
ছায়া-আবছায়ার গপ্পোসপ্পো**********************আমার বাবা শিকারে যেতেন। তাঁর লক্ষ্যভেদ অব্যর্থ এবং প্রায় অলৌকিক পর্যায়ের। এই পর্যন্ত পড়ে মনে হবে আমি একটি জিম করবেটের নাতিসুলভ আখ্যানের ভণিতা শুরু করলাম।আমার বাবাকে যারা চাক্ষুষ দেখেছেন বা কোনো সূত্রে পরিচিত তাদের অনেক ভালবাসা শ্রদ্ধা তাঁর পায়ের ওপর জমে আছে এযাবৎ। ****প্রসঙ্গ : পশুপ্রেম, পৌরুষ কিংবা একটি সাদামাটা ভালোবাসার কথকতা।****সেই ভদ্রলোক, প্রদীপবাবু বা সকলের প্রিয় খোকনদা। চিরহাস্যময়, ... ...

বিউলির ডালভাদ্রের যে এমন নাভিশ্বাসের গরম আছে ইন্দুবালা আগে কখনও জানতেন না। কিম্বা ঠাহর করতে পারেননি তেমন। বিয়ের পর ছেনু মিত্তির লেনে এসে বুঝতে পেরেছিলেন শহুরে দমবন্ধ করা পরিবেশ কাকে বলে। গায়ে গায়ে ঠেকানো বাড়ি। চৌকো খোলা ছাদ। বাড়ির ভেতর থেকে একটুস খানি আকাশ। করপোরেশান কলের ছিরছিরে জল। শ্যাওলা ওঠা স্যাঁতসেঁতে দেওয়াল। বড় সোঁদা সোঁদা গন্ধ। আশে পাশে কোন নদী নেই। পুকুর নেই। তার বদলে বাড়ির সামনে আছে মুখ হাঁ করা বড় বড় নালা। তার দুর্গন্ধ। হুল ফোটানো মশা। গা ঘিনঘিনে মাছি। আর সন্ধ্যে হলেই টিমটিমে ... ...

জর্জ অরওয়েলের খুব বিখ্যাত একটি উপন্যাস আছে অ্যানিলাম ফার্ম বলে।আমার খুব প্রিয় বই এটি।কমিউনিস্ট বিরোধী প্রোপাগান্ডার মধ্যে একদম ওপরের সারিতে রয়েছে এই বইটি।বইটিতে রূপকের মাধ্যমে একটা কমিউনিস্ট দেশের আভ্যন্তরীণ নানা সমস্যা দুর্বলতাকে তুলে ধরা হয়েছে।মূলত আক্রমণটা করা হয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়নকে।বইটার ন্যারেটিভের জন্য নয়, আমার ভালো লাগার কারন ফর্মটার জন্য।ম্যানর ফার্মের সব জন্তুরা একবার ওল্ড মেজর যে নাকি একটা শুয়োর ছিল তার নেতৃত্বে একটা মিটিং এ বসল।সেখানে মানুষকে তাদের শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করা হল আর মিস্ ... ...

আমাদের প্রথম শত্রু, বিধর্মীরা। টিভির দ্রৌপদী পরিষ্কার করে বলে দিয়েছেন, এ দেশ হল হিন্দুদের। বাবর এসে দেহলির নাম করে দিয়েছেন দিল্লি, শাজাহান তেজঃমহলের নাম বদলে করেছেন, তাজমহল, সে অনাচার আর সহ্য করা হবেনা।সব বিধর্মী নাম বদলে দেওয়া হবে। মুঘলসরাই এর নাম হবে দীনদয়াল উপাধ্যায়, মোগলাই পরোটার নাম হবে শ্যামাপ্রসাদ। লালকেল্লা ইতিমধ্যেই ডালমিয়া কোম্পানির হাতে চলে এসেছে। যদিও বিশুদ্ধ হিন্দু সংস্থা, কিন্তু নামের শেষে 'মিয়া' থাকায় এখনও নাম বদলনো যায়নি, তবে চিন্তার কিছু নেই, শেষ দুটো অক্ষর বাদ দেবার সিদ্ধান্ত ... ...

আমরা তো ভুলি নাই শহীদ...দিনাজপুর প্রতিনিধি খবর দেওয়ার আগেই ফুলবাড়ি গণবিদ্রোহে গুলি চালানো প্রথম খবর পাই আন্দোলনের বন্ধুদের কাছ থেকে। তখনো গুলি আর টিয়ার শেল বর্ষণ চলছিলো (২৬ আগস্ট, ২০০৭, বিকেল বেলা)। আমি খবরটি নিশ্চিত করার জন্য সঙ্গে সঙ্গে দিনাজপুরে পরিচিত সাংবাদিকদের টেলিফোন করা শুরু করি। অফিসে জানাই, টপমোস্ট নিউজ রেডি হচ্ছে।দিনাজপুরের সাংবাদিকরা তখন গুলিবর্ষণের খবরে মটর সাইকেলে ফুলবাড়ি রওনা হয়েছেন। পরিস্থিতির এতোটা অবনতি হবে তারা ভাবতেই পারেননি। তাই সেদিন সবাই দিনাজপুর সদরেই অবস্ ... ...

স্বাধীনতা, রাজনীতি, সং-এর গঠন, পিওর কটন, ইত্যাদি - স্বাধীন চলচ্চিত্র সংসদ বিষয়ক কিছু চিন্তা (২)এই লেখার উদ্রেক-এর কিছু বিশেষ কারণ রয়েছে। উদ্রেকই বলবো, কারণ নিতান্তই উদ্রেক না হলে লিখতাম না। লেখার সময় বিশেষ নেই এই মুহূর্তে হাতে। কিন্তু এই লেখাটা লেখা গত দুদিনে খুবই জরুরী হয়ে উঠেছে। প্রথমেই বলে নেওয়া ভালো যে এই লেখা একাধারে একজন ব্যক্তিমানুষের এবং অপরদিকে একজন সংগঠকেরও বটে। ফলতঃ কিছু কথা আসবে ব্যক্তিমানুষের তরফে এবং কিছু কথা সংগঠকের দিক থেকে। আশা করি পাঠক এই দু'ধরণের মন্তব্যের কোনটি কার ... ...

পাকিস্তান তৈরি হওয়ার পর পাকিস্তান ক্রিকেট দলের প্রথম ভারত সফর।সাল ১৯৫২। প্রথম টেস্ট দিল্লিতে।পাকিস্তান দাঁড়াতেই পারল না।ইনিংস ডিফিট।ভারত জয়ী এক ইনিংস সত্তর রানে।লখনৌর দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচে টসে জিতে পাকিস্তান নামল ব্যাট করতে।প্রথম ইনিংসে তুলল ৩৩১ রান।নজর কাড়ল পাকিস্তানের ওপেনিং ব্যাটসম্যান নজর মহম্মদ।ওপেন করে পুরো ইনিংস শেষ হওয়া অব্দি নট আউট থেকে ১২৪ রানের দুর্ধর্ষ ঝকঝকে ইনিংস খেলে যখন প্যাভিলিয়নে ফিরছিল তখন পুরো পাকিস্তান সেই ছেলেটাকে নিয়ে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখলেও, এমনকি নিজেও নিজের কেরিয়ারের প্র ... ...

যে অঞ্চলে অভুক্ত অবস্থায় মৃত্যু সহজ একটি ঘটনা, যেখানে ঘুমের মধ্যে চিৎকার করে ওঠে অভুক্ত শিশু, আবার যেখানে বৃদ্ধ মা বাবাকে পিটিয়ে মারে একমাত্র সন্তান -- সেখানে কবিতা কী! সেই দেশ কি এই একবিংশ শতকে দাবি করে এই পরিস্থিতিকে দূরে সরিয়ে শুধু ল্যাপটপ কিংবা স্মার্ট ফোনে লিখে ফেলতে কিছু ন্যাকান্যাকা পুচুপুচু প্রেমের কবিতা?"--- কথাটি ঝাড়গ্রাম শহরের একজন টোটো চালকের। যুবক। বয়েস তিরিশ থেকে পঁয়ত্রিশের মধ্যে। চোখে চশমা। ইংরেজি ভাষাতে তুখোড়। কথা বলে বুঝলাম, এমএসসি পাস। কিনা চাকরি নেই! তাই টোটো চালানোটাকেই পেশা ... ...

আজ ঝুলন| ছোটবেলায় আমাদের বাড়ীতে এই ধরণের অনুষ্ঠানগুলো পুরোপুরিই ছোটদের খেয়ালখুশীর ছিল - এর কোন ধর্মীয় অনুষঙ্গ যে আদৌ আছে তাও জানতাম না| শুধুই আমাদের হাতে ছিল বলে, মজা ছিল অফুরান| তবে সম্বল খুবই কম| বিনাকার সঙ্গে পাওয়া সেই মিনিয়েচার জন্তুদের কথা অনেকেরই মনে আছে হয়তো | যখনই নতুন পেস্ট আসত, সযত্নে তাদের বার করে, তুলে রাখতাম একটা হরলিকসের ফাঁকা কৌটোয়| গন্ডারের সঙ্গে সিংহ, সিংহের সঙ্গে হরিণ সবাই মিলেমিশে সারাবছর থাকত সেই কাঁচের জারে| আর ছিল পুতুলের ঝুড়িতে মেলার থেকে কেনা পেটটি-নাদা বুড়োবুড়ি, আধবি ... ...

দেবব্রত বিশ্বাস খুব সম্ভবত: সর্বোচ্চ আলোচিত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী। দিস্তে দিস্তে লেখা হয়েছে ওনার গান গাওয়া সম্পর্কে, তাঁর জনাদর সম্পর্কে, বিরুদ্ধতা ও তৎসহ তাঁর অভিমান সম্পর্কে। কিছু আমি পড়েছি।ওনার গানের যে দুটো দিক নিয়ে আমি বিশেষ উৎসাহী, সে নিয়ে খুব লেখাপত্তর চোখে পড়েনি। এক, ওনার গানের যন্ত্রানুষঙ্গ ও বিন্যাস (arrangement) আর দুই, গানকে নিজের strength -এর জায়গা থেকে গড়ে নেওয়া।প্রথমেই ধরুন যন্ত্রের ব্যবহার। শান্তিনিকেতনী ঐতিহ্যে রবীন্দ্র গানের সঙ্গে সঙ্গতে বেজেছে এসরাজ, তালে ক ... ...

যবে থেকে আটানা বিলুপ্ত হলো, বকুবাবু,নদীমাতৃক সভ্যতার থেকে, যবে থেকে বুনিয়াদী গোশালার ঠিকা নিলো রক্ষকবাহিনী,যবে থেকে, বকুবাবু, গেরুয়ার মানে শুধু ভয়,সেই থেকে, বকুবাবু, আমিও ভুলেছি ফুটানি।সেই কবে বিশটাকায় খেয়েপরে লাগাতার স্বাচ্ছন্দ্য কিনেছি,সে ছিল বিদিশাযুগ,জীবন যখন ছিল মোটামুটি বাওয়ালসম্মত।কিন্তু, ও বকুবাবু, শুনছেন...যবে থেকে আটানা বিলুপ্ত হলো হরপ্পার ভাঙা ম্যাপ থেকে,যবে থেকে তুমুল লগ্নির দাপটে আগুন লাগল ধানের গাদায়,যবে থেকে সুলভ ম ... ...

বেহাল পাছায় তার দৈনিক বরাদ্দ লাথ,তবু তার বেকারার দিল!দিনগত যত পাপ ধুয়ে দেবে সন্ধ্যের লাজবাব দারু,উপমাও এনে দেবে যথাযথ ইনসাফজমে গেলে তার মাহফিল।তাকে সব ছেড়ে গেছে, কেননা এ-মেহেঙ্গাবাজার কাউকেই দেয়নি সেই স্বঘোষিত পাঙ্গাসুযোগ।তবুও সে নির্বিকার, লড়ে যায়, হারামি এ-সভ্যতার খাল খিঁচে নেয়।দ্যাখো তার সমূহ রগড়।আ এমন ছায়াযুদ্ধ হাল ছেড়ে কখন সে অকারণ অশ্রুসজল,তখন সে মুন্না আজিজ,তখন সে মির্জা গালিব।পারবে, বসন্তসেনা, মৃচ্ছকটিকের ছেঁড়া পা ... ...

এমনই গজদাঁতের মিনার, রূপ তেরা মস্তানা।শুনেই ঈষৎ মুখ বেঁকালে : 'ধুস এত শস্তা না!'সকল দামী, সালতামামি, শহরে ভিড় আজো।যখন দুপুর, কিশোর-লতায় আঁধির সুরে বাজো।হায় গো আমার দোখনো-হৃদয়, দুব্বো গজায় হাড়ে।তোমার সঙ্গে বাজে বকায় কেবলই রাত বাড়ে।চাল চাপিয়ে ফুঁকছি চুলো, এবার আব্বুলিশ।ওপরচালাক ভিতরবোকা বছর ছেচল্লিশ। ... ...

চাপের নাম টরিসেলি, বাপের নাম খগেন।লাফের নাম হনু-লুলু, বিবেকের নাম লরেন।হাঁফের নাম কোলেস্টেরল, মাফের নাম যীশু।আমার নাম জানতে চাও? ডেকো পিপুফিশু।খাপের নাম পঞ্চায়েত, খাপের বাপ পঞ্চু।বিরল খোয়াবনামায় নিদ যাচ্ছে হাঁসচঞ্চু।সাপের নাম বালকিষণ, পাপের নাম লোভ।রাঘব কিংবা বোয়াল জানে, কেঁচোর নাম টোপ?গ্রাফের নাম অর্থনীতি, গ্রাফের নাম স্টেফি।আদর ডাকে সোনা, রুপো, আয়রে আমার খেপি।কি যায় আসে লাভের গুড় সাবড়ে দিলে ক্ষতি?গোলাপ, চাই, অন্য ... ...

''.... সেই বাল্যকালে কবে থেকে গান গাইতে শুরু করলাম তা আমার মনেও নেই-- গান গাইছি-তো-গাইছি-তো-গাইছি। কোনো ওস্তাদ অথবা শিক্ষকের কাছে নাড়া বেঁধে বা রীতিমতো লেখাপড়া শেখার মতো করে গান আমি কখনও শিখিনি। ছোটবেলার দিনগুলি থেকে শুরু করে, বড় হয়েও শুধু গান শুনেছি আর গেয়েছি। কোনো সঙ্গীত-শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গান শিখবার সৌভাগ্য আমার অদৃষ্টে কখনও জোটেনি।''১৯২৮ সালের গোড়ার দিকে পূর্ববঙ্গের কিশোরগঞ্জ থেকে আসা এক সতেরো বছর বয়সের সদ্যোতরুণ কলেজ ছাত্র উত্তর কলকাতার সাধারণ ব্রাহ্ম সমাজ মন্দিরে প্রথম রবীন্দ্রনা ... ...

গত পরশু অর্থাৎ স্বাধীনতা দিবসের দিন, মালদা জিকেসিআইইটি ক্যাম্পাসে আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের বাইকবাহিনী এসে শাসিয়ে যায়। তারপর আজকের খবর অনুযায়ী তাদেরকে মারধর করে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। ছাত্রদের বক্তব্য অনুযায়ী মারধর করছে বিজেপির সমর্থক এবং শিক্ষকরা। তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস এবং বামমনস্ক দলগুলির স্থানীয় কর্মীরা এবিষয়ে আঙ্গুল চুষছেন না বাতাসা খাচ্ছেন সেখবর এখনও নিশ্চিতভাবে পাওয়া যায়নি। সৌম্যদীপ চ্যাটার্জী নামক চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ জনৈক ল্যাব অ্যাসিট্যান্ট অত্যন্ত বীরত্বের সাথে ছাত্ ... ...

নিয়মের অতল ফাঁক - মালদহের গণি খান চৌধুরী ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি - প্রথম কিস্তি (প্রকাশঃ 26 July 2018 08:30:34 IST)আজব খবর -১ ২০১৬ সালে একটি সরকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করা এক ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র ভারতীয় সেনায় ইঞ্জিনিয়ার পদে যোগ দিতে গেলে সেনা আধিকারিকরা উল্টে তাকে জেলে পুরে দেওয়ার হুমকি দেন। কারণ পদপ্রার্থীর পেশ করা ডকুমেন্টে গন্ডগোল ছিল। ভারতীয় সেনার মতে ভুয়ো ডকুমেন্ট। ব্যারাকপুরের ঘটনা।খবর - ২ ২০১৮ সাল। ওই একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুই ছাত্র ভ ... ...

কাল উমর খালিদের ঘটনার পর টুইটারে ঢুকেছিলাম, বোধকরি অন্য কিছু কাজে ... টাইমলাইনে কারুর একটা টুইট চোখে পড়লো, সাদামাটা বক্তব্য, "ভয় পেয়ো না, আমরা তোমার পাশে আছি" - গোছের, সেটা খুললাম আর চোখে পড়লো তলায় শয়ে শয়ে কমেন্ট, না সমবেদনা নয়, আশ্বাস নয়, বরং উৎকট, হিংস্র আস্ফালন ! যাঁরা টুইটার দেখেন নিয়মিত, তাদের কাছে এগুলো নতুন কিছু নয়, বরং এখন এতোটাই গা-সওয়া হয়ে গেছে যে খুব সহজে উপেক্ষা করে চলে যাওয়া যায় ব্যাস্ত ট্রাফিকের মাঝে পড়ে থাকা পথচারীর মতো ... তবুও এক একদিন একটু বেশী ভয় করে, একটু বেশী আতঙ্ক হয় ! ... ...

[ মূল গল্প --- Answer, লেখক --- Fredric Brown। ষাট-সত্তর দশকের মার্কিন কল্পবিজ্ঞান লেখক, কল্পবিজ্ঞান অণুগল্পের জাদুকর। ] ......সার্কিটের শেষ সংযোগটা ড্বর এভ সোনা দিয়ে ঝালাই করে জুড়ে দিলেন, এবং সেটা করলেন বেশ একটা উৎসবের মেজাজেই। ডজনখানেক দূরদর্শন ক্যামেরা তাঁর দিকে তাগ করে আছে, আর তাদের তোলা ছবিগুলো ঈথারবাহিত হয়ে মুহূর্তে ছড়িয়ে যাচ্ছে ব্রহ্মাণ্ডের কোণে কোণে। তিনি এবার সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে ড্বর র্যেন-এর দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়লেন, তারপর স্যুইচের পাশে অবস্থান নিয়ে প্রস্তু ... ...

কাল থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু পোস্ট দেখছি, কিছু ছবি মূলত, যার মূল কথা হলো জুতো পায়ে ভারতের জাতীয় পতাকাকে সম্মান জানানো মোটেও ঠিক নয়। ওতে দেশের অসম্মান হয়। এর আগে এরকমটা শুনিনি। মানে ছোটবেলায়, অর্থাৎ কিনা যখন আমি প্রকৃতই দেশপ্রেমিক ছিলাম এবং যুদ্ধে-ফুদ্ধে যাবো ভাবতাম, তখন ইশকুলে যতবার জাতীয় পতাকা উঠতো জুতো কিন্তু আমার পায়েই থাকতো বলে মনে পড়ছে। তাতে আমার বাচ্চা বয়সের দেশপ্রেম খুব একটা অপবিত্র হয়ে গেছে বলে তো কখনো মনে হয়নি। আমরা জানতাম মন্দিরে ঢুকতে গেলে জুতো খুলতে হয়। জুতো খুলতে হয় মসজিদের প্রার্ ... ...