Malay Roychoudhury
গ্রাহক হন
মার্গারেটকে নিয়ে আসবে কে? চারিদিকে তো ধর্মের ষাঁড়, বাঘের গর্জন শুনি না! তুমিই না হয় আরো একবার এলে... উন-চল্লিশ তো তিরানব্বই হতেই পারতো কেন গেলে এত তাড়াতাড়ি !! আইরিশ শিষ্যা তোমার। সাগর ছেঁচে এনেছিলে মুক্তা-রক্তেই তার বিদ্রোহের বীজ। তুমি তাকে সেবার দীক্ষা দিলে। সে হয়ে উঠলো অগ্নিকন্যা! কিন্তু বিধি বাম; বিদ্রোহ করলো তার স্বাস্থ্য; অচিরেই সেও করলো তোমার পথেই গমন! ভারতবর্ষের উৎসন্নে যাওয়া হলো শুরু। তোমার তৈরি মিশন দেয়নি তাকে ঠাঁই! ভারতবর্ষের মুক্তিকামী মানুষের সঙ্গে অগ্নিকন্যার যোগাযোগ সহ্য হলনা, মিশন-কর্তৃপক্ষ তাঁকে নিষিদ্ধ ... ...
পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান অস্ত্র কী? ১৯৯৯ এ একটা বই প্রকাশ করেছিলাম। বইয়ের পরিকল্পনা, লেখা জোগাড়, প্রচ্ছদ --প্রায় সব। সংস্থার অলিখিত নিয়মে নাম ছিল না কোথাও। প্রচ্ছদে ছিল। একটা লেখাও ছিল। সবচেয়ে মূল্যবান অস্ত্র কী? প্র চার! বইটির নাম ছিল তথ্য সাম্রাজ্যবাদ। সম্পাদককে জিজ্ঞাসা করে দেখবো, বইটা আবার বের করা যায় কি না?. বইটিতে আজকে বিখ্যাত শুভময় মৈত্র, স্টেটসম্যান-এর প্রাক্তন মুখ্য সাংবাদিক অচিন্ত্য চক্রবর্তী, তাঁর ছেলে অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী (এখন 'নন্দন' সম্পাদক, পরবর্তীকালে গণশক্তি সম্পাদক অভীক দত্ত, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের বর্তমান প্রধান অঞ্জন বেরার লেখা ছিল। অনেকেরই সেই লেখা কোনও বইয়ে প্রথম অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। সেই বইয়ে লেখকরা দেখিয়েছিলেন তথ্য সাম্রাজ্যবাদ কত ভয়ঙ্কর। কত কত মিথ্যা কাহিনি রচিত হয় ... ...
নিঃস্ব প্রদীপ সামিল হল কল্পতরু উৎসবে। ধার করা তেল আর নির্জীব সলতে নিয়ে প্রায় নিভু নিভু আলো আজ বেপরোয়া¡ এলোমেলো বাতাসে; তার বুক পুড়ে যাচ্ছে সলতে উসকে দিতে কেউ নেই - নীরবে জ্বলছিল তুচ্ছ প্রদীপ শেষ সম্বল দিয়ে তবে কি অসংখ্য নিঃস্ব প্রদীপের বুক পুড়েই যাবে?কল্পতরুর প্রতিটি শাখায় শাখায়, পাতায় পাতায়, শিরায় উপশিরায় কি জ্বলে উঠবে না শিখা এই হাহাকারের ফতোয়া নিয়ে ?তা যদি না হয় তবে তো লম্পট স্বেচ্ছাচারী বাতাস শুধু ফুলকি সঙ্গে করেই দাবানল হয়ে উঠবে তখন কি আর কেউ রেহাই পাবে কল্পতরু?আজকের বারাব্বাস কি চৈতন্য ফিরে পাবে কল্পতরু?আজ ও তো 'চৈতন্য' মন্দির গাত্রে গাঁথা হয়ে আছে চিরকালীন 'জুডাসের' অচৈতন্য স্বরূপ!এতদিন প্রদীপের নীচে ... ...
নতুন বছর ভালো কাটুক। ইংরেজদের দেশে ১৭৫২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ২৫ মার্চ নববর্ষ শুরু হতো। ইংরেজি নববর্ষ নয়, খ্রিস্টিয় নববর্ষ। শুভেচ্ছা। প্রথম নববর্ষ উদযাপন শুরু করেন পারসিক বা ইরানিয়রা। ৩০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে। অর্থাৎ ৫০০০ হাজার বছর আগে। ব্যাবিলনিয়রা নববর্ষ পালন শুরু করে ২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে। দুটোই কিন্তু পয়লা জানুয়ারি নয়। মিশরিয়দের অনুসরণ করে সিজার ক্যালেন্ডার চালু করেন। পরে এটা গ্রেগরিয় বর্ষপঞ্জি হয়। আর ইংল্যান্ড তো মাত্র ৪৫৩ বছর আগে পয়লা জানুয়ারি নতুন বছর মানা শুরু করে। ১৫৭২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ইংল্যান্ডে নববর্ষের দিন ছিল ২৫ মার্চ।নববর্ষ মানে খাজনা আদায়ের দিন। ভারতে তার আগেই নববর্ষ পালন শুরু করেন মুঘল সম্রাট আকবর। ১ বৈশাখ। নববর্ষ পালন এবং কর আদায়ের দিনে করদাতাদের খাইয়ে। পারসিক নওরোজ উৎসবের অনুসরণ করে।এটা ইংরেজি নববর্ষ নয়। যেমন 1 ... ...
মিশ্র সংস্কৃতির ঐতিহ্য: ১. তুলসীদাস 'রামচরিতমানস' লেখেন অবধি ভাষায়। ২. সংস্কৃত থেকে ভাবানুবাদ করায় মনুবাদী পণ্ডিতরা তাঁকে পতিত ঘোষণা করেন। ৩. প্রাণনাশের আশঙ্কা দেখা দেয়। তুলসীদাস মসজিদে আশ্রয় নেন। ৪. তুলসীদাসকে রক্ষা করার জন্য ১৪ জন মুঘল সৈনিক ভিখারি বেশে তাঁর পাশে থাকতেন। আকবরের নবরত্নের একজন বৈরাম খাঁর পুত্রর আদেশে। ৫. মুসলমানদের ওপর এত রাগ, মুসলমানরা না থাকলে 'রামচরিতমানস' পেতেন কোথায়? তুলসীদাস কি বেঁচে থাকতেন? রাম মন্দির ভেঙে বাবরি মসজিদ তৈরি হলে তুলসীদাস একবারও লিখতেন না? লিখেছেন? ৬. রামের অকালবোধনের কথা সংস্কৃত 'রামায়ণ' -এ নেই। সীতার লক্ষ্মণরেখাও নেই। আছে কৃত্তিবাসী রামায়ণে। ৭. কৃত্তিবাস ... ...
মেসি মারাদোনার কাছে ফুটবল শিখেছেন। বামপন্থী ভাবধারা নয়। মেসির কলকাতায় ফুটবল চাওয়া ও ছোটদের সঙ্গে খেলা দরকার ছিল। আম্বানির চিড়িয়াখানায় যেতেন কি মারাদোনা?কলকাতার মাঠের ভেতরে অব্যবস্থা ছিল। কিন্তু সত্তর হাজার দর্শক তো তাঁকে দেখতেই এসেছিলেন। তাঁর টিম কি বলতে পারতো না-- বাকিদের সরানো দরকার। মেসি ও তাঁর দুই ফুটবলার বন্ধু থাকবেন। ছোটদের সঙ্গে খেলবেন। মাঠ ফাঁকা করা দরকার। শতদ্রু দত্ত, অরূপ বিশ্বাস দুজনেই আবেদন করেছেন, পরে ইউ টিউবে দেখেছি। মাঠের মাইক/ বক্সে কিন্তু সে আওয়াজ পৌঁছায় নি। শুরুতেই গণ্ডগোল। ৪০-৫০ নিয়ে মাঠে ঢোকাটাই ভুল। দরকার ছিল মেসি সমেত বড়জোর ৬-৮ জন। কিন্তু বড় দলবল। বেশিরভাগ কালো পোশাক পরা। মেসির গেঞ্জিও ছিল কালো। ফলে আলাদা করা যাচ্ছিল না। দিল্লি মুম্বাই ... ...
New RSS ১.যাঁরা বিশ্বাস করতে ভালোবাসে, ১৯৪৬ এর দাঙ্গা কেবল মুসলিম লিগের গুন্ডারাই করেছিল। ( এমন দাঙ্গা করেছিল, ৪৪% মুসলিম কমে ১০% হয়ে গিয়েছিল। এমন তাদের দাপট ছিল!) ২. মুসলমানদের পশমিন্দা মুসলিম আছে। কারণ এলিট মুসলমানরা তাদের উন্নতির জন্য চেষ্টা করেনি। (রাষ্ট্রের কোনও দায়িত্ব নেই! কারণ এলিটদের তো লাখ লাখ কোটি টাকা। তারাই কর তোলে। কর দেয় না) ৩. বিজেপি তৃণমূলের মতোই একটা দল। বিজেপি এলেও যা তৃণমূল থাকলেও তা ( অন্য রাজ্যে বিরোধীদের ওপর বুলডোজার চালানোর খবর তারা জানেন না। জানলেও মানেন না)। ৪. বিজেপির বিরুদ্ধে বলা মানেই চটিচাটা। নিজস্ব কোনও মত থাকতে কারও পারে না। শুধু তেনাদের আছে। ৫. সংখ্যালঘু তোষণ চলছে রাজ্যে। তাই ... ...
সারের পাশাপাশি মুসলিমদের ওয়াকফ সম্পত্তি দখলের জন্য চলছে জমির দলিলপত্র উম্মিদ পোর্টালে এন্ট্রি। ছয় ডিসেম্বর ২০২৫ শেষ তারিখ। সব জমির সব দলিল পর্চা কি থাকে? বহু ওয়াকফ বা দেবোত্তর সম্পত্তি মুখে মুখে দান হয়। দলিল পর্চা না দেখাতে পারলে জমির দখল নেবে সং... আ আ। আজ মুসলমানদের ওপর অত্যাচার চলছে। আগামী দিনে সবার জন্য আসছে জমি ম্যাপিং। অম্রুৎ ল্যান্ড ম্যাপিং। কতজন মানুষের পূর্বপুরুষ ভিটে জমি দানপত্র করে গেছেন উত্তরাধিকারীকে। বংশানুক্রমে ভোগ দখল চলে। সেই সব জমি কাড়বে চায় একটা রেজিস্ট্রেশনহীন সংগঠন। যাঁরা আয়কর দেয় না। লাখ লাখ কোটি টাকার উৎস কি জানায় না-- সেই সং.. পরিবার। সাবধান থাকুন। সবাইকে সাবধান করুন। ... ...
আমি ছাপ্পান্ন ভোগে আছিছাব্বিশ জনে নাইসদর দরজা খোলা রেখে ঘুমোতে চলে যাই... শাঁখা ভেঙ্গে ঢাক পিটিয়েসিঁদুর পরাই ভাইবিশ্বকর্মা বাসর ঘরে ছিদ্র রাখে তাই ... রাশি রাশি বিষ-ফোড়কহচ্ছে আমদানি কেল্লা ফতে করবে বলে লক্ষ্য রাজধানী। বহুরূপী ফকির সেজে সুরক্ষা কপচাই জুমলা দিয়ে রাজধর্ম পালন করি ভাইচৌকিদারি - চাতুর্যেতে চলছে বেচাকেনা 'All IS WELL' হেঁকে নিশ্চিন্তে সেয়ানা!! ... ...
বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই, সং... পরিবার মাটি কামড়ে পড়েছিল। গত কয়েকমাস ধরে উত্তরপ্রদেশ হরিয়ানা গুজরাট মধ্যপ্রদেশ ঝাড়খণ্ড থেকে নেতা মন্ত্রী সাংসদরা এলাকা ধরে বাস করেছেন। নিয়মিত প্রচার করেছেন। ভোটার তালিকায় নাম বাদ দেওয়ার কাজে সহায়তা করেছে আধার কার্ড এবং স্থানীয় নেতারা। বাইরে থেকে ভোটার এসেছে সত্য। কিন্তু এটাও অস্বীকার করা ভুল হবে যে, স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রেখেছেন এই ভোট বিশেষজ্ঞ বহিরাগত নেতারা। শুধু মিডিয়া বাইট দিয়ে মিছিল করে চলে আসেন নি। ছাত্রজীবনে দেখেছি, ছাত্র ও যুবনেতা কৃষক নেতাদের অন্য এলাকায় পাঠানো হতো। বর্ধমানের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত নেতাদের পাঠানো হতো মালদহে। সঙ্ঘ পরিবার রেজিমেন্টেড দল। ওঁদের সব নেতা বিজেপির মতো ভোগী হয়ে যাননি। ত্রিপুরায় ... ...