এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা।পড়তে থাকুন রোজরোজ। প্রবেশ করে দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়।

হরিদাস পালেরা

শক্তি দত্তরায় করভৌমিক

মার্জারবৃত্তান্ত

বেড়াল অনেকের আদরের পুষ্যি। বেড়ালও অনেককে বেশ ভালোবাসে। তবে কুকুরের প্রভুভক্তি বা বিশ্বাসযোগ্যতা বেড়ালের কাছে আশা করলে দুঃখ লাভের সম্ভাবনা আছে। প্রবাদ আছে কুকুর নাকি খেতে খেতে দিলে প্রার্থনা করে, আমার প্রভু ধনেজনে বাড়ুক, পাতেপাতে ভাত পড়বে আমিও পেটপুরে খাবো। বেড়ালকে খেতে দিলে বেড়াল নাকি প্রার্থনা করে গেরস্ত কাণা হোক আমি চুরি করে প্রাণ ভরে খাবো। হতে পারে এটা বিড়াল-বিদ্বেষীদের অপপ্রচার। তবে বেড়ালের চৌর্যবৃত্তি সুবিদিত। তবুও এই সেদিনও দেখেছি ডাকসাইটে গৃহকর্তা খেতে বসেছেন, তাঁর দাপটে নাতি পুতিরা সিঁটি ...
     ... পড়ুন শক্তি দত্তরায় করভৌমিক এর সমস্ত লেখা

হরিদাস পালেরা

Malay Bhattacharjee

সামান্থা ফক্স

সামান্থা ফক্স

চুপচাপ উপুড় হয়ে শুয়ে ছবিটার দিকে তাকিয়েছিলাম। মাথায় কয়েকশো চিন্তা।হস্টেলে মেস বিল বাকি প্রায় তিন মাস। অভাবে নয়,স্বভাবে। বাড়ি থেকে পয়সা পাঠালেই নেশাগুলো চাগাড় দিয়ে ওঠে। গভীর রাতের ভিডিও হলের চাম্পি সিনেমা,আপসু রাম আর ফার্স্ট ইয়ার কোন এক শক্তপোক্ত ছানার হাতে ফাইন করে বেটে দেওয়া গাঁজা। মাসের সাত দিনের মাথায় বাড়িতে পোস্ট কার্ড, " পড়াশোনার চাপ বেড়েছে, একটু দুধ ডিমান্ড করিতেছে মগজ, ক্যাম্পাস এর মধ্যেই ভজুয়ার গরুর চাষ আছে। ওর তিনটি গরু এবং একটি পাতকুয়া সমগ্র ক্যাম্পাস এ মাসে মাসে ...
     ... পড়ুন Malay Bhattacharjeeএর সমস্ত লেখা

হরিদাস পালেরা

Swati Ray

ইংরাজী মিডিয়ামের বাংলা-জ্ঞান

বাংলা মাধ্যম নাকি ইংরাজী মাধ্যম ? সুবিধা কি, অসুবিধাই বা কি? অনেক বিনিদ্র রজনী কাটাতে হয়েছে এই সিদ্ধান্ত নিতে! তারপরেও সংশয় যেতে চায় না। ঠিক করলাম, না কি ভুলই করলাম? উত্তর একদিন খানিক পরিস্কার হল। যেদিন একটি এগার বছরের আজন্ম ইংরাজী মাধ্যমে পড়া ছেলে এই লেখাটা ধরিয়ে দিল ... কিছু বানান ভুল সংশোধন করে দিতে হয়েছে অবশ্য। বাকীটা পাঠকই বলুন। ...

লক নেসের দানব
- শ্রুতকল্যাণ দে
আমার নাম শ্রুত। আমার পেশাটি একটু অদ্ভুত।আমি একজন ক্রিপ্টোজুলজিস্ট। আমি আর আমার বন্ধু রবার্টো দুজনে একসঙ্গে ...
     ... পড়ুন Swati Rayএর সমস্ত লেখা

হরিদাস পালেরা

souvik ghoshal

রুশ বিপ্লবের ইতিহাস

রুশ বিপ্লবের ইতিহাস
রাশিয়ায় শ্রমিকশ্রেণির নেতৃত্বে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের বিষয়টিকেই বলা হয় রুশ বিপ্লব। ১৯১৭ সালের ৭ নভেম্বর থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ‘দুনিয়া কাঁপানো দশদিন’ সময়পর্বের মধ্যে এই বিপ্লবের চূড়ান্ত পর্বটি সংগঠিত হয়েছিল।
অবশ্য দুনিয়া কাঁপানো এই দশ দিনের পরেও বিপ্লবীদের সাথে নানা ধরনের বিরোধী শক্তির গৃহযুদ্ধ বজায় ছিল বেশ কয়েক বছর। অন্যদিকে এই বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি চলেছিল বেশ কয়েক দশক ধরে। ফলে রুশ বিপ্লব বা নভেম্বর বিপ্লব (পুরনো ক্যালেন্ডার অনুসারে একে একসময় অক্টোবর বিপ্লব বলা হত) ...
     ... পড়ুন souvik ghoshalএর সমস্ত লেখা

গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

ম্যাঁয় চলি পিয়া কি দেশ

শিবাংশু দে

বনারসি গানের একটা অন্য ঐতিহ্য রয়েছে। শাস্ত্রীয় গায়নে লোকজ আবেগের উৎসার বনারসের মতো আর কোথাও দেখা যায়না। যদি শাস্ত্রীয় গায়ন, অর্থাৎ ধ্রুপদ, ধমার, চতুরঙ্গ,খ্যয়াল, ইত্যাদি সব ধারাতেই এই মাটির আঘ্রাণ এতো স্পষ্ট হয়, তবে উপশাস্ত্রীয় সঙ্গীত, অর্থাৎ, টপ্পা, ঠুমরি, দাদরা, কাজরি, হোরি, চৈতি, তরানা, ঘাটো ইত্যাদি শৈলীতে তো কথাই নেই। এইসব ধারার সব থেকে বৈচিত্র্যপূর্ণ রূপায়ণ আমরা বনারসি বনাওটে খুঁজে পাই। এছাড়া অপ্রচলিত তিরওয়ত, সদরা, খামসা, লাওনি, কীর্তন, ভজন, কথাগায়ন, রামায়নগায়ন, রাগমালা, কব্বালি ইত্যাদি সব ধরণের সঙ্গীতধারাই বনারসে চর্চিত হয়েছে। এখানে কেতাবি শাস্ত্রীয়তা আর লোকজ সঙ্গীত কেতা চিরকাল সমান ইজ্জতের সঙ্গে মানুষের কাছে আদৃত রয়ে গেছে। গান শোনার জন্য বনারসের নানা ঠেকে তাঁরা জড়ো হ'ন। তা সে সংকটমোচন মন্দিরে হোক বা গঙ্গা উৎসবে, তুলসিঘাটের ধ্রুপদমেলা বা বালাজিমন্দিরে। শ্রোতাদের মধ্যে কেউ পানবিক্রেতা, কেউ রাবড়িওয়ালা, কেউ বিখ্যাত অধ্যাপক, কেউ বা বরিষ্ঠ রাজপুরুষ বা যজমান পুরোহিত, অথবা পরিচয়হীন, ধারালো, বনারসি ভবঘুরে পথের লোক। এমন কি তথাকথিত লপুয়া'লফঙ্গা 'ইতর'সমাজের লোকজনকেও দেখা যাবে এককোণে মাটিতে বসে দাদ দিয়ে চলেছেন গানের সঙ্গে। সব মিলিয়েই ফুটে ওঠে বনারসি চাল। বনারসি অদার সঠিক এই ধরণ। লোকজ গানের সম্ভ্রম আর সম্ভ্রান্ত গানের লোকজ উল্লাস সবই বনারসে পরস্পর আলিঙ্গন করে চলে। এই ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারিনী গিরিজা দেবী'র গায়নেও বনারসি অদার ছাপ চিরকাল অতি স্পষ্ট বিরাজমান ছিলো।

...
     ... পড়ুন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

পারিবারিক মহিলা লোক আদালত - যেমন দেখছি

প্রতিভা সরকার

সত্যিই টিভি সিরিয়ালের এক একটি কেস মহিলা কমিশনে দাখিল হওয়া এক একটি আবেদন। ব্যক্তি আর সমাজ জীবনের জলছবি। মেয়েরা মাথা নীচু করে আর সবকিছু মেনে নিচ্ছেন না। কিন্তু সংসারের কর্ত্রী হয়ে থাকবো এই বাসনা থেকে এখনো বেরোতে পারেননি। স্বামী নিজের বোনকে নিয়ে চলে গেছে, এগারো মাস বাদে ফিরে এসেছে, তবু স্ত্রী ছেলেকে নিয়ে আবার সংসারের পুনঃপ্রতিষ্ঠা চায়। ছেলে ডিপিএসেই পড়ুক চায়। টাকা দেবে কে, একথার উত্তরে একুশ বাইশের মেয়েটি জানায়, ----ওকে রাজারহাট নিউটাউনে সবাই চেনে। সিন্ডিকেট করে ও। এখানকার কাউন্সিলরের ঘর থেকে বেরিয়ে আমায় সেদিন বলছে, কত টাকা পেলে আমায় ছাড়বি ? কুড়ি লাখ, ত্রিশ লাখ ? আপনারা সিসিটিভি দেখুন। বলেছে কিনা। ও ইচ্ছে করলেই আমার ছেলেকে পড়াতে পারে।

...
     ... পড়ুন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

রোহিঙ্গা সংকট ও সমাধান বিষয়ক প্রস্তাবনা―চতুর্থ পর্ব

স্বকৃত নোমান

রোহিঙ্গা জঙ্গি সংগঠনগুলোর লক্ষ্য কী? মোটা দাগে ৪টি লক্ষ্য : এক. আরাকানে রোহিঙ্গাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা, দুই. রোহিঙ্গাদের আবাসভূমি হিসেবে আরাকানকে স্বাধীন করা, তিন. বাংলাদেশের কক্সবাজার, পার্বত্য চট্টগ্রামের কিছু অংশ ও আরাকান নিয়ে একটি স্বাধীন ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। চার. আরাকানে ইসলামি খেলাফত প্রতিষ্ঠা করা। এই লক্ষ্যে যেসব সংগঠন কাজ করছে সেগুলো হচ্ছে―রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও), হরকাতুল ইয়াকিন, আকামুল মুজাহিদিন আরাকান, ফেইথ মুভমেন্ট অব আরাকান, রোহিঙ্গা আজাদি ফোর্স, জমিয়তে ইত্তেহাদুল রোহিঙ্গা, জমিয়তে ইত্তেহাদুল ইসলাম, আরাকান রোহিঙ্গা ইউনিয়ন, বার্মা আরাকান অর্গানাইজেশন ইউকে, ভয়েস অব রোহিঙ্গা ইউনাইটেড, রোহিঙ্গা রিফিউজি হিউম্যান রাইটস, আরাকান পিপলস ফ্রিডম পার্টি, অ্যাসেম্বলি অব রোহিঙ্গা অ্যাসোসিয়েশন, আরাকান রোহিঙ্গা স্টুডেন্ট ডেমোক্রেসি অ্যাসোসিয়েশন, আরাকান ইউনাইটেড ফোর্স, আরাকান আর্মি (এএ), আরাকান লিবারেশন ফ্রন্ট (এএলপি), আরাকান পিপলস আর্মি, আরাকান রোহিঙ্গা ফোর্স, সাওতুল্লাজিন, ইত্তেহাদুল ইসলাম প্রভৃতি।

...
     ... পড়ুন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

হরিদাস পালেরা

ঋক আর কিছুনা

হিজিবিজি

শীত আসছে....মানে কোলকাতার শীত আর কি। কোলকাতার বাইরে সব্বাই শুনে যাকে খিল্লি করে সেই শীত। অবশ্য কোলকাতার সব কিছু নিয়েই তো তামাশা চলে আজকাল, গরীব আত্মীয় বড়লোকের ড্রয়িংরুমে যেমন। তাও কাঁথার আরামের মতোই কোলকাতার মায়া জড়িয়ে রাখে, বড় মায়া হে এ শহর ছাড়িয়ে মাঠ রাস্তা সব খানেই ছড়িয়ে থাকে টুক করে তুলে আনিলেই হয়। অন্য বড় শহরে রাজ্যে প্রদেশেও এরকমই মায়া ছড়িয়ে থাকে হয়ত আমি জানি না আসলে। ঘুরতে গিয়ে না, কোনো জায়গায় না থাকলে তো তার সঙ্গে বোঝাপড়া তৈরী হয়না, যে সম্পর্কে খালি মন রাখা থাকে, ঝগড়াঝাঁটি রাগারাগি চলে ন ...
     ... পড়ুন ঋক আর কিছুনাএর সমস্ত লেখা

হরিদাস পালেরা

Alpana Mondal

আমার কালী....... আমিও কালী



কালী ঠাকুরে আমার খুব ভয়। গলায় মুন্ডমালা,হাতে একটা কাটা মুন্ডু থেকে রক্ত ঝরে পড়ছে, একটা হাড় জিরজিরে শেয়াল তা চেটে চেটে খাচ্ছে, হাতে খাঁড়া, কালো কুস্টি, এলো চুল,উলঙ্গ দেহ, সেই ছোট বেলায় মন্ডপে দেখে এমন ভয় পেয়েছিলাম সেই ভয় আমার আজও যায়নি। আর আমার এই কালী ভীতির কথা আমার পরিবারের সবাই জানতো। ছোটবেলায় খুব জলে তেলাতাম- আপনাদের ভাষায় সাঁতার কাটতাম।আমি সুন্দরবনের মেয়ে,পেটের থেকে সাঁতার শিখে আমাদের জন্ম হয় তার ওপর বাড়ির লাগোয়া বড় খাল- পারলে সারাদিন সেখানেই থাকি। এদিকে বাড়ির বড় মেয়ে,মা জনমজুর খ ...
     ... পড়ুন Alpana Mondalএর সমস্ত লেখা

হরিদাস পালেরা

সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

নভেম্বর ২০১৭

ষাট বা সত্তর সম্পর্কে প্রত্যক্ষজ্ঞান নেই, তবে আশির দশক মোটামুটিভাবে ছিল শ্রেণীসংগ্রামের যুগ। মানে ভারতের বামঘরানার লোকজনের চিন্তনে। ফ্রান্সে ১৯৬৮ সালের বিপ্লব প্রচেষ্টা তখন অতীত। সেসব উত্তাল সময়ে অদ্ভুত তত্ত্বের জন্ম হয়েছে জানা ছিল। কিন্তু সেগুলো খায় না মাথায় দেয় তা নিয়ে কারো বিশেষ মাথাব্যথা ছিলনা। সত্তরের দশকে সোভিয়েতকে সাম্রাজ্যবাদী বলা হয়েছিল, তাও কারো অজানা ছিলনা, কিন্তু সেসব খুব জোরেসোরে বলার লোকটোক ছিলনা। তখন বিশ্বশান্তির চ্যাম্পিয়ন ব্রেজনেভের যুগ। 'সোভিয়েত দেশ' আর 'সোভিয়েত নারী' দেখ উচ্ছ্ ...
     ... পড়ুন সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়এর সমস্ত লেখা

হরিদাস পালেরা

Muhammad Sadequzzaman Sharif

বাংলাদেশে ফেসবুক বন্ধের জন্য আকুল আবেদন !!

বাংলাদেশে ফেসবুক বন্ধের জন্য আকুল আবেদন জানাচ্ছি। আমরা আসলে তৈরি না এই ধরনের মাধ্যমের জন্য। বিশাল জনগোষ্ঠী শিক্ষার নামে আল্লাই জানে কি শিখে শিক্ষিত হচ্ছে। তথাকথিত শিক্ষিতদের বাহিরে আরও আছে আরও বিশাল আরেক অশিক্ষিত সমাজ। যাদের কাছে সব চেয়ে বড় জ্ঞানী হচ্ছে এলাকার লম্বা দাড়ি আর টাকনুর উপরে পায়জামা পড়া মসজিদের ইমাম সাহেব। এদের সবার হাতেই ফেসবুক। এইটা আসলে কি, খায় না মাথায় দেয় তার সম্পর্কে বিন্দু মাত্র ধারনা না থাকা সত্যেও এই বিশাল জনগোষ্ঠী এই মাধ্যম ব্যবহার করে চলছে। আর তাদের খেসারত দিতে হচ্ছে সমাজের ...
     ... পড়ুন Muhammad Sadequzzaman Sharifএর সমস্ত লেখা

হরিদাস পালেরা

Rabimba Karanjai

ক্যামেরা উবাচঃ

কিছুদিন আগে "cal comm" এর এক দৈনন্দিন থ্রেড এ বিশাল আলোচনা চলছিলো মোবাইল নিয়ে। কম মোবাইল ভালো, কোনটা ভালোনা, iPhone ছাড়া কেন জীবন বৃথা।ওয়ান প্লাস এর চেয়ে ভালো কোনো ফোন পৃথিবীতে হতেই পারেনা, মাই( ছি ছিঃ ) ফোন কত ভালো ইত্যাদি।এসবের মধ্যে অবধারিত ভাবে ক্যামেরা এর ছবি comparison এর কথা চলেই এলো. এবং যথারীতি আমি ঘরের খেয়ে বোনের মোষ তাড়ানোর জন্যে সেখানে হাজির হয়ে বলতে গেলাম গুগল এর pixel এদের মধ্যে সেরা।
এবং যা হয়ে থাকে। হৈ হৈ রৈ রৈ করে সবাই তেড়ে এলো যে কেন ওয়ান প্লাস ভালো নয়.
(পুরো থ্রেড টা ...
     ... পড়ুন Rabimba Karanjaiএর সমস্ত লেখা

হরিদাস পালেরা

Sakyajit Bhattacharya

লালন-বৃত্তান্ত

তারপর বুড়ো রিকশওয়ালা হারাণ সাঁপুই বিড়িতে টান দিয়ে বলল "তো, লালনের গায়ে ছিল বাঘের মত বল। এমনিতে বেঁটেখাটো। আমাদের রিকশ-স্ট্যান্ডেই বসে থাকত সারাদিন, টাক মাথা, মাঝে মাঝেই সর্দি কাশি জ্বরে ভুগত খুব। কিন্তু যখন রাগ করত, বা মদ খেয়ে মাতলামি, মাইরি বলছি বাবু, ওকে দেখে আমার ভয় হত। এই বুঝি কাউকে খুন করে ফেলবে, অথবা রাগের চোটে মাথার শিরা ছিঁড়েই মরবে বুঝি বা। তখন ওকে থামায় সাধ্য কার। যেন একটা সুন্দরবনের কেঁদো বাঘ সটান দাঁড়িয়ে লেজ আছড়াচ্ছে, পৃথিবী দুভাগ হল বলে!"

ছেলেটার শুনতে ইচ্ছে করছিল না এসব। ...
     ... পড়ুন Sakyajit Bhattacharyaএর সমস্ত লেখা

গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল -- গুরুর ই-বই


অনেক অপেক্ষার পর নড়তে চড়তে হেলতে দুলতে অবশেষে হাজির হল লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল। তাতে অবশ্য সমস্যার কিছু নেই। কারণ আমাদের বারো মাসে আঠারো পাব্বন, আর বচ্ছরভোর মোচ্ছব। উৎসব চলছে চলবে। পড়ুন লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল, গুরুর প্রথম ই-বই ...
     ... পড়ুন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

ধর্ষণ আইন -- বছর চারেক পরে ফিরে দেখা

সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

ফারুকি সংক্রান্ত রায়ের পর ধর্ষণ আইন এবং আদালতের রায় নিয়ে নতুন করে কথাবার্তা শুরু হয়েছে। এই লেখাটা ঠিক ফারুকি বিষয়ক নয়। কিন্তু আলোচনা যখন হয়েছে, এবং ধর্ষণের নতুন আইনটির বেশ ক বছর হয়ে গেল, তার এবার একটা পুনর্মূল্যায়নও দরকার, এই জায়গা থেকে কয়েকটা লেখা ফেসবুক গ্রুপে লিখেছিলাম। সেগুলোই একটু নেড়েচেড়ে তুলে রাখলাম। পাবলিক ফোরামের লেখা। একটু তাড়াহুড়োতে। বাক্যগঠন ইত্যাদি বদলালামনা। এক্ষেত্রে বিষয়বস্তুইআসল, এই অজুহাতটুকু রইল।

...
     ... পড়ুন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

কাকে বলে রোগী কেন্দ্রিক চিকিৎসা? ( প্রথম পর্ব)

অরিন্দম বসু

ঝলসানো চামড়ার ও ফোসকার ড্রেসিং করাতে আমার পরিচিত একটি  ক্লিনিকে গেলাম। সেখানে  এক অপরিচিতা নার্স আমার চিকিৎসা করলেন। তিনি ড্রেসিং করার সময় থমথমে মুখে কাগজ দেখে মন দিয়ে কাজ করে গেলেন, আমার সঙ্গে একটি কথাও বললেন না। আমার কেমন যেন অস্বস্তি হচ্ছিল যে তাঁর সামনে একজন মানুষ বসে আছে, সে মাঝে মাঝে যন্ত্রণায় আর্তনাদ করে উঠছে, তাকে আমল দেওয়া দূরের কথা, যন্ত্রণা হচ্ছে কি না, একবার জিজ্ঞেসও করলেন না, খস খস করে কাঁচি দিয়ে, এমন ভাবে পোড়া চামড়া কেটে দগদগে কাটা ঘায়ের ওপর মলম আর পটি দিয়ে ড্রেসিং করলেন হাতটা যেন শরীরের বাইরের কোন একটা অংশ, তারপর নিপুণ হাতে পরিপাটি করে ব্যাণ্ডেজ বেঁধে দিলেন। দিয়ে  আমাকে মৃদু শাসনের সুরে বললেন, এই ভাল করে ড্রেসিং করে দিলাম, বাইরে বসে একটু জিরিয়ে নিয়ে বাড়ি চলে যান। দেখবেন যেন একটুও জল লাগাবেন না, সাত দিনে সেরে যাবে।

চিকিৎসা শুরু হবার দশ দিনের মাথায় হাতের ঘা সেরে গেল, পটি খোলা হল। আমি সুস্থ হলাম। আমার চিকিৎসা যে চিকিৎসক, ফিজিওথেরাপিস্টরা, নার্স-রা করেছেন তাঁরা সকলে অভিজ্ঞ ও দক্ষ, তাঁদের পেশাগত নৈপুণ্য প্রশ্নাতীত, ক্লিনিকটি  পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন, তাতে প্রায় যত রকমের আধুনিক ব্যবস্থা থাকা প্রত্যাশিত সব ছিল। আমার দেশ, নিউজিল্যাণ্ডে, সরকার দেশের মানুষের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করেন, তাই আমার চিকিৎসার মোট খরচ নামমাত্র, এবং আমি যথাসময়ে কোন রকম গোলমাল ছাড়াই পুরোপুরি ভাল হয়েও গেছি ।

...
     ... পড়ুন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

ইজাইয়াহ, ইল্বল ও ঘাতকের শুদ্ধীকরণ

শিবাংশু দে

পশ্চিম য়ুরোপের লোকজন আর পূর্ব য়ুরোপের স্লাভ-স্লোভাকদের মধ্যে সম্পর্ক আমাদের দেশের মতো বর্ণাশ্রমের নিয়ম মেনে চলেছে। একজন জর্মন, থাকতেন ইংলন্ডে, আদৃত ছিলেন ফ্রান্সে, ভাবতেন আমেরিকাকে নিয়ে। কিন্তু তাঁর পথ নিলো একটা স্লাভ-কসাকদের দেশ। যাদের পশ্চিম য়ুরোপে মানুষই মনে করা হতনা। য়ুরোপের 'যুক্তিবোধ' অর্থোডক্স চার্চের 'গণতন্ত্রহীন' আনুগত্যকেই সাম্যবাদের বীজতলা হিসেবে ভেবে নিয়েছিলো। সেই কোনকালে যখন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ পাহাড়ে থাকতেন, সারদাদেবী খুব উদ্বিগ্ন, রাতে ঘুম আসেনা। তাঁকে লোকজন বলেছে রাশিয়ান দানবরা আসবে পাহাড় পেরিয়ে। সব্বাইকে জ্যান্ত খেয়ে নেবে। তখন কোথায় মার্ক্স-এঙ্গেলস, কোথায় লেনিন? তার পর আবার সেই দাড়িওয়ালা জর্মনের পথ নিল য়ুরোপের বিচারে একটা অর্ধসভ্যদেশ, চিন। কেন ফ্রান্স পৃথিবীর প্রথম সমাজতান্ত্রিক দেশ হলনা? সেটাই তো স্বাভাবিক ছিলো। ভলতেয়রের থেকে মার্ক্সের বিবর্তনটিই সরলতম উপপাদ্য হতে পারতো। চিরন্তনভাবে অ্যাডাম স্মিথ বা হেগেলের পথ দিয়ে ডিসকোর্সটিকে ব্যাখ্যা করার থেকে একটা ব্যতিক্রমী সমান্তরাল বিকল্পও তো সম্ভব ছিলো। সত্যিকথা বলতে কী, একসময় রাশিয়ার সব চিন্তাশীল, অগ্রণী মানুষেরা প্রশ্নহীনভাবে ফরাসি মননকেই অনুসরণ করতেন। তবু ফ্রান্স সমস্ত সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও সারোগেট মা হয়েই থেকে গেলো। অথবা জর্মনটির নিজের দেশ? তারা হয়ে গেল নাৎসি। পশ্চিম য়ুরোপের কোনও দেশ এই দর্শনটিকে আত্মসাৎ করার হিম্মত দেখাতে পারলে সমাজতন্ত্রকে আর জুজু ভাবার অবকাশ থাকতো না কারো কাছে।

রইলো বাকি, বাজার, বাজার, তোমার মন নাই, মানুষ?

...
     ... পড়ুন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

এক বহিরাগত সিনেমাওয়ালা

মিঠুন ভৌমিক

কিন্তু এই কাজগুলোর সবকটাতেই সেই সময়ের দুটি চরিত্র স্পষ্ট। এক, এই সেই সময় যখন শিক্ষিত চাকরি করা স্বচ্ছল মধ্যবিত্তের সাথে নিম্নবিত্তের মানসিক দূরত্ব অনেক কম ছিল। দুই, ভারতীয় সমাজে তখনও ব্যক্তির থেকে সমষ্টির ভালোমন্দ বেশি গুরুত্ব পেত। এই দুটি ঘটনাই এখন অতীত, এবং ব্যক্তি বা সমষ্টির মধ্যে কার গুরুত্ব বেশি, সেই বিষয়ে আমার কোন মন্তব্য নেই, কুন্দন শাহের ছবিতে কালের নিয়ম মেনেই সেই চিহ্নগুলো ফুটেছে শুধু এট্কুই বক্তব্য। কুন্দন শাহের বংশে সিনেমার কোন ইতিহাস নেই। পরিচালক হিসেবেও তিনি নিজেকে বর্ননা করেছেন বৃত্তের বাইরের একজন হিসেবে, যাঁকে মেইনস্ট্রিমে ফেলা যায়নি, এবং তথাকথিত প্যারালাল সিনেমার কুশীলবদের তালিকাতেও রাখা হয়নি। এমনও নয়, তিনি একমাত্র পরিচালক যিনি মধ্যবিত্তের সুখদুঃখ নিয়ে কাজ করেছেন। কুন্দন শাহকে শুধু আলাদা করেছে তাঁর গল্পের চরিত্রেরা, কারণ তারাও আসলে অনেকেই পরিচালকের মতই সাফল্য-ব্যর্থতার বৃত্তের বাইরের মানুষ, তাদেরও কোন হিসেবে এঁটে ফেলা যায়না। দেগে দেওয়া যায়না "ব্যর্থ" হিসেবে। বরং তারা অবলীলায় ব্যর্থতার লাশ বয়ে হাসি ঠাট্টায় মেতে উঠে পরবর্তী ব্যর্থ প্রোজেক্টের অনুসন্ধানে যাত্রা করে।

...
     ... পড়ুন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

সুর তো ফকির

সুশোভন প্রামাণিক

আলাউদ্দিনঃ দেখো দিকি আবার মালা ক্যানো!

রবীন্দ্রনাথঃ নন্দলাল খাঁ সাহেব বলছেন; ‘এ মণিহার আমায় নাহি সাজে’, ভেবে দেখতে হবে কে কার অলঙ্কার!

মালা খাঁ সাহেবের না খাঁ সাহেবের মালা।

খাঁ সাহেব স্মিত হেসে আসন গ্রহণ করেন।

রবীন্দ্রনাথঃ সাহানা

‘সুরের রসে হারিয়ে যাওয়া সেই তো দেখা সেই তো পাওয়া---
বিরহ মিলন মিলে গেলো আজ সমান সাজে’।।

রবীন্দ্রনাথঃ নির্মল থামলে কেন ? ভয় পেয়ো না, খাঁ সাহেবও একদিন শিখেছেন তুমিও তো শিখছো। তফাৎ হল খাঁ সাহেব ওস্তাদ আহমদ আলীকে গুরু পেয়েছিলেন তুমি স্বয়ং খাঁ সাহেবকেই পাচ্ছ। আসলে ‘অরূপরতন’ নাটক মঞ্চস্থ হবে। তারই প্রস্তুতি চলছে। খাঁ সাহেব সঙ্গীত ভবনে যারা তারের যন্ত্র বাজায় তাদের তার যতটা যত্নে টেনে বাঁধা, সুর ততটা নয়। আপনি যে ক'দিন আছেন, একটু সুর বেঁধে দিন।

আলাউদ্দিনঃ গুরুদেব আমি তো বেসুরা আতাই, জীবনে তো একটা সুর লাগাইতে পারলাম না। আমি হলেম গিয়ে ম্লেচ্ছ, ডাকাতের বংশ।

রবীন্দ্রনাথঃ ডাকাতের বংশ বলেই তো খাঁ সাহেব যখন যাকে গুরু পেয়েছেন প্রকাশ্য দিবালোকে তাঁর সুরের নির্যাসটুকু এমন করে নিজের করে নিয়েছেন যে, সে বেচারা নিজের ধন আর নিজের কাছে রাখতে পারলো না। এমন ডাকাত তো আমার সঙ্গীত ভবনে আরও কয়েকটা চাই।

...
     ... পড়ুন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

কুমারীবালাদের বিশ্বকাপ

মধুবন্তী দাশগুপ্ত

শেষ বিকেলের মরা আলোয় চিকচিক করে ওঠে রিকশচালক হরেন দাসের চোখ। খালপাড়ের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘‘অঙ্কটা খুব সহজ, দাদাভাই। বাইরের দেশের লোকজনের সামনে দেখাবে সল্টলেকে কোনও গরীব নেই, নোংরা নেই। সব ঝকঝকে চকচকে। তাই আমদের চলে যেতে বলেছে। কালো প্লাস্টিক না কী রাখা যাবে না। কালো প্লাস্টিক মানেই নোংরা, জঞ্জাল।’’ হরেনের ছেলে আকাশ লেবার খাটেন। তাঁর প্রশ্ন, ‘‘আপনাদের যাদবপুর, টালিগঞ্জ, নেতাজিনগর, বাঘাযতীন কী করে তৈরি হয়েছিল? সেগুলো জবরদখল নয়? তাহলে ওই এলাকাগুলো ফাঁকা করা হোক। একতা হাইটস ভাঙা পড়ুক। আমরা গরীব, আপনাদের সরকারের আমাদের কাজ দিতে পারে না, তাই আমরা ঝুপড়িতে থাকি। সেটা অন্যায়?’’

...
     ... পড়ুন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

সিজনস অব বিট্রেয়াল – চতুর্থ পর্ব

দময়ন্তী

আমরা আখের খেতে লুকিয়ে ছিলাম ওরা আমার কাকাকে মারল, আমার মামাকে জিন্দা জ্বালিয়ে দিল আমি আখ জড়িয়ে পড়ে ছিলাম ওরা ভাবল আমি মরে গেছি, ওরা বহেনা জমনাকে উঠিয়ে নিয়ে গেল --- বাদমে হমনে ভাগা--- ভাগতা হুয়া এক বুডঢা দাদাজি’নে মুঝে কান্ধোমে ব্যায়ঠাকে রফুজি ক্যাম্প রাখকে আয়া। বলে আর কাঁদে – কাঁদে আর বলে একই কথা ঘুরেফিরে আর শক্ত করে ধরে থাকে কোমরের কাছে প্যান্টটাকে। অমরিন্দরের চোখ আরো তীক্ষ্ণ হয় – প্যান্ট উনি খোলাবেনই। এবার ঘোমটার মধ্য থেকেই সরলার ঈষৎ কঠিন কণ্ঠ শোনা যায়। অমরিন্দরের উপস্থিতিতে মাথার ঘোমটা নেমে এসেছে থুতনি পর্যন্ত, তিনি সিংজিকে বাড়ি যেতে বলেন। ছেলেটিকে দিয়ে তিনি খাবার শর্তে কাজ করিয়েছেন, এই ভর দুপুরবেলা সে তাঁর অতিথি, তাকে না খাইয়ে তিনি কোথাও যেতে দেবেন না। আর ছেলেটি বাচ্চা হলেও ছেলে বটে, চার চারটি মেয়ের সামনে তার প্যান্ট খোলার মত অসভ্য ব্যপার তাঁর বাড়ির চৌহদ্দিতে তিনি হতে দেবেন না। থমকে যান সিংজি, কী যেন বলতে গিয়েও শেষ পর্যন্ত নত হয়ে অভিবাদন করে বেরিয়ে যান তিনি। সরলা এগিয়ে গিয়ে সদর দরজা বন্ধ করে হুড়কোটা তুলে দেন। জামুকে হাত ধারে বসিয়ে দেন থালার সামনে --- ছেলেটা সব সাপটে মেখে নেয় একসাথে --- খায় গবগবিয়ে --- যেন কত দিন মাস খায় নি বুঝি বা।

...
     ... পড়ুন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা

রোহিঙ্গা সংকট ও সমাধান বিষয়ক প্রস্তাবনা- তৃতীয় পর্ব

স্বকৃত নোমান

আরবীয় ইসলাম বঙ্গে এসে বঙ্গীয় সংস্কৃতির সঙ্গে নানা বিষয়ে আপোষ করতে বাধ্য হয়। এই আপোষের কথা সবাই জানেন। তবু ছোট্ট একটা উদাহরণ দেই। খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি যখন ভারতে ইসলাম প্রচারে এলেন তখন ভারতবাসী নিম্নবর্ণের হিন্দুদের পোশাক ছিল ধুতি ও নেংটি। খাজা ও তার সঙ্গীদের পোষাক ছিল পায়জামা ও আলখাল্লা। খাজার এক শিষ্য একদিন খাজাকে বললেন, ‘হুজুর, হিন্দুরা তো অনৈসলামিক পোশাক ধুতি-নেংটি পরে। আপনি এদের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে দিন।’
.
খাজাসাহেব শিষ্যের কথা পাত্তা তো দিলেনই না, উল্টো তিনি নিজেই ধুতি পরা ধরলেন। পায়জামা-আলখাল্লা দেখে এতদিন খাজাসাহেবকে নিম্নবর্ণের হিন্দুরা ঠিক ওভাবে গ্রহণ করতে পারছিল না। তিনি যখন ধুতি পরা ধরলেন তারা ভাবল, আরে, খাজাসাহেব তো আমাদেরই লোক! এই যে তিনি আমাদের মতো ধুতি পরছেন! তখন নিম্নবর্ণের হিন্দুরা তার অনুরাগী হতে লাগল। তার হাতে বয়েত নিয়ে ইসলাম গ্রহণ করতে লাগল। পরবর্তীকালে খাজাসাহেব তার সেই শিষ্যকে বললেন, আমি যদি প্রথমেই এদের সংস্কৃতির বিরুদ্ধে কথা বলতে শুরু করতাম তারা আমার কথা শুনত না। কিন্তু এখন আমি যা বলি তা-ই শুনবে।
.
বঙ্গীয় সংস্কৃতির সঙ্গে আরবীয় ইসলামের আপোষ বা সমন্বয়টা ছিল ঠিক এরকম। কিন্তু রোহিঙ্গাদের মধ্যে এই সাংস্কৃতিক সমন্বয়ের মনোভাবটা নেই। হ্যাঁ, একটা অংশের ছিল।

...
     ... পড়ুন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা