একক | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৭:৫৬433891
একক | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৭:৪১433890
দিলীপ ঘোষ | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৭:৩৬433889
এলেবেলে | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৭:১২433888@ও, এই শীলিত সাহিত্যের শীলিত ভাষার অন্যতম কারণ, ক্লিশে শোনালেও, উপনিবেশের ভূত। লেখকরা ওই ভাষাতেই অভ্যস্ত, পাঠকরাও। এই শুচিবাই বেশ কিছুদিন আগে পর্যন্ত সিনেমা-থিয়েটারেও ছিল। উৎপল দত্তও ওই শালা-বাঞ্চোৎ-শুয়োরের বাচ্চার বেশি ব্যবহার করতে পারেননি। শম্ভু মিত্রের তো প্রশ্নই নেই। এই পিউরিট্যান মানসিকতা বাঙালির সংস্কৃতির মজ্জায় মজ্জায়।
কবিতায় কিছুটা চেষ্টা হয়েছে বটে কিন্তু সেটাও খুব উল্লেখযোগ্য নয়।
g | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৭:০২433887
hakhaga | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৬:৫৫433886
g | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৬:৫৩433885
o | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৬:৫০433884
quark | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৬:২৭433883
এলেবেলে | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৫:৫৬433882*ওটা আর রবি ঠাকুরের গান নয়
এলেবেলে | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৫:৫৩433881অর্জুন জাস্ট ছেলেমানুষিই করছেন না, ভিক্টোরীয় শ্লীলতাতেও ভুগছেন। ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্র হয়েও আপনি এলিয়টের 'অবজেক্টিভ কোলিরেটিভ' ভুলে যাচ্ছেন কেন? বিষ্ণু দে যখন ‘ক্রেসিডা’-য় রবীন্দ্রনাথের ‘কাল রজনীতে ঝড় হয়ে গেছে রজনীগন্ধা বনে’ পঙ্ক্তিটি ব্যবহার করেন তখন সেটি আর কেবলমাত্র রবীন্দ্রনাথের থাকে না, তা একই সাথে বিষ্ণু দে-র পঙ্ক্তিও হয়ে যায়।
একই কারণে এলিয়ট তাঁর Tradition and Individual Talent-এ লিখছেন “ ... if we approach a poet without his prejudice we shall often find that not only the best, but the most individual parts of his work may be those in which the dead poets, his ancestors, assert their immortality most vigourously।”
এখানে রোদ্দুর রবীন্দ্রনাথকে ওই অবজেক্টিভ কোরিলেটিভ তত্ত্বেই ভেঙেছেন। রবীন্দ্রনাথের বহুল প্রচলিত লাইনে একটি আখাম্বা 'বাঁড়া' ঢুকিয়ে গানটিকে রোদ্দুরোচিত করেছেন। ওটা আর রবি ঠাকুরের গান, ওটা রোদ্দুর রায়ের গান। এখন তাতে সঙোস্কিতিমনস্কো বাঙালি হা-হুতাশ করছেন। কোন বাঙালি? না যে বাঙালি রবীন্দ্রনাথের চারুলতা পড়ে, নষ্টনীড় নয়। আপনি নিশ্চয়ই সেই বাঙালি শ্রেণিভুক্ত নন। তাহলে এত হা-হুতাশ কেন?
একটা ঝাঁকুনি দিতে চেয়েছে রোরা এবং সেই কাজে এখনও অবধি তিনি সফল। এবারে ক্রমাগত একঘেয়েমির শিকার হলে কালের নিয়মে তিনি এমনিই ফুটে যাবেন। নতুবা রয়ে যাবেন। দ্বিজেন্দ্রলালের এলিট স্যাটায়ার আপনি রোরাতে পাবেন না কারণ দ্বিজেন্দ্রলালের ক্যালিবার রোরার নেই। নেই তো নেই, থাকতেই হবে সেই মাথার দিব্যিও কেউ দেয়নি।
আর পোশাক নিয়ে যা বলছেন সেই রকম কোনও নিয়ম কোথাও দেখিনি। গান শোনার জিনিস, তা গায়ক লুঙি পরে গাইছেন নাকি পাজামা পরে সেটা আমার কাছে ম্যাটার করে না। আমিও দেবব্রত-সুবিনয় শুনেই বড় হয়েছি এবং সুবিনয় আমার অত্যন্ত প্রিয় শিল্পীও বটে। কিন্তু সবাই বেম্ভবাদী ঘরাণার হবে তা প্রত্যাশাই করি না।
PM | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৫:৪৮433880
অর্জুন | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৫:১৬433878আমার ফেসবুকে গিয়ে উঁকি দিয়েছেন যিনি তার উদ্দেশ্যে বলি, একজন তরুণীর পিঠে যে 'শব্দটি' পেন্ট করা ছিল সেটা আমার কাছে ভীষণ আপত্তিকর মনে হয়েছে। আর পোস্টটি একটি ? দিয়ে শেষ হচ্ছে।
আর আমরা যারা আপত্তি করেছি তারা কেউ পুলিশে খবর দিতে বলিনি। ভারসাম্যের এত অভাব!
আনন্দবাজার আমার অত্যন্ত প্রিয় প্রকাশক।
r2h | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৪:৫৩433877
T | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৪:৪৯433876
T | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৪:৪৬433875
কান | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৪:৩৫433873
:o? | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৪:৩৩433872
অর্জুন | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৪:২৯433871@PM, ফেসবুকে ট্রোলড হয়ে এখানে এসেছি। আজ্ঞে নাঃ। ফেসবুকে আমার পোস্টে যারা পক্ষে, বিপক্ষে বলেছেন তাদের content খুব ভাল। সেখানে বেশ ভাল মত আলোচনা হয়েছে। ১০০ জনের মধ্যে ৫ জন ভুল্ভাল বকলে কি এসে যায়! আমি মনে করি content is king।
এখানে সেটা হল না। কখনো হয়ও না। হবেও না।
আপনার কাছ থেকে এরকম মেসেজ আশা করিনি।
অর্জুন | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৪:২৪433870কান বাবু, ন্যাড়া বাবুর সম্পর্কে সার্টিফিকেট আপনার কাছ থেকে নিতে বাধ্য বোধ করলাম না। আমি জানি উনি ভাল গান এবং গানের সমঝদার। জহুরিকে জহর চেনাতে হয়না।
T | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৪:২০433869
S | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৪:১৯433868
অপু | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৪:১৫433867
কান | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৪:১৩433866কান তৈরীর লিস্টটা সেরকম কিছু না। আসলে ন্যাড়াবাবু সঙ্গীত বিষয়ে পণ্ডিত লোক, প্রাচ্য পাশ্চাত্য, লঘু ধ্রুপদী ইত্যাদি নিয়ে নানা সময় নানান আলোচনা করেছিন, নিজেও চর্চা করে থাকেন, আর এগুলো কোন অফলাইন ব্যক্তিগত খবর না, গুরুর পাতাতেই হয়েছে সব, লেখাপত্র আছে, ঐ ব্যাপারে তাঁর ক্রেডিবিলিটি তৈরী হয়ে আছে।
তাই, তাঁকে এই জিনিসগুলো বলতে হলে আগে নিজেরও কিছু ক্রেডিবিলিটি তৈরী করা দরকার, এরকম একটা ধারনা থাকা অস্বাভাবিক নয়।
হতেই পারে আপনারও সমউচ্চতার দক্ষতা ও জ্ঞান আছে। তবে এখানে অন্যদের সেটা নিয়ে ধারনা না থাকায় এই কথাগুলো হয়েছে।
অর্জুন | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৪:০৮433865মা বললেন 'দক্ষিণী' তে শুধু শাড়ি আর ধুতির ব্যাপার নয়। মেয়েদের শাড়ি আঁচল কাধ অবধি জড়িয়ে বসতে হত এবং ছেলে, মেয়ে দুজনকেই ধুতি ও শাড়ি দিয়ে পা ঢাকতে হত।
শুভ গুহঠাকুরতা নিজে প্রত্যেকটা ঘরে গিয়ে সুপারভাইজ করতেন। গানের ক্ষেত্রেও উনি অতটাই কড়া ছিলেন।
এবার এটা শুনে আরো লাফালাফি শুরু হবে।
@ন্যাড়া, সুবল শিকদারের নাম শুনেছেন কিনা জানিনা। আমি যখন সরোদ শিখতাম উনি তখন একটা লিস্ট করে দিয়েছিলেন vocal ও instrument শিল্পীদের। বাবাকে জিজ্ঞেস করে জানাব। অবশ্য আপনি এটা সিরিয়াসলি জানতে চাইলেন কিনা জানিনা। আপনার দেওয়া লিঙ্কটা সময় মত পড়ে জানাব।
o | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৪:০১433864
অর্জুন | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৪:০১433863এখানে একটা মজা আছে। সবাই নিজেকে পলিটিক্যালি ইনকারেক্ট। কিন্তু এক সহযোগে সকলের 'হারেরে' তিড়িং বিড়িং দেখে এদের অ্যাকচ্যুয়াল পলিটিক্যাল কারেক্টনেসটা ধরা পড়ে যায়!
ন্যাড়া বাবুর এক ফলোয়ারের (চলতি বাংলাটা আর বললাম না) বড্ড আপসোস ন্যাড়া বাবু গানের কান তৈরির জন্যে আমার কাছ থেকে লিস্টি চেয়েছেন! :-(
কি করা যাবে !
আবার কারো কারো মুগল দরবারে যেতে না পারার সুযোগ না পাওয়ায় কি বেদনা!
pi | ০৭ মার্চ ২০২০ ১৪:০০433862