albert banerjee কে?
albert banerjee কী? albert banerjee আপনি দেশপ্রমী না বুদ্ধিজীবি? ... ...
albert banerjee আঁতেল হতে পারলেননা। তাঁর পড়ার উপযুক্ত বইঃহারেমে বন্দিনী রাজকন্যা ... ...
শব্দ দিয়ে শুরু। না, শব্দ আগে। আগে আসে কম্পন। মাটির নিচে থেকে আসা এক গুঞ্জরণ, যা পায়ের তলার মাটিকে কাঁপিয়ে তোলে, উরুর হাড়ে পৌঁছে দেয় একধরনের ঝনঝনি, হৃৎপিণ্ডের গতির সাথে মিলেমিশে একাকার। তারপর শব্দ: ধ্বংসপ্রাপ্ত পাহাড়ের গর্জন, ভাঙা কাঠের চিৎকার, ধাতুর উপর ধাতুর আঘাতের তীক্ষ্ণ কান্না। এসব আসে দূর থেকে, কিন্তু দূরত্ব একটা ছলনা মাত্র। এটি আসলে কাছ থেকেই আসে, আমার নিজের ভেতর থেকে, রক্তস্রোতের ভেতর দিয়ে বয়ে চলা এক যুদ্ধের স্মৃতি যা আমি কখনো দেখিনি অথচ যেন দেখেছি।আমি দাঁড়িয়ে আছি। কোথায়? একটি প্রশস্ত প্রান্তর, ঘাসগুলো মাথা উঁচু করে ধরেছে, হলুদাভ, শুকনো। আকাশ সাদা, একটুও নীল নয়, যেন চুনকাম করা। ... ...
"তোমার ফোন ফেলে দাও।"মিলার কথাটা কানের ভিতর ঢুকে গেলে, পুরো ঘরটাই যেন হঠাৎ চুপসে যায়। ফ্যানের আওয়াজ, রাস্তার হর্ন, দূরের টিভির শব্দ—সব মিলিয়ে একটা ভোঁ ভোঁ শব্দ। দাঁড়িয়ে আছি বারান্দায়, তার মুখের দিকে তাকিয়ে। সে এক হাতে সিগারেট ধরেছে, অন্য হাতটা পাছায়। তার চোখে কোনো ভাঁজ নেই। সোজা কথা।"পাগল নাকি? সবকিছু তো এতে।" বলতে গিয়ে গলাটা একটু চিপে যায়। ফোনটা থেকে বের করে তাকানো। কালো স্ক্রিনে নিজের মুখের অস্পষ্ট ছায়া দেখা। না, ওটাই তো আমি?মিলা একটা ধোঁয়া ছাড়ে। "সবকিছুই তারা এতে রাখে। তোমার স্মৃতি, তোমার যোগাযোগ, তোমার ভয়। ফোন কিনো। ক্যামেরা ছাড়া। শুধু কলের জন্য। সিম দিয়ে। পুরানো ধাঁচের।""কিন্তু ছাড়া ... ...
মিলার সাথে দেখা করতে থাকা। শুধু নৃত্যের হলে নয়। কখনো একটি পার্কে। বেঞ্চে বসা। তার পাশে বসা। ঝাউগাছের নিচে। পাতার শব্দ। শহরের আওয়াজ দূরে মৃদু হয়ে আসা।সে বলে তার গল্প। গ্রামের নামটা বলতে তার ঠোঁট কাঁপা। "আমার বাড়ি... এক গাঁয়। নদীর পাশে। পাহাড় দেখা যায় দূর থেকে। ঘরটা টিনের। বৃষ্টির সময় তারপর টুপটাপ শব্দ। "তার কথায় আঞ্চলিক শব্দ মিশে আসা। "গাঁয়", "পিঠা", "তারপর" শব্দগুলো আমার কানে নতুন লাগা। শহুরে স্ট্যান্ডার্ড বাংলার চেয়ে ভিন্ন। মোটামুটি। কাঁচা। গোঁফালে।আমি জিগাই, "গ্রাম ছাইড়া আইছো ক্যান?"সে তাকাই আমার দিকে। অবাক হই। আমি কেন আঞ্চলিক ভাষায় জিগাইলাম? হয়তো তার মুখের টান আমাকে টানি দিছে।সে হাসি। "টাকা ... ...
জিহ্বার প্রত্নতত্ত্বজিভে লাগছে। কিন্তু স্বাদ নেওয়া হচ্ছে না, স্বাদ আক্রান্ত হচ্ছে, আক্রমণ করছে স্বাদকোরকগুলোকে, যারা প্রতিটা এক অন্ধ, স্পর্শকাতর সৈন্য, যারা রাসায়নিক সংকেতকে বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তর করে, কিন্তু এবার সেই সংকেতগুলো উল্টোপথে চলছে, বাইরে থেকে ভিতরে না, ভিতর থেকে বাইরের দিকে, জিভের ডগা থেকে বেরিয়ে আসছে স্বাদ, জিভ স্বাদের উৎস হয়ে উঠছে, জিভ নিজেই স্বাদ। আর সেই স্বাদগুলো শুধু মিষ্টি, নোনতা, টক, তেতো, উমানি নয়, স্বাদগুলো এখন ধারণা, আবেগ, স্মৃতি, ভবিষ্যৎ, অনুতাপ, গর্ব, সন্দেহ, নিশ্চয়তা—সবকিছু। স্বাদের বিপর্যয় ঘটেছে, স্বাদের রাজ্যে অভ্যুত্থান, স্বাদের গৃহযুদ্ধ।প্রথম স্তর: মুখের ভিতরের মৌলিক স্বাদ। শুষ্কতা। জিভ তালুতে লেগে আছে, খসখসে, ধুলোয় ধূসর, সেই ধুলোর স্বাদ মাটি ... ...
প্রথমেই আমি ক্ষমা চাইছি বাংলার, গ্রামীণ বাংলার কবি দের কাছে। আমি জানি এটা লোটো গানের এক অক্ষম হনুকরন। কিন্তু Canadian Prime Minister Mark Carney কে জবাব দিতেই হতো। তাই এই অবতারনা। এ আমার নিজের লজ্জা, যে আমি এই ভাবে ভাব প্রকাশ করতে পারদর্শি নই। (গায়ক):ওরে বাবা! কী দেখি শুনি! উল্টেপাল্টে যেন! বড় হাতির গুঁতোয় এখন ছোট দেশের ত্যানা! কানুনের লেবু চুষছে যারা, তাদের মুখ খিঁচু! আমার মতন সরু খটার জোটাতে হবে পিঁচু! (দল):আগে কেন্যে বুললি নারে? (হয় না! হায় রে!) আগে কেন্যে বুললি নারে? (ঠিক কথা দাদা!) (গায়ক):সবজিওয়ালার কথা কলাম, তার বউও জানে চালাকি ... ...
নাচের হলের দিকে হাঁটা। পা নিজে নিজে চলা। পুরোনো পথ। চেনা。কিন্তু আজকে পায়ে একটা টান। মনে হচ্ছে, যাওয়া নয়, টানা। ফেসলেস_জিরোর কথাগুলো মাথায় ঘুরপাক খাওয়া: "যেটা টানে, তার গভীরে যাও।" টানে কী? ওই ঝলমলে আলো? ওই গাঢ় গন্ধ? না... ওই ফাঁকা চোখগুলো। যেন এক একটা জানালা, খোলা, কিন্তু ভেতরে অন্ধকার।দরজা দিয়ে ঢোকা। একই গরম হাওয়া। একই বেসের ধাক্কা, বুকের পাঁজর কাঁপানো। দরজার পাশের গার্ড চেনা মুখ। ওই জানেন, আমি নিয়মিত। শুধু দেখতে আসা। কোনো ঝামেলা না করা। বিনা বাধায় ঢোকা।মঞ্চের দিকে তাকানো। আজকে নতুন মেয়ে। লম্বা, কালো চুল, সাদা জিভের মত দেহ। কিন্তু চোখ... চোখ তো সেই একই জিনিস। দূর ... ...
আলো। আলোই প্রথম। আলো যা চোখ বন্ধ করেও দেখা যায়, যা চোখ খুললে অন্ধত্ব। উত্তাপের একটি স্তর, ত্বকের নিচে প্রবেশ করে, শিরায় শিরায় পৌঁছে যায়, এক ধরনের আগুন যা রক্ত সিদ্ধ করে না, শুধু নিষ্ক্রিয় করে, একটি স্বর্ণিম স্তব্ধতা। এই আলো আসে কোথা থেকে? উপরে? না, চারিপাশ থেকে। এটি জলের আলো, এটি দর্পণের আলো, এটি শূন্যতার আলো। আমি সেখানে আছি, কিন্তু আমি কি? একটি সংবেদন: সীমাবদ্ধতা। আরেকটি সংবেদন: ভেসে যাওয়া। তৃতীয় সংবেদন: ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। একটি শব্দ: কর্দমের শব্দ, পানি ভেদ করার শব্দ, এবং একটি আর্তনাদ যা বাইরে থেকে আসে না, ভিতর থেকে আসে, ফুসফুসের প্রথম প্রসারণ থেকে, একটি বেলুনের ... ...
Faceless_07 এর সাথে কথা চলতে থাকা। প্রথমে ফোরামের ইনবক্সে। আঙুলে আঙুলে লিখতে থাকা। শব্দ গুলো টাইপ হতে হতে যেন মাটির নিচ থেকে গজানো ঘাসের মতো। ওর প্রথম মেসেজের পর উত্তর দেওয়া: "ক্লিক করে। পুরনো। ধুলো জমে।" সাড়া আসতে তো সময়ই লাগে না। যেন ওপার থেকে কেউ বসে আছে। সারাক্ষণ। আমাদের মতোই।ও বলে, "ধুলো জমে মাস্কে। আমরা সবাই শ্বাস নিই ধুলো।" একটা থ্যাঁতলানো সিগারেটের মতো বাক্য। ধোঁয়া উঠছে স্ক্রিন থেকে। আমি জিজ্ঞেস করি, "তুমি কোথায়?" প্রশ্নটা নির্বোধের মতো। এই ডিজিটাল জগতে 'কোথায়' বলতে কিছু নেই। আইপি অ্যাড্রেস আছে। লোকেশন ট্যাগ আছে। কিন্তু 'কোথায়' নেই। উত্তর আসে: "যেখানে ধুলো জমে সেখানে। গ্রামে। শহরে। মনের ... ...