
স্বপ্নস্বাদআমাদের ছোটবেলায় চকোলেট ছিল বেশ দুর্লভ একটা জিনিস, লেবু লজেন্স, টিকটিকি লজেন্সের স্বাদে আমোদিত দিনগুলোয় একটা ডেয়ারী মিল্কের বার হাতে পাওয়া মানে চাঁদ পাওয়ার চেয়ে কম কিছু ছিলনা। সেই বার রাখা থাকত তালাবন্ধ মীটসেফের কোনে। মন দিয়ে পড়ে বাবা মাকে খুশি করতে পারলে তবেই মিলত সেই বারের একটা টুকরো। তাই চকোলেট জিনিসটা দেবতার খাদ্য ছাড়া কিছু ভাবতেই পারিনি। প্রবাসী আত্মীয় দেশে ফেরার সময় নিয়ে আসতেন টবলেরোনের ত্রিভুজ, সে জিনিস আবার অমৃতের কাছাকাছি, টোবলেরোনের খালি খোল সংগ্রহ করে স্কুলব্যাগে ক ... ...

অর্থনীতিবিদ অরুণ কুমারের একটি সাক্ষাৎকার সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ইন্ডিয়া লিগাল নামক একটি পত্রিকায়। অধ্যাপক অরুণ কুমারকে কালো টাকার অর্থনীতি সম্পর্কে একজন বিশেষজ্ঞ বলেই মনে করা হয়। ১৯৯৯ সালে পেঙ্গুইন প্রকাশনী থেকে বেরিয়েছিল তাঁর আলোকসম্পাতী বই দ্য ব্ল্যাক ইকনমি ইন ইন্ডিয়া। এই সাক্ষাৎকারে অধ্যাপক অরুণ কুমার জানিয়েছেন•বিমুদ্রাকরণ এর আগে অর্থনীতির স্বার্থে কয়েকবার করা হয়েছে, কিন্তু কালো টাকা উদ্ধারের জন্য কখনোই তা করা হয় নি। যখন মুদ্রা তার মূল্য হারিয়ে ফেলেছিল, তখনই এটা করা হয়েছিল। সোভিয়েত ইউন ... ...

বাথটবসরিৎ চট্টোপাধ্যায় / অণুগল্পশো-রুম থেকে যেদিন এখানে এসেছিলাম, মনটা খুশিতে ভরে গেছিল।নতুন ফ্ল্যাটটার মাস্টার বেডরুমের লাগোয়া বাথরুম-টা বেশ বড়। ঝকঝকে টাইলস্, শাওয়ার কার্টেন, গিজার, আয়না - সব যেন কেমন সম্ভ্রম মেশানো ঈর্ষার চোখে আমার শ্বেতশুভ্র মসৃণ সুবিশাল চেহারাটা দেখছিল। আর আমার সুপুরুষ ভূস্বামী সৈকত ও তার সুন্দরী তন্বী স্ত্রী রিমি - আহা! আমার শরীরে তাদের শরীরের স্পর্শ, তাদের দুষ্টুমি মেশানো জলকেলি আর ভালবাসার সুরভিতে ভরে যেত আমার মনপ্রাণ।তারপর হলো ... ...

দৈহিক যন্ত্রণার কান্না আর তীব্র আবেগের অশ্রু, যার জন্ম যন্ত্রণাতেই, এই দুটোর মধ্যে তফাৎ করা খুব মুস্কিল এটা বোঝাবার জন্য সোনার গৌর সাহেবজান ঘর ভর্তি দর্শকের সামনে প্রথমে কচকচিয়ে একটি পেঁয়াজ খেলেন, তারপর একটি বিরাট কাঁচা লংকার অর্ধেকটা ! ফলে তার ঈগলচঞ্চু নাসা আরো টকটকে লাল হয়ে গেল, মুখ একটু হাঁ। কিন্তু তার চোখে জল এলো না। অথচ সে দৃশ্যে তখন পুরো এক প্লেন ভর্তি মানুষের ছোঁয়াচে হাপুস কান্নারোগে আক্রান্ত হবার কথা বলা হচ্ছিল। ব্যতিক্রম ওই চরিত্রটি।একেবারে শেষে পাগলের মতো হ্যান্ড স্যানিটাইজার ঘষত ... ...

“পাড়ার মেয়ে” শব্দ জোড়াটা আজকাল প্রায় উঠেই গেছে বলা চলে। কোন বাড়ির মেয়ে, বড়জোর। অর্থাৎ কিনা, বাবা কাকা কেউ যদি পলিটিক্সে থাকেন বা অন্তত সিভিল সার্ভিসে, অথবা ডাক্তার উকিল কিছু একটা পারিবারিক বংশপরাক্রমে। একটু বড় হলে কোন স্কুলে দিলে গো মেয়েকে, বা কোন কলেজে চান্স পেলো, কোন সাব্জেক্ট? আবার, আর একটু বড় হলে মিসেস হেনা তেনা কিছু একটা, যাবতীয় লিঙ্গ সাম্যের মুখে চুনকালি মাখিয়ে। অফিসের ব্যাপারটা আবার আলাদা, ডিপার্টমেন্ট দিয়ে নামে চেনা যায়, ভিজিটিং কার্ডে একঝলকেই আন্দাজ করে নেওয়া যা কি বা তাঁর পড়াশোনা, ... ...

ডিসেম্বরের এই সময়টা জামশেদপুরে একটু একটু ঠাণ্ডা পড়তে শুরু করে। রোদকে মনে হয় ডেকে বলি, বুলিয়ে দিও যাও গো এবার যাবার আগে। শীত পড়েনা। তবে সবজিবাজার আর ভোরবেলার কুয়াশা মনে করিয়ে দেয় এই শহরের সব চেয়ে প্রার্থিত ঋতুটি এবার আসবে। ছুটির দিন মানে এগারোটার মধ্যে বাচ্চাকাচ্চা, টিফিনবাক্সে খাবারদাবার নিয়ে ডিমনা লেকে জলের ছায়ায়, দোমুহানি'র শালবীথি বা জুবিলি পার্কে দেওদারের ছায়ায় ঘাসের কার্পেটে সাঁঝ ঢলা পর্যন্ত গড়াগড়ি দেওয়া। আমাদের গ্রামে রোববার হলে মনেই পড়েনা পৃথিবীতে কোথাও কোনও দুঃখ, শোকের লাভাস্রোত কখনও গড় ... ...

একটি আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির অপব্যবহারের কথাএকটা শিঙাড়ার জন্যেঃ মধ্যবিত্ত পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য বুকের ব্যথা নিয়ে শহরের সবচেয়ে নামকরা সরকারি হাসপাতালে ভর্তি। ভালোয়-মন্দয় মিশিয়ে গড়িয়ে, হোঁচট খেয়ে সংসারটা চলছিল। বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো এই উটকো ঝামেলা। কর্তাবাবু শীতের সন্ধেয় শখ করে ফুলকপির শিঙাড়া খেয়ে কয়েকবার চোঁয়া ঢেকুর তুলেলেন। রাতের খাবারও ভাল করে খেতে পারেন নি। শুতে যাবার সময় একবার বমিও করলেন। রাত ২টো নাগাদ বুকে একটা চাপ অনুভব করলেন। গরম জল আর বাঙলির পেটে ... ...

ভারত মহাসাগরের তীরে এক বর্ণময় নারীর জীবনাবসানের সাক্ষী হতে হচ্ছে নেহাত ঘটনাচক্রে। হঠাতই এসে পড়েছি তামিলনাড়ুর পাশে, ইচ্ছে ছিল আজ শ্রীরঙ্গাপত্তনমে টিপুর কাছে যাবার, সব ভন্ডুল করে দিয়ে ঘাড়ের ওপর নিঃশ্বাস ফেলছে এক বৃদ্ধা অভিনেত্রীর, আপাতসফল কিন্তু নিষ্ঠুর একনায়িকার অবশ্যম্ভাবী মৃত্যু। সে আগুনের আঁচের সেঁক নিচ্ছে চেন্নাইতে এপোলো হাসপাতালের সামনে মানুষের কাতার, সন্ত্রস্ত সেবাকর্মীরা,রেলস্টেশন,এয়ারপোর্ট জুড়ে আটকে পড়া অসহায় মুখের ভিড়, বন্ধ দোকান বাজার আর ক্রমশ জনবিরল হতে থাকা রাস্তাঘাট। বন্ধ করে দেওয়া হ ... ...

ডি মানিটাইজেশন এর অন্যান্য দিকগুলোর পাশাপাশি খুচরো ব্যবসার বাজারে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (ফরেন ডিরেক্ট ইনভেশমেন্ট বা এফ ডি আই) এলে কার কতটা লাভ, কার কতটা ক্ষতি তাই নিয়ে এখন প্রবল আলোচনা ও বিতর্ক চলছে সমাজ অর্থনীতি রাজনীতির দুনিয়ায়। কারণটা স্পষ্ট। প্রত্যক্ষ অপ্রত্যক্ষ মিলিয়ে দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষকে প্রভাবিত করতে সক্ষম এই প্রস্তাবিত নীতি পরিবর্তন। খুচরো ব্যবসা সংক্রান্ত বিতর্কে ঢোকার আগে এই ব্যবসা ও তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু বিষয়ের দিকে প্রথমে একবার নজর ফেলা যাক।খুচরো ব্যবসার বর্তমান ... ...

দেখতে দেখতে ডিসেম্বর এসে গেল। শীতকাল আসুক না আসুক, নতুন ৫০০ নোট বাজারে মিলুক না মিলুক, এ টি এম-এ টাকা থাকুক না থাকুক, মরসুমী ফুলের চারা বসানোর সময় এসে গেছে। আর ওইখানে দেরী নট অ্যালাওড ! কুচি কুচি টবে কিম্বা কাগজ মুড়ে ছোট ছোট বান্ডিলে চারা নিয়ে রাস্তার ধারে, দোকানের রোয়াকে যেখানে সেখানে চাটাই পেতে বসে পড়তে দেখা যাচ্ছে চারা ব্যাপারীদের। ফুলবিলাসীর এখন টেনশনের শেষ নেই। এই যে বর্ষা পেরিয়ে পুজোটাও যেতে না যেতেই চন্দ্রমল্লিকায় কুঁড়ি এসে যায় হৈ হৈ করে, এ ভারী জ্বালাতন। একবার কুঁড়ি এসে গেলে গাছগুলোর আর ... ...

সকাল ছটা থেকে আটটা এই সময়টুকু অবিনাশ ফোন ধরেন না। নেবুতলা মাঠে পাঁচ চক্কর, হালকা ব্যয়াম তারপর বাচ্চাদের ফুটবল পেটানো দেখা। ফেরার পথে গাড়ি দাঁড় করিয়ে কাঁচা বাজার। বাজারটুকু রোজ না করলেও হয় তবে পুরোনো অভ্যেস। চারপাশ এতো দ্রুত বদলায় যে বোঝা যায় আজকাল। আগে যেতোনা, লোটাকম্বল নিয়ে গ্রাম থেকে এসে যে মেসবাড়িতে উঠেছিলেন সেটা বছরের পর বছর কীভাবে ভূতের বাড়ি হয়ে উঠলো, শরিকি মামলা সবই দেখেছেন একটু একটু করে অনেক বছর ধরে। চাকরি পেয়ে পাশের পাড়াতেই সংসার পাতলে যা হয়। সে ছিল ঢিমে তাল। গত তিন বছরে ... ...

কিছুটা আচমকাই দেখা হল আজ – কয়েকটা কাঠচাঁপা, একটি আমগাছ ঘেরা একচিলতে ঘাসজমি শহরের ব্যস্ত রাস্তার ধারে। কিছু বদন্যতা দেখিয়েছে পাশের কালো কাচে ঘেরা অফিস বাড়িটি। এমনকি দৈনিক বরাদ্দ জল নিয়মিত পায় বলে ঘাসেরা সবুজ থাকে। পাতাদের গায়ে ধুলো কিছু কম রাস্তার বাকি অংশের তুলনায়। তবু নিজস্ব ঋতুটিতে সে রীতি মেনে ঝরিয়েছে একরাশ পাতা। আকাশ পরিষ্কার ছিল আজ। তাই হাওয়া ছিল বেশি হয়ত। তাই খরাপাতার ফসল আজ কিছু বেশি – “হেমন্তের অরণ্যে আমি পোস্টম্যান ঘুরতে দেখেছি অনেকতাদের হলুদ ঝুলি ভরে গিয়েছিল ঘাসে আব ... ...

হ্যাঁ, এখন চারদিকে একটা খবর, একটাই কথা। টাকার কথা। কী হল, কেন হল, এবার কী হবে, ইত্যাদি। এই যে আচমকা ৯ নভেম্বর ২০১৬-এর শুরুতেই, রাত বারোটা থেকে ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট বাতিল বলে ঘোষণা করা হল, এর উদ্দেশ্যই বা কী, এতে কার কতটা লাভ বা ক্ষতি হবে। লোকজন সকাল থেকে ব্যাঙ্কের শাখায় গিয়ে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন, এটিএম-এর বুথের সামনে ধর্না দিচ্ছেন, টাকা মিলছে না। অথবা যেটুকু মিলছে তা দিয়ে প্রতিদিনের কাজ মিটছে না! বাজারে দোকানে একটা হাহাকার। টাকা নেই, খুচরো নেই। একশ টাকার নোটের দুর্ভিক্ষ! নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রে ... ...

২০১২ সালের ২১শে ডিসেম্বরের ঠিক আগে আগে যখন আর কয়েকদিনের মধ্যেই পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে বলে চারদিকে তোলপাড় উঠেছিল, তখনও ঠিক এরকম করেই রোদের দিকে পিঠ করে শাল জড়িয়ে রাস্তার ধারে কাঠের বেঞ্চির ওপরে একটা ঠ্যাং মুড়ে বসে চুমুকে চুমুকে লাল চা খেত বাবুসোনা।বাবুসোনার হেলদোল নেই। কানাঘুষোয় কথাটা তার কানে এসেছিল যদিও। কী সব সাল-তারিখের ব্যাপারস্যাপার - পৃথিবী নাকি গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে ধুলোয় মিশে যাবে ওই দিন - বাবুসোনা গা করেনি - আজকাল প্রায় কোনও ব্যাপারেই করে না আর - চা'টা শেষ করে সেদিনও হাতুড়িটা কাঁধে তুলে ন ... ...

যে ধারণ করে সে মাতা। নারীর মধ্যে এই ধারণের রূপটি বর্তমান। তাহারা কেহ জগতের যাবতীয় শংকাকে আপনার মাঝে ধারণ করিয়াছে, কেহ আবিল আনন্দকে। কেহ আবার সংসারের অণুপুন্খের মধ্যে যে অন্তর্লীন তিক্তভাব তাহাকে ধারণ করে। সে যেন সবুজ নবীন কারবেল্লীগুল্মের মধ্যে তিক্ততম ফলটি। প্রানীদেহ মধ্যে পিত্তের ন্যায়। যৌবনদ্গমকালে ভ্রমরের অভাব হয়না। নলিনীও ব্যতিক্রম নহে । কিন্তু মধুপের দল যথাকালে টের পাইয়াছিল যে কবির নির্দেশ উল্টাইয়া দিয়া, জিহ্বাগ্র ও হৃদয়ে হলাহলের কোনো পার্থক্য রাখেন নাই সৃষ্টিকর্ ... ...

ঠান্ডা গোস্ত*(সাদাত হাসান মান্টো)সরিৎ চট্টোপাধ্যায় / অণুঅনুবাদকলবন্ত্ কৌরকে একঝলক দেখলেই আগে শরীরটা নজরে পড়ে। গুরুনিতম্বিনী। পীনোন্নত পয়োধর। ওপরের ঠোঁটে হালকা লোমশ রেখা। আগুনে চোখদুটোয় দৃঢ়তার ছাপ। ঈশ্বর সিংএর দীঘল শরীরটা ঘরে ঢুকতেই কলবন্ত্ দরজার আগলটা তুলে দেয়। স্বামীর চোখে চোখ রেখে সে গরজে ওঠে, ঈশ্বর সাঁই? কোথায় ছিলে এই আট দিন? আবার শহরে গেছিলে, না?- না!, থমথমে মুখে কৃপণটা খুলে রাখতে রাখতে জানায় ঈশ্বর।- লুঠের মাল আমায় দেখাতে চাও না, না ... ...

অপদার্থসরিত চট্টোপাধ্যায় / অণুগল্প: এখনও মাকে বলতে পার নি? আমি যে আর আটকাতে পারব না ওদের!!তিন্নীর দুচোখের হতাশাই হওয়া উচিত ছিল এই গল্পের ড্রপ সিন্। দি এন্ড্।তিন্নীর বাড়িতে বিয়ের কথা বার্তা চলছে - তবু সৌম পারেনি। মায়ের সামনে বলার হিম্মত হয়নি। উনি যে স্বয়ং লেডি হিটলার।ছোটমাসির দেওরের মেয়ে। সাউথ সিঁথি আর কাঁটাকল - একটা স্টপ; ছোটবেলায় পঞ্চাণনতলার পুজো, শীতের সন্ধ্যায় দেখা ওরিয়েন্টাল সার্কাস, কচি মনের কচকচানি। বড় হওয়ার অস্বস্তি থেকে বড় হওয়ার আনন্দ ... ...

পড়ন্ত জানুয়ারির বিকেল। খাটের ওপরে লেপ মুড়ি দিয়ে "সুহানের স্বপ্ন" পড়ছি হঠাৎ করে ফোন টা ঝনঝন করে বেজে উঠলো। তাকিয়ে দেখি, ঐশ্যারিয়া (অ্যাশ) ফোন করেছে। অ্যাশ আমার সাথে সেইন্ট জন্স ইউনিভার্সিটিতে পড়তো, আজকাল বোস্টনে একটা স্টার্ট-আপে চাকরি করে। ভাবলাম, নিশ্চই নিউ-ইয়র্ক আসছে সেটা জানবার জন্য ফোন করেছে। কিন্তু তা নয়, ফোন তুলতে অ্যাশের প্রশ্ন,"বেড়াতে যাবি?""কোথায় রে? কবে?""এক্ষুনি ক্রেটার লেকের ছবি দেখছিলাম। সিম্পলি অসাধারণ। আমার এপ্রিলে একটা লং উইকেন্ড আছে, তার সাথে এক-দুদিন জুড়ে ঘুর ... ...

প্রতিভা সরকার – ফেসবুক থেকেমা - কেন্দ্রিক গালাগালগুলি সব সময় যৌনগন্ধী হয়।ভারতব্যাপী সব ভাষাতেই। ফলে মাতা এবং মাতৃসমাদের প্রতি আমরা কত শ্রদ্ধালু সেটা সম্যক জানি বলেই হিরা বেন, মোদির মাকে লাইনে দাঁড়াতে দেখে ভালোই লাগলো। ছেলের কাজে সাহায্য করতে গিয়ে এত লোকের বাহবা পাচ্ছেন সেও বেশ ভালো কথা। ভক্তরা মোদী কত ন্যায় পরায়ণ সেটা বোঝানোর জন্য ঘন ঘন হীরা বেনের ছবি ব্যবহার করছেন। ভালো তো।কিন্তু তাতে তো আর lesser mortal দের হয়রানি মিথ্যে হয় না। এবারের লোক আদালতে এক বাবাকে দেখলাম য ... ...

আটই নভেম্বর রাতের সেই ঐতিহাসিক ঘোষণার পরে বিভিন্ন সোশাল মিডিয়াতে যে বিভিন্ন ধরণের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত হয়েছে, আমরা সেগুলো এখানে একত্র করে রাখলাম। এই সময়ের একটা দলিল হয়ে থাকুক লেখাগুলো। ========================================================অথশৌচালয়গাথা কনিষ্ক ভট্টাচার্য১ মায়ামুক্ত... তারপর তো সরকারের ঘর থেকে ‘অব তক ছপ্পন’ শতাংশ ডিএ কম পাওয়া বাবু, মুহম্মদ নরেন্দ্র বিন তুঘলক মোদীর ছাপ্পান্ন ইঞ্চির মুদ্রাবিপ্লব ঘোষণার চারদিন পরেই, পকেটে টান পড়ায় চলল ... ...