এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • কমিউনিস্ট রাশিয়া তে একচুয়ালি কী হত ?

    একক
    অন্যান্য | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ | ৩৩৬৬৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Atoz | 161.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৩:২৩627276
  • ত,
    দারুণ লিখলেন। ঃ-)
  • Sibu | 118.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৩:৪৪627277
  • আপুনাদের জ্বালায় এট্টু চুপ করে গপ্পো শুনবো তার আর উপায় নাই। এনিওয়ে ত-বাবুকে একটা কথা বলে দেই, শর্ট নোট। ঐ যেখানে দোষস্খালনের জন্য অন্য কাউকে নিয়ে আসার কথা বলছেন সেই জায়গায়। ঐটা আমি করি তো, কাজেই একটু বলার দায়িত্ব আছে।

    দ্যাখেন আপনি যদি বলেন যে কমিরা সাইকোপ্যাথ, উন্মাদ পাগোল, মানুষ মেরেই আনন্দ পায় তাহোলে তো আপনার সাথে মিনিময়ের কোন মানে নাই। আপনে কইবেন ঐ গুলা সাইকোপ্যাথ, আমি কইবো আপনে অমুকের দালাল। কিন্তু সেটা যদি না বলেন, তাহলে দেখা দরকার স্তালিন বা হুএভার মানুষ যখন মেরেছিল তখন তারা কি করছিল। এই যেমন ইউক্রেনের যে দুর্ভিক্ষ নিয়ে কথা হয়েছিল, তখন সোভিয়েতেরা ইনিশিয়াল ক্যাপিটাল অ্যাকুমুলেশন করছিল। খুব ন্যায্যতই এই প্রশ্নটা তখন আসে যে বাকী দেশগুলো ইনিশিয়াল ক্যাপিটাল অ্যাকুমুলেশনের সময় কি করেছিল। ব্রিটেন কলোনি বানিয়েছিল, আমেরিকা কালো দাসদের দিয়ে প্ল্যান্টেশন করেছিল এই সব। এক্ষেত্রে দুটো জিনিষ তো মিনিমালি দেখাই দরকার। এক, সোভিয়েতেরা ডেভেলপমেন্টের এই স্টেজে অন্যদের চেয়ে খারাপ কিছু করেছিল কিনা। দুই, যাদের পিঠ ভেঙে ইনিশিয়াল ক্যাপিটাল অ্যাকুমুলেশন হল, পরবর্তী ডেভেলপমেন্টের ভাগ তারা কতটা পেল।

    এখন কথা এখানেই শেষ হয় না। অবশ্যই প্রশ্ন আসে ইনিশিয়াল ক্যাপিটাল অ্যাকুমুলেশন করার জন্য একেবারে রক্তপাতহীন কোন রাস্তা বের করা সম্ভব ছিল কিনা। অথবা, আরো ফান্ডামেন্টাল প্রশ্ন, ইনিশিয়াল ক্যাপিটাল অয়্কুমুলেশন এবং সাবসিকোয়েন্ট হেভি ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাট অল করা দরকার কিনা। কিন্তু এই পার্টিকুলার কেসে অন্য ডেভেলপড দেশের সাথে তুলনা, আপনি যতটা হাস্যকর করে দেখাচ্ছেন, ততটা হাস্যকর বা উদ্ভট নয়।
  • একক | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৪:০০627278
  • উফ, ঠিক যে কারণে শিবুদা আমারে কইলেন অন্যপ্রসঙ্গ না টানতে ঘুরেফিরে সেই দিকেই চলেছে। আমি একটা আলাদা তই খুলে দি প্রাণ খুলে ভালো-মন্দের বিচার করার ?
    বারবার বলছি ভালো-মন্দ ঠিক ভুলের বিচার একশবার হবে কিন্তু যেখানে শুধু ডকুমেন্টেশন করা হচ্ছে ঐতিহাসিক তথ্যের সেখানে বিচার করতে বসলে মূল কাজ টা এগোয় না। সোভিএট্ সংক্রান্ত যে কোনো থ্রেড সেখানেই মাঠে মারা যায়। অনুরোধ করছি ঐতিহাসিক তথ্য আর তথ্যের বিচার আলাদা জায়গায় করি আসুন। তাতে এই তই ডুবে যাবে জানি, কুছ পরোয়া নেই। যার যখন মনে হবে সোভিএট্ নিয়ে কোনো নতুন বই -ইনফরমেশন - জার্নাল -ফিল্ম যা কিছু পেয়েছেন এখানে একটু দিয়ে যাবেন। ব্যাস।

    কথা শুরু হয়েছিল সোভিএট্ নীতি এবং ডেভেলপমেন্ট এর তথ্য কি এভেইলেবল তা নিয়ে। সেগুলো কি আমাদের সব জানা হয়ে গ্যাছে ? এখনো অবধি শিক্ষানীতির ডিটেইল পাইনি। পলিটিকাল ইকনমি পরানো হত জেনেছি। এডাম স্মিথ পড়ানো হত কিনা জানিনা। ইতিহাসের বইতে উপজাতি গুলোর ইতিহাস কতটা গুর্রুত্ব পেত জানার ইচ্ছে আছে।

    কনসিউমার গুডস নিয়ে কথা উঠেছে। সেক্ষেত্রে তারা কেন পিছিয়ে পরলো জানার দরকার আছে।

    তর্কে আমার বিন্দুমাত্র অরুচি নেই কিন্তু একটা toi থাকুক না শুধু ইনফরমেশন কালেকশন হিসেবে। যখন যার রেফারেন্স লাগবে একবার দেখে নিতে পারবে। সেটাই উদ্দেশ্য।
  • Sibu | 118.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৪:০৩627279
  • একককে দুই হাত তুলে ক।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৭:০১627280
  • শিবু। Date:16 Feb 2014 -- 03:44 AM
    ঠিক ঐখানেই আমার বলার ছিলো। "আরো ফান্ডামেন্টাল প্রশ্ন, ইনিশিয়াল ক্যাপিটাল অয়্কুমুলেশন এবং সাবসিকোয়েন্ট হেভি ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাট অল করা দরকার কিনা।" এই বিষয়টা এই সুতোয় প্রাসঙ্গিক কি না, সে প্রশ্ন তোলাই যেতে পারে। কিন্তু "কমিউনিস্ট রাশিয়া তে একচুয়ালি কী হত" এর সাথে জড়িয়ে যে প্রশ্নটা থাকে ও আমার কাছে অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় কমিউনিস্ট রাশিয়া তে একচুয়ালি যা হত, তা কেন হতো।
    আমি মনে করি ভারী ও বড় শিল্প তার নিজের গঠন ও আন্তর্গত প্রক্রিয়ার কারনেই হিংস্র। বোধহয় তুমিও তাইই মনে করো। "অবশ্যই প্রশ্ন আসে ইনিশিয়াল ক্যাপিটাল অ্যাকুমুলেশন করার জন্য একেবারে রক্তপাতহীন কোন রাস্তা বের করা সম্ভব ছিল কিনা। " আজ পর্যন্ত সম্ভব হয় নি। তা বলে এমনও নয় যে সম্ভব কোনকালেই হবে না। কিন্তু বিকল্প খোঁজার ঐতিহাসিক দায় যাদের ছিলো, তারা এ নিয়ে কোন ভাবনা চিন্তাই করে নি। মার্কস ভেবেছিলেন উন্নত ধনতান্ত্রিক দেশেই সমাজতন্ত্র আসবে। তাই তাঁর নিদান ছিলো - "সমস্ত ব্যাঙ্কের সম্পদ (ক্রেডিট) একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে একচেটিয়া রাষ্ট্রীয় পূঁজি হিসাবে কেন্দ্রীভূত করতে হবে" ) Centralisation of credit in the banks of the state, by means of a national bank with State capital and an exclusive monopoly. – 5th point of the 10 point agenda of Socialism - Communist Manifesto – Proletarians & Communists এটা এক অর্থে রক্তপাতহীন এক অর্থে নয়। রক্তপাতহীন কারন, রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকলে কাজটা ডিক্রি জারী করেই করা যায়। কিন্তু সেই ক্ষমতা পেতে গেলে সশস্ত্র ও রক্তক্ষয়ী বিপ্লব জরুরী - এমনটাই মার্কস মনে করতেন।
    রাশিয়া যেহেতু মোটেও উন্নত ধনতান্ত্রিক দেশ ছিলো না তাই মার্কসীয় নিদানে প্রাথমিক পুঁজির পুরোটা জোগাড় হয় নি। ফলতঃ রক্তপাত ও অন্যান্য গল্পগুলি।
  • PT | 213.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৮:৫৮627281
  • "ত"-কে শুধু একটা কথাই বলি। USSR না থাকলে এই তক্কটা বোধহয় জার্মান ভাষায় লিখে লিখে করতাম। এই বক্তব্যের ডাইমেনশনটা কোন ভারতীয় কোনদিন বুঝে উঠতে পারবে বলে মনে হয় না।

    ইউরোপের মানুষেরা কিন্তু এখনও বোঝেঃ The speech by a 95-year-old witness of the Nazis' WWII Siege of Leningrad, Russian writer Daniil Granin, stirred German MPs to the core. Some, in tears, said it had made them ponder the need to reassess the entire history of the war.http://rt.com/news/granin-nazi-siege-survivor-360/

    আর ঐ বিভৎসতা থেকে পুনর্নির্মাণ। সেটাও ধরবেন তালিকায়। দেখবেন "মার্ক্সীয়" নিদান টিদান জানলা দিয়ে উড়ে পালাবে। http://www.allworldwars.com/Then-and-Now-Leningrad-Blockade-1941-44.html

    এই সব কিছু মিলিয়েই USSR। তাকে টুকরো টুকরো করে দেখলে হাতে পেনসিলও থাকবে না। আর এটা তক্ক নয়, "ইনফরমেশন কালেকশন" হিসেবে ধর্বেন।
  • | 69.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০৯:৫৭627282
  • :)

    ৪) কাউন্টার আর্গুমেন্ট- ক যেহেতু ঐতিহাসিকভাবে ঘ এর কাছ থেকে কাঁঠাল পাকানো মার সবচেয়ে বেশী হজম করেছে সুতরা ক এর রাইট আছে সবাইকে, নিজের দেশের লোকেদের কিলিয়ে শ্রম শিবিরে হাপিস করে দেয়ার ও প্রতিবেশিদের কিল মারার।

    দেখুন ক না থাকলে সবাই পৃথিবীর সবাই 'ঘ' হয়ে যেত যেটা খুবই খারাপ হতো। স্বীকার করবেন তো আমাদের দুনিয়াশুদ্ধ মানুষকে জার্মানে লিখতে হতো! বুকে স্বস্তিকা চিহ্ন এঁটে সবাই গুজস্টেপ মার্চ করতে করতে গাইত হতো 'ডয়েচলান্ড উবার আলেস! উবার আলেস ইম ডার ভেল্ট!! (জার্মানি সবার উপরে, পৃথিবীর সবার উপরে!!) বাকিরা সব গ্যাস চেম্বারে যেত রাইট?
  • cm | 127.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১০:১৪627283
  • প্রশ্নটা আগেও করেছি আবার করি। সে-র অভিজ্ঞতার কাহিনী পড়ছি। প্রশ্ন এটা ঠিক কোন সময়ের এবং USSR এর ঠিক কোন অঞ্চলের কথা।
  • cm | 127.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১০:১৭627284
  • একই নীতির সুবিধে সিলেক্টিভলি নেব আর সিলেক্টিভলি নিন্দে করলে একটু কন্ট্রাডিক্টরি হয়ে যায় না? অবশ্য কনসিস্টেন্সি আর কজনে মানে।

    PTদাকে ধন্যবাদ এই কন্ট্রাডিকশন ধরিয়ে দেওয়ার জন্য।
  • PT | 213.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১০:২৪627286
  • "ক এর রাইট আছে সবাইকে, নিজের দেশের লোকেদের কিলিয়ে শ্রম শিবিরে হাপিস করে দেয়ার ও প্রতিবেশিদের কিল মারার।"

    এটা অতিকথন। এরকম দাবী এখানে কেউ করেনি। কিন্তু "প্রতিবেশিদের কিল" মারার আগের সলতে পাকানোর একটা ইতিহাস আছে। ফিনল্যান্ডের মত পিচকি সাইজের একটা দেশ ১৯১৭-থেকেই USSR-কে কাঠি করার কাজে যুক্ত ছিল। এমনকি ঐ লেনিনগ্রাদের অবরোধেও সে জার্মানির সঙ্গে ছিল। আমার তো মনে হয় প্রতিবেশীরা প্রথম থেকে ভদ্র ব্যবহার করলে তাদের কিল মারার দরকার হত না। (সম্ভবতঃ কাস্ত্রোর লেখা একটা বইতে এর পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা আছে।)

    আর ঐযে বললাম-USSR-এর জন্ম থেকে মৃত্যুর ঘটনার ডাইমেনশন বোঝা ভারতীয়দের কম্ম নয়। তারা নিজেদের দেশভাগটাই বুঝে উঠতে পারেনি।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৪:৪০627287
  • পিটি।
    ""ত"-কে শুধু একটা কথাই বলি। USSR না থাকলে এই তক্কটা বোধহয় জার্মান ভাষায় লিখে লিখে করতাম। এই বক্তব্যের ডাইমেনশনটা কোন ভারতীয় কোনদিন বুঝে উঠতে পারবে বলে মনে হয় না।"
    ১) যিনি লিখেছেন বাক্যটি তিনি কি রাশিয়ান না ব্রিটিশ না লক্সেম্বার্গী?

    ২) হুম। তার মানে জারের রাশিয়া না থাকলে আমাদের ফ্রেঞ্চে তর্ক করতে হতো?

    ৩) সাদাত হোসেইন মন্টো বা ভীষ্ম সাহানীও কি ইউরোপীয়ান ছিলেন?
  • PT | 213.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৫:২১627288
  • কল্লোলদা, প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ।

    ১) যিনি লিখ্ছেন তিনিও ভারতীয়। তফাৎ শুধু একটাই-সেটা হচ্ছে তিনি শুধু এইটুকু বোঝেন যে কোন পুর্ব নির্ধারিত বায়াস দিয়ে USSR-এর জন্ম-মৃত্যুর ব্যাখ্যা করা যায় না। এমনকি যারা USSR সম্পর্কে খুব ভালো ভালো কথা বলেছেন তাঁরাও সবটা বুঝে বলেছেন এমন ভরসা হয়না।

    ২) না। তবে তক্ক তো আমরা ইংরিজিতে করি-আর গর্ভাবস্থা থেকেই ভ্রুণকে ইংরিজি শেখানোর পক্ষে নিদান দিই। তার কারণটাও তো জানা আছে-তাইনা? USSR না থাকলে ইংরিজির বদলে জার্মান শিখতাম-এইমাত্র।

    ৩) USSR -এর মুন্ডুপাতের ক্যাকফনীতে এঁদের কন্ঠস্বর আর শোনা যায়্না। তাই এদের মত মানুষেরা আর ধর্তব্যের মধ্যে আসেন না। তবে চাইলে আমার বাক্যের একটা ফাইন টিউনিং করতে পারিঃ "এই বক্তব্যের ডাইমেনশনটা ভারতীয়দের অতিবৃহদাংশই কোনদিন বুঝে উঠতে পারবে বলে মনে হয় না।"

    উত্তর কেমন লাগল জানিও!!
  • সে | 203.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৭:২৭627289
  • স্থানীয় ভাষায় শিক্ষা ও রাসিয়ান মাধ্যমে শিক্ষা উ উচ্চশিক্ষা নিয়ে আরেকটু সংযোজন করি।
    দেশটায় ১৫টা রিপাবলিক ছিলো, তার মধ্যে সবচেয়ে বড়ো সাইজেরটি রাশিয়ান ফেডারেশান। সেই রাশিয়ান ফেডারেশানে সকলে কিন্তু রাশিয়ান নয়।
    যদিও জাতির ভিত্তিতে ১৫টি রিপাবলিক।
    ঐ লাল পাসপোরৎ-এ কিন্তু দুটি পরিচয়। নাৎসিয়া ও নাৎসিওনালনস্ত (нация и национальность)- যথাক্রমে জাতি ও নাগরিকত্ব।
    মলদোভার একজন মানুষের জাতি মলদোভান ও নাগরিকত্ব সোভিয়েত ইউনিয়নের। আবার মলদোভায় স্থায়ীভাবে বসবাসকারী একজন উইগুরের বা কারাকালপাকের নাগরিকত্ব সোভিয়েত ইউনিয়নের হলেও তাদের জাত উইগুর বা কারাকালপাক। এদের ভাষা ও এথনিসিটি দিয়েই এদের জাত। যেমন উইগুরের ভাষা উইগুর - তা সে তারা চীনেই থাকুক, বা কাজাখস্তানে, কিরঘিজিয়া, উজবেকিস্তানে যেখানেই থাকুক না কেন, তারা উইগুর। অথচ উইগুরদের কোনো নিজস্ব স্বতন্ত্র রিপাবলিক নেই। কিন্তু কাজাখ্‌দের আছে, কিরঘিজদের আছে, উজবেকদের আছে। আবার কারাকালপাকদেরো নিজস্ব রিপাবলিক না থাকলেও নিজস্ব ওব্‌লাস্ত্‌ (জেলা) আছে উজবেকিস্তান রিপাবলিকে। এখন প্রতিটি রিপাবলিকের যেটা মূল সরকারি ভাষা সেই ভাষায় শিক্ষা চালু ছিলো। যেমন কাজাখস্তানের ভাষা কাজাখ্‌, সেই ভাষায় স্কুল থাকবেই, কিন্তু আলাদা করে উইগুরদের কথা বিবেচনা করে উইগুরভাষী স্কুল তৈরী হয়েছে বলে জানি না।
    কিন্তু প্রতিটি রিপাবলিকে রাশিয়ান ভাষায় স্কুল ছিলো। বাধ্যতামূলকভাবে। কারণ সেটা কেন্দ্রের ভাষা, ক্রেমলিনের ভাষা। এই পনেরোটা রিপাবলিকের মধ্যে লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা। সেক্ষেত্রে প্রতিটি ভার্নাকুলারের ওপর অতটা জোর দেওয়া সম্ভব নয়। বহুভাষাভাষি, বহু জাতিক এই দেশে এই লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কার ভূমিকায় চলতে থাকে রাশিয়ান ভাষা। এর আরেকটা কারণ এই যে পশ্চিমের রিপাবলিকগুলোর ভাষার সঙ্গে রাশিয়ান ভাষার ঘনিষ্ঠ মিল, যথা উক্রাইনার ভাষা উক্রাইন্‌স্কি, শ্বেতরাশিয়ার ভাষা বেলারুস্‌কি, মলদোভার ভাষা মলদাভ্‌স্কি। হরফও প্রায় একইরকম। ওদিকে লাথভিয়া, লিথুয়ানিয়া, এস্টোনিয়ার ভাষাগুলোতেও প্রচন্ড রাশিয়ান ভাষার প্রভাব। অতয়েব রাশিয়ান ভাষায়ই উচ্চশিক্ষার সমস্ত বই লেখা ও পাবলিশ হতে থাকে। তাদের মধ্যে থেকে কিছু কিছু বই স্থানীয় ভাষায় অনুবাদ হতে থাকে। সমস্ত বই নয়। কিন্তু কেন?
  • cm | 127.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৭:৩৭627290
  • সম্ভাব্য উত্তর, সমস্ত বই-এর সমান গুরুত্ব নয় তাই। (গুরুত্ব কি কিসের ভিত্তিতে মাপা হবে ডিবেটেবল)
  • ম্যামি | 69.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৭:৫১627291
  • সে আপনার 13 Feb 2014, 09:14 PM

    'অর্থনীতির সিলেবাস জানি না, সেই জন্যেই বই এর কথা বলেছিলাম - যে খুঁজে পাওয়া দরকার।'

    লিং দিয়েছিলাম একটা। দেখবেন।
  • ম্যামি | 69.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৭:৫২627292
  • S.I. Tulpanov was rector, Leningrad University,
  • সে | 203.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৮:১৬627293
  • তবে কি বইগুলো অনুবাদ করবার মতো অতজন অনুবাদক নেই, নাকি ভার্নাকুলারে পড়ালেখা করবার মত অতো ছাত্র নেই? নাকি ফান্ডের অভাব?

    ফান্ডের অভাব ঠিক ওজর নয়, কারণ লেনিন বলে গেছেন "পড়ো, পড়ো, আরো পড়ো" (учиться, учиться и учиться)। শিক্ষাই একটি জাতিকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। শিক্ষাখাতে ফান্ডের কোনো কমতি ছিলো না। অন্ততঃ উচ্চশিক্ষাস্তরে পুস্তকের অনুবাদের জন্যে। যে দেশ "সোভিয়েত দেশ", "সোভিয়েত ইউনিয়ন", "সোভিয়েত নারী", ইঃ সাপ্তাহিক/মাসিক/পাক্ষিক পত্রিকা দুনিয়ার অসংখ্য ভাষায় নিয়মিত ছেপে প্রায় বিনামূল্যে (ডাক মাশুল লাগত শুধু) বিতরণ করতে পারে- তাদের ভান্ডারে অর্থাভাব নেই বই ছাপানোর জন্যে। অনুবাদকেরও অভাব নেই। বাংলা, হিন্দী হেন অসংখ্য ভাষায় তারা এই পত্রিকাগুলো অনবরত অনুবাদ করে চলেছে। নিঃসন্দেহে এর পেছনে রয়েছে পেশাদার অনুবাদকেরা যারা নিপুণভাবে এই সমস্ত প্রোপাগান্ডা পত্রিকাগুলো রুশভাষা থেকে ভাবানুবাদ করবার মতো ভাষাজ্ঞান তো রাখেই, অনুবাদেও দড়। অথচ স্থানীয় ভার্ণাকুলারে পাঠ্যপুস্তক সেভাবে অনুদিত হচ্ছে না। তখন ভালো অনুবাদক পাওয়া যাচ্ছে না, ভালো শিক্ষক পাওয়া যাচ্ছে না। ফলতঃ বই ছাপা হচ্ছে কম সংখ্যায়। সিলেবাস তৈরী হচ্ছে জল মিশিয়ে।
    ধরা যাক ডাক্তারী। এই বিদ্যায় ভেজাল মেশালে তার ফল ভয়ঙ্কর হতে পারে। তাহলে উপায়? ছয় বছরের ডাক্তারী পাঠক্রমে, প্রথম তিন বছর মাতৃভাষার গ্রুপে পড়া যেতে পারে। ফোর্থ ইয়ার থেকে সিক্‌স্থ ইয়ারে একমাত্র মাধ্যম রাশিয়ান।
    ইঞ্জিনীয়ারিংয়ে ৫ বছরের শিক্ষাক্রম রুশ ভাষায়। ভার্নাকুলারেও তাই। কিন্তু সিলেবাস লঘুতর। সব চ্যাপ্টার নেই। সব টপিক পুরোপুরি কভার করা হয় না। জ্যামিতিতে কঠিন কঠিন জিনিসগুলো বাদ।
    দুজন ছাত্র পাশ করে ডিগ্রী নিয়ে যখন বেরোবে যাদের একজন রুশ মাধ্যমে অন্যজন ভার্নাকুলারে পড়ালেখা করেছে - একই বিষয়ে, একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে - যদিও তারা সরাসরি চাকরি নিয়েই বেরোবে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কিন্তু দুজনার লার্নিং দুরকম হবার দরুণ হয় তারা একই লেভেলে চাকরি পাবে না, নয় তাদের উন্নতির দ্রুতি অন্যরকম হবে। কিন্তু সমীকরণ অত সহজ হয় না। এক্ষেত্রে স্থানীয় মানুষদের "চেনাশোনা" ব্যাপারটা কাজ করে, ফলে কম জানা ইঞ্জিনীয়ার অনেক ক্ষেত্রে অপেক্ষাকৃত উঁচু পোস্টে তাড়াতাড়ি উঠে যায়। কখন কোনটা হবে তার কোনো ঠিক নেই। তবে নলেজের স্ট্যান্ডার্ডে একটা ভালোমতন ফারাক থেকে যায়। সেই কারণেই দূরদর্শী অভিবাবক বাচ্চাদের স্কুলে ভর্তির সময়ে কিছু স্ট্র্যাটেজি আগে থেকেই তৈরী করে নেন।
  • সে | 203.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৮:১৭627294
  • ম্যামি দেখবো অবশ্যই।
  • সে | 203.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৮:৩৪627295
  • কেবল পত্রিকাগুলোর কথাই বা তুলছি কেন? চমৎকার চমৎকার সব সাহিত্য, ক্লাসিক, শিশুসাহিত্য, উপকথা/লোককথা - এ সবই তো অবিরত অনুবাদ হয়ে চলছিলো দুনিয়ার প্রায় প্রত্যেকটি ভাষায়। তার জন্যে মাইনে করে অনুবাদক আনানো হতো দেশ বিদেশ থেকে। তাঁরা পাকাপাকিভাবে সংসার পেতে সচ্ছল জীবন যাপন করে নির্বিঘ্নে অনুবাদের কাজ করে যেতেন। সোভিয়েত ব্যবস্থায় এসব ছিলো রাষ্ট্রের স্বতঃপ্রণোদিত ব্যবস্থা। এমন তো নয় যে ঐ বিভিন্ন ভাষায় অনুদিত অমূল্য সব সাহিত্যের গন্তব্যস্থল সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোয়। প্রায় সমস্তই পাঠানো হত ধনতান্ত্রিক দেশগুলোতে। এ ও প্রোপাগান্ডার উদ্দেশ্যে। এক বিশেষ ধরণের বিজ্ঞাপন পদ্ধতি। দেশের সাহিত্যের বৈভব প্রচার করা, সমস্ত দুনিয়ার কাছে পৌঁছে দেওয়া। এতে আর্থিক লাভ তো সরাসরি কিছুই ছিলো না। মাইনে করে অসংখ্য অনুবাদক রাখতে হয়েছিলো। পাব্লিশিং এর বিপুল খরচ। ভালো কোয়ালিটির কাগজ ও লাগসই কোয়ালিটি ছাপানোর। তৎসহ ছবি, প্রচ্ছদ, বাইন্ডিং - সমস্তই লা জবাব। অধিকাংশ দেশেই ছিলো এক বা একাধিক তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর, সেসব খানেও রীতিমতো উচ্চশিক্ষিত গুণিজনেদের ভালো দক্ষিনা দিয়ে চাকরিতে রাখা হতো - মাঝে মধ্যে তাদের জন্যেও বরাদ্দ থাকত সোভিয়েত দেশ ভ্রমণ।
  • সে | 203.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৮:৫০627297
  • ১৯৯১ এর অগস্টের পর থেকে ক্রমে এই সবকটা সংস্থা বন্ধ হয়ে যায়। প্রচুর লোক রাতারাতি বেকার হয়ে যায়। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে পড়ার দরুণ এই প্রোপাগান্ডাখাতে অর্থব্যয়ের কোনো ভিত্তি আর অবশিষ্ট ছিলো না, উপরন্তু এই হাতির খরচ যে আদতে সেভাবে ফলপ্রসূ হয়নি মূল উদ্দেশ্যসিদ্ধিতে সেটা প্রমাণ হয়ে যায়।
    অবশ্য অসাধারণ সব সাহিত্যকর্ম সারা দুনিয়াকে অসংখ্য ভাষায় অনুবাদ করে বিলিয়ে দেবার মত মহৎ কাজের জন্যে দুনিয়ার সাহিত্যপ্রেমী এদের কাছে চিরঋণী থেকে যাবে।
    আরো ঋণী থাকবে উন্নতিশীল/গরীব দেশগুলো থেকে আসা কয়েক লক্ষ মানুষ যারা বিনামূল্যে ভালো কোয়ালিটির উচ্চশিক্ষা পেয়েছে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে। হতে পারে তাদের উদ্দেশ্য ছিলো দেশে দেশে সমাজতন্ত্রের আদর্শ ছড়িয়ে দেওয়া। এর জন্যে বিভিন্ন দেশের তরুণদের খাইয়ে পরিয়ে যত্ন করে উচ্চশিক্ষা দান করেছে। ফিরে গিয়ে সেই নবীন স্পেশ্যালিস্টরা সমাজতন্ত্রের আদর্শ যাতে নিজের দেশের সর্ব সাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারে। আর যাই করুক তারা অন্ততঃ শত্রুতা করবে না। সেই দেশগুলো যাতে সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত দেশের বন্ধু হয়ে ওঠে - কারণ নিজ নিজ দেশে ফিরে এরা অনেকেই আমলাতন্ত্রের ভালো ভালো পদে আসীন হয়েছে।
  • ম্যামি | 69.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৮:৫৭627298
  • ভালো লাগছে বিশ্লেষণ।
  • সে | 203.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৯:২৩627299
  • ৭০ থেকে ৮০ র দশকে কী এমন ঘটেছিলো যে পেরেস্রৈকা-গ্লাসনস্তের দরকার হয়েছিলো? এর উত্তর আমি জানি না। তবে একটা পরিবর্তন সম্ভবতঃ হচ্ছিলো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। আমরা সকলেই জানি যে সোভিয়েত ইউনিয়নে দ্বিতীয়বিশ্বযুদ্ধের ধাক্কা লাগে ১৯৪১ এ এবং যুদ্ধে জয়লাভ হয় ৯ই মে ১৯৪৫ (বিজয় দিবস)। অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হয়, বিপুল ক্ষয়ক্ষতি, দুপক্ষেরই - এসব সবাই জানি। এই যাবতীয় ক্ষয়ক্ষতি, মৃতু, আত্মীয় বিয়োগ, যুদ্ধাপরাধ, অনাহার, অসংখ্য নিখোঁজ মানুষ - এর একটাও সোভিয়েত দেশের মানুষকে ডিমরালাইজ করতে পারে নি, বরং তাদের জাতীয়তাবাদে বেশি করে উদ্বুদ্ধ করেছিলো। সমস্ত কিছুর ওপরে তখন দেশপ্রেম। প্রতিটি পরিবার কোনো না কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্থ। এই জাতীয়তাবাদ এবং যুদ্ধজয়ের আনন্দ, অশেষ কষ্টের শেষে তারা কিন্তু বিজয়ী - তাই ক্ষয়ক্ষতি আত্মীয় বন্ধু বিয়োগের দুঃখ ম্লান হয়ে যায় তো বটেই উপরন্তু তা গর্বের বিষয় হয়ে ওঠে। ফলে অ্যাফেক্টেড মানুষজনের (এরাই অধিকাংশ মানুষ) প্রাত্যহিক জীবনের মধ্যে দেশপ্রেম একটা বড়ো জায়গা নিয়ে ফেলে। অনেক ক্ষেত্রেই ব্যক্তিগত চাওয়া পাওয়ার থেকেও দেশের জন্যে কিছু করা ব্যাপারটা প্রাধান্য পায়।
    এইভাবেই ৭০ এর দশক অবধি দেশ গড়ার কাজে আত্মত্যাগ করায় চার্ম ছিলো। ৭০ এর দশকের শেষ থেকেই আস্তে আস্তে এই প্রবণতা কমতে থাকে। ১৯৪৫ এ যারা জন্মেছিলো তারা তখন ত্রিশোর্দ্ধ। যুদ্ধ তারা দেখেনি। মোটামুটি জ্ঞান হবার পর থেকে যুদ্ধের গল্প ইত্যাদি শুনেছে বাবা মা ঠাকুমা দিদিমার কাছে। যুদ্ধের সময়ের বোমাবর্ষণ, অনাহার, শত্রুপক্ষের হানার ভয়, নিকটজনের আকস্মিক মৃত্যু, এগুলোর কোনোটাই তারা প্রত্যক্ষ করেনি - সমস্তই গল্পে শোনা। আবার যুদ্ধের সময়ে যারা তরুণ ছিলো, তারা তখন আস্তে আস্তে বুড়ো হয়ে যাচ্ছে। ফলতঃ যুদ্ধের নস্টালজিয়া, যুদ্ধ জয়ের গৌরব, এই নিয়ে তরুণ সমাজ খুব বেশি সময় মেতে থাকতে পারছিলো না।
    তাদের নজর বার বার গিয়ে পড়ছে পশ্চিম ইয়োরোপ বা অ্যামেরিকার দিকে। ঐ দেশগুলোয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পন্যের মধ্যে প্রচুর বৈচিত্র। সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পন্যের আদান প্রদান চলে তা সাদামাটা মধ্যমানের বৈচিত্রহীন।
  • সে | 203.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৯:৪৪627300
  • ১৯৮৫ তে হৈ হৈ করে যুদ্ধজয়ের চল্লিশ বছর পালন হয়। সেটাই শেষবারের মতো অত হৈহল্লার পালন। তখনও মানুষ আশা করে ছিলো যে ১৯৯৫এ না জানি আরো কতো বেশি আতসবাজি ফাটিয়ে যুদ্ধজয়ের ৫০ বছর পালন হবে - কিন্তু ভবিষ্যতের কথা কে জানত? ১৯৯৫ এ সেই দেশটাই আর নেই। নমো নমো করে রাশিয়ান ফেডারেশানে বিজয় দিবসের পঞ্চাশ বছর পূর্তি পালন হয়েছিলো। তখন প্রতিটি রিপাবলিকের নিজস্ব কারেন্সি। ইন্‌ফ্লেশন কয়েক হাজার পার্সেন্ট। সোভিয়েত ইউনিয়নের বদলে তখন নতুন নাম কমনঃওয়েল্থ অফ্‌ ইন্ডিপেন্ডেন্ট্‌ স্টেটস্‌। রাতারাতি প্রাইভেট সম্পত্তি তৈরী হচ্ছে। খনি, জঙ্গলের ইজারা, পেট্রোলিয়াম শোধনাগার, হাসপাতাল, হোটেল/রেস্টুরেন্ট, এয়ারলাইন্স, বড়ো বড়ো কারখানা।

    অথচ সোশ্যালিস্ট সোভিয়েত ইউনিয়নে ব্যক্তিগত মালিকানায় কোনো ব্যবসা ছিলো না। সকলেই বেতনভূক চাকুরে। সরকারী চাকুরে।
  • cm | 127.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:০৭627301
  • সে Date:10 Feb 2014 -- 06:52 PM
    `` বিনোদনের উপায় খুব কম, সীমিত। তাই অল্প বয়সেই সংসার। "
    যুক্তি পরম্পরা পরিষ্কার হল না। গান বাজনা শেখার সহজ ব্যবস্থা ছিল। তাহলে বিনোদনের সীমিত উপায় মানে কি? রাশিয়ানরা খেতে ডাকলেই তো দেখি খাওয়ার পরে অনেকক্ষণ ধরে হৈচৈ করে গান বাজনা করত।
  • সে | 203.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:০৯627302
  • তাইত!
  • PT | 213.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:১৬627303
  • "আরো ঋণী থাকবে উন্নতিশীল/গরীব দেশগুলো থেকে আসা কয়েক লক্ষ মানুষ। ।।।।।।।।তারা অন্ততঃ শত্রুতা করবে না। সেই দেশগুলো যাতে সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত দেশের বন্ধু হয়ে ওঠে - কারণ নিজ নিজ দেশে ফিরে এরা অনেকেই আমলাতন্ত্রের ভালো ভালো পদে আসীন হয়েছে।"

    জার্মানীর Alexander von Humboldt Fellowship, জাপানের JSPS অথবা আমেরিকার বিভিন্ন ধরণের ফেলোশিপ-ও নিশ্চই এই জাতীয় দেশভিত্তিক কারণেই চালু হয়েছিল ও চালু আছে!
  • সে | 203.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:২২627304
  • এবার থেকে টাইপ না করে কথা রেকর্ড করে আপলোড করে দেবো ভাবছি। তাতে বোঝানো সুবিধে।
  • cm | 127.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:২৮627305
  • Date:11 Feb 2014 -- 04:34 PM
    ``ঈশ্বর মানি না, অ্যাথেইস্ট। পরক্ষণেই মুসলমানদের প্রতি অবিশ্বাস, ইহুদীদের প্রতি অবিশ্বাস। সবটা সরলরেখায় চলে না। কিন্তু ক্ষমতা তো সকলের হাতে নয়। মুষ্ঠিমেয় কজনার হাতে। তারা যদি বায়াস্‌ড্‌ হয়, তখন?"

    Date:11 Feb 2014 -- 05:25 PM
    ``ধর্মাচারণ নিষিদ্ধ নয়। ধর্মীয় কিছু কিছু আচার (যেমন মুসলমান ও য়িহুদীদের ক্ষেত্রে খৎনা) নিখরচায় হাসপাতালে (হ্যাঁ এটাও ফ্রি) পরিষ্কার পরিচ্ছন্নভাবে ছুরিকাঁচির সাহায্যেই হচ্ছে। রেজিস্ট্রি করবার সাথে সাথে মৌলভীর সাহায্যে ধর্মীয় বিয়েও হোক (চার্চ ম্যারেজ আবার খুবই খুবই কম, প্রায় জিরো)। বিস্‌মিল্লার নাম করে হালাল করে নাও ভেড়া মুরগী।"
  • PT | 213.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:২৯627306
  • "সে"-আপনি ভালই লিখছেন। বুঝতে কোনই অসুবিধে নেই। আমি শুধু মাঝে মাঝে external yardstick ব্যবহার করে USSR-এর সরকারের কর্মকান্ড কতটা unusual বা অদৌ unusual কিনা সেটা মাপার চেষ্টা করছি।
  • সে | 203.*.*.* | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:৩১627308
  • ম্যামির লিঙ্কের লেখাটা ১৯৬১ র তথ্য। ঠিকই তো আছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন