এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • Banglarmedhakromagotobideseprobasechalanhoyejacche!

    SUVRA BHATTACHARYA
    অন্যান্য | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১১ | ৬১৫২৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Tim | ০৫ অক্টোবর ২০১১ ২২:০৩496145
  • টিউশনি করলে আর দাঁত মাজলে হার্ট অ্যাটাক হয়না। কবি বলেছেন, রোগ নিরাময় নয়, রোগ প্রতিরোধ।
  • T | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ০০:৩৩496146
  • @আকা, দেখুন আমি কলকাতার কাছেই থাকি। গত দশবছরে আমি কলকাতার বিভিন্ন হাসপাতালে রোগী সংক্রান্ত কারণে বহুবার গিয়েছি। কখনো যা সময় লাগার কথা তার থেকে খুব আবনর্মালি বেশী সময় লেগেছে পৌঁছতে,এমন হয়নি। কলকাতা থেকে ৫৯ কিমি দূর থেকেও দুঘন্টার কমে পিজিতে পৌঁছতে পেরেছি। আমার ধারণা কলকাতার ধর্মতলার শহিদ মিনারের পাদদেশ থেকে ৫০ কিমি রেডিয়াসের সার্কেল টানলে, বর্তমান যোগাযোগ ব্যবস্থায় দু-আড়াই ঘন্টার মধ্যে পৌঁছনোর কথা। এই হিসেব ধরে লোকে এখনো নিত্ত নৈমিত্তিক ডেলি প্যাসেঞ্জারি করে। স্বাভাবিক ভ্যারিয়েশন (চান্স কজ)ধরলে হয়ত ৩-৩.৫ ঘন্টা (আমার হিসেবে)। তাই এক্ষেত্রে ৩০ কিমি যেতে ৪ ঘন্টা লাগলে সেটা সম্পূর্ণ স্পেশাল কজের আওতায় ঢুকবে। চান্স কজ নয়।

    পিজি না আর এন টেগোর, এই দ্বিধার জন্য যদি ৩ ঘন্টা সময় যায় তবে আমিও আপনাকে পালটা উদাহরণ দিতে পারি যেখানে এরকম সিদ্ধান্ত ৩ মিনিটে নেওয়া হয়েছে। আমার মনে হয় এই ক্ষেত্রটিও চান্স কজ নয়।

    ডাক্তার ৪ ঘন্টা দেরী করে এসেছে!চীৎকার চেঁচামেচি করেছিলেন কী? না করলে ও তো হবেই। প: ব: তে এই প্রথা সিস্টেমের অন্তর্ভুক্ত। আর এম ও রা দেখভাল করে। ডাক্তার পরে এসে দেখে যায়। জেনারেলি ইমার্জেন্সী কেসে রোগীর পরিবার একটু গলা চড়ালে তবে সরকারী হাসপাতাল গুলোতে ডাক্তাররা চটজলদি দেখে যায়। এটাকে ন্যাচারাল আনোমালি বলা যেতে পারে।

    তো মোটের ওপর কি দাঁড়াল? যে উদাহরণ দিচ্ছেন তার মধ্যে চান্স কজ স্পেশাল কজ মিশে আছে। তাহলে একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না।

    'মানুষের থাকার উপযুক্ত' মানে কী? স্ট্যান্ডার্ড কে ঠিক করে দেবে? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা? আপনি কী ভাবছেন প: ব: হেলথ কেয়ার কখনো প্রথম বিশ্বের মতো হবে? তর্কের বিষয় এটা ছিল না। তাছাড়া একজন গরীব লোকের কাছে যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা মহোত্তম, একজন বড়লোকের কাছে তাই অপ্রতুল মনে হতেই পারে। এ অনেক ঘেঁটে যাওয়া জিনিস, দু এককথায় ফয়সালা করা যায় না। আপনি যদি প্রথমেই বলতেন প: ব: মনুষ্য বসবাস যোগ্য নয় তাহলে এই বিষয়ে কোন কথাই বলতাম না, কারণ এর মধ্যে ব্যক্তিগত পছন্দ অপছন্দ, রুচি, নানান নন কোয়ান্টিফায়েবল ব্যাপার, আবেগ ইমোশন ইত্যাদি হেনা তেনা অনেক ব্যাপার আছে। ঐ সব চান্স কজ ফজ বলেছেন বলেই এত কথা।

    আপনি প্রমাণ করতে চেয়েছেন, 'অস্বাভাবিক রকম অস্বাভাবিকতাই' (কোনো নির্দিষ্ট রেফারেন্সের তুলনায়) প: ব: তে স্বাভাবিক। যাকে আপনি চান্স কজ বলছেন। কিন্তু আপনার বক্তব্যে তার তুল্যমূল্য যুক্তি পাচ্ছি না।

    (ওপরের প্রতিটি কথাই খুব মিহি সুরে বলা, আগ্রেসিভ মোডে নয়)

    @সিকি, পশ্চিমবংগ থাকার যোগ্য কিনা সেই নিয়ে কথা হচ্ছে না। উপরের মন্তব্য দেখুন। চান্স ফ্যাক্টর আর চান্স কজ একই জিনিস নয়। চান্স ফ্যাক্টরে বেঁচে থাকার উপদেশ কেউ দিচ্ছে না।

    বি: দ্র: এই পোস্টের উত্তরে কেউ যেন আবার প: ব: র স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কত খারাপ সেই নিয়ে উদার পর উদা যেন দেবেন
    না। বেহাল অবস্থার কথা সবাই জানে। তর্কের বিষয় সেটা নয়।
  • aka | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ০৮:৫৬496147
  • আপনিই বলেছেন আমার বাবাকে যে অব্যবস্থার মধ্যে পড়তে হয়েছে সেরকম উদাহরণ প:ব:য়ের প্রতিটা পরিবারেই পাওয়া যায় (যা আমার অভিজ্ঞতা এবং কিছু স্ট্যাটিস্টিক্স, এবং আরও অন্য অনেকের অভিজ্ঞতার সাথে মেলে)। তাও সেটা লার্জ এনাফ নয় যে বলা যাবে সিস্টেমের গলতা প্রচূর। প্রতি পরিবারে অন্তত দুজন করে এরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে?

    প:ব:য়ের স্বাস্থ্যের অবস্থা কতটা খারাপ সেটা যদি তর্কের বিষয় না হয় তাহলে তর্কের বিষয়টা কি?
  • T | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ০৯:২২496148
  • @আকা, তর্কের বিষয়টা হলো, আনোমালিটা কতটা অস্বাভাবিক। নিজের কমেন্ট নিজেই পড়ে দেখুন।
    (মিহি সুরে বলা)
  • siki | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ০৯:৩৬496149
  • পঞ্চাশ কিলোমিটার যেতে দু থেকে আড়াই ঘণ্টা! চান্স কজ ধরলে ৩ থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা!!

    না, ভুল বলেন নি। এমনি সময়ই লাগে। মাঝে মাঝে এলে টের পাই, অ্যাকচুয়েলি কলকাতা থেকে কতো দূরে থাকি।

    ভাগ্যিস বেশি বেশি আসি না। পঞ্চাশ কিলোমিটার তিন ঘন্টায়!! দু হাজার এগারো সালেও। বাপরে বাপ!!
  • kd | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ০৯:৫৩496150
  • আকা, তক্কের বিষয় হ'লো ওই যে তুমি লিখলে, চান্স কজ না চান্স ফ্যাক্টর, তাই।

    মুশকিলটা এই যে এখানে আমরা তক্কো/আলোচনা করি, তখন হাল্কা মুডে থাকি, তাই অনেক সময়েই অসাবধান হয়ে মুখ ফসকে, ধুৎ পেন ফসকে, ধুৎ আঙুল ফসকে যা লিখতে চাই, তার বদলে অন্য কিছু লিখে ফেলি (আমার তো এটা প্রায়ই হয় - এখানে ঠিক পরীক্ষা দিতে তো আসিনি)। এখন অন্য একজন আসল টপিক ছেড়ে সেটাকেই ফোকাস করে - হয়তো এটাই ভালো তার্কিকের লক্ষণ। তারপর আমরা ওই স্লিপ অফ হোয়াট্‌এভার সামলাতে গিয়ে তক্কের টপিকটাই পালটে দিইই।
    T ঠিক তাই করেছেন আর তুমি কনফিউজ্‌ড হয়ে এখন জিগ্যেস করছো তর্কের বিষয়টা কী।

    মনে হয় একজন ভালো তার্কিকের কাছে জেতাটাই আসল, গোলি মারো টপিক। :(

    তবে এটা না বলে পারলুম না। T মহাসৌভাগ্যবান, যদি কোনদিন দেখা হয়, আমার কপালটা ওনার কপালে ঘসে আসবো। কি T, দেবেন তো? :)
  • abastab | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ০৯:৫৭496151
  • ১) চেন্নাই শহরে আমায় রোজ সাড়ে তিন কিলোমিটার যেতে হয় সময় লাগে ২০ থেকে ৩০ মিনিট। সে হিসেবে ধরলে ৫০ কিমির জন্য ওরম সময়ই লাগার কথা। এটা শুধু এই জন্য বলা যে ভারতের সর্বত্রই যাতায়াতের ব্যবস্থা একই রকম।

    ২) একই সাথে অবশ্য এও জানাই আমাদের এই চত্বরে Old Mahabaleepuram Road এ বেশ গোটা কতক ভাল ভাল হাসপাতাল বেশ সহজেই যাওয়া যায়।
  • abastab | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ১০:০০496152
  • ঐ হাসপাতালগুলো অবশ্য বেসরকারী। সরকারী হাসপাতালের খোঁজ জানিনা।
  • T | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ১১:০৬496153
  • @সিকি, হ্যাঁ দাদা/দিদি। কোলকাতার ৫০ কিমি দূর থেকে ধর্মতলায় পৌঁছতে এই রকমই সময় লাগে।

    @কেডি, শুনুন আমি 'তক্কোর' টপিক পাল্টাতে যাব কেন? প: ব:র স্বাস্থ্য ব্যবস্থা যে বেহাল (দেশের বেশ কিছু অন্যন্য জায়গার তুলনায়) সেকথা সকলে জানে। ও নিয়ে কথা বললে টাইম পাস হয়, 'তক্কো' হয় না।
    চান্স কজ বলতে আমি চান্স ফ্যাক্টর বুঝি না। তা সে সংক্রান্ত কনফিউশন কিলিয়ার করতে বলা কী দোষ নাকি?

    আমার সৌভাগ্যবান হওয়ার কারণও এই হেঁড়ে মাথায় ঢুকল না। তবে দেখা হলে দু-একপাত্তর খোশগল্পে আপত্তি কী, নিদেনপক্ষে বিজ্ঞজনের পায়ের ধুলোটুকুও তো পাব। লুরুতে থাকি মশাই, আই আই এস সি ক্যাম্পাসে যদি পদধূলি দেন কখনো, তো অধমকে একবার খবর দেবেন।
  • siki | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ১১:১৩496155
  • টি, আহা আমিও তো তাইই কইছি। এই রকমই সময় লাগে, এই দু হাজার এগারো সালেও। এবং আমার বাড়ি থেকে ধর্মতলা/শিয়ালদার কাছে বাই রোড কোনও ইমার্জেন্সী পেশেন্টকে নিয়ে আসতে হলে আমাকে চান্স ফ্যাক্টর ক্যালকুলেট করতেই হবে। কারণ ঐ পঞ্চাশ কিলোমিটারের মধ্যে আর দ্বিতীয় কোনও অপশন নেই।

    অবাস্তব, আমার অফিস আমার বাড়ি থেকে পঁয়ষট্টি কিলোমিটার দূরে। যাই এক থেকে সোয়া এক ঘণ্টায়, আসি পৌনে দু ঘণ্টায়। দৈনিক একশো তিরিশ কিলোমিটার যাই আসি গড়ে আড়াই তিন ঘণ্টায়। কাজেই "সারা ভারতবর্ষ' কথাটা এখানে খাটে না।

    তো এইবারে প্রশ্নটা এখানেই। এর পরেও আমি ঠিক কী মধুর কারণে পশ্চিমবঙ্গে / কলকাতায় থাকব? ওখানে সবাই বাংলা ভাষায় কথা বলে বলে?

    ও হ্যাঁ, আমার বাড়ির সবচেয়ে কাছের ভালো হাসপাতাল, যেখানে রাতবিরেতে গেলে অন্তত প্রাথমিক কেয়ারটুকু পাওয়া যাবে, এবং নিখরচায় (ওষুধের দাম বাদে) দূরত্ব তিনশো মিটার। রাস্তার এপার থেকে ওপারে।

    আমি কেন থাকব পশ্চিমবাংলায়? আকা কেন থাকবে? :)
  • ridhhiman | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ১১:১৫496156
  • আকাবাবু রাগের মাথায় কিছু বলেছেন।

    আমার সামান্য ইকুর ভিত্তিতে বলি-
    একটা দেশ/রাজ্য কে থাকার অযোগ্য বলা, সেই দেশে মানুষের বেচে থাকাকে এক কথায় মুল্যহীন বলার সামিল। এই আমরা ছোট্ট থেকে এরকম একটা জায়গায় হেসে খেলে বড় হয়েচি, এই আমাদের সব কিছু কে ট্রিভিয়ালাইজ করে দেয়। তাই এরকম স্টেটমেন্ট করার আগে একটু সংবেদনশীলতার প্রয়োজন। অগ্নীশ্মর ডাক্তারের লাস্ট ডায়লগ মনে করুন।
  • riddhi | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ১১:১৬496157
  • সিকি কি কারণে এখানে লেখেন? এখানে সবাই বাংলায় লেখে বলে?
  • siki | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ১১:৩৬496158
  • :) এখানে লেখাটা তো আলাস্কা থেকে যতটা সহজ, বালুরঘাট থেকেও ততটা সহজ। ওটা কি তুলনা হল ভাই?

    শুধু বাংলায় লেখার দশগণ্ডা ব্লগ সাইট আছে। সেখানে লিখি না কেন? কেবল এখানেই লিখি কেন? :) শুধুই বাংলায় লেখা যায় বলে?
  • siki | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ১১:৩৮496159
  • ঋদ্ধি @ ১১:১৫ --

    আমিও তো এখানেই জন্মেছি, হেসেখেলে পড়াশোনা করে বড় হয়েছি। লিখলাম না আগেই, জীবনের প্রথম তেইশটা বছর কাটিয়েছি বাংলার বুকে। সংবেদনশীলতা নেই কে বল্লে? :)
  • sayan | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ১২:০৮496160
  • - পশ্চিমবঙ্গকে থাকার অযোগ্য ততোটা মনে করি না যতোটা কলকাতাকে করি।
    - এই মনে করায় হোলিয়ার-দ্যান-দাউ অনুভূতি নাই, বরং কিছুটা খারাপ লাগা আছে।
    - নিজের জন্মস্থানকে, সে যেখানেই হোক, কেউ অকারণে ঘেন্না, সমালোচনা করে না।
    - পশ্চিমবঙ্গ তথা কলকাতার ঠিক যে যে ব্যাপারগুলো ওখানে ফেরা/না-ফেরার মাপকাঠি তৈরী করে, সেগুলোকে অ্যাড্রেস না ক'রে শুধুই মেরা বাংলা মহান বলে চিল্লালে লোকে পোতিক্রিয়াশীল বলবে।
    - লাস্ট বাট নট দ্য লীস্ট, ওই সকল হাশ-হাশ ব্যাপারগুলি এতদিনেও শুধরায়নি বলেই অনেকে ফেরার দু:সাহস দেখায় না। আমার নিজের ব্যাপার যদিও আলাদা।
  • kd | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ১২:১৭496161
  • T, আপনি চান্স কজ আর চান্স ফ্যাক্টরের তফাৎ জানেন আর আমি এই দু'টো এই প্রথম শুনলুম। আমার বিদ্যেবুদ্ধি বলছি মশাই, যে সব প্রতিষ্ঠানের নাম 'আই' দিয়ে শুরু, সেখানে আমার ভিজিটর হিসেবে যাওয়ারও মুরোদ নেই (তবে কেটারারের লোক হয়ে হয়তো যেতেও পারি)।

    আর এই ঠেকে তো আমরা (অন্তত: আমি) টাইম পাস করতেই আসি। কেউ জ্ঞানগর্ভ আলোচনা শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত কী দাঁড়ায় দেখেন নি? এখানে মাঝে মধ্যে নিজেদের জীবনের সুখ-দু:খও শেয়ার করি আর তখন কোন কোন সিচুয়েশানের প্রশংসা-নিন্দেও হয়ে যায়। আর সব কিছুতেই একটু বাড়াবাড়ি করা তো আমাদের বাঙালীদের অব্যেসই, তাই না?

    ঋদ্ধিমান, আপনার ইকুর প্রথম লাইনটার সঙ্গে একমত হতে পারলুম না। আমার বাড়ির পাশেই কালিকান্তর বস্তি। আমি ওই বস্তি আমার থাকার অযোগ্য মনে করি (ভাবতে পারেন, কারুর এসি নেই। এসি ছাড়া বাঁচা যায়, বলুন?)। কিন্তু ওই বস্তিতেই আমার ছোটবেলার বন্ধুরা থাকে, প্রায় রোজই আড্ডা মারি - ওদের বেঁচে থাকা মূল্যহীন কেন ভাববো? ওরা না থাকলে গঙ্গাঘাটের আড্ডা কাদের সঙ্গে মারবো? আমার তো মনে হয় ওরা ঘামতে খুব ভালোবাসে।
    আচ্ছা, ""ইকু'' মানে কি?
  • T | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ১২:৩৫496162
  • @সিকি, ও মশাই চান্স ফ্যাক্টরের কথা হচ্ছে না। চান্স কজ ফজ এইসব নিয়ে কথা হচ্ছিল।
    প: ব: তে কী মধু আছে এ নিয়ে মশাই ব্যক্তি নিরপেক্ষ মতামত হতে পারে কী? আপনার মনে হবে নেই, অন্য কারো মনে হবে আছে। যার যার নিজের ব্যাপার। যেমন এই সাইটেই খালি আপনি লেখেন (অথচ দেখুন এই সাইটের থেকে ঢের বেশী ব্যবস্থাপনা অন্য সাইটে পাবেন), তাহলে সেখানে কেন লিখছেন না? এখানে কী মধু আছে? এই রকম কোশ্চেন পয়দা হয় আর কি।

    @কেডী, ও মশাই, আমারও বিদ্যেবুদ্ধি খুব কিস্যু নেই। আপনি সাক্ষাতের কথা বলছিলেন তাই স্থান কালের উল্লেখ করেছিলাম।
    যতদূর মনে পড়ে আগেকার ভাটপত্তর অনুযায়ী কে যেন বলেছিল সব আলোচনাই শেষে লুঙ্গীতে এসে ঠেকে। তর্ক চালিয়ে গেলে এই ব্যাপারটা একটু দীর্ঘায়িত হয় বোধহয়।

    যাক গে, দশুমীর দিন এসব থাক। বিজর শুভেচ্ছা নেবেন।
  • kd | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ১৩:০১496163
  • হ্যাঁ, এবার বেরোই। মামারবাড়ি যেতে হবে। সেখান থেকে ভাসানে যেতে হবে জগন্নাথ ঘাট অব্দি। ব্যান্ডের সঙ্গে টুইস নাচতে হবে। ফিরে এসে সিদ্ধি খেতে হবে। উ: কতো কাজ!

    আচ্ছা, এখন তো রবিন্দোসঙ্গীত চলছে সব জায়গায়। এর সঙ্গে কি টুইস নাচা যায়? আমি কিন্তু "ধন্ন ধান্নে'র সঙ্গে টুইস হেব্বি পারি। :)

    এবার আবার লাঠি হাতে! কেসটা ভালোই জমবে।
  • siki | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ১৩:০৯496164
  • দুটি নাচের সঙ্গে ভালো টুইস জমে। ব্যাঞ্জো-ও জমে। আমি নেচেছিলাম। এদের মধ্যে একটা রবীন্দ্রসঙ্গীত।

    নদী আপনবেগে পাগলপারা।
    মায়ের পায়ের জবা হয়ে।
  • siki | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ১৩:১১496166
  • লাঠি হাতে ডান্ডিয়া নেচে নাও না। দারুণ জমবে কিন্তু :)
  • abastab | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ১৩:৩৪496167
  • কমনওয়েল্‌থ গেমসের কল্যাণে দিল্লী অঞ্চলের যাতায়াতের ব্যবস্থাটা মনে হয় ভাল। তবে আমাদের দেশে গড় পরিবহন পরিকাঠামো ভাল নয় বলেই মনে করি। অবশ্য সুনির্দিষ্ট তথ্য হাতে নেই।
  • kd | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ১৩:৩৮496168
  • কলেজে ফিজিক্স ল্যাবে "জনগনমন'র সঙ্গে টুইস প্যাক্টিস করছিলুম। বুদ্ধি করে পাটনার নিয়েছিলুম ইলেক্ট্রিক্যালের স্বপ্না ঘোষকে - অনেক সুবিদে। এক, লেখাপড়ায় মানে ল্যাবে সিরিয়াস, অতএব আমি ফ্রি। দুই, কিছু না করলেও নো খিস্তি, আমাদের টাইমে মেয়েরা ভদ্দরলোক ছিলো।

    কিন্তু ল্যাবের শেষে রিপোর্ট জমা দিয়ে ফিরে এসে স্বপ্না কাঁদোকাঁদো মুখে বল্লো, তোমাদের কোন আক্কেল নেই
    (এর থেকে কঠিন গালাগালি কি মেয়েরা পারে?)? এই দ্যাকো, ""ঘোড়া'' কি লিখেছে, পার্টনার ফাউন্ড ডান্সিং, হেন্স ডেল্টা (মানে রিপিট টেস্ট)।

    তবে নাচের ট্রেনিংটা ভালোই হয়েছিলো, যদিও স্বপ্নার তা মনে হয় নি।
  • kd | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ১৩:৩৯496169
  • দেখি, আর একটা লেঠেল যদি পাই।
  • pi | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ১৫:০৭496170
  • হুতো, লেঠেল কাব্লিদার ডান্ডিয়ার ছবি চাই !
  • aka | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ১৬:২৫496171
  • বোঝো! না: আর পারি না।

    প:ব:য়ে মানুষের বেঁচে থাকা = অ্যাসাইনেবল কজ + চান্স কজ।

    অ্যাসাইনেবল কজ কি কি?

    ১। হার্ট অ্যাটাকের মতন অসুখে নূন্যতম সময়ে হাসপাতালে পৌঁছন যাবে।

    ২। বাড়ির খুব কাছে হাসপাতাল থাকবে (যেখানে গেলে বাঁচা যায়, মানে একটা অ্যাস্পিরিন থাকবে)।

    ৩। আমার সাথে যণ্ডা গুণ্ডা থাকুক বা না থাকুক, চেঁচাতে পারি বা না পারি সাথে সাথে ডাক্তার দেখবে।

    ৪। ভালো ডাক্তার থাকবে

    আর চান্স কজ কি?

    কিসুই করলেন না কিন্তু তাও রোগী বেঁচে গেল।

    এবারে প্রোবাবিলিটি (ওপরের অ্যাসাইনেবল কজগুলো কারুর ক্ষেত্রে কাজ করল না) = প:ব: যতজন লোক আছে /প:ব:য়ে যতগুলো ফ্যামিলি আছে (রেফ: T র পোস্ট যেখানে উনি বলেছেন প্রতি পরিবারেই আমার বাবার মতন অন্তত একটি কেস আছে।

    তো এর থেকে দাঁড়াল কি? না, প:ব:য়ে আপনার পরিবারের অন্তত একজন সদস্যকে এই অব্যবস্থার সম্মুখীন হতে হবে তার প্রোবাবিলিটি হাই। এবারে আমি ছাতার মাথা ভীতু লোক পরিবারের সবাই সমান। কাকে ছেড়ে কাকে বাছব বুঝি না। আর হেব্বি স্বার্থপর টাইপ বাংলা, পুজো, ব্রিজ খেলা, মাতৃভূমি, মোবা-ইবে, ইডেন গার্ডেন, শ্যালদা স্টেশনের কচুরীর থেকে পরিবারের একজন সদস্যের জীবন বেশি মূল্যবান মনে করি। পারলে সবাইকে বালের জায়গা থেকে নিয়ে অন্য জায়গায় নিয়ে যাই (দু:খের বিষয় পারি না)।

    ওদিকে T বা রিদ্ধি হেব্বি সেন্সিটিভ টাইপ ওনারা মনে করেন প:ব: মাতৃভূমি এসবের জন্য পরিবারের একজনের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা যায়।

    তাই তক্কোটি চান্স কজও নয় চান্স ফ্যাক্টরেরও নয় ফিলজফির বাংলায় যাকে সেন্সিটিভিটি বলে (রিদ্ধিমান বলেছে)।

    তো এমনিতে প:ব:য়ে ডেটা ফেটা পাওয়া মুশকিল। তাও এটা পেলাম

    West Bengal, one of the large states in India with 80 million people, records an estimated 58000 infant deaths (out of 1.5 million births) every year. The main reason for such a large number of deaths is the lack of access to quality health services in remote rural areas.

    শুধুমাত্র ৫৮০০০ শিশু প্রতিবছর কোয়ালিটি হেলথ কেয়ার না পেয়ে মারা যায়, কিন্তু ভেবে দেখুন দিকি কত মিলিয়ন শিশু আবার এই কোয়ালিটি হেলথ কেয়ার না পেয়েও বেঁচে আছে। আমি বলব বাকি শিশুরা কোয়ালিটি হেলথ কেয়ার না পেয়েও বেঁচে আছে সেটা চান্স কজ, T বলবেন আসলে তা নয় সেটা চান্স ফ্যাক্টর। তবে মৃত্যুর পরে শুধুই শূন্যতা সেখানে চান্স কজ আর ফ্যাক্টর অ্যাসিমপ্টোটিকালি কনভার্জ করে।
  • rimi | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ১৮:১৮496172
  • বাপ রে !! টি কি আই আই এস সির ছাত্র না অধ্যাপক? তীর্থদা নাকি? ওরে বাবা!
  • T | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ১৮:৪৫496173
  • @আকা,না দাদা সত্যিই পারেননি।

    ১। মনে হচ্ছে চান্স কজ আর আসাইনেবল কজের ডেফিনেশনই পালটে যাচ্ছে।
    একটা সিস্টেমের টোটাল ভ্যারিয়েশন যদি সাম অফ মেনি স্মল ভ্যারিয়েশন হয় যাদের একটি নির্দিষ্ট প্রব্যাবিলিটি ডিস্ট্রিবুশন আছে তাহলে সেই সিস্টেমকে
    'এ স্টেবল সিস্টেম অফ চান্স কজ'বলতে হবে। আর ভ্যারিয়েশনগুলো চান্স কজের মধ্যে পড়বে। আসাইনেবল কজ হল সেই সব ভ্যারিয়েশন যার পেছনে এমন কোন প্রব্যাবিলিটি ডিস্ট্রিবিউশনের গপ্পো আওড়ানো যাবে না। সুতরাং এসব পুরোটাই ভ্যারিয়েশনের ক্লাসিফিকেশন। স্যুয়ার্ট সাহেবের থিয়োরী দেখুন। ভুল হলে ধরিয়ে দিন।
    তো,
    'চান্স কজ কি? কিস্যু করলেন না রুগী বেঁচে গেল'এই ধরণের থিয়োরী পাচ্ছেন কোথা থেকে বলুন তো। আইডেনটিটি লেখার আগে ডান দিক বাঁদিক ভালো করে দেখবেন তো। এখানে সিস্টেমটা কোনটা? চান্স কজ বলতে কি পাতি বাংলার 'ভাগ্যের জেরে'বোঝাতে চাইছেন? ভ্যারিয়েশনের ক্লাসিফিকেশনকে সিস্টেমের সংজ্ঞা বলে চালাতে চেষ্টা করছেন কেন?
    আসাইনেবল কজ বলে ভুল্‌ব্‌হাল উদাহরণ দিয়েছেন। ওগুলো সিস্টেমের মূলগত ব্যাপার।
    ২।
    এবার প্রব্যাবিলিটির গপ্পে আসুন। সেখানেও ভুল। যে ইকোয়েশন লিখেছেন তাতে মশাই ভ্যালু ১ এর অনেক বেশী হয়ে যাচ্ছে। (কারণ ফ্যামিলির থেকে লোকের সংখ্যা বেশী)। কনসিকোয়েন্টিলি তার নীচে যে স্টেটমেন্ট লিখেছেন তাও তাহলে ধর্তব্যের মধ্যে নয়।

    ৩। আমি বলছি শুনুন,আসাইনেবল কজের যে উদা গুলো দিয়েছেন ওগুলো সিস্টেমের বেসিক কিছু জিনিস যা সিস্টেম প্রোভাইড করতে চায়। হার্ট আটাকের ..., বাড়ির কাছে হাসপাতাল...ইত্যাদি ইত্যাদি। এখন এর ওপর ভ্যারিয়েশন চাপান। অর্থাৎ ন্যূনতম সময়ে পৌঁছতে পারলেন না। কারণ জ্যাম ট্রাফিক ইত্যাদি। তাই হাতে সময় নিয়ে বেরোতে হয়। কত সময়? না, 'এই ধরুন দাদা, আজ দশুমী তো তাই ট্যাক্সি পাবেন না, সকাল সকাল বেরিয়ে পরুন' ইত্যাদি ইত্যাদি। মানে এখানে হিডেন এমপেরিক্যাল ডিস্ট্রিবুশনের গপ্পো আছে। তাই দুঘন্টা লেট হলে সেটা ঐ চান্স কজের আওতায় আসবে। কিন্তু দেখলেন কপাল খারাপ মাঝপথে টায়ার ফাঁসলো। ৪ ঘন্টা লেট হল। এ কি আগে থেকে ভেবেছিলেন?তাই আসাইনেবল কজ। এই কত ঘন্টা লেট হলে সেটা কোন কজের মধ্যে পড়বে সেটা নিয়ে পন্ডিত রা স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করেননি। এসব জনগণ স্ব স্ব ধারণা থেকে তৈরী করে। কোন গ্লোবাল কনশেন্সাস আছে কিনা বলতে পারব না। তো,এই হিসেবে সমস্ত সিস্টেমের চান্স কজ আর স্পেশাল কজ থাকে। তাই প: ব: তে এসব আছে বলে আপনি যদি আকাশ থেকে পড়েন তাহলে কিছু বলার নেই। সাহেবদের দেশেও আছে। (থিয়োরী গুলো তো ওঁদেরই)কোনো রেফারেন্সের রেস্পেক্টে এর মাত্রা কতটা খারাপ না ভালো,সেটাই একমাত্র তর্কযোগ্য বিষয়। অবশ্য এর পুরোটাই নির্ভর করছে আপনি ডেমোক্রিটাস না এপিকুরাস কোন ফিলোসফি আওড়াচ্ছেন তার ওপর।

    ৪। আমার মনে হয় আপনি পাতি বলতে চাইছেন যে প: ব: তে ফেরা যাবে না,কারণ আপনার বেসিক নিডগুলো ফুলফিল করার মতো পরিকাঠামো প: ব: তে নেই। তো ঠিক আছে,সেখানে ঝামেলা কোথায়। এ তো যার যার নিজের নিজের ধারণার ব্যাপার।

    ৫। কোথায় লিখেছি দেখান তো যে মাতৃভুমি ইত্যাদির জন্য পরিবারের জীবন নিয়ে ছেলেখেলা করা যায়। যত্তসব বাজে জেনারালাইজেশন! (এটা আর মিহি করে বলা নয়,যথেষ্ট আগ্রেসিভ হয়েই বললাম)

    ৬। ঐ প: ব: এর স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উদা গিয়ে লাভ নেই। যারা এখানে থাকে তারা ওসব জানে। গত দশবছরের পরিসংখ্যান দেখলে দেখবেন হেলথ কেয়ারের ধসে পড়া সিস্টেমে এই সংখ্যাটি জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে প্রায় সমানুপাতে বেড়েছে। অর্থাৎ এখানে শিশুমৃত্যুর হারের নির্দিষ্ট ডিস্ট্রিবুশন তৈরী করা সম্ভব। তাই শিশু মৃত্যুকে সিস্টেমের ভ্যারিয়েশন ধরলে তা চান্স কজের আওতায় আসবে। সুতরাং আপনি বলতে পারেন, যে সমস্ত শিশুরা কোয়ালিটী হেলথ কেয়ার না পেয়েও বেঁচে আছে তারা ভাগ্যের জোরে বেঁচে আছে। এখানে ঐ 'ভাগ্যের জোর' বলতে নেহাত পাতি বাংলার ভাগ্যের জোর বোঝাচ্ছে।
    ৭। লাস্ট লাইনে কাব্য ভালৈ হয়েছে।
    ৮। আশা করি আপনার বাবা এখন সুস্থ আছেন। পরিবারের কারোর সাথে এমন ঘটনা ঘটলে যে রাগ হওয়া স্বাভাবিক তাও জানি।
    কী আর করা যাবে বলুন,এই সব নিয়েই আমরা প: ব: বাসীরা বেঁচে আছি। আপনি যেমন বলেছেন 'অদম্য জীবনীশক্তি আছে'। এ বিষয়ে সম্প্রতি পড়া একটি ঘটনা বলি। এটি পড়লাম তপন রায়চৌধুরীর বই 'বাঙালনামা'তে। ভদ্রলোক লিখেছেন যে,জাতীয় মহাফেজখানায় চাকরী করার সময় উনি অবাক হয়ে যেতেন এই ভেবে যে এত গরমিল সঙ্কেÄও ভারতবর্ষটা চলছে কি করে! প্রাজ্ঞজনের কথা বললে লোকে শোনে তাই বললাম আর কি!

    ধুর আর লিখতে পারছি না। তর্কে ইতি টানলাম। বিসজ্জন কত্তে যাচ্ছি। সক্কলে এবং আকাবাবু ভালো থাকবেন।
  • T | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ১৮:৪৭496174
  • @রিমি, না না ঐ তীর্থদা টা নই। আমি পাতি ছাত্র। গবেষণা না কি যেন বলে ওরা, ঐ সেইসব করে 'করে খাই'। নিতান্ত দু:খী লোক।
  • aka | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ১৮:৫৪496175
  • T কিছু মুচকি হাসি ছাড়া আর কিসুই দেবার যে নেই। ভালো থাকুন, বিসর্জন করুন।
  • aka | ০৬ অক্টোবর ২০১১ ১৮:৫৭496177
  • তবে আপনি বেশ রসিক লোক, হার্ট অ্যাটাকে টাইম নিয়ে বেরতে সাজেস্ট করেছেন।

    মানে আগামীকাল আমার হার্ট অ্যাটাক হবে তাই বালিশ বিছানা নিয়ে এখন থেকে ট্যাক্সিতে চড়ে পড়ব।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন