এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • তৃ-প-বু-ভু--৫

    Boo
    অন্যান্য | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০ | ২৯৬৬৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • SB | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৩:৪৩432390
  • এর সাথে এটাও পড়া যেতে পারে, অ্যাকাডেমিক ইন্টারেস্টে, যাস্ট কমপেয়ার করার জন্যেই:

    The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) has issued the
    following statement:

    On Maoist Attack on Police Camp

    The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) expresses its
    deep shock and condemnation of the Maoist attack on a police camp in
    Shilda in West Midnapur district which resulted in the death of 24 persons
    belonging to the Eastern Frontier Rifles. A student has also died in the
    incident. This incident exposes the vicious violence indulged in by the
    Maoists.

    The Maoists have been on a rampage in the West Midnapur district for over
    a year. The joint operations by the state police and the central
    paramilitary forces were launched to curb the Maoist violence. It is
    surprising that such an attack could be launched in daytime on a police
    camp with such large casualties and arms and ammunition being taken away.

    There is necessity for better coordination between the state police and
    the Central paramilitary forces. The Central Government should ensure that
    joint operations begin across the border in Jharkhand, without delay.

    The Polit Bureau conveys its heartfelt sympathies to all the families of
    the policemen and the civilian who has died in this brutal attack.
  • Rajdeep | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৪:০০432391
  • ওয়াহ ! অর্থাৎ পাড়ার গুন্ডা পুলিশকে খুন করে পরিবারকে বলছে থানায় বা এসপি অফিসে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান !!
  • kallol | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৫:৩৫432392
  • এবং পরিবারে বিক্ষোভ দেখিয়েও ফেলেছে। অর্থাৎ পাড়ার গুন্ডাটা পুলিশের চেয়ে বেশী (কু)বুদ্ধি ধরে।
  • lcm | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৫:৪২432393
  • কে যেন দেখলাম প্রশ্ব করেছ: মাওবাদীরা খুন করে কেন?
    আগে দেখা যাক, কাদের খুন করছে এরা। সরকারি প্রশাসনের প্রতিনিধি, এই যেমন সেনা বাহিনী, পুলিস... এদেরকে। পশ্চিমবঙ্গে, সিপিএম-এর ক্যাডার/কর্মী দের। সিপিএম কর্মীরা ডাইরেক্ট সরকারি প্রশাসনের লোক নন। কিন্তু অনেক সময়ই পরোক্ষভাবে প্রশাসনকে রিপ্রেজেন্ট করেন। এছাড়া, থাকে দলছুট আদিবাসী/গ্রামবাসী, কিছু বিচ্ছিন্ন মানুষ - কোল্যাটারাল ড্যামেজ হিসেবে, অত্যাধিক খুনোখুনিতে যেমন হয়।
    ফরমূলাটা হল যে, মাওবাদী-রা প্রশাসনকে ব্রুট্যালি অ্যাটাক করবে, আর, তাতে করে ইন্টিমিটেড হয়ে প্রশাসন ঝাঁপিয়ে পরবে। জঙ্গীরা জঙ্গলের গভীরে লুকোবে বা দুরে পালিয়ে যাবে, আর, প্রশাসন তখন কিছু গ্রামবাসীকে ধরে কোতল করবে। কিন্তু, এতে করে মাওবাদীদের লাভ কি? লাভ হল এই যে, এ সব শেষ হয়ে গেলে তারা এই এলাকায় রিক্রুট করবে নতুন মেম্বার। ব্রিডিং গ্রাউন্ড তৈরী হবে।
    মোটামুটি এই ফরমূলা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের জঙ্গী/গেরিলা বাহিনী ফলো করে। শ্রীলংকা-য় এলটিটিই, আফগানিস্তানে আল কায়দা সুইসাইড বম্বার রিক্রুট, লাটিন আমেরিকা, আফ্রিকা-র দেশেও একই পদ্ধতি প্রয়োগ হয়েছে।
    বেশীর ভাগ আক্রমনের পরেই মাওবাদীরা মোটামুটি কোথা দিয়ে কোথায় পালিয়ে গেছে - তার ক্লু দিয়ে যায়। যাতে করে পরে পুলিশ/সেনা সেখানে যেতে পারে। আসল অপরাধীরা ততক্ষনে হয়ত অন্য রাজ্যে বা শহরে। এখানে, অন্য টেররিস্ট অ্যাটাকের সঙ্গে তফাৎ লক্ষনীয়। পুনে-তে বিস্ফোরণ, বা, অক্ষয়ধামে বম্ব ব্লাস্টের পর কিন্তু প্রশাসন পাশের লোকালয়ে গিয়ে আনতাবড়ি চিরুনী তল্লাশী চালানোর মতন মোটিভ পায় না।
    মাওবাদী-দের ব্রিডিং গ্রাউন্ডের জন্য চাই এমন এলাকা, যেখানকার মানুষ শুধু প্রান্তিক নয়, তারা ক্ষুব্ধ, যাদের দেওয়াল পিঠে ঠেকে গিয়েছে। নন্দীগ্রামে পুলিশের গুলিতে ১৪ জন মারা যাবার পর, প্রায় সঙ্গে সঙ্গে মাওবাদী-রা একবার ঢুঁ মেরে দেখল এখানে কোনো রকম রিক্রুটমেন্টের সম্ভাবনা আছে কি না। বাংলা-বিহার-ওড়িশা বর্ডার এলাকায় মাওবাদী-দের দৌরাত্ম্য বিগত ৩-৪ বছরে অনেক বেড়েছে।
    এখন প্রশ্ন হল, জঙ্গল থেকে কিছু জঙ্গী এসে সেনা/পুলিশ খুন করে চলে যায়, অথচ কেউ কিছু করতে পারে না কেন। যারা অত্যাধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম নিয়ে এত কার্গিল যুদ্ধ টুদ্ধ লড়ে, তারা এরকম ডোমেস্টিক প্রবলেম সলভ্‌ করতে পারে না কেন। কারণ, নি:সন্দেহে এই লোক্যাল মানুষের সাপোর্ট। যে কারণে, কর্ণাটক সরকার এক দশক ধরে ভীরাপ্পন-কে ধরতে পারে না। খানিকটা এই কারণ, আর বাকিটা পিওর পলিটিক্যাল মাইলেজ।
    এর রাজনৈতিক সমাধান খুব একটা কাজের হয় নি। বাস্তার-এ বিজেপি মূলত দুটো অপশন দেয় গ্রামবাসীদের - হয় বিজেপি জয়েন করো নয় মাওবাদী তকমা নিয়ে মার খাও। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নিজস্ব অ্যাজেন্ডা আছে। তৃণমূল ফোকাস করবে সামনের ইলেক্‌শনে এই ঘটনাবলী থেকে যতটা রাজনৈতিক সুবিধে নিয়ে জিনিসটাকে যতটা পারা যায় সিপিএম-বিরোধী একটা ইস্যু হিসেবে ব্যবহার করার। সিপিএম সব করবে কিন্তু কিছুতেই মাওবাদী অর্গানাইজেশন-কে ব্যান করবে না - দরিদ্র মানুষের প্রতিনিধি - এই লেবেলটাকে কোনোরকম কনফিউশনে রাখতে চায় না - নিজের পার্টির কিছু দরিদ্র মানুষ মারা গেলেও নয়।
    অন্ধ্রপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, ছত্রিশগড়, ঝাড়খন্ড, বিহার, ওড়িশা.... - জঙ্গীরা গ্রাউন্ড খুঁজতে খুঁজতে আজ মেদিনীপুর, পুরুলিয়া-য়। একথা ঠিক এই এলাকাগুলির সার্বিক উন্নয়ন হল সমস্যার লং টার্ম সল্যুশন। কিন্তু, এরা তাতে বাধা দেবে। রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক ঐক্যমত ছাড়া এর সামাধান অসম্ভব। বিভিন্ন গ্রুপ যারা ছোট স্কেলে মানবসেবাধর্মী কাজ এই সব এলাকায় করেন, মহাশ্বেতা দেবী থেকে শুরু করে অন্যান্য সংস্থা, তাদের দোষারোপ কিন্তু এর সমাধান নয়। তারা এই সমস্যার অংশ নন, ভুক্তভোগী মাত্র।
  • Rajdeep | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৫:৫১432394
  • কল্লোলদা এক্ষেত্রে আরেকটি তথ্যও আছে

    গতকাল ঐ পরিবারের লোকেরা জওয়ানদের ফ্রি-হ্যান্ডও দিতে বলেছে জঙ্গলমহলে অপারেশনের সময়

    সেটাও কি গুন্ডারা শিখিয়ে দিয়েছে নাকি?

    আর মন্ত্রী বা প্রশাসন ঘটনাস্থলে গেছেন বলেই পরিবারের লোকের বিক্ষোভ দেখিয়েছে, আর মানবাধিকার কর্মী বা মাও-ঘনিষ্ঠ বুদ্ধিজীবিরা পরিবারগুলির কাছে পৌঁছেছেন কিনা এখনও জানা যায় নি - দিনক্ষ্যান দেখে যাবেন বোধহয়
  • SB | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৫:৫৩432395
  • বোঝাই যাচ্ছে যে এখানে সবকিছুই সবার কাছে পরিস্কার, তাই জানতে আগ্রহি, 'কী করিতে হইবে?'
  • PT | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৫:৫৯432396
  • ছি, ছি এসব কথা বলতে আছে নাকি? হয় আপনি সরকারের হয়ে দালালি করছেন নয়ত ভদ্র মানবাধিকার কর্মীদের নিশ্চুপ থাকার ভদ্রতাটা এখনও বুঝে উঠতে পারেননি। অবিশ্যি এমনটিও হতে পারে যে তাঁরা শোকপ্রকাশ বা মোমবাতি মিছিল করেছিলেন, শুধু মিডিয়া দেখায়নি বলে আমরা জানতে পারিনি।
  • PT | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৬:১৫432397
  • তৃণমূল-মাওবাদী-মানবাধিকার কর্মীদের দের সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা কিছুতেই চলবে না। সত্যি তো দিদি বিশ্বাস না করা পর্যন্ত ভদ্র মানবাধিকার কর্মীরাই বা কি করে মেনে নেবেন যে মাওবাদীরাই শিলদার অপকম্মটি ঘটিয়েছে?

    Refusing to believe that Maoists were behind the yesterday's attack in Silda, Trinamool chief Mamata Banerjee said, "It was a shocking incident and we condemn it. The Centre should probe into it to find out the culprits behind the incident. http://www.ptinews.com/news/520698_Maoist-attack--BJP-ridicules-PC-s-claim--Trinamool-seeks-probe
  • kallol | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৬:১৯432398
  • জওয়ানদের ফ্রি হ্যান্ড দিলে কি হয় - উত্তরপূর্ব ভারত তার সবচেয়ে বড়ো নিদর্শন। ওখানে তো সিপিএম নেই। তবু মানুষে হাতে বন্দুক নিচ্ছে কেন?

    মানবাধিকার কর্মীরা সালুয়া যেতে পারবেন না। ওদের যেতে দেওয়া হয় না। আমরা অনেকবার সালুয়া যেতে চেয়েছি মুশির্দাবাদের সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ-এর নানান কিত্তিকলাপের তদন্ত করতে। কিন্তু অনুমতি মেলেনি।

    ভুল পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে মাওবাদী দমনের। নাগাল্যান্ড, মনিপুর, মিজোরাম-এই দ্যাখো। এতদিন ধরে সেনাবাহিনী ওখানে স্পেশাল আর্মস অ্যাক্টের মদদে যা খুশী তাই করতে পারে। কোন সমাধান হয়েছে কি?
    এখানেও তাইই হবে।
    সেদিন আজকালে ত্রিপুরার জঙ্গী মোকাবিলার কথা লিখেছে আজিজুলদা। নৃপেনবাবু কিভাবে মোকাবিলা করেছিলেন। উনিও তো সিপিএমই ছিলেন তখন।
  • Rajdeep | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৬:২৭431778
  • কল্লোলদা ওটা দেবেশ রায় লিখেছিলেন
  • kallol | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৬:২৯431779
  • হ্যাঁ হ্যাঁ দেবেশবাবু।
  • PT | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৬:৪৬431780
  • মাওবাদী আর ত্রিপুরার জঙ্গীদের তুলনাটা সামাজিক বা রাজনৈতিক ভাবে সম্পুর্ণ ভুল।
  • kallol | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৬:৫২431781
  • কেন?
  • PT | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৭:০০431782
  • খুব গোদা বাংলাতে মাওবাদীরা গোটা ভারতবর্ষ তাদের দখলে চায়, ত্রিপুরার জঙ্গীদের চাহিদা সেই তুলনায় অতি সামান্য-স্বাধীন ত্রিপুরা বা না হলে আরো autonomy। ত্রিপুরার ব্যাপারটা বোধহয় এখন তামাদি হয়ে গিয়েছে কিন্তু তুলনা করলে খুব বেশী হলে গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনের সঙ্গে তুলনা করা চলে।
  • SB | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৭:১১431783
  • পুরোপুরি ভুল পথে চলা অস্ত্রসজ্জিত মাওবাদীরা যেভাবে সিপিএমের সাধারন কর্মী সমর্থকদের খুন করছে শেষ এক বছর ধরে, তাতে দুটো উপায় খোলা থাকে, এক হোল আর্মড রেসিস্টেন্স, অথবা কেন্দ্রীয় সরকারের মাওবাদী দমন প্রসেসের সাথে হাত মেলানো। সংসদে থেকে, গণতন্ত্রে অংশ নিয়ে প্রথম উপায়টা হয়না।

    মাওবাদীরা নিজেরা ভুল পথে চালিত হয়ে, বামফ্রন্ট সরকারকে বাধ্য করেছে এই স্টেপ নিতে। অন্য কী করা যেত কেউ তো বল্লেনও না। তবে কেন্দ্রের সরকার ও চায় না, এখানকার মাওবাদী সমস্যা মিটে যাক, আরো কিছু রাজ্য সরকার ও চায় না। তাই বামফ্রন্ট সরকারের ভাগ্যে আরো কিছু খারাপ খারাপ ধরনের ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা।

    ভুল পথে চলা মাওবাদীরা মধু কোড়া বা বাকি করাপ্ট নেতাদেরকে ছোঁবেও না, নীতিশ কুমার বিজেপির সঙ্গী হলেও না, ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রির সি এর বিরুধ্যে "সেমি কলোনিয়াল" দেশের আইন ব্যবস্থা নিলেও, মাওবাদীদের টার্গেট এনারা হবেন না। দেশে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত, কিন্তু মনমোহন সরকারের দলের কাউকে মাওবাদীরা শত্রু বলে মনেও করবে না।

    চারুবাবু কোনকালে ভুল একটা কথা বলে গেছিলেন, সিপিএম নাকি বিপ্লবের পথে মূল শত্রু, সেই ট্র্যাডিশন এখনো চলছে। আর যারা সরাসরি মাওবাদী নন, হয়তো সিম্প্যাথাইসার তাদের কাছেও এই ট্র্যাডিশন মেনে সিপিএমের নীতি কে 'এক্সপোজ' করার থেকে বেশী আনন্দ আর কিছু নেই।

    মাওবাদীরা যতক্ষন না এই ভূল পথ থেকে সরে আসছে, ততক্ষন এই ব্যপার চলবেই, আজ এখানে কাল অন্যকোথাও। আর ত্রিপুরার জঙ্গীদের সাথে এই মাওবাদীদের পার্থক্য আছে, তাছারাও তখনকার সিপিএম ত্রিপুরার উপজাতিদের থেকে অ্যালিয়েনেটেড হয়ে যায় নি, যেটা এখানকার সিপিএম হয়েছে।

    অন্য দেশ অন্য সময় অন্য সিচুয়েশন কে তুলে এনে সুপার-ইম্পোস করলে উল্টো কেস হয়, A single spark can start a prairie fire কথাটা ১৯৩০এর চায়নার জন্যে ঠিক ছিল, ১৯৬৭এর ভারতের জন্যে ভূল। তাই ত্রিপুরা টেনে লাভ নেই, ৮০র দশকের ত্রিপুরা আর ২০১০ এর প:ব: এক নয়।
  • PT | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৮:৪০431784
  • ইহাই বিস্ময়ের!
    বিহার, উড়িষ্যা, ঝাড়খন্ডে সীমাহীন বৈষম্যর ব্যাপারে চুপ করে থেকে অনুজ পান্ডের বাড়ি নিয়ে মাওবাদীদের ধ্বংসলীলা, মানবাধিকার কর্মীদের সেই বিষয়টিকে ব্যবহার করে পরোক্ষে মাওবাদীদের প্রশ্রয় দেওয়া ও সর্বোপরি তৃণমূল-তারানন্দ মিলিত ভাবে এই ঘটনাকে ব্যবহার করা বড়ই বিস্ময়ের উদ্রেক করে। গতরাতে গুরুজী মুখ্যমন্ত্রী NDTV-তে বললেন-মাওবাদীরা তো আমাদেরই ঘরের ছেলে। বোঝা গেল গদী রক্ষার জন্য দাড়ির ডগা পর্যন্ত জমা রেখেছেন মাওবাদীদের হাতে! কাল মমতাও জানালেন যে শিলদার ঘটনার তদন্ত করে জানতে হবে যে কারা করেছে!!

    এর পরেও কেউ যদি কোন ছক দেখতে না পান তাহলে অয়দিপাউসের রাজার মত চোখে কাঁটা ঢুকিয়ে অন্ধ হয়ে যাওয়াই ভাল!!
  • SB | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৮:৫৮431785
  • বোধয় বিহার ঝারখন্ড উড়িষ্যা অন্ধ্রে শাসক দলের কোন কর্মীর বাড়ি অনুজ পান্ডের বাড়ির থেকে বড় নয়।
  • Ri | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ১৯:৩১431786
  • কল্লোল দার Date:16 Feb 2010 -- 09:55 AM মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ছোট্ট প্রশ্ন (কল্লোল্‌দা কয়েন করা টার্ম গুলো বড় চমক দার) -
    কল্লোল দার কথা মত এই ২৪ জন জওয়ান কে খুন করা 'গণহত্যা নয়'। এটা নিছক রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে 'হবু রাষ্ট্রর সৈন্যদের' যুদ্ধ। তাহলে রাষ্ট্র যদি যুদ্ধঘোষণা কারী হবু রাষ্ট্রর সৈন্য দের নিকেশ করতে ফাইটার প্লেন থেকে বোম ফেলে, দু চাট্টে বোফর্স দাগে আর কার্ল গুস্তাভ রকেট চালিয়ে দেয় তাহলে সেটাও তো গণহত্যা নয় ? নাকি তখন মানবতার "ফিলসফি মারানো' হবে? এক যাত্রায় পৃথক ফল হবে কেন ? আর লক্ষ লক্ষ জওয়ান ও তাদের পরিবার যদি মাওয়িস্ট দের মুন্ডু চাই বলে মিছিল করে কি বলবেন?
  • SB | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ২০:২০431787
  • কল্লোলদা তো যেকোন হিংসারই বিরুদ্ধে। হিংসা প্রতিহিংসা দিয়ে সমাধানের রাস্তা বেরোবে না, এটাই বলছেন।
  • a x | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ২১:১২431789
  • দেবেশ রায়ের লেখা আর ঐ মণিপুর ত্রিপুরার হিসেবটা এই -

