
আমি তখন নিজের শহর খুঁজে বেড়াচ্ছি। আমার শহরে একটা নদী থাকবে, অসংখ্য গাছ, বৃষ্টিভেজা পাখিরা জানালার কার্ণিশে এসে বসবে, রোদ ঝলমলে দিনে নদীর পাশ দিয়ে হাঁটতে বেড়ানো যাবে আর তৃষ্ণা পেলে ঢেউ খেলানো জলের দিকে মুখ করে বসানো চেয়ারের একটা কফির দোকান থেকে নিয়ে নেওয়া যাবে পছন্দের কাগজের কাপ – আরো অনেক কিছু – শহর আমাকে নষ্টালজিক করে তুলবে –নষ্টালজিক কাকে বলে? আমার তো কোন শহর ছিল না কোন দিন – তাহলে শহর কি করে আমাকে ফিরিয়ে দেবে নষ্টালজিয়া? আমি ঠিক জানি না – নাকি আমি প্রকৃত অর্থে জানিই না যে নষ্টালজিয়া ... ...

গদ গদ করে বৃষ্টি হচ্ছে। ব্যালকনির দরজা খোলা। জল গড়িয়ে ঢুকছে ঘরে। প্রথমে রেখা তারপর একটা সাউথ আমেরিকার ম্যাপ তারপর লম্বা জিবেগজা হয়ে জলগুলো বুকসেলফের দিকে এগিয়ে যায়। একপাটি ওল্টানো জুতোকে ধরে ফ্যালে। পাশে ছাড়া মোজাটা ভিজে গ্যালো। তারপর চিৎ হয়ে পরে থাকা উৎপলকুমার। বইমেলা। শিঞ্জিনী এনে দিয়েছিলো। শিঞ্জিনী পিঙ্ক টপ পরেছিলো। এইতো সেদিনও। ওহ আবার চাপিয়ে দেওয়া হিংসা। না থাক। পারলপেটের জার থেকে মুড়ি নিয়ে মুখে ফেলে তুতুন। মিয়ে গ্যাছে। বৃষ্টি হচ্ছে গদ গদ করে। তেতো লাগে খুব ... ...

মুখবন্ধহারিয়ে যাওয়া মানে তো আসলে একরকমের শেষ হয়ে যাওয়া। একটা জিনিসের সঙ্গে, একটা মানুষের সঙ্গে, একটা জীবনের সঙ্গে আমাদের চলাটা ফুরিয়ে যাওয়া। দেখতে গেলে আদি-অন্তহীন এক ফুরিয়ে যাওয়ার মধ্যেই আমরা বাঁচি, প্রতি মুহুর্তই অনবরত ফুরিয়ে যায়, কোনো মুহুর্তই তার আগের-পরের মুহুর্তের মত নয়। কিন্তু যে ফুরোনো হঠাৎ আসে, খবর না দিয়ে আসে, অসময়ে আসে, তাকেই আমরা হারিয়ে যাওয়া বলি। ব্যাগ খুলে দেখি খাপটা পড়ে আছে, কলমটা নেই, সকালে বেরোবার আগে দেখি একপায়ের মোজা নেই, দিনের শেষে কানে হাত দিয়ে দেখি একটা দুল নেই। আ ... ...

এটি নেহাতই গপ্পো; এখানে যদি কোন ঘটনা বা কারো নাম দেখে আপনাদের পরিচিত কাউকে মনে পড়ে তো জানবেন তা নেহাৎই কাকতালীয়। ট্রেন একটা স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে অনেকক্ষণ থেমে আছে। কিন্তু হরিদাস পালের চোখে যেন আঠা লেগে আছে, খুলতেই চাইছে না। এসি-থ্রির কোমল ঠান্ডায় শেষরাতের জম্পেশ ঘুম আর কি কি সব আহ্লাদী স্বপ্ন! ও আরেকবার কম্বলটা ভাল করে টেনে নিল। কিন্তু কামরার মধ্যে আলো বড় বেশি, আর লোকজনের কথাবার্তা যেন বেড়েই চলেছে। এই সাতসকালে কেন ... ...

।। ৩। ।“Truth is the goal; reason is thy way.” কত সহজেই এই কথাটা বলতে পেরেছিলেন সতের বছরের এক কিশোর শিক্ষক প্রায় তাঁর সমবয়সী ছাত্রদের কাছে। শ্রেণিকক্ষের দরজা বন্ধ করে। অনুচ্চ কণ্ঠে। ১৮২৬ খ্রিস্টাব্দে তিনি এসে যোগ দিলেন এই কলেজের চতুর্থ শিক্ষক হিসাবে। হিন্দু কলেজে ডিরোজিওর অভিমন্যূ-ভূমিকা এই ভাবেই শুরু হয়েছিল। শুনতে আজ আশ্চর্য লাগলেও দরজা বন্ধ করেই এসব কথা সেদিন বলতে হত। চার বছরের মাথায় এটাই তাঁর বিরুদ্ধে ধর্মীয় মাতব্বরদের একটা বড় অভিযোগ হয়ে উঠ্ববে। ... ...

নাহ বলতে কোন দ্বিধা নেই একসপ্তা আগেও দীপা কর্মকারের নামটা আমি শুনিনি। সেই ২০১৪ গ্লাসগো কমনওয়েলথে ব্রোঞ্জ পাবার পর হয়তো একটু মাতামাতি হয়েছিল হয়তো। কিন্তু একে জিমন্যাস্ট তাও আবার ত্রিপুরার, এতদিন কার মনে থাকবে বাওয়া? ভুল বুঝবেন না। আমার এই অজ্ঞতায় আমি যে লজ্জিত তা স্বীকার করতে কোন দ্বিধা নেই। তাই আর নতুন করে কমেন্টে “এতদিন মনে পড়েনি, এখন হুজুগে পড়ে নাচানাচি করছে” বলার কোন মানে নেই। নোবেল না পেলে বাঙালি অমর্ত্য সেন, এমনকি রবীন্দ্রনাথকেও মনে রাখত কিনা সন্দেহ।যাই হোক। নিউজফিডে নামটা খুব ঘুরছে দে ... ...

টুডে নিউজ৭১ ডট কম নামের একটি অনলাইন পত্রিকা প্রধানমন্ত্রীর পুত্র ও তথ্য উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়-কে নিয়ে একটি বিভ্রান্তিকর মিথ্যা খবর প্রকাশ করে। এরকম কিছু ওয়েব পোর্টাল রয়েছে যারা বিভিন্ন রাজনৈতিক গ্যাং-এর প্ররোচনায় "গুজব" প্রচার করে। বলাই বাহুল্য আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতের গ্যাং-গুলো নিজেদের অশ্লীল উদ্দেশ্য সাধনে ও প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে এরকম নৈতিকতা বর্জিত পোর্টালগুলো চালায়।টুডে নিউজ৭১ ডট কম সেরকমই একটি নৈতিকতা বর্জিত ওয়েব পোর্টাল; তথ্য উপদেষ্টা জয় সম্পর্কে তাদের প্রকাশিত খ ... ...

রোদ পড়ে গেছে। সূর্য এখন আস্তে আস্তে রঙ বদলাবে। তারপর মিলিয়ে যাবে। কাঠবিড়ালিদের সূর্য চন্দ্র ইত্যাদি নিয়ে বোধহয় কোনও আদিখ্যেতা নেই। মানুষের আছে। তেরাব আলী বারান্দায় বসে ভাবেন। ইদানীং তাঁর হাতে নতুন কাজ আসছে না। কাজ না থাকলে তার হাঁসফাঁস লাগে। তখন তিনি কবিতা লেখেন। অথবা গলা পর্যন্ত পানিতে ডুবিয়ে বসে থাকেন বেশিরভাগ সময়।এসময় কাঠবিড়ালিরা তাঁর চিন্তার অধিকাংশ জুড়ে থাকে। তিনি কাঠবিড়ালি সম্প্রদায়ের সাথে মানুষের মিল খুঁজেন। বেশিরভাগ সময়ে হতাশ হন। তাঁর বারান্দার পাশের লম্বা গাছটিতে ... ...

রাতের আকাশে ক্ষণস্থায়ী এক উল্কার মতো বাংলার সমাজে জন্মগ্রহণ করেছিলেন হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও (১৮০৯-৩১), সূত্রপাত করেছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দের প্রথম পাদে এই পরিচিত বাংলাদেশ তথা ভারতবর্ষের মাটিতেই এক বিরাট সম্ভাবনাময় মুক্তবুদ্ধি আন্দোলনের। আর তার ঊর্মিমালা সেদিন সমসাময়িক ঐতিহ্যবাদী ও সনাতনপন্থী চিন্তাধারার মেদ-মেদুর শরীরে প্রবল আঘাত করেছিল। সেই অভিঘাতের কাহিনি স্মরণ করলে এটা খুব বিস্ময়ের যে আমরা একশ বছর যেতে না যেতে তাঁকে প্রায় ভুলেই গেছি। ... ...

৪৫ বছর ধরে তিনি নিখোঁজ। ১৯৭১এর ৫-৬ আগস্টে ময়দানে যদিও কেউ নাকি তার রক্তাক্ত দেহ পরে থাকতে দেখেছিল, মাথা কেটে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল ম্যানহোলে প্রমাণ লোপের চেষ্টায়। অধ্যাপক দেবী প্রসাদ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি (শেল্টার) থেকে ৭১-এর চৌঠা অগস্ট রাত সাড়ে-এগারোটা নাগাদ সরোজ দত্তকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল রুণু-দেবী-তারাপদ’রা সেই থেকে পুলিশের খাতায় অথবা সরকারী মতে দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে তিনি এখনো নিখোঁজ। তিনি সেই কতিপয় বুদ্ধিজীবীদের অন্যতম যার তীক্ষ্ণ অনন্য স্বর শাসকদের কাছে আতঙ্ক -ভেঙ্গে চুরমার করে মধ ... ...

আবেশ কেন মারা গেলো? - এই জ্বলন্ত প্রশ্নের সামনে দাঁড়িয়ে গোটা বঙ্গসমাজ। আবেশের মৃত্যুতে সামগ্রিক বাঙ্গালী জাতির চেতনা জাগ্রত হয়েছে - সামাজিক কাঠামোর প্রতিটি ইঞ্চি বিশ্লেষণ করে নাগরিক সমাজ একের পর এক বৈপ্লবিক দলিল পেশ করছে। আমরা নিজেদের চিনছি, জানছি - আবেশ কেন মারা গেলো, আর কি কি করলে আবেশ মারা যেতো না। আসুন, বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জড়ো হওয়া সমস্ত দলিল কে এক করে আমরা একটা কারনের লিস্ট বানাই।আবেশ মারা গেছে কারন সে আইনত প্রাপ্তবয়স্কের তকমা পাওয়ার আগেই নেশা করতো। দু মিনিট নীরবতা সেই সমস্ত ... ...

ভোরবেলা ঘরের দরজা খুলতেই প্রচণ্ড দুর্গন্ধ ! পা যেন পিছলে গেল হলুদ পেছল আধা-তরলের ওপর ! কি ভয়ংকর ! এ তো মানুষের মল।!আমার খুব ছোটবেলার ঘটনা। মনে আছে পাশের বাড়ির কাকিমার চিলচিৎকারে মা ছুটে গিয়েছিলেন টিউকলের পাশে জিগা গাছের নীচ দিয়ে।সবে তখন সূর্য উঠছে। সেই অল্প আলোতেই সদ্য ঘুম ভাঙা ছোট্ট আমি মায়ের পেছন পেছন না গিয়ে বোকার মতো উঠোনে দাঁড়িয়ে দেখছিলাম দূরে ধূসর আকাশের গায়ে মহাকাল পর্বতের আবছা নীল রেখা।ব্যাপারটা হয়েছিল কি, তখন ওদিকে প্রায় বাড়িতে খাটা পায়খানা। বাড়ির চৌহদ্দি যেখা ... ...

[ এবছর ২৬ জুলাই ২০১৬ রাজেন্দ্রলাল মিত্রের মৃত্যুর একশ পঁচিশ তম বছর সূচিত হচ্ছে। উনিশ শতকের ভারতের এই অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্রকে আমরা আজ ভুলে গেলেও তাঁর জীবনের কর্ম ও সাধনাকে যতটুকু স্মরণ করব সেই অনুপাতে সেই ভুলের প্রায়শ্চিত্য করতে ইচ্ছে হবে। সেই তাগিদ থেকেই এই রচনার জন্ম। ধাপে ধাপে কয়েকটি ক্রমে আমরা চেষ্টা করেছি স্মরণ করার ছলে এই মহৎ মানুষটিকে তাঁর প্রাপ্য সম্মানের কিছু ভাগ অন্তত ফিরিয়ে দিতে। এবারে সূত্রোল্লেখ সহ পঞ্চম বা শেষ পর্ব।]।। ৮। । ... ...

চলে গেলেন মহাশ্বেতা দেবী। নব্বই বছর বয়েসে বাংলা সাহিত্যের এই প্রবাদপ্রতিম লেখিকার জীবনাবসান হল। শুধু সাহিত্যিক হিসেবেই নয়, নিম্নবর্গের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করা এক অবিস্মরণীয় সমাজকর্মী এবং প্রতিবাদী রাজনৈতিক চরিত্র হিসেবেও উত্তরকাল তাঁকে মনে রাখবে।মহাশ্বেতা দেবীর জন্ম হয়েছিল ১৪ জানুয়ারী, ১৯২৬ এ। বাড়িতে ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশ। বাবা মণীশ ঘটক ছিলেন সেকালের প্রখ্যাত সাহিত্যিক, যিনি লিখতেন যুবনাশ্ব ছদ্মনামে আর আলোড়ন ফেলেছিলেন ‘পটলডাঙার পাঁচালি’ নামক কালজয়ী রচনার মধ্যে দিয়ে। সম্পাদনা করতেন বর্ত ... ...

আজকে অনেক, অনেকদিন পড়ে হঠাৎ করেই তোকে স্বপ্নে দেখলাম - কেন, কে জানে! তোকে কি মিস করছিলাম? কি জানি, আলাদা করে বুঝতে পারিনি তো একবারও। তুই আছিস, থাকবি, এরকমই তো হওয়ার কথা… আলাদা করে কবে, কখন, কেন, এসব কিছু ভাবতে বসিনি তো কখনই! কিন্তু আজকে যেরকম আচমকা হানা দিলি পুরো স্বপ্নটা জুড়ে… কি প্ল্যান বলত, তোর?কি দেখলাম, জানিস? দেখলাম… না না দাঁড়া, প্রথমে শুনলাম, ফোনে, যে তোর নাকি অসুখ করেছে। খুব সিরিয়াস, হসপিটালে ভর্তি। বোধ হয় মৌমিতা বলল। আর তারপর আমি গেলাম তোকে দেখতে - যেন পাশেই থাকি, এপাড়া থেকে ... ...

ডন কিহোটে, অথবা ছায়াবাজিসরিৎ চট্টোপাধ্যায় (ছোটগল্প)শিয়ালদা স্টেশন। বছর পনেরোর সেই ছেলেটা একরকম প্রায় টলতে টলতেই কারশেডে দাঁড়ানো লালগোলা প্যাসেঞ্জারের খালি কামরাটায় উঠে মেঝেতেই শুয়ে পড়ল। রেলপুলিশের হাতে যাত্রীরা ওকে তুলে দেওয়ার সময় দেখা গেল ওর শরীরের প্রায় অর্ধেক আগুনে পুড়ে ঝলসে গেছে। রাত বারোটার কিছু পরে এনআরএসের বার্ন ওয়ার্ডে সার্জারীর পিজি সমীর মাইতি যখন ওকে দেখে, তখনও ও অজ্ঞান। মেডিকো-লিগাল কেস। প্রায় পঁয়তাল্লিশ পারসেন্ট বার্ন। তবে সেকেন্ড ডিগ্রী; ইনফেক্ ... ...

সন্ধ্যে নামবে নামবে করছে, বর্ষার এই সময় টা আকাশ দেখার জন্য আদর্শ | দিনের শেষ আলোর রঙিন ফলা এফোঁড় ওফোঁড় করে দিয়েছে আকাশকে, সেই রক্ত লাল চুইঁয়ে পড়েছে নদীর জলে, আনমনে ভেসে থাকা নৌকা গুলোর গায়ে | নদীর ধারটা অদ্ভূত | শহরের মাঝে, তবুও একদম ই শহর নয় | সামনের কাদা জমিতে ঘাসের মাথা নাড়া, স্রোতের অপেক্ষায় এ শহরে আটকে থাকা পানা ঝোপ | দূরে ওপাশে তিন রকম ভাষায় নাম চমকাচ্ছে হাওড়া, ব্রিজের ওপরে হালকা বেগুনী আলো জ্বলবে জ্বলবে প্রায় | উত্তর প্রদেশীয় অভিবাসী দের ভিড় প্রচুর এখানে | শিব মন্দিরের ধাপে নিশ্চিন্ত ... ...

[এবছর ২৬ জুলাই ২০১৬ রাজেন্দ্রলাল মিত্রের মৃত্যুর একশ পঁচিশ তম বছর সূচিত হচ্ছে। উনিশ শতকের ভারতের এই অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্রকে আমরা আজ ভুলে গেলেও তাঁর জীবনের কর্ম ও সাধনাকে যতটুকু স্মরণ করব সেই অনুপাতে সেই ভুলের প্রায়শ্চিত্য করতে ইচ্ছে হবে। সেই তাগিদ থেকেই এই রচনার জন্ম। ধাপে ধাপে কয়েকটি ক্রমে আমরা চেষ্টা করছি স্মরণ করার ফাঁকে ফাঁকে এই মহৎ মানুষটিকে তাঁর প্রাপ্য সম্মানের কিছু ভাগ অন্তত ফিরিয়ে দিতে। এবারে চতুর্থ পর্ব। সূত্রোল্লেখ পঞ্চম বা শেষ পর্বে থাকবে।]। । ৬। । উপরোক্ত গ্রন্থ কয়টির ... ...

শুভাশিষ দেব তার বাবার মৃত্যুর প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর পর এক বিকেলে পিতার মৃত্যুশয্যায় বলে যাওয়া কথাটির অর্থ বুঝতে পারলেন। তিনি চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে একটি হাসির গল্পের বই পড়ছিলেন এবং এই বই পড়তে পড়তেই হঠাৎ তার কেন যেন পিতার বলে যাওয়া শেষ কথাটি মনে পড়ল। আর সাথে সাথেই প্রায় বিদ্যুৎ চমকের মত তার মনে চমকে উঠল এই কথাটির মর্মার্থ। আশ্চর্য! তিনি এতদিন কথাটি এভাবে ভেবে দেখেন নি। শুভাশিষ দেবের শরীর ঘামতে শুরু করল। অসহ্য ভয় এবং অতি তীক্ষ্ণ বেদনা একরাশ পাশবিক হৃদয় নিংড়ানো ঘৃণার মোড়কে আবদ্ধ হয়ে শুভাশিষ দেবের উপর ... ...

“আপনাকে বলছি স্যার” – ফিরে দেখা (২)হালিসহর সভাসেই সভায় আলোচনার বিবরণ। প্রায় সম্পাদনা না করে। এটা দ্বিতীয় অংশ। আরো আসবে।ওখানে বলা হয়নি এরকম কয়েকটা কথা এখানে যোগ করেছি।তীর্থঙ্করঃ তবুও বোধ হয় একটা রাস্তা আছে। নেই কি?সুমিতাঃ না, সবথেকে বড় কথা হচ্ছে এই সরকারই তাদের সিলেবাসে বড় বড় কথা ......।।সলিলঃ এই … এই সবাই প্রশ্ন করবেন আমি উত্তর দেব এটা কিন্তু হবে না। সুমিতাঃ না, এই বইটা পড়ে আমার খুব মনে হয়েছিল, এর বাংলা অনুবাদটা পড়ে দেখেছি আমরা, সহজ ভাষায় লেখা। ... ...