এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • I | ২৪ মে ২০১৩ ০০:১৩611929
  • ওম্মা ! ভোট দেয় যে ঐবয়সে !
  • a x | ২৪ মে ২০১৩ ০০:১৬611930
  • ঃ-))
  • প্রণব রায় চৌধুরী | ২৪ মে ২০১৩ ০০:১৭611931
  • বাঃ ! অনেক মন্তব্য পড়েছে দেখছি। কিন্তু দেখলাম সবাই ব্যাপারটা ব্যাক্তিগত ভাবে নিয়েছে। মানে কোন এক ব্যাক্তির এই অধিকার বা অন্য কোন অধিকার থাকা উচিৎ কি না। তবে যেহেতু মানুষ একা বাঁচে না, বুদ্ধি খাটিয়ে - স্বার্থপর হওয়া সত্ত্বেও - অনেকে মিলে সমাজ বানিয়ে থাকে। তাই ব্যাক্তিগত অধিকারের থেকে সামাজিক অধিকারটা বড় বলে আমি মনে করি। আমার বা যে কোন লোকের কি অধিকার থাকবে বা থাকবে না তা সমাজ ঠিক করবে বলে আমি মনে করি। আসলে প্রত্যেক দেশে প্রত্যেক কালে - এমন কি এই আধুনিক কালেও - তাই হয়। সবার সব অধিকার থাকে না যদি না সমাজ তার অনুমতি দেয়। তা এখানেও আমি সমাজের বা তার প্রতিনিধি সরকারের অনুমতিটাই বড় বলে মনে করি। তা যদি যাদের সম্বন্ধে এটা লাগু হবে তারা সমাজের কোন কাজে না আসে বা উলটে বোঝা হয়ে যায় তবে তারা নিজেরা যদি চায় - বা তারা সে অবস্থায় না থাকলে যদি তাদের আত্মীয়, ডাক্তার বা কোন কমিটি এটা চায় - তবে অনুমতি দেওয়াটাই আমি যুক্তিযুক্ত মনে করি। তবে এর সাথে আত্মহত্যার কোন সম্পর্ক নেই। সমাজ কোন ভাবেই যে কোন লোকের আত্মহত্যার অনুমতি দিতে পারে না কেননা তাদের মধ্যে অনেকেই নানা কারণে নানা ভাবে নানা সময়ে সমাজের কাজে আসে বা আসতে পারে। তাদের আত্মহত্যা করার অধিকার থাকলে সমাজের ক্ষতি। তাই সে অধিকার সমাজের না দেওটাই মঙ্গল।
    এটা ঠিক আমি খুবই খারাপ কবিতা লিখি বা আমার লেখাগুলো কবিতাই হয় না। সবাই বলে ছন্দ আর ভাব সম্বন্ধে কোন ধারণাই আমার নেই। তাও এই কবিতা লেখার ঠ্যালায় অনেক সময়েই আমার ভিতরের চিন্তাগুলো ঠিক মত সোজা পথে বেরিয়ে আসে। আর তাই আমি বিশ্বাস করি কিছু চিন্তা আমার মাথায় থাকলেও আমি অন্যদের সাথে ভাগ করতে পারতাম না যদি না এই অখাদ্য কবিতার রাস্তায় না যেতাম। তাই কবিতায় importance না দিয়ে চিন্তায় দেবে এই আমার অনুরোধ।
    অনেকে অনেক রকম মন্তব্য করেছে। আলাদা করে সবাইকে তার মন্তব্য সম্বন্ধে লিখতে পারলাম না। সব মিলিয়ে আমার ফিরতি মন্তব্য ওপরে লিখেছি। কারুর যদি আরও কিছু বলার থাকে, দয়া করে বল, আমি সাধ্য মত তক্ক করব।
  • ranjan roy | ২৪ মে ২০১৩ ০০:২১611932
  • এই ইস্যুতে আমার ভাবনা অক্ষদার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যাচ্ছে, মায় দ্বিধাদ্বন্দ্বের জায়গাটুকুও।

    আর এই জায়গাটা? আন্দামানে স্টীমারে করে নীল সমুদ্রে ভেসে যেতে যেতে মনে হত ঝাঁপ দিই/ দিই ঝাঁপ এই অতলে? তারপর সম্বিত ফিরে পেয়ে পড়িমড়ি করে সরে আসি রেলিং এর ধার থেকে, নিজের ওপর বিশ্বাস থাকে না। আবার যদি?
    মেট্রো রেলের খালি প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে মনে হয়-- নীচে নেমে যাই, ওই মোটা কেবল্‌টাকে জড়িয়ে ধরি?
    বাঙ্গো বাঁধ যাওয়ার পথে কেন্দুয়া জলপ্রপাত দেখতে দেখতে মনে হত ওই ঘনসবুজ শীতল খাদে ঝাঁপ দিই?
    এগুলোকে কি বলব, মানে অধিকার ইত্যাদি?
  • kk | ২৪ মে ২০১৩ ০০:২৯611933
  • ওঃ আমি যাই ভাবছি ইন্দোদা দেখছি তাই লিখে দিচ্ছে!
  • I | ২৪ মে ২০১৩ ০০:৩৩611934
  • তব্বে! হুঁনপঁচাশের ধিঙ্গিপদ বন্দুক বলে কথা।
  • kk | ২৪ মে ২০১৩ ০০:৩৮611936
  • সেই তো !
  • I | ২৪ মে ২০১৩ ০০:৩৮611935
  • প্রণববাউ বড় সমাজ-সমাজ কত্তেছেন। ওঁয়ারে ধরে কামু-কাফকা মস্তিষ্ক্প্রক্ষালন ঘরে ঢোকাতে হবে।
  • a x | ২৪ মে ২০১৩ ০০:৪১611937
  • রোজ গাড়ি চালানোর সময় আমার মনে হয়, দিই পুরো অ্যাক্সিলেটরে পা এক্দম চেপে ঐ গাছটায় বা বাড়িটায় ধাক্কা মেরে? বা ঘুরে ঘুরে ওঠা পার্কিং লটে মাঝে মাঝেই ভাবি সোজা চালিয়ে অ্যাক্সিলরেটর থেকে পা না সরিয়ে যদি ঐ ধারটা একদম ভেঙ্গে বেরিয়ে যাই? তবে এসবই বোধহয় ডিপ্রেশনের অংশ।
  • I | ২৪ মে ২০১৩ ০০:৪৪611940
  • পিসি-ভাইপোর নিউরাল সার্কিট তরঙ্গ আদান-প্রদান করছে। তবে ভাইপো ঐরকম ধ্বংসাত্মক কিছু ভাবে না। সে কেমনধারা এলিয়ে পড়ে। পিসি নিশ্চয় এমনধারা ভাইপো দুচক্ষে দেখতে পারবে না।

    মাইরি বলছি, একদিন পিসি'র সঙ্গে দেখা করতে ইচ্ছে করে খুব।
  • rabaahuta | ২৪ মে ২০১৩ ০০:৪৪611939
  • এইকথাগুলি শুনলে বেশ একটা গুষ্টিসুখ হয়।
  • Zn | ২৪ মে ২০১৩ ০০:৪৫611941
  • গাড়ী জিনিসটাই একটা ইয়ে। টেনশান জেনেরেটর! ও জিনিস প্রোগ্রামড হয়ে যাওয়া উচিত। প্রোগ্রামড গাড়ী চলবে, মালিক ব্যাক সীটে বসে গান শুনবে বই পড়বে বা টিভি দেখবে। গন্তব্যে পৌঁছলে ঠিকঠাক পার্ক হয়ে যাবার পরে মালিক সব নিভিয়ে টিভিয়ে নেমে পড়বে, গজেন্দ্রগমনে আপিসে ঢুকবে বা ঘরে ঢুকবে।
  • I | ২৪ মে ২০১৩ ০০:৪৬611942
  • এক্ষুণি হুতোর হিসেবনিকেশ - লেখা পড়ে ভাবছিলাম-রবাহুতো গো রবাহুতো, আমি তোমারি দলে।
  • Zn | ২৪ মে ২০১৩ ০০:৪৯611943
  • রবাহুতোর লেখা "ফান্ডের কোনো ফান্ডা নেই" পড়ে উলুটিপালুটি খেয়ে হাসলাম। দারুণ! একদম মনের মতন কথা। ঃ-)
  • riddhi | ২৪ মে ২০১৩ ০০:৫৬611945
  • আত্মহত্যা ব্যাপারটাকে আঁতলামি করে আমাদের সমাজে খুব তোল্লাই দেয়া হয়েছে। তার থেকেও প্রচুর সমস্যা আসে।
  • riddhi | ২৪ মে ২০১৩ ০০:৫৬611944
  • আমি আমার মতামত সংক্ষেপে বলি।
    যারা ব্যক্তি-স্বাধীনতা বলছেন তাদের উদ্দেশ্য। ধরুন কেউ গিয়ে বল্ল, নিজের হাতে ছুড়ি মারতে তার ভাল লাগছে, অনেক কাউন্সেলিং করার পরেও গেল না, তাকে কি বলা হবে যা ইচ্ছে তাই করুন। অক্ষদার প্রশ্নটারি বা উত্তর কি? কি করে ডিসাইড হবে কে ম্যাচিওর কে ম্যাচিওর না।
    আত্মহত্যা যে চাইছে সে মনে করছে মরে যাওয়াই বেটার ওপশান। কেন বেটার? হয় একটা সমস্যা, ভয়, বা ধরুন কিছু চাহিদা যেমন পাওলি ছাড়া সে বাঁচবে না। (বুঝতে পারছি, এটা খুব গোদা লাগবে, পরে বলব, কিন্তু বিশ্বাষ করুন, আত্মহত্যার পছেনে আর কোন ভেগ কারণ হয় না, আঁতেল রা যতই বলুক)। লজিকালি শারীরিক ভাবে সে বাঁচতে পারে। এখানে না চাওয়ার ছদ্মবেশে একটা প্রবল রকম 'চাওয়া' আর 'ভয়' আছে। সেই ভয় বা চাওয়া কিছু ভেগ না, টার্গেটেবেল। কারণ ওগুলো সমাজ থেকেই আসছে। বা নিজের শরীর থেকে। যদি এটাকে ইগনোর করা হয়, তাহলে সব মানসিক রোগীদের কিছুদিন পর ইগ্নোর করা উচিত।
  • I | ২৪ মে ২০১৩ ০০:৫৯611946
  • মোটেও তোল্লাই দেওয়া হয় নি। সমাজ যথেষ্ট আত্মহত্যা-বিরূপ।
  • I | ২৪ মে ২০১৩ ০১:০১611947
  • রিদ্ধির ১২. ৫৬-র শেষ লাইন বুঝতে পারলাম না।
  • I | ২৪ মে ২০১৩ ০১:০৪611948
  • যাগ্গে, এক নম্বর টইটা ডিরেইলড হয়ে যাচ্ছে-তার জন্য আমিই প্রথমে দায়ী। আর দুনম্বর, আমার ঘুম পাচ্ছে।
  • riddhi | ২৪ মে ২০১৩ ০১:০৬611950
  • মানে, মানসিক রোগের চিকি`ৎসার ব্যাবস্থা করার দরকার নেই। কেননা অনেক কিছুই ব্য়্কতিস্বাধীনতার আন্দারে পড়বে। আর কখন কাউন্সেলিং এনাফ (তার পরেই তাকে লাইসেন্স দেয়া হবে), সেটাই বা ডিসাইড করবে কে?
  • i | ২৪ মে ২০১৩ ০৩:১৯611951
  • একটা বুলবুলভাজা ছিল অনেককাল আগের। খুব হৈ চৈ হচ্ছিল এখানে। তখন লিখেছিলাম। সেইটা এখানে তুলে দিলাম।
  • bb | ২৪ মে ২০১৩ ০৭:৪২611953
  • আমার মরতে ইচ্ছা করে না। খুব ভাল আছি, যে রকমই আছি। খাইদাই, চাকরি করি আর মুখে রাজা উজির মারি, কিন্তু মরবার কোন ইচ্ছে করে না- তাই এই মৃত্যবিলাস আমাকে স্পর্শ করে না। জীবন খুব সুন্দর, তাই কারুর জীবনে নেওয়ার অধিকার আমার নেই এটা আমার মত।
  • প্রণব রায় চৌধুরী | ২৪ মে ২০১৩ ১৫:৫৪611954
  • আসল লেখাটা এমন গুলিয়ে দেওয়ার কি মানে বুঝলাম না। ইউথ্যানাসিয়া যারা করতে চায় - কিন্তু পৃথিবীর খুব কম দেশেই পায়, আমাদের দেশে পায় না - তাদের এই চাওয়াটা আত্মহত্যাই বটে তবে তাদের অনেকেই তখন তা বোঝার অবস্থায় থাকে না। বেশীর ভাগেরই - কিন্তু অনুমতি পেলেও - নিজে নিজে নিজেকে মারার ক্ষমতা থাকে না, মারে ডাক্তার বা অন্য লোকেরাই। তাই, অনুরোধ এর সাথে আত্মহত্যাকে গুলিয়ে ফেল না। আত্মহত্যা - মানে যে কোন বয়েসে, যে কোন অবস্থায়, যে কোন কারণে - নিজেকে মারা। তা যেহেতু আমরা একা বাস করি না, অনেকে মিলে সমাজ গড়ে বাস করি, তাই আমার একার অধিকারের থেকে বড় সমাজের সম্মতি। তা আত্মহত্যার সম্মতি কোন দেশের কোন সমাজই দেয় না, কেননা তা সমাজের ই ক্ষতি করে। তবে ইউথ্যানাসিয়া এক রকমের সর্তসাপেক্ষ আত্মহত্যা ও পুরোপুরি ভাবে সমাজের সম্মতির ওপর নির্ভরশীল। অবস্থা বিবেচনা করে সমাজের এ অনুমতি দেওটাই মঙ্গলের কেননা যাদের ওপরে এটা প্রযোজ্য হবে তাদের সমাজকে দেবার আর কিছু নেই। এটাই আমার এই লেখাটার মূল চিন্তা। আবার অনুরোধ এই চিন্তা সম্বন্ধে যত পারা যায় মন্তব্য দাও তবে অন্য বিষয়ে আলোচনা বাদ দাও।
  • b | ২৪ মে ২০১৩ ১৭:০৫611955
  • প্রনব বাবু, এখানে আড্ডার জল কোথা থেকে কোথায় গড়ায়, কে গুরুগম্ভীর বক্তব্য রাখে, কে পাতি হেসে ওড়ায়, তা প্রেডিক্ট করা শিবের বাবার অসাধ্য। এরকম-ই হবে। যা নিয়ে আড্ডা শুরু হয়েছিলো, আড্ডার শেষে দেখা যায় তার থেকে হয়ত অনেকটাই তফাতে গিয়ে শেষ হল। কে কোন বিষয়ে লিখবেন, তার ওপরে কে কি কমেন্ট দেবেন, তা নিয়ে অনুজ্ঞা চলে না।
  • pi | ২৪ মে ২০১৩ ১৭:৪৪611956
  • b দাকে ক।
    প্রণবদা, আপনার পোস্টের রেশ টেনে একটু অন্য দিকে যাবো। এই যে বল্লেন, যাদের আর সমাজে কিছু কন্ট্রিবিউট করার নেই, সমাজ সিদ্ধান্ত নিতে পারে তাকে সরিয়ে দেবার, ব্যাপারটা এই অ্যাঙ্গল থেকে দেখলে আমার বেশ মুশকিলের মনে হয়। এরপর এই না কন্ট্রিবিউট করার অছিলা তো শারীরিক ভাবে সুস্থ লোকেদের উপরেও প্রযুক্ত হতে পারে, কি মানসিক্ভাবে অসুস্থ, পাগল, যাদের আর 'সারা'র সম্ভাবনা নেই।
  • প্রণব রায় চৌধুরী | ২৪ মে ২০১৩ ২৩:২৭611957
  • ঠিক আছে b, তৃষ্ণার্ত হয়ে কেউ জল চাইলে অন্য কেউ যদি তাকে বেল এনে দেয় তাও কথাটি কব না। :D
    এবার পাই না ক,
    সমাজে জনগণের মূল কাজ procreation . তা মানুষের যতদিন procreate করার সুযোগ ও সম্ভাবনা থাকে ততদিন সে সমাজের কাছে প্রয়োজনীয়। যার সে সম্ভাবনা নেই সে অপ্রয়োজনীয়। procreation বলতে শুধু জন্ম দান নয়, শিশুর গড়ে ওঠা, বিকাশ, আর তার সুবিধার জন্য সংসারের অন্য সবরকমের কাজ বোঝায়। শারীরিক ভাবে পুরোপুরি অসুস্থ লোকেদের এ কাজ পারার সম্ভাবনা তো নেই ই, উলটে তারা এই procreation এর ব্যাপারে নেতিবাচক। কিন্তু মানসিক ভাবে পুরোপুরি অসুস্থ লোকেদের অনেকেই এ কাজ করে থাকে, আর না করলেও তারা নেতিবাচক ভূমিকায় থাকে না।
    হ্যাঁ, আরও একটা কথা, সমাজের সরিয়ে দেবার সিদ্ধান্তের কথা বলিনি, বলেছি যারা সমাজের দৃষ্টিভঙ্গীতে অপ্রয়োজনীয় তাদের মধ্যে কেউ যদি স্বেচ্ছামৃত্যু চায় তবে তার অনুমতি দেবার কথা।
  • I | ২৪ মে ২০১৩ ২৩:৩২611958
  • ইন্দ্রাণীদির এই লেখাটা হয় পড়িনি নয় পড়ে ভুলে গেছিলাম। আবার পড়ে চুপ করে বসে থাকলাম। এইসব লেখালিখির পরে আর কথা হয় না কোনো।
  • ranjan roy | ২৪ মে ২০১৩ ২৩:৫৯611959
  • প্রণববাউ,
    কোন সমাজ? কাদের সমাজ? সমাজ কি একটা হোমোজিনিয়াস এনটিটি? হিটলারের চ্যালাদের দুর্বল,অশক্ত, বুড়োদের গ্যাসচেম্বারে পাঠানোর পক্ষে এইজাতীয় কিছু লজিক ছিল না? "যাদের সমাজে কন্ট্রিবিউট করার কিছু নেই?", যেমন আমার ৮৯ বছরের মা!
    (কখনো গিন্নি কিছু বিরূপ মন্তব্য করলে, মানে কে কতটা পরিবারের কাজে লাগছে, কন্ট্রিবিউট করছে গোছের) পেছনে এইজাতীয় চিন্তা কাজ করছে কি না ভেবে দেখতে হবে।ঃ)))
  • কল্লোল | ২৫ মে ২০১৩ ০৭:৩০611961
  • প্রণববাবু। আমার মৃত্যু নিয়ে কে সিদ্ধান্ত নেবে, আমি ছাড়া? আমি যদি সিদ্ধান্ত নেবার মতো অবস্থায় না থাকি, তাহলেও না।
    আপনি লিখেছেনঃ
    "যদি যাদের সম্বন্ধে এটা লাগু হবে তারা সমাজের কোন কাজে না আসে বা উলটে বোঝা হয়ে যায় তবে তারা নিজেরা যদি চায় - বা তারা সে অবস্থায় না থাকলে যদি তাদের আত্মীয়, ডাক্তার বা কোন কমিটি এটা চায় - তবে অনুমতি দেওয়াটাই আমি যুক্তিযুক্ত মনে করি। "
    কে ঠিক করবে একজন ব্যক্তি সমাজের কাজে আসছে কি আসছে না? কি দিয়ে ঠিক হবে সেটা?
    একটা গল্প বলি শোনো একটা গল্প বলি।
    এক দেশে চার-পাঁচ জন তরুণ ঠিক করে, বুড়োদের বেঁচে থাকার অধিকার নেই। তারা তরুণদের রাস্তা আটকাচ্ছে। তো, তারা টার্গেট করে বুড়ো খুন করে। এভাবে একজনকে টার্গেট করতে দেখা গেলো তিনি ওদের একজনের বাবা। সেই ছেলেটি সিদ্ধান্ত মানতে চাইলো না। ছেলেটি তার বাবাকে নিয়ে পালাতে গেলো। কিন্তু অন্যরা ধাওয়া করে তাদের ধরে ফেললো ও দুজনকেই মেরে ফেললো। এই সাংঘাতিক সাফল্যের পর, তারা উদ্দাম পার্টি করে। পার্টির পর ঘরে ফিরছে সেই দলের নেতা ও তার পার্টনার। ওরা যে অ্যাপার্টমেন্টে থাকে তার একজতলায় কয়েকটা দোকান। ছেলেটি অ্যাপার্টমেন্টে ঢুকতে গিয়ে দোকানের শো উইন্ডোতে কিছু দেখে দাঁড়িয়ে যায়। সঙ্গীকে বলে এগিয়ে যেতে, ও পরে আসছে।
    সঙ্গী চলে যায়। সে স্তম্ভিতের মতো দাঁড়িতে থাকে শো উইন্ডোর সামনে। তার রগের কাছে একটা চুলে পাক ধরেছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে প্রতিক্রিয়া দিন