এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা।পড়তে থাকুন রোজরোজ। প্রবেশ করে দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়।

হরিদাস পালেরা

Zarifah Zahan

রেডিও-স্মৃতি

ছোট-বড়-মাঝারি নানা সাইজের সাদাসিধে তরকারি কিংবা ডাল মাখা ভাতের গোল্লা।মাথলের উপর হাল্কা ওজনের চোঙাটাকে বাদ দিলে পড়ে থাকে যতটুকু জমি, সেই সাইজের একটা থালায় তাদের বেশ একখানা আন্দাজসমান দূরত্বে সাজিয়ে রেখে শুরু হতো আম্মির কসরৎ। তখন বছর দুই। সেসময় আমাকে খাওয়ানো ছিল পাঁজি দেখে লগ্ন মেনে 'গোমাতা' উচ্চারণ বিনা নিষ্পাপ দেশভক্তি প্রমাণের থেকেও অবিশ্বাস্য প্রজেক্ট। মুখ থুবড়ে পড়বে জেনেও অবস্থাখানা 'আশায় মরে চাষা' আর কী। একটা গোল্লা হাতে নিয়ে আম্মি বলতো, "এটা হাঁসের ডিম...ঐ দ্যাখো হাঁস...প্যাঁক প্যাঁক" আমি ...
     ... পড়ুন Zarifah Zahanএর সমস্ত লেখা

হরিদাস পালেরা

Muradul islam

মসলিন চাষী

ঘুমালে আমি হয়ে যাই মসলিন চাষী, বিষয়টা আপনাদের কাছে হয়ত বিশ্বাসযোগ্য মনে হবে না, কিন্তু তা সত্য এবং এক অতি অদ্ভুত ব্যবস্থার মধ্যে আমি পড়ে গেছি ও এর থেকে নিস্তারের উপায় কী তা আমার জানা নেই; কিন্তু শেষপর্যন্ত আমি লিখে যাচ্ছি, যা থাকে কপালে, যখন আর কিছু করা সম্ভব না এবং যখন অতি অবাস্তব এক পরিণতির দ্বারপ্রান্তে এসে আমি উপস্থিত হয়েছি তখন এ ভিন্ন আর কিছু আমার মাথায় আসছে না;

ঘটনা হচ্ছে ঘুমালে আমি হয়ে যাই মসলিন চাষী, এবং তা শুরু হয়েছে মাত্র দুয়েকদিন আগে থেকে, আমি দেখলাম আমি একটি রাস্তা দিয়ে হেটে ...
     ... পড়ুন Muradul islamএর সমস্ত লেখা

হরিদাস পালেরা

Riddhiman Basu

সিরিয়ালচরিতমানস

‘একটি বনেদি বাড়ির বৈঠকখানা। পাত্রপক্ষ ঘটকের সূত্রে এসেছে সেই বাড়ির মেয়েকে দেখতে। মেয়েকে আনা হল। বংশপরম্পরা ইত্যাদি নিয়ে কিছু অবান্তর কথপোকথনের পর ছেলেটি চাইল মেয়ের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলতে। যেই না বলা, অমনি মেয়ের দাদার মেজাজ সপ্তমে। ছুটে গিয়ে বন্দুক এনে পাত্রের দিকে তাক করল।’
ভাবছেন ৫০ বা ৬০-এর দশকের কোন গল্প? আজ্ঞে না, এই একবিংশ শতাব্দীরই, এই সময়ের পরিপ্রেক্ষিতেই। বাংলা মেগাসিরিয়াল-এর দৃশ্য এটি। এখনকার বাংলা ধারাবাহিকে এই ধরনের ‘অবাস্তবতার’-ই জয়জয়কার।

শুরুটা কিন্তু এ রকম ছিল না। ছ ...
     ... পড়ুন Riddhiman Basuএর সমস্ত লেখা

হরিদাস পালেরা

Arkady Gaider

দেশ এবং জাতীয়তাবাদ

স্পিলবার্গের 'মিউনিখ' সিনেমায় এরিক বানা'র জার্মান রেড আর্মি ফ্যাকশনের সদস্যের (যে আসলে মোসাদ এজেন্টে) চরিত্রের কাছে পিএলও'র সদস্য আলি ঘোষনা করে - 'তোমরা ইউরোপিয়ান লালরা বুঝবে না। ইটিএ, আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস, আইরিশ রিপাব্লিকান আর্মি, আমরা - আমরা সবাই ভান করি যে আমরা তোমাদের আন্তর্জাতিক বিপ্লব কে সমর্থন করি, কিন্তু আমরা ওসব নিয়ে ভাবি না। We want to be nations.'
Nation - এটা খুব মজার শব্দ।
Nationalism মানে জাতীয়তাবাদ। Nationality মানে জাতি।
ভারতের National / জাতীয় পশু, সংগীত, ফুল ...
     ... পড়ুন Arkady Gaiderএর সমস্ত লেখা

হরিদাস পালেরা

priyak mitra

সান্ধ্যসংলাপ: ফিরে দেখার অজ্যামিতিক রুপরেখা


গত রবিবার সন্ধ্যেবেলা সাগ্নিক মূখার্জী 'প্ররোচিত' 'সাত তলা বাড়ি'-র 'সান্ধ্যসংলাপ' প্রযোজনাটি দেখতে গিয়ে একটা অদ্ভুত অনুভব এসে ধাক্কা দিল। নাটকটি নিয়ে খুব বেশি কিছু বলার নেই আলাদা করে আমার। দর্শকাসনে বসে থেকে মনের ভেতর স্মিতহাসি নিয়ে একটা নাটক দেখা শেষ করার পর কেমন একটা জ্বোরো আলস্য আসে, কিছু বলার থেকে বিরত থাকতেই ইচ্ছে হয়। সব ভালোলাগার ওপর শব্দের মালিকানা খাটেনা। আমি শুধু একটা ছোট্ট ভাবনাসূত্রের কথা ভাগ করে নি, যা একান্তভাবেই এই নাটকের প্ররোচনায় জন্ম নিয়েছে।

নাটকের শেষে 'প্ররোচনা ...
     ... পড়ুন priyak mitraএর সমস্ত লেখা

হরিদাস পালেরা

Bhaskar Pratim Moitra

গো-সংবাদ


ঝাঁ চকচকে ক্যান্টিনে, বিফ কাবাবের স্বাদ জিভ ছেড়ে টাকরা ছুঁতেই, সেই দিনগুলো সামনে ফুটে উঠলো। পকেটে তখন রোজ বরাদ্দ খরচ ১৫ টাকা, তিন বেলা খাবার সঙ্গে বাসের ভাড়া। শহরের গন্ধ তখনও সেভাবে গায়ে জড়িয়ে যায় নি। রাস্তা আর ফুটপাতের প্রভেদ শিখছি। পকেটে ঠিকানার চিরকুট। শহর চিনতে চিনতে বন্ধু বেড়ে গেল। অনেক বন্ধুর সাথে হারিয়ে যাওয়া একটা নাম, আজ আবার ফিরে এলো ডাউন মেমরি লেন বেয়ে…. ফারুক। বন্ধুত্ব বাড়তেই ও আমার পকেটের খোঁজ নিল আর তখন থেকেই ফারুক আমার গাইড। ওর কাছে শিখেছি ১৫ টাকায় দিন যাপনের উপায়। ...
     ... পড়ুন Bhaskar Pratim Moitraএর সমস্ত লেখা

হরিদাস পালেরা

রাণা আলম

ফুরসতনামা... (পর্ব ১)


প্রথমেই স্বীকারোক্তি থাক যে ফুরসতনামা কথাটা আমার সৃষ্ট নয়। তারাপদ রায় তার একটা লেখার নাম দিয়েছিলেন ফুরসতনামা, আমি সেখান থেকে স্রেফ টুকেছি।আসলে ফুরসত পাচ্ছিলাম না বলেই অ্যাদ্দিন লিখে আপনাদের জ্বালাতন করা যাচ্ছিলনা। কপালজোরে খানিক ফুরসত মিলেছে, তাই লিখছি, অতএব ইহা ফুরসতনামা। টোকার কথা হচ্ছিল, আম্মো আমার ভাই অর্কের খান কতক গপ্পো টুকে দিই।

অর্ক কে মনে আছে কি? আমার সেই ভাইরত্নটি যে কিনা ক্লাসিকাল গাইয়ে (এর চেয়ে বেশি ইন্ট্রো চাইলে অর্কের গানের রেওয়াজ চলার সময় সামনে বসিয়ে দেবো)।অর্কের মত ...
     ... পড়ুন রাণা আলমএর সমস্ত লেখা

হরিদাস পালেরা

Shakti kar bhowmik

কাঁঠালবীচি বিচিত্রা

ফেসবুকে সন্দীপন পণ্ডিতের মনোজ্ঞ পোস্ট পড়লাম - মনে পড়ে গেলো বাবার কথা, মনে পড়ে গেলো আমার শ্বশুর মশাইয়ের কথা। তাঁরা দুজনই ছিলেন কাঁঠালবীচির ভক্ত। পথের পাঁচালীর অপু হলে অবশ্য বলতো কাঁঠালবীচির প্রভু। তা প্রভু হোন আর ভক্তই হোন তাঁদের দুজনেরই মত ছিলো, কাঁঠালবীচি যতদিন পাওয়া যায় ততদিন আলু খেয়ে মুখ নষ্ট করবো কেন? রান্না ঘর থেকে আলু বেগুন হটিয়ে দেবার সাধ্যি তাঁদের হয়নি তা ঠিক তবে কাঁঠালবীচির সরষে কাঁচা লঙ্কা দিয়ে বাটা সেদ্ধ থেকে শুরু করে ডালনা, তরকারী, মায় সন্দেশ জিলিপি অব্দি কতো কি যে হয়। ছবি ...
     ... পড়ুন Shakti kar bhowmikএর সমস্ত লেখা

হরিদাস পালেরা

সিকি

মহাগুণের গপ্পোঃ আমি যেটুকু জেনেছি

মহাগুণ মডার্ণ নামক হাউসিং সোসাইটির একজন বাসিন্দা আমিও হতে পারতাম। দু হাজার দশ সালের শেষদিকে প্রথম যখন এই হাউসিংটির বিজ্ঞাপন কাগজে বেরোয়, দাম, লোকেশন ইত্যাদি বিবেচনা করে আমরাও এতে ইনভেস্ট করি, এবং একটি সাড়ে চোদ্দশো স্কোয়্যার ফুটের ফ্ল্যাট বুক করি। এবড়োখেবড়ো জমির মধ্যে একেবারে কিছু-নেই অবস্থা থেকে ধীরে ধীরে মাথা তুলতে আমি দেখেছি। নিয়মিত যেতাম উইকেন্ডে। ধূলো-রাবিশ আর মেশিনপত্তরের মধ্যে থেকে ধীরে ধীরে মাথা তুলে দাঁড়ালো একের পর এক কুড়ি তলা, চব্বিশ তলা টাওয়ার। অসমান জমিতে চকচকে টাইল আনল সমান ভাব। মহাগ

...
     ... পড়ুন সিকিএর সমস্ত লেখা

হরিদাস পালেরা

Ajit Roy

রূপকথা মগলা


মগলাকে দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। যাতে সানথাল, দেখতে শুনতেও মানুষ। কিন্তু মানুষ না। ওর পূর্বপুরুষরা ছিল ম্যাস্টোডন। হাতিদের সঙ্গেই ওঠাবসা। হাতিদের মতই দিনে চার ঘন্টা ঘুমোয়, কুড়ি ঘন্টা দাঁত নাড়ে। অবশ্য, শুধু হাতি নে, জঙ্গল আর জঙ্গলের সমস্ত প্রাণীর জন্যই মন কাঁদে মগলার। জানোয়ার জঙ্গল ছাড়া কিছুই ভাবতে পারে না।
অথচ, এই মগলাকেই কিনা মালখানকে মারতে সুপারি দিয়েছে মোলাম সিং! কে মালখান? আগে মালখানের কথাই বলি। মালখান এখন জঙ্গলের বস। ওর সঙ্গে রাকা, সলোমন, হুরিয়া ----- আরও তিন মাস্তান। ...
     ... পড়ুন Ajit Royএর সমস্ত লেখা

গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

সিজনস অব বিট্রেয়াল – দ্বিতীয় পর্ব

দময়ন্তী

তিনতলার ঘরে মস্ত বড় পালঙ্কের এক কোনায় বসে যুঁই আপনমনে সরু সরু দুটো কাঁটা আর খুব শক্ত আর সরু একলাছি সুতো দিয়ে নক্সা বুনছিল; একে বলে কুরুশের কাজ, নতুন শিখেছে  ও নমিতা, ছোটমাসীমার দেওরের মেয়ের কাছে, বেশ দিব্বি ছোট ছোট কয়েকটা কাপডিশ বসাবার নকশাদার ঢাকনি বানিয়েও ফেলেছে। পুর্ববঙ্গে থাকতে ওরা জানত শুধু উলবোনা,  চটের আসন বোনা আর টুকটাক রুমালে সুতো দিয়ে নকশা করা। ছোটমাসীমার নিজের চারটিই ছেলে কিন্তু তাঁর দেওর ভাসুরদের বেশ ক’টি মেয়ে, সকলের সাথেই যুঁইয়ের বেশ ভাব হয়ে গেছে এই কয়দিনে। মাঝে একবার খবর পেয়ে সাঁতরাগাছি থেকে সেজমাসীমা তাঁর বড়ছেলেকে নিয়ে এসে দেখে গেছেন যুঁইকে। কিন্তু তাঁকে কেমন অচেনা  লাগে ওর, কিরকম অদ্ভুত  ভাষায় কথা বলেন উনি। ছোটমাসীমাদের ভাষাও যুঁইদের থেকে খানিকটা আলাদা, কিন্তু তাও অনেকটাই মিল আছে, কিন্তু সেজমাসীমার ভাষা, উচ্চারণ সব কেমন আলাদা হয়ে গেছে। সেজমাসীমা আসবেন  তাই দিদিমণিও এসেছিলেন খড়দা থেকে। দিদিমণি বলেন ‘তুই অ্যাক্করে এদেশী হইয়া গেছস শেফালী, তর কথাবার্তা আর আমরার দ্যাশের নাই’ সেজমাসীমা দিব্বি হেসে কেমন করে বলেন ‘যা বোলোচো মা। অ্যাগদম তোমার  জামাইয়ের ভাষায় কতা কইচি।’

...
     ... পড়ুন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

মহাভারতের কৃষ্ণায়ণ এবং রামের বৈষ্ণবায়ন

মাহবুব লীলেন

জনপ্রিয় ধারণায় রাম-রামায়ণ-বাল্মিকীরে কৃষ্ণ-মহাভারত-দ্বৈপায়ন থাইকা প্রাচীন ভাবা হইলেও ঘটনা কিন্তু ঠিক উল্টা। এর পক্ষে পয়লা জোরালো যুক্তিটা হইল দক্ষিণ দিকে আর্যগো ভারত-বিস্তারের কালক্রমের লগে দখলি-মানচিত্রের হিসাব। মহাভারতের ঘটনাস্থল থাইকা রামায়ণ ঘটনাস্থল আরো বহুত পূর্ব দিকে। আর্যগো দক্ষিণ দিকে পা বাড়াইবার ঐতিহাসিক সময়কাল মাথায় রাইখা রমিলা থাপারও মন্তব্য করেন যে রামায়ণ তৈরি হইছে ৮০০খিপূর অন্তত পঞ্চাশ থাইকা একশো বছর পরে। মানে সাড়ে সাত থাইকা সাতশো খিপূর দিকে...

রমিলা থাপারের এই যুক্তিটা অতুল সুরও সমর্থন করেন। আর্য-যাত্রার সময়কালের লগে আর্যগো ভূগোল-পরিক্রমা নিয়া যারা কাজ করেন তাগো প্রায় সকলেরই হিসাব নিকাশ প্রায় এক। সকলেই মোটামুটি একমত যে কুরু-পাঞ্চাল এলাকাই হইল পয়লাবারের মতো আর্যগো সাম্রাজ্য স্থাপনের নিদর্শন; যেইখান থাইকা অযোধ্যা কিংবা কোশলের মতো দক্ষিণের ভূমি পর্যন্ত পৌছাইতে আর্যগো সময় লাগছে আরো কয়েক শো থাইকা হাজার বছর...

...
     ... পড়ুন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

অসন্তোষের কারণ

কৌশিক দত্ত

 নিদারুণ অবিশ্বাসের পরিবেশে  ভালো কাজ হয় না। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় জানি, জটিল রোগীর সঠিক রোগ নির্ণয় এবং দ্রুত চিকিৎসার ক্ষেত্রে ষষ্ঠেন্দ্রিয়ের ভূমিকা বিরাট। রোগী দেখার সময় পূর্ণ মনোযোগ রোগীর দিকে দিতে পারলে তবেই মনের সবটা, ষষ্ঠেন্দ্রিয় সমেত, কাজ করে। যদি অর্ধেকটা মন পড়ে থাকে নিজের পিঠ বাঁচানোর দিকে, রোগী দেখার সময় যদি ভাবতে হয় “এই রোগী নিয়ে কী ধরণের কেস খেতে পারি” বা “এর বাড়ির লোক ঝামেলা করতে পারে কিনা”, তাহলে মনের সেই আশ্চর্য রত্নভাণ্ডারে তালা পড়ে যায়, বদলে সামনে আসে কৈকেয়ীর গোঁসাঘর আর মন্থরার ফিসফাস। রোগীকে ভালোবেসে দেখা, তাঁর মাথায় হাত বুলিয়ে “কিচ্ছু হবে না, আমি তো আছি” বলা, বা হাল ছেড়ে দেবার আগে নিজের জ্ঞানবুদ্ধি অনুসারে নিয়মের বেড়া ডিঙিয়ে শেষ চেষ্টা করার বদলে এখন অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি শব্দ খাতায় লিখে রাখা, আত্মীয়দের কটার সময় কী জানানো হয়েছে তা নথিবদ্ধ করে সই করিয়ে নেওয়া, বইতে যেটুকু লেখা আছে তার বাইরে যাবার চেষ্টা না করা, দায়িত্ব নিজের কাঁধে না রেখে অন্যান্য স্পেশালিস্টদের রেফার করে দেওয়া, ইত্যাদি। যেন রোগীকে নয়, নিজেকে বাঁচানোর জন্য চিকিৎসা করছি। এভাবে আর যাই হোক, সুচিকিৎসা হয় না। যাঁদের প্রতি সমানুভূতি লাভ করার কথা, তাঁদেরকেই সম্ভাব্য আক্রমণকারী বা আদালতের প্রতিপক্ষ হিসেবে ভাবতে হবে বলে যদি জানতাম, তাহলে আমরা অনেকেই হয়ত অন্য পেশা বেছে নিতাম, যেখানে এর চেয়ে কম পরিশ্রমে এর চেয়ে বেশি উপার্জন করতে পারতাম। চিকিৎসা পেশার একটা নেশা আছে, যেটা চলে গেলে আমাদের অনেকের জন্যেই কাজটি অর্থহীন হয়ে যায়।

...
     ... পড়ুন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

জুনেদ-এর চিঠিঃ ঈদের নতুন পোশাকে

অনুবাদঃ শেখর সেনগুপ্ত

 [গত সপ্তাহে ট্রেনে করে দিল্লী থেকে হরিয়ানায় নিজের বাড়ি ফেরার পথে, চলন্ত ট্রেনের মধ্যে একদল দুষ্কৃতির মারধোর ও ছুরির আঘাতে ১৬ বছরের ছেলে জুনেদ খান মারা যায়। দুষ্কৃতিদের সন্দেহ ছিল যে জুনেদদের কাছে গো-মাংস রয়েছে। এই নৃশংস ঘটনার প্রতিবাদে ২০১৭-র ২৮শে জুন, দিল্লীর জন্তর মন্তরে “#NotInMyName” শীর্ষ নামে এক বিশাল সমাবেশ হয়। সেই সমাবেশে জুনেদের বন্ধু মহম্মদ আজহারউদ্দীন একটি চিঠি পাঠ করেন। সেই পাঠ শুনে সমাবেশে উপস্থিত বিক্ষোভকারীরা আবেগে আপ্লুত হয়ে ওঠেন। স্বর্গ থেকে জুনেইদ তার মা-কে চিঠি লিখলে কী লিখতে সেটাই এই চিঠির মূল বিষয়। উর্দুতে লেখা এই চিঠির ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন আলিয়া খান, যা ২৯শে জুন, ২০১৭র অনলাইন “দি মিলি গেজেট” প্রকাশিত হয়েছে।

ইংরেজি থেকে অনুমতিক্রমে বঙ্গানুবাদ করেছেন শেখর সেনগুপ্ত]

 

...
     ... পড়ুন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

রথের রশিতে টান

শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য

 কিন্তু এর আগে কখনো এমন হয়নি। গুর্জরদেশের সৌরাষ্ট্রের উপর দিয়ে যখন সমগ্র জম্বুদ্বীপে আর্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার কামনায় শ্রীকৃষ্ণ তাঁর রথযাত্রা সূচিত করেছিলেন, তখন থেকেই সে যাত্রার নিয়তি ছিল অপ্রতিরোধ্য বিজয়। অবশ্য রথযাত্রা করতেই হত। কিছুকাল পূর্বেই হস্তিনাপুর থেকে ঘোষণা করা হয়েছে যে রাজকার্য, অমাত্য, সান্ত্রী, শাসন ইত্যাদি কর্মে সাতাশ শতাংশ সংরক্ষণ থাকবে শূদ্র, দ্রাবিড় এবং নিষাদদের হাতে। এ রায়দান অসহ্য, এবং সমগ্র জম্বুদ্বীপের আর্য স্বাভিমানের উপর মস্ত বড় আঘাত। দূষিত রক্তের অধিকারী এই সব পশুর মত লোকজন, যারা গণ্ডায় গণ্ডায় সন্তান উৎপাদন, সন্ত্রাসী কার্য্যকলাপ এবং অরণ্য আশ্রমের সমাহিত শান্ত পরিবেশকে দূষিত করা ছাড়া আর কিছুই করেনি এতকাল ধরে, সেই তাদেরকে এখন তোষণ করে চলতে হবে! এবং সেটাও হস্তিনাপুর রাজচক্রবর্তীর পেছনে জনসমর্থন সংহত করবার খাতিরে! এতখানি অন্যায় স্বাভিমানী আর্যের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। প্রথম গর্জন এসেছিল পশ্চিম প্রান্তের মহারট্ট প্রদেশের তিলক কুলপতির থেকে। তিনি বিদ্রোহ ঘোষণা করে বলেছিলেন এই রায় কার্যকর হলে সমগ্র জম্বুদ্বীপ দ্রাবিড় রক্তে সিঞ্চন করে পরিশুদ্ধ করবেন তিনি। আর্যহৃদয়সম্রাট চতুর শ্রীকৃষ্ণ বুঝেছিলেন এটাই উপযুক্ত ক্ষণ। এখনই যদি আর্য সংখ্যাগুরুকে রক্তের স্বাদ না দেওয়া যায়, তাহলে সাম্রাজ্য গঠনের স্বপ্ন অধরাই থাকবে। এই সাম্রাজ্য গঠনের মূল বাধা যে প্রাচীন প্রথা, অর্থাৎ মহাজনপদগুলির গণতান্ত্রিক উপায়ের মাধ্যমে সম্রাট নির্বাচন, সেই গণতন্ত্রকে পিষে ফেলে আর্য একনায়কতন্ত্রের বিজয়রথ চালাবার এটাই শ্রেষ্ঠ সময়। ঠিক সেই কারণেই মন্দির স্থাপনার আহ্বান। 

...
     ... পড়ুন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

ঈদের রঙ

রুখসানা কাজল

 দলবেঁধে আসত দিভাই আপুলি দাদুর বন্ধুরা । কে হিন্দু কে মুসলিম এরকম অনেককেই আমি সত্যি জানতাম না। ওদিকে রান্নাঘরে তখন মা ক্ষেপে গেছে। অসম্ভব। আমি কারো জাত নষ্ট করতে দিতে পারব না। টিকিয়া কিছুতেই মা দেবে না। আর এরা খাবেই। শেষ পর্যন্ত মিথ্যে বলে তবে টিকিয়া বের করা হত। আমি আর ভাইয়া ঘুরঘুর করতাম সেলামি নেওয়ার জন্যে। ব্যাগ ভরে টাকা পয়সা নিয়ে আমরা ছুটে যেতাম আইসক্রিমের দোকানে। তখন নতুন নতুন আইসক্রিম আসছে মার্কেটে। বিরতিহীন খেয়ে যেতাম আমরা ছোটরা। জিভ ভারি হয়ে কথা আটকে যেত। অইদিন গরিবদের ছেলেমেয়েরাও আইসক্রিম কিনতে আসত। তারাও সস্তা কাপড়ের  নতুন জামাকাপড় পরে আনন্দ করত। কিন্তু এত আনন্দের ভেতরেও খারাপ লাগত যখন দেখতাম এই ঈদের দিনেও কেউ ভিক্ষে করছে বা ছেঁড়াফাটা পুরান জামা পরে মুখ কালো করে এক কোণে   দাঁড়িয়ে আছে। আমাদের শহরে হামবড়ামি করত যারা তাদের কেউ কেউ এদের তাড়িয়ে দিত। কেউ কেউ আবার দুষ্টুমি করে আমাদের বাড়ি দেখিয়ে দিত। মা যতটা পারত দিত। বাপি মাকে শিখিয়েছিল, দিও কিঞ্চিত না করে বঞ্চিত। আমরা তো অই হামবড়ামি টাইপের ধনীলোক ছিলাম না। ওদের গেট বন্ধ থাকত, শবে বরাত, ঈদ, কুরবানির দিনগুলোতে। গরীবরা কিছু না পেয়ে কত কি যে অভিশাপ দিত। শেষবারের মত বলত, আল্লাহ বিচার করবিনে, একদিন আমাগের মত ভিক্ষে করতি হবিনে ওগের। এই ধনসম্পদ কিছুই থাকপি নানে তহন। আল্লাহ কিন্তু ওদের  ছাপ্পড় ফুঁড়ে দিয়েছে,  দিয়েই গেছে। গরীব আরো গরীব হয়েছে। আমি আর ভাইয়া এগুলো ভালো করে দেখে টেখে ঠিক করেছিলাম, কাউকে মুখে কিছু বলব না। সুযোগ পেলে মেরে দেবো।  

...
     ... পড়ুন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

রথের কোলাজ

শক্তি করভৌমিক দত্তরায়, সৃজিতা সান্যাল শূর, সেখ সাহেবুল হক, নাভিদ আঞ্জুম, সোমা মুখোপাধ্যায়

আজ ঈদ ছিল।কাল ছিল রথযাত্রা।আহা কি আনন্দ।ছোটো থেকেই রথের মেলায় যাওয়া আমার মাস্ট।রথের মেলাতেই আমার প্রথম সার্কাস দেখা। নাগরদোলা চড়াও।লালগোলায় প্রতিবার রথের মেলা বসে অনেকদিন থাকে।এবারো যাবো।আমার সাড়ে চার বছরের ছেলের এবার তৃতীয়বার রথের মেলা দেখা হবে।ও বেচারি হিন্দু-মুসলিম না বুঝলেও,লালগোলাবাসিরা জানে লালগোলার রথের মেলার মোট টার্ন আউটের অন্ত 50%মুসলিম।সকালে ঈদের ময়দানের বাইরে পাঁপড়, চপ,ঘুগনি বা খেলনার যে দোকানগুলো ছিলো তার অনেকগুলিই হিন্দুদের। এতে আমার তিন বছরের ভাইপোর কিছু এসে যায়নি। সে পাঁপড় পুরোটাই খেয়েছে।আর হ্যাঁ,অনেক অনেক হিন্দু ভাইবোনেরা 'ঈদ মুবারক' লিখেছে। আমি অবশ্য 'শুভ রথযাত্রা' লিখিনি।অনেক মুসলিমই লেখেনি। আমিতো কোনদিনই না।তাহলে এবার কি হোলো???

...
     ... পড়ুন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

উৎসবের খাদ্যসম্প্রীতি ও পাড়ার খানাপিনা

সেখ সাহেবুল হক

 ঈদের চাঁদ দেখা গেলেই বাঙালী মুসলমান প্রথমে ঈদের চাঁদকে চুমু খায় ঠোঁটে আঙুল ঠেকিয়ে। খুশির মাত্রাটা ঠিক এমনই থাকে যে আকৃতিগত ভাবে তো নয়ই পরিস্থিতির বিচারেও চাঁদ তখন ঝলসানো রুটি নেই। চাঁদরাত উপলক্ষে কিছু জায়গায় খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। গোটা পাড়ায় হাঁড়ি বন্ধ। নিজেদের মধ্যেই চাঁদা তুলে বিরিয়ানি, পোলাও খাওয়ার ঘটনাও প্রত্যক্ষ করি। এটা দিয়েই একসাথে ঈদের আগাম সেলিব্রেশন শুরু।

সকালে ঘুম থেকে উঠেই মসজিদে ঈদের নামাজের জন্য তৈরী হওয়া। ঈদের নামাজের জামাত সাধারণত সাড়ে আটটা থেকে সাড়ে নটার মধ্যেই হয়ে থাকে। বিভিন্ন এলাকার মসজিদ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সময় নির্ধারণ হয়।

...
     ... পড়ুন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

ঈদ সমাচার

মুহাম্মদ সাদেকুজ্জামান শরীফ

২৯ রোজার দিন ইফতারের সময় হলেই আমরা শরবতের গ্লাস হাতে নিয়ে দৌড় দিতাম বাহিরে, খোলা মাঠের দিকে, উদ্দেশ্য ঈদের চাঁদ দেখা। নিজেরা খুঁজে পেলে তো পেলামই আর না পেলে বাসায় এসে বসে থাকতাম টিভির সামনে। যদি সরকারি কোন ঘোষণা আসে, সেই আশায়। একবার তো সরকারি ঘোষণা এলো তারাবি নামাজে পর!! মানুষ মোটামুটি ৩০ রোজার জন্য মানসিক ভাবে তৈরি হয়ে গেছিল সেদিন। ২৯ রোজার পরে আর একটা রোজা রাখা যে কি কষ্টের ছিল তা বলে বোঝানো যাবে না। ঈদের ফুরতি মনে হয় কমে যেত রোজা ৩০টা হলে, সব মজা ২৯ রোজায়।  এখন সব কিছুই কেমন ঘোর লাগা সময়ের গল্প মনে হয়। 

...
     ... পড়ুন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

ঈদের আমি, আমার ঈদ

ফারহা কাজী

আগে ঈদ মানেই ছিলো নতুন জামার মোহ। পাড়ার কার জামাটা সবথেকে সুন্দর তার কম্পিটিশন। রোজা শুরু হওয়ার পর থেকেই সন্ধ্যে বেলায় নিউয়ের আবদার শুরু হতো... আম্মু আমরা কবে ঈদের বাজার করবো? সবার জামা হয়ে গেলো আমাদের এখনো হয়নি। আম্মু বলতো আগে আগে জামা কিনে নিলে সবাই দেখে ফেলবে তাই একটু দেরী করেই কিনতে হয় মা। কিন্তু এখন বুঝি, আম্মু আসলে ছোটো শিশুদের বুঝতে দেয়নি এখন টাকাপয়সার টানাটানি, আব্বুর হাতে টাকা না আসলে কি করে জামা কিনে দেবে? এখন ভাবি আমরা কি স্বার্থপর ছিলাম তখন। কখনও ভাবিনি আব্বু আম্মু ঈদে নতুন কি জামা কিনলো? নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত। আমার আম্মু তখন পুরোনো শাড়ীতেই ঈদ কাটাচ্ছে কিংবা খুব বেশি হলে একটা সূতির ছাপা শাড়ী। আব্বু বেচারার তো কিনে দেওয়ার কেউ ছিলো না। নিজের জন্য বোধহয় ঈদে কিছু কিনতোও না। এখন আমার আব্বু আম্মু দুজনকেই আমরা দুইবোন নতুন জামাকাপড় কিনে দিই... কিন্তু সব জিনিষের একটা বয়স থাকে । আমার আম্মু আজকে আর হয়তো নতুন চুড়ি বা শাড়ী দেখে উচ্ছ্বসিত হবেনা যতটা আজ থেকে কুড়ি বছর আগে হতে পারতো! 


...
     ... পড়ুন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

বিক্ষোভ দানা বাঁধছে গোকুলে

সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

 সমস্যা শুরু হয় এর পরে। সচিবালয়ের ওই কর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনাও যথেষ্ট সুন্দর মেজাজে শুরু হয়েছিল। প্রথামতো আলিঙ্গন করার পর, গরুরা প্রধানমন্ত্রীকে তাদের কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে। জবাবে প্রধানমন্ত্রী গো-রক্ষায় তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টার কথা বলেন। হিন্দি বলয়ের প্রায় সর্বত্র গো-হত্যা নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গরুদের আধার কার্ড দেবার তোড়জোড় চলছে। বিভিন্ন বহুজাতিকের সঙ্গে কথা চলছে দুধের মতো গোমূত্রও ঠান্ডা পানীয়ের বোতলে ভরে বিক্রি করার, এবং গোমূত্রের উপর জিএসটির সম্পূর্ণ ছাড়ের কথা ভাবা হচ্ছে। বিশুদ্ধ গোমূত্র আহরণের জন্য বিদেশ থেকে আনা হচ্ছে বিশেষ ক্যাথিটারও। এ পর্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিস্থিতিই বজায় ছিল। সমস্যা শুরু হয়, এইসব সুখবরে গরুরা আনন্দ পাবার পরিবর্তে বিচলিত হয়ে পড়লে। 

...
     ... পড়ুন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

নট ইন আওয়ার নেম

প্রতিভা সরকার

অল্পবয়সী ছেলেদুটো নড়েচড়ে বসল, চোখ হয়ে গেল ছুরির মতো ধারালো,

- ক্যায়া খা রহা হ্যায় আপ ?

শিক্ষকটির মুখে ফুটে উঠল একটা বোকা, ভ্যাবলা হাসি। সত্যি তো, আমার টিফিন বক্সে উঁকি মেরে কেউ যদি ধমকায়, কি খাচ্ছেন, আমি কি ভোম্বল হয়ে যাবো না ! আরো দুজন আতিশয্যে উঠে পড়েছেন। এরা বাঙালী। চোখ হাসিতে ঝিকমিক, রগচটাদের প্রশ্রয় দিয়ে বললেন,

--গোস্ত খাচ্ছে দাদা। কোন সন্দেহ নেই তায়। আরে পাবলিকমে কিউ খাতা হ্যায় রে ?

এই ছেলেদুটোর আরো বন্ধুবান্ধব আছে ভেতরে। ওদের মুখের শক্ত রেখা আমাকে মনে করিয়ে দিল পানিয়াল পাগলির কথা। মাংসে লেগে ফিরে আসা দুমদাম প্রহারের আওয়াজ।

কী করছি নিজে বোঝবার আগেই একটুকরো মাংস উঠে এলো আমার কাঁপা হাতে। 

...
     ... পড়ুন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা