এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • হাতে কুদর্শন জ্যোতিষ আংটি

    Su
    অন্যান্য | ২৯ জুলাই ২০০৬ | ২৫২৪০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • fevi | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ০০:৩৮632228
  • ঢিল মারার দরকার নেই। আপনি যে ভাবে ভাবছেন, সেই ভাবে রত্নর কোনো এফেক্ট নেই। নিশ্চিন্তে থাকুন।
  • rupankar sarkar | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ০০:৫০632229
  • তাহলে একটা মজার কথাই বলি। কাল রিমি বলে যিনি লিখছিলেন, আমি বললাম, কেউ পাঁচশোর মধ্যে পাঁচটা মিলিয়ে দেখান, তিনি বললেন ( অবশ্য মজা করেই) সৌমিত্র চ্যাটার্জির মৃত্যুযোগ, কিন্তু মারা গেলেন দেব আনন্দ। এগুলো এভাবে হয়?

    সিকির দেশের জ্যোতিষী পিনপয়েন্ট করে সাত বছর তিন মাস বলেছেন। একট অ্যাভারেজ মানুষের লাইফ এক্সপেক্টান্সি ৭০ বছর হলে সত্তর ইন্টু বারো মানে আটশো চল্লিশ মাসের মধ্যে একটা মাস প্রেডিক্ট করাটা ফ্লুক?
  • fevi | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ০০:৫৬632230
  • ওহ, বলা হয়নি। হীরে isotropic
  • pi | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ০১:০৬632231
  • হ্যাঁ, এই প্লাসিবো এফেক্ট। বিশ্বাসে মিলায়ে বসু, তর্কে ...
    আমার তো তাই লাগে।

    ইন ফ্যাক্ট এই সাইকোলজিক্যাল ইম্প্যাক্ট তো নানারকম ফিজিওলজিক্যাল বেটারমেন্ট আনতেই পারে।

    তাছাড়া, নানা বাবা, পীর, এমনকি কিছু জ্যোতিষীও আমার মনে হয় কিছুটা সাইকো থেরাপি করেন।আমাদের দেশে তো অন্তত মানসিক নানা সমস্যাকে সেভাবে রোগ বা ডাক্তারের কাছে যাবার মত সমস্যা বলে আইডেন্টিফাই করার রেওয়াজ নেই। বিশেষ করে মধু, নিম্নমধ্যবিত্ত কি নিম্নবিত্ত পরিবার কি গ্রামের দিকে তো একেবারেই প্রায় নেই। আর মানুষ যখন সমস্যায় পড়ে, তখনই মূলত যায়। এঁরা কথা ভাল বলতে পারেন, ভাল বলিয়ে কইয়ে না হলে এই প্রফেশনে শাইন করা যায়না। তার সাথে
    অনেকেই লোকজনকে ভালো স্টাডিও করতে পারে। মনটা ভালৈ পড়তে পারেন। প্রশ্নের কায়দায় অনেক কিছু জেনে নিতে পারেন। সেটা একজন প্রফেশনাল সাইকোথেরাপিস্টের থেকে খুব আলাদা কিছু কাজ কি ?

    লোকজনের সমস্যার অনেক কিছুই হয়তো অ্যাটিচুড বদলে কিছুটা সমাধান করা সম্ভব। আর শারীরিক সমস্যা হলে কিছু খেতে বা ধারণ করতে দিলে তার প্লাসিবো এফেক্ট তো আছেই। এসব মিলিয়েই অনেক কিছু কাজ করে যায়।
    আমার তো তাই লাগে।
  • rupankar sarkar | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ০৬:২৮632232
  • fevi - থুড়ি, হীরে নয়, নীলা ( স্যাফায়ার )
  • rupankar sarkar | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ০৬:৪৪632233
  • pai - কিসের প্লাসিবো এফেক্ট ? জেম না জ্যোতিষী। জেমের প্লাসিবো এফেক্ট কেমন ভাবে ? মানে আমি বলেছিলাম এরা শরীরের ওপর সামান্য কাজ করে, ভাগ্যের ওপর নয়। জ্যোতিষী ( মানে যাঁরা জেম প্রেস্ক্রাইব করেন) তো ক্লায়েন্টকে তা বলছেননা, তিনি তো বলছেন ভাগ্য ফিরবে বা ফাঁড়া কাটবে।

    তা ছাড়া বিশেষ জেম বিশেষ কাজে লাগে। পলা পরে তো কারো লিভারে কাজ হয়না, তবে প্লাসিবো কিভাবে ? সে নিজে না জানলে তো প্লাসিবো হবার চান্স নেই।

    আর জ্যোতিষীদের ব্যাপারে তো বিভিন্ন ধরণের লোকের কথা আগেই লিখেছি। তুমি যাঁদের কথা বলছ। তেমন লোকতো আছেই, তা তো বলেইছি। আর হ্যাঁ, তোমার আগের পোস্টে একটা কথা বলতেই ভুলে গেছি। কোথায় নাকি পড়লে জ্যোতিষীদের পারফর্মেন্স ৫০% বা তারও কম। ডাক্তারদের পারফরমেন্স (সার্জারী বাদ দিয়ে) কেমন? মানে ডায়াগনোসিস আর রেমেডিতে? এর চেয়ে বেশি না কম? আমার নিজের ক্ষেত্রে বা পরিচিত মানুষদের ক্ষেত্রে তো ১০% ও নয়। অবশ্য আমার বড়ির লোক ও বন্ধু টন্ধুরা ছাড়া বাকিদের ক্ষেত্রে ১০০% হতে পারে, কিন্তু তা তো আমি দেখিনি, তাই বিশ্বাস করিনা। এই শাস্ত্রটাও মোটামুটি বুজরুকি আর ভাঁওতার ওপর চলছে মনে হয়। তবে আর জ্যোতিষীদের দোষ দিয়ে লাভ কি ?
  • rupankar sarkar | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ০৬:৫৮632234
  • রিজয়েন্ডার - সিকির একটা আর পি এম এর একটা পোস্ট যদি কেউ আলাদা করে পড়েন, তবে তো জ্যোতিষী দের পারফরমেন্স নিয়ে তাঁর অখন্ড আস্থা আসবে, ২০০% মনে হবে। কিন্তু বাস্তবে কি তা হয়? যে সব জ্যোতিষীদের কথা ওঁরা বলেছেন, তাঁরাই হয়তো অন্য কেসে ভুল প্রেডিক্ট করেছেন, কে জানে। আমার প্রশ্ন ছিল, যে কটা ঐসব পোস্ট থেকে পাওয়া গেল, তা কি চান্স, প্রোবাবিলিটি, এই সব দিয়ে এক্সপে্‌ল্‌বন করা যাবে? যদি কেউ করেন তো গায়ের জোরে। আমার বাপু গায়ে এখন আর অত জোর নেই, লড়ে পারবনা।
  • ridhhiman | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ০৭:১৮632235
  • ডাক্তার রা জ্যোতিষীর থেকে অনেক অনেক ভাল প্রেডিক্ট করেন, না তো আমরা ডাক্তার মুখো হতামি না কোনদিন। পাথর মুক্তো পরে বসে থাকতাম। আপনি অসুখ করলে ডাক্তারের কাছে যান না জ্যোতিষীর কাছে? না কয়েন টস করেন?
  • SC | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ০৮:১৭632236
  • রিদ্ধিমান এই সুতোতে পুরো আগন্তুকের ধৃতিমান। :)
  • rupankar sarkar | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ০৮:৫৪632238
  • riddhiman - আমি ডাক্তারের কাছেই যাই, কেননা পাথর মুক্তোয় আস্থা নেই আগে অনেকবার লিখেছি। ডাক্তারদের পারফরমেন্সের কথা একটু কাইন্ডলি শুনে যান ( আমার এক্সপিরিয়েন্স-ই বলতে পারব, অন্যের নয়)।

    ক্লাস নাইনে পড়ার সময় লরিতে অ্যাকসিডেন্ট হয়। ডান পায়ে জোর চলে গেল,খেলাধূলো ছারতে হল, দঁড়ালে থরথর ক্রে কাঁপত, দৌড়লে প্রচন্ড ব্যাথা। নানা রকম ডাক্তার দেখালাম। একটু বড় হয়ে বহু অর্থোপেডিক। কার্টিলেজ না লিগামেন্ট না হাড়েই গোলমাল তাই নিয়ে নানা মুনির নান মত। গোটা বাইশ এক্স -রে ( তখন স্ক্যান ফ্যান ছিলনা)। অনেক রকম চিকিৎসা। কিচ্ছু হলনা। প্রায় দশ বছর পরে বক্রেশ্বরে বেড়াতে গিয়ে এক জনের চাপাচাপিতে জলে নামলাম। এসব বিশ্বাস করতাম না। পা সেরে গেল।

    ১৯৭০ সালে হঠাৎ শীতের এক সকালে দেখলাম শ্বাস নিতে পারছিনা। সেই থেকে প্রচন্ড লাং এর কষ্ট। মুখ দিয়ে রক্ত পড়ে দলা দলা শ্লেষ্মা পড়ে, রাত্রে প্রায় বসে ঘুমোতে হয়, শুলে দম বন্ধ। তখন চাকুরীজিবী, টাকার অভাব নেই। বহু চেস্ট স্পেশালিস্ট দেখালাম, ইনক্লুডিং ডা: ননী গুহ, সে সময়ের বুকের অসুখে 'ভগবান'। কিস্যু হলনা। ১৯৮৩ সালে, মানে ১৩ বছর পর এক বাচ্চা হোমিওপ্যাথ তিন দাগ ওষূধে সারিয়ে দিল।

    আমার স্ত্রী আজ ২১ বছর হল কি অসুখে ভুগছেন, 'ভগবান' ছাড়া কেউ জানেনা। ৩৯ জন স্পেশালিস্ট দেখেছেন, তাদের মধ্যে ভারত বিখ্যাত ( নানা শহরের ) ৫/৬ জন, ইন্টারন্যাশনালি রেকগনাইজড অন্তত: দুজন। যত রকম ক্লিনিকাল টেস্ট মানুষের জানা, ভারতের বিভিন্ন শহরে তার স-ব কটা বারংবার করা হয়েছে। প্রত্যেক ডাক্তার বলছেন অন্যের ডায়াগনোসিস ভুল। মানুষটা ধীরে ধীরে পঙ্গু দলা পাকানো হয়ে যাচ্ছে, এখন মানসিক রোগী।

    আমার বন্ধু বিজন দত্তর কথা আগে লিখেছি। যে যার নিজের অভিজ্ঞতার ওপর ইনফারেন্স করে। যাঁরা জ্যোতিষী দেখিয়ে লাভ পেয়েছেন তাঁরা এক রকম বলেন, যাঁরা ডাক্তার দেখিয়ে হতাশ তাদের বক্তব্যও সেইরূপ।
  • aka | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ০৯:০১632239
  • এই ২৯ জন কি সবাই কলকাতার? তমলে সাউথে গিয়ে দেখতে পারেন। কলকাতায় বাজে ডায়গনসিস খুব কমন। অযাচিত ভাবে উপদেশ দিলাম কিছু মনে অরজন না। আমার কলকাতার এক্সপেরিয়েন্স খুব খারাপ তাই।
  • aranya | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ০৯:০৬632240
  • রুপঙ্কর বাবু, চাপ না নিয়ে নিজের যখন সময় আর ইচ্ছে হবে, একমাত্র তখনই লিখুন।
    দুটো প্রশ্ন -

    প্রশ্ন ১ - জ্যোতিষ শাস্ত্রের প্রচুর সময় সাপেক্ষ এই পার্মুটেশন কম্বিনেশন করার জন্য কম্পিউটার তো আইডিয়াল, জ্যোতিষীরা কম্পিউটার ব্যবহার করছে কিনা জানেন কি?

    প্রশ্ন ২ - আপনার লেখা পড়ে যা বুঝলাম, হাই আই কিউ আর জ্যোতিষবিদ্যায় জেনুইন আগ্রহ আছে এমন কেউ, বহু সময় খরচ করে, অনেক পার্মুটেশন কম্বিনেশন করে ভবিষ্যতের কিছু ঘটনা ঠিকঠাক বলে দিতে পারবেন। কিন্তু সেই ঘটনাগুলো যদি কোনভাবে বদলানো না যায়, তবে লাভ কি? মানে, ধরুন, সিকির গল্পে জ্যোতিষী বললেন যে সাত বছর তিন মাসের মাথায় মেয়ের মৃত্যুযোগ - সেই মৃত্যুদন্ড যদি রদ করা না যায়, তাহলে শুধু শুধু ভবিষ্যত জেনে সাত বছর ধরে আতঙ্কের সাথে বসবাস করতে আমি তো চাইব না।
    সুতরাং প্রশ্ন হল ভবিষ্যতের এই সব সম্ভাব্য ঘটনাকে কি কোন ভাবে পাল্টানো যায়?
    এই প্রসঙ্গে মনে পড়ল - আমার আত্মীয় একটি ছেলে -তুতান, জামসেদপুরে থাকত। রাস্তা থেকে এক সন্ন্যাসী একদিন বাড়ীতে ঢুকে তুতানের মাকে বলেন - তোমার ছেলেকে দেখলাম, বাইরে খেলছে। ১২ বছর বয়সে ও মারাত্মক দুর্ঘটনায় পড়বে। মৃত্যুযোগ আছে। এখন থেকে প্রতি মাসের প্রথম দিন ছেলের ওজনের সমান শস্য পাখীদের খাওয়াবে। তাতে ফাঁড়া কাটতে পারে। ১২ বছরে যখন পড়েছে, তুতানের বাবা স্কুটারে করে সকালে ওকে স্কুলে পৌঁছে দিতে যাচ্ছিলেন, কারও মাথায় হেলমেট নেই, হাইওয়েতে ট্রাকের ধাক্কায় স্কুটার থেকে ছিটকে পড়ে দুজনেই। তুতানকে যখন পাওয়া যায়, অজ্ঞান অবস্থায় রাস্তায় শোয়া, স্কুল ব্যাগটা মাথার নীচে। মাটিতে পড়ার সময় ব্যাগটা ঐ ভাবে মাথাটা না বাঁচালে সিরিয়াস হেড ইনজুরি হতো ই। তুতানের মা এখনো বিশ্বাস করেন সন্ন্যাসীর কথামত পাখীদের খাবার খাওয়ানো ই ছেলের প্রাণ রক্ষা করেছে।
  • rupankar sarkar | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ০৯:০৯632241
  • ২৯ না, ৩৯। ভারতের 'বিভিন্ন' শহরের কথা তো লিখলাম। শুধু ক্রিশ্চিয়ান মেডিক্যাল কলেজে যাইনি। তাঁদের চিঠি লিখতে বলেছিলেন, যা চিকিৎসা হচ্ছে, তাঁরা হলেও তা-ই করতেন।
  • aranya | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ০৯:১৯632242
  • আপনার শেষ পোস্ট দুটো পড়লাম, রুপঙ্কর বাবু। খুবই কষ্টের, অসহনীয় অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন আপনি। আমার বাবার অসুস্থতার কারণে দীর্ঘ দীর্ঘ দিন রোগের সাথে ঘরকন্না করতে হয়েছে, তাই কিছুটা আইডেন্টিফাই করতে পারছি আপনার সঙ্গে। ভগবান বলে কেউ আছেন কিনা জানি না, থাকলে তিনি যেন আপনার স্ত্রী-কে আরোগ্য করেন, এই প্রার্থনা করি।
  • rupankar sarkar | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ০৯:৩১632243
  • Aranya - কমিউটার তো ভীষণ ভাবে ব্যবহার হচ্ছে। আগে লগ্ন, নক্ষত্র ইত্যাদি জানতে 'এফেমেরিস' বলে একটা বই ব্যবহার হত, অনেকটা লগ টেব্লের মত। এখন সে বই বিক্রী নেই, কম্পিউটারেই নিখুঁত বেরোচ্ছে। পুরোন বছরের পাঁজী জমিয়ে রাখতেন জ্যোতিষীরা, এখন তাও লাগেনা। দশা অন্তর্দশা ইত্যাদিও কষে দিচ্ছে। তবে প্রেডিকশনের ব্যাপারটা এখনও যান্ত্রিক নয়।

    ভাল প্রশ্নের একটা উত্তর দিই। অবশ্য সেই স্কুল ছাত্রের জ্যোতিষী দেখানোর গল্পে আগে একবার বলেছি। জ্যোতিষ শাস্ত্রে যে দুর্ঘটনার কোনও প্রতিকার নেই তা বলা স্ট্রিক্টলি বারণ। সিকির রঘুনাথগঞ্জের সেই জ্যোতিষী মেয়ের বাবা মা কে বলেছেন, তাকে নয়। তাছাড়া তার মৃত্যু ১০০% নিশ্চিত ছিলনা, কোনও মৃত্যুই নয়, তাও আগে বলেছি।

    তিনি জ্যোতিষ ছেড়ে দিয়েছিলেন। এটাও একটা অ্যাকসেপ্টেড নর্ম। আমার সেই আগের পোস্টে বলা অমুক কাকা ছাড়া অনেকেই তাই করেন। আগেকার জজ সাহেবরা যখন ফাউন্টেন পেনে লিখতেন, মৃত্যুদন্ড দেবার পর কলম ভেঙে ফেলতেন। আমার জানা অন্তত: দু জন, মৃত্যুর ডেট মিলে যেতে জ্যোতিষের ধার মাড়াননা, কারোর সঙ্গে জ্যোতিষ নিয়ে আলোচনাও করেননা।

    এর পরের যে ঘটনা, সেটি মন্ত্র তন্ত্রের ব্যাপার। স্ট্রিক্টলি অ্যাস্ট্রোলজির সঙ্গে সম্পর্ক নেই, তবে সন্ন্যাসী বা ব্বা গোছের লোকেরা অ্যাস্ট্রোলজি, পামিস্ট্রি, তুকতাক, অনেক কিছুই করতেন। টাইমস অফ ইন্ডিয়ায় রবিবারে এখন যিনি লেখেন, তিনিও এই ধরণের বিধান দেন। এই ব্যাপারে আমি কিছুই জানিনা।
  • saikat | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ১০:১২632244
  • লাভলি ! বাহ ! বেশ !

    রূপংকরবাবুকে বললাম। :-)
  • rupankar sarkar | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ১০:১৭632245
  • Saikat - ১৩ পাতা চলছে, একা টেনে যাচ্ছি, এই জন্যকি বাহবা ? :)
  • saikat | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ১০:২২632246
  • নিশ্চয়। সেই জন্যই। এসব ব্যাপারে জ্ঞানগম্যি আর ক'জনের আছে বলে মনে করেন ? :-)

    আমি যেমন কোনদিন জ্যোতিষী দেখাইনি বা হাত দেখাতে যাইনি। একবার অবস্থাগতিকে একটু ইচ্ছে হয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত যাইনি। কিন্তু এ ব্যাপারে যাকে বলে curiosity তো প্রচুর পরিমাণে।
  • aranya | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ১০:২৭632247
  • রুপঙ্কর বাবু, আপনি বলছেন 'জ্যোতিষ শাস্ত্রে যে দুর্ঘটনার কোন প্রতিকার নেই, তা বলা স্ট্রিক্টলি বারণ'। তার মানে, কিছু দুর্ঘটনার প্রতিকার আছে। আপনার অভিজ্ঞতা কি বলে - এটা কি সত্যি? সম্ভাব্য দুর্ঘটনার প্রতিকার মানে তো ভবিষ্যৎ পাল্টানো - এটা কি সত্যিই করা যায়? গেলে কি ভাবে - রত্ন ধারণ করে কিছু হয় না, তাহলে কি অন্য কোন ভাবে - পূজো আচ্চা করে?
  • rupankar sarkar | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ১০:৪৮632249
  • Saikat - ভাল ডাক্তার আর ভাল জ্যোতিষী আশচর্য রকমের বিরল এবং তাঁদের কার্যকলাপও ব্যাখ্যা করার মত নয়। দুটো গল্প শুনুন। আমার পরিচিত এক ব্যক্তি, আমার চেয়ে বয়সে অনেক বড়, ইঞ্জিনীয়র, এক সময়ে অদ্ভুত অসুখে ভুগছিলেন। সন্ধে হতেই জ্বর আসতো, খুব অল্প জ্বর। শারিরীক কষ্টও তেমন ছিলনা। সকাল হলেই জ্বর নেই। ছ'মাস ধরে চলছে। শরীরের কষ্ট প্রায় নেই বললেই চলে, কিন্তু কি হয়েছে বোঝা যাচ্ছেনা বলে তিনি মানসিক রোগী হয়ে পড়লেন। ৫০/৬০ জন ডাক্তার দেখানো হয়ে গেছে, কেউ কিস্যু ধরতে পারেনা। বিধান রায় তখন রীতিমত মুখ্যম্নত্রীর কাজে হাবুডুবু। অনেক চেষ্টা করে একজনের সুপারিশে একটা অ্যাপো পাওয়া গেল।

    তিনি গায়ে হাতও দিলেননা, নাড়িও দেখলেন না ( তখন স্টেথো আর নাড়ি দেখা ছাড়া ডাক্তারী হতনা)। খালি জিজ্ঞাসা করলেন, আফ্রিকা কবে গেছিলে ? দাদা আমতা আমতা করে বললেন সে তো বহু বছর আগে, যৌবনের গোড়া- বিধান বাবু কথা থামিয়ে একটা চিরকুটে একটা ওষূধ লিখে দিলেন, তার এত কম দাম, কিনতে লিজ্জা লাগত। এক সপ্তাহে জ্বর সেরে গেল।

    আমাদের পাড়ার বাবলুদা, অনেক ভাইয়ের মধ্যে একমাত্র হায়ার সেকেন্ডারী পাশ। ভগবান ব্যতিক্রম বোধহয় পছন্দ করেননা। বাজি ধরে বাইশ টাকার ফুচকা খেল। ( তখন এক আনায় ছ'টা দেয়, ষোল আনায় এক টাকা)। প্রচন্ড অসুস্থ। বিশাল বড়লোকের বাড়ি, কংগ্রেসের এক নেতা ধরে বিধান রায়কে আনা হল। তিনি গাড়ি থেকে নেমে বাড়ির গেটে একপা রেখেই পিছিয়ে এলেন। না: আর যাবনা। বাড়ির লোক স্যার স্যার করে পেছনে ছুটল, ডব্লিউ বি এ এক(১) নম্বর গাড়ি সাঁ করে চলে গেল। ঘণ্টা খানেক পর বাবলুদা মারা গেল।

    ডাক্তারী, টেকনিশিয়ানগিরি, জ্যোতিষ বিদ্যা যা-ই চর্চা করুন ডিগ্রী ছাড়া আর একটা অদৃশ্য জিনিষ লাগে।

    আমার নিজের এক্সপিরিয়েন্সে একটা লোকের খপ্পরে পড়েছিলাম, লোকটা আগাগোড়া ঠক, ভন্ড, প্রতারক তা জেনেও গেছিলাম। তার প্রেডিকশন এর কাছে সিকির জ্যোতিষী বাচ্চা। সে কিন্তু হাতও দেখতোনা, কুষ্ঠিওনা।
  • rupankar sarkar | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ১০:৫৩632250
  • অরণ্য - এ ব্যাপারে বলতে গেলে অনেক বলতে হবে, একটা নতুন ক®¾ট্রাভার্সির জন্ম নেবে। ( একটাই সামলাতে পারছিনা, তবু লড়ে যাচ্ছি, বলুন?)এখন কিছুক্ষণের জন্য ছুটি চাই, রান্না করতে যাব। পরে আসব আবার।
  • aranya | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ১১:১১632251
  • রুপঙ্কর বাবু, ক®¾ট্রাভার্সির ভয় করবেন না, প্রাণ খুলে লিখুন। প্রতিকারের ব্যাপার-টাই ইন্টারেস্টিং, না হলে শুধুমুধু ভবিষ্যত জেনে লাভ কি?
    আপনি দারুণ লিখছেন, আর একাও নন কিন্তু। প্রচলিত বিজ্ঞানের বাইরের ব্যাপার স্যাপার নিয়ে, আমি নিশ্চিত, আমার মত আরও অনেকেই কোতুহলী। আমরা অনেকেই আপনার সাথে আছি, নেহাত জ্ঞান গম্যি নেই বলে খাপ খুলতে পারছি না, কিন্তু সঙ্গে আছি ১০০%।
  • PT | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:২৯632252
  • একটা ব্যাপার বোধহয় মেনে নেওয়া ভাল। ভারতীয়রা ""মিস্ট্রি""-তে বিশ্বাস করে বা দেখতে ভাল বাসে। যে কারণে গণেশের দুধ খাওয়ার ব্যাপারটা এত সহজেই ঘটে। আর পিসিসরকার এতবার করে বোঝানোর পরেও সাঁইবাবার ""অলৌকিক"" কাজ-কম্মে আস্থা রাখে। (যারা পড়েনি তাদেরকে একবার অনুরোধ করব রাহুল সংকৃত্যায়নের বই-পত্তর একটু নেড়েচেড়ে দেখতে)। এইসব ""বিশ্বাস"" বাদ দিয়ে যদি জ্যোতিষচর্চা করা যেত তাহলে হয়ত ব্যপারগুলো আরও পরিষ্কার হত।

    উচ্চমাধ্যমিক পাস করা এক ছাত্রের ছক দেখে এক জ্যোতিষী বললেন: ৯৬% পেয়েছে? উত্তর: না ৭৬%। জ্যোতিষী বললেন: ই:, পরীক্ষার আগে যদি দেখাতেন তাহলে একটা হীরে পরাতে বলতাম -তাহলে সিওর ৯৬% হত!!

    আমার এক নিকটাত্মীয়ের জন্মছকে লেখা আছে যে জাতক বড় হয়ে চাকরী-বাকরি করে মা-বাবকে দেখাশুনো করবে ইত্যাদি। এই জাতকের বয়স এখন ৬০এর বেশী, সম্পুর্ণ পঙ্গু শুধু মাথাটি কাজ করে। সমস্ত ব্যাপারে দাদা-বৌদির ওপরে নিরভর্শীল। আমর সঙ্গে দেখা হলে নিজের থেকেই ঐ কুষ্ঠির কথা তুলে বিরক্তি প্রকাশ করে।

    বলবেন যে এই জ্যোতিষীরা ভাল নয় ইত্যাদি। ডাক্তার কি করে বাছতে হয় জানি, জ্যোতিষী বাছার পদ্ধতি কি?
  • rupankar sarkar | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ১৪:৪০632253
  • PT - ভাল ডাক্তারও বাছতে পারবেন কি ? কি দেখে ? ডিগ্রী, এক্সপিরিয়েন্স ?, রেকর্ড ? অপরের ক্ষেত্রে ভাল ফল? এগুলো দেখেই লোকে বাছে। কোনও জ্যোতিষীর চেম্বারে কেউ ধাঁ করে ঢুকে পড়ল দেখেছেন ? সেও তো মাসিমা বা বৌদির রেফারেন্সে। কিন্তু আমার কথা যদি শোনেন, সবই ডেসটিনি। আপনার ডাক্তারটি খুব ভাল পাবেন এবং তিনি আপনার অসুখ সারাবেন, এটাও সম্ভবত: ডেস্টিনড। তবে চেম্বারের জ্যোতিষী দেখাবেননা। লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি। ভাটপাড়া বা নৈহাটিতে বিলুপ্তপ্রায় ডাইনাস্টির যদি কেউ এখনও এই প্রোফেশনে টিকে থেকে থাকেন, একবার ট্রায়াল দিয়ে দেখতে পারেন। এঁরা মন রাখা কথা বলেননা। কথা বললেই বুঝতে পারবেন। শান্তি ভট্‌চাযের ছেলে এখন দেখেন শুনেছি। বাপের মত না হলেও খুব খারাপ হবেননা। তবে এঁরা এখন পিন পয়েন্ট প্রেডিকশন করেননা। দক্ষতাও নেই, ভয়ও আছে।

    ডাক্তারের কথা শুনবেন? আমার স্ত্রীর কথা তো পড়লেন আগে। মুম্বাইয়ের হিন্দুজা হাসপাতালে বিশাল হেমাটোলজিস্ট ডা: জোশী (সুনীল বোধহয়) তো একটা মেডিক্যাল বোর্ড-ই বসিয়ে ফেললেন। কোলকাতার যত হাজার হাজার টাকার ক্লিনিকাল রিপোর্ট ফেলে দিয়ে বললেন, এখানে আবার করান। তারপর সেই বোর্ড অনেক জল্পনা করে কি বলল জানেন ? এনার কোনও অসুখই নেই। আমি কুনাল সাহা হলে মামলা করতাম। আমার অত দমও নেই, পয়সাও নেই।

    একটা টোটাল ফ্রড ( জানতাম আগেই) সুদসেয়ার কিন্তু কিছু করতে পারুক না পারুক স্টেজ বাই স্টেজ ডেভেলপমেন্ট আমাকে বলে দিয়েছে সেই কবে। সব ফলেছে, স্টেজ বাই স্টেজ।
  • um | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ১৬:২৭632254
  • এই আলোচনা টা বেশ ভালো লাগছে।

    আমার এক দাদু (বাবার দিকে) ঘোর নাস্তিক ছিলেন। কিন্তু অল্পো বয়শে জ্যোতিষ্যের র্চচা করেন। অনেকের কাছে গল্প শুনেছি ওনার prediction মিলে যাবার কথা। অনেক বছর আগেই উনি র্চচা ছেরে দেন,

    কিন্তু উনি আমাদের পরিবারের কারোর কোন জন্মকুন্ডলী উনি করতে না করেছিলেন, কারোকে হাত দেখাতেও না করতেন। বলতেন "ও জেনে কনো লাভ হয় না। যা হবার তা হবে। নিজের যা করার করে যাও যদি র্কমে কিছু পালটায়"।

    আমার খুব অবাক লাগে ওনার মতো logical মানুষ কি ভাবে এটা র্চচা করেন। তাই পুরো টা অস্বীকার ও করতে প[রিনা।
  • rupankar sarkar | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ১৬:৫৭632255
  • দারুণ পোস্ট। পুরোপুরি সহমত।"ও জেনে কোনো লাভ হয় না। যা হবার তা হবে। নিজের যা করার করে যাও যদি র্কমে কিছু পালটায়"।
    অরণ্য লিখেছেন, প্রতিকাররি যদি না হয়, জেনে লাভ কি ? শুধু তো ক্ষতি বা দুর্ঘটনা নয়, ভাল জিনিষওতো জানা যায়, তাতে উদ্যম বাড়ে, জীবিনের গতি আসে, মন উৎফুল্ল হয়। অরণয় আপনি পড়ছেন কিনা জানিনা, প্রতিকার হয়, যাঁদের ক্ষমতা আছে, তাঁরা পারেন। এই একটু আগে একজনকে নিয়ে কিঞ্চিৎ বাগ-বিতন্ডা হচ্ছিল। আমি ওঁদের ঘনিষ্ঠ একজনের মুখে একটা গল্প শুনেছি। সে এখানে বললে আমার মুন্ডু থাকবেনা। শুধু এটুকু বলি, তাতে অন্যদিকে একটা বিশাল চেন কেটে যায়। তাতে পৃথিবীর ব্যালান্স নষ্ট হয়।

    ধরুন, একজন অপঘাতে মারা গেল। ধরুন তার হত্যাই হল। আপাতদৃষ্টিতে খুব খারাপ ঘটনা। ওদিকে পোলিটিকাল পার্টিরা ঝামেলা লাগিয়ে দিল, তাই দেখে সরকার ( রাজ্য বা কেন্দ্র) তড়িঘড়ি কমপেনসেশন দিয়ে দিল তিন লাখ। তাই পেয়ে তার হতদরিদ্র পরিবার আলোর মুখ দেখল, লোকটা বেঁচে থাকলে সারা জীবনে পঞ্চাশ হাজার রোজকার করতে পারতনা।

    এই ধরণের নানা ঘটনা, যা আপাতদৃষ্টিতে শোকবহ, তা কেমন অন্যদিকে ঘুরে যায় আমি নিজে দেখেছি। " যদি কর্মে কিছু পালটায় " ইজ আ গোল্ডেন স্টেটমেন্ট। ভাল কাজের কোনও বিকল্প নেই।
  • PT | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ১৭:১১632256
  • চেহারার কারণে যদি সোহিনীকে ঐ চরিত্রে মেনে না নেওয়া যায়, তাহলে ছিবড়ে মার্কা চেহারায় রুদ্রকে রাজা যযাতি বা বেঁটে বক্কেশর সুমন্তকে বিশ্বামিত্র বলে মানা যায়? নাকি এও এক ধরণের পুরুষতান্ত্রিকতা?
  • PT | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ১৭:১২632257
  • এ হে হে, এটা নাটকে যাবে ....
  • PT | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ১৭:৩৬632258
  • Rupankar
    ডাক্তারি বিদ্যার বর্তমান সীমাবদ্ধতার কারণে সেটাকে জ্যোতিষের সঙ্গে তুলনা করা যায় না। হাজার হাজার মানুষ medical science এবং drug discovery-র উন্নতিকল্পে একটা লড়াই জারি রেখেছে। আজকের আবিষ্কার কালকেই ভুল প্রমাণ হতে পারে এই মানসিকতা নিয়েই কাজ চলছে। জ্যোতিষের ক্ষেত্রে সেরকম কিছু একটা হচ্ছে না। চিকিৎসাধীন কিছু মানুষের মৃত্যু সত্বেও কোটি কোটি মানুষ এই চিকিৎসা শাস্ত্রের ওপরে নির্ভর করেই দিব্য বেঁচে আছে।

    সাদা লোকেরা যদি ""ডেসটিনি"" বলে কপাল চাপড়ে বসে থাকত তাহলে ভারতীয় সভ্যতা তার অন্যান্য বিদ্যার সঙ্গে জ্যোতিষ বিদ্যা সহ ম্যালেরিয়া, কলেরা আর যক্ষাতে নির্মূল হয়ে যেত। AIDS-এর মত মারাত্মক একটি রোগকে বাগে আনতে কি পরিমাণ চেষ্টা হয়েছে এবং চলছে সেটা বিস্ময়কর।

    আর বিধান রায়ের sixth sense-সম্পর্কে যে ঘটনাটির উল্লেখ করেছেন - রোগী দেখতে এসে না দেখে চলে যাওয়া- সেটা আজকের ডাক্তারদের পরিভাষায় প্রায় criminal negligence-এর পর্যায়ে পরে। আমরা আসলে mysticism ভালবাসি বলে এইসব ঘটনা আমাদের মনপসন্দ।

    জ্যোতিষশাস্ত্র বিজ্ঞান কিনা সেটা জ্যোতিষীদেরই প্রমাণ করে দেখাতে হবে।
  • rimi | ০৫ ডিসেম্বর ২০১১ ২০:৩৭632260
  • বিধান রায়ের ঘটনাটি পড়ে শিহরিত হলাম। এটা কি সত্যি ঘটনা? বিধান রায়ের হাতে কি কেবল এই একজন রুগীই মারা গেছে? নিশ্চয়ই না। তবে অন্যদের ক্ষেত্রেও কি উনি আগে টের পেয়ে চিকিৎসা বন্ধ করে দিয়েছিলেন?

    ভাগ্যিস সব ডাক্তার বিধান রায়ের মতন সাইকিক নয়!! এই ধরণের অপরাধ করেও ভগবান আখ্যা পাওয়া একমাত্র ভারতের মতন দেশেই সম্ভব!!!!!!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন