
ঢেঁকি সরিৎ চট্টোপাধ্যায় / অণুগল্প সামনের বাড়িটার জানলা দিয়ে টিভিটা দেখা যাওয়ায় ওর খুব সুবিধা হয়েছে। সাড়ে সাতটা বাজলেই 'গোয়েন্দা গিন্নি'র জন্য ছটফট করে ওঠে ওর মনটা। আহা! রবার্ট ব্লেক বা ফেলু মিত্তির কোথায় লাগে এই পরমা মিত্তিরের কাছে! আজও সবে ও বেশ আয়েশ করে জাঁতি আর সুপুরিক'টা নিয়ে বসেছিল; হঠাৎ নাকে অগুরু সেন্ট-এর গন্ধটা ধক করে এসে লাগল। ভুরুজোড়া অনিচ্ছা সত্তেও কুঁচকে উঠল ওর। যা সন্দেহ করেছিল ঠিক তাই! গায়ে আদ্দিরের গিলে করা ফিনফিনে পাঞ্জাবি, কোঁচানো ধুতির কোঁচার ফুল হ ... ...

কবিরা খড়া বজার মেঁ, মাঁগে সবকা খ্যয়ের। না কাহুসে দোস্তি, না কাহুসে ব্যয়ের। ।('বজার' মানে মানে এই সমাজবিশ্ব। কবির সেখানে দাঁড়িয়ে সবার মঙ্গল কামনা করছে। তার সঙ্গে কারও বন্ধুতা নেই, শত্রুতাও নেই কারও সঙ্গে।)ছোটবেলায় পড়া কবিরের অনেক দোহার থেকে এই দোহাটি আলাদা করে মনে থেকে গিয়েছিলো। নির্গুণ ভূমাদর্শনের সব কথা এই কটা শব্দের মধ্যে ধরে ফেলা কবিরের পক্ষেই সম্ভব। বয়সের বিভিন্ন স্তরে এই শব্দনির্মাণটি বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। ... ...

আনন্দবাজারের খবর অনুযায়ী, শ্যামের নাম ‘ কানাই ‘ রেখে রেজ্জাক মোল্লার নেতৃত্বে রাজ্যে চুক্তি চাষ শুরু হতে চলেছে। চুক্তি চাষ কথাটি যেহেতু সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গে বিপদজনক সেহেতু এই প্রকল্পটির নাম রাখা হয়েছে পার্টিসিপেটারি ফার্মিং - অংশগ্রহণ মূলক চাষ। আনন্দবাজারের এই খবর যদি সত্য হয় তাহলে শাসকের পালটি খাওয়া শুরু, তাও এমন এক ভদ্রলোকের হাত ধরে যিনি বিগত সরকারের সময়ে সমস্ত কৃষক বিরোধী কাজকর্মের পাণ্ডা ছিলেন। আদিবাসি জমি, খাস জমির চরিত্র বদল করে হাজার হাজার একর জমি উনি উত্তর ... ...

( ইস্যু অনেক, কিছু গুরুত্বপুর্ন, কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন তবে যে ইস্যুর সাথে কোটী কোটি মানুষের জীবন জীবিকা জড়িত আমার মতে সেই ইস্যুর থেকে দৃষ্টি সরিয়ে দেওয়া এক ধরনের জ্ঞাত অজ্ঞাত চক্রান্ত, নিচের প্রবন্ধটি সেই রকমের একটি ইস্যু বিষয়ক। আমাদের রাজ্যের কৃষি বিপণন কে পুঁজিবাদী বৃহৎ কর্পোরেট দুনিয়ার কাছে উন্মুক্ত করে দেওয়ার সুপরিকল্পিত চক্রান্ত বিষয়ে। পড়ুন, পড়ান জনমত সৃষ্টি করুন অবশ্যই যদি গুরুত্বপুর্ন ইস্যু বলে মনে হয় )আনন্দবাজারের খবর অনুযায়ী, শ্যামের নাম ‘ কানাই ‘ রেখে রে ... ...

আনন্দবাজারের খবর অনুযায়ী, শ্যামের নাম ‘ কানাই ‘ রেখে রেজ্জাক মোল্লার নেতৃত্বে রাজ্যে চুক্তি চাষ শুরু হতে চলেছে। চুক্তি চাষ কথাটি যেহেতু সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গে বিপদজনক সেহেতু এই প্রকল্পটির নাম রাখা হয়েছে পার্টিসিপেটারি ফার্মিং - অংশগ্রহণ মূলক চাষ। আনন্দবাজারের এই খবর যদি সত্য হয় তাহলে শাসকের পালটি খাওয়া শুরু, তাও এমন এক ভদ্রলোকের হাত ধরে যিনি বিগত সরকারের সময়ে সমস্ত কৃষক বিরোধী কাজকর্মের পাণ্ডা ছিলেন। আদিবাসি জমি, খাস জমির চরিত্র বদল করে হাজার হাজার একর জমি উনি উত্তর ... ...

আজ অটোর জানালা দিয়ে রাজাবাজারের মোড়ে দেখি আকাশের অনেক উঁচুতে চৌকো গোল নানা রঙিন ছোপ।ঘুড়ি !নাকি হৃদয়ের কথা যা কোনদিন কেউ শুধোল না! সে যাই হোক, ছোটবেলাটা ছুট্টে এলো কোথা থেকে এই ঘিঞ্জি ভিড় ঠেলেও! তার মাথায় এখনো রিবন বাঁধা, হাঁটু ঝুল ফ্রক। মনে করিয়ে দিল ডানপিটে মেয়েটাকে যে একগাদা ছেলের সঙ্গে পাশাপাশি দুটো বড় গাছে ঘুড়ির সুতো পেঁচাচ্ছে। ঘুরিয়েই যাচ্ছে।তেতলার হাতে এরারুট বা গদের আঠা। ওই আঠা ন্যাকরায় নিয়ে পেঁচানো সুতোয় লাগাতে হবে। আর সাগরের হাতে হামানদিস্তায় পেষা ফটো ... ...

সিঙ্গুরের ঘটনাপুঞ্জ তার বৃত্ত সম্পূর্ণ করলো এই সপ্তাহে। এইখানে বৃত্ত লিখতে তবুও একটু বাঁধছে, কারণ, গত দশ বছর আগে কোনও ভাবেই ভাবতে পারিনি যে শেষটা এইখানে হবে। প্রথমে তো বেশ ভালোই লাগছিল, অফিসে কম্পিউটার আর প্রাথমিকে ইংরেজি বর্জনকারী সিপিএম অবশেষে রাজ্যে ইন্ডাস্ট্রি আনা নিয়ে সিরিয়াসলি কিছুটা এগোচ্ছে দেখে। চাকরি বাকরি বাড়বে, ক্যাশ ফ্লো বাড়বে, অর্গানাইজড লেবার ক্লাস তৈরি হবে--- ইত্যাদি মিলিয়ে সে বেশ ভালো ব্যাপার মনে হচ্ছিল। তারপর সেই ফোর্থ ইয়ার থেকে জেনেছি কোর জব করতে হলে বাড়ি ছাড়তে হবে, এই শিল্পা ... ...

মৃত্যুভয়, পাপক্ষয়সরিৎ চট্টোপাধ্যায় কাপালিকের তন্ত্রে মেশে রক্তের নেশা, তার খড়্গ আর ভালমহাডামরির জিভের মতো লাল; অপেক্ষায়হাড়িকাঠে পিছমোড়া করে বাঁধা মানব-শিশু। শিশু হত্যা, হালাল। অষ্টমীর অঞ্জলি দিচ্ছে পেট-মোটা ডাক্তারসেই সুগারটা দিলি তো মা, দেখিস হার্ট কিডনি দুটো যেন ভালো থাকেমাইরি বলছি, পুষিয়ে দেব, এই ডেঙ্গুর সিজনটুকু যাক। আমলা মন্ত্রী শিল্পপতি মরিয়া হয়ে এক সারিতে খাড়া তদন্তের হাত থেকে জাস্ট এবারটা বাঁচিয়ে দাও, ট্রিনিটি বাপেরা!নিখাদ ... ...

উগ্র জাতিয়তাবাদের বিপদ ইতিহাস আমাদের দেখিয়েছে। দুটো বিশ্বযুদ্ধ, ফ্যাসিবাদ নাৎসীবাদের উত্থানের মধ্যে এই উগ্রতার সমস্যা আমরা দেখেছি। উগ্র প্রাদেশিকতাবাদও যে কতটা সমস্যাজনক হতে পারে কর্ণাটক ও তামিলনাড়ুর পরিস্থিতি তা আমাদের দেখাচ্ছে। এর আগে মহারাষ্ট্রে আমরা শিবসেনা বা মহারাষ্ট্রের নবনির্মাণ সেনার দ্বারা এরকম ঘটনা দেখেছি। সেখানে বিহার থেকে চাকরীর পরীক্ষা দিতে যাওয়া যুবকদের মারাত্মক হেনস্থার কথা অনেকেই মনে করতে পারবেন। রাজনৈতিকভাবে উগ্র প্রাদেশিকতাকে ব্যবহার করার একটা প্রবণতা, সহজে গরম বক্তৃতা দিয়ে রা ... ...

বেশ। মৃত্যু এখন তাড়া করেছে। তার খেয়ে দেয়ে কাজ নেই। তাই আমার পিছনে, আর সে কেবল দৌড়ে বেড়ায়। হোঁচট খায়, আমি ঘাড় না ঘুরিয়ে টের পাই। ইচ্ছে হলে আমানবিক হাসি। মৃত্যুর ব্যপারে আমি নিষ্ঠুর, হয়ত আরও নিষ্ঠুর হতে চাই। আমি আবার পালিয়ে বাঁচি। ধর্মের জল গাইয়ে না লাগিয়ে আমি হাঁটি মত্যুর পেতে রাখা ইঁটের ওপর, টালমাটাল সীমান্ত গান্ধী, যেমন সন্ধ্যার সহজাত আখ্যান। এখনও সময় পেলে ভাবি, মৃত্যু কেন দৌড়ায়, এই যে অকিঞ্চিৎকর, এই অনবরত দীর্ঘশ্বাস ক্লান্তিকর মনে হয়। বাতি লাল হলে জেব্রা বরাবর মৃত্যুকে রাস্তা পেরতে দেখি। আমি দ ... ...

ইছাপুর একধরণের স্থানিক উপস্থিতি, যা ছিল ছোটবেলার পাশে, তাকে আলগা ভাবে বেড় দিয়ে। খুব একটা নিশ্চিত, শক্তপোক্ত নয়... দু'চারটে মেঠো ডাল, কঞ্চির একটা এলোঝেলো বাঁধন। তার মধ্যেই ইছাপুর ছিল। মানে,এখন নেই। ইছাপুর কখনো অনন্ত হয়না।অথচ, একসময় দমদম জং থেকে স্টেশন পেরিয়ে পেরিয়ে,বেলঘরিয়া-আগরপাড়া-সোদপুর-খড়দা...টিটাগড়-ব্যারাকপুর-পলতা পেরিয়ে ইছাপুর একটি সরল সত্যের মত থাকত, যার কেন্দ্রে একটি সূক্ষ্ম পারিবারিক কোড। বালিকাদের কাছে সেই বিধি এক রকম, বড়োদের কাছে এক রকম।এক একটি মফস্বলী স্টেশন ... ...

কে.সি নাগের অঙ্ক তো নয় যেন গব্বর সিং’র জুলুম। অনুশীলনীর তিরিশ,একত্রিশের অঙ্কগুলো তো কষার জন্য নয় বরং অঙ্কের টিউশনে যৌবনের প্রেস্টিজ কে ছড়িয়ে ছাপ্পান্ন করার জন্যই লেখা। বাজার থেকে একটু চা-পাতা কিনতে যাবেন অর্ধেক আসাম চা-পাতার সাথে দার্জিলিং চা-পাতা, ভেজাল চা-পাতা মিশিয়ে কে.সি নাগ আপনাকে লাভ-ক্ষতির হিসেব করতে বসিয়ে দেবেন। স্নান করতে গিয়ে দেখবেন কে.সি নাগ চৌবাচ্চা তে একটা বড় আর একটা ছোট ফুটো করে দিয়ে চলে গেছেন। এবার পাটীগণিতের মাথা খেয়ে স্নান করবেন না, জল ধরবেন-জল ভরবেন? দুনিয়ায় একমাত্র কে.সি নাগের ... ...

ব্রেকফাস্ট টেবিলে যুদ্ধ ঃ বিগত শতাব্দীর সাতের দশকে একবার “দ্যাশের” বাড়িতে গেছিলাম। মানে, এখনকার বাংলাদেশের পিরোজপুরে। সারাদিন খেয়া নৌকায় সফর করে বাড়ি পৌঁছতে সন্ধ্যা নামল। কোলকাতার আদবকায়দায় অভ্যস্ত নাতিনাতনির জন্য দিদিমাকে অনেক ভেবেচিন্তে খাবারের বন্দোবস্ত করে রাখতে হয়েছিলো। নমুনা পাওয়া গেল ব্রেকফাস্টের সময়। কাঁসার বাটিতে চা আর কলাই করা থালায় হলদেটে বিভিন্ন আকারের শক্ত আটার বিস্কুট। সেই বিস্কুটের দোকান উনি কোথায় খুঁজে পেলেন বা সেই আশ্চর্য বিস্কুট কোন বেকারিতে তৈরি হয়েছিল সেটা জিজ্ঞ ... ...

রিলায়েন্স জিও মার্কেটে আসার পর থেকেই চারদিকে সাড়া পড়ে গেছে। বহুদিন ধরে বদ্ধ জলার মত স্থির থাকা ইন্ডিয়ান টেলিকম মার্কেটে জিও-র আবির্ভাব প্রায় ছোটখাটো সুনামি বললে অত্যুক্তি হবে না। এখন স্বাভাবিক ভাবেই প্রায় ৫০% কম রেটে কিভাবে রিলায়েন্স এত ডাটা এত মানুষকে প্রোভাইড করবে সেটা নিয়ে অনেকেরই কৌতুহল। তার উপর রয়েছে আনলিমিটেড ফ্রি ভয়েস কল! শুনতেও অবাস্তব লাগে। এরমধ্যে নরেন্দ্র মোদী জিও-এর প্রায় ব্র্যান্ড আইকন হয়ে গিয়ে এতে কিছু রাজনৈতিক মশলাও মিশিয়ে দিয়েছেন। তাই রাজনৈতিক লাভের জন্য বা নেহাতই ভারতীয় সুলভ সং ... ...

আমরা প্রফেশনাল জীবনে কতটা ‘স্বাধীন’, তার কবল থেকে আমাদের ‘মুক্তি’র সংজ্ঞা কি ইত্যাদি ইত্যাদি চর্বিত চর্বণ আলোচনার প্রায় শেষের দিকে এসে সেদিন হঠাৎ করে কয়েক বছর আগে পড়া জনাথন উইলসন-এর (মূলত ক্রীড়া সাংবাদিক) একটি লেখার কথা মনে পড়ে গেল। আপাত দৃষ্টিতে আমাদের শুরুর আলোচনার সাথে ফুটবলের কোন সম্পর্ক ছিল না - কিন্তু কোথা থেকে কি হয়ে গেল – আমার মাথার মধ্যে ‘মুক্তি’ কথাটি গাঁথল এবং তার সাথে প্রফেশনাল জুড়ে থাকার জন্য মনটা হঠ করে ফুটবল-ফুটবল করে আনচান করে উঠল! জনাথনের ততদিনে বেশ নামডাক হয়ে গেছে ফুট ... ...

সিঙ্গুরের রায় বেরোনোর পর থেকে চারদিকে প্রচুর আলোচনা হয়েছে। সুপ্রীম কোর্ট জানিয়েছেন, সিঙ্গুরের জমির অধিগ্রহন অবৈধ ছিল এবং হাজার একর জমিই তার মালিকদের ফিরিয়ে দিতে হবে আগামী বারো সপ্তাহের মধ্যে। পক্ষে, বিপক্ষে, এখন যারা পক্ষে আছেন তাদের মধ্যে কয়জন ডিগবাজি খেয়েছেন, সত্যিই এই রায় পশ্চিমবঙ্গের ক্ষতি করল না লাভ – এসব নানা প্রশ্নে, নানা দৃষ্টিভঙ্গী থেকে, নানা পথে আলোচনা চলেছে।। আমি এই আলোচনায় বেশী অংশ নিই নি – কারণ আমার কিছু ভাবার ছিল। ইন্সট্যান্ট রিয়াকশন দিতে পারিনি। নিজেকে জাস্টিফাই করার দরকার হয়েছিল। ... ...

গরুমোষ আর দেবাসুর! এই সব প্রশ্ন ধরে আর সামান্য কিছুটা এগোলেই আমরা আলোচ্য সমস্যার একেবারে মূলে পৌঁছে যেতে পারব এবং সমাধানেরও কিঞ্চিত হদিশ হয়ত পেয়ে যাব। এবার সেই কথা। সকলেই জানেন, হিন্দু ধর্মের ক্ষেত্রে বৌদ্ধ খ্রিস্টান বা ইসলাম ধর্মগুলির মতো কেন্দ্রীয় শাস্ত্র গ্রন্থ, অনুশাসন, আচারবিধি, (এক বা বহু বচনে) নির্দিষ্ট দেবতা বা দেবমণ্ডলি, সামাজিক রীতি—কোনো কিছুই নেই। নৃতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতে যাকে জনজাতীয় ধর্ম (tribal religion) বলা হয়, তার মতোই ... ...

বর্তমানে গোয়েন্দাকাল চলছে। একের পর এক ছবি হচ্চে। ডিরেক্টর ওয়াইস বদলে যাচ্ছে সত্যান্বেষীদের অ্যাটায়ার, স্যাটায়ার বা তুখোড় রাফটাফানিসম। রোম্যান্টিকও বটে। কিন্তু কাল বড় বিচিত্র বস্তু। সেই নিয়মেই কয়েকবছর বাদে উঠে যাবে রজনী সেন রোডের বাড়িখানার কপিরাইট। সব্বাই লাইসেন্সপ্রাপ্ত হবেন থার্টি টু কোল্টের। সেই অদূর ভবিষ্যতের কিছু ছবির নাম ও গল্প ক্যামন হতে পারে সেইটে নিয়ে, জাস্ট ভাঁট বকতে বকতে কয়েকটা কাল্পনিক সিদ্ধান্তে আসা গ্যাছে। ইহার সহিত বাস্তবের কোনো মিল ছিলোনা,নেই, থাকবেও না। তা সত্ত্বেও কেউ কোনো মিল ... ...

সংবিধান, ধর্ম নিরপেক্ষতা ও খাদ্য নির্বাচনের অধিকারসেকালের এলাকা ছেড়ে বেরিয়ে এসে এবার আমরা এখানে আধুনিক কালের প্রেক্ষিতে কিছু নতুন যুক্তি তর্ক হাজির করব শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষদের ভেবে দেখবার জন্য। আমাদের প্রথম প্রশ্ন ধর্মনিরপেক্ষতা (secularism)-এর মাপকাঠিতে একজন সাধারণ নাগরিকের খাদ্য বিষয়ে সাংবিধানিক অধিকার কতখানি সুরক্ষিত সেই সম্পর্কে। ভারতের সংবিধান নাকি ভারত রাষ্ট্রকে একটা ধর্মনিরপেক্ষ ব্যবস্থা গড়ে তুলবার নির্দেশ দেয়। ... ...

ঘুরে ফিরে আবার সেই সরস্বতী পূজো চলে এলো। ইস্কুল জীবন শেষ হবার পর বিশেষ একটা মাথা ঘামাই নি কবে বা কিভাবে সরস্বতী পূজা হবে সেই সব নিয়ে। পূজো বিষয়ে আমার জীবনের রেফারেন্স পয়েন্ট ছিল বলতে গিয়ে দূর্গা পূজা। দেশে কবে ফিরব এবং দেশ থেকে কবে আবার বিদেশে ফিরে যাব, কেনাকাটা কবে হবে, কার সাথে দেখা হবে – সেই সবই মাপা হত সপ্তমী বা দশমীর দিন থেকে। এর প্রধান কারণ ছিল আমার বাড়িতে দূর্গা পূজো হওয়া। ওই এক সময় গেলে সবার সাথে দেখা – বৃহত্তর পরিবারের আরো বিস্তৃত আত্মীয় পরিজনের সাথে দেখা করতে গেলে তার থেকে ভালো সুযোগ আ ... ...