আমি ব্যক্তিগত ভাবে কখনো কলেজ - বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো শারীরিক বা মানসিক নির্যতনের সম্মুখীন হয়নি। হোস্টেলে ও থাকিনি। কিন্তু বহুকাল যাবৎ দেশের নানা প্রান্তে, বিশেষত বিভিন্ন কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার প্রতিষ্ঠানে ঘটে চলা, নানা দুর্ভাগ্যজনক ragging সম্পর্কিত আঘাত, মানসিক যন্ত্রণা, বা হত্যাকাণ্ডের খবরের নিরিখে জানি, স্বপ্নদীপের হত্যা/মৃত্যু বিশেষ বিরল ঘটনা নয়। বহু প্রাণ এভাবেই নষ্ট হয়েছে আগেও। কে বা কারা দায়ী, প্রকৃত ঘটনা কি, সেসব পুলিশ ও বিচারকদের ব্যাপার। তবে সামাজিক মাধ্যম বা সংবাদপত্রে যেটুকু উঠে আসছে তাতে এটা পরিস্কার যে আমাদের সমাজের সর্বস্তরে ব্যাপ্ত বিষাক্ত পুরুষতান্ত্রিকতার পরিণতি হিসেবেই স্বপ্নদীপ আর নেই। এই পৌরুষের চেতনার সাথে জড়িয়ে রয়েছে অহমিকা, আস্ফালন ও ... ...
সম্প্রতি দেখলাম এক প্রাক্তন শিক্ষক তার লেখা বেশ দামী একটি বই কেনো লোকে কেনেনি তাই নিয়ে ফেবুতে বিলাপ করছেন ও পরোক্ষ ভাবে ছাত্রদের বইটি কিনতে প্রলুব্ধ করছেন। এহেন বাজারী চিৎকার, যদিও আক্ষেপ ও ছদ্ম বিনয়ে ঢাকা, আমিত্বের ভাণ কে গৌণ করাটা আরো কঠিন করে তোলে। আশেপাশে অধিকাংশ মানুষকেই দেখি আমিত্বের ধ্বজা তুলে সমাজমাধ্যমে একটা প্রবল শোরগোল করতে। সাম্প্রতিকতম সেলফি থেকে সুরাপানের শৌর্য, কিছুই বাদ থাকেনা। এসবের মাঝে নিজেকে আরো বেশি দলছুট মনে হয়। প্রেসিডেন্সি কলেজের (বিশ্ববিদ্যালয় নয়) প্রথম দিন বিভাগীয় প্রধান জয়তী গুপ্ত যে বিনয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন তা আজও নানা ভুলভ্রান্তি সত্ত্বেও মনে রাখার চেষ্টা করে যাই। পরবর্তীকালে কৃষ্ণা ... ...