
হঠাৎ সেদিন ইচ্ছে হ’লো, পথের ওপর টুল পেতেহলদে রঙের বালতি মাথায় গামছা প’রে স্কুল যেতে।ওমনি আমি ভড়কি দিয়ে আড়াই বোতল জল খেয়েহড়বড়িয়ে পালিয়ে গেলুম গোসল ঘরের কল বেয়ে।যেই সেখানে বসবো ব’লে মোড়ার পানে পা বাড়াই,ওমনি আবার ইচ্ছে হ’লো, স্টিম-রোলারে গা মাড়াই।যেমনি ভাবা, তেমনি গেলুম বেলঘোরিয়া, বাস ধ’রে,গিয়েই খেলুম পেপসি কোলা, শিশির ভেতর ঘাস ভ’রে।তারপরেতেই এক পা তুলে দিলুম বিকট গান গেয়ে,“রাবন মামা ঢেকুঁড় তোলেন দশ মুখে দশ পান খেয়ে”। গান শে ... ...

পর্ব-১কিয়ৎ দিন পরে কণ্ববাবু হরিদ্বার তীর্থ হইতে প্রত্যাগমন করিলেন। একদিন তিনি বারান্দায় বসিয়া চা পান করিতেছেন এমন সময় একটি উড়ো SMS আসিল। 'কন্বদা, NRI দুষ্মন্ত বসু শীতকালে দেশে আসিয়াছিলেন, শকুন্তলার সহিত তাহার নলবনে আলাপ, ফোন নম্বর চালাচালি, ভিক্টোরিয়ায় গমন, বকখালি ভ্রমন, এবং কালিঘাটে গিয়া মালাবদল সকলই সম্পন্ন হইয়াছে অতি দ্রুত। শকুন্তলা তৎসহযোগে প্রেগন্যান্ট ও হইয়াছেন।'কণ্বদা ইহা অবগত হইয়া এবং তাহার অগোচরে ও সম্মতি ব্যতিরেকে বিবাহ কার্য্য সম্পন্ন ... ...

লেখাটা প্রকাশিত হবে সুন্দরবন শ্রমজীবী হাসপাতালের পত্রিকা 'লোকগাথা'-এ। ১৯৮৩-র ৩রা জুন ছত্তিশগড়ের লোহা-খনি শহর দল্লী-রাজহরার ঠিকাদারী শ্রমিকরা এক হাসপাতাল শুরু করেন। তাঁদের ইউনিয়নের নাম—ছত্তিশগড় মাইন্স শ্রমিক সংঘ, নেতা শংকর গুহ নিয়োগী। ১৯৭৭-এ ইউনিয়নের জন্মের পর ঘর সারানোর ভাতার দাবীতে লড়াই করছিলেন শ্রমিকরা, ২-৩ জুন আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর গুলি চালালে শহীদ হন এগারো জন—তাঁদের মধ্যে একজন মহিলা, একজন শিশু। সেই শহীদদের স্মৃতিতে হাসপাতালের নাম হল শহীদ হাসপাতাল। শহীদ হাসপাতাল থেকে অনু ... ...

১.মরা ছানাকে মুখে নিয়ে সকাল খোঁজে কাঠবেড়ালি মা...এখন ভালো থাকার সময় l শোক সন্তাপের দুঃসময়েরা ক্রমশ অবলুপ্তির পথে l মিসিং লিংক খুঁজতে যেও না l ও তোমার কম্ম নয় l সে সরকার নারী-সংরক্ষণ দিয়েছিল l এ সরকার কন্যাশ্রী l অতএব তোমাকে ভালো থাকতেই হবে l এটা বাধ্যতামূলক l কান্না বা ওই তুল্য কোনো ট্যাঁ ফো অথবা টুঁ শব্দ শুনলে- প্রথমে কোর্ট মার্শাল, পরে একশো ঘা বেত l আহ্, প্রতিবাদ কোরো না ! এমনকি তোমাকে মানায় না ঔদ্ধত্য l যৎকিঞ্চিত আস্ফালন করে প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারো তোমার বাপের বাড়ি থেকে যৌতুক হিসেবে ... ...

পয়সা না থাকলে ডাক্তার দেখানো যাবে না-ওষুধ কেনা যাবে না। ডাক্তার অপ্রয়োজনীয় ওষুধ লিখলেও আপনি কিনতে বাধ্য। প্রয়োজনীয় ওষুধটা জেনেরিক বা কমদামী ব্র্যান্ডে পাওয়া গেলেও ডাক্তার লিখবেন দামী ব্র্যান্ড। যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে বলা হল আপনাকে, সেগুলো করাতে হবে ডাক্তারের বলে দেওয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে, হয়ত সেখান থেকে ডাক্তার কাটমানি পাবেন। স্পেশালিস্টকে রেফার করার ক্ষেত্রেও অনেকক্ষেত্রে কাটমানির গল্প। মনে হয় না অবস্থাটা বদলানো দরকার?যদি এমন হতো যে, অসুস্থ হলে আপনি কোন ডাক্তারকে দেখাবেন ... ...

৩১। আজাদ পরিন্দা কভি কিসিকা আপনা না হুয়া। গুরুজী কে আজ শায়রীতে পেয়েছে। গান কম হচ্ছে আর শায়রী বেশি - একটুও ভালো লাগে না শোভার! ভালোটা লাগবে কি করে? কবিতার মানে বুঝতে যদি দশ বার মানে বই খুলতে হয়,তবে তাতে আনন্দ আছে কোন? ভাবটা নয়, ভাষাটাই যে বুঝতে পারেনা শোভা! হিন্দি ভাষাটাই জানেনা ও, তার আবার উর্দূ!তবে ভাষাটায় একটা মাদকতা আছে - এটা মানতেই হবে! গুরুজীর শায়রী গুলোর বিশেষ মানে না বুঝলেও ওনার গলায় শব্দ গুলোর ধ্বনিময়তা, বাচন ভঙ্গী, উপস্থাপনা আর সকলের মতই ওকেও আবিষ্ঠ করে রাখে। আর সকল ... ...

আপনাকে নিয়ে আমি কী লিখতে পারি? কী লেখা উচিৎ? আপনাকে নিয়ে লিখতে গিয়ে টিভিতে দেখা সাগর-রুনি সাংবাদিক দম্পতি হত্যাকাণ্ডের রোমহর্ষক বর্ণনা আমার চোখের সামনে একে একে সিনেমার স্লাইডের মতো ভেসে উঠছে। কম্পিউটার-কি বোর্ড স্লথ থেকে স্লথতর হয়ে আসছে।...সাগর সারোয়ার, প্রিয় সাগর, বরং আমি বলতে পারি, ক্ষুদে সাংবাদিকতারকালে পাহাড় যাত্রায় আপনার সঙ্গে আমার পরিচয় সেই ১৯৯৬ সালের মধ্যভাগের কোনো এক দুপুরে। পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ নেতা সঞ্জয় চাকমার ঢাবির জগন্নাথ হলের (দক্ষিণ বাড়ি) ৩২০ নম্বর কক্ষ থেকে আল ... ...

কুলদা রায়স্বপ্নময়কে প্রথম দেখি কুইনস লাইব্রেরীতে। নিউ ইয়র্কে। ম্যারিক বুলেভার্ডে। সামনে বাস স্ট্যান্ড। সারি দিয়ে বাস ঢুকছে। বের হচ্ছে। একটুও শব্দ নেই। ঠিক সামনেই লাইব্রেরী। শান্ত। সৌম্য। দাঁড়িয়ে আছে। স্বপ্নময়ের নাম এর আগে শুনিনি। আমার শোনার কথা নয়। আমি বাংলাদেশের গাঁ-গেরামের মানুষ। খুব বেশি হলে হামেদ খাঁকে চিনি। তাঁর বাপজানের নাম আসমত আলি খাঁ। গ্রাম লাহুড়ি। শঙ্করপাশা। হামেদ খাঁ তার জেব থেকে পুরনো একটা ছোট্ট নোটবুক বের করেন। তার পৃষ্ঠার একপাশে লেখা ধান-পানের হিসাবপাতি। আরেকপাশ ... ...

২৮।দিন পাঁচেকের ছুটিটা যেন পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনা! হঠাৎ করে এক পশলা খুশির মতন। আগে হলে ভালো লাগত না তেমন; স্কুলে না গেলে ওদের পাঁচজনের এক জনেরও মন ভালো থাকে না। বাকি চার জনের এবার কেমন লাগছে জানে না শোভা, কিন্তু এবার ওর মোটেই তেমন খারাপ লাগছে না - সারাদিন শুয়ে শুয়ে নিজের মনে চিন্তার জলছবি আঁকতে যে এত ভালো লাগে, তা ও এর আগে বোঝেনি কোনদিন। তাই তো সেদিন যখন বড়দিদিমনি ক্লাসে এসে বললেন, উপনির্বাচনের জন্য আগামী পাঁচদিন তোমাদের স্কুল ছুটি থাকবে - তখন তেমন খারাপ লাগেনি শোভার।তবে এ ছুটিট ... ...

বেশি বাড়ালো না। দুচার কথায় জিকে জিটি জেনে নিয়ে বুকে একটা পাথর বসিয়ে দিল। ফিরিয়ে নে। ফিরে যা। অগত্যা পাথর নিয়েই উঠে দাঁড়াই এবং দৌড়তে শুরু করি। একতলার দরজাটা আটকাই ছিটকানি তুলে। উঠোনে ঘরের কোণে কাবারি দের সঙ্গে তর্কে মেতে বাড়িশুদ্ধু। দৌড়ে ছাদে উঠে ছাদের দরজা আটকে দি। সিঁড়ি তে বসে একটা কম্বল জড়িয়ে হাঁপাতে থাকি। ট্যাট ট্যাটা ট্যাট ট্যাটা। কান চাপা দি। দরজা ভাঙবে এবার। কোন শুওরের বাচ্চা দশটা না বাজতেই দরজা লাগালো রে ?বিশু। রতনবাবু থেকে ফিরল। আজ একটু আগেই। আবার নেবে আসি ... ...

মেয়েটি কোনো বলিউড বা ঢাকাই ছবির হিট নায়িকা শাবনুর, শাবনাজ, শাহনূর–এ রকম কোনো চটকদার নাম বলেনি। নারায়নগঞ্জের গোদনাইলের সরকারি ভবঘুরে আশ্রয় কেন্দ্রের অন্য ভাসমান পতিতাদের ভীড়ে অল্প বয়সী ফর্সা মতোন মেয়েটি একটু দূরে একা দাঁড়িয়ে ছিলো। তার কোলে এক রত্তি একটি দুধের শিশু। সে বোধহয় সেদিন তার সত্যিকারের নামটিই আমাকে বলেছিলো, আমার নাম আছিয়া, আছিয়া বেগম। ... আমি ও আরেক সহকর্মি মুন্নী সাহার সঙ্গে ভবঘুরে আশ্রয় কেন্দ্রটি ঘুরে ঘুরে সেখানের আশ্রিতাদের সমস্যার কথা শুনছিলাম, নোট নিচ্ছিলাম দ্ ... ...

একটানা বেজে চলেছে কিশোরদার বিরহের গান l সমস্ত সন্ধ্যে জুড়ে l কাল আপিস নেই, রুগী দেখা নেই l তাই আজ থেকেই দিব্যি ছুটির মেজাজ l কিন্তু এই ব্যাজারমুখো সঙ্গীতের জ্বালায় সেটাই বা উপভোগ্য হয়ে উঠছে কই ! মন মেজাজের স্বেচ্ছা-কাউনসেলিং করতে এ সময় টিনটিন থেকে টেনিদা, দিদি থেকে মীর কাউকেই তেমন জুতসই মনে হচ্ছে না l একে বইমেলার গ্যাঞ্জামহীন বেদনাতুর সন্ধ্যে l তার ওপর ওই বলিউডি মনোটনি l জীবনের মানে খুঁজে পাওয়াই দায় l এমতাবস্থায় জানতে পারলুম কোনো এক মুসলিম অধ্যুষিত এলাকার প্রাইমারি স্কুলে নাকি জবরদস্তি বন্ধ করা ... ...

আকাড়া কিশোরী ও একটি নদী-------------------------------..... আকাড়া কিশোরী যেন সেদিনের বসন্ত পঞ্চমীহাসি নেই, অশ্রু আছে, দুচোখে চাঁদের ছায়া স্মৃতি টানে, গোপন সাবানেজলজ গায়ের গন্ধ। চলে যায় মরি হায় বসন্তের দিন চলে যায়....( একদিন, শৈশবে,সমুদ্রে : এই আমি, যে পাথরেঃ- শক্তি চট্টোপাধ্যায়)বসন্তপঞ্চমী এরকমই ছিলো আমাদের সে বয়সে। বাসন্তী শাড়ি, লুকিয়ে চাওয়া, আতপচালের ছড়ানো সৌরভ, ছুটন্ত সাইকেলে ব্যস্ত পুরোহিত। আর, অন্যদিন যে কথাটা বলা যায়না একান্ত কোনও একজনকে, তা বল ... ...

২৫।অনেকদিন পর রেকর্ড প্লেয়ারটা চলছে। পঙ্কজ মল্লিকের রবীন্দ্র সংগীতের এই রেকর্ডটা কাকা দিয়েছিলেন ছবিকে। এই পিঠে সঘন গহণ রাত্রি গানটা রয়েছে। বড় সুন্দর গেয়েছিলেন গানটা! তখন অবশ্য এ ধরনের গান ছবি শুনতেন না। আজকাল কিন্তু বেশ লাগে রবিবাবুর গান গুলো। রবিবাবুর গানের রেকর্ড উপহার দিলেন রবি কাকা - ভাবনাটা মনে আসতে নিজের অজান্তেই ঠোঁট দুটোতে হাল্কা হাসির ছোঁয়া লাগল।সত্যি, রবিকাকার দৌলতে অনেক রকমের গান যেমন শোনা হয়েছে তেমনই অনেক গুণী মানুষের সাথে আলাপও হয়েছে ছবির। পঙ্কজ বাবুর কথাই ধরা ... ...

লম্ফ-ঝম্ফ বিনা এই নিমিত্ত পুস্তকমেলা লইয়া কী করিব?বই বেরোনোর মেলা ঝক্কি। আগে ও পরে। আমি বেচে বেচে সারা। আর অই পুস্তকমেলা। সে যে কেন আসে, বিটকেল, হাঁড়ি হাঁড়ি মুখ আর কবিগণ। কদাচ ডিগবাজী সহ বাংলা। হুডিনিরা রনক্লান্ত অত এব এ পুস্তকমেলা লইয়া কী করিব? এই বছর একটা বই আছে মেলায়। বিশুদ্ধ নিত্যকর্ম পদ্ধতি। মাসাধিক কাল আর প্রেমো দিচ্ছি ফেসুতে। লোকে সাজু গুজু করছে, জুতো গয়না কিনছে। প্রেসে গিয়ে এ যাবৎ কাবলিদাকে সদ্য ফোটা দুপুরে মিস করছি। অনুপান সহ। ছাপা চলছে, মৃদু গন্ধ, হিসি ছাপিয়ে কাগজের, আহা, বি ... ...

[ লেখাটা অন্যত্র শুরু করেছিলাম ]সলিল চৌধুরী আর রাহুল দেব বর্মন - মেলোডির দুই রাজা। দুজনেই কমার্শিয়াল গানের জগতে নিজেদের পেশাদার জীবন গড়ে তুলেছিলেন। অথচ সঙ্গীতের অপ্রোচে দুজনে দু পথের পথিক। সলিল চৌধুরীর আকর্ষণ জটিল সঙ্গীতিক নির্মাণে, অন্যদিকে রাহুল দেব বর্মন সুরের সহজ চলনে বিশ্বাসী। অ্যারেঞ্জমেন্টে সলিল প্রথম জীবনে ধ্রুপদী - বিশেষতঃ পশ্চিমী আঙ্গিকে, শেষের জীবনে তৎকলীন পশ্চিমী রক-পপ ঘরানার অনুসারী। রাহুল প্রথম থেকেই নিজের মতন পাঁচমিশেলি আঙ্গিক তৈরি করে নিয়েছেন। সলিল চৌধুরী যেখানে ঘ ... ...

আমার সুচিত্রা সেনের অভিনয় জঘন্য লাগত। বেশ ন্যাকাই লাগত, ইন ফ্যাক্ট। আমি অনেককে অনেকবার বোঝানোর চেষ্টা করেছি যে উনি অভিনয় করতে পারেন না, আর প্রচুর গালাগালের সম্মুখীন হয়েছি। আজ এই পোস্টটা লিখে তো আরোই হব, কারণ সমাজের অলিখিত আইন অনুযায়ী মৃত ব্যক্তি সমালোচনার ঊর্ধ্বে।কথা বলার টোন তো অসহ্য ছিলই, কিন্তু সবথেকে বিরক্তিকর ছিল তাকানো - বহু, বহু ওপরে কোথাও। "তুমি আমাকে ভালবাসবে না, শহীদ মিনার?" জাতীয় ব্যাপার।কিন্তু তাহলে কীসের এত মাতামাতি? "ঐধরনের অভিনয়ই তো তখনকার দিনে চলত"টা অত্যন্ত ব ... ...

অনেকদিন ধরে একটি ম্যানুয়াল তৈরীর কথা ভাবছি। সহজলভ্য ইন্টারনেট কানেকশনের যুগে কিভাবে ইন্টারনেট আঁতেল হিসাবে নাম করা যায়। অতীব কপচানো জিনিস, হয়ত আমেরিকা মহাদেশে এমন বই-এ বাজার ছেয়ে গেছে – কিন্তু সাহেব আর আমাদের মনস্তত্ত্ব আলাদা হবার জন্য, স্ট্রাটেজীতে কিছু ঈষৎ পরিমার্জন দরকার। আমি এটাও জানি না যে কোন বাঙালী ফেসবুক গোষ্ঠী অলরেডী তাদের গুপ্ত সমিতিতে এমন ম্যানুয়াল চালু করেছে কিনা! আবার এমনও হতে পারে যে অলরেডি আঁতেল বলে মার্কেটে নাম ছড়িয়ে ফেলেছেন এমন কেউ এই ম্যানুয়াল উল্টোলেন – কিছুটা কৌতুকে ও কিছুটা ... ...

জানুযারি মাস এলেই ছোটকার মন খারাপ। কত করে বোঝাই– বাঙালীদের কাছে জানুয়ারি মাস হল হৈহৈ মাস। নতুন বছর, মিউজিক কনফারেন্স, নলেনগুড়, পিঠেপায়েস, নাট্যমেলা, পৌষমেলা, বইমেলা, হ্যানোমেলা, ত্যানোমেলা চিড়িয়াখানা, জাদুঘর, গঙ্গাসাগর,পিয়ালি, মাতলা, খেয়ালি, বকখালি, হাঁসখালি, ধনেখালি,পিকনিক, পিকনিক। আবার বাচ্চাদের জন্যে তিন–তিনটে প্রভাতফেরী! স্বামী বিবেকানন্দ, নেতাজি আর রিপাবলিক ডে। এই সময় প্যাচপেচে ঘেমো কোলকাতাকে চেনাই যায় না ... ...

কমলবাবু হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন।ছেলেবেলায় "চাঁদের পাহাড়" আমাদের অনেকেই পড়েছি ও শিহরিত হয়েছি। বাংলা ভাষায় লেখা শিশুপাঠ্য উপন্যাসের মধ্যে "চাঁদের পাহাড়" নিঃসন্দেহে একদম ওপর দিকে থাকবে। আজ থেকে অত বছর আগে স্রেফ কিছু বই আর নিজের কল্পনার জোরে অ্যাফ্রিকার পটভূমিতে যে অমন উপন্যাস লেখা যায় ভাবতেই মস্তিষ্কে জট পড়ে যায়। আজকের মতন তথ্যবহুল, প্রায়-বাস্তব-ছবিসংকুল তেমন বইও কি আর তখন হত? আর মফস্বলে বা কলকাতাতেও কটাই বা ভাল বই পাওয়া যেত রিসার্চ করা জন্যে? কোথায় ছিল ডিসকাভারি চ্যানেল, হলিউডের অ্যাডভেঞ্চ ... ...