প্রিয়তমাসু কী? ১.অনবরত জলের শব্দ কথা নেই, কথা তৈরি হওয়ার সময় নেই জমাট বাঁধার আগেই ভাবনা বয়ে চলে যায় আমিও বয়ে যাই নির্দিষ্ট নরকে ৷ ২.পড়াশোনা করি না কতকাল নতুন শেখার আনন্দ পাইনি বহুদিন, শুধু নতুন নতুন দিন চলে যায় ৷ গাছে গাছে নতুন পাখীরা শাবকের জন্ম দেয় নুতনতর নীড়ে ৷ ৩.মানুষের মধ্যে প্রচন্ড বয়ে যাওয়ার প্রবনতা শক্ত আটকে থাকি যে দেওয়ালে টিকে তাকে ভগবান বলি, কিংবা কখনও প্রিয়তমা ৷ বস্তুত ভালবাসা কিছু নয়, শুধু বখে যাওয়ার ভয়। ... ...
অত কথা ভাব কেন ? অত কথা, অত শত বিষন্নতা ৷ তোমাকে ছেড়ে চলে গেছে যারা দেওয়ালে দেওয়ালে যাদের থুতু সর্বত্র, রক্তাক্ত, চোখ চাইলেই আকাশ জুড়ে যাদের অবজ্ঞা, না হয় বয়ে যেতে দিলে তাদের ধুয়ে যেতে দিলে মনে মনে ৷ তোমার দেহজুড়ে অস্তিত্বের আলো অবলোহিত, চোখে লেগে আছে এই ব্রহ্মান্ডের উৎসমুখ চেতনা, স্বপ্নিল হয়ে আছে তোমারও হৃৎপিন্ডের উচ্ছ্বাস ; নাইবা জানালে তাদের, যারা সন্দেহ-সম্বল শুধু, বিদ্রুপ আর বিসম্বাদ ছাড়া তোমাকে যাদের দেয় কিছু নেই আর। ... ...
"আমি ভালবাসি মানুষকে, তুমি ভালবাস আমাকে, আমাদের দুজনের সব ভালবাসা এস বিলিয়ে দিই এই দেশটাকে ..." ( ভূপেন হাজারিকার গান ) এসব কি বিচ্ছিরি ভাবনা মশাই? আমাকে কেউ ভালবাসে আর তাকে বাইপাস করে আমি ভালবাসি "মানুষ"কে ? ছ্যা ছ্যা ছ্যা ছ্যা ৷ ভালবাসা আমি যেমন বুঝি সেটা সম্পর্কে সুর করে ... ...
১. দীর্ঘ দিন পুকুরে নামি না তবু পুকুরের ঘোলা জল ঢুকে পড়ে চোখে আপ্ত বাক্যের সুর ঢেকে দেয় গলা ৷ মিথ্যা দিয়ে সত্যি দিয়ে, সব কিছুর বিনিময়ে, কিনেছিলাম ... ...
আমি অন্ধকারে ভয় পাই, প্রতিদিন। একটা ছুরি শান দেওয়া হতে থাকে আলোয়, অথচ জানি সেটা অন্ধকারের অপেক্ষায় থাকে ব্যবহৃত হবে বলে।আমার অপার্থিব সব অনুভূতি হরমোন সঞ্জাত। চাদর গায়ে চড়িয়ে এক বৃদ্ধ আসেন, আর নিরাবরণা এক নারী। দুপুরের রোদ বাড়তে থাকে। পোস্ট বক্স নাম্বার নোট ... ...
১ .মানুষের অনেক কথা বলার ছিল,ফিসফিসিয়ে বলে মাটিকে,চলার পথে ঝুঁকে থাকাগাছের পাতায় হাত বুলিয়ে সে কথা বলে। দীর্ঘ অন্ধকারে ফুটপাথ জুড়েঅনবরত সেই সব কথারা কানাকানি করে,মানুষের অনেক কথা শোনার ছিল। ২. গল্প বলা আর গল্প শোনাএইভাবে সভ্যতা এগিয়ে যায়। তোমার নগ্নতায় মুগ্ধ হয়ে,বারবার চোখ তুলিও লজ্জায় নামিয়ে নিই। বিরক্ত হয়ে চলে যাই,আকণ্ঠ লোভে ফিরে আসি আবার। তারপর সারারাত শিশির পড়ে, আমাদের ক্ষমায় ভিজিয়ে দেয় তোমাকে। ... ...
ভেবে দেখলাম এই সময় বসে একটা কবিতা আমাকে লিখতেই হবে। লেখা সহজও।মার্ডার মিষ্ট্রি সঙ্গে আগাথা ক্রিষ্টি :দৈব ছন্দযোগ যেন। দিন শেষ রাত শেষ, দাদু ভোর ভোর উঠে লিখলেন তাসের দেশ ... অল রেডি সেমি কবিতা। তারপর? তারপর তারপর তারপর ... এখন লেখা এত দরকার তবু কেন যে আর কিছু মাথায় আসছে না, অন্যসময় কত ভুলভাল আইডিয়া থাকে। বাইরে বৃষ্টি শুরু হল .. আমিও কবিতার কিউ পেলাম।ব্যাঙ্গালোরে বৃষ্টি যেন আমার ফিউচার প্রেমিকার দৃষ্টি ||আহা ... এই গিটকিরি সহযোগে, আদি ও ওরিজিনাল ছাগল-ছাপ ছন্দে আমার কবিতা সমাপ্ত হল। অথ : নীলানন্দ দাশ ( জীবন বাবুর বংশোদ্ভূত) ... ...
...... ... ...
দরজা খটখটিয়ে বলি, চাই ৷ "কী চাই কেন চাই কীভাবে চাই ?" "রক্ত চাই মাংস চাই, চলতি ফিরতি অন্ধকারে, ভাত ডাল আলুসেদ্ধ পেলেও চলে ৷" তখন সব দরজা বন্ধ হয়ে যায়, খুব বৃষ্টি হয়, আকাশ বাতাস সব ভিজিয়ে ! রাস্তায় রাস্তায় তখন আমার অসংখ্য ছায়া, যত আলো তত ছায়া। হেঁটে হেঁটে সেই ভদ্রলোক ক্রমশ চলে যান গভীরতার দেশে ৷ আমি তখন ভিসার ফটো তুলে বেড়াই, আজ এই ভিসা কাল অন্যটা, আর মাঝে লম্বাটে ছায়াগুলি, বৃষ্টির মেঘগুলি ...আমি ভিজে যাই, পালাই পালাই করি, ভিজে ভিজে আবার ... ... ...
মেঘ পেরিয়ে রোদ পেরিয়েআলো ও অন্ধকার পেরিয়ে( বুঝেছি, সব পেরিয়ে। এগিয়ে যা ... )এখন অনিশ্চয়তার দেশ। ( হুঁ, দ্যাশ )তবু সবুজ পাতার ছায়া সর্বাঙ্গে নিয়েবসে থাকি( রোদ মেঘ ছায়া ... সবুজ পাতা .. এই শহরে বসে এসব অবাস্তব জিনিস পত্তর লিখিস কেন র্যা ? )অন্তত, পাতাটি সবুজ, কল্পনা করি !( খোয়াব দেখিস বল ৷ )আমাদের মুখ আছে মুখোশ আছেমুখ আর মুখোশের মাঝে আছে দু ইঞ্চি কল্পনার অবসর। ( তোর আছে, আমার সেরেফ মুখ আছে, সেই মুখ দিয়ে খাওয়া দাওয়া করে প্রেমসে ঘুম দিইপাতা ফাতা নিয়ে বেফালতু ভাবনার দরকারই পড়ে না ৷ ) ... ...