


ছোটদের রহস্য গল্পের শ্রুতিনাটক। ... ...


রম্যরচনা। পুজোর কদিনের জন্য। ... ...

“উপমন্যু, সত্যিই সব শিখে ফেলেছিল। সত্যিই সে ফিরে পেয়েছিল তার দৃষ্টি?” ইন্দিরাদিদি মাথা নীচু করে দীর্ঘশ্বাস ফেললেন, তারপর স্মিতমুখে বললেন, “গল্পে তো তাই বলে”। ... ...




পেরু নামক একটা দেশে বেরিয়ে এলাম দশ দিন। মাচু পিচু তো দেখা হলোই। আর দেখলাম পেরুর গ্রাম, শহর, আধা শহর। পেরুতে কোথাও জঞ্জাল নেই, প্লাস্টিক নেই। ... ...

তাঁদের কর্মজীবনের একটা সীমা আছে – আছে অবসরের বয়েস। সেই বয়সে পৌঁছে আর কাজ করতে হয় না। কাজ না করলেও কিন্তু তাঁদের তেমন কিছু দুশ্চিন্তা থাকে না। পেনসন আছে, পিএফ-গ্র্যাচুইটি আছে। সঞ্চয় আছে। কিন্তু এদের? আমৃত্যু লড়তে হবে – দুটি অন্ন সংস্থানের জন্যে, বছরে তিন-চারটে কাপড়ের জন্যে। তবু ভালো মাথা গোঁজার জন্যে ছবির দিদুর একটা বাড়ি আছে। তা না থাকলে এক চিলতে বাসার ভাড়ার জন্যেও ওদের লড়াই করে যেতে হবে আজীবন। ... ...


বাঙলার ঘরের মেয়ে ঘরে ফিরছে। উদ্বেলিত সকলে। এই আয়োজনকে উপলক্ষ্য করেই দিকে দিকে চলছে চরম ব্যস্ততা। মেয়ের যে আপোষহীন রূপ আমরা দেবীর মধ্যে প্রত্যক্ষ করি তেমন লড়াই করতে হয় আমাদের ঘরের মেয়েদের -- নানান প্রতিকুলতার মাঝেও তাঁরা অবিচল। অটুট তাঁদের বিশ্বাস আর আস্থা নিজেদের প্রতি। আমাদের চারপাশে থাকা এমন তিন কন্যার কথা নিয়েই আজ আমার তৃতীয়ার নিবেদন। ... ...

ছোটদের পুজোর জঙ্গুলে উপন্যাস ... ...




"লোকে যাকে সাহিত্য করাটরা বলে তেমন কোন-কিছুতে আমার কোন আস্থা নেই চিন্তার মধ্যবিত্ততাকে ঘৃণা করি আমি, যে চিন্তা বৌয়ের ঠোঁটের লিপস্টিক দেখে রক্ত প্রত্যক্ষ করে। রবিঠাকুর-টাকুরদের মতো সাহিত্য-করিয়েদের লাইনে থাকতে নিজেকে রীতিমত অসম্মানিত মনে হয় আমার। আমি তেমন কোনো লেখা লিখতে চাই না যা পড়ে লোকে আমার পিঠ চাপড়ে বললে বাহা বেড়ে সাহিত্য করেছো তো হে ছোকরা, আমি চাই লোকে আমার লেখা পড়ে আমার মুখে থুথু দিক, আঙুল দেখিয়ে বলুক, - এই সেই লোক যে উপদংশ-সর্বস্ব এই সভ্যতার ঘাগুলো খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে দিনের আলোর মত খোলাখুলি করে দিয়েছে।" ... ...

মা আসছেন বৎসরান্তের সব কালিমা ঘুচিয়ে দিতে। উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে সর্বত্রই। এই উৎসবের ঢেউ এসে লাগবে আমাদের রান্নাঘরে। ঘরে ঘরে চলছে তারই প্রস্তুতি। বাঙালির রান্নাঘর মানেই হলো এক আশ্চর্য প্রয়োগশালা। বাড়ির মহিলারা পরম মমতায় আগলে রেখেছেন এই শিল্পের বহমান গরিমার অতুলনীয় পরম্পরাকে। এই নিবন্ধ ফেলে আসা সময়ের রান্নাঘরের ব্যস্ততার স্মৃতিচারণ। ... ...

কোন কোন সম্পর্ক অপরিহার্য - টেবিল, চেয়ার, আলমারি ইত্যাদি আসবাবের মতো। কিন্তু মানুষ তো নিষ্প্রাণ, নির্মন জড়পদার্থ নয় - কোন কোন ঘটনায় সেই প্রাণ জেগে ওঠে, মন ক্ষুব্ধ হয়... ... ...