এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  বইপত্তর

  • যুদ্ধপরিস্থিতি-নবারুণ ভট্টাচার্য

    indo
    বইপত্তর | ১৮ ডিসেম্বর ২০০৫ | ৬০২২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • indo | ১৮ ডিসেম্বর ২০০৫ ০১:০০401397
  • সাদা আমি কালো আমি-র পাশাপাশি রাখতে ইচ্ছে হল। নবারুণ তখনো হারবার্ট লিখে ওঠেন নি, ফ্যাৎ ফ্যাৎ সাঁই সাঁইয়ের ত্যাঁদোড় মোহমায়ায় মজে ওঠেনি উড়ুক্কু বাঙ্গালীকুল। মৃত্যু উপত্যকা থেকে অকস্মাৎ গজিয়ে উঠেছে এই বই, বেগুনী মাশরুম ক্লাউড যেমন ঢেকে দেয় কুরুক্ষেত্রের কলকাতা।
    দেবতাদের অভিমান ফুরোলে পরে দেওয়ালময় ঘুরে বেড়ায় ধর্মপ্রাণ বুলেটাত্মারা, প্রজাপতিহেন,মল ধরে রাখতে কিঞ্চিৎ অসুবিধে আছে। উপরোনো নখেরা আর তো ফিরবে না শস্যমূলে। যে শীর্ণ শমীবৃক্ষে অস্ত্রাদি রক্ষিত আছিল, যাদবপুরের লালকার মাঠের সেই রণরঙ্গভূমে মাইল মাইল ফ্ল্যাটবাড়ির চাষ শান্তিকল্যাণ হেমন্তবেলায়। মাটির অনেক নীচে ঘুমন্ত অস্ত্রেরা স্বপ্ন দেখে শ্রেণীশত্রুকে লিকুইডেট করার।
    একটি অশ্ব ফিরিল না নদীতীরে, বটমূলে।
    সন্ধ্যা নামিলা হিমরূপ।
  • Samit | ১৮ ডিসেম্বর ২০০৫ ০২:০০401441
  • ধন্যবাদ :)
  • indo | ১৮ ডিসেম্বর ২০০৫ ০৩:০০401463
  • তীর্থঙ্কর,
    তার একটা কারণ বোধ হয়, নবারুণের ফাজিল উত্থান যে শ্যামাপূজার রাত্তিরে, তখন তুমি ওদেশে ছিলে। অতএব কিভাবে ঐ রকেট উপমায়িত হাউইবাজিটি বোতলে পুরে তার পেছনে আগুন ধরানো হয় নাসার ছাপানো হ্যান্ডবিলের (যাহাকে ইস্তেহার বলিতেন প্রাচীণ ডোডোপক্ষীকূল) যাবতীয় সতর্কবার্তা-প্রয়োগপদ্ধতি উপেক্ষা করে, তা তোমার জানার কোথা নয়। জানার কথা নয় বুড়ীমা অথবা শিবকাশীর লোক্যাল প্রডাক্ট কিভাবে শত্তুরের মুখে ছাই দিয়ে মঙ্গল অবধি ধেয়ে যায় ও ন্যুডিস্ট কলোনীহীনতার বেদনায় মুহ্যমান হয়ে ফিরে আসে মধুময় এ দ্যুলোকের বুকে।
    নবারুণ মহাশ্বেতা ও বিজনের পুত্র। সম্ভবত ইংরেজীর অধ্যাপক। প্রথম প্রকাশিত বই, যদ্দুর জানি, সত্তর দশকে- এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ নয়। একটি কবিতা-সংকলন। তারপরে একটি দীর্ঘ সময় শীতঘুমে ছিলেন এই লেখক ও দেঁড়েল; ফিরে আসেন যুদ্ধপরিস্থিতিতে। অত:পর হারবার্ট, ফ্যাতারুর বোম্বাচাক ও কাঙ্গাল মালসাট।
    হার্বার্ট থেকেই ওঁর লেখালিখি একটি অন্য মোড় নিয়ে এখন এক সদালাপী গালবাদ্যে পরিণত, যা মানুষে হাগু ও হিসি করতে করতে, রাতে ঘুমোবার আগে, ভালোবাসবার আগে খুশী হয়ে করে থাকে ও বালি দিয়ে ঢেকে রাখে। উড়নখুশী এই ফ্যাতাড়ু অন্য সকল ঘুমন্ত শিশু-বৃদ্ধ-যুবা ফ্যাতাড়ুকেই উড়বার উৎসাহ ও রসদ জুগিয়ে থাকেন।
    মোটামুটি এই হল সেই আমড়াতলার মোড়, যেখানে নবারুণের দাঁড়িয়ে থাকার কোনো কথা ছিলো না।
    তারপরে যাও যেথায় খুশী.....
  • Damayanti | ১৮ ডিসেম্বর ২০০৫ ১৭:৩৯401408
  • আহা লেখকের এই বইটা তো পড়ি নাই। দাঁড়াও সামনের সপ্তাহেই আনাচ্ছি। থ্যাঙ্কু থ্যাঙ্কু।

    আমি অবশ্যি "কাঙাল মালসাট" পেরথমে পড়ি, তারপরে ব্যাকট্রাক করে "বোম্বাচাক"। তারওপরে "হারবার্ট"।

    সত্যি এত এত মহতী লেখার তুলনায় জীবনকাল এত ক্ষুদ্র!
  • Samit | ১৮ ডিসেম্বর ২০০৫ ১৯:৫৬401419
  • নবারুণ বাবু ভারী প্রিয় ও মনোরম। কাঙাল ও হার্বার্ট - মাত্র এ দুটিতেই প্রায় রোজ স্বপ্নে এসে দাঁড়ান। যুদ্ধপরিস্থিতি কোন পাবলিকেশন জানাবে ইন্দো?
  • Damayanti | ১৮ ডিসেম্বর ২০০৫ ২০:১৫401430
  • প্রকাশক --- প্রতিক্ষণ
    মূল্য --- ২৫ টাকা

    বইটি বিশ্বায়ন থেকে পাওয়া যাচ্ছে। তবে দাম যা, তাতে শিপিং দিয়ে আনা পোষাবে না। অন্য রাস্তা দেখতে হবে।
  • Tirthankar | ২০ ডিসেম্বর ২০০৫ ০৭:৫৪401452
  • প্রশ্নটা খুবই বোকা বোকা শোনায়, এর উত্তরও অন্য কারোর কাছ থেকে প্রত্যাশা করি না, কিন্তু তাও জিজ্ঞেস করছি - কেন আগে আমি নবারুণ ভট্টাচার্যের নাম শুনিনি? নিশ্চয়ই খুবই লজ্জাজনক ব্যাপার, তাও ইন্দো, শমিত বা দময়ন্তী যদি ওনার বা ওনার বইগুলির কথা আর একটু বিশদে বলো তাহলে ভারী খুশি হব।
  • indo | ২০ ডিসেম্বর ২০০৫ ১৭:০২401474
  • যে কথা বলতে ভুলে গেছিলাম-টাটা ইস্পাতের ভাষায় বলে যাই-নবারুণ নাটকও করেন।
    একাডেমী যে পেয়েছেন, সে কথা বাহুল্যবোধে আর বলি নি।
  • r | ২১ ডিসেম্বর ২০০৫ ১৪:১০401475
  • নবারুণের মা মহাশ্বেতা দেবীর একটি অল্পপঠিত গল্প- "গুরু", শারদীয়া এক্ষণে প্রকাশিত, পড়লে নবারুণের অনেকটা হালহদিশ পাওয়া যায়।
  • tan | ২১ ডিসেম্বর ২০০৫ ২১:২৯401398
  • রঙ্গন,নবারুণের কাহিনি আরেকটু বলবে? মহাশ্বেতার ন্যাদোশ গরুর গল্প থেকে আরম্ভ করে দোপদি মেঝেনের গল্প অবধি বেশ কিছু পড়লেও নবারুণ একেবারে অচেনা।শুধু পরবাসে ফ্যাতাড়ু নিয়ে একটুখানি পরিচিতি ছাড়া একেবারে ঘোর অমাবস্যায় পড়ে আছি।আলো দেখাও।
  • vikram | ৩০ জানুয়ারি ২০০৬ ১৫:৩২401399
  • আগে মালসাট পরে বোম্বাচাক। পয়লো শুরো হোক হারবার্ট দিয়ে।
    তবে ফর তীর্থংকর অ্যান্ড তনু, কবি পুরন্দর ভাটের একটি কবিতার উদ্ধৃতি দেই:

    চুতিয়া পৃথিবী

    পুরন্দর ভাট

    আমার জীবনে নাই কেন কোনো ড্রামা
    তাই দিব আমি কার্পাস ক্ষেতে হামা
    আমার জীবনে নাই কেন কোনো ড্রিম
    টিকটিকি আমি পোকা খাই পাড়ি ডিম
    আমার মরনে হয় নাতো হেডলাইন
    প্রাসাদগাত্রে মুতিয়া ভাঙিব আইন
    .........ইত্যাদি ইত্যাদি
    সব শেষে:
    এক পা স্বর্গে এক পা নরকে, ঝোলা
    একটি কামান দুটি কামানের গোলা।

    এটি অ্যালেজেডলি কবি সুইসাইড নোট হিসাবে লেখেন। তারপরে কি হলো জানতে গেলে পেড়ে ফেলুন, পড়ে ফেলুন।

    বিক্রম
  • Somnath | ০৯ মে ২০০৬ ২০:৩১401400
  • নবারুণ, খেলনা নগর, যুদ্ধপরিস্থিতি, হারবার্ট ও মসোলিয়াম পড়ার পরে, বিশেষত: হারবার্ট, ফ্যাতাড়ু ও কাঙাল মালসাট দেখার পরে আবার চোখের পর্দায়। মোস্ট হ্যাপেনিং ব্যপার, আর রানা কি ঋজুলা হয়তো এমনকি রিভিউ ও লিখতে পারে, তবে যুদ্ধপরিস্থিতির বাহবা না দিয়ে কেবল খুন্তখুঁত করছিল।
    আশ্চর্য - "লুব্ধক" বলে একটি বই ও লিখেছেন, কেউ জানে? আর ছোটোগল্পগুলো?
  • Somnath | ১১ মে ২০০৬ ১৯:১৩401401
  • ফ্যাতাড়ু ও চোক্তারে শুধু কুলোলো না, দাঁড়কাক আর বেগম জনসনের ভূত এনেও যেন খামতি খামতি। সুতরাং এবার বনবেড়াল। মানুষের সব বাওয়ালির পোংটামো উল্টোনো বনবেড়াল। পপুলারতম ফিকশনের মসলা জমাতে নবারুণ আর কি কি আনবেন? নাগিন কনসেপ্টের সাপমানুষ? জুনুন কনসেপ্টের বাঘমানুষ? মি: ইণ্ডিয়ার অদৃশ্যমানুষ? মসোলিয়মের শুরুতে তো ভ্যম্পায়ারের ছোঁয়া-ছাপটাও আছে। ডাইভার্সিফায়েড চমকের বাগান খুলে পাঠকের হাতে উঠছেন নবারুণ। গ্লোরিফায়িত খচরামো হামলে গ্রাসে গ্রাসে খিস্তির প্রসাদ - লে লুঠ লে লুঠ। মেরেছো কলসীর কানা, তা'বলে খিস্তি দেবোনা!! সক্কলে মাল খায়, এস্টাবলিশমেন্টের পেছন ফাটিয়ে ফ্রাস্ট্রেশন ওগরায়, এবং শেষতক আমাদের মতো কেলিয়ে না পড়ে হুলুস্থুলু ঘটায়। মদের ভাণ্ড বিশ্রি কাণ্ড! কি প্রকাণ্ড আঁতলামো! নবারুণ এই আঁতলামোর নাকের ওপর পাদেন। আমরা চনমন করে হাসি। সরকার, পুলিশ, বুদ্ধিজীবীর কেৎরে পড়া দেখে - দেখ-কেমন-লাগে ধুঁয়ো তুলি, অন্ত:সলিলা হুর্‌রা বইতে থাকে দাঁতের দোকানে। বাংলার সঙ্গে চাট, সন্ধ্যের মুখে ভাঁট আর সিপিএম চুলকে লাট। কমিউনিজমের গলিগুঁজি হাতড়ে নবারুণ রেফারেন্স দিতে থাকেন, কখনো মনে হয় মাথার মধ্যে তৈরি করছেন এসব রেফারেন্স। গোদা বানিয়ে ফিকশনের রেফারেন্স ও কল্প-ফিকশনের হাত ধরেছেন যেন, বিশ্বাসের সীমার বাইরে থাকে এ ভাঁটের মুখে শিক্ষিত থিয়োরি। সারা বইয়ে গোটা দশ বারোর বেশিবার রাশ টানেন না নবারুণ, আলতো ভাসিয়ে রাখেন বিন্দাস ও রুখেওঠা মার্জিনাল ক্ষমতাবিদ্রোহ। মসোলিয়মে তাই দেবেশ ও সুমনের নির্দেশিত নাটকের রেফারেন্স ও দেওয়া থাকে : ফ্যাতাড়ু ও কাঙাল মালসাট - এবং বলাই থাকে - ওগুলো না পড়লেও অষ্টরম্ভা, না দেখলেও ছেঁড়া গেল।
    তাহলে এই ফ্যাৎড়ামো ছাড়া নবারুণের অস্ত্র কি? বর্ম কই? চানাচুর কই? চাট কই? মাল কই? কোথায় যৌনতা? সময় লাগে। সময় তো মধ্যবিত্ত রাতের বাহুলব্ধ নিশ্চিত নারীবালিসটি নয়, তাই অপেক্ষাও ......
    এবং এই আলোচনার এখনো বাইরে দাঁড়িয়ে - যুদ্ধপরিস্থিতি, খেলনা নগর - যে দুটো মাত্র আমি পড়েছি, কবিতা আর ছোটোগল্পগুলোও। ওফ্‌ !! কলেজস্ট্রীটে গিয়ে ""আউট অফ প্রিন্ট"" শুনতে মাইরি ঝাঁটে দাবানল লেগে যায়।
  • Somnath | ২০ মে ২০০৬ ১২:০৯401402
  • যুদ্ধপরিস্থিতি একজন পাগলের গল্প - কিংবা আমাদের। যুদ্ধপরিস্থিতি আমাদের সময়ের গল্প, কিংবা ৭০-এর। এক-একটা মানুষ দু-দুটো সময়ের ভাঁজে বেঁচে থাকে, কিংবা বাকি মানুষেরা একটামাত্র ছোটো সময়বৃত্তে। কেউ পারিপার্শ্বিকের মধ্যে থেকে পৌঁছে যায় অতীতবাস্তবে - দূরের কালীপূজার পটকা ট্রেঞ্চের পাশে শেল বম্বার্টমেন্ট হয়ে যায়, বাস্তব থেকে মায়াবাস্তবে মুভ করে ক্যামেরা, ঝকমকে রঙ্গীন সিনেপট ঝাপসে যেমন। বাগানের কাঁটাতারের মধ্যে দিয়ে সে শরীর গলিয়ে দেয় সীমান্ত পেরনোর তৎপরতায়। রক্তক্ষরা শরীরে চলতে থাকে,ছোটো শিশুটির স্মৃতি, প্রেমিকার স্মৃতি সাথে নিয়ে,আর প্রখর একদা পুলিশটি সিকিউরিটি বাড়াতে থাকে,পেচ্ছাপ করতে গিয়ে ডাবের খোলার দিকে বারংবার গুলি চালায়,যেন আততায়ী - রণজয়, আগের বার যখন পাগলাগারদ থেকে পালিয়েছিল একটা তিনফলা ঘাস নিড়ানি পেটে ঢুকে যাওয়ার সেই অনুভূতি, সেই ভয় কবন্ধের মাতো তাকে গুলি ছুঁড়তে বাধ্য করে, অথচ রণজয় তখন লেকের অপর পাড়ে পুঁতে রাখা বন্দুকগুলো খুঁজছে। তাদের লুকোনো বিপ্লবের হাতিয়ার ও স্বপ্নের উপর দিয়ে মাল্টিস্টোরেড বিল্ডিং উঠে গেছে বহুদিন। ছোটো ছোটো ঘর, চিলতে বারান্দা, একফালি বেঁচে থাকা, একফালি কামড়া-কামড়ি বেঁচে থাকা - এরা সবাই নবারুখকে দিয়ে লিখিয়ে নেয় নিজেদের কথা - এমন নয়, কিন্তু কোনো ছায়াপাত ব্যতিরেকেই এরা পাশ কাটিয়ে যায় কলমের - এমনটাও নয়। আর আছে কমিউনিজম - মার্কস, লেনিন, স্তালিন, মাও, চে, গোটা সোভিয়েত রাশিয়া ও চীন, জার্মাণীর ক্রস-রেফারেন্স, অশান্ত ছাত্র অন্দোলনের কলকাতা - কমিউনিজম তার সমস্ত টেক্সট আর অনুপুঙ্খ নিয়ে ঢুকে পড়ে তার লেখায়,ইতিহাস সামনের সারিতে এসে দাঁড়ায়,আঘাত করে - অথচ কখনো মনে হয় এসব সত্যি? অপ্রকাশের, অপ্রচারের সুযোগে গল্প বানাচ্ছেন না তো নবারুণ? ফিকশন আর রেফারেন্সের সীমানা এভাবেই ঝাপসা হতে থাকে।
  • dd | ২০ মে ২০০৬ ১৪:১৫401403
  • কখনো কখনো মনে হয় চন্দ্রিল,শ্রীজাত,নবারুন আর এদানীং ওমনাথ - একই লোক।
  • sumeru | ২০ মে ২০০৬ ১৪:৪৫401404
  • কুত্তোদের লইয়া লুব্ধক পড়েন। এককালে শারদিয়া পোত্তিদিনে বারোয়অছিল। গল্পের বইটা ছমপতি আসছী। ডেজ পোকাছন।
    পড়ে ফেলেন বাবু-বিবিরা।
  • b | ২০ মে ২০০৬ ১৬:৪৪401405
  • আমার ধারণা হার্বার্ট কিনে আর কাঙাল মালসাট কিনে পড়া উচিত।

    এই দুই জিনিস দিয়ে পড়া শুরু করে, ঝেড়ে বা কিনে বা ধার করে বাকি সব পড়ে, তার পরে আবার এই দুটো পড়া উচিত।

    আর কয়েকটা ছোটো গল্প।

    দুটো উপন্যাস সম্পর্কে-ই কিছু কিছু প্রশ্ন থাকা সঙ্কেÄও, এই দুটি ই আমার ব্যক্তিগত মতে নবারুণের সেরা কাজ।
  • b | ২০ মে ২০০৬ ১৬:৫১401406
  • আর একটা কথাও মনে হল। কুন্দেরা ছাড়াও, বুল্গাকভ, ইশ্মাইল কাদারে এঁদের কে পড়ার আগ্রহ বেড়ে যেতে পারে, নবারুণ পড়ার পরে। সেইটে ডাবল লাভ।

    কেউ খচে গিয়ে হুলেবেক ও পড়ে ফেলতে পারেন, সে নিয়ন্ত্রন করতে গেলে তো দন্ডবায়স কে খপর করতে হবে!!

    নবারুণ সম্পর্কে যে সব প্রশ্ন মনে আছে সে গুলো কখনো করবো, এই টই তেই।
  • Somnath | ১৯ ডিসেম্বর ২০০৬ ১১:০৬401407
  • কেউ লিস্ট চাইছিল -

    ছোটোগল্পগুলোর মধ্যে দেজ থেকে নবারুণ ভট্টাচার্যের শ্রেষ্ঠ গল্প বের করেছে। কারণ "নবারুণ ভট্টাচার্যের ছোটোগল্প", "হালাল ঝাণ্ডা", "অন্ধ বেড়াল", (আরেকটা কি যেন ছিল) এখন পাওয়া যায় না। "ফ্যাতাড়ুর বোম্বাচাক ও অন্যান্য" পাওয়া যায়।
    কবিতার বইগুলো -

    পুলিশ করে মানুষ শিকার
    এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না
    মুখে মেঘের রুমাল বাঁধা।

    বাকি সব এখানেই বলা আছে।
  • r | ১৯ ডিসেম্বর ২০০৬ ১৭:২৭401409
  • "মসোলিয়াম" ভালো লাগে নি। ক্যাওড়ামি ঠিক আছে, রাজনীতির জায়গাটা আস্তে আস্তে ৯। সিকোয়েল কখনই ভালো হয় না শুনেছি, "গডফাদার" ছাড়া। সিকোয়েল বললে পাবলিক খচে যেতে পারে, কিন্তু এটা একধরনের সিকোয়েলই বটে। কাঙাল মালসাট এবং ফ্যাতাড়ুর বোম্বাচাকে থেমে গেলে খুব একটা ক্ষতি হত না।
  • I | ০৯ জুলাই ২০০৭ ১৮:৩৫401410
  • মসোলিয়াম নিয়া আমারো এক মত। জমে নি।
    খেলনানগরও না।
  • r | ০৯ জুলাই ২০০৭ ১৮:৩৮401411
  • ব 'অটো ও ভোগী" লইয়া মতামত দিব না? এই "অটো" কি সেই "অটো" যেটা নবারুণ শারদীয়া আজকালে লিখেছিল?
  • sumeru | ০৯ জুলাই ২০০৭ ২১:০৯401412
  • স্মৃতি বলছে, অটো বেরিয়েছিল শারদিয়া প্রতিদিনে!
  • r | ১০ জুলাই ২০০৭ ১১:১০401413
  • স্মৃতিদেবী ভুল বলেছেন, কারণ কালই মিস মেমরির সাথে কথা হল, আর তারপরে শারদীয়া আজকাল খুলে "অটো" দেখলাম। :-)
  • Somnath | ১২ জুন ২০০৮ ১৪:০৯401414
  • "নবারুণ সম্পর্কে যেসব প্রশ্ন মনে আছে" - বোধিদা, লিখে ফ্যালো মাইরি। অনেকদিন হয়ে গেল।
  • n | ১৩ জুন ২০০৮ ০৫:৪৮401416
  • কী সর্বনাশ! ছেলের ভয়ে শেষে পুলিশ পাহারা!
    মহাশ্বেতা দেবীর লেখাগুলোর অন্য উচ্চতা। তারসঙ্গে কিছুতেই কেন জানি এই বিশ্রী নবারুণকে মেলাতে পারিনা। যা শুনি লেখাপত্র বিষয়ে।
  • sarathi | ২৬ জুন ২০০৮ ১৬:২৭401417
  • http://www.sangbadpratidin.in/national.php

    দেবীর দ্বিচারিতার আরেকটি নমুনা, নীতিহীনতার নমুনা দেবী এবং সরকার দুপক্ষেরই
  • S | ২৬ জুন ২০০৮ ১৬:৫০401418
  • দুইখান কোশ্চেন আছে।

    ১) মহাশ্বেতা দেবী, যিনি ধারাবাহিকভাবে বামবিরোধী বক্তব্য রেখে ...

    বামবিরোধী না সিপিএমবিরোধী? বামপন্থার বিরুদ্ধে কথা বলা আর সিপিএমের বিরুদ্ধে কথা বলা দুটো তো এক জিনিস নয়!

    ২) মিথ্যে বলেছেন কি সত্যি বলেছেন সেটা পরের কথা, কিন্তু সরকারের বিরোধিতা করলে সরকারের কাছে জমি চাওয়া যায় না? আমি পুলিশকে খিস্তি করি, ঘেন্না করি। কিন্তু আমার বাড়িতে চুরি ডাকাতি হলে আমি কি পুলিশের কাছে যাব না?
  • santanu | ২৬ জুন ২০০৮ ১৭:১৭401420
  • কিন্তু ৮৩ বছর বয়সে উনি জমি নিয়ে কি করবেন? সেখানে বাড়ি বানিয়ে, বাগান করে থাকবেন?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন