
আমার জীবনে, যে কোন কারণেই হোক, সেলিব্রিটি ক্যাংলাপনা অতি সীমিত। তিনজন তথাকথিত সেলিব্রিটি সংস্পর্শ করার বাসনা হয়েছিল। তখন অবশ্য আমরা সেলিব্রিটি শব্দটাই শুনিনি। বিখ্যাত লোক বলেই জানতাম। সে তিনজন হলেন সৈয়দ মুজতবা আলী, দেবব্রত বিশ্বাস আর সলিল চৌধুরী। মুজতবা যখন মারা গেছেন তখনও আমি ঘুন্সি পরি। দেবব্রতর মৃত্যুর সময়ে আমার বয়েস এগারো-বারো। কাজেই এনাদের মূল্য আমি বুঝেছি অনেক পরে। সলিল চৌধুরী অবশ্য আমার যৈবনকাল অব্দি জীবিত ছিলেন, কিন্তু শেষ অব্দি আর সাক্ষাৎ করে উঠতে পারিনি।এখন মনে হয় এনাদের কারু ... ...

সতী : শেষ পর্বপ্ৰসেনজিৎ বসু[ ঠিক এই সময়েই, বাংলার ঘোরেই কিনা কে জানে, বিরু বলেই ফেলল কথাটা। "একবার চান্স নিয়ে দেখবি ?" ]-- "যাঃ ! পাগল নাকি শালা ! পাড়ার ব্যাপার। জানাজানি হলে কেলো হয়ে যাবে।"--"কেলো করতে আছেটা কে বে ? তিনকুলে কেউ আসে ? একা মাল। তিনজনের ঠাপ খেলে বাপ বলার জোর থাকবে না।"--"ঠাপের লোভ দেখাস না ওয়াড়া। একেই চড়ে আছে। ভালমন্দ করে দেব কিছু একটা।"--"ভালমন্দ করতেই তো বলছি শালা। তিনজন আছি। ঠিক সাল্টে নেব। কী ? ঠিক কিনা ?"প্রথমে ... ...

বিনোদবিহারী সখেদে বলেছিলেন, “শিল্পশিক্ষার প্রয়োজন সম্বন্ধে শিক্ষাব্রতীরা আজও উদাসীন। তাঁরা বোধহয় এই শিক্ষাকে সৌখিন শিক্ষারই অন্তর্ভুক্ত করে রেখেছেন। শিল্পবোধ-বর্জিত শিক্ষা দ্বারা কি সমাজের পূর্ণ বিকাশ হতে পারে?” (জনশিক্ষা ও শিল্প)কয়েক দশক পরেও, পরিস্থিতি বদলায় নি। হয়তো, কিছুটা অধঃপতনই হয়েছে।শিল্প বা শিল্পীর প্রতি সাধারণ মানুষের অবজ্ঞা বা অনীহা চোখে পড়ার মতো। তথাকথিত শিক্ষিত মানুষও, যাঁরা এমনকি বিভিন্ন তাত্ত্বিক বিষয়ের চর্চা করে থাকেন, তাঁরাও রীতিমতো গর্বের সাথে বলে থাকেন, মডা ... ...

[মূল গল্প – Sentry, লেখক – Fredric Brown, প্রথম প্রকাশকাল - ১৯৫৪] ..................... বাড়ি থেকে পঞ্চাশ হাজার আলোকবর্ষ দূরের এক গ্রহের মাটিতে কর্তব্যরত সে, জলে-কাদায় যতটা মাখামাখি, খিদে আর শীতে তার চেয়ে কিছু কম নয়। এখানে আলোটা পাওয়া যায় এক বিদ্ঘুটে নীল রঙের সূর্য থেকে, আর মাধ্যাকর্ষণের যা দশা সে আর বলে কাজ নেই। সে যাতে অভ্যস্ত তার দ্বিগুণ মাধ্যাকর্ষণ এখানে, নড়াচড়া করাই দায়। যুদ্ধের এমন কতকগুলো মৌলিক ব্যাপার আছে, লাখো বছরেও যার কোনও পরিবর্তন হয়না। যার ... ...

মানব ইতিহাসের যত উত্থান পতন হয়েছে, যত বিপদের সম্মুখীন হয়েছে তার মধ্যে বর্তমানেও যা প্রাসঙ্গিক রয়ে গেছে এমন কিছু সমস্যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে শরণার্থী সমস্যা। হুট করে একদিন ভূমিহীন হয়ে যাওয়ার মত আতঙ্ক খুব কমই থাকার কথা। স্বাভাবিক একজন পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকা মানুষ নিজেকে শরণার্থী বলে আবিষ্কার করার পিছনেও থাকে নানা প্রক্রিয়া। নিজের ও পরিবারের জীবন যখন ঝুঁকির মধ্যে পরে তখন কখন কিভাবে সে উদ্বাস্তু হয়ে যায় নিজেও সম্ভবত জানে না। তখন সে জানে শুধু জীবন বাঁচানো।বিশ্ব জুড়ে এ একে মারছে, ও ওকে মারছে আর ব ... ...

সতী : প্রথম পর্বপ্রসেনজিৎ বসুমেয়েটা মাসতিনেক হল এসেছে এই পাড়ায়।মেয়ে ? এই হয়েছে শালা এক মুশকিল ! বিয়ের পর মেয়েরা বউ হয়, কিন্তু ডিভোর্সের পর তারা কি বউই থাকে ? নাকি ফের মেয়ে বনে যায় ? জল জমে বরফ হয়। বরফ গললে আবার জল। কিন্তু এক্ষেত্রে ? ডিভোর্সি মহিলারা ঠিক কী শালা ? কুমারী নয়, কারণ ফুলশয্যা হয়ে গেছে। সধবা নয়, কারণ বর্তমানে বর নেই। আবার বিধবাও নয়, কারণ বর মরেনি। তাহলে ? ধ্যার ওয়াড়া ! ছেলেদের নিয়ে এসব ঝামেলা নেই। ছেলে ছেলেই। জল-বরফ-বাষ্প কিস্যু নয়। ছেলে। তো কথা হচ্ছিল এ ... ...

ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টর্স ফোরামের তরফ থেকে, বেশ কিছু লেখালিখি একসাথে সাজিয়ে, একটা সঙ্কলন প্রকাশিত হলো।নাম, ইতিহাসের সঙ্কলন, সঙ্কলনের ইতিহাস।একটা উদবেগজনক আর দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতিতে আমরা এই বই প্রকাশ করেছি। সত্যি বলতে কি, এই বইয়ের জন্মের কারণই আমাদের উদবেগ, বিরক্তি, ক্রোধ, কিছুটা হতাশাও।গত দেড়-দুবছরে, এই রাজ্যে, চিকিৎসকদের উপর হামলা বেড়ে গিয়েছে বহুগুণ। তথ্য হিসেব করলে, সংখ্যাটা দাঁড়ায়, গড়ে, প্রতি সাড়ে তিন দিনে, রাজ্যের কোনো না কোনো প্রান্তে, চিকিৎসকেরা আক্রান্ত হচ্ছেন। ... ...

এক জীবনে একজন মানুষের কি চাওয়া থাকতে পারে? যদি সে হয় একটু অভিযান প্রিয়, যদি সে হয় পুরো পৃথিবী ঘুরে দেখার ইচ্ছাসহ কোন মানুষ? কি চাইতে পারে সে? বিমল মুখার্জি নামক এক বাঙালি নিজের মনের ভিতরের দুনিয়া ঘুরে দেখার ইচ্ছাটা বাস্তবে রূপান্তর করতে পেরেছিলেন। সাথে পেয়েছিলেন একজন মানুষ এক জীবনে যা চাইতে পারে তার সব। তিনি ডেনমার্কের এক ধনাঢ্য পরিবারের সর্বোচ্চ স্নেহ ভালবাসা পেয়েছিলেন। তারা তাকে তাদের সম্পত্তির অংশীদার করে রেখে দিতে চেয়েছিলেন। জন্মদিনে বাড়ি, গাড়ি এমন কি বিমান পর্যন্ত উপহার দিয়েছিলেন।বিমান চালি ... ...

আমার বড় ভাই মেসবাহ রহমান, মানব গত বছর ১০ সেপ্টেম্বর সাভার সিআরপিতে ভোর বেলা দেহ রেখেছিলেন, ঘুমের ভেতরেই হার্ট এটাক।সেদিন মর্নিং ডিউটি ছিল, সকাল ৭টার টেলিভিশন নিউজ বুলেটিন অন এয়ার হয়েছে মাত্র। এমন সময় ভাইয়ার নার্সের হাউমাউ কান্না। আমি তাকে স্থির বুদ্ধিতে একজন ডাক্তার ডেকে মৃত্যু নিশ্চিত করতে বলি। অফিসে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে ছুটি নিয়ে সাভারের পক্ষাঘাত পুনর্বাসন কেন্দ্রে ছুটে যাই। পাগলের মত একেতাকে টেলিফোন করি, আমার একমাত্র ভাই!আগের দিনই ডে অফের বিকালে দুঘন্টার বাস জার্নি করে সাভা ... ...

#জলছবি-বাংলাদেশ ( সবার যেমন কিছু স্বপ্নের ভ্রমণ থাকে, আমারটা ছিল বাংলাদেশ। বাবা-পিতামো’র চরণধুলি যেখানে পড়েছিল সেই দেশ দেখব। এই ছিল স্বপ্ন। চূড়ান্ত পিতৃতান্ত্রিক ভাবনা। তবুও। গিয়েওছিলাম। অসম্ভব আনন্দ হয়েছিল। আজ প্রায় এক দশক পরে দেখছি স্মৃতিটা ঝাপসা হয়ে আসছে। কিন্তু এই স্মৃতিটা এমন, যাকে আমি একদম ফিকে হয়ে যেতে দিতে চাই না। সেই ধরে রাখার তাগিদে এই লেখা। তবে হয়তো একটু ভালবাসায় বায়াসড, কখনো বা পলিটিক্যালি ভুল লেখা হবে। যারা পড়বেন তাঁরা নিজ গুণে মার্জনা করবেন এই আশা। )দিন - ১ ... ...

অধিগঠন/অধোগঠন বা সারফেস আর ডিপ স্ট্রাকচার(একটা জিনিস মনে রাখতে হবে। বিষয়টাই খুব জটিল। বুঝে গেলে অবশ্য মনে হবে, তেমন জটিল কিছু নয় তো! শুরুতেই তত্ত্বটা বলে নেওয়া হল। সেখান থেকে আমার জ্ঞানবুদ্ধি মত ব্যাখ্যায় যাবো। আর, যেহেতু মূল লেখার একটা অংশ অনুবাদ করে দেওয়া হল, একটু খটোমটো লাগতেই পারে। ফ্রেইরি পড়ে উপকৃত হবেনই পাঠক, কিন্তু তার জন্য একটু পরিশ্রম করতেও হবে। তাছাড়া, এইসব অপটু লেখা পড়েই সব বুঝে যাওয়া যাবে না … মূল লেখাগুলো পড়তেই হবে। ডায়ালোগ চাই। ‘অধিগঠন’ (‘surface structure’ ) আর ‘অধোগঠন ... ...

নেহি তো হাম সরকার বদল দেঙ্গে-৩তাপস দাস কংক্রিটের স্তূপের নীচে চাপা দেহটার একটা হাত, একটা পা বাইরে। ক্ষেতের পাশে মরে পড়ে থাকা ফুলে ওঠা পোকা পড়া বেওয়ারিশ নীল গাইয়ের মতো। ও যখন মাঝেরহাট ব্রিজের নীচে চাপা পড়ে, তখন কোলাহল থেমে ছিল মাত্র কিছুক্ষণ। তারপরে রাস্তার সৌন্দর্যের পোঁচ পড়েছে। মোলায়েম পিচে ঢেকে দিয়েছে ক্ষত স্থান। মুখ্যমন্ত্রী হেঁটে যাবেন সপার্ষদ। ব্যঙ্গ বিদ্রূপে ঢেকেছে মগজ। তার বেশি কিছু নয়। মিছিল হয় নি। মিছিল সাজে নি। চোখের জলের অপচয় করে নি কেউ। রেগে ফেটে পড়ে নি কেউ। এমনকি তার ... ...

Bury my heart at wounded knee - An Indian history of the American west বইটি লিখেছেন আমেরিকান লেখক ডি. ব্রাউন। বাংলায় অনুবাদ করে আমার মত মূর্খকে এই দারুণ করুন ইতিহাস কে জানতে সহায়তা করেছেন দাউদ হোসেন। অনুবাদক এর বাংলা নাম দিয়েছেন “আমারে কবর দিও হাঁটুভাঙ্গার বাঁকে”। অনুবাদ মোটামুটি ভাল, পাঠযোগ্য। যেহেতু এটা উপন্যাস না তাই উপন্যাসের রস জাতীয় কিছু এখানে নাই। এর রস যা আছে তা পুরোটাই ইতিহাস। পৃথিবীর ইতিহাসের কালো দিক গুলোর মাঝে অন্যতম আমেরিকা মহাদেশ থেকে রেড ইন্দিয়ানদের নিশ্চিহ্ন করার ইতিহাস। স্পর্শকা ... ...

অভিজিৎ বন্দোপাধ্যায় লিখেছেন রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুতে নাকি সলিল চৌধুরী অশৌচ পালন করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথকে বাংলা নাগরিক সঙ্গীতের বাবা ধরলে সলিল নিশ্চয়ই তাঁর উজ্জ্বলতম পুত্র। সেই হিসেবে পিতৃবিয়োগে কাছা-ধারণের মধ্যে আশ্চর্য কিছু নেই। অথচ সলিলের গান শুনে আর যার গানের কথাই মনে হোক, রবীন্দ্রনাথের কথা মনে পড়ে না। হিমাংশু দত্তর কথা মনে পড়তে পারে, দ্বিজেন্দ্রলালের কথা মনে পড়লেও পড়তে পারে - কিন্তু রবীন্দ্রনাথ নন। সঙ্গীতের অ্যাপ্রোচে এতটাই তাদের তফাত। অনেকটা যেন শচীনকর্তার "শ্যামরূপ ধরিয়া এসেছে মরণ" শোনার পরে ... ...

ছ্যাঁচড়াকোন এক বর্ষার সকালে জন্ম হয়েছিল ইন্দুবালার। কোন এক মাঘের কুয়াশা ভরা ধান ক্ষেতের আল দিয়ে হেঁটে বাবার হাত ধরে স্কুলে ভর্তি হয়েছিলেন। শুধু এইটুক মনে আছে ফুল ফুল ছাপ একটা ফ্রক পড়েছিলেন। গায়ে ছিল মায়ের বোনা সোয়েটার। মাথায় উলের টুপি। ঠাম্মার কাছে শোনা রূপকথার রানী বলে মনে হচ্ছিল সেদিন নিজেকে। ঠাকুরদার টোলটা তখনও চলছে টিম টিম করে। সেই টোলে বর্ণপরিচয়, ধারাপাত এইসব টুকটাক শিখতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু বেশি দিন সেখানে পড়া হলো না। আমের গাছে মুকুল ভরিয়ে, সরস্বতী পুজোয় হাতে খড়ি দিয়ে দাদুর বড্ড তাড় ... ...

নেহি তো হাম সরকার বদল দেঙ্গে-২তাপস দাসদিল্লি থেকে অাগ্রা যেতে চাইলে দুটো পথ। এক, নয়ডা টু অাগ্রা, যমুনা এক্সপ্রেস ওয়ে। ঝা চকচকে ডিজাইন ইন্ডিয়া। অন্য পথ চিরাচরিত ধ্যারধেরা খানাখন্দর জ্যামে কাহিল পুরনো পথ। যমুনা এক্সপ্রেস ওয়েতে চলতে গেলে অতিরিক্ত কড়ি গুনতে হবে। নো কড়ি, নো এন্ট্রি। মানে সবকা পথ নয়, সব কা বিকাশ নয়, কুছ কুছ লোগো কা বিকাশ। উদার অর্থনীতি, যার অাছে সে খাবে, যার নেই সে খাবে না ব্যাস। দেশ চুরি যাচ্ছে প্রতিদিন। দিল্লি কিষান মজদুর জমায়েতে কত লোক হয়েছিল? পঞ্চাশ লক্ষ, ... ...

নেহি তো হাম সরকার বদল দেঙ্গেতাপস দাসএন জি পি উদয়পুর অাপ এক্সপ্রেসে অামরা পাঁচজন। উঠেছি কিসানগঞ্জ থেকে। যাত্রাপথে পরিচয় হলো নেপাল ঝাপা জেলা, দমকের সূর্য কারকির সঙ্গে। অবসর প্রাপ্ত কমর্চারী। যাবেন মাউন্ট অাবু। ততক্ষণে কথায় কথায় জেনে নিয়েছেন অামরা যাচ্ছি দিল্লি। কিসান মজদুর সংঘর্ষ যাত্রায়। অামাদের সংগঠনের পতাকা দেখতে চাইলেন। তারপর হঠাৎ করে জানতে চাইলেন " অাপকা কমিটি মে লাইব্রেরী হ্যায়? পার্টি স্কুলিং হোতা হ্যায়? এ জরুরি হ্যায়। নেহি তো পার্টি মেম্বার কুছ নেহি শিখেগা।" অামি থতমত। উনি ... ...

এখানে বৃষ্টি থামলেও, ওখানে চলছেই। দিল্লীতে, রামলীলা ময়দানে, সংসদ ভবনের সাজানো গাছগুলোর ওপর সর্বত্র। সেই বৃষ্টিতেই পথ হাঁটছে লাখো জনতা। বৃষ্টি অগ্রাহ্য করেই বর্শামুখের মতো আকাশ ফুঁড়ে দেওয়া লাখো লাল নিশান। কারো ব্যানারে লেখা কৃষক শ্রমিক সংঘর্ষ সমিতি, কারো বা শুধুই সি আই টি ইউ। কিন্তু এমন জোর গলায়, যে শাসকের মুর্দাবাদ ধ্বনিতে ভেজা আকাশেই পাখি উড়ে যাচ্ছে কাতারে। নাসিক থেকে আসা বালু শঙ্কর, বেতিয়া জেলার গরহন রাম, রাজস্থানী কৃষক মডু রাম, বরদি রাম সবাই হাঁক দিচ্ছেন, খবরদার / মোদি সরকার। অ ... ...

দিল্লির রাস্তা আজ লালে লাল।দিল্লি আজ লালঝান্ডার দখলে।মিছিলের ছবি আর ভিডিওগুলো দেখছি আর মনে মনে একটু আপশোষ হচ্ছে।ব্যক্তিগত কারনের জন্য এবার যেতে পারলাম না বলে।শ্রমিক কৃষক মহিলা কারা নেই সেই মিছিলে!বিশেষ করে মহিলারা! দৃপ্ত পদক্ষেপে এগিয়ে আসা তাদের ছবি আমাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে গতবছরের এক দৃশ্যে।গতবছর নভেম্বরে ট্রেড ইউনিয়নগুলোর যৌথ প্ল্যাটফর্মের ডাকে তিনদিনের ধর্না দেওয়া হয়েছিল পার্লামেন্ট স্ট্রিটে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরুর দিনে।তো সেই ধর্নায় যোগ দেওয়ার জন্য আমাদের সংগঠনের ৪০ জনের একটা দল চেপে ... ...

পূর্ববঙ্গের ইতিহাসের উপরে গবেষণা ধর্মী বই লিখেছেন মুনতাসীর মামুন। বইয়ের নাম “কোই হ্যায়?” বইয়ের ফ্লাপে লেখা আছে - “পূর্ববঙ্গে ইংরেজ সিভিলিয়ানদের জীবন চর্চা, কর্মকাণ্ড নিয়ে ইতোপূ্র্বে কোনো গ্রন্থ প্রকাশিত হয়নি। পূর্ববঙ্গের ইতিহাস রচনার পথিকৃৎ ড. মুনতাসীর মামুনের বর্তমান গ্রন্থ সেই অচেনা অজানা বিষয় নিয়ে। দীর্ঘদিন গবেষণার পর পূর্ববঙ্গ সম্পর্কিত সিভিলিয়ানদের লেখা ১৯টি স্মৃতিকাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত ‘কোই হ্যায়’। গ্রন্থের প্রথম পর্বে ইংরেজ বা ইউরোপিয়দের এ দেশে আগমন, ক্ষমতাদখল ও ঔপনিবেশিক শাস ... ...