
বেশি ঘ্যানাপ্যাচালিতে যাবো না, কাজের কথা বলি। ফ্রান্সে যারা উত্তর আফ্রিকা থেকে এসেছে, তাদের জীবনযাত্রা একটু অন্য, ঠিক প্রান্তিক কেস নয়, তবে তার থেকে খুব দূরেও নয়। গত কয়েক বছরে এ নিয়ে কতগুলি ভালো সিনেমা হয়েছে। নাম দিলাম। এই জেনারের সিনেমা একসাথে দেখলে ভালো লাগবে। আমি এই মুহূর্তে তিনটে নাম দেই যা দেখে ভালো লেগেছে, আর প্রতিটা নিয়ে এক দু কথা। ... ...

নিঠারি গ্রামে আমি যাই নি কোনওদিনও, তবে নয়ডা সাতাশ সেক্টরে গেছি বেশ কয়েকবার, ইন ফ্যাক্ট, ওর কাছাকাছিই যেতে হয় আমাকে প্রতি সপ্তাহেই, বাড়ি থেকে খুব দূরে নয়। এ রকম আরও অনেক খুচরো খাচরা অখ্যাত গ্রাম পাওয়া যায় নয়ডার বিভিন্ন সেক্টরে ... হরোলা, সলারপুর, ভঙ্গেল ... ... ...

ডিসেম্বর ২৯। ২০০৬। সিএসটির হিসাবে আমেরিকায় তখন রাত প্রায় নটা। ফক্স নিউজ অ্যালার্টে আল আরেবিয়া চ্যানেলকে উদ্ধৃত করে জানানো হল, সাদ্দামের ফাঁসি হয়ে গেছে। ছোট্টো নিউজ ফ্ল্যাশ। জানা গেল, ১৯৮২ সালের একটি সগঠিত হত্যাকান্ডের অপরাধে অপরাধী শ্রীযুক্ত সাদ্দাম হুসেনকে ইতিমধ্যেই ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে ফাঁসিকাঠে। এবং কোনো ঝুটঝামেলা ছাড়াই কাজটি সমাধা হয়েছে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে। বাগদাদে ফক্স নিউজের স্থানীয় সংবাদদাতার ঘড়িতে তখন সকাল ছটা আট। ... ...

আমি আর সন্দীপ কোনো এককালে সাইকেল করে এয়ারপোর্ট দেখতে আসতাম। ভি. সি কলেজে পড়ি তখন। কলেজ কেটে, বলাই বাহুল্য। মাঝেমধ্যে সুবর্ণও আসতো। সাইকেল চেপে ঘুরতাম, সে তো কত জায়গাতেই। ক্লাশ না পালিয়েও আসতাম পরের দিকে। যেমন শীতের ভোর ভোর কুয়াশায়, যখন নীলগঞ্জ রোডের ধারে চায়ের দোকানে সবে উনুনে আঁচ পড়ছে, বাসিমুখ দোকানী হাই তুলতে তুলতে প্রাণপণে হাওয়া দিচ্ছে; ধোঁয়া আর কুয়াশায় মিলিয়েমিশিয়ে জট পাকিয়ে একাকার। দাওয়ায় মাদুর পেতে পড়তে বসেছে বাচ্চা ছেলে, গায়ে নস্যি রং চাদর না আলোয়ান কেবা জানে; উঠোনে রোগাভোগা বেড়াল-ছানার মত ফালি রোদ ডুরে শাড়ির পায়ে পায়ে ঘোরে। ... ...

শহরে একটি সিনেমা-উৎসব চলছে। এই শহরের সিনেমা-পাগল মানুষ উপছে পড়ছেন থিয়েটারে। কাল ছিলো সরকার-সমর্থিত বন্ধের দিন--রাস্তা-ঘাট শুনশান। পেদ্রো আলমোদোভার এর 'ভোলভার' এর দ্বিতীয় শো এও জায়গা পেলাম না। সিট ছাপিয়ে মাটি তেও বসে পড়েছে সবাই। অন্য থিয়েটারে দেখতে গেলাম একটি সিংহলা সিনেমা, প্রসন্ন জয়াকোডি'র 'সঙ্কারা' ... ...

বস্তুত কবি বিনয় মজুমদারের মৃত্যু হয়েছে বহু বছর আগে। স্বেচ্ছা নির্বাসনে যাওয়ার পর "ফিরে এসো চাকা''র কবি আর আসেননি ফিরে। কতিপয় পতঙ্গশিকারী ফুলের কথা শিশুকাল থেকে শুনে এলেও বহু অনুসন্ধানেও তাদের দেখা পাননি - সারা গায়ে সেই পতঙ্গ শিকারী ফুলেদের রেখে যাওয়া চিহ্ন নিয়ে এমন বিদ্রূপ যিনি করতে পারেন তিনি এও জানেন যে পায়রা ছাড়া অন্য কোন ওড়ার ক্ষমতাবতী পাখি বর্তমান যুগে আর মানুষের নিকটে আসে না। কারণ মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়! বাস্তবিক ভাবেই জীবন তাঁকে আঘাত করেছে বারবার। শিবপুর বি.ই. কলেজের এই ছাত্র সমাজের অনমনীয় মনোভাব, ভগ্ন স্বাস্থ্য আর হয়তো বা নিজের মুদ্রাদোষে ক্রমশ একা, আলাদা হয়ে গেলেন। কথিত আছে এই বি.ই. কলেজেই তিনি তাঁর বহুল পরিচিত কাব্যের নায়িকার সাক্ষাৎ লাভ করেন। ... ...

শিকাগোতে উনিশে অক্টোবরের সকাল। শিকাগো এয়ারপোর্টে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ এসে পৌঁছেছেন। শিকাগো ইকোনমিক ক্লাবের মিটিঙে ভাষণ দেবেন। প্রেসিডেন্টের কনভয় শেরাটন হোটেলের দিকে রওনা দিয়েছে। অন্যদিকে সেইদিন শিকাগো শহর বুশবিরোধী সমাবেশ, মিছিল ও ধর্নায় উত্তাল। শিকাগোর পুলিশ চিফের কথায়- "বুশ যেখানেই যান সাধারণত: সেখানে বিক্ষোভ দেখানো হয়। কিন্তু এই প্রথম মনে হল বিক্ষোভকারীদের চোখমুখ দিয়ে যেন ঘেন্না ঠিকরে পড়ছে।" রাস্তার দুপাশের বিক্ষোভকারীদের সারি একসময় পুলিশ কর্ডন ভেঙে ফেলে। কেউ কেউ রাস্তার মধ্যে এসে যায়। ... ...

গাল্ফের স্ট্রেইট অফ হরমুজ। ক্ষীণস্রোত জলপথ। তেলবোঝাই জাহাজগুলির নিত্য যাওয়া আসা। এই পথেই। এইখানে একটি তেলবাহী আমেরিকান ট্যাংকার ডুবে যাচ্ছে। দুটি বিস্ফোরণে। অগম হয়ে যাচ্ছে স্ট্রেইট অফ হরমুজ। এ'সব আমরাই করতে পারি। এই আমি, আপনি, বন্ধুরা মিলে। স্রেফ খেলাচ্ছলে।ভিডিও গেমসে। ... ...

কলকাতার গ্যালারি-কালচারের একটি আপাতনির্দোষ লক্ষণ সন্মন্ধে ঘরোয়া আলোচনায় ঘুরে ফিরে বিরূপ মন্তব্য শোনা যায় বটে, কিন্তু সে-সন্মন্ধে বস্তুত কারো মাথাব্যথা নেই বলেই মনে হচ্ছে। শহরের কয়েকটি বাণিজ্যিক গ্যালারি কিছুদিন পরপর বেশ সাজিয়ে গুজিয়ে একেকটা প্রদর্শনী করেন। তাতে বিক্রিবাটা খারাপ হয় না, কিন্তু লক্ষ করলে দেখা যাবে দশ-বারোজন নির্দিষ্ট শিল্পীর কাজ নিয়েই এইসব পুনরাবৃত প্রদর্শনী আয়োজিত হয়ে চলেছে। আরো লক্ষণীয় যে গোটা পাঁচেক প্রতিদ্বন্দ্বী গ্যালারি- যেখানে এরকম ঘটনা ঘটছে- মূলত অভিন্ন শিল্পীতালিকা অনুসরণ করে চলেছে। নতুন নাম কদাচ চোখে পড়ে। আবার অজ্ঞাত কারণে একদা প্রশংসিত কিছু শিল্পী প্রায় চিরতরে বর্জিত হন। আলাদা আলাদা গ্যালারিগুলি যদি ভিন্ন তালিকা নিয়ে বিক্রির বাজারে নামত, তবে বহুগুণ বেশি শিল্পী বাণিজ্যিক পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করতেন, এবং তার ফলে সামগ্রিকভাবে কলকাতার শিল্পীদের সর্বভারতীয় ছবির বাজারে বিস্তৃতি ঘটত, ছবির বাজারও বৈচিত্রের স্পর্শ পেত। ... ...

ক্লাসে ছবি আঁকতে দিয়ে শিক্ষিকা চলে যান নিজের কাজে, বলে যান আঁকা শেষ না হলে যেন বাড়ী না যায়। ক্লাস ওয়ানের সরল শিশু ছুটির ঘন্টা পড়ে যাবার পরও আঁকা শেষ না হওয়ায় বসে বসে আঁকতেই থাকে। শেষ হওয়ার পর দেখে কেউ কোথায়ও নেই, সব্বাই দরজায় তালা দিয়ে চলে গিয়েছে। একজন ছাত্রী মুক্তির জন্য এমনকি দোতলা থেকে লাফিয়ে পড়তেও প্রস্তুত ছিল, কারণ দোতলা থেকে লাফ দেবার ভয়াবহতা তার অজানা। ঠিক যেমন অজানা, দিদিমনি আঁকা শেষ না হলে উঠতে বারণ করলেও ওটা আসলে কথার কথা, ছুটির ঘন্টা বাজলে বাড়ী যেতে হয়। ... ...

কোন পোস্ট মডার্ন সাহিত্য নয়, জ্বালাময়ী বক্তৃতাও না - শুধুমাত্র টুকরো টুকরো ঘটনা, কে কি বলেছেন আর তার ইনফারেন্স ... এবং একটা অকপট স্বীকারোক্তি। তর্কটা বহুদিন ধরেই চলছে ... অনেকটাই ঘেঁটে যাওয়া, খেই হারিয়ে ফেলা, এবং আরো ঘেঁটে দেবার জন্যেই এই লেখা। দুধকে ঘেঁটেই তো মাখন বেরোয় ... ... ...

সাদ্দাম হুসেনের ফাঁসির হুকুম হল আজ। রবিবার। নভেম্বর পাঁচ। দুহাজার ছয়। আমার বৌ এসে বলে খবরটা। টিভিতে শুনে। "সাদ্দামের ফাঁসির রায় বেরিয়ে গেছে"। এইরকমই বলে। বলার ভঙ্গী শান্ত, স্বরে কোনো ওঠাপড়া লক্ষ্য করা যায়না। ক্যান্সারের রোগীর মৃত্যুসংবাদ লোকে যেভাবে দেয়, অবিকল সেরকম। টোন শুনেই বোঝা যায়, প্রত্যাশিতই ছিল। এরকমই হবার কথা ছিল। গাছ থেকে আপেল খসেই পড়েছিল। সেই বৃন্তচ্যুত আপেল আজ ভূমিস্পর্শ করল। খবর বলতে এইটুকুই। ব্যস। আমারও বিশেষ কোনো প্রতিক্রিয়া হয়না। এমনিতেই আগের দিন রাত থেকেই ঘাড়ে অসহ্য ব্যথা। শোবার দোষে। ... ...

এখানে ঈদ নিয়ে প্রতিবছরই একটা কনফিউশন থাকে। ঈদের জন্যে সরকারী ছুটি একদিন। দিন-তারিখ হিসেব করে ক্যালেন্ডারে তারিখটা লাল কালিতে লিখে দেওয়া হয়, ছুটির দিন হিসেবে। তবে ক্যালেন্ডারের ঐ লাল কালি দেওয়া তারিখটিতে ছুটি কমই পড়ে। তিরিশদিনের রোযার হিসেবে ছুটি নির্ধারিত হয় কিন্তু প্রায় প্রতিবছরই রোযা ২৯দিনে শেষ হয়। যেহেতু চাঁদের উপর নির্ভর করে তাই চাঁদ দেখার খবর পাওয়া মাত্রই পরদিনটি ছুটির দিন হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। কিছু কিছু অফিস তাও খোলা থাকে, অন্য ধর্মাবলম্বীরা এই অঘোষিত ছুটির দিনটিতে কাজ-কর্ম করেন, ক্যালেন্ডারের লাল দাগ অনুসারে তারা পরদিন ছুটি উপভোগ করেন। ... ...

যা বোঝা গেলো এই Amado-র সাংঘাতিক লেখার ক্ষমতা। ব্যঙ্গ, বিদ্রূপ আর তাচ্ছিল্য টাই এনার এক ধরণের শৈলী। এবং যৌনতা-ই প্রধান বিষয়, অন্তত আমি যে বইটা পড়ছি সেই বইটার। dona flor and her two husbands। ... ...

ফুয়েন্তেসের নাম আবছাভাবে শোনা ছিল। তারপরে বাপ্পাদার (লন্ডন) সঙ্গে আলাপ; তো বলল লোকটা নাকি ব্যাপক লেখে। মেক্সিকোর লেখক। এখানকার লাইব্রেরিতে গিয়ে আবার পেয়েও গেলাম বইটা। The Crystal Frontier। ৯ খানা আলাদা আলাদা গল্প নিয়ে একটা উপন্যাস। আলাদা, কিন্তু একটা কমন থ্রেড চলে গেছে গল্পগুলোর মধ্য দিয়ে, তা নইলে আর একটা উপন্যাস কি করেই বা হবে। ... ...

ঝকঝকে নীল আকাশে, সাদা মেঘের ভেলায় চড়ে এক অন্যরকমের রোদ্দুর এসে পৌঁছে গেছে পৃথিবীর এমুড়ো ওমুড়ো। ঝাপুস ঝুপুস বিষ্টি যে কখনও সখনও হচ্ছে না, তা নয়, তবু তারই ফাঁকে লোকে বাক্স ঝেড়ে বের করে আনছে বালুচরী, জামদানী, বেনারসী, পৈঠানি, কাঞ্জিভরম, শেরওয়ানি আর বিবিধ প্রকার পাঞ্জাবী ও জামেওয়ার শাল, মেলে দিচ্ছে রোদ্দুরে। আমরাও ঝাড়তে বসেছিলাম গুরু ও চন্ডালের ঝোলাখানা। হাতে উঠে এলো একবছর আগের এই লেখাটি। আজ, তৃতীয়ার সকালে, এই লেখাটিই মেলে দিলাম, যদিও এটি কোনোমতেই "আলোচনা' নয়। --- সম্পাদক ... ...

"ফলো দ্য ইয়েলো ব্রিক রোড"-ডরোথি,কাকতাড়ুয়া, টিনের সেপাই, সিংহমশাই সবাই হাঁটছেন ইয়েলো ব্রিক রোড ধরে, এই গানখানি গাইতে গাইতে। পথের শেষে সব পেয়েছির দেশ-সব্বার মন:স্কামনা পূর্ণ হবে অজ দেশের উইজার্ডের জাদুদন্ডের ছোঁয়ায়। গন্তব্যে পৌঁছে অবশ্য মিথগুলি ভেঙে যেতে থাকে... বছরকয়েক আগের টাইম পত্রিকায় প্রায় এই লেখার মতই শিরোনাম ছিল একটি আর্টিকেলের।মনে পড়লো।তবু হেডিং বদলাতে ইচ্ছে হ'ল না। আসলে, ইয়েলো কেকের সমস্ত গল্পেই ইয়েলো ব্রিকের গানটাই থিম সঙ। ... ...

সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশনের U/A সার্টিফিকেটের পরেই স্ক্রিন জুড়ে দেখা যায় বোর্ডে বাঁধা সারিসারি বেলুন। লাল, নীল, হলুদ, সবুজ এবং অরেঞ্জ। সুশৃঙ্খল ও সারিবদ্ধ। হরাইজেন্টাল সুতো দিয়ে নয়, আসলে তাদের বেঁধে রাখা হয়েছে যুক্তি ও ব্যাকরণের অর্ডারে। অচিরেই ফট করে একটি আওয়াজ হবে, এবং ব্রেনে শব্দটি রেজিস্টার হবার আগেই প্রথম সারির ষষ্ঠ বেলুনটি দুমফটাস। আরও এক সেকেন্ড অপেক্ষার পরেই ফেটে যাবে ঠিক তার নিচের সবুজ বেলুনটি। ক্যামেরা প্যান করবে, বেলুনের বোর্ডকে ফোকাসে রেখে ব্যাকগ্রাউন্ডে পর্দার বাঁদিকে দেখা যাবে আউট অফ ফোকাস, ঝাপসা অস্পষ্ট শহর কলকাতা। একটি হলুদ ট্যাক্সি। একটি সাদা অ্যাম্বাসাডার। ... ...

আমার ধার্মিক জেঠুর কড়া পাহারায় ভাই বোনেরা সন্ধ্যেবেলায় নাম করতে বসতাম। সার সার বসে আমরা হাতজোড় করে গাইতাম "অপরূপ সে গুরু রূপ....'। চোখ বন্ধ করে অপরূপ সেই কোনো এক মুখ মনে করার সময় ভেসে উঠতো শুধু একজনেরই মুখ। জ্বলন্ত অথচ শান্ত মুখ, চোখে কি অদ্ভুত মায়া, কোঁকড়া চুলের রাশ কাঁধের ওপর, দু হাত আড়াআড়ি করে রাখা সাদা আলখাল্লায় ঢাকা চওড়া বুকের ওপর। মাথার পেছনে সুর্য্যের ছটা। যীশুর এই অনন্যসুন্দর ছবিটি জেঠুর শোবার ঘরের দেওয়ালেই টাঙ্গানো ছিল। সেই শুরু। ... ...

গ্রুপ থিয়েটারের বড়দা নান্দীকারের দুইটি ছোটো নাটক - "পাতা ঝরে যায়" এবং "বড়দা"। প্রথমটি বুদ্ধদেব বসুর লেখা। দ্বিতীয়টি মুন্সী প্রেমচন্দের ছোটো গল্প অবলম্বনে। প্রথমটিতে যুগ্ম অভিনয়ে রুদ্রপ্রসাদ এবং স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত। দ্বিতীয়টিতে একক অভিনয়ে গৌতম হালদার। "পাতা ঝরে যায়" নাটকটি মঞ্চস্থ করার কি খুব দরকার ছিল? দুই বৃদ্ধবৃদ্ধার শেষ জীবনের স্মৃতিচারণ যেখানে ছেলেমেয়ে অনেক দূরে। ... ...