এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • চশমা -- মাছ -- মশা -- এবং পাইয়ের পারিবারিক গপ্পো :)

    chanDaal
    অন্যান্য | ২১ ডিসেম্বর ২০১০ | ৭৫১০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • chanDaal | ২১ ডিসেম্বর ২০১০ ০৯:২২466190
  • পাইয়ের জন্য এটা খুলে দিলাম। পাই, আগে বঢ়ো।
  • obo pi | ২১ ডিসেম্বর ২০১০ ০৯:২৫466207
  • কিন্তু আমার তো চশমা নাই। বাড়িতে মা, বাবা, ঠাকুমা, দাদা আর হবু বৌদির চশমা দেখে সেই যে একবার শখ জাগলো আর লাস্ট দুটো রো দিব্বি পড়তে পারা সঙ্কেÄও ডাক্তারের কাছে হোঁচট খেয়ে খেয়ে পড়ার অভিনয় কল্লুম, আর একটা চশমা হলো ( যদিও অভিনয়ে নিগ্‌ঘাত কোনো গলতা হয়েছিল, নৈলে কি আর মোটে 0.25 এর চশমা জোটে :( ... ), কিন্তু তারপর তো দেখি সে কী হ্যাপা ! চোখে না রাখলেই উঠতে বসতে মা র বকা খাই। আর চোখে রাখাটাও বেশ বিচ্ছিরিমতন ব্যাপার। তার উপর যখন তখন হারাতে লাগলো, দুবার ভাঙ্গলাম, তার জন্য বকা। তারপর যখন চশমায় ডালের দাগ পাওয়া নিয়ে এক ক্লাস জনতার সামনে দিদিমণি হেনস্থা করলেন, তখন স্থির করলাম, আর সয় না, আর রাখবো না এ .. চশমা। এই বার ফ্রেম ভেঙ্গেছিলাম। তার পর খুব করে কনভিন্স করালাম, চশমা না পরলে চোখ সেরে যায়।
    স্বপক্ষে কী প্রমাণ ছিল ?
    মোক্ষম এক খান। চশমা পরে কি আজ ইস্তক আরো চোখ সেরেছে। একখান উদাহরণ দেখাও দিকিনি। কেউ পারলোনা। অতএব আমার যুক্তি না মেনে আর তাদের উপায় কী !
    মুক্তি পেলাম।
    কিন্তু হায়, সে ছিল সাময়িক।
    মাথা ধরা বাড়তেই মাথার টানে চোখ এলো। আবার সেই ডাক্তারের কাছে টেনে নিয়ে যাওয়া। তো, এবারে দেখা গ্যালো আমার আগেরবারের প্লাস পাওয়ার এখন শূন্যের ওপারে, ( যদিও এবার আবার আমি সব ঠিকঠাক পড়ার চেষ্টা করেছিলাম, মানে যাতটা যা দেখতে পাচ্চিলাম :( )।
    তারপর আর কী, যা হবার তাই হলো।
    জোর জারি করে আবার সেই চশমা পরানো ও হারানো পর্বের পাঁশুটে পুনরাবৃত্তি।
    হারানোর পর যথারীতি আবার চেক আপ করানো। নতুন চশমা যখন করতেই হবে। এবার আঅমি জোর করে আরো সব ঠিকঠাক বলার চেষ্টা করেছিলুম। দেখা গ্যালো মাইনাস পাওয়ার গেছে বেড়ে।
    খবরটাতার প্রাথমিক অভিঘাত বেশ নেগেটিভ হলেও, পরে স্থির মস্তিষ্কের চিন্তায় দেখলাম, না:, এর দু দুখানি জ্বলজ্বলে পজিটিভ দিক।
    এক তো, এতদিন ঐ যে, . ২৫ পাওয়ার বলতে ১০০ এ পঁচিশ পেয়েচি বলার মত লজ্জা হতো, সে থেকে মুক্তি। বেশ ঘ্যাম নিয়ে বলার মত পাওয়ার একখান।
    দ্বিতীয়ত:, আমার থিয়োরীর প্রমাণ এবার চোখের সামনে। আগেরবারে কানের কাছে কনস্ট্যান্ট ঘ্যানঘ্যানানির চোটে স১র্বক্ষণ ( অন্তত মায়ের চোখের সামনে যতক্ষণ) চশমা চোখে করে এই তো হাল হল ! এবার বাপু আমার দাওয়াই টা কিছুদিন প্রয়োগ করতে দাও !

    এবং কীমাশ্চর্য্যম !

    এবারে ডাক্তারে সার্টিফাই কল্লেন, চোখ এক্কেবারে ঠিক ! ( এবার আবার আমি কোনোরকম কিছু সচেতন চাপ ই নেই, লেখা দেখতে পাবার বা না পাবার )।

    আর এরকম সলিড থিয়োরী, এরকম ক্লিন এক্সপেরিমেন্টাল রেসাল্ট জীবনে ল্যাবে পাইনি। আজ অব্দি আমার পাওয়ার নাই। জানি,হবেও না। যদি চশমা না পরি।
  • obo pi | ২১ ডিসেম্বর ২০১০ ০৯:২৬466218
  • তবে ঐ ঘটনার একটা সাইড এফেক্ট হয়েছিল। যেটা আমার জীবনে বড়ই সুখ এনেছিল।

    ছোট থেকে আমাকে মাছ খাওয়ানোর যাবতীয় অত্যাচারের সিংহভাগ হত এই চোখের দোহাই পেড়ে। শুধু মাছ ই না, মাছের ছাল, যেটা আবার আপাত্তির সিংহভাগ কারণ ছিল। ও খেলে নাকি চোখ ভাল থাকে। এদিকে সে থিয়োরীর জন্মদাত্রী ও প্রচারর্ক?ঈ কিনি ? না, আমার মা জননী। যাঁকে আমি চোখ মেলে অব্দি চশমা চোখে দেখে আসছি। দেখে আসছি যে আমাকে ও চশমা বিনে তিনি জগত অন্ধকার দ্যাখেন।
    তবে শত চেষ্টাতে ঐ ছাল আমার মুখে ঢোকাতে পারেননি। মাছের সাদা অংশ বেছে ৭৫% আলুর সাথে দলা করে মেখেমুখে মুখে ঢোকাতেই ক্লান্ত হয়ে রণে ভঙ্গ দিতেন। তখন শুরু হত অন্যরকম সব ইমোসানাল অত্যাচার। কী না, আমি এই মায়ের, যে মায়ের মাছ প্রীতি এমনি ছিল যে লোকে বলতো আগের জন্মে মা নিগ্‌ঘাত বিড়াল ছিল, সেই মায়ের মেয়ে আমি হতেই পারিনা। হাসপাতালে নিশ্চয় করে বদলে গেছি।
    আজ স্বীকার করি, এটা আবার আমি অল্প স্বল্প বিশ্বাস ও করতে শুরু করেছিলাম। বিশেষ করে সেবার খেলার মাঠে যখন ইন্দিরাদি, ( লিখতে গিয়ে দেখলাম এই ইন্দিরাদির আর কিছুই মনে নেই আমার, কেবল ওর মায়ের মুখতা ফুলের টবের মতন ছিল, এটুকু ছাড়া। তখন আবার আমার দো পাতা এক কলি সমেত উল্টানো ট্‌র্‌যাপিজিয়ম সদৃশ টব আঁকার ফেজ চলছিল) বল্লো, মায়ের আর মেয়ের পায়ের পাতা নাকি একরকম হয়। সাইজ যে এক হয়না, সেটুকু না বোঝার মত গাম্বাট পনা করিনি, কিন্তু পায়ের গড়ন, সে নাকি এক রকম হয়। এদিকে আমি উঠতে বসতে শুনি, আমার পা গুলো নাকি ব্যাং এর লিপ্তপদের মত। সে নিয়ে আমার বিশেষ চিন্তাও ছিল না। দাদার পা অমনি বড় ছিল যে অর্শেক দোকানে জুতো পাওয়া যেত না, অর্ডার দিতে হত। তো, তখন আমার স্বপ্ন, দাদার মত পদাধিকারিণী হবার।
    দাদার আবার আমি প্রচণ্ড অনুগামিনী তখন। বিশেষত: বিশেষ বিশেষ কয়েকটা ব্যাপারে। এই যেমন দাদা ইবের সাপোRতার বলে ( আমাদের মোবা বাড়ির দুর্জনে বলতো, মেসো চকোলেট খাইয়ে করেচে ), দাদা ডিম ভালোবাসে বলে আমি ও বাসি। মাছ বাসে না বলে আমিও বাসিনা ( সত্য মিথ্যা জানিনা, যে ছোটোবেলায় সবাই নাকি ভী-ষ-ণ ভালো থাকে, এবংগ বলাই বাহুল্য, সে শৈশবের স্মৃতি প্রায় থাকেই না অতএব ভেরিফাই করে তক্কো করার উপায় নেই, সেই লক্ষী মেয়েবেলায় নাকি আমি মাছ খুব ভালোবাসতুম )। তো, দাদার পায়ের পাতার পাশে পা মেলে বসে থাকতুম, কবে আমার পা অমনি হবে। অর্ডারি জুতো আসবে।
    ক্রমে ক্রমে আমার পায়ে সেসব লাণ পরিস্ফুট হতে থাকায় আমার মা র যত ই দু:খ হচ্ছিল, আমার ততটাই আনন্দ।
    কিন্তু এতে ব্যাগড়া বাঁধালো ইন্দিরাদির ঐ থিয়োরী। হেব্বি চিন্তায় পড়ে গেছিলাম।
    তখন আবার সুযোগ পেলেই মায়ের পায়ের পাশে পা মেলে মেলে দেখতুম। কায়দা করে দেখতে হত। কারণ মুখে কিছু বলতাম না। সেই আমার প্রথম গোপন গভীর দু:খ। একার দু:খ। বড়দের মত দু:খ। দু:খবিলাস। বাথরুম তখন একা কাঁদার জায়গা হয়ে গেছে। বকা ঝকা খেলেই ঠোঁট ফুইলিয়ে সেখানে কাঁদি আর ভাবি, হাসপাতালে বদলে যাওয়া মেয়ে বলেই এমনিতর আচরণ।
    এ ফেজ কবে কেটেছিল মনে টনে নাই, যদ্দুর মনে পড়ে স্কুলবাসের এক মাই ডিয়ার সিনিয়র দিদির সাথে এ নিয়ে অনেক আলোচনা করে নি:সন্দেহ হই, এটা জালি থিয়োরী। ইন্দিরাদিরা তখন হাউসিং ছেড়ে অন্য জায়গায় বাড়ি করে চলে গেছে। তাই ওকে আর দেখে নেওয়া হয়নি।

    যাগ্গে, যা বলছিলাম, ঐ চশমা পর্বের পরে, সব রকম পরীক্ষার পর যখন আমি নিষ্পাওয়ার বেরিয়ে এলুম, আর মা র ঐ চোখ ভালো থাকার অজুহাতে মাছ খাওয়ানোর জোরাজুরি একেবারে খাটেনি।
    এর পর আমি অফিসিয়ালি মাছ খাওয়া ত্যাগ করতে সক্ষম হই। প্রায় সক্ষম। 'প্রায়' কেন, সে অন্য দুখভরি কাহানী।
  • sayan | ২১ ডিসেম্বর ২০১০ ০৯:৩১466229
  • হ্যাঁ, এই সেই বস্তু যার কাঁটা গলায় আটকে রক্তারক্তি এফোঁড় ওফোঁড় কান্ড হয়েছিল। এর বাজারের পাশ দিয়ে গেলে কুলকুন্ডলিনী জেগে উঠে নশ্বর দেহ ছেড়ে পালাতে চান। এই সেই জলজ পোকা যা খেলে গোটা গা-ময় তার দাগড়া দাগড়া স্নেহ ফুটে বেরোয়।

    "মছলি জল কি রানী হ্যায় / জীবন উন কা পানী হ্যায়'
  • Samik | ২১ ডিসেম্বর ২০১০ ০৯:৩৪466240
  • ক্ষী যে বলে! দশবারোবার গলায় কাঁটা না ফুটলে সে আবার বাঙালি কীসের রে?
  • kartik pradhan | ২১ ডিসেম্বর ২০১০ ১০:০০466251
  • এই শালা শ্রেণীশত্রুগুলো, আমার রুমাল কে মেরেচিস?
  • Samik | ২১ ডিসেম্বর ২০১০ ১০:৩৭466262
  • ব্যাকরণ শিং-কে জিজ্ঞেস করে দেখুন। একবার আমার সর্দিমোছা রুমালটা আস্ত খেয়ে ফেলেছিল।
  • sayan | ২১ ডিসেম্বর ২০১০ ১০:৫৫466273
  • বৈয়াকরণ খান নোনতা রুমাল
    গরুখোঁজা খুঁজে মরে কেতো চন্ডাল
    রুমালি রুটিতে মুড়ে মাগুরের ছাল
    বেথে খায় ইপি ভাবে বেথে কী বেড়াল?
  • pi | ২১ ডিসেম্বর ২০১০ ১২:৪৬466284
  • আব্বে, এটা কী হয়েছে, অ্যাঁ ? নেহাত ঘুমুচ্চি বোলে কিচু বোল্লুম না।
  • Samik | ২১ ডিসেম্বর ২০১০ ১৩:১৮466191
  • বাঙালি, জাগোও ...
  • Lama | ২১ ডিসেম্বর ২০১০ ১৪:২৩466198
  • বাঙালি জাগূয়ার?
  • Samik | ২১ ডিসেম্বর ২০১০ ১৫:০৩466199
  • লামা, ওটা ইউনিকোডের প্যাচাল। বাংলাপ্লেনে এসে আমার লেখাটা পড়ে দ্যাখো।
  • kd | ২১ ডিসেম্বর ২০১০ ১৫:০৬466200
  • না না, কাঁচা ঘুম ভাঙিও না।
  • Lama | ২১ ডিসেম্বর ২০১০ ১৫:৩২466202
  • *পারতাসি না :(
  • Lama | ২১ ডিসেম্বর ২০১০ ১৫:৩২466201
  • বাংলাপ্লেন পড়তে পাসি্‌স না :(
  • um | ২১ ডিসেম্বর ২০১০ ১৭:৪৬466203
  • just অসা !! কিন্তু কে?
  • Tim | ২২ ডিসেম্বর ২০১০ ১১:০৩466204
  • কাঁটা ফোটা, বাজারের দূর্গন্ধ, দাগড়া দাগড়া ছাপ, ইত্যাদি প্রভৃতি --- বেসিকালি মানুষের ইনেফিশিয়েন্সি বা দূর্ভাগ্য। কেউ যদি কাঁটা বাছতে না পারে, কারুর যদি টেস্ট বাড ঠিকঠাক না গ্রো করে থাকে, কারুর যদি ব্যবসার এলাকা পোস্কার করতে ল্যাদ লাগে, কারুর স্কিন যদি ছেনছিটিভ হয় --- তো সেটা দূর্ভাগ্যজনক হতে পারে, কিন্তু সেগুলো মনে হয় মাছেদের দোষ না। সুতরাং সান্দার আপিল বাতিল হইলো।

    মাছ ও জলের পোকারা টই খুলতে পারেনা বলে আমিই লিকে দিলুম। ;-)
  • kumudini | ২২ ডিসেম্বর ২০১০ ১৪:০২466205
  • টইটা হল পাইকে নিয়ে,মাছ নয়।
    আর পাইকে নিয়ে বলার মুখ্য বিষয়-পাইএর গান।
    আমি কাল রাত জেগে শুনেছি,এখনো স্বপনে রয়েছি,না জাগতে হলেই ভাল হয়।
  • Samik | ২২ ডিসেম্বর ২০১০ ১৪:৪৫466206
  • পাইয়ের গান আমি মোবাইলে নিয়ে ঘুরি। একলা থাকলে শুনি। যা-তা গায় মাইয়াডা।
  • Tim | ২২ ডিসেম্বর ২০১০ ২১:১০466208
  • তাও তো কেউ জানেইনা ক্ষি প্রতিকূল পরিবেশে গায়। ঠিকঠাক রেকর্ডিং হলে যে কি হতো ভেবে অবাক হই।
  • hu | ২৩ ডিসেম্বর ২০১০ ০২:৫৪466209
  • কিছু কিছু গান শুনলে মনে হয় মা সরস্বতী সত্যি করে আছেন। পাই-এর গান তেমন।
  • Nina | ২৩ ডিসেম্বর ২০১০ ০৩:২৮466210
  • এখানে তোর একটা গানের লিঙ্ক দে, ইপি!
  • pi | ২৪ ডিসেম্বর ২০১০ ০২:১১466211
  • ভাট থেকে টই কিনা, জনতা যা পারছে ভাট বকে যাচ্ছে ! x-(

    যাই হোক, মশা বা মাছ নিয়ে কোনো গান আমার জানা নাই, তাই তার লিং দিতে পাল্লুমনি।
    চশমা নিয়ে নিগ্‌ঘাত আছে, চালসে থাকলে চশমা ও থাকতে হবে। কিন্তু আমার জানা নাই।

    অ্যাকচুয়ালি, একটা গানে কেমন যেন মেছো গন্ধ পাচ্ছিলুম, পুরো সুরটা আর অনেকগুলো শব্দ মনে পড়ছিলো কিন্তু শেষের কতকগুলো আবছায়া ...
    ' মা তোমারে বারেবারে জানাবো আর দুখ কত
    ভাসিতেছি দুখ নীরে ......... মত '
    কেমন জানি মনে হচ্ছিলো এখানে কোন মরা মাছ টাছের কথা আছে।
    তারপর ই দুম করে মনে পড়লো। না:, শ্যাওলা।
    'স্রোতের শেহলার মত ' !

    তবে মনে পড়া ইস্তক এ দু লাইন ই গেয়ে চলেছি, মুডের সাথে পুরো খাপে খাপ ফিটিং ! :)
  • Samik | ২৪ ডিসেম্বর ২০১০ ০৮:৫১466212
  • পাইয়ের গানের বস্তা আমার কাছে আছে, কিন্তু পাই হরিঝান্ডি না দেখালে আমি ক্যামনে দিই? :-(
  • paakhi | ২৫ ডিসেম্বর ২০১০ ১০:২৩466214
  • এ যদি pi এর গাওয়া গানের link হয়, তবে, pi, কেয়াবাত কেয়াবাত।

    আহাআআ ...

    বহুদিন পর প্রাণ টা জুড়িয়ে গেল।
  • Nina | ২৫ ডিসেম্বর ২০১০ ২২:৫২466215
  • কোনও যদি নেই--এই আমাদের অতি প্রিয় কোকিলকন্ঠী পাই! ছুটির দিন সকালে কিম্বা সারাদিনের শেষে একটার পর একটা শুনে গেলে দিনটা সার্থক হয়! সামনা সামনি বসে শোনার অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছি-----
  • Paramita | ২৬ ডিসেম্বর ২০১০ ১৬:০৫466216
  • সবে শুনলাম "আমার সকল নিয়ে বসে আছি" - দারুণ লাগলো!
  • Samik | ২৭ ডিসেম্বর ২০১০ ০৯:৪২466217
  • আজি ঝড়ের রাতে ... শোনো।

    ন জানে কিঁউ ... শোনো।

    ভরিয়া পরাণ ... শোনো।

    রজনীগন্ধা ফুল ... শোনো।

    আর কত বলব!
  • til | ২৩ জানুয়ারি ২০১১ ১৫:৩৬466219
  • পাই দি,
    কেয়া বাত। গান শুনলাম। এখানে আসবার নিমন্ত্রণ রইলো, থাকা খাওয়া,ঘোরা ফ্রী।
    এনি টাইম।
    ইউ আর গ্রেট, সিম্পলি গ্রেট!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন