলে কি সি পি আর হলে কী হয়, না হয়। মানে অ্যাগ্রেসিভ চিকিৎসা পদ্ধতি যা কিনা কিছুটা লাইফ প্রোলোঙ্গিং হতে পারে ভার্সেস প্যালিয়েটিভ কেয়ার পাশাপাশি দেখানো।

    হার্ভার্ডের একটা স্টাডি ছিল, যেখানে দেখিয়েছিল, এই ভিডিও দেখলে বেশিরভাগ লোকজনই অ্যাগ্রেসিভ লাইফ প্রোলোঙ্গিং প্রোসিডিওরের বিপক্ষে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। মানে ভেন্টিলেশন, সি পি আর ইত্যাদিতে না বলেছিলেন। অনেকেই হাসপাতালের থেকে হসপিস প্রেফার করেছিলেন বা এরকম কিছু। ভিডিও গুলো খুঁজে পেলে দিচ্ছি।

    ওবামা সরকার এই এন্ড অব লাইফ নিয়ে বেশ কিছু প্রস্তাব দিয়েছিল ( যার ফলশ্রুতিতে এই কোর্সটাও বোধহয় চালু হয়েছিল), এগুলো হেল্থ কেয়ার কস্ট অনেক কমাবে বলে প্রোজেট করা হয়েছিল। তো, তখন রিপাব্লিকানরা 'ডেথ প্যানেল' নাম দিয়ে এর প্রচুর সমালোচনা করছিল।
    এসব ই বেশ কিছু ্বছর আগের কথা। এখন কী হয়েছে না হয়েছে জানিনা, আর ফলো করা হয়নি।
  • hu | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৬:৩৮289474
  • দমদি, দে-দি এসব করতে পারলে আমাকে একটু মেসেজ করে জানিয়ে দিও তো প্রসেসটা কি। আমিও এই ব্যবস্থাগুলো করে রাখতে চাই। আর একটা ভালো বৃদ্ধাশ্রমও চাই। অবশ্য বৃদ্ধাশ্রমটা মনে হয় এখনও বেশ দেরী আছে।
  • achintyarup | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৬:৩৫289473
  • ভূতের সঙ্গে পারলৌকিক ক্রিয়ার কী সম্পর্ক? আমি জীবিতাবস্থাতেই চাই। পর লোকে, মানে অন্যলোকে খওয়াবে দাওয়াবে, আমি খাব
  • Kaju | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৬:৩৩289472
  • না না দেখতে বাজে লাগবে।
  • একক | ২২ এপ্রিল ২০১৫ ১৬:৩১289471
  • লাইফ সাপোর্ট চাননা ক্যানো ? মাইকেল শ্যুমাখার কদ্দ্দিন বাদে ফিরে এলেন বলুনতো। একটা আলাদা একাউন্ট করে বলে যেতে পারেন ওর মধ্যেই যা খরচাপাতি, ফুরিয়ে এলে যেন নল সুইচ অফ করে দেয়। প্রিপেইড সিস্টেম। একটাই জীবন। আগে-পরে কোত্থাও কিস্যু নেই। চুপচাপ জানলা দিয়ে রোদ্দুর দেখতেও ভালো।

    মরে যাওয়ার পর নিয়ে আমার কোনো প্ল্যানিং নাই। কুকুরে টানলো কী কাগে ঠোকরালো যা হবে হোগগা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত