এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সর্ষেবাটা মোচাবাটা চিতলের মুইঠ্যা ইত্যাদি ইত্যাদি (৩)

    Abhyuday Mandal
    অন্যান্য | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১০ | ১১২৩৩৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Tim | ০৪ জুন ২০১২ ১৩:০২433951
  • হারপিকে ম্যারিনেট করে টিকটিকির রোস্টের একটা রেসিপি আছে। ম্যাগির সাথে সাইড ডিশ হিসেবে খেতে হয়।
  • একক | ০৪ জুন ২০১২ ১৫:৩৩433952
  • আফ্রিকা তে জাগুয়ার নাই. ওটা চিতা হবে.
    আর গান্ধী যেটা খেয়েছেন সেটা মনে হচ্ছে "মধুপর্ক" নাম দিয়ে বানানো একটি আধুনিক মিষ্টি-বিশেষ.

    @টিম : এইযে টিকটিকির রোস্ট



    আমার কাছে টিকটিকির টিকিয়া -র রেসিপি আছে. পরে লিখবো :)
  • গান্ধী | ০৪ জুন ২০১২ ১৫:৪০433953
  • না না অন্যকিছু নয়

    ঘি-দই এইসবই দিয়েই হয় সেই মধুপর্ক। দইয়ের মতো ভাঁড়ে করে দেয়। কিভাবে বানায় জানিনা, কিন্তু খেতে বেশ ভালো। অবশ্য মিস্টি মাত্রেই ভালো
  • byaa`m | ০৪ জুন ২০১২ ১৯:৩৩433954
  • হে সম্পাদকমন্ডলী,
    দয়া করে একক আর টিমকে এই টই থেকে ব্যান করুন।
    অত্যাচারিতা পাঠিকার এই প্রার্থনায় দয়া করে কর্ণপাত করে একক এবং টিমের অত্যাচার বন্ধ করতে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
    ইতি
    নিপীড়িতা ব্যাং
  • kumu | ০৪ জুন ২০১২ ১৯:৩৯433955
  • ইয়েস,আমি ব্যাঙের প্রস্তাব সর্বান্তঃকরণে সাপোট করি।
  • aka | ০৪ জুন ২০১২ ১৯:৪৫433956
  • সিংহের চপটা গুচ্ছ দিয়েছে।
  • Tim | ০৪ জুন ২০১২ ২০:৩৮433957
  • ইকিরে! কুনো ফ্রিডম অফ স্পিচ নাই। তাও এখনও ভালো ভালো অথেন্টিক রেসিপিগুনো দিই নাই।
  • kc | ০৪ জুন ২০১২ ২১:৪৯433958
  • এই একটা টইই বোধ হয় ঠিক ঠাক ছিল। হালাগুলান হেইডাকেও অশুচি করে দিল। ঃ-(
  • প্পন | ০৪ জুন ২০১২ ২১:৫৪433959
  • ব্যাংটা স্বৈরতন্ত্রী আছে। ফ্রিডম অফ স্পিচে বিশ্বাস রাখে না।
  • pi | ০৪ জুন ২০১২ ২২:৪৭433961
  • আর আমি ওদিকে হাতির মাথার রেসিপি শুনবো বলে বসে !
    তাছাড়া টিমের কাছেও সুরুয়া নিয়ে প্রশ্ন ছিল।
  • Tim | ০৪ জুন ২০১২ ২৩:০২433962
  • কি পোশ্নো? রামে ভেজবে কিনা? না রামে ভিজিও না, ভিনিগারই ভালো। একটু কুচি কুচি করে কাঁচালঙ্কা কেটে দিও সাথে। বাকি বিবরণ রেসিপির সাথে বলবো।
  • Tim | ০৪ জুন ২০১২ ২৩:০৪433963
  • আমি নয় নাই লিখলাম, কিন্তু এককের রেসিপিগুলো যেন না থামে।
  • aka | ০৪ জুন ২০১২ ২৩:০৬433964
  • সিংহের চপ একটা পাথব্রেকিং কাজ। ঃ)
  • aranya | ০৪ জুন ২০১২ ২৩:০৮433965
  • একক আর তিমির রেসিপি পড়ে বড় আমোদ পেলাম, কিপ ইট আপ ঃ-)। অবিশ্যি বন্যপশু হত্যার প্ররোচনা দেওয়ার জন্য দুটোকেই জেলে যেতে হবে - সেটা অন্য ব্যাপার।
  • pi | ০৪ জুন ২০১২ ২৩:১৪433966
  • না, রাম-ভিনিগার নিয়ে না। আমি আসলে জানতাম ঐ সুরুয়া কেবল চাঁদনি রাতে বানানো যায়। ফুটে ওটার পর কয়েক ফোঁটা জোছনা না পড়লে স্বাদটা নাকি ঠিক আসেনা। শোনা কথা অবিশ্যি।
    তুমি পরপর পনের দিন খেয়েছো বলাতে অদ্দিন প্রিজার্ভ করে কীকরে, তাই নিয়ে কোশ্চেন ছিল।
  • Tim | ০৪ জুন ২০১২ ২৩:২৬433967
  • মাসাইদের ট্যাঁকে ( তা সে যত অদৃশ্যই হোক ) একটা ছোট কাঠের শিশি (হোমিওপ্যাথিক শিশির মত সাইজ) ঝোলে। সেথায় রাখা থাকে একটিপ ডাইলিউটেড খাখা। খাখা কি জিনিস জানো তো? কিলিমাঞ্জারোর গোড়ার দিকে আকাশমুখো এক গর্ত আছে, তিরিশ ফুট গভীর। সেই গর্তের ভেতরের দেওয়ালে একরকম ফ্লুওরোসেন্ট শ্যাওলা হয়, সেই শ্যাওলার নির্যাস। ঐ নির্যাস খুবই কনসেন্ট্রেটেড অবস্থায় থাকে, তাতে মেশাতে হয় ঘাসের দানা সেদ্ধ করে উদ্বৃত্ত থেকে যাওয়া জল আর মাসাইমারি অরণ্যের এক বিশেষ বুনোলতার রস, স্থানীয় নাম ফাস (খ্যাল করবেন, চন্দ্রবিন্দু নেই)। সেই আরক একফোঁটা ফেলে দিলেই যেকোনো সুরুয়া দীর্ঘদিন ঠিকঠাক থাকে। লুইবাবু এসব গুহ্য কথা জানলে আর জ্বালানী খরচ করে এসব টেক নো লজিক আবিষ্কার হতনা।
  • pi | ০৫ জুন ২০১২ ০৭:৫৫433968
  • ফাস আর খাখার কথা তো জান্তামই না ! অবহিত করানোর জন্য অনেক ধন্যবাদ টিমবাবু।
    তবে ঘটিমতে ফাঁস চলবে তো ?
  • pi | ০৫ জুন ২০১২ ০৭:৫৬433969
  • name: একক mail: country:

    IP Address : 24.99.127.172 (*) Date:05 Jun 2012 -- 12:06 AM

    টাক মসালা :
    ~~~~~~~~

    প্রথমে একজন জ্ঞানীগুণী টাক-মাথা লোক কে পাকরান . স্ট্যাট-ফিসিক্স-ন্যানোটেক এদের কে এড়িয়ে যাবেন. চাডডি হলে খুব ভালো . মাথায় স্নেহপদার্থ বেশি থাকবে.

    এবার তাকে মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র আওড়াতে আওড়াতে একটা সিনটেক্স -এর ট্যাঙ্ক এর ভেতর ঢুকিয়ে দিন.
    ঢুকতে চাইবেনা . ঘাড়ে দুটো রদ্দা দেবেন . কাজ না হলে আমেরিকার ভয় দেখাবেন. তাতেও কাজ না হলে বলবেন "দিদি আসছে" . এটা বললেই সে নিজেই ট্যাঙ্ক এর মধ্যে সেঁদিয়ে যাবে.

    এবার তার টাকমাথা টা ট্যাঙ্ক এর বাইরে বার করে সেট করে একটা বেল্ট দিয়ে আটকে দিন.

    ২০০ গ্রাম পুদিনা পাতা বাটুন . ৫০ গ্রাম কারিপাতা . দুটো পাতিলেবুর রস . দু চামচ শুকনো লঙ্কার গুঁড়ো নিন. পরিমানমতো নুন মিশিয়ে একটা ভালো আচার বানিয়ে নিন . পছন্দমাফিক আরো জিনিষ মেশাতে পারেন. কথায় বলে : আচার আপনা আপনা !

    এবার একটা ভালো হাতুড়ি আর স্কালপেল নিন . (ল্যাবারু রা ল্যাবে পেয়ে যাবেন )
    টাক মাথা টাকে ভালো করে দাগিয়ে নিয়ে হাতুড়ি দিয়ে টুক টুক করে ফাটান . চামচে করে আচার নিয়ে ঘিলুতে মেশান .তুলে তুলে খান . যদি পেট ভরে যায়, নারকোল খোলের মতো করে টাক টাকে ঢাকা দিয়ে রাখুন. পরে আবার খেয়াল খুশি মতো খোল খুলে ঘিলু খাবেন মশলা মাখিয়ে .

    বি : দ্র : মানবতা পরম ধর্ম . যার ঘিলু খাচ্ছেন সে ইন দা মিন টাইম বোর ফীল করতে পারে . তাই ট্যাঙ্ক এর ভেতরে একটি ল্যাপটপ দিয়ে দেবেন তার সঙ্গে . বসে বসে গুরু-র ভাট পড়বে . ভাট কর
  • আম | ০৫ জুন ২০১২ ০৮:৩৫433970
  • ভ্যাঁ :( কেউ ভাল রেসিপি দেয় না :( আমি রান্না শিখমু ভাবলুম যে :(
  • Tim | ০৫ জুন ২০১২ ০৮:৪৭433972
  • নাহ্‌, রেসিপিটা দিয়েই দি। খুনটুন হয়ে গেলে এই স্বর্গীয় খাবার আপনারা মিস করবেন। সকলের তরে সকলে আমরা ইত্যাদি। যাই হোক, রেসিপিটা সিংহের নখ আর হাড় দিয়েই ভালো হয়, তবে অভাবে অন্য জন্তু দিয়েও করে দেখতে পারেন। সিংহের, বিশেষতঃ পুসির মজ্জায় একরকম বিশেষ রাসায়নিক থাকে, সেজন্যে সুরুয়াটি অতীব সুস্বাদু হয়। অন্যদের, (যেমন কিনা চিতার, বা রয়্যাল বেঙ্গল বাঘের), নখের জন্য একটু ধনেপাতা বেটে গোলাপজল আর ধুনোর সাথে (সমান অনুপাতে তিনটেই) মিশিয়ে নামাবার আগে পাঁচফোটা করে মিশিয়ে দিতে হবে। যাক এবার রেসিপি।

    এক কিলো নখ ও হাড় ও চর্বির মিশ্রন নিন (চর্বি ২০০ গ্রাম, হাড় ৪০০ গ্রাম, নখ ৪০০ গ্রাম)। একটা বাটিতে হরিণের শিং ঘষা জল (শিংটা খয়ে অর্ধেক হতে হবে), শামুকের খোলবাটা আর শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো করে গুলে রাখুন। সাথে দিন টকদই। কাঠকুটো জড়ো করে আনুন। আগুন জ্বালান। এইসব করতে গিয়ে বেঘোরে মরেফরে যাওয়ার ব্যাকাপ প্ল্যান হিসেবে উপকরণগুলোর ও অন্যান্য স্থাবর অস্থাবর জিনিসের একটা বিলিবন্দোবস্ত করে রাখুন আগে থেকেই। গুরুতেও একটা আলভিদা ইত্যাদি শোকস্তব্ধ পোস্ট করে রাখুন, আমরা জামাইকা ফেয়ারোয়েল চালিয়ে দু ফোঁটা চোখেজ্জল ফেলি। তারপর কাজে নামুন। মানুষ সেদ্ধ করা যায় এরকম একটা বড়ো ধাতব পাত্রে দুশো গ্রাম চর্বিটা দিন। চর্বি গলে গেলে তাতে দিন রসুন আর কারি পাউডার। জিনিসটা একটু শুকিয়ে এলে দিন বাটিতে গুলে রাখা মিশ্রণ দিয়েই নখ আর হাড়গুলো দিয়ে দিন। অল্প আঁচে পরিমাণমত জল ও নুন দিয়ে ( নুনের অভাবে ঘাম বা চোখের জল হলেও চলবে, সব জায়গায় নুন পাওয়া যায়না বলে মাসাইরা ইন জেনেরাল ঘামটাই প্রেফার করে) চাপা দিয়ে বসিয়ে রাখুন। সময় কাটতে না চাইলে কার্টুন আঁকুন, আসেপাশের লোক (থাকলে ভালো) বা জন্তুদের দেখান। জন্তুরা কার্টুন দেখলে খেপে যায় অনেক সময়। সব কিছুরই মাত্রা আছে, বুঝে চলবেন।
    যাই হোক রান্নাটা দুপুর নাগাদ শুরু করেছিলেন কি? তাইলে খেয়াল করুন সামনের বাওবাব গাছের মাথায় চাঁদ লাগলো কিনা। লাগলে সুরুয়া নামিয়ে ফেলুন। গায়ের জোরে না কুলোলে আগুনের আঁচটা কমিয়ে দিয়ে পাশেই আয়েস করে বসে বসে খান। শুধু তরল জাতীয় জিনিস খেতে খেতে একঘেয়ে লাগলে বেছেবুছে দু চাট্টে পোকাটোকা ধরে ফেলে নিন। স্যুপে দেওয়ার জন্য এর চেয়ে ফ্যান্সি ক্রুটন আর কোত্থাও পাবেন্না, তায় ভালো প্রোটিন সোর্স। তবে গবাদি পশু প্রচুর, তাই গোবরে পোকাদের বুঝেসুঝে নেবেন, ওদের গন্ধে সুরুয়ার ফ্লেভারটা যেন না চটকে যায়। প্রিজার্ভেশনের জন্য আরকটা বানিয়ে রাখবেন আগে থেকেই। খাওয়ার পরে লেফ্টওভারে ওটা দিয়ে দিতে ভুলবেন্না। ব্যস, একদিন থেকে একমাসের মত প্রয়োজনীয় রসদ আপনার নখদর্পণে ( পান আনইন্টেন্ডেড)। এখানকার পরিমাণগুলো পনেরোদিনের জন্য। আজ অবধি কারুর এর চেয়ে বেশিদিনের জন্য সুরুয়াটি লাগেনি, তাই প্রকৃতির ভারসাম্যের কথা ভেবে পনেরোদিনের জন্যই বানান।
  • aishik | ০৫ জুন ২০১২ ১০:০৪433973
  • স্রেফ ভাবা যায় না
  • aranya | ০৫ জুন ২০১২ ১০:০৮433974
  • টিম ঃ-))। ঘ্যামা হচ্ছে, একক-ও গর্বিত হবেন, সিংহের চপের অ্যাপ্ট সিকুয়েল।
  • সায়ন | ০৫ জুন ২০১২ ২২:৫১433975
  • কেকেদি' তুলে দিলাম।
  • kk | ০৫ জুন ২০১২ ২৩:০০433976
  • তড়কা দাল --
    কালো মুগ ও উরদ ডাল (২:১ রেশিওতে)রাতভর ভিজিয়ে রাখো। উরদ ডাল জানো তো? কলাইয়ের ডাল বা বিউলির ডাল। রান্নার সময় একটা গভীর পাত্রে এই দুই ডাল নুন, হলুদ ও বেশ অনেক খানি আদাবাটা দিয়ে সেদ্ধ করতে বসাও। অন্য একটা পাত্রে তেল গরম করে গোটা জিরে আর শুকনো লংকা ফোড়ন দাও। এতে পেয়াঁজ কুচি দিয়ে ভাজো, রঙ ধরলে রসুন কুচি দাও। অনেকে আদাবাটাটা এই সময়ে দেন, কিন্তু আমি করে দেখেছি ডালের সাথে সেদ্ধ করলে বেশি ভালো হয়। আচ্ছা, পেয়াঁজ রসুন কষা হলে ওর মধ্যে টমেটো কুচি দাও, কাঁচা লংকা চিরে দাও। এই সঙ্গেই ধনে গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো আর গরমমশলার গুঁড়ো দাও। ভালো করে নাড়ো চাড়ো, সামান্য নুন দাও। নুনটা আন্দাজ করে দিতে হবে, ডালেও নুন দেওয়া আছে তো, তাই সাবধান। টমেটো গলে গিয়ে, মশলার কাঁচা গন্ধ কেটে গেলে এই সমস্ত মশলাটা ডালের মধ্যে ঢেলে মিশিয়ে দাও। ধনেপাতা কুচিয়ে দিয়ে দাও। আর একটা সিক্রেট ইনগ্রেডিয়েন্ট আছে। এক বড় চিমটি কসুরী মেথি ভালো করে হাত দিয়ে ঘষে দিয়ে দাও। নেড়ে চেড়ে ঢাকা দিয়ে রাখো যতক্ষণ না ডাল পুরো সেদ্ধ হয়ে যায়। খাবার আগে বাটিতে তুলে সামান্য ঘি ছড়িয়ে পরিবেশন করো।
  • একক | ০৫ জুন ২০১২ ২৩:০৫433977
  • সুরুয়া অসাধারণ ! ১৫ দিনের বেশি খাওয়ার দরকার পরবেনা . পেটরোগা চন্ডাল দের জন্যে ৫ দিন আদর্শ .
  • সায়ন | ০৫ জুন ২০১২ ২৩:০৯433978
  • কেকেদি', বিইশাআল থ্যাঙ্ক্যু! আমি অনলাইন রেসিপিগুলো দেখে ঠিক ভরসা পাচ্ছিলাম না। ইউ সেভড মিঃ-)
  • maximin | ০৫ জুন ২০১২ ২৩:১৮433979
  • উরদ ডাল তো জানি। কিন্তু কালো মুগ?
  • SS | ০৫ জুন ২০১২ ২৩:১৯433981
  • এইরকম তড়কা বানিয়েছি আগে।
    মুগ ডাল আগে থেকে ভিজিয়ে রেখে, পরে প্রেশার কুকারে সেদ্ধ করে রাখো। সেদ্ধ করার সময় একটু আদাবাটা, নুন আর লংকাও দিতে পারো। এবার আলাদা করে জিরে ফোড়ন দিয়ে তাতে পেঁয়াজ-রসুন ভাজো, মসলা দাও, জিরে, ধনে, আদাবাটা ইত্যাদি। ভাজা হলে ডালটা তাতে দিয়ে কম আঁচে অনেকক্ষণ ধরে রান্না করো। ডিম একটা আলাদা পাত্রে ভেজে ছোট্ট ছোট্ট টুকরো করে তাতে দিয়ে দাও (এটা প্রথমেও সেরে রাখতে পারো তালে আলাদা পাত্র লাগবে না)। বড়িতে যদি কসুরী-মেথি থাকে তাহলে একটু দিলে ভালো টেস্ট হয়।
  • সায়ন | ০৫ জুন ২০১২ ২৩:১৯433980
  • name: SS mail: country:

    IP Address : 141.193.196.214 (*) Date:05 Jun 2012 -- 10:57 PM

    এইরকম তড়কা বানিয়েছি আগে।
    মুগ ডাল আগে থেকে ভিজিয়ে রেখে, পরে প্রেশার কুকারে সেদ্ধ করে রাখো। সেদ্ধ করার সময় একটু আদাবাটা, নুন আর লংকাও দিতে পারো। এবার আলাদা করে জিরে ফোড়ন দিয়ে তাতে পেঁয়াজ-রসুন ভাজো, মসলা দাও, জিরে, ধনে, আদাবাটা ইত্যাদি। ভাজা হলে ডালটা তাতে দিয়ে কম আঁচে অনেকক্ষণ ধরে রান্না করো। ডিম একটা আলাদা পাত্রে ভেজে ছোট্ট ছোট্ট টুকরো করে তাতে দিয়ে দাও (এটা প্রথমেও সেরে রাখতে পারো তালে আলাদা পাত্র লাগবে না)। বড়িতে যদি কসুরী-মেথি থাকে তাহলে একটু দিলে ভালো টেস্ট হয়।
  • kk | ০৫ জুন ২০১২ ২৩:২০433984
  • ম্যাক্সিদি, কালো মুগ না হলে গোটা সবুজ মুগ দিয়েও ভালো হয়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে প্রতিক্রিয়া দিন