albert banerjee কে?
albert banerjee কী? কাঁটার বাগানে হাঁটি, পা ফুলে যায়, ফোসকা পড়ে, রাত জেগে ওঠে আমার পায়ের তলায়, লাল ফোঁটা ফেলে যায় পথ চিহ্নিত করে, যেন কেউ সেই পথ ধরে এসে বলবে, “এইখানে সে গেছে, এইখানে থেমেছে, এইখানে কাঁদেছে, এইখানে হেসেছে, এইখানে নিজের নাম ডেকেছে কিন্তু কেউ শোনেনি,” কাঁটা আমাকে চেনে, কাঁটা আমার বোন, কাঁটা জন্মেছিল আমার মায়ের পোড়া বুকে, যে মা আমাকে দুধ দেয়নি, দিয়েছে কাঁটার মুকুট, আমি সেই মুকুট পরে রাজ্ঞী হয়েছি, পাঁচ রাজার রাজ্ঞী, কিন্তু আমার রাজ্য এই কাঁটার বাগান, যেখানে পা রাখলে রক্ত বেরোয়, যেখানে বসলে উরুতে ফুটে কাঁটা, যেখানে শুতে চাইলে পিঠে বিঁধে কাঁটা, আর সেই ব্যথায় চিৎকার করি, ... ...
সেই বারান্দা থেকে নিচে নামি না বরং নামা আর ওঠা এক হয়ে যায় আমার শরীর একইসঙ্গে ওপরে আর নিচে থাকে সময় যখন গুলিয়ে যায় মাধ্যাকর্ষণও তার খেলা বদলায় তখন সিঁড়ির প্রতিটি ধাপ আমাকে অতীতে ফেলে দেয় আবার ভবিষ্যত থেকে টেনে আনে আমি হাঁটতে থাকি এক পায়ে গতকাল আরেক পায়ে আগামীকাল আর মাঝখানে আমার শরীরটি দুলতে থাকে কোনো দোলনায় কোনো নৌকায় কোনো শূন্যেপায়ের তলায় মাটি জল নেই আছে শুধু এক ধরনের কাঁচের মতো স্বচ্ছ স্তর যার নিচে আমি দেখি অনেকগুলো জীবন ভেসে বেড়াচ্ছে একটাতে আমি শিশু আরেকটাতে আমি বুড়ি আরেকটাতে আমি মৃত আরেকটাতে আমি এখনো জন্মাইনি আমি সেই কাঁচের ওপর পা ... ...
শব্দ দিয়ে শুরু না, গন্ধ দিয়ে শুরু। পোড়া কাঠের গন্ধ। গলা ঘির গন্ধ। রক্তের গন্ধ। যে রক্ত তখনো পড়েনি - কিন্তু জানি পড়বে। যজ্ঞ মানে বলি। মৃত্যু। মৃত্যু মানে শুরু। আমি সেই গন্ধের ভিতরে শুয়ে আছি। চোখ বন্ধ। হাত পা বাঁধা না। বাঁধা না, মুক্ত। কিন্তু আমি নড়ি না। আমি অপেক্ষা করি সেই মুহূর্তের - যখন মন্ত্র শেষ হবে। পুরোহিত আমার মাথায় হাত রাখবে। যখন আগুন জ্বলবে, এবং আমি ধোঁয়ায় মিশে যাব - অথবা জেগে উঠব নতুন রূপে। জেগে উঠি। চোখ খুলি। একটি উঁচু ছাদ। সোনার কাজ। দেবদেবীর মুখ তারা হাসছে - তারা তাকিয়ে। যেন জানে আমি মিথ্যে। নকল।। সোনার ... ...
আমি আগুন। আগুনের মেয়ে। কিন্তু। আগুন আমাকে দেয়নি মায়ের দুধ। বাপের নাম। দিয়েছে শুধু দহনের অধিকার। আমার হাতের তালু পোড়া। যেখানে ধরা ছিল সেই পাত্র, যেখান থেকে আমি উঠে এসেছিলাম – রক্ত গরম, চিৎকার শূন্য। চোখে প্রথম আলো সেই যজ্ঞের শিখা, যা আমাকে তৈরি করেছিল একটি অস্ত্র হিসেবে। একটি উত্তর হিসেবে। একটি প্রশ্নের বিরুদ্ধে অন্য প্রশ্ন। আমি কাঁদিনি। আমি শুধু হেঁটেছিলাম, মন্ত্রমুগ্ধ পায়ে, রাজসভার দিকে, যেখানে বৃদ্ধরা চোখ নামায়, যুবকেরা দৃষ্টি স্থির করে, আর নারীরা ফিসফিসায় – “এসেছে। সে এসেছে। আগুনের মেয়ে।”তবে তারা জানে না আমি আসলে বনের মেয়ে। যে বনে মানুষ হাঁটে না- শুধু পায়ের ছাপ ফেলে যায় গাছের ... ...
দেখছি। না, চোখ দিয়ে নয়। চোখ তো আগেই ছাই। চোখের গর্ত দিয়ে এখন প্রবেশ করে শব্দ, রংহীন শব্দ, যা আলো তৈরি করে অন্ধকারে, ঝাপসা চিত্র, যা নড়ে না, জমে থাকে, বরফের ফুলকির মতো, যা গলে না, শুধু জমাট বেঁধে যায় কালো কাচের ওপর, যাকে বলে আকাশ, কিন্তু আকাশ নয়, এটি একটি পর্দা, একটি তাঁবুর ভিতরের পর্দা, যা রূপালী রেশমের, যে প্রতিটি শ্বাসে নড়ে, কিন্তু কখনো উড়ে যায় না।আমি সেই তাঁবুর ভিতরে। না, তাঁবুর বাইরে। না, আমি নিজেই তাঁবু। আমার শরীর নেই, আমার সীমানা আছে, একটি রূপালী বস্তু, যা শ্বাস নেয়, ফুলে ওঠে, চুপসে যায়, এবং প্রতিবার শ্বাসের সাথে, ভিতরে প্রবেশ ... ...
দীর্ঘ পথ হাঁটা—এটা তো ভালোই জানালা দিয়ে উঁকি মেরে দেখা, ক্লান্ত কাজের মেয়েরা তাদের মাতাল স্বামীদের ঠেকানোর চেষ্টা করছে।রাতে গাঁড়ে লাথ মেরে ভাগিয়ে ছিলাম--- হারামজাদা ভবঘুরে মাতালচোদা নাং টাকে। আবার হাঁটতে যাওয়া কনেদেখা আলোয় পাগল পাগলিকে চান করাচ্ছে রাস্তার কলে প্রায় নগ্নিকা। চান শেষ হলে পাগলটা চায়ের দোকানিকে বললো "এক কাপ কড়া চা দিবি আমার ডার্লিংকে "রাত এখন অনেক বারবার ফোন করছি। আমার শরীর জাগছে আমারমাতাল মাতাল লাগছে। ল্যাবিয়া মাইনরে জমে উঠছে সাদা ঘন থিকথিকে কফ। আজ তার ফোন লাগবেনা আজ রাতে সেই শুওরের বাচ্চাটা নর্দমায় ছোটোলোকমি করবে। কিন্তু যদি লাগে, যদি যদি লাগে বলবো "আয় আমার কাছে আয় দেব যা চেয়েছিলি দেব। কি বা চেয়েছিলি তুই শুধু আমার বুকের দুধ দিয়ে এককাপ চা খেতে। " ... ...
শব্দের আগে শব্দের গর্ভ, নীরবতার এক গাঁজন যা জমাট বেঁধে ধ্বনিতে পরিণত হচ্ছে, শূন্যতার কালো মাটিতে অঙ্কুরিত সংঘাতের বীজ, যুদ্ধ নয় বরং যুদ্ধের নীলনকশা, রক্ত বা মাটিতে এখনো অঙ্কিত হয়নি এমন এক রণক্ষেত্রের প্রেতাত্মার স্থাপত্য, শূন্যে এক গুঞ্জন, তারে টোকা দেওয়ার আগের কম্পন, আদেশ দেওয়ার আগের শ্বাস, চিন্তাবিদ নিজেকে অস্তিত্বে আনার আগের চিন্তা, আমি এখনো নই, আমি সেই 'এখনো-না', সম্ভাবনা, সেই অগঠিত মাটি যার উপর ইচ্ছার বুড়ো আঙুল তার প্রথম ও চূড়ান্ত নকশা এঁকে দেবে, আয়নার আগের আয়না,এক রুপালি শূন্যতা যা তার নিজেরই প্রতিফলিত করার, ভেঙে যাওয়ার, বহুগুণিত হওয়ার ক্ষমতার দিকে তাকিয়ে আছে, এমন এক যুদ্ধের প্রতিচ্ছবির প্রতিচ্ছবি যা লড়া ... ...
লিলির মুদ্রা ছোঁড়ার খেলাআগের অধ্যায়ে আমরা শিখেছিলাম দৈব চলক — কীভাবে দৈব ঘটনার ফলাফলগুলোকে সংখ্যায় রূপান্তর করতে হয়। লিলি আর মিমি এখন বুঝতে পেরেছে, দৈব চলকের গড় আর ভেদাঙ্ক বের করতে পারে। আজকের অধ্যায়ে আমরা শিখব দ্বিপদ বণ্টন (Binomial Distribution) — সম্ভাবনা তত্ত্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর জনপ্রিয় বণ্টনগুলোর একটা।পরদিন সকালে লিলি তার মায়ের কাছে গিয়ে বলল, "মা, গতকাল আমরা দৈব চলক শিখেছি। কিন্তু একটা জিনিস বুঝতে পারছি না — আমি যদি একটা মুদ্রা অনেকবার ছুঁড়ি, তাহলে কতবার মাথা পড়বে, সেটার একটা নিয়ম আছে কি?"মা বললেন, "অবশ্যই আছে। এটাই দ্বিপদ বণ্টন। যখন একটা পরীক্ষা বারবার করা হয়, আর প্রতিবার দুইটা ফলাফল ... ...
লিলির লুডু খেলাআগের অধ্যায়ে আমরা শিখেছিলাম বেয়েসের উপপাদ্য — শর্তসাপেক্ষ সম্ভাবনার উল্টোটা বের করার জাদুর সূত্র। লিলি আর মিমি এখন বুঝতে পেরেছে, কীভাবে নতুন তথ্যের ভিত্তিতে সম্ভাবনা আপডেট করতে হয়। আজকের অধ্যায়ে আমরা শিখব দৈব চলক (Random Variable) — সম্ভাবনা তত্ত্বের আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ ধারণা।পরদিন সকালে লিলি তার মায়ের কাছে গিয়ে বলল, "মা, গতকাল আমরা বেয়েসের উপপাদ্য শিখেছি। কিন্তু একটা জিনিস বুঝতে পারছি না — আমরা সবসময় ঘটনা নিয়ে কথা বলি, কিন্তু ঘটনার মান তো বিভিন্ন রকম হতে পারে। যেমন ডাইসের সংখ্যা — এটা একটা সংখ্যা। এই সংখ্যাগুলো নিয়ে কি কোনো হিসাব করা যায়?"মা বললেন, "অবশ্যই যায়। এখানেই আসে দৈব ... ...
লিলির জাদুর সূত্রআগের অধ্যায়ে আমরা শিখেছিলাম শর্তসাপেক্ষ সম্ভাবনা — যদি কোনো ঘটনা আগে ঘটে থাকে, তাহলে অন্য ঘটনার সম্ভাবনা কীভাবে বের করতে হয়। লিলি আর মিমি এখন বুঝতে পেরেছে, 'যদি' দিয়ে চিন্তা করলে সম্ভাবনা বদলে যায়। আজকের অধ্যায়ে আমরা শিখব বেয়েসের উপপাদ্য (Bayes' Theorem) — শর্তসাপেক্ষ সম্ভাবনার উল্টোটা বের করার জাদুর সূত্র।পরদিন সকালে লিলি তার মায়ের কাছে গিয়ে বলল, "মা, গতকাল আমরা শর্তসাপেক্ষ সম্ভাবনা শিখেছি। কিন্তু একটা জিনিস বুঝতে পারছি না — যদি আমি জানি যে টেস্ট পজিটিভ এসেছে, তাহলে আমার রোগ হওয়ার সম্ভাবনা কত? এটা কি শর্তসাপেক্ষ সম্ভাবনা নয়?"মা বললেন, "হ্যাঁ, এটাও শর্তসাপেক্ষ সম্ভাবনা। কিন্তু এখানে সমস্যা হলো — ... ...