    কুইট ইন্ডিয়া মুভমেন্ট থামাতে লর্ড লিনলিথগো ১৯৪২'এ যে অর্ডিন্যান্স এনেছিলেন, Armed Forces Special Powers Act তারই আরেকটু রুক্ষ ভার্শান। ১৯৫৮'র মধ্যে এই আইন মণিপুরের কিছু অঞ্চলে বলবৎ করা হয়, disturbed এলাকা তকমা লাগিয়ে। ১৯৬৫ তে পুরো মিজোরাম (তখনও আসামের অন্তর্গত) এই disturbed এলাকা হয়ে যায়। ১৯৭২'এ পৌঁছে যায় ত্রিপুরা অবধি এবং ১৯৮০ তে পুরো মণিপুরই disturbed area

    তো কি দেখা গেল -
    দেখা গেল এই যে এইধরণের দমনমূলক ব্যবস্থা দিয়ে কিছুই লাভ হয়না বরং উল্টো ফল হয়।

    হ্যাঁ যদিনা অটোক্র্যাসি হয়। যেমন ভাবে সুহার্তোরা করতে পারল এমন ভাবে মারল তো মারল ঝাড়ে বংশে যে আর আগামী কোনো জন্মে ওখানে কম্যুনিজম দাঁড়াতে পারবেনা মনে হয়।
  • . | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০০:২৬431790
  • এই লেখাগুলো থাক এখানে:

    http://www.outlookindia.com/article.aspx?264255
    http://www.outlookindia.com/article.aspx?264256
    http://www.outlookindia.com/article.aspx?264257
    http://www.outlookindia.com/article.aspx?264274


    একটা প্রশ্ন ছিল রঞ্জনদাকে। প্রথম লেখাটার সূত্রে:

    "As we weigh our options, we decide to visit a prosperous Vanvasi Kalyan Kendra (an RSS affiliate) leader I have met before in Raipur. It’s a happy choice: within minutes, his living room fills up with local politicos-cum-businessmen, interestingly a cross-party mix. A Congress municipal councillor, who runs a bus service among other things, says private business is prospering in all the Maoist-affected districts. What about the Maoists, the class enemies of big business? He laughs. “If the government wants,” he says, “the Maoists can be finished off very quickly. But no one wants that—neither the BJP nor the Congress. Go and see for yourself. And the traders and businessmen who live there are so happily ensconced there that they don’t want to leave.” I turn to our host: he nods in agreement, as does everyone in the room. Most businessmen in the state, they say, pay their “taxes” to the Maoists and, in return, are permitted to function unmolested. Later, in Jagdalpur, Pawan Dubey, editor of two local papers, confirms this. “Most businessmen,” he tells us, “have patrons among the state ministers, getting contracts, for instance, for building roads under the government’s Gram Sadak Yojana in Bastar, roads that are never built—so it’s a cosy arrangement.” CPI (Maoist) politburo member Kishenji confirmed as much in an interview last year—that the Maoists regularly collect taxes from “the corporates and the big bourgeoisie”."

    ঝাড়খন্ডে মাওবাদী-ব্যবসায়ী-রাজনীতি আঁতাতের কথা মোটামুটি জানা। ছত্তিশগড়ে এটা আছে জানতাম না। আপনার কি মত?
  • Du | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০০:৫২431791
  • দেবেশ রায়ের লেখাটাই তো মনে আসে। যুদ্ধের পথের শেষে আর্মাগাডোন ছাড়া আর কি? সেদিন যখন কাগজে দিলো যে আলু ঠিক দামে বেচলে মাওবাদীরা আলোচনায় বসবে তখন বলাবলি করছি - তো সরকার আলুর ডিস্ট্রেস সেল বন্ধ করে আনুক ওদের আলোচনার টেবিলে। যেভাবে পারা যায় হানাহানি বন্ধ হোক।
    কিন্তু এই কিষেণ্‌জী এক মেগ্যালোমেনিয়াক - এইরকম একটা হত্যাকান্ড করে তার আবার পিস হান্ট নাম দেওয়া - এটা কি সূচিত করে? এ কি কোন আলোচনায় আসতে চাওয়ার ইঙ্গিত? আলোচনাপন্থী আওয়াজ গুলো কিসের ভরসায় বলবে সরকারকে? কিভাবে বলবে আলোচনা চাওয়াটা চালু ছক নয় আলফা ইত্যাদিদের মতো? এদের দেখে (কদিন আগে কয়েকজনকে হাতে পেয়েই মেরে দিল) মনে হয় যেন মারার আনন্দের জন্যই মারা ছাড়া আর কিছু নেই। ভগৎ সিংএরা নিজেদের প্রাণের দামে বক্তব্য শুনিয়েছিলেন দেশবাসীকে - কিষেণজীর বাইট দিচ্ছেন টিভিতে নিরাপদে - এত সুযোগ পেয়েও কি বার্তা তিনি দিচ্ছেন? মেসেজ হলে হয়তো একটাই যে ওনার অনেক শক্তি - যে সরকার ভয় পেয়ে যাক -অভিযান বন্ধ করুক। সেটার মানে কি - ভারতের মধ্যে আরেকটা সাসনব্যবস্থা তারা চালাবে - এবং তাদের অধীন জায়গাটা বিস্তার করতে চেষ্টা করবে? এই মাও ভারত আর বাকী ভারতের মধ্যে কি সম্পর্ক হবে?
    এমনই একটা অবস্থা দাঁড়িয়েছে যে শেষ কোথায় ভাবতে ভয় হয় - পথ কোথায় আদৌ বোঝা যায় না।
    পুরো যুদ্ধই দাঁড়িয়ে যাচ্ছে ব্যপারটা। সরকারকে বাধ্য করা যায় যুদ্ধ থেকে নিরত থাকতে - কিন্তু যুদ্ধের একটা নিয়ম আছে - সেটা যারা জানে তারাই যুদ্ধ করে মারে আর মরেও নিজেরাই। যুদ্ধ থামাতে হলে থামাতে হবে দুপক্ষকেই যারা যুদ্ধ করছে। আমি যদি বলি ছেড়ে দাও নেতাদের, থামিয়ে দাও অভিযান - তাহলে আমার একটা দায় থাকবে - যদি তার পরেও হানাহানি বজায় থাকে - (১) মাওবাদী শাসিত ভারতবর্ষে থাকতে রাজী হওয়া (২) এখনকার শাসন চাইলে নিজে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযানে যাওয়া।
  • Blank | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০১:০৫431792
  • মার্শাল লোকটা কে? মাওবাদী দের ভেতরে এই মধ্যে পরস্পর বিরোধী সাব গ্রুপ কটা?
  • a x | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০১:৫৩431793
  • দু'র জন্য।
    গতকল্যর ডেকান হেরাল্ডের -

    Both, the government and Maoist leaders are saying they are open to talks. But the government wants the Maoists to abjure violence and the latter while insisting on unconditional talks, want ‘Operation Green Hunt’ to be halted. Both are being disingenuous, expecting of the other what they themselves are unwilling to do.

    If the Maoists are suspicious of the government’s conditional offers of talks, this is because in the past, the government has used ‘ceasefires’ to round up Maoist leaders who come above ground. That was their experience in Andhra Pradesh for instance. The government must convince the Maoists that talks will be aimed at a genuine quest for a settlement.

    A cessation in violence will contribute to improving the atmosphere in the run-up to and during talks. It is a welcome but not an essential condition for talks to begin. Some are opposed to the government halting the operations at this juncture as the ‘gains’ made so far are in danger of being frittered away. But this is short-sighted thinking. The government must take a long-term perspective and this necessitates a halt to ‘Operation Green Hunt’ and initiation of negotiations. Expecting rebels to give up their bargaining chips ahead of negotiations is unrealistic.
  • a x | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০১:৫৯431794
  • কয়েকদিন আগের সিপিআই মাওইস্ট জেনেরাল সেক্রেটারি, গণপতির ইন্টারভিউ-এর অংশ -

    What is your party’s stance on Talks? - প্রশ্নের উত্তরে -

    In general people and Maoist revolutionaries do not want violence or armed confrontation with anybody. In unavoidable condition only they take-up arms and resist their enemies and they are waging liberation war by learning from the history. So, we see this as a war of self-defense.

    In this context of all-out war, we must recognize that the state of Andhra Pradesh has 130 thousand forces, there are 45 thousand forces in Chattisgarh (to soon increase this by more than 20 thousand forces), 160 thousand forces in Maharashtra. Thus each state has a police force which is more than the national level forces of many European countries. The most cruel and dangerous special forces have been trained by the state along with various anti-people draconian laws. Bengal, Bihar, Orissa, Jharkhand, Chattisghad, Maharashtra, Andhra Pradesh along with Uttar Pradesh and Madhya Pradesh have between them more than 700 to 800 thousand of police forces. Out of this, 250 to 300 thousand police forces are directly engaged against the people. And alongside 100 thousand central paramilitary forces have been deployed in these areas. Here people are combating against a stronger force than the movements in North East and Jammu-Kashmir. This is a brutal and violent repression campaign aimed at the suppression of the political movement of the people, and for exploitation of the minerals.

    In this context, if possible we can hope for some respite. Longer the respite better for people. Democratic work needs this context. But while government is holding automatic gun on one hand, one cannot talk about this. People will keep fighting. While pumping bullets people never drop weapons and people never surrender. All democratic, progressive, patriotic forces need to unite and fight against the all-out war on the people by the central and state governments.

    To put concisely the main demands that the party has placed in front of the government for any kind of talks are 1. All-out war has to be withdrawn; 2) For any kind of democratic work, the ban on the Party and Mass Organizations have to be lifted; 3) Illegal detention and torture of comrades had to be stopped and immediately released. If these demands are met, then the same leaders who are released from jails would lead and represent the Party in the talks.
  • Ishan | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০৩:৩৪431795
  • কথা তো সোজা। আমার নিজের পাড়ায় মাওবাদী রাজত্ব চাই? "গণ আদালত' চাই? সামারি এক্সিকিউশন চাই? রাজনৈতিক কর্মীদের "পার্টি ছাড়ছি' বলে ঝোলানো পোস্টার চাই? একদম না।

    অন্যদিকে ভারতের এক তৃতীয়াংশ অঞ্চলে অবাধ নিষ্ঠুর উচ্ছেদ চাই? চুপচাপ নীরবে মরে যাওয়া চাই? শিল্পের নামে বন্দুকের নলের সামনে জমি-মাটি বেচে দেওয়া চাই? জমি দখলের জন্য সালোয়া জুডুম চাই? একদম না।

    তাইলে কি চাই? আমি আমার কথা বলতে পারি। শাইনিং ইন্ডিয়ার আড়ালে উচ্ছেদের অকথিত যে কাহিনী কোনোদিন জানতেও পারতাম না, সেগুলোকে লাইমলাইটে আনার জন্য, তুলে ধরার জন্য, মাওবাদীদের কৃতিত্ব প্রাপ্য। সেটুকু দিতে চাই। কিন্তু ঐ টুকুই। তারপর এই রক্তারক্তি আর চাইনা।

    এই অনর্থক খুনোখুনি বন্ধ হোক, চাই। মাওবাদী-রাষ্ট্র একটা ফলপ্রসূ আলোচনা হোক চাই। মাওবাদীরা মূলস্রোতে ফিরে এসে নিজেদের দাবীদাওয়া গুলির জন্য লড়াই করুন চাই। ব্যস। আর কিচ্ছু চাইনা।
  • Mmu | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০৪:০০431796
  • PT দা,
    আপনাকে ধন্যবাদ জানাই উত্তর দেবার জন্য। আপনার লেখা-----
    "বর্তমান পত্রিকা পড়ার পর সময় হাতে থাকলে........"
    মানে বুঝলাম না ? বর্তমান পত্রিকা কি কোনো পত্রিকা নয় ? এতো জ্বালা কেনো বর্তমান নিয়ে ? আসলে সব খবর মানুষ পেয়ে যায় তার জন্য ?
    যাই হোক সত্যিকে সত্যি বলে মানুন একটু। আমারাও মানি, সবাই মানে। এবার আ:বা: দিলাম, আপত্তি নেই তো ?
    http://www.anandabazar.com/18raj1.htm
    জানি খুব রাগ হচ্ছে আমার উপর। কিন্তু কিছু করার নেই। বাস্তব টা বাস্তব, একে মেনে নিতেই হবে।
    যেমন আগে কং এর ভুলে কং কে অনেক মাশুল দিতে হয়েছে। কিন্তু সবাই মেনে নিয়েছে।
    (ওহ; একটা কথা- বর্তমান পড়ি কারন, অনেক কিছু জানা যায় তার থেকে,ওরা সরকারের ভয়ে গুটিয়ে যায় না। যে কোনো ভুল বড় করে লিখতে পারে)
  • lcm | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০৪:১৭431797
  • ঈশান কি চায় সে না হয় বোঝা গেল, কিন্তু মাওবাদীরা কি চায়? খালিস্তানিরা পাঞ্জাব দেশ চেয়েছিল, GJM গোর্খাল্যান্ড চায় - কিন্তু মাওবাদীরা?
    আর শাইনিং ইন্ডিয়ার আড়ালে যে অনেক ব্যাথা লুকিয়ে আছে সে তো এমনিই দেখা যায়। তার জন্য এত খুনখারাবি ... কেন?
  • pinaki | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০৮:৩০431798
  • ঈশানের বক্তব্য অসম্পূর্ণ। :-)

    কারণ মাওবাদীদের তুমি যে কারণে কৃতিত্ব দিচ্ছ, মাওবাদীদের সাথে কথা বল্লে তারা তোমায় বলবে যে ঐ লাইমলাইটে আনার প্রক্রিয়াটাই রক্তাক্ত। একে৪৭ না নিয়ে ওটা করা যেত না। অর্থাৎ যে রক্তপাত ওরা ঘটাচ্ছে - সেটা বাদ দিয়ে যদি ওরা অন্যকিছু করত তাহলে রাষ্ট্র সেসব আগেই চেপে দিত এবং এই সমস্যাগুলোর কথা লাইমলাইটে আসতই না। অর্থাৎ তাদের মত অনুযায়ী - তোমায় যদি কৃতিত্ব দিতেই হয়, তাহলে পুরোটাকেই দিতে হবে, অর্থাৎ লাইমলাইটে আনাটাকে এবং যে প্রক্রিয়ায় এগুলো লাইমলাইটে আসছে - সেটাকেও। একটা বাদ দিয়ে আর একটাকে কৃতিত্ব দেওয়া যায় না। কারণ প্রক্রিয়াটা বাদ দিয়ে আউটকাম হয় না।

    একটা ডি: এখানে জরুরী। সেটা হল - এগুলো মাওবাদী বা তাঁদের সিমপ্যাথাইজারদের যুক্তি। আমার নয়।

    তাহলে এবার আসলে একটা বিশ্বাসের জায়গা চলে আসছে। তুমি যদি মনেপ্রাণে এটা বিশ্বাস কর যে ঐ পরিমাণে রক্তপাত ছাড়াই এগুলো নিয়ে লড়া যেত এবং লাইমলাইটে আনা যেত, তাহলে তোমায় সেই পয়েন্টে গাঁটের মত লড়ে যেতে হবে এবং বলতে হবে যে এভাবে ইস্যুগুলোকে লাইমলাইটে এনেও আসলে কোনও লাভ হল না, উল্টে ক্ষতি হল। কারণ এই পদ্ধতিতে আসলে ইস্যুগুলোর সামনে আসার পাশাপশি সেগুলোকে সাধারন মানুষের সম্মতি নিয়ে দমন করার জাস্টিফিকেশনটাও রাষ্ট্রকে গিফ্‌ট করা হল। এই বক্তব্যটাকে যুক্তি না বলে বিশ্বাস বলছি তার কারণ মাওবাদীরা ব্যতীত অন্য কোনও দল, যারা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একে৪৭ নিয়ে লড়ছে না - তারা কেউ এটা করে দেখাতে পারে নি। অর্থাৎ তোমার সামনে এই মুহুর্তে কোনও উদাহরণ নেই যেটা দেখিয়ে তুমি জোর গলায় দাবী করতে পারো অন্য ভাবেও হয়।

    আর তোমার যদি বিশ্বাসের জায়গাটা অত দৃঢ় না হয়, তাহলে তুমি দেখবে কোনও না কোনও ভাবে তুমি যাই বল না কেন, সেটা আসলে মাওবাদীদের যুক্তিকাঠামোকে জাস্টিফাই করবে। তুমি এড়াতে পারবে না।
  • kallol | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ০৮:৩১431800
  • মাওবাদীরা রাষ্ট্রের সেনা ক্যাম্পে হামলা করে মারলে - গণহত্যা নয়।
    রাষ্টের সেনা মাওবাদী ক্যাম্পে হামলা করে মারলে - গণহত্যা নয়।
    মাওবাদীরা অন্য দল করার ""অপরাধে"" মানুষ মারলে - গণহত্যা
    রাষ্ট্রের সেনা মাওবাদী বলে সাধারন মানুষ মারলে - গণহত্যা।

    ফিলসফি মারানো হবে - যখন রাষ্ট্রের সাথে কিষনজীরা আলোচনায় বসবেন ও আলোচনা ফলপ্রসূ হবে।
    যখন মাওবাদী বন্দীরা ছাড়া পাবেন। মাওবাদীরা আর মারামারি না করে ভোটে নামবেন -
    তখন রাষ্ট্রের সাধারন সেনা যদি চিদম্বরম কে প্রশ্ন করেন - তাহলে আমরা মরতে গেলাম কেন?
    তখন মাওবাদী সাধারন কর্মী যদি কিষনজীকে প্রশ্ন করেন - তাহলে আমরা মরতে গেলাম কেন?

    আজকের আবাপতে দুটো উত্তর সম্পাদকীয়ই বেশ ভালো।
    http://www.anandabazar.com/18edit3.htm
    আর
    http://www.anandabazar.com/18edit4.htm
    আমরও এটাই বলার ছিলো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন