এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • তৃ-প-বু-ভু--৫

    Boo
    অন্যান্য | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০ | ২৯৬৩৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kallol | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৪:৪৮432010
  • পিটিকে -
    দিন কয়েক আগেই হয় এই টইতে নয় এই সংক্রান্ত অন্য কোন টইয়ে লিখেছিলাম সিপিএম-মমতা-মাওবাদী কারুরই আদিবাসী স্বার্থ নিয়ে কোন মাথা ব্যাথা নেই।
    তাই -
    ১) এই ঘটনায় আদিবাসীদের কোন উপকার সাধন হলো না। বরং এবার যৌথবাহিনীর বীর জোয়ানেরা ঐ এলাকার সাধারণ আদিবাসীদের ওপর অকথ্য অত্যাচার নামাবে। লোক দেখানো ""মাওবাদী"" মারবে। আসল মাওবাদীদের বালও ছুঁতে পারবে না। তখন আপনাদের খুব পুলক হবে।
    ২) এই হত্যাকান্ডে কোন আদিবাসীর সমর্থন নেই। এবং এরপর যখন যৌথবাহিনীর বীর জোয়ানেরা ঐ এলাকার সাধারণ আদিবাসীদের ওপর অকথ্য অত্যাচার নামাবে। লোক দেখানো ""মাওবাদী"" মারবে। আসল মাওবাদীদের বালও ছুঁতে পারবে না। তখন আপনাদের খুব পুলক হবে।
    ৩) যারা রাজনৈতিকভাবে সহিংস পদ্ধতিতে রাষ্ট্রের ধ্বংস সাধন করতে চায় তাদের প্রতি সহানুভুতি দেখানোর কোন দায় রাষ্ট্রের নেই।
    কিন্তু - ১) সাধারন মানুষ, যারা রাজনৈতিকভাবে সহিংস পদ্ধতিতে রাষ্ট্রের ধ্বংস সাধন করার ধারে কাছে নেই, তারা যখন যৌথবাহিনীর বীর জোয়ানদের হাতে অকারন নির্যাতিত হবে, গুলি খেয়ে (এনকাউন্টার দেখিয়ে) মরবে - তখন আপনাদের খুব পুলক হবে।
    ২)যারা রাজনৈতিকভাবে সহিংস পদ্ধতিতে রাষ্ট্রের ধ্বংস সাধন করতে চায় - তাদেরও পুলিশ-মিলিটারীর প্রতি সহানুভুতি দেখানোর কোন দায় নেই।
    ৩) সিপিআইএম অর্থাৎ মার্কসবাদী কম্যুনিষ্ট পার্টি খাতায় কলমে রাজনৈতিকভাবে সহিংস পদ্ধতিতে রাষ্ট্রের ধ্বংস সাধনে বিশ্বাস রাখে। তাদের কি হবে!!!!!
    ৪) মহাশ্বেতা, সুমন, জয় গোস্বামী, শঙ্খ ঘোষ ও আরও অনেকেই যৌথবহিনী পাঠানোর বিরোধীতা করেছেন প্রকাশ্যে।
    কিন্তু সিপিএমকে চলে যেতে হবে। বদলে কে আসবে ? মমতা ? কি জানি!! আসলেই বা কি। সিপিএম গেলেই হলো।

    পিটি - আপনাকে একই বিষয়ে আমি আর রঞ্জন এতো লিখেছি যে সেটা, একজনকে একই বিষয়ে একই উত্তর দেওয়ায় বোধহয় বিশ্ব রেকর্ড হয়ে গেছে। তাও আপনি একই প্রশ্ন করেন কেন? আমাদের উত্তরগুলো বুঝতে কি খুব অসুবিধা হয়?
  • . | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৪:৫৩432021
  • :-)

    ন কাঙ্ক্ষে বিজয়ং কৃষ্ণ ন চ রাজ্যং সুখানি চ।
    কিং নো রাজ্যেন গোবিন্দ কিং ভোগৈর্জীবিতেন বা।।
    যেষামর্থে কাঙ্ক্ষিতং নো রাজ্যং ভোগা: সুখানি চ।
    ত ইমে অবস্থিতা যুদ্ধে প্রাণাংস্ত্যক্‌ত্বা ধনানি চ।।
    আচার্যা: পিতর: পুত্রাস্তথৈব চ পিতামহা:।
    মাতুলা: শ্বশুরা: পৌত্রা: স্যালা: সংবন্ধিনস্তথা।।
    নিহত্য ধার্তরাষ্ট্রান্ন: কা প্রীতি: স্যাজ্জনার্দন।
    পাপমেবাশ্রয়েদস্মান্‌হত্বৈতানাততায়িন:।।
  • kallol | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৪:৫৯432032
  • তাপ্পরেও তো কেষ্টো কোচ(ওয়ান)এর ভোকাল টনিকে সেই যুদ্ধুটাই কল্লেন।
  • Samik | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৫:০০432043
  • বুদ্ধ ও'ডায়ারকে এইভাবে মুখের ওপর জবাব বোধ হয় কেউ কোনওদিন দেয় নি, দেবেও না।

    খুনগুলো করার পরে গামছাধারী কিষেঞ্জি ঠিক বুদ্ধর ভাষাতেই জবাব দিয়েছে। পেইড ব্যাক ইন দেয়ার ওন কয়েন।

    সর্বান্ত:করণে এই খুনের নিন্দে করছি। আগের সমস্ত খুনেরও। আরেকবার।
  • . | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৫:০৪432054
  • সরি। ঐ টুকরো হাসি এবং পরবর্তী পদ্যটি সৈকতের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে।
  • PT | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৭:৩০432065
  • @ Kallol

    কিছু মনে করবেন না। এই ফোরামে আপনিই একমাত্র পকাবু/মাওব্যথী সেকথা আমি ভাবিনি।

    তবে ঐ যে শেষ বাক্যটি (.....চলে যেতে হবে), যেটি লিখে লিখে আপনি বিশ্বরেকর্ড করেছেন, অত্যন্ত প্রিয় কিন্তু যুক্তিবিহীন ধর্মবিশ্বাসের মত আঁকড়ে ধরে আছেন সমস্যা সেটাকে নিয়েই। আমার ধারণা ছিল রাজনৈতিক যুক্তি বিশ্লেষণ পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে--যখন তৃণমূল কেন্দ্রে ক্ষমতার অংশীদার-- বদলায়।

    বোধহয় নিজের অবস্থানকে মজবুত দেখানোর জন্য মহশ্বেতা ইত্যাদির নাম নিয়েছেন। কিন্তু মহাশ্বেতার মত শ্রদ্ধেয় একজন বুদ্ধিজীবির দ্বিচারিতাকে এখন প্রশ্ন করার সময় এসেছে। তিনি একই সঙ্গে তৃণমূলের হাত ধরে, তৃণমূল সমর্থিত কেন্দ্রীয় সরকারের মুন্ডুপাত করছেন ও ""বুর্জোয়া"" সংবাদ পত্রে নিবন্ধ লিখে সেই বুর্জোয়াদের দ্বারা শোষিত আদিবাসীদের জন্য কান্নাকাটি করছেন। বোলানও মোটামুটি একই পর্যায়ে পড়েন। কেন্দ্রীয় সরকারের মোটা টাকার মাইনে আঁচলে ভরতে ভরতেও, কাল রাতেও শাঁওলি কলকাতা টিভিতে নিজেকে নিরপেক্ষ ও জনগণের মুখপাত্র হিসেবে দাবি করে issue-গুলোকে ঘেঁটে তাল পাকিয়ে দিলেন।

    এই মাওবাদীরা সত্তরের নকশালদের মতই ভারত নামক রাষ্ট্র-যন্ত্রের কেশাগ্রও স্পর্শ করতে পারবে না। সরোজ দত্তরা অন্তত: শহীদের মর্যাদা পেয়ে স্মৃতিতে সম্মানের সঙ্গে বেঁচে আছেন। যুক্তিবিহীন রাজনৈতিক বিশ্বাসের ভিত্তিতে শাসক ও শোষকের সঙ্গে প্রতক্ষে বা পরোক্ষে ঘর করে এখনকার পকাবুরা ইতিহাসের কোন আঁস্তাকুড়ে স্থান পান সেটাই এখন দেখার।
  • kallol | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৮:২৪432076
  • আমার অবস্থান মজবুত। সেটা আমার বিশ্বাস থেকে। আপনার ৪ নং পয়েন্টের পরিপ্রেক্ষিতে মহাশ্বেতা ইত্যাদির কথা লিখেছিলাম।
    ""বুর্জোয়া"" সংবাদপত্রটি একসময়ে বুদ্ধবাবুর জয়গানও গাইতো। বেশীদিন নয় - এই প্রাক নন্দীগ্রাম আমলে। তখন কেমন লাগতো?
    আর বুর্জোয়া কারে কয়? যারা বামফ্রন্টের বিরুদ্ধে - তারা? তা ভালো। যারা টাটাদের অতি সস্তায় - অতি উর্বর জমি দেয় - তারা সব্বোহারা - তাই তো? - তা ভালো।
    আমার অবস্থান - এই ভোটে (২০১১), সিপিএমকে বিরোধীপক্ষে দেখতে চাই। তাতে মমতা আসুন, সিপিএম বাদ দিয়ে অন্য বামেরা আসুন, সিপিএম আর তৃণমূল বাদ দিয়ে কং+অন্য বাম আসুন - আমার কোনটাতেই আপত্তি নাই।
    এখন পর্যন্ত কোন শাসক-শাসিত-শোষক-শোষিত করুর সাথেই ঘর করিনি। ঘর করা বলতে মানবাধিকার আন্দোলনের সাথে আছি ৩৯ বছর। সিদ্ধার্থ-জরুরী-বাম সব আমলেই মানবাধিকার হরনের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছি-মামলা করেছি। কিছু পেরেছি, অনেক কিছু পারিনি। এখনো চালিয়ে যচ্ছি এই প্রবাসেও। কদিন আগেও মুতালিকদের (কর্নাটকের রাম সেনা) বিরুদ্ধে রাস্তায় ছিলাম। ২০১১তে যারাই আসুন - মমতা আসুন, সিপিএম বাদ দিয়ে অন্য বামেরা আসুন, সিপিএম আর তৃণমূল বাদ দিয়ে কং+অন্য বাম আসুন বা আবার সিপিএমই আসুন - মানবাধিকার লঙ্ঘিত হলে প্রতিবাদ করবো।
    আমাদের (মানবাধিকার কর্মীদের) কুত্তা লগ্নে জম্মো। মানবাধিকার লঙ্ঘিত হলেই ঘেউ ঘেউ করবো।
    ইতিহাসে ঠাঁই পাবো (সে আস্তাকুড়ে হলেও) এতো বিশাল আশা রাখি না। শুধু আমৃত্যু ঘেউ ঘেউটা করে যেতে পারলেই হলো।
    আর যুক্তি? একটু আগে রঞ্জন অন্য একটা টইয়ে লিখেছে - যে যেখানে দাঁড়িয়ে। আমার যুক্তি আপনার মনে ধরবে না - যুক্তিহীন মনে হবে। আমারও আপনার যুক্তিসমূহকে তাই মনে হবে।
  • PT | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৮:৫৮432087
  • আবার সেই একই ফাটা রেকর্ড বাজল:

    ১) কোন সংবাদপত্র বুদ্ধবাবুর জয়গান গেয়েছে-অতএব সেটা বুদ্ধবাবুর দোষ - যেন বুদ্ধবাবু সম্পাদকের পায়ে ধরেছিলেন!!

    ২) কিন্তু সেটা যদি বুদ্ধবাবুর ভুল হয়েই থাকে--তাহলে বুদ্ধবাবুর ভুল ধরা বুদ্ধিজিবীরাও একই ভুল করতেই পারেন--এবং সেই সংবাদপত্রের স্নেহধন্য হয়ে লেখা পত্তর ছাপাতেও পারেন!!

    ৩) বেশ মেনে নিলাম বামফ্রন্ট আর বামে নেই। সেই কারণে বুর্জোয়া সংবাদপত্রে প্রাক্তন নকশাল থেকে মহশ্বেতা সবাই বুঝি প্রকৃত বামেদের খুঁজে পেলেন?

    অর্থাৎ সাতকান্ড রামায়ণের পরে জপমালায় সেই "সিপিএম হাটাও" ধুন। সোজা সাপ্টা সেটা বললেই তো হয়, মানবাধিকার আন্দোলনের নামাবলি গায়ে জড়ানোর দরকার কি?
  • aka | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৯:০৮432098
  • ঈশানের পোস্ট সম্পর্কে, এইক্ষেত্রে দেবেশ বাবুর অ্যানালিসিসের থেকে আমি কৌশিক বসুর স্টেটমেন্টকে বেশি গুরুত্ব দেব। যার যা কাজ।

    কয়েকটা প্রশ্ন পাচ্ছে। উত্তর পাব আশা নেই। তাও করি।

    ১। মাওবাদীরা খুন করছে কেন?

    ২। সাধারণ লোকজন মাওবাদীদের সমর্থন করছে কেন?

    ৩। এই এতবছর ধরে তো এইসব অঞ্চলে সংসদীয় গণতন্ত্র(?) ই ছিল তা সঙ্কেÄও উন্নয়নের এই হাল কেন?

    এই প্রশ্নগুলি যারা পকাবু, মাওবাদী ও তাদের ভূমিকা এবং খুন টুন নিয়ে বেশ বিচলিত তাদের উদ্দ্যেশ্যে। মাওবাদীরা খুব ভুলভাল কিছু করছে, ঠিক টা কি জানতে চাই। পাব কি?
  • k b | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৯:১৯432110
  • Tribute to 'Shyamal'

    আমরা সবাই শ্যামল মনে প্রাণে, শেওলা স-বুঝে
    খোলাচোখের ভাবের আড়ে থাকি চোখ বুঁজে।
  • aka | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৯:২১432121
  • কিছু বলার থাকলে বলুন না, খামোকা নেম কলিং করছেন কেন?
  • kallol | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৯:৩৮432143
  • অর্থাৎ সাতকান্ড - এর প্রেক্ষিতে
    মানবাধিকারের নামাবলি যখন গায়ে জড়িয়েছিলাম তখন কোথায় বাম!!!
    সিপিএম তখন একটাই ফাটা বেকর্ড বাজাতো - এই আধা ফ্যাসীবাদী সন্ত্রাসে আমাদের ১১০০ কর্মী শহিদ হয়েছেন। তারপরেই ফুলইস্টপ। কোন আন্দোলন নেই, কোন প্রতিরোধ নেই। নেতারা দিব্যি আছেন কলকাতার আলিমুদ্দিনে। কর্মীরা পাড়াছাড়া - কংগ্রেসী আর কংগ্রেসে ভিড়ে যাওয়া নকসালদের তান্ডবে।
    সেই সময় আমরা (কংগেসে ভিড়ে না যাওয়া, নতুন করে ভাবতে চাওয়া নকসালেরা, জেল ফেরৎ বা আন্ডারগ্রাউন্ডে) রাস্তায় নেমেছি - স্লোগান তুলেছি - পথ সভা করেছি - সমস্ত রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তির দাবীতে - লাগাতার।
    সিপিএম তখন একদিনের ভূখ মিছিল করেই ফুলিস্টপ।
    তাই জরুরী অবস্থায় সিপিএম বেআইনী হয় না। গণশক্তি বন্ধ হয় না। এপিডিআর বেআইনী হয়। দর্পণ বন্ধ হয়।
    তাই বলছিলুম সিপিএম সরকার যাক - এটা বলার জন্য আলাদা করে মানবাধিকারের নামাবলি গায় দিতে হয় না। ওটা ১৯৭২ থেকে শরীরের অংশ হয়ে গেছে।

    ১) বলতে পারবো না। পায়ে ধরেছিলেন না মাথা টিপেছিলেন। কারন তখন ঐ সব পত্রিকার নানান অনুষ্ঠানে বেশ হাসি হাসি মুখে ওনাকে দেখা যেতো।
    ২) করতেই পারেন। খুব অল্প কয়েক জন নামী লোকজন ছাড়া - বাংলা সংবাদপত্রে লেখা ছাপাতে গেলে - স্নেহধন্য হতে হয়।
    ৩) বাম, প্রকৃত বাম - এসবে আর আগ্রহ নেই। সে তো উত্তর ভারতে, মহারাষ্ট্রে নাকি কং-ই বাম। তামিলনাডুতে কে যে কখন বাম হয় বোঝা যায় না। কেরালাতে তো মুসলিম লীগও বাম নাকি গণতান্ত্রিক। তাই ওসব ভাবি না।
    যেই ক্ষমতায় থাকুক - ক্ষমতা তাকে চালায়, সে ক্ষমতাকে চালায় না। এটা সার সত্যি।
    সে জন্যই ঘেউ ঘেউটা করেই যাবো - রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে, হবু রাষ্ট্রের বিরুদ্ধেও।
  • k b | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৯:৩৮432132
  • সরি, ওটা ও'ই বক্তব্যের আগে চলতে থাকা এবং দীর্ঘদিন ধরে একই সুরে বাজতে থাকা দুই যুযুধান বক্তার বক্তব্য দেখে লেখা। আগে একজন শ্যামল নামে লিখতেন, আর তাঁকে ও তাঁর একরোখা মনোভাব আর বক্তব্যকে যাঁরা যাঁরা সূক্ষ্মভাবে এবং আক্রমণাত্মক ভঙ্গীতে ব্যঙ্গ করতেন তাঁদের জন্য।
    যাঁরা শ্যামলকে বোঝানোর চেষ্টা করতেন তাঁদের জন্য নয়। ভিন্ন মতাবলম্বী হলেও কট্টরতায় আমরা সবাই তাঁরই মত।
  • PT | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৯:৫২432154
  • @aka

    তিনটে চটজলদি প্রশ্নের তাৎক্ষণিক উত্তর:

    ১) তৃণ-র সঙ্গী হয়ে লড়াই করে তাদের হাতে ক্ষমতা (এমপি) তুলে দেওয়ার মত ভুল রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের পরে এখন বেঁচে থাকার জন্য লড়ছে মাওবাদীরা। এই লড়াই উদ্দেশ্যহীন -- কেন্দ্রীয় কিংবা রাজ্যসরকারের (এখনকার কিংবা যদি তৃণ-র সরকার আসে) গুলীতে কিষেণজীর নাম লেখা হয়ে গিয়েছে।

    ২) ""সাধারণ"" কোন লোকজন মাওবাদীদের সমর্থন করছে? এই সাধারণেরা শহরে মাওবাদীদের উৎপাত দেখতে রাজী আছে তো? আদিবাসীদের কতজন মাওবাদীদের সমর্থন করছে সেটা জানার একটাই উপায়। মাওবাদীদের ভোটে অংশ নিতে হবে।

    ৩) উন্নয়নের কাজে রাজ্যসরকার আংশিকভাবে ব্যর্থ। কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে যে মানুষের জীবনযাত্রার মান্নোনয়নের নিরিখে ভারত ১২৭ থেকে ১৩৪ নম্বরে নেমে গিয়েছে। ২০০ মিলিয়ন ভারতীয়র কোনো খাদ্য-নিরাপত্তা নেই। প:বঙ্গ ভারতের অংশ হয়ে এই সার্বিক ব্যর্থতার অংশ হবেনা সে কি করে হয়? সর্বোপরি দারিদ্র আর অবহেলা অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়ার কারণ হলে ঐ ২০০ মিলিয়ন মানুষের পরিবারপিছু একজনের তো অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়ার কথা!
  • pi | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ২০:১৩432165
  • আর কাল আমার কাছে এত করে করে উত্তর চাওয়ার পর আমি যে বসে বসে ঘুমচোখে একগাদা লিং ঘাঁটাঘুটি করে এখানে দিলুম, এখন তার কোনো উত্তর নাই ! :(
    বহোত না-ইনসাফি হ্যায়।

    প:বঙ্গের এই র‌্যাঙ্কিং নিয়ে কি কিছুই বলার নাই ? তাহলে আমি কেন সিপিএম এর নাম করলাম, সে নিয়েও আশা করি আমাকে আর কিছু বলা হবে না :)
  • pi | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ২০:২৪432176
  • যাচ্চলে, উদোর পিণ্ডি চাপিয়েছি এখানে।:(

    যাহোক, এখানেও কিছু বলার ছিল। বলা বলতে, কোশ্চেন।
    আকাদার কোশ্চেনের সংযোজন বা বলা ভাল, আগেও বহুবার করা একটি কোশ্চেনের চর্বিতচর্বণ।

    নভেম্বর নাগাদ লালগড়ে উন্নয়ন সংক্রান্ত পাঁচ দফা দাবী পেশ করা হয়েছিল,বুদ্ধবাবুর কাছে, সেগুলোর কী পরিণতি হয়েছে ?
  • PT | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ২০:৩০432187
  • আমারও একটা কোশ্চেন ছিল। বেশ কয়েক সপ্তাহ আগে এই ফোরামে কেউ একজন লিংক দিয়ে দেখিয়েছিলেন যে মাওবাদীরা সরকারের সঙ্গে প্রতিযোগীতা করে আদিবাসীদের উন্নয়ন করবে। সে উন্নয়ন কদ্দুর কি এগোল জানেন কেউ?
  • aka | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ২৩:১০432198
  • @PT - চটজলদি প্রত্যুত্তর

    ১। ক) মাওবাদী ও তৃণমূলের আঁতাতের প্রমাণ দেখান।

    ১। খ) মাওবাদীরা শুধু বেঁচে থাকার জন্যই লোক মারছে?

    ২। শহরের কথা বলি নাই। যেখানে লড়াই সেখানে একটা বড় অংশ মাওবাদীদের সমর্থন করছে। সেই কথা বলেছিলাম। এবং কেন করছে জানতে চেয়েছি।

    ৩। তো দিনের পর দিন না খেতে পেলেও সয়ে যেতে হবে কারণ ভারতের কি ইন্ডেক্স কোথায় নেমে গেছে সেইজন্য? গরীব হয়ে জন্মেছ তাই গরীব হয়েই মরো, কথা কয়েছো কি মরেছ। নয় না খেতে পেয়ে মর, নয়ত গুলি খেয়ে। এই কি লজিক??????
  • PT | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০০:১৯432209
  • ১। ক) NDTV-তে রাত ১০টায় বরখার প্রশ্নের উত্তরে সৌগত রায় মেনে নেন যে ছত্রধর মাহাতো মাওবাদি। বরখার অন্য প্রশ্ন, মমতার ছত্রধরের সঙ্গে ছবি কেন-র উত্তরে তিনি নীরবতা পালন করেন। অবিশ্যি আম্মো আপ্নারে জিগাইতে পারি যে আপ্নি ক্যাম্নে z।নলেন অগো কোন যোগাযোগ নাই?

    ১।খ) মমতার মুখ্যমন্ত্রী হতে গেলে কংগ্রেসের ১৫% ভোট অত্যন্ত জরুরী। সেইজন্য চিদম্বরম (পড়ুন সোনিয়া)-কে খুশী রাখা জরুরী। তাই মমতার এখন মাওদের ঝেড়ে ফেলার সময় এসেছে। (""মাও বলে কিছু নেই"" থেকে ""মাওদের পায়ে ধরতে পারি""-র পরিবর্তনটা লক্ষ্য করুন)। মাথার ছাতা নেই জেনে কিষণজীর হাতেও সময় তাই বড় কম আর এই মুহূর্তে লড়াইও তাই বেঁচে থাকার জন্য।

    ২। ""একটি বড় অংশ"" মাওবাদীদের সমর্থন করছে এই প্রমাণ আপনি পেলেন কোথায়?

    ৩। আপনার এই বক্তব্যের সঙ্গে আমি অনেকটাই একমত। তবে কিনা বড় আশ্চজ্জি কোশ্চেন হচ্ছে এই যে সারা ভারতের মধ্যে বেছে বেছে প: বঙ্গের অভুক্ত মানুষরাই কেন যে বন্দুক হাতে তুলে নিল কে জানে!! তাও শুধু জঙ্গলের--যেন শহরের পথে ঘাটে ক্ষুধার্ত মানুষ নেই!! আমি সেই আশায় পথ চেয়ে আছি যে কবে কিষাণজীর সেনাদল আমার বা আপনার ঘরে ঢুকে শহরের ক্ষুধার্ত মানুষের জন্য লুঠপাট চালাবেন!! ২০০ মিলিয়ন ভারতীয়র খাদ্য-নিরাপত্তা নেই-- সংখ্যাটা খেয়াল রাখবেন।
  • aka | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০০:৩০432221
  • ১। ক) কিছু নেই তা প্রমাণ করতে হয় না, এই যেমন ভগবান। যদি কেউ বলেন আছে তাহলে প্রমাণ করতে হয়, এই যেমন ভগবান। ভগবান নেই তার যেমন প্রমাণ হয় না তেমনই তৃণমূলের সাথে মাওবাদীদের যোগাযোগ আছে তার প্রমাণ ঐ সাক্ষাতকার ইত্যাদি দিয়ে হয় না।

    ২, ৩ - এই নিয়ে অনেক কিছু লেখা যায়। ভারতের এক তৃতীয়াংশ অংশে মাওবাদীদের আধিপত্য রয়েছে। কোথাও কম, কোথাও বেশি। শুধু প:ব:য়েই মাওবাদী সমস্যা কে বলল। চিদু দা কার কার সাথে মিটিং করলেন দেখলেন না।

    এখন একেবারেই সময় নেই, এক কথায় - পৃথিবীর সমস্ত সমস্যাই তৃণমূল, পকাবু আর সিপিএম নয়।
  • a x | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০০:৩৭432232
  • বরখা না সৌগত রায় কে আছেন মাওবাদীদের পলিটবুরো তে?
  • Mmu | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০১:৪৭432243
  • PT দা,
    প:ব: নিয়ে প্রশ্ন উঠলে বারে বারে খালি ভারত বর্ষের দিকে আঙ্গুল তোলেন কেন ?
    ভারত ১২৭ থেকে ১৩৪ নেমে গেছে বলে প: ব: কে কত নং এ জায়গা দিতে চান ?
    "২০০ মিলিয়ন ভারতীয়র খাদ্য-নিরাপত্তা নেই" - আসলে সত্যি সংখাটা কত জানা নেই। ধরে নিলাম ঠিক। কিন্তু আন্দোলন টা প:ব: থেকে শুরু হলে ক্ষতি কি?
    বেঙ্গল থিন্‌ক্‌স টু ডে, ইন্ডিয়া থিন্‌ক্‌স টু মরো (আগে বলা হত)।
    মাও বাদীদের সাথে একটা বড় অংশ না থাকলেও বেশ কিছু সংখক আদিবাসী তাদের সাথে অবশ্যই আছে,আর সেটা কেন আপনিই ভাল বলতে পারবেন।
    প্রশ্ন---
    ১) ১৯৭৭ এর আগে প:ব: শিক্ষায় কত নংএ ছিল ?
    ২) ১৯৭৭ এর আগে প:ব: খাদ্যে কত নংএ ছিল ?
    ৩) ১৯৭৭ এর আগে প:ব: শিল্পে কত নংএ ছিল?
    (জানি উত্তর পাব না )
  • kallol | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০৬:৫৩432276
  • আমার খুব মজার লাগলো পিটির Date:16 Feb 2010 -- 07:52 PM পোস্টের ১ম পয়েন্টের শেষ লাইন। কেন্দ্রীয় কিংবা রাজ্য সরকারের গুলিতে কিষেণজীর নাম লেখা হয়ে গেছে।
    গুলিতে নাম লেখা জাতীয় ""ডায়লগ"" বেশ কৌতুহলদ্দীপক।
    মাওবাদীরা শুধু প:ব: সমস্যা, আর অনাহার দারিদ্র সারা ভারতের। ক্যাবাৎ ক্যাবাৎ।
    এই গুরুতেই ছত্তিশগড় নিয়ে লেখা বেরুচ্ছে। চিদম্বরম-মনমোহন বারবার বলছেন - মাওবাদীরা ভারতের ১/৩ অংশে প্রভাব বিস্তার করে ফেলেছে। তার পরেও সেই ফাটা/কাটা রেকর্ড বাজিয়ে যাওয়া - শুধু প:ব:তেই নাকি মাওবাদী সমস্যা!!!!
    ঘাড়ের ওপর সমস্যা নেমে এলে যারা নিজের ঘরের বাইরে আর তাকাতেই পারেন না। তারাই দারিদ্র-অনাহারের সমস্যা সারা ভারতের - তাই প:ব:র কোন দোষ নাই গোছের বলতে পারেন। তা আর একটু বেড়ে খেলুন ভাই - দারিদ্র-অনাহার তো সারা ৩য় বিশ্বের সমস্যা। বেচারা সিপিএম প:ব:তে কীই বা করবে!!!
    এই যে সমস্যাকে পাশ কাটিয়ে যাওয়া, ফলত: স্বখাত সলিলে..... সিপিএমকে ২০১১য় সিপিএমই হাঠাবে।
  • kallol | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০৮:০৪432287
  • আর একটা কৌতুহলদ্দীপক নাম চোখে পড়লো - কে বে!!! দু নম্বর পাতার মাথায় Date:16 Feb 2010 -- 01:16 PM
    বাহ:, বাহ:।
  • kallol | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০৮:২৭432320
  • সমস্যা টেলে দেওয়ার আরকটা সিপিএম-ই উদাহরন :
    Name of the victim - Mr. Taibul Rahman, son of Late Sabdul Mohammad,
    aged about-30 years, by faith-Muslim, by occupation-farming, address- Village –
    Koiladangi, Police Station – Raiganj, District - Uttar Dinajpur, West Bengal, India.
    Name of the perpetrators -
    (1) Mr. K.S. Negi, Company Commander, Koiladangi BSF Camp and five other BSF jawans, Battalion-142,
    Company-G, P.S.-Raiganj;
    (2) Mr. Kamresh, Vigilant officer (INT), BSF, P.S.-Raiganj;
    (3) The Officer-in-Charge of Raiganj Police Station, District - Uttar Dinajpur.
    Place of occurrence -
    (1) At the tea stall of Mr. Suban Mohammad at Bindol Bazar (Market), P.S.-Raiganj
    (2) At Koiladangi BSF Camp, Police Station-Raiganj.
    Date and time of Incident - On and from 08.01.2010 at about 4.30pm to 9.01.2010.
    Case Details - The victim lives with his family members at Koiladangi
    village under Raiganj Police Station which is about three kilometers away
    from Indo-Bangladesh Border. He is a farmer by occupation and earns his
    livelihood only by cultivating crops in his land located near
    Indo-Bangladesh Border.
    On the date of the incident i.e., on 8.1.2010 at about 4.30 p.m. he was
    returning to his village riding a motor-cycle after attending a private
    occasion at the village Sanga. On the way he stopped his motor-cycle beside
    the tea-stall of one Mr. Suban Mohammad at Bindol market in order to have
    some tea and to take rest for few minutes.
    While he was having tea at the said tea stall, suddenly one Border Security
    Force officer namely Mr. K.S. Negi, Company Commander, Kioladangi BSF Camp
    along with two other BSF jawans came there and encircled him. Mr. K.S. Negi
    caught hold of his neck and started abusing him in the most filthily
    languages in full view of public and while he asked about the reason of
    their such behaviour, they shouted at him accusing him falsely of carrying
    contraband items in his motor cycle for the purpose of smuggling. The
    victim then pleaded his innocence with folded hands before them and handed over
    the key of his motor-cycle to them saying that they could make search of his
    motor-cycle.
    They took the key of the motor-cycle and thoroughly searched it but as no
    incriminating item was found from it, they became furious and started
    assaulting him by their wooden batons giving countless blows all over his
    body in full view of several persons present at that time on the place of
    incident. They were shouting in filthily languages at him asking him to
    tell them the whereabouts of the contraband items which were supposed to be with
    him and he allegedly kept concealed. Although the victim repeatedly told
    them that he was completely innocent and had no idea on the whereabouts of
    any item they were seeking but they did not pay any heed and Mr. K.S. Negi
    told the other BSF personnel that he would not easily confess the crime
    unless he was treated properly at BSF Camp and then they forcibly tied his
    both hands and legs together behind his back by one towel of the victim and
    virtually threw him into their vehicle (Gypsy Car) and brought him to
    Koiladangi BSF Camp.
    After arriving at Koiladangi BSF Camp they forcibly dragged him into a room
    in the position of completely lying on the ground as his both hands and
    legs were tied up together behind his back and they further committed torture
    upon him by brutally assaulting him by repeated blows with their wooden
    batons particularly aiming at his feet, palms, hands and knee joints and
    abused him with the most filthy languages. They were desperate to obtain
    forcible confession from him to the effect that he was associated with
    cross-border smuggling and they paid no heed to his repeated pleading that
    he was innocent. This incidence of severe torture upon him continued for
    about half an hour and then he was kept confined in a room which was
    guarded by two BSF personnel. At about 11 p.m. four BSF personnel entered into the
    said room and again committed torture upon him and assaulted him in similar
    way.
    On the next day i.e., on 09.01.2010 at about 6 a.m. the victim was taken
    out of the room and was brought before one Mr. Kamresh who also kept pressuring
    him to disclose the names of the persons involved in cross border smuggling
    and told him that he would be released if he would confess that he was
    associated with cross border smuggling. The tortured and helpless victim
    pleaded his innocence before Mr. Kamresh who in return became furious and
    instructed other BSF personnel to hold his hands and legs. As per
    instructions, the other BSF personnel caught hold of his both the hands and
    legs tightly and Mr. Kamresh himself put electric shock on his right leg
    below the knee repeatedly for about six times and again and again asked him
    to confess but the victim repeatedly pleaded for mercy screaming in severe
    pain as he had no knowledge about the matters asking by BSF.
    Thereafter he was asked to stand on an open field inside the BSF Camp and
    one Mr. Moti, owner of a photography shop at Bindol market took his
    photograph under the instruction of the BSF personnel. Then the accused BSF
    personnel forcibly took finger impression of his both hands on a white
    paper. Then Mr. Kamresh asked the other BSF personnel standing nearby to
    give the victim the best treatment and under his instructions the said BSF
    personnel took him inside a room and forcibly removed his clothes and
    forced
    him to lie down on the floor in naked condition. Then one BSF jawan held
    his both hands tightly and another BSF jawan held his legs and one piece of
    cloth was put into his mouth by one BSF jawan who was standing keeping his
    one leg on his mouth and one of the BSF jawans put electric shock on lower
    abdomen and penis of the victim repeatedly. Being unable to bear such
    inhuman torture he almost lost his sense. The torture was so severe that
    he thought that he would die due to torture. BSF personnel were threatening
    him to murder while physically assaulting him in various methods including
    applying electric shock.
    Thereafter the victim was dragged to an open verandah (balcony) in the said
    BSF Camp and after a few moments Mr. K.S. Negi came there and again asked
    him to confess to the effect that he was associated with cross border
    smuggling. But he pleaded innocence for which he was again beaten black and
    blue by the said Mr. K.S. Negi.
    On the same day i.e., on 9.1.2010 at about 11 am the victim was taken to
    Raiganj District Hospital in a van by four Border Security Force personnel
    but he was threatened by the BSF personnel not to disclose the incident of
    torture before the doctor. The victim out of fear of being further
    tortured,did not disclose the incident of physical torture by the BSF personnel
    before the doctor.
    The victim was brought to Raiganj Police Station from the hospital your but
    the police told the BSF personnel to produce him at custom’s office first.
    Then the victim was taken to the local custom’s office and was produced
    before the custom officials but they did not ask anything to him and
    prepared some documents under the instruction of the BSF personnel and
    there from he was again brought to Raiganj Police Station and detained in police
    lock-up.
    At the police station the relatives of the victim i.e. the father-in law
    Mr.Paribuddin Mohammad, elder brothers Mr. Mojibur Rahman and Mr. Jamiruddin
    Mohammad and few villagers came to meet him and during conversation the
    victim disclosed everything before them. The relatives and the villagers
    also told the victim that local people tried their best to release him from
    the custody of BSF and in this regard the villagers jointly filed one mass
    petition before the DIG, BSF, Maheshpur, Karnajora, District-Uttar Dinajpur
    on 9.1.2010 and jointly moved to Koiladangi BSF Camp on 9.1.2010 requesting
    BSF personnel to release him but BSF did not pay any heed to their request.
    On 10.1.2010 the victim was produced in the court of Chief Judicial
    Magistrate, Raiganj and later was released on bail on the same day. After
    releasing on bail he was medically treated at Raiganj District Hospital and
    Bindol Primary Health Centre.
    It is also revealed during our fact finding effort that a written complaint
    was lodged against the perpetrator- BSF personnel at Raiganj Police Station
    on 9.1.2010 bringing allegations against the accused BSF personnel for
    attempting to murder the victim by subjecting him to grievous assault
    urging for necessary but the police did not take any action against the accused
    persons in spite of repeated persuasions by the victim in this matter.
    The victim was continuously feeling pain. One organization, Shripur Mahila
    O Khadi Unnayan Samity (SMOKUS) of Raiganj was contacted by the family
    members of Taibul. SMOKUS asked help from MASUM to deal with the case. We, MASUM,
    after going through the case took the victim to Sramajibi Hospital at Belur
    in Howrah on 4.2.2010 for better treatment with the active support from
    SMOKUS, where he was discharged on 7.2.2010. But he is still undergoing
    medical treatment and yet to regain normalcy of his day to day life and
    movement.
    The victim’s expectation that the police as well as higher administration
    of BSF will take necessary action against such illegal acts of the accused
    persons went in vain for which he filed one complaint before the
    Superintendent of Police, Raiganj, Uttar Dinajpur.

    Kirity Roy
    Banglar Manabadhikar Suraksha Mancha (MASUM)
    &
    National Convenor (PACTI)
    Programme Against Custodial Torture & Impunity
    26 Guitendal Lane
  • PT | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০৮:২৭432309
  • MmU
    আপনার প্রশ্নগুলো নিয়ে তৃ-১-৪ -এ বিস্তর আলোচনা হয়েছে। বর্তমান পত্রিকা পড়ার পরে হাতে সময় থাকলে সেগুলোতে চোখ বুলিয়ে নেবেন। সংখ্যার হিসেবে সব সময় সব কিছু মাপা যায়না। একটি উদাহরন দেখুন। প্রাইমারি লেভেলে ইংরিজি তুলে দেওয়া নিয়ে বিস্তর বিতর্ক করেছে বাঙালীরা এবং সরকারের আদ্যশ্রাদ্ধ করেছে। এবারে এই লেখাটি মন দিয়ে পড়ুন:
    .....only 48.3% of Indian children in Class 1 could read the English alphabet, even in big capital letters...........Faced with half-empty classrooms in government schools, some state governments plan to introduce English from class 1 to win back students. That would be a serious error.
    http://blogs.timesofindia.indiatimes.com/Swaminomics/entry/don-t-teach
    -english-to


    এবারে যদি চান বলতে পারেন: what Bengal thinks.....
  • kallol | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০৮:৪০432332
  • এই অভিযোগটি পাঠানো হয় অন্য অনেকের সাথে শ্রীমতী সুহাসিনী আলিকেও।
    Dear Subhasini Ali
    Kirity Roy has been fighting for justice for poor people bu the Govt.
    of West Bengal, have closed their eyes and ears.
    It is unfortunate for the national interest and interest of the common man.
    We request the Govt of West Bengal to look into the grievance of the
    poor people
    Regards
    Dr JN Sharma
    IHRO

    শ্রীমতী সুহাসিনী তার জবাব দিলেন -
    On 16 February 2010 15:30, Subhashini_Ali@ yahoo.com wrote:
    The problem is that as mr roy himself knows, the West Bengal Govt has bo jurisdiction over the BSF which is a central force under the Union Home Ministry. Subhashini Ali
    Sent from my BlackBerry® smartphone


    একজন সাংসদ হিসাবে এটুকুই কি তিনি করতে পারেন!! পারতেন, অনেক কিছুই করতে পারতেন যদি রাজ্যটা প:ব: না হতো।
    পাছে প:ব: সরকারের ঘাড়ে কোন দায় এসে পড়ে।
    এবার বোঝা যাচ্ছে কি লোকে কেন মাওবাদী হয়?
    আর সিপিএম কিভাবে নিজেদেরই হঠাবে!!
    এটা রাশি রাশি এরকম ঘটনার একটা মাত্র।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন