মানুষের ইতিহাসে সবচেয়ে বৈপ্লবিক চিন্তা হল কৃষিকাজ। অল্প সময়ে অনেক উৎপাদন, অনেক মুনাফা, অনেক অবসর এবং বিনোদন-কলার ক্রমবিকাশ। মূলধনের উদ্ভব, প্রতিযোগিতা, শ্রেণীবিভাজন। এর সবটাই মানুষ-কেন্দ্রিক। এখানে অন্য কারও কথা, ভালো করবার কথা, ভাবার অবকাশ নেই, অন্তত সেই সেদিনের মানুষ ভাবেনি। সে প্রকৃতিকে পুজো করেছে কিন্তু ওই পর্যন্তই। তার মনস্তত্ত্ব আলাদা। কিন্তু ওই যে অ্যাটম বম্ব ইত্যাদি, এসবই অনেক আধুনিক ব্যাপার। অপরকে পরাজিত করে নিজের বংশগতির ক্রমবিকাশ, প্রতিটি স্পিসিসই করতে চায়, চেয়েছে। আন্তঃপ্রজাতিক ও অন্তঃপ্রজাতিক লড়াই ঝগড়া, একদম প্রথম দিন থেকেই ছিল। ... ...
এক্সপেরিমেন্ট "ইউনিভার্স ২৫" ... ...
খুনির আর ধর্ষকামীর মন, মানসিকতা একই পাড়াতে বাস করে সামান্য দূরত্বে দুটো আলাদা রাস্তায়। আত্মগোপন করে থাকতে থাকতে প্রায়ই এরা ভুলে যায় এদের আত্মপরিচয়। অথচ ভদ্রপাড়ায় বাস করবার জন্য যে পরিচয়েই এরা বাসা ভাড়া নিক না কেন, ফেক আত্মপরিচয় বহন করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গিয়ে এরা এমন কিছু করে বসে বা এমন কিছু বলে বসে যে একটু চেষ্টা করলেই এদের আইডেন্টিফাই করা যায়। এই বিশেষ মানসিক গঠনই সংখ্যাগুরু। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই, এরা অপোনেন্টকে রেপ করতে চায়, শেষ করে করে দিতে চায়। বিরাট এই সংখ্যাগুরু 'হতাশ' মানুষের দল, একদল সত্যিই ডিপ্রাইভড, আর অন্য এক দল, যাদের সেই অর্থে কোনো বিপক্ষকে চিহ্নিত না করতে পারাতেই হতাশ হয়ে সম্ভবত বিভিন্ন ক্ষেত্রের সংখ্যালঘুকে বেছে নিয়ে এক কল্পিত যুদ্ধের অবতারণা করে, এবং সেই যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করতে চায়। ... ...