ফাল্গুনী মজুমদার- তাঁর নামে আমি বিভ্রান্ত হয়েছিলাম এবং তাঁকে নারী ভেবেছিলাম- তিনি জানিয়েছেন যে তিনি ‘পুরুষ‘ এবং বলেছেন যে মেয়েদেরও ছেলেদের মতই সমান জৈবিক চাহিদা রয়েছে। সে কেন লজ্জা করবে? অথচ, আমাদের মত দেশগুলোয় বিয়ের আগ অব্দি একটি মেয়ের কাণের কাছে মা বা মাতৃ-স্থানীয়ারা ক্রমাগত ‘পুরুষ ভীতি‘ই প্রচার করে এবং ঠিক মেয়েটির বিয়ের দিন থেকেই তারা ‘মাতামহী‘ হবার আশা করতে থাকে। কিন্ত শৈশব থেকেই এই ‘ইঞ্জেক্ট‘ করা পুরুষভীতির কারণে বিয়ের দিনেও বহু উচ্চশিক্ষিতা মেয়ে কান্না-কাটি করে। আজকাল বিয়ে না করেও মেয়েরা ‘চলতে পারে‘ বলে কেউ কেউ করেই না। এমনকি হালের মার্কিনী মুল্লক কেমন কে জানে- নৈরাজ্যবাদী এমা গোল্ডম্যানের লেখায় সেসময়ের ... ...
ফাল্গুনী মজুমদারকে আমি ‘নারী‘ ভাবলেও তিনি জানালেন তিনি পুরুষ এবং আরো বললেন যে জৈবিক চাহিদা সবার সমান। মেয়েরা কেন মুখ ফুটে বলতে পারবেন না? এই ‘রঙ্গ ভরা বঙ্গদেশে‘র কথা বাদই যাক যেখানে শৈশব থেকে বিয়ের দিন অবধি একটি মেয়ের কাণে মা বা মাতৃ-স্থানীয়ারা লাগাতার ‘পুরুষ ভীতি‘ প্রচার করে এবং মেয়ের বিয়ের দিন থেকে ‘মাতামহী‘ হবার অপেক্ষা শুরু করে। কিন্ত লাগাতার এই ‘ইঞ্জেক্ট করা‘ পুরুষ ভীতি মেয়েটির মনোজগতে কি হাল করে তার প্রমাণ পাওয়া যায় বিয়ের দিনে বহু উচ্চশিক্ষিত, কর্মজীবী নারীরও নিদারুণ ভীতি ও কান্না-কাটি থেকে। আজকাল ‘বিয়ে‘ না করেও মেয়েদের চলে বলে কেউ কেউ করেও না। বঙ্গদেশ বাদই দিই...হালের মার্কিনী ... ...
আমার ‘সাহিত্যে শালীনতা অশালীনতা-১‘-এর উত্তরে ‘আরে‘ নামে কোন ভ্রাতা, ভগ্নী বা ভ্রাগ্নী (তৃতীয় লিঙ্গ হলে) জানিয়েছেন যে জয়েসের চিঠিটা অধুনা কালের হোয়াটস এ্যাপ বা মেসেঞ্জারের ‘সেক্স চ্যাটে‘র মত। পৃথিবীতে বিভিন্ন মানুষের বেড়ে ওঠা যেহেতু বিভিন্ন রকম, ‘সেক্স চ্যাট‘ সম্পর্কে সবার সম্যক ধারণা না-ও থাকতে পারে। তবে আমাদের আলোচনার মানুষটা যেহেতু জয়েস, কাজেই তাঁর চিঠিও ‘সাহিত্য‘ ত‘ বটে। যেমন, রবীন্দ্রনাথের ‘ছিন্নপত্র‘-ও সাহিত্য। তাতে উপস্থাপণা করছেন আবার মলয় রায় চৌধুরী। সাহিত্য না ভেবে উপায় আছে? এছাড়া জয়েসের ‘ইউলিসিস‘-এ লিওপোল্ড ব্লুমের স্ত্রী মলি ব্লুমের এমন কিছু শারীরিক বিবরণ দেওয়া হয়েছে যা ঐ মিলার-নবোকভ-লরেন্সদের লেখার মতই। শুধু শুধু আমরা বলি ‘জয়েস-জয়েস!‘ প্রকাশক বলে একটু ... ...
আজকাল বাঙ্গালী নারীরাও দৈহিক কামনার প্রকাশে অকুণ্ঠ... এমনটা তবে ধরে নিতে হচ্ছে! যেহেতু এই অন্তর্জালে আমার গতকালের একটি ছোট প্রতিবাদ পত্রের উত্তরে আজ ‘ফাল্গুনী মজুমদার‘ (নারীই ধরে নিচ্ছি নাম থেকে) নামের কেউ প্রতিবাদ করেছেন। তাঁকে অনুরোধ করব দয়া করে এই পত্রিকাতেই প্রকাশিত জেমস জয়েসের চিঠিটি এবং বিশেষত: তার বাংলা অনুবাদটি পড়ে নিতে। ‘সেক্সুয়্যাল পলিটিক্স‘-এ কেট মিলেট এক হাত বা দশ হাত নিয়েছেন লরেন্স, মিলার সহ যাবতীয় পুরুষ লেখককে যাদের ছিল ‘Phallologocentrism ‘-এর বাতিক। সম্ভব নয় মিলেটের অমন বইটা হুবহু এখানে তুলে দেয়া। এছাড়া জীবন সংগ্রামের আরো নানা ঝামেলা আছে। তবে সারা পৃথিবীর যত পৌরুষগর্বী সাহিত্য যেখানে নারী কিনা নিছকই যৌন ... ...
সাহিত্যে শালীনতা-অশালীনতার পরিধি:সাহিত্যে শালীনতা-অশালীনতা নিয়ে প্রচুর তর্কাতর্কি হয়েই থাকে। সে বিষয়ে মতামত দেবার আগে আত্ম-পরিচয় জানানো যাক। পাথর যুগেও ত‘ মানুষ লিখতো। পাথরের বুকেই লেখা হয়েছে অতীতের যত আইন সংহিতা, কবিতা বা গল্প, রাজ-অনুজ্ঞা। কাজেই এমনটাই আমার পরিচয়। শোনাতে একটি ‘প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানে‘র নামের মত শোনাচ্ছে...তবু। হ্যাঁ, আমি ‘নুন আনতে পান্তা ফুরোয়‘ প্রকাশক। একাই প্রভু, একাই ভৃত্য আমার প্রতিষ্ঠানের। যাহোক, যে বিষয়ে কথা বলতে খাতা খোলা সেটা হলো হাংরি প্রজন্মের নামী কবি ও লেখক মলয় রায় চৌধুরী প্রেমিকা নোরার কাছে যে প্রেমপত্র লিখেছিলেন সেটায় দু/এক মিনিট চোখ বুলিয়েই আঁতকে উঠতে হয়েছিল। আজ আবার জনৈক অনুবাদক প্রচন্ড দু:সাহসে সেটা অনুবাদও করেছেন। কোনমতে ... ...