
সপ্তাহখানে আগের ঘটনা। সাতাশে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯। উত্তরপ্রদেশের নাচনিতে এক কুড়ি বছরের বিবাহিতা যুবতীকে ধর্ষণ করে গোপাল ও পূরণ সিং নমে ঐ এলাকার দুই ব্যক্তি। মহিলা তাঁর স্বামীর সঙ্গে একটি স্থানীয় মেলা থেকে ফিরছিলেন। এমন সময় এই দুজন তাঁদের আক্রমণ করে। স্বামীকে বেঁধে রাখা হয় গাছে। এবং মহিলাকে এক এক করে ধর্ষণ করে এই দুজন। ... ...

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে লড়াইটা ছিল সাগরে ও মাটিতে। এবং মূলত: সেটি ছিল জমিরই লড়াই। লক্ষ লক্ষ ইনফ্যান্ট্রি। আর তাদের পিছনে ভারী কামান। আর সাগরযুদ্ধেও কামান। কেননা নৌ যুদ্ধ ব্যাট্ল্শিপ নির্ভর। মুখোমুখি জাহাজে জাহাজে লড়াই। কামানের পাল্লার উপর যুদ্ধের ফলাফল অনেকটাই নির্ভর করত। আর যুদ্ধবিমান? তারা নেহাৎই অকিঞ্চিৎকর। যুদ্ধের ফলাফলে হেলদোল করতে পারত না সেই পুঁচকে আকাশচারীরা। ... ...

সন্ধ্যার অন্ধকার ক্রমে গাঢ় হইয়া আসিতেছে। তাঁহার ক্ষুদ্র কামরাটির এক কোণে একটি সেজবাতি জ্বালাইয়া জ্যাঠামশায় পড়িতেছিলেন। এমন সময় দরজার সম্মুখে একটি ছায়ার অনুভব হইল। মুখ তুলিয়া দেখেন শ্রীবিলাস দাঁড়াইয়া আছে। জ্যাঠামশায়ের মুখ স্মিতহাস্যে ভরিয়া উঠিল। হাসিয়া বলিলেন, 'দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে'। ... ...

শিব্রাম চক্কোত্তি মশাইয়ের "কিশোর সংকলন''এ ছিল একটি অনন্য স্বাদের কবিতা। ছোট্ট মেয়ে শিবি কিছুতেই "পৃথিবী'' বানান লিখতে পারছে না। ওর খামখেয়ালে ওটা কখনো হচ্ছে পৃথীবী, কখনো পৃথিবি বা কখনো প্রিথীবি। অনেক চেষ্টার পর ও অনায়াসে বলে- " --- থ'য়ে হ্স্বই, বয়ে হ্স্বই বসিয়ে দেব 'থিবি' "। তখন হতাশ গুরুজন ওকে বোঝান যে "পৃথিবীর একটা নিজস্ব নিয়ম আছে। তুই সেটা না বুঝে পৃথিবীকে ইচ্ছেমত বানাতে পারিস নাকি? কেন নয়? শিবি পাল্টা প্রশ্ন করে -- "যেমন করে কার্ল মার্কস্, বুদ্ধ, লেনিন, গাঁধি। ---- আরও অনেকে, ইত্যাদি, আমিও যদি তেমনি করে বানাই?''- প্রশ্ন করে শিবি। ... ...

গতবছরের ৮ই মার্চ। অর্জুন সিংহ ঘোষণা করলেন একাদশ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশ জুড়ে আরো আটখানি আইআইটি বানানো হবে, বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটির ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ( DVBHF )-কেও আইআইটি-র "মর্যাদা' দেওয়া হবে। মানে মোট আইআইটির সংখ্যা একলাফে সাত থেকে গিয়ে দাঁড়াবে পনেরোয়। পরিকল্পনায় বলা হয়েছিলো, প্রত্যেক বছর প্রতিটি নতুন আইআইটিতে নেওয়া হবে ৫০০ জন বি. টেক. ছাত্র, ২৫০ জন এম. টেক. ছাত্র, ১০০ জন পি. এইচ. ডি. এবং ১০ জন পোস্ট ডক্টরাল ফেলোশিপের ছাত্র। ... ...

মেয়েদের গল্পে, সে প্রথম পুরুষেই হোক, বা উত্তম পুরুষে, সবসময়-ই একটা কবোষ্ণ ভাব থাকে। অন্তত আমার তো তাই লাগে। সুমনার ছেলেবেলা আর কৈশোর আর প্রথম যৌবন উত্তর কলকাতায়। ওদের বাড়ীটা একটা চৌরাস্তার মোড়ে। মানে, বাস-ট্রাম-লরি-টেম্পো এরকম হাঁসফাঁস করা চৌরাস্তা নয়। পাড়ার-ই চৌরাস্তা, তবে চব্বিশ ঘন্টা উত্তেজিত-হৈহট্টগোলের বিরাম নেই সেখানে। সুমনাদের বাড়ীটা দুইতলা। রাস্তারদিকে নীচতলায় গ্রীলের গেট, গ্রীল লাগানো লালমেঝের বারান্দা। গ্রীলের গেটের উপর লোহার তারদিয়ে বাঁধা কাঁঠালকাঠের লেটারবাক্স, হলুদরঙের, রংটা অবশ্য বর্ষায় ধুয়ে যেত, তারপর বর্ষা চলে গেলে, সুমনার দাদা, আবার সেটায় রং লাগাত, আর তার উপরে নীলতুলিতে লিখত 'শান্তিরঞ্জন চট্যোপাধ্যায়', ওদের বাবার নাম। ... ...

গতকাল দুপুরে আমার বৌয়ের সঙ্গে পাড়ায় একটি ব্যান্ডপার্টির খুব অশান্তি হয়, রাতে মানু সেটা আমায় বলল। বিয়ের ব্যান্ডপার্টি। আমাদের পাড়ায় খুব আসে। আমাদের এলাকায় ভূমিসংস্কারের প্রবল সাফল্যে পুকুর প্রায় লুপ্ত প্রজাতি, সবই এখন প্রোমো-তাড়িত বহুতল। আমাদের বাড়ির গায়েই একটা পুকুর এখনো অবশিষ্ট, বিয়ের মরশুমে প্রায়ই নানা বিয়েবাড়ি থেকে এখানে জল নিতে আসে। একসময় যেগুলো ছিল আচার, কিছু বৌ উপচার হাতে আসতেন, শঙ্খ নিয়ে, উলু দিয়ে, এখন তার সঙ্গে আসে ব্যান্ডপার্টি, এবং টুইস্ট নাচ। এই নাচের সঙ্গে এলভিসের কোনও সম্পর্ক নেই, হিন্দি সিনেমার নাচ দেখে, এবং নাইটক্লাবের নাচ টিভিতে দেখে নাচ-না-জানা লোক যখন পৃথুল দেহ কামোদ্দীপক রকমে আন্দোলিত করতে চায়, কিন্তু হয়ে দাঁড়ায় বিকটতা, তাকে বলে টুইস্ট, এতদিন মূলত বিসর্জনে নাচা হত, ধীরে বিয়েতে ও অন্নপ্রাশনে, এরপরে বোধহয় শবযাত্রাতেও হবে। ... ...

বইয়ের তাক ঘাঁটতে ঘাঁটতে হাতে এলো এক চমৎকার সংকলন, যার মূল বিষয়বস্তু "জাদুবিদ্যা"। বইটির প্রকাশ "রঙ্গ ব্যঙ্গ রসিকেষু" থেকে, প্রাপ্তিস্থান : সুবর্ণরেখা। সংকলন ও সম্পাদনা : শৈলেশ্বর মুখোপাধ্যায় ও বিশ্বদেব গঙ্গোপাধ্যায়। ... ...

ওরা পাঁচজন যেদিন আমার সঙ্গে থাকে, সেদিন আমি শাহেনশা। পৃথিবীর সব রকম জটিল সমস্যার সমাধান আমি এক মিনিটে করে ফেলি। বর্ষপূরণ বা বর্ষবরণের রাত্রে এবার ওদের সঙ্গে দেখা হয়নি, দেখা হ'ল এই বছরের গোড়ায়। আমি তিন পাত্তর চড়িয়ে বাড়ির উল্টোদিকের কদমগাছটাতে বসে পা দোলাচ্ছি, এদিক ও দিক দেখছি, এমন সময় ওরা এল। ওরা পাঁচজন আর ওদের মধ্যে একমাত্র মহিলা পুঁটি। প্রথমে এসে ওরা একটু লাফালাফি, ঝাপাঝাপি করে, তারপর থিতু হয়ে বসে। বসল। বয়জ্যেষ্ঠ বাঁদরটি আমাকে দেখে বলল, ... ...

সময়ের সাথে দূরত্ব সমানুপাতিক, উষ্ণতাও। এ সূত্র বিজ্ঞানীরা না মানলেও ভুক্তভোগী মানবেন। এই নিবন্ধ সেই উষ্ণতা মাপার চেষ্টা, দূরত্ব মাপার ভীত পদক্ষেপ। এক একটা বছরের সাথে ওঠানামা করে আমাদের সম্পর্কের তীব্রতা। সে আত্মীয়-অনাত্মীয় সবার্ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। নিয়ম মেনে বাড়ে-কমে শহরের সাথে একাত্মতাও। ছিটকে বেরোতে গেলে টের পাওয়া যায় কেন্দ্রাভিমুখী টান। ফিরে আসতে গেলে বোঝা যায় বিকর্ষণ। এই দোটানা সম্বল করেই অন্ধের শহরদর্শনের অভিলাষ। ... ...

ধুস শালা, কি যে বাজে বকি - ঠাকুর দেখো যেন এবছর ১২ মাস-ই আমার আর সবার মত চাকরি বজায় থাকে, মাইনে যেন না কমে। আর এর সঙ্গে যদি প্রতি সপ্তাহে ২-৩ বেলা মাছের ঝোল জুটিয়ে দাও, বিশ্বাস করো ঠাকুর, কোন কিছু নেই নেই করে একদম মন খারাপ করব না। ... ...

সাঁঝবাতি আর রূপকথার মধ্যে নাড়ির টান। সন্ধেবেলায় যখন ঘরের আঙিনায় ছায়ারা গাঢ় হয়ে আসে, জ্বলে ওঠে সাঁঝবাতি, একের পর এক, তখনই জন্ম নেয় রূপকথারা। জন্ম নেয় ঠাকুরমার কাঁপা-কাঁপা গলার ওঠাপড়ায়। আর খোকাখুকুরা শোনে,চোখের পাতায় নেমে আসা ঘুমের ঢেউকে তাড়িয়ে দিয়ে। চোখের মণি বড় বড়, বেড়ে গেছে বুকের ধুকপুকুনি। রূপকথা ভয় পাওয়ায়। ঠাকুমা দেখেন নাতিনাতনির চোখে ভয় ঠাঁই করে নিয়েছে। রাক্ষস - খোক্কসের দল ঘিরে ফেলেছে বাড়ি। এবার ঠাকুমা গলার স্বর পাল্টান - কে জাগে? লালকমল না নীলকমল? খোকা-খুকু জেগে আছে। এবার ওরা প্রাণপণে প্রার্থনা করে-- সময় নেই, সবাই জাগো। জেগে ওঠো লালকমল, ঘুমিও না নীলকমল। রূপকথা জাগতে শেখায়। এবার রাক্ষ্স-খোক্কসের দলের হারার পালা। নীলকমলের হাতে আছে এক আশ্চর্য তলোয়ার। ঠাকুমা বলে দেন--- কোন সরোবরের মাঝখানে কোন স্ফটিকস্তম্ভের মধ্যে লুকোনো রয়েছে রক্ষরাজের প্রাণভোমরা। এবার রূপকথা মারতে শেখায়। ... ...

এক হাজার আট সালে মুরাসাকি শিকিবু লিখেছিলেন রাজকুমার গেনজির কাহিনী। সহস্র বৎসর পূর্ণ হ'ল। গেনজি-দ্য ওয়র্ল্ড অফ দ্য শাইনিং প্রিন্স নামাঙ্কিত প্রদর্শনীটি এই উপলক্ষ্যেই। শুরু হ'ল বারই ডিসেম্বর, চলবে পনেরই ফেব্রুয়ারি অবধি। আর্ট গ্যালারি অফ নিউ সাউথ ওয়েলসের এশিয়ান গ্যালারিতে। প্রবেশ অবাধ। ... ...

বুঝতেই পারছেন, এটাকে ঠিক লেখা বলা চলে না, বরং ধরুন একটা তর্কাতর্কি : আমার সঙ্গে তির্যকের। এটা প্রায়ই হয়, হয়েই চলে, আমি যা ভাবি ও ওর তির্যক দৃষ্টিভঙ্গিতে সেগুলো নস্যাৎ করে দেয়। ওর যুক্তি আমি মেনে নিতে পারি না, কাটতেও পারি না। সে এক বিড়ম্বনা বটে ! কিন্তু কলম, ঘড়ি ইত্যাদি বদলবদলি করেও এখনও ঠিকানা কি টেলিফোন নম্বর তো বদলাবদলি করিনি, তাই আমি আন্তরিকভাবে চাই আমি যেটা পারলাম না, কেউ সেটা করুক, অর্থাৎ তির্যকের যুক্তিগুলো কেটে দিক। তাই এই আলোচনা গোটাটাই তুলে দিলাম, এবার সব আপনাদের হাতে। ... ...

বোধহয় শিল্প বিপ্লবের সময়েই কয়লা খনিতে মজদুরদের চালানোর জন্য সর্দারদের দরকার হল। এর আগে সব দেশেই মানুষ ছিল সেল্ফ-এম্পলয়েড। কুমোর, কামার, জেলে, চাষী নিজের কাজ নিজেই করত বংশপরম্পরায়। তা নিরক্ষর মজদুরদের চালাতে তো সর্দার লাগত। তারাই কি আজকের ম্যানেজারদের পূর্বসূরী? ... ...

নদী যখন নতুন বাঁক নেয়, বা কোথাও চর জেগে ওঠে--- আর আপনার ঘর যদি তার কাছে হয়? আপন্মার পাড়ার কোন পুরনো বাড়ি ভেঙে বা জলাজমি, এঁদোপুকুর বুজিয়ে একটা চমৎকার পার্ক গড়ে ওঠে? ... ...

খান্না সিনেমার মোড়ে, আচার্য্য প্রফুল্ল চন্দ্র রোড আর অরবিন্দ সরনির ক্রসিং-ংএ একটা দেওয়াল ছিলো। উল্টোডাঙ্গা-র দিকে। পেট্রোল পাম্পের (আমেরিকান ওব্যেসে, 'গ্যাসস্টেশন' লিখে ফেলেছিলাম, কেটে দিলাম), বিপরীত দিকে। এখন কি চেহারা হয়েছে জানা নেই। তো, তখন, সেই দেওয়ালটা 'ওপেন এয়ার পাবলিক হিসু করবার জায়গা' ছিলো। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের মুত্রকর্মে, দেওয়ালটা নোনাধরে লাল, আর জায়গাটা গন্ধে ভরপুর ছিলো। তবে সহনশীল কলকাতার মানুষ, অটোতে, বাসে নিত্য যাতায়াতে সয়ে গেছিলো। কেউ কেউ তো, আবার দেওয়ালটার রোজকার ব্যবহারকারী, মানে নোনা গন্ধের কন্ট্রিবিউটার। ... ...

কেন্দ্রীয় শুল্ক বিভাগের কর্মচারী অভিজিৎ সিংহের বাড়িতে পুলিশ আসে ২০০২ সালের জুলাই মাসে। "জনযুদ্ধ' গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত, এই অভিযোগে এক বৃহস্পতিবার মধ্যরাত্রে দমদম নাগেরবাজারের ফ্ল্যাট থেকে এই ৩২ বছরের যুবককে "তুলে' নিয়ে যায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পুলিশ। "গ্রেপ্তার' নয়, "তুলে নিয়ে যায়'। ধৃতের স্ত্রী মানসী সিংহ জানান, "বৃহস্পতিবার রাত দেড়টা নাগাদ বাড়ির কলিং বেল বেজে ওঠে। দরজা খুলে দেখি দুজন পুলিশ অফিসার দাঁড়িয়ে। তাঁরা জানান, ওঁরা পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে আসছেন। সেখানকার এক জনযুদ্ধ নেতার ডায়রিতে নাকি আমার স্বামীর নাম পাওয়া গেছে। তাই ওঁরা আমার স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য নিয়ে যেতে চান। আমি ওঁদের কাছে পরিচয়পত্র দেখতে চাই। ... ...

টূয়েন্টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটের প্রথম বিশ্বকাপ। পন্ডিতদের জল্পনা-কল্পনার মুখে ঝামা ঘসে দিয়ে ফাইনালে উঠেছে, কোন সাদা চামড়ার দেশ নয়, ভারত-পাকিস্তান। শেষ ওভার। ধোনী হরভজনের মত অভিজ্ঞ বোলারকে বল না দিয়ে দিলেন শর্মাকে। মিসবা উল-হক্ ছেলেখেলা করার মত করে মারতে লাগলেন। শেষ বল। লোপ্পা। ব্যাটে টাচ্ হলেই পাকিস্তান জিতবে। সবুজ পতাকা নিয়ে পাকিস্তানি সমর্থকেরা দৌড়নোর জন্যে তৈরি। উত্তেজনা তুঙ্গে। এমন সময় ছন্দপতন। ... ...

বছর তিনেক আগে আমার বন্ধু গোপাল, গুরগাঁও থেকে বাড়ী বদলে দিল্লী চলে গেল -- কারণ গুরগাঁওতে ওর বাড়ীটি অতিরিক্ত সুরক্ষিত হওয়ায় ওর নাকি খুব অসুবিধে হত। গুরগাঁওতে অফিসের কাছে একটা বাড়ীতে থাকত। থাকত মানে, ওর নামে ভাড়া নেওয়া ছিল, কখনও সখনও খুব রাত হলে সেখানে গিয়ে ঘুমোত। সেখান থেকে দেড়ঘন্টা যাতায়াতের দূরত্বে দিল্লী গেল এক বছর পূর্ণ না হতেই। আমরা খুব অবাক হয়েছিলাম। "সুরক্ষা' কারো অপছন্দ হতে পারে কিভাবে, তা ঠিক বুঝে উঠতে না পেরে ওকেই জিজ্ঞাসা করায় ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে। সে কথায় পরে আসছি। ... ...