এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  গুরুচন্ডা৯

  • হরিদাসের বুলবুলভাজা

    Guruchandali
    গুরুচন্ডা৯ | ২৮ এপ্রিল ২০০৬ | ১২৫৩২৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Dummy | ১৩ জানুয়ারি ২০০৯ ০০:৩০562677
  • 'দেশে ফেরা ফর ডামিজ' বেরিয়েছিল না এখানে, ক'দিন আগে?
    না হে, পরিযায়ী হিসেবে গিয়ে 'অসুবিধাগুলো নিয়ে বাঁচতে ভালো লাগা' আর পাকাপাকি বাসিন্দা হয়ে গিয়ে সেগুলো ভালো লাগার মধ্যে যে অনেক তফাৎ আছে, সেটাও মাথায় রাখা যেতে পারে!!
  • Arpan | ১৩ জানুয়ারি ২০০৯ ০০:৪৪562678
  • টিমের এই লেখাটা চমৎকার হয়েছে।
  • san | ১৩ জানুয়ারি ২০০৯ ০০:৪৭562679
  • বিষয় নিয়ে তর্কবিতর্ক যাই হোক, লেখাটা ছুঁয়ে গেছে, সত্যি।
  • Abhyu | ১৩ জানুয়ারি ২০০৯ ০৩:৩৮562680
  • পরিযায়ী পাখির কথাটা খুব খাঁটি। কিন্তু লেখাটা পড়ে সত্যি ভালো লাগল।
  • Arijit | ১৩ জানুয়ারি ২০০৯ ০৯:৪৯562681
  • "এই শহর জানে আমার প্রথম সবকিছু'

    এতদিন তাই ভাবতুম। কিন্তু অনভ্যাসে দুপক্ষই সব ভুলে গেছে। আমিও, শহরও। এখন ফের নতুন করে চেনা - আর চোখে লাগা। স্যাড।
  • Guruchandali | ১৮ জানুয়ারি ২০০৯ ০৯:৫২562682
  • ---------------------------------------
    নতুন বুলবুলভাজা: "স' এর কি বাহার!
    ---------------------------------------
  • ranjan roy | ১৮ জানুয়ারি ২০০৯ ১১:০৩562683
  • ওমা! মা--মা---মা আআআ--ম্যাগো! আমাদের বাড়ির উঠোনে কোথথেকে একটা বাঁদর ঢুকে পড়েছে।
  • James | ২০ জানুয়ারি ২০০৯ ০২:০০562684
  • অরিন্দম চক্রবতীর পুঁটিকথা ওরফে বুলবুলভাজা প্রসঙ্গে:

    বেড়ে হয়েছে মশায়, এরকম আরও লিখুন, তিন পাত্তর সাপ্লাই এর জন্যে আমরা আছি। দিনকাল পালটে গেছে, আগে কমলাকান্তকে অহিফেন দিতে হত,এই জমানায় নাহয় কারণবারি। সৎকার্য্যে ন দোষায়। কিন্তু দাদা, ঘাড়ে কটা মাথা আপনার?
  • c | ২০ জানুয়ারি ২০০৯ ০৩:০৮562685
  • রেকারিং ডেসিমেলের মতন একশো বছর ধরে ধ্বজভঙ্গের গপ্পো! আরে নতুন কিছু দে পরিস তো!
    গে ফে র থিউরি ঝেড়ে নামা, টুক করে লেসবিও ঢুকিয়ে দে! আ কনট্র্যাক্ট বীটুইন দেম টু ম্যানেজ দ্য নাকলহেড মাংকি সোসাইটি অ্যারউন্ড!!!!
    রেভোলু রেভোলু ভাব করতে গেলে আগে থেকেই তো এসব করবি,নাকি? পরে হল্যুডেরা "ফায়ারি মাদার" টাইপ মুভি নামিয়ে দিলে তখন তো লাপাবি?
  • Dummy | ২১ জানুয়ারি ২০০৯ ০৪:৫৯560963
  • খুব বাজে লাগল এবারের লেখা। 'রামকৃষ্ণ' সম্বন্ধে প্রচলিত ওপর চালাকি ও চটুল মন্তব্য গুলোর আশ্রয় না নিয়ে সমকালীন সমাজ, মেয়েদের স্থান ও তার উজ্জীবনে ওঁর ভুমিকা - এই সব নিয়ে লেখক একটু সমৃদ্ধ হয়ে আসলে ভালো হত।
    আর, যা নিয়ে ভালো ধারণা নেই, তা নিয়ে লেখার কি কিছু দরকার আছে?
  • c | ২১ জানুয়ারি ২০০৯ ০৬:৩৩560964
  • আসলে সারদা-রামকৃষ্ণকে বুঝতে আমাদের আরো বহু আগাইতে হবে, এনারা যে পর্যায়ে সেখানে পৌঁছানো দূরের কথা,কাছাকাছি যেতেও বহু সময় লাগবে।
    তাই এইসব উপরচালাক "রেভোলু রেভোলু ভাব শানের অভাব"-ধরনের লেখা দেখলে সর্বাঙ্গ জ্বলে যায়।একদল আছে তারা ভাবে খুব বাহাদুরি নেওয়া হলো বোধহয়,খুব মডার্ন হওয়া হলো।তারা হয়তো খবর রাখে না ওনার বর্তমান অবস্থাতেই এইধরনের লোকে আরো কাছাখোলা র টাইপ মন্তব্য করতো,ব্রাহ্মরা আসার আগে এই ধরনের খিস্তিখাস্তা টাইপ জিনিস বহু কড়া ছিলো। কিন্তু এসব কেয়ার করলে ওনারা মানুষের কাজ করতে পারতেন না, উনি নিজেই বলেছেন লোক না পোক! এইধরনের লোকেদের জন্য একদম ঠিক কথা।
  • Abhyu | ২১ জানুয়ারি ২০০৯ ০৭:৪৬560965
  • এতোটাই খেলো লেখা যে সমালোচনা করতেও ইচ্ছে হল না। ডামির শেষ কথাটা খুব সত্যি।
  • kd | ২১ জানুয়ারি ২০০৯ ১১:৫৩560966
  • বুঝি বুলবুলভাজার জন্যে লেখা পাওয়া খুব শক্ত। তাই বলে এ'সব লেখাও ছাপাতে হবে? ভাটে যে যা ইচ্ছে তাই লিখতে পারে, কিন্তু বুলবুলভাজা তো মডারেটেড, তাই না?
  • Arijit | ২১ জানুয়ারি ২০০৯ ১২:১৭560967
  • আচ্ছা আপত্তিটা আসলে কোথায়? লেখাটার কোয়ালিটি (তাহলে কিছু বলার নেই), নাকি অন্য কিছু? মানে যা ভাবছি সেটা হলে দুচার কথা বলা যায়।
  • aja | ২১ জানুয়ারি ২০০৯ ১২:১৮560968
  • প্রতিজ্ঞা করেছিলাম গুরুতে আর বিতর্কিত বিষয়ে কথা বলব না, কিন্তু ঐ খৈয়াম যেমন বলেছেন - my threadbare patience apieces tore.

    এবারের বুলবুলভাজার বক্তব্য যাঁরা রামকৃষ্ণদেবকে নরদেহধারী দেবতা মনে করেন তাঁদের পক্ষে খুবই অফেন্সিভ। কিন্তু যাঁরা সেটা করেন না, তাঁদের পক্ষে ইমপোটেন্সির তঙ্কÄটি আর একটি প্লসিবল হাইপোথেসিস মাত্র। বস্তুত: এরকম অনেক হাইপোথেসিসই সম্ভব। যেমন, এমনটা হতেই পারে, শ্রীমা আসলে ফ্রিজিড ছিলেন। এবং ঠাকুর স্ত্রীর প্রতি করুনাবশত: কাম সংবরন করেছিলেন।

    বুলবুলভাজায় কি হাইপোথেসিসমূলক লেখা প্রকাশ করা হয় না? লেখক তো বলেই দিয়েছেন এটি বাঁদরদের সাথে কথোপকথন, অর্থাৎ বাঁদরামি।
  • pi | ২১ জানুয়ারি ২০০৯ ১২:১৯560969
  • রামকৃষ্ণ স্ত্রীকে মাতৃ জ্ঞানে পুজো করেছিলেন। এটা তো ফ্যাক্ট। এই কাজটা করার সাথে সমাজে মেয়েদের স্থান উজ্জীবনের ঠিক কিরকম সম্পর্ক ?
    আর এই ফ্যাক্ট টা স্টেট করলে বা সেটা নিয়ে খিল্লি করলে ওনার সবকিছু, সবকথা নিয়ে
    খিল্লি করা হচ্ছে সেটাই বা এমন জোর করে ভাবা বা ভাবানো ক্যানো !
    জোর করে শব্দটা ব্যবহার করলাম, কারণ, লেখাটা পড়ে সেরকম কোনো অভিপ্রায় তো পরিলক্ষিত হয় নি !

    নাকি, ঠাকুর বলে ধূপ ধুনো দিয়ে স্তব স্তুতি ছাড়া আর কিছু করা যাবে না !
    এমনকি বৌকে মা বলে পুজো করলে সেটা নিয়েও পুজো করতে হবে !

    আর, সি এর প্রথম পোস্টের অনেকাংশ ই ট্যান গ্যালো।
  • Arijit | ২১ জানুয়ারি ২০০৯ ১২:৩৩560970
  • যা: - কেউ কিছু বাকি রাখে না। কি অন্যায়।
  • lcm | ২১ জানুয়ারি ২০০৯ ১৩:১৬560971
  • আসলে ব্যাপারটা হল প্রাসঙ্গিকতা। বিষয়বস্তু নিয়ে কোনো বক্তব্য নেই, লেখাটিও হালকা চালে লেখা। কিন্তু, আমার যেমন মনে হয়েছে এই আলোচনায় রামকৃষ্ণ-সারদার রেফারেন্স কিঞ্চিৎ অপ্রাসঙ্গিক, রামকৃষ্ণ ঠিক ফ্রয়েড নন, আর সারদা দেবীও অপর্না সেন (পরমা-র ডিরেক্টর) নন। একই ভাবে বিদ্যাসাগর বা পি কে ব্যানার্জি-র যৌন আবেদনও এখানে সমান অপ্রাসঙ্গিক মনে হতে পারে।
    যৌনতা নিয়ে ঢাক গুড়গুড়ের কিছু নেই সেটা যেমন ঠিক, তেমনই এই টপিক নিয়ে ঢাক বাজিয়ে ফাটিয়ে ফেলারও কিছু নেই। মনে রাখতে হবে, শুধু যৌনতা নয়, প্রস্রাব-পায়খানার মতন কাজগুলো-ও কিন্তু আমরা একটু লুকিয়েই করে থাকি।
  • aja | ২১ জানুয়ারি ২০০৯ ১৩:৩৪560972
  • লেখাটির কোয়ালিটি কেমন সে নিয়ে তর্ক হতে পারে। তবে আমার মনে হয়েছে রামকৃষ্ণ-সারদা প্রসঙ্গ এই লেখাটিতে আসতেই পারে। এই বুলবুলভাজার বিষয় হল বাঙ্গালী/ভারতীয় সমাজে নারীদের যৌন অবদমন। সেক্ষেত্রে (অবিশ্বাসীদের জন্য) রামকৃষ্ণ-সারদার উদাহরণ, যাকে বলে, অ্যাপ্ট।
  • siki | ২১ জানুয়ারি ২০০৯ ১৩:৩৯560974
  • ইসে, লসাগু, তা করে থাকি বটে লুকিয়ে, কিন্তু আমাদের ব্যক্তিপুজা বা ভগমানভক্তির ঠ্যালায় ব্যাপারটা অ্যামন পর্যায়ে চলে যায়, তখন তেঁয়াদের আবার সাধারণ মানুষ বলে কেউ ডিক্লেয়ার কল্লে, তেঁয়ারাও হাগু বাহ্যি মৈথুন করেছিলেন এমন কথা বল্লে বান্ডিলের পর বান্ডিল খবরের কাগজ কলকাতার রাজপথে পুড়িয়ে ফেলা হয়।

    "বিশ্বাসী'দের টলারেন্স লেভেল চিরকালই "অবিশ্বাসী'দের থেকে অনেক কম হয়ে থাকে। তাই তাঁরা যখন কাউকে ভগবানের লোক বা ভগবানের ছানা বা ভগবানের অবতার বলে ডিক্লেয়ার করেন, তখন সেটাও যে অবিশ্বাসীদের চোখে, অবিশ্বাসীদের মনে কতখানি হার্টিং, সেটা তাঁরা ভেবে দ্যাখেন না। কারণ অবিশ্বাসীদের টলারেন্স চিরকালই বেশি। অবিশ্বাসীর বাড়ির পাশে মন্দির বানালে, রাতভর জ্যায় মাতাদি জাগরণ চৌকি বসালে কি লাউডস্পিকার লাগিয়ে অবিশ্বাসীর বেডরুম পর্যন্ত ভগবানের নামগান পৌঁছে দিলেও অবিশ্বাসী কিছুই করতে পারেন না, কিন্তু অবিশ্বাসী কোনও খোলা পাতায় দু কলম নিজের অবিশ্বাসের / বিশ্বাসের খবর লিখে ফেল্লেই বিশ্বাসীদের দল হইহই করে ওঠেন, গ্যালো গ্যালো, সব গ্যালো রসাতলে। এ অশ্লীল, মডারেটেড পাতায় এ সব প্রকাশ পায় কী করে? ডিলিট করে দেওয়া যায় না?

    ষাঁড়ের ইয়ে ...
  • lcm | ২১ জানুয়ারি ২০০৯ ১৩:৪৫560975
  • এই সেরেছে, আলোচনা-টা অন্যদিকে চলে যাচ্ছে - এখনই রাশ না ধরলে শিগগির-ই বিজেপি/রামমন্দির/আর-এস-এস এর দিকে টার্ন নেবে।
  • Sudipta | ২১ জানুয়ারি ২০০৯ ১৪:২৩560976
  • দুরকম লোক কে ঠিক হজম হয় না; এক, যারা মানুষকে ভগবান বানিয়ে পুজো অর্চনা করে ফুল মালা দিয়ে, দুই, যারা মানুষকে তার ন্যূনতম মর্যাদা না দিয়ে কাদার পাঁকে টেনে নামায়; যাক, লেখাটা বহুচর্চিত বিষয় নিয়ে হলেও চোন্দিল টাইপ প্রকাশভঙ্গীতে এগোচ্ছিল (তিন পাত্তরের গুণে কি!!), সারদা-রামকৃষ্ণের উদাহরণ-ও চলতেই পারে, সেই অবধি ঠিক-ই ছিল, তবে 'মায়ের স্বামীটি ছিলেন ধ্বজ' বেশ অশোভন ভাবনা বা লেখা বলে মনে হল; লেখকের এত-ই কি রাগ যে মায়ের স্বামী ইত্যাদি বলে লিখতে হল, রামকৃষ্ণ নামটা তো কোনো নিষিদ্ধ নাম নয়; আর এই রাগ কতটা ব্যক্তিটির ওপর আর কতটা তার দেবতা বা অবতার বানানো ভক্তবৃন্দের ওপর! একটা কয়েনের তো দুটো পিঠ হয়, যে লোক স্ত্রীকে মা বলেছে (সে যে কোনো কারণেই হোক) তাকে সমালোচনা করুন ক্ষতি নেই, কিন্তু সে লোকটা তার শিষ্যকে মাগ-ছেলের খাওয়া-পরা না দিয়ে সন্ন্যসী হয়ে মোক্ষলাভ করতে চাওয়ায় 'ঢ্যামনা শালা' বলে অভিহিত করছেন সেটাও দেখুন; ঐ ভদ্রলোকের 'যত মত তত পথ' এর এফেক্টে আজ-ও দক্ষিণেশ্বর-এ সর্বধর্ম নির্বিশেষে সব লোক ঢুকতে পারে নির্ভয়ে সেটাও বিশ্লেষণ করুন। নটী বিনোদিনীর ঘট্‌না-ও পাঠক-কে বলুন - অন্তত: পাদটীকা একটা দেওয়া যেত নাকি? যদি-ও ভারতবর্ষের ট্র্যাডিশন সেরকম-ই, মানুষকে হয় দেবতা বানাও, নয় আস্তাকুঁড়ে ছুঁড়ে ফেল; অন্তত: একজন মানুষ হিসেবে যেটুকু সম্মান প্রাপ্য তা থেকেও বঞ্চিত করো! আর রামকৃষ্ণ, বিবেকানন্দ, নিবেদিতা, নেতাজী, বিদ্যাসাগর এরা মানুষ হিসেবে কাজকর্মের দিক থেকেও আমাদের থেকে কিছুটা এগিয়ে সেটা-ও কি মেনে নিতে দ্বিধা আছে? বিবেকানন্দ-নিবেদিতা, অরবিন্দ-শ্রীমা সব কিছু নিয়েই বাজারে অনেক প্রমাণ-বিহীন রসালো গপ্পো চালু আছে, তাহলে কি এবার সেগুলো-ও উদাহরণ হিসেবে ঐ 'ধ্বজ', 'অবদমিত কাম'(বিবেকানন্দের ক্ষেত্রে) এইসব শব্দের ব্যবহারে বুলবুলভাজার শোভা বর্ধন করবে? যাক, এত লিখছি-ই বা কেন, লেখক নিজেই তো লিখেছেন, বলছে একটা বাঁদর... ধুস!
  • san | ২১ জানুয়ারি ২০০৯ ১৪:২৭560977
  • ইয়ে, হাইপোথেসিসের সঙ্গে একটু আধটু তথ্য, বিশ্লেষণ কিসুই না থাকলে তারে কয় লুজ টক। যা অতীব বিরক্তিকর (আমার কাছে)।

    সিকি বা অন্য যাঁরা ভাবেন ভক্তিরসই কেবল এই লেখাটা নিয়ে আপত্তির একমাত্র কারণ - তাঁদের জন্য - রামকৃষ্ণ না হয়ে লেনিন হলেও তাইই বলতাম।

    ডামির সঙ্গে একমত। যে বিষয়ে ভাল ধারণা নেই, সেনিয়ে লুজ রেফারেন্স দেবার কি কোন দরকার আছে? রামকৃষ্ণের যৌনজীবন নিয়ে সিরিয়াস অ্যাকাডেমিক লেখা হোক, পড়ব, প্লজিবল বা প্লজিবল নয় বলব, ইত্যাদি। কোন চাপ নেই।
  • d | ২১ জানুয়ারি ২০০৯ ১৫:১১560978
  • স্যানের সাথে মোটামুটি একমত। আরও যে দুটো জিনিষ আমার বিরক্তিকর লেগেছে সেদুটো হল,
    ১। সেলিব্রিটিদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যে একধরণের চাটনী খাওয়া টাইপ মেন্টালিটি দেখা যায় গড় বাঙালীর মধ্যে -- তার প্রকাশ।

    ২। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার দেখলাম তির্যকের কোন লেখা বেরোনর পরেই ইনি একটি প্রতিক্রিয়া লেখা লিখে পাঠিয়ে দিলেন। বুবুভা বেরোয় প্রতি রবিবারে। আর তির্যক লেখেন -৫ মাসে একবার। তো, ব্যপারটা একটু কিম্ভুতমত।
    মানে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ প্রকাশের জন্য বুবুভা'র প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করাটা একটু কিরকম যেন।

    এবারে কেডির অভিযোগের উত্তরে : -
    লেখাটার মান বেশ খারাপ সে নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু এতটা খারাপ নয় যে একেবারে ছাপা যাবে না। অবশ্যই এটা আমার বিবেচনায়। এবারে আপনার কাছে সেটা অ্যাকসেপ্টেবল নাই হতে পারে। আপনি একটা পাল্টা লিখে পাঠিয়ে দিন না, খুব মারাত্মক বাজে বাংলা না হলে ছেপে দেব। তো, আপনার বাংলা বেশ ভালই তো। পাঠিয়ে দিন লিখে।

    একদম শেষে যে কথাটা:

    লেখা নিয়ে সমালোচনা অনেকেই করছেন, করবেনও, আগেও করেছেন -- কোন আপত্তি নেই। কিন্তু এই সি ওরফে তনু/ট্যান ওরফে প্রত্যুষা ওরফে মিলি ওরফে whatever....... এর লেখা প্রথম পোস্টাটি অত্যন্ত আপত্তিকর। সম্বোধনহীনভাবে এইরকম কথা ছোঁড়া এবং অতি কুৎসিৎ ভঙ্গীতে--- এটা অত্যন্ত কদর্যয়। মডারেশান নেই বলে যা খুশী লিখে যাওয়াটা ঠিক অ্যাকসেপ্টেবল নয়। তনুকে অনুরোধ করব সম্বিত সরকারের লেখা বেরোনর পরে রিমি বা আরো কয়েকজনের আপত্তির ধরণ লক্ষ করতে।
  • siki | ২১ জানুয়ারি ২০০৯ ১৫:১৭560979
  • ধ্যার। দূ:খিত। আমি জাস্ট অকারণেই উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলাম। আমার আগের মন্তব্যটাকে ইগনোর করলে বাধিত হব। টোটালি ট্র্যাকছাড়া।

    তবে ইয়ে, লেখাটা আমার মোটেও অশ্লীল টশ্লীল লাগেনি, সেটুকু বলতেই পারি।
  • Blank | ২১ জানুয়ারি ২০০৯ ১৬:৪০560980
  • 'সেক্স কে অবহেলা করে তিনি হয়ে উঠলেন মহাপুরুষ ' ... লাইনটা পড়ে চমকে উঠলাম। রামকৃষ্ণের এমন মুল্যায়ন আগে কক্ষুনো শুনিনি। গে, হোমো etc সব ই শুনেছি, কিন্তু ওনার মহাপুরুষ হওয়ে ওঠার মুল কারনটা আজ জেনে গিয়ে কেমন যেন বিষম খেলুম।
    হায় রে সেক্স, কি হাল হলো তোমার ...
  • ranjan roy | ২২ জানুয়ারি ২০০৯ ০০:৩৫560981
  • যেকোন যুগপুরুষ নিয়ে বহুমাত্রিক আলোচনা হতে পারে। তাঁর সমাজতাঙ্কিÄক- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষণ বা মাইক্রোলেভেলে তাঁর ব্যক্তিজীবনের এমন কিছু দিক যা তাঁর ভ্যালুসিস্টেম এর গভীরে আলোকপাত করে--- সবই কাম্য। কারণ এঁরা তো সমষ্টির কাছে রোল মডেল, নয় কি?
    লেখার শৈলী বস্তুপরক বা ব্যঙ্গাত্মক দুইই হোতে পারে। প্রশ্ন লেখাটি আদৌ একটি অর্গানিক কম্প্যাকট্‌ লেখা হয়েছে কি না!
    এটা এমন সাবজেক্টিভ ব্যাপার, বিশেষ করে যাদের নিয়ে অধিকাংশ বাঙালীর স্পর্শকাতরতা স্থাপিত, ( রবিঠাকুর, স্বামীজি, নেতাজি এবং অবশ্যই রামকৃষ্‌ণ পরমহংস)।
    আমার ব্যক্তিগত মত হল নিজেদের নিয়ে হাসতে পারাটা শক্তির লক্ষণ। তাই নিজেদের আইকন নিয়েও---।
    মাও সে তুং এর সেক্সলাইফ নিয়ে ওর ব্যক্তিগত ডাক্তারের স্মৃতিকথায় যেমন আধুনিক চীনের নির্মাণে ওনার ভূমিকা খারিজ হয়ে যায় না, তেমনি পরমহংসের নারীর প্রতি দৃষ্টিকোণ নিয়ে কটাক্ষ করলে পরাধীন ভারতে বাংলার নবজাগরণের সময় অন্য অনেকের মত ওনার ভূমিকার মূল্যায়ণ ও নেগেটিভ হয় না। এতে বিচলিত হওয়ার মতন কিছু পাইনে।
    বছর দুই আগে, সম্ভবত: হুতোম প্যাঁচা নাম দিয়ে রঙ্গন একটি সুতোতে ওনাকে নিয়ে বুদ্ধিদীপ্ত গভীর আলোচনা করেছিলেন।
    এ'লেখাটি অন্যজাতের। বক্তব্যের সঙ্গে আমি অসহমত হতে পারি।
    কিন্তু ভাল হয় যদি বিপরীত মতের সবাই ঘটনা-তথ্য দিয়ে নিজের বক্তব্যকে এবং গু-চ কে সমৃদ্ধ করেন। আমার মনে হয় সি এইকাজটি ভালো পারবেন। স্পষ্টতই এবিষয়ে ওনার ভালো স্টাডি আছে।
    আমি শুধু একটি বিষয়ে অন্যমত পোষণ করছি। ডামি বা কেউ নারী উন্নতি নিয়ে পরমহংসদেবের অবদানের কথা বলেছেন।
    উনি এবিষয়ে তথ্য দিয়ে বললে আমার মত লোকের চোখ ফুটবে।
    আমার সামান্য অধ্যয়নে পেয়েছি--- নারীপ্রগতি ও ওনার চিন্তা উল্টোদিকে হাঁটেন।
    ওনার মডেলের কেন্দ্রবিন্দুতে আছে পুরুষ। নারী নরকের দ্বার মাত্র। নারী কেবল পুরুষকে বিপথগামী করে। মুক্তিকামী পুরুষের নারীর উপস্থিতি এড়িয়ে চলাই কাম্য।
    আসুন, এ'ব্যাপারে ঠাকুর কি বলতেন, কি ভাবতেন তা আমরা শ্রীম কথিত ""কথামৃত'' ত্থেকে শুনি। রাত অনেক, সক্কালে ট্রেন ধরে অফিস যেতে হবে। তাই আমি কেবল তৃতীয় ও পঞ্চম ভাগ থেকে কিছু কোট করছি। আপনাদের আশ্বস্ত করছি যে একইবক্তব্য অন্য তিনটে ভাগেও পাবেন, বারবার।
    -----------------------
    তৃতীয় ভাগ
    ----------
    পৃ: ১৯
    "" কামিনীকাঞ্চনই যোগের ব্যাঘাত। বস্তু বিচার করবে। মেয়েমানুষের শরীরে কি আছে------ রক্ত, মাংস, চর্বি, নাড়ীভুড়ি, কৃমি, মুত, বিষ্ঠা এই সব। সেই শরীরের উপর ভালবাসা কেন?
    ( আমার প্রশ্ন: পুরুষের শরীরে কি অন্য কিছু আছে?)

    পৃ:৩১
    কামিনীকাঞ্চনই মায়া। ওর ভিতর অনেকদিন থাকলে হুঁস চলে যায়।--মনে হয় বেশ আছি। মেথর গুয়ের ভাঁড় বয়,-- বইতে বইতে আর ঘেন্না থাকে না।
    পৃ:৮৬
    অন্যায় অসত্য দেখলে চুপ করে থাকতে নেই। মনে কর নষ্ট স্ত্রী পরমার্থ হানি করতে আসছে, তখন এই বীরের ভাব ধরতে হয়। তখন বলবে - কি শ্যালি! আমার পরমার্থ হানি করবি? এখনি তোর শরীর চিরে দিব।
    ( আমার প্রশ্ন: স্ত্রী-পুরুষের পরিপ্রেক্ষিতে সদা নেগেটিভ রোলে স্ত্রী কেন?)
    পৃ:৮৯
    সংসারে নষ্ট স্ত্রীর মত থাকবে।নষ্ট স্ত্রী বাড়ির সব কাজ মন দিয়ে করে, কিন্তু তার মন উপপতির উপর রাতদিন পড়ে থাকে।
    পৃ:১৩৯
    মেয়েদের ভিতর- বার সব দেখতে পেলাম--। তাদের ভেতরে দেখলাম--- নাড়ীভুড়ি, রক্ত, বিষ্ঠা, কৃমি, কফ-নাল, প্রস্রাব এই সব।
    পৃ:
    ---অমনি দেখিয়ে দিলে সামনে এসে পেছন ফিরে উবু হয়ে বসলো--- একজন বুড়ো বেশ্যা, চল্লিশ বছর বয়স-- ধামা পোঁদ----- পড়্‌পড়্‌ করে হাগছে! মা দেখিয়ে দিলেন যে, সিদ্ধাই এই বুড়ো বেশ্যার বিষ্ঠা!
    পৃ:১৪৩
    দেখনা, মেয়েমানুষের কি মোহিনী শক্তি, অবিদ্যারূপিনী মেয়েদের। পুরুষগুলোকে যেন বোকা অপদার্থ করে রেখে দেয়।
    (চলবে)
  • ranjan roy | ২২ জানুয়ারি ২০০৯ ০১:৩৭560982
  • ব্ল্যাংকির পোস্ট( অর্থাৎ সেক্সকে অবহেলাকরে মহাপুরুষ হওয়া) প্রসঙ্গে:
    ৩য় ভাগ, পৃ: ২৬২-২৬৩
    [ কামজয় দৃষ্টে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের রোমাঞ্চ]
    ----- কাম নাই, এইশুদ্ধ অবস্থা মনে করিয়া ঠাকুরের রোমাঞ্চ হইতেছে। যেখানে কাম নাই সেখানে ঈশ্বর বর্তমান। এইকথা মনে করিয়া কি ঠাকুরের উদ্দীপন হইতেছে?

    ওনার প্রিয় গানের একটি:
    " জতন করে হৃদে রেখো আদরিণী শ্যামা মাকে'' এর অন্তরাটি
    "" কামাদিরে দিয়ে ফাঁকি, আয় মন বিরলে দেখি'।

    এবার "'কথামৃত"", প্রথমভাগ:
    ----------------------
    পৃ:২৩
    বিচার কর। সুন্দরীর দেহেতেও কেবল হাড়, মাংস, চর্বি, মল, মূত্র এইসব আছে।
    পৃ:৭২
    কামিনীকাঞ্চনে জীবকে বদ্ধ করে।জীবের স্বাধীনতা যায়। কামিনী থেকেই কাঞ্চনের দরকার। তার জন্যে পরের দাসত্ব।
    পৃ:১৫৪
    --স্ত্রীর প্রতি কি কর্তব্য?
    --- তুমি বেঁচে থাকতে থাকতে ধর্মোপদেশ দেবে, ভরণপোষণ করবে। যদি
    সতী হয়, তোমার অবর্তমানে তার খাবার যোগাড় করে রাখতে হবে।
    পৃ:২২১
    স্ত্রী লোকের পট পর্য্যন্ত সন্ন্যাসী দেখবে না। স্ত্রীলোক কিরূপ জান? যেমন আচার তেঁতুল। মনে করলে মুখে জল সরে। আচার তেঁতুল সম্মুখে আনতে হয় না।
    পৃ: ২৫১
    সংসারে নষ্ট মেয়ের মত থাকবে। মন উপপতির দিকে, কিন্তু সে সংসারের সব কাজ করে।
    -------
  • Du | ২২ জানুয়ারি ২০০৯ ০৩:১৯560983
  • ভাগ্যে বুদ্ধদেব ছেলের জন্ম দিয়ে তবে সংসার ছেড়েছিলেন তাই এমন কটাক্ষ তাঁকে সইতে হয়না। দেড়শো বছর আগে স্ত্রীকে বাঁজা বলে চালিয়ে দেওয়া এমন কিছু শক্তও ছিলনা যে এত গল্প বানাতে হবে।
    হোমো,হেটেরো,বাই সমস্ত চয়েসকে মর্যাদা দেয়া উচিত বলেই ভেবেছি, সেক্ষেত্রে শুধু ননসেক্সুয়াল হলেই তাঁদের পাওনা খিল্লি এ কেমন কথা? ঈশ্বরপ্রেম বা অন্বেষণ (বিজ্ঞান, অ্যাডভেঞ্চারের নেশাও এর মধ্যে পড়ে ) একটা অল কনজিউমিং ইমোশন হতেই পারে কারো জন্য, নিজের জীবনে আমরা তা বুঝতে না পারলেও। এটা মানুষের ব্যপার -স্ত্রী পুরুষ নির্বিশেষে।মেয়েরা বরং স্বাধীন নয় বলেই তাঁদের মধ্যে উদাহরণ কম।

    রঞ্জনদাকে কথামৃত প্রসঙ্গে - গাভী নিজের সন্তানকে বলতেই পারে 'ওরে বেশি ঘাস খাস নে', তার মানে এই নয় যে সে মাংস আর ঘাসের তুলনামূলক বিচার করছে।
  • Dummy | ২২ জানুয়ারি ২০০৯ ০৩:২৩560985
  • রামকৃষ্ণের সমকালীন সমাজ, মেয়েদের স্থান ও তার উজ্জীবনে ওঁর ভুমিকা'র কথা উল্লেখ করেছিলাম বলে একটু দায় থেকে যায় এই নিয়ে দু'কথা লেখার। তাছাড়া, এখানে বহুজনের পরম শ্রদ্ধেয় একজনকে নিয়ে, তার 'না-বোঝা', 'অর্ধ-বোঝা' এবং সম্পূর্ণ ভুল বোঝা (যেটি অনেক বেশি বিপদ জনক, প্রথম দুটির চেয়ে) যে স্তরের আলোচনা হচ্ছে তাতে এখানে অংশগ্রহণ করার বিন্দুমাত্র প্রবৃত্তি ছিলনা।

    তৎকালীন সমাজের ছবিটা একটু দেখি - স্বামীর চিতায় সতীকে বেঁধে ঢাক-ঢোল বাজিয়ে পুড়িয়ে দিচ্ছে সেই সমাজ .... মহা পুণ্য। জীবন্ত দগ্‌ধ কন্যা স্বর্গবাস করবেন, কত বছর? না - মনুষের দেহে যত রোমকূপ আছে তত বছর। রামমোহন রায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছেন তাঁর শ্রদ্ধেয় বৌদি অলকমঞ্জরী তাঁর দাদার চিতা প্রদক্ষিণ করছে। এক পুরোহিত এক উঁচু জায়গায় দাঁড়িয়ে জীবনের অনিত্যতা সম্বন্ধে ভাল ভাল কথা বলছেন। অলকমঞ্জরী চিতায় উঠলেন, নির্দেশ এল - স্বামীর মাথা কোলে তুলে নাও। এইবার সতীর হাতে একটি আম্রপল্লব ধরিয়ে দেওয়া হল। "অলকমঞ্জরী, মরতে ভয় পেয়ো না, মুখে হাসি আনো, সাড়ে তিন কোটি বছর স্বামীর সঙ্গে স্বর্গবাস। পল্লবটি নাড়াতে থাকো"।
    দাও আগুন, বাজনা বাজাও .....
    রামমোহন বৌদির চিতা ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা করলেন "তোমাদের আমি দেখে নেব"।
    বিদ্যাসাগর এলেন বাল্যবিধবাদের চোখের জল মোছাতে। ধর্মের নামে মেয়েদের জাংক ইয়ার্ডে পাঠানো চলবে না। পরোক্ষে পাপ ব্যবসায় মদত দেওয়া বন্ধ করতে হবে।

    রামকৃষ্ণ এই বিপ্লব থেকে আরেকটি বিপ্লব সরিয়ে আনলেন - যে বিপ্লব বাইরে দেখা যায় না। মৃদুমন্দ সেই আচে ঘরে ঘরে নারীরা দগ্‌ধ হয় এবং হবে। সেই আগুনের যত স্ফুলিঙ্গে যতরকমের অপরাধ।
    সব অর্থে স্বাধীন নারীরা কেমন করে পুরুষের ভোগ্য বস্তুতে পরিণত হল? শুধু রাজ্যজয় নয়, সোনা দানা লুন্ঠনের সঙ্গে সঙ্গে লুন্ঠিত হল নারী। তৈরী হল হারেম।
    নারী ব্যক্তিভোগ্যা, নারী রাজভোগ্যা.... এল বাইনাচ, সুরাপান, দেহব্যবসা। আরেকধরনের সতীদাহ রূপান্তরিত হল জহরব্রতে, ইজ্জত রক্ষার জন্য আগুনে ঝাঁপ।

    রামকৃষ্ণ সারদাকে যেন বললেন আমি পুরুষদের দিকটা দেখছি, তুমি মাথায় ঘোমটা টেনে নারীদের মধ্যে প্রবেশ কর। "মা" হয়ে ঢুকে পড় পরিবারে পরিবারে, উঁচুদিকে যাও, যাও নীচুদিকে। নারীর লুন্ঠিত সম্পদ ফিরিয়ে দাও। বুঝিয়ে দাও নারী অবলা নয়, সবলা। বুঝিয়ে দাও বিদ্যাশক্তি চাই। নাহলে শুধুই ভাঙ্গবে, গড়বে না কিছুই।

    সাধনপথে প্রথম শিষ্যত্ব গ্রহণ করলেন যাঁর, তিনিও তো দেখি এক নারী, ভৈরবী।
    নিজের সাধনার জন্যে নিয়ে এলেন "মা - সারদা"। কতবার বলেছেন "ও সারদা, সরস্বতী, জ্ঞান দিতে এসেছে"। "ও জ্ঞানদায়িনী, মহাবুদ্ধিমতী। ও কি যে সে! ও যে আমার শক্তি"।
    ভাগ্নেহৃদয়কে একদিন সাবধান করে দিয়েছিলেন, 'এ কে (নিজেকে দেখিয়ে) তুই তুচ্ছ্যতাচ্ছিল্য করে কথা বলিস বলে ওকে (সারদাকে) আর কখোনো কটু কথা বলিসনি। এর ভেতরে যে আছে, সে ফোঁস করলে রক্ষা পেলেও পেতে পারিস, কিন্তু ওঁর ভেতরে যে আছে, সে ফোঁস করলে কেউ তোকে রক্ষা করতে পারবে না"।

    মনে পড়ে song of solomon এর "Set me as a seal upon thy heart, as a seal upon thy arm, for love is strong as death"
    স্বামী বিবেকানন্দ রামকৃষ্ণ-সারদা জুটি কে দেখে শুনে বুঝে লিখে গেলেন "Love personified".

    রামকৃষ্ণ-সারদার ঘরসংসারের ছবিতে দেখি তা - ঘটি বাটি কাঁথা কম্বল সম্বল নয় - গৌরী মা বলছেন - "এই যে দুজনের মাত্র ক'হাত দূরে থেকেও কখনো দেখাই নেই, তবু দুজনের ভাবই ছিল কত! দেখেছি একদিন মায়ের মাথা ধরেছে, তাই শুনে ঠাকুর মহা ব্যস্ত হয়ে বারবার রামলালকে জিজ্ঞেস করছে 'ওরে রামলাল, মাথা ধরল কেন রে?' সারদা সাজতে ভালবাসেন তাই কত গয়না গড়িয়ে দিলেন। একদিন সারদাকে প্রশ্ন করলেন, "তোমার ক'টাকা হলে হাতখরচ চলে?" সারদা বললেন "এই পাঁচ ছটাকা হলেই চলে"। এরপরে রামকৃষ্ণ কি করলেন? বলরামবাবুর কাছে পরিমাণ মত কিছু টাক গচ্ছিত করে দিলেন। বলরামবাবু ঐ টাকা তাঁর জমিদারিতে খাটিয়ে ছমাস অন্তর তিরিশ টাকা সুদ সরাদাকে পাঠিয়ে দিতেন। একালের পরিভাষায় রামকৃষ্ণ কিনে রেখে গেলেন একটি বন্ড, তাঁর সাধনসঙ্গিনী সারদার জন্য।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